Showing posts with label bcb. Show all posts
Showing posts with label bcb. Show all posts
তামিম আর বোলারদের ভালো প্রস্তুতি, অস্বস্তি মোস্তাফিজকে নিয়ে

তামিম আর বোলারদের ভালো প্রস্তুতি, অস্বস্তি মোস্তাফিজকে নিয়ে

 https://images.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2021-05%2Fc5bda5c0-4a55-4c24-9e44-5bea0da89136%2FTamim.jpg?rect=0%2C0%2C3000%2C1688&auto=format%2Ccompress&fmt=webp&format=webp&w=900&dpr=1.0

ওয়ানডে সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট হাতে তামিম ইকবাল আর নিচের দিকের ব্যাটসম্যানদের অনুশীলন ভালো হয়েছে। প্রস্তুতিটা ভালো হলো বাংলাদেশ বোলারদেরও। আগে ব্যাটিং করে ২৯৬ রান তোলে বাংলাদেশ। তামিম করেছেন ৬২ বলে ৬৬ রান। জিম্বাবুয়ে ৪০.১ ওভারে করেছে ৭ উইকেটে ১৮৯ রান তোলার পর আলোকস্বল্পতায় খেলা হয়নি আর।

ডি/এল পদ্ধতিতে ম্যাচ বাংলাদেশই জিতেছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, কত রানের ব্যবধানে এল সেই জয়, সেটি এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলও জানতে পারেনি। ম্যাচ কর্মকর্তারা নাকি তাদের কিছু জানাননি।

এদিন ব্যাটিং করলেও বোলিং করেননি সাকিব, খেলেননি তাসকিন আহমেদ। কিন্তু এই ‘ভালো’র ভিড়ে একটা অস্বস্তিও থেকে গেছে বাংলাদেশের। বোলিংয়ের সময় প্রথম ওভারেই উঠে গেছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

হারারের হাইফিল্ডের তাকাশিঙ্গা স্পোর্টস ক্লাবে বাংলাদেশের ওপেনিংয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে নেমেছিলেন মোহাম্মদ নাঈম। শুরুটা ধীরগতির করেছিলেন দুজনই। প্রথম ৩৫ বলে ২৩ রান করেছিলেন তামিম, নাইমের প্রথম ৩১ বলে রান ছিল ২০। 

 ৩০ বলে ৩৬ রান করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন।

১২তম ওভারে গিয়ার বদলেছেন তামিম, চড়াও হয়েছিলেন ফারাজ আকরামের ওপর। সে ওভারে তিন চারের সঙ্গে এক্সট্রা কাভার দিয়ে তামিম মেরেছেন একটি ছয়, একলাফে পৌঁছে যান ৪০ বলে ৪১ রানে। তামিম পারলেও গিয়ার বদলাতে পারেননি নাইম। চিভাঙ্গাকে তুলে মারতে গিয়েছিলেন নাইম, বল তাঁর ব্যাটের ওপরের কানায় লেগে হলো ক্যাচ! আউট হওয়ার আগে করতে নাইম পেরেছেন ৫২ বলে ২৫ রান। ৮১ রানের ওপেনিং জুটি ভেঙেছে তাতেই।

তানাকা চিভাঙ্গাকে মারা দুই চারে তামিম ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৪৬ বলে। ফিফটির পর মেরেছিলেন আরও দুই চার। ওয়েসলি মাধেভেরের বলে আলগা শটে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। শটটা খেলার পর প্রায় মাথায় হাত দিয়েছিলেন, যেন বুঝতেই পারেননি সেখানে ফিল্ডার আছে অথবা তাঁর শটটা সেখানে যাবে!

এরপর দ্রুতই ফিরেছেন লিটন দাস, ৬ বলে ২ রান করে মাধেভেরের বলে ক্রিজ ছেড়ে খেলতে এসে স্টাম্পড হয়েছেন। মোহাম্মদ মিঠুন ৪২ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৩৯ রান করে স্বেচ্ছা অবসরে গেলেও তিনে নামা সাকিব ছিলেন ধীরগতির, শেষ পর্যন্ত ৬০ বলে ৩৯ রানের ইনিংসে তিনি মেরেছেন শুধু একটি চার।

ছয়ে নামা মোসাদ্দেক হোসেন করেছেন ৩০ বলে ৩৬, ৩ চার ও ২ ছয়ে। স্বেচ্ছায় অবসরে গেছেন তিনিও। আর চিভাঙ্গার বলে এলবিডব্লু হওয়ার আগে ৩ চার ও ১ ছয়ে ২৩ বলে ২৮ রান করেছেন আফিফ হোসেন। শেষ দিকে নুরুল হাসানের ১২ বলে ১৮ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের অপরাজিত ১০ বলে ১২ রানে ৩০০-এর কাছাকাছি গেছে বাংলাদেশ। শেষ ১০ ওভারেই উঠেছে ৯৪ রান।

