Showing posts with label bangla sms. Show all posts
Showing posts with label bangla sms. Show all posts

Bangla Cute Love Story (রাগি বর আর দুষ্টু বউ Part_1) Romantic Love Story

 


এই যে মি: দেখে চলতে পারেননা।মেয়ে দেখলেই গায়ে পরতে ইচ্ছে করে --রাত বলে উঠলো।

(পরিচয় দেওয়া যাক এই আমাদের গল্পের নায়িকা রাত।দেখতে মাশাআল্লাহ । 12 এ পড়ে ।কিন্তু সেই লেভেলের দুষ্টু।পরে সব বুঝতে পারবেন।গল্পে ফেরা যাক)

দীনা:আহ।।রাত বাদ দেতো । এখান থেকে চল।(দীনা রাতের best friend)
রাত: না দাঁড়া।বেটাকে শায়েস্তা করে তবে ছাড়ব।।বেটা তালকানা খাটাশ।দেখে চলতে পারে না 😡

 

অপরিচিত: দেখুন I am sorry.আমি সত্যি দেখতে পাইনি।😦
রাত:দেখতে পাননি মানে টাকি।চোখ কি মানিব্যাগে নিয়ে হাঁটেন ?😡
অপরিচিত: দেখুন আপনি কিন্তু বেশিই বলছেন।বললাম তো আমি দেখতে পাইনি।
রাত: তা ঠিক ।এরকম তালগাছের মতো লম্বা । হলে হবে টাকি😁
অপরিচিত: এই মেয়ে কি বললে😠😠
রাত: এ বেটা দেখি কানেও কম শোনে 😕
অপরিচিত: What nonsense is this??😠😠
রাত: হায় আল্লাহ ।।এতো দেখি এনাকন্ডার মতো রাগছে 😱
অপরিচিত: এই তুমি পাগল নাকি😬
রাত: কী বললেন আমি পাগল !😱 এতো বড় সাহস।।বেটা তালগাছের এনাকন্ডা।।তোকেতো আমি মেরেই.......
দীনা: আহ রাত চল এখান থেকে।(রাতকে টানতে টানতে)
রাত: ছাড় আমাকে।।এই তালগাছের এনাকন্ডাকেতো আমি বাঁশ গাছে ঝুলিয়ে পেটাবো😡

অপরিচিত: দেখি এইটুকু একটা মেয়ে তুমি কি করতে পারো। I will see u 😡😡
দীনা:দেখুন plz আপনি কিছু মনে করবেন না । ও একটু এরকম দুষ্টু।রাত চল এখান থেকে ।।(রাতকে টানতে টানতে)

তারপর

স্ত্রীর লাথিতে স্বামীর মৃত্যু

 


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় স্ত্রীর লাথিতে স্বামী আবুল হাশেমের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার তিন দিন পর গতকাল শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ব্যাপারে হত্যা মামলা হয়েছে। পুলিশ হাশেমের স্ত্রী লাইলী বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, হাশেম ও তাঁর স্ত্রী লাইলীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত।

নিঃসন্তান এ দম্পতি গত মঙ্গলবারও ঝগড়ায় লিপ্ত হন। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামীর স্পর্শকাতর অঙ্গে সজোরে লাথি মারেন স্ত্রী। এতে হাশেম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক বলেন, ‘আমরা লাইলী বেগমকে গ্রেপ্তার করেছি।’

লাইলি বেগমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শাশুড়িকে হিট করতে পারবে

 


শাশুড়িকে হিট করতে পারবে

এক ক্রিকেটার নিজের উন্নতিতে বেশ অভিভূত। তাই এক খেলায় তিনি তাঁর শাশুড়িকে খেলা দেখার দাওয়াত দেন। ব্যাট হাতে ক্রিজে গিয়ে তিনি বেশ নার্ভাস বোধ করেন।
তখন পেছনের উইকেট কিপারকে বলেন, ‘আমার খুব দুশ্চিন্তা হচ্ছে, এই বলটি আমি ঠিকমতো হিট করতে পারব কি না? গ্যালারিতে আমার শাশুড়ি বসে আছেন।’
উত্তরে উইকেট কিপার বললেন, ‘আমি বাজি ধরে বলতে পারি, তুমি কোনোদিনও অতদূরে তোমার শাশুড়িকে হিট করতে পারবে না।’


মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিং

দুর্দান্ত কাটার মুস্তাফিজের সামনে কোনো ব্যাটসম্যানই টিকতে পারছিল না। ব্যাটসম্যানরা যায় আর আসে। ছয়জন আউট হওয়ার পর সাত নম্বর ব্যাটসম্যান মাঠের দিকে যাচ্ছে।
যাওয়ার সময় প্যাভিলিয়নের গেট দিয়ে বের হয়ে আবার গেটটাকে আটকাতে যাচ্ছিল-
দর্শক : খামোখা কষ্ট করছেন কেন দাদা? একটু পরেই তো আউট হয়ে ফিরবেন, তখন না হয় একেবারে আটকে দেবেন!


তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি

এক খামার মালিক শখ করে একটা জেব্রা কিনে এনেছে আফ্রিকা থেকে। এক ভোরে জেব্রাটা বেরিয়ে এলো তার আস্তাবল থেকে। খামারের ভেতরে ঘুরতে লাগলো সে, আর ভাবতে লাগলো, এখানে তার কাজ কী হতে পারে? প্রথমে তার দেখা হলো একটা মুরগির সাথে-
জেব্রা : সুপ্রভাত। তুমি এখানে কী করো?
মুরগি : সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে ডিম পাড়ি।

এরপর তার দেখা হলো একটা গরুর সাথে-
জেব্রা : সুপ্রভাত। তুমি এখানে কী করো?
গরু : সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে দুধ দিই।

তারপর দেখা হলো একটা ছাগলের সাথে-
জেব্রা : সুপ্রভাত। তুমি এখানে কী করো?
ছাগল : সুপ্রভাত। মালিক আমাকে মেরে আমার মাংস খায়।

জেব্রা কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সামনে এগোলো। এবার তার দেখা হলো একটা ষাঁড়ের সাথে-
জেব্রা : সুপ্রভাত। তুমি এখানে কী করো?
ষাঁড় : সুপ্রভাত। তুমি একটু দাঁড়াও! আমি তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি।


দু’টা কানই কাটা

রিয়াদ সাহেব অফিসের জন্য একজন সহকারী খুঁজছেন। ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রথম প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন-
রিয়াদ সাহেব : দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?
প্রথম প্রার্থী : নিশ্চয়ই স্যার। আপনার তো দু’টা কানই কাটা!
রিয়াদ : বেরো এখান থেকে, ব্যাটা নচ্ছাড়!

দ্বিতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি-
রিয়াদ : দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। তা, আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?
দ্বিতীয় প্রার্থী : জ্বি স্যার। আপনার তো দু’টা কানই কাটা!
রিয়াদ : বেরো এখান থেকে, ব্যাটা ফাজিল!

তৃতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন-
রিয়াদ : দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?
তৃতীয় প্রার্থী : জ্বি স্যার। আপনি কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে আছেন।
রিয়াদ : বাহ, আপনি তো বেশ- তা কীভাবে বুঝলেন?
তৃতীয় প্রার্থী : সোজা স্যার। আপনি চশমা পরবেন কীভাবে? আপনার তো দু’টা কানই কাটা!


এইডা রেল স্টেশন

এক মেয়ে ভুল করে অন্য ট্রেনে উঠে পড়ল। পরের স্টেশনে নেমে এক খোড়া লোককে জিজ্ঞাসা করল-
মেয়ে : এইটা কোন স্টেশন?