বোলিংয়ে অবশ্য শুরুতেই অস্বস্তিই হলো বাংলাদেশের সঙ্গী। প্রথম ওভার করতে এসে অ্যাঙ্কেলে অস্বস্তি নিয়ে উঠে গেছেন মোস্তাফিজুর রহমান, এর আগে করেছিলেন ৫ বল। এরপর বরফ দেওয়া হয়েছে তাঁর পায়ে।

অন্য প্রান্তে বোলিংয়ে এসেছিলেন সাইফউদ্দিন, প্রথম উইকেটও পেয়েছেন তিনিই। মাধেভেরে (১৩ বলে ১৪ রান) তাঁর বলে হয়েছেন কট-বিহাইন্ড। পরের ওভারে তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে ফিরিয়েছেন শরীফুল ইসলাম।

বাংলাদেশের নাঈমের মতোই এক ইনিংস এরপর খেলেছেন জিম্বাবুয়ের শেষ ওয়ানডে সিরিজের অধিনায়ক চামু চিবাবা। সাইফউদ্দিনের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ৫১ বলে তিনি করেছেন ১৭ রান। এর আগেই পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিয়েছিলেন ইবাদত হোসেন। ওয়ানডে স্কোয়াডে না থাকলেও টেস্ট ম্যাচের পর দলের সঙ্গে থেকে গেছেন এই পেসার। প্রথমে ২৯ বলে ৪২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলা ডিওন মায়ার্সকে ফেরান ইবাদত, পরের বলে বোল্ড করেন তিনাশে কামুনহুকামওয়েকে। এরপর সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্লকে ফিরিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন।

অষ্টম উইকেটে অবশ্য ব্যাটিং অনুশীলনটা ভালোই করেছেন টিমাইসেন মারুমা ও রিচমন্ড মুতুম্বামি। মারুমা অপরাজিত ছিলেন সমানসংখ্যক বলে ৫৯ রানে, ৩১ বলে ১৬ রান করে তাঁকে সঙ্গ দিয়েছেন মুতুম্বামি।

২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও ইবাদত হোসেন। একটি নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। মোসাদ্দেক ৬.১ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১৬ রান, ৭ ওভারে যথাক্রমে ৩৩ ও ৩৯ রান দিয়েছেন সাইফউদ্দিন ও শরীফুল। ৭.১ ওভারে ইবাদত খরচ করেছেন ৩৭ রান। ৮ ওভারে ৩০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন তাইজুল ইসলাম। আর ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়েছেন আফিফ হোসেন।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে শুক্রবার। এ সিরিজের পর তিনটি টি-টোয়েন্টিও খেলবে বাংলাদেশ।

 

 

 

ড্রেসিংরুমে আড্ডায় মাতলেন নেইমার-মেসি, আবেগে আলোড়িত ফুটবলবিশ্ব

 


কোপা আমেরিকা ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার। ঘরের মাঠে শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গ মেনে নিতে পারছিলেন না এই ব্রাজিল তারকা। অন্যদিকে, কান্না করতে দেখা গেল লিওনেল মেসিকেও। এ কান্না আনন্দের, নিজের জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের। তবে নেইমারকে কাঁদতে দেখে এসে জড়িয়ে ধরেন মেসি। ফুটবলের দুই বর্ণময় চরিত্রের এই মিলন দেখে আবেগে আলোড়িত ফুটবলবিশ্ব।

দীর্ঘ ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে রবিবার কোপা আমেরিকা জিতল আর্জেন্টিনা। শেষ বার জিতেছিল ১৯৯৩ সালে। দেশের হয়ে প্রথম ট্রফি জিতলেন মেসি। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরেই সতীর্থদের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে ভাসছিলেন তিনি।

মাঠের এককোণে তখন কাঁদছিলেন নেইমার। রিচার্লিসন এসে জড়িয়ে ধরেন। কিন্তু শান্ত করতে পারেননি। নেইমার কাঁদতে কাঁদতে একসময় মাঠে বসে পড়েন। উঠে ড্রেসিংরুমে যাওয়ার পরেই তাঁকে জড়িয়ে ধরেন মেসি। অনেকক্ষণ জড়িয়ে থেকে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন।

ড্রেসিংরুমে ফিরে অবশ্য দুই তারকা বেশ উৎফুল্লই ছিলেন। মেসির সঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা গেছে নেইমারকে। সেই ছবি পোস্ট করেছে কোপা আমেরিকার টুইটার হ্যান্ডল।

চার বছর বার্সেলোনার জার্সিতে মেসির পাশে খেলেছেন নেইমার। পিএসজি'তে গেলেও বন্ধুত্ব হালকা হয়নি। বরং বার্সেলোনাকে বার বার চাপ দিয়ে নেইমারকে ক্লাবে ফেরানোর অনুরোধ করেছেন মেসি। বিরাট অর্থের কারণে তা সম্ভব হয়নি।

 

নিজ চরকায় তেল দাও—হাফিজকে পাকিস্তানের বোর্ডের সিইও



স্পট ফিক্সিংয়ের কারণে নিষিদ্ধ শারজিল খানকে আবার ক্রিকেটে ফেরানো পিসিবির উচিত হয়েছে কি না, এ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ।

নীতিগত দিক থেকে ভাবলে হয়তো মোহাম্মদ হাফিজের প্রশ্ন তোলাটা যৌক্তিকই। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) যে ব্যাপারে অনুমতি দিয়ে রেখেছে, পিসিবিরই চুক্তিবদ্ধ একজন ক্রিকেটার হয়ে সেটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। সে কারণেই পিসিবির রোষের মুখে হাফিজ।
স্পট ফিক্সিংয়ের কারণে নিষিদ্ধ শারজিল খানকে আবার যেভাবে ক্রিকেটে ফিরিয়েছে পিসিবি, সেটি পছন্দ হয়নি হাফিজের। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন পাকিস্তান অলরাউন্ডার। কিন্তু হাফিজের ওভাবে প্রশ্ন তোলা আবার পছন্দ হয়নি পিসিবির। বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওয়াসিম খান তাই হাফিজকে বলছেন, নিজের চরকায় তেল দাও, মনোযোগ দাও নিজের খেলায়।
২০১৭ সালের পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে শারজিল খানকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে পিসিবি। কিন্তু গত বছরের আগস্টে শারজিল ‘শর্তহীন ক্ষমা প্রার্থনা’ করায় পিসিবি এই ৩০ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের শাস্তি স্থগিত করে। এবারের পিএসএলে করাচি কিংস তাঁকে কিনে নেয়। ব্যাট হাতে অবশ্য খুব একটা ভালো করেননি শারজিল, ১০ ম্যাচে করেছেন ১৯৯ রান। সর্বশেষ তিন ইনিংসের দুটিতে অবশ্য দারুণ ব্যাটিং করেছেন। একটিতে ৭৪, অন্যটিতে ১৪ বলে ৩৭। তাতেই এরই মধ্যে আগামী অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পাকিস্তান দলে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।
এ নিয়েই আপত্তি হাফিজের। টুইটারে এক ভক্তের প্রশ্নে তাঁর জবাব বুঝিয়ে দিল, শারজিল পাকিস্তান দলে ফিরলে খুশি হবেন না হাফিজ।
শারজিলকে এত দ্রুত পাকিস্তান দলে কেন নেওয়া উচিত হবে না, তা বোঝাতে কদিন আগে পাকিস্তানের বোলিং কোচ ও কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার ওয়াকার ইউনুস বলেছিলেন, ‘এক-দুটি ইনিংস দিয়ে শারজিলকে বিবেচনা করা যাবে না। ওর ফিটনেসে অনেক উন্নতি করতে হবে। না হলে অস্ট্রেলিয়ায় ওকে মাঠের কোন জায়গায় লুকাব?’
এ নিয়েই এক ভক্ত টুইটারে হাফিজকে প্রশ্ন করেন, ‘শারজিলের ব্যাপারে ওয়াকারের মন্তব্যে আপনি একমত? নাকি আপনার মনে হয় (শারজিলের মতো) ভালো দক্ষতা আছে কিন্তু ফিটনেস কম এমন খেলোয়াড়কে নেওয়া যায়?’ জবাবে হাফিজ লিখেছেন, ‘পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে এরকম ‘দারুণ প্রতিভা’র চেয়ে আমাদের মর্যাদা ও গর্বের সীমাটা আরও উঁচুতে বাঁধা উচিত নয় কি?’’
ইঙ্গিত পরিষ্কার, শারজিল যতই প্রতিভাবান হোন, এমন একজনকে দলে দেখতে চান না হাফিজ। কিন্তু তাঁর এমন মন্তব্য খেপিয়েছে পিসিবির সিইও ওয়াসিমকে। হাফিজকে বলেছেন, ‘নিজের খেলায় মনোযোগ দাও।’
ক্রিকইনফোতে ওয়াসিম বলেছেন, ‘এখনো খেলছেন এমন খেলোয়াড়দের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্য খেলোয়াড়দের সমালোচনা করা, বা ক্রিকেট বোর্ডের কোনো কাজ ঠিক কি ভুল, কাজটা করা উচিত হয়েছে কি হয়নি এসব ব্যাপারে মন্তব্য করা উচিত নয়। বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ে, ক্রিকেট খেলাটা নিয়ে তাঁদের মনের সব কথাই বলতে পারেন। কিন্তু খেলোয়াড় বা বোর্ডের ভুল-শুদ্ধের ব্যাপারগুলো নিয়ে কথা বলার কাজটা বোর্ডের হাতেই ছেড়ে দেওয়া উচিত।’
হাফিজের সঙ্গে তিনি নিজেই এ নিয়ে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন ওয়াসিম।