কিন্তু হৈ চৈ এর কারণে উত্তর শুনতে না পেয়ে লোকটাকে ধরে টেনে ওয়েটিং রুমে নিয়ে আবার জিজ্ঞাসা করল-
মেয়ে : এইটা কোন স্টেশন?
লোক : একশ’ বার কইরা কইলাম যে, এইডা রেল স্টেশন। আর আপনে বিশ্বাসই করতাছেন না।


আমি আঙুর বিক্রি করি না

আবুল মিঞা ফলের দোকানদার। একদিন তার দোকানে এলেন এক অদ্ভুত ক্রেতা-
ক্রেতা : আমাকে এক কেজি আপেল দিন তো। প্রতিটা আপেল আলাদা আলাদা প্যাকেটে দেবেন।
আবুল মিঞা তা-ই করলেন।

ক্রেতা : হু, এবার আমাকে এক কেজি আম দিন। এ ক্ষেত্রেও প্রতিটা আম ভিন্ন ভিন্ন ঠোঙায় দেবেন।
আবুল মিঞা তা-ই করলেন।

ক্রেতা তখন দেখছিলেন, আবুল মিঞার দোকানে আর কী কী আছে। আবুল চটজলদি দুই হাতে আঙুরগুলো আড়াল করে বললেন, ‘ভাই, আমি আঙুর বিক্রি করি না!’


নৌকা পার হতে ভয় পায়

রজনীকান্ত মহল্লায় ঘুরতে বের হলেন। দেখলেন যে তার এলাকার সীমানায় যে নদী আছে; সেখানে একটা কাঠের ব্রিজ তৈরি হচ্ছে। সে রেগে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ারকে জিজ্ঞেস করলো, ‘কে এই ব্রিজ তৈরির অনুমতি দিয়েছে?’ ইঞ্জিনিয়ার বলল, ‘একজন গায়িকা এদিক দিয়ে যাবে; সে নৌকা পার হতে ভয় পায়। তাই এই ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। তার নাম হচ্ছে…’

রাগান্বিত রজনীকান্ত মুহূর্তে ব্রিজটা ভেঙে ফেলল পুরো কথা না শুনেই। ইঞ্জিনিয়ার দুঃখ করে বলতে লাগলো, ‘তার নাম হচ্ছে ইভা রহমান। তার আরেক জায়গায় কনসার্ট ছিল। এখন তো সে যেতে পারবে না। তার এখন এখানেই কনসার্ট করতে হবে’

রজনীকান্ত এক সেকেন্ডে একটা লোহার ব্রিজ বানিয়ে বলল, ‘নাও. আমি কি মজাও করতে পারব না, তোমরা সবসময় আমাকে এত সিরিয়াসলি নাও কেন?’


আমার টাকা ফেরত দিন

এক ভদ্রমহিলা ভীষণ রেগেমেগে খেলনার দোকানে ঢুকলেন। সঙ্গে নিয়ে আসা খেলনাটা ফেরত দিয়ে বললেন-
ভদ্রমহিলা : আমার টাকা ফেরত দিন! নিয়ে যান এই খেলনা।
বিক্রেতা : কেন, কী হয়েছে? এটা তো খুবই ভালো খেলনা।
ভদ্রমহিলা : এটা ভাঙে না কিন্তু এই খেলনা দিয়ে পিটিয়ে আমার ছেলে বাড়ির অন্য সব খেলনা ভেঙে ফেলেছে।


হবু পুত্র বধূকে দুইটা আইসক্রিম দিন

এক পিচ্চি মেয়ে দোকানদারকে বলছে, `আচ্ছা আঙ্কেল আমি যখন বড় হবো তখন আপনি কি আপনার ছেলের সঙ্গে আমাকে বিয়ে দেবেন?`
দোকানদার হেসে বললো, `হ্যাঁ মামনি, অবশ্যই দেবো।`
মেয়ে : ঠিক আছে, তাহলে আপনার হবু পুত্র বধূকে ফ্রি দুইটা আইসক্রিম দিন!


গার্লফ্রেন্ডই আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে

ভিক্ষুক : স্যার, ২০ টাকা দেন। কফি খাবো।
লোক : কেন? কফিতো ১০ টাকা কাপ।
ভিক্ষুক : সাথে গার্লফ্রেন্ড আছেতো, তাই. . . .
লোক : ভিক্ষুক হয়ে আবার গার্লফ্রেন্ডও বানিয়েছ?
ভিক্ষুক : জ্বি না স্যার। গার্লফ্রেন্ডই আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে।


আলাদিনের চেরাগ

একবার জলি আলাদিনের চেরাগ পেল। ঘষা দিতেই দৈত্য হাজির…

অতঃপর জলির তিনটি ইচ্ছা–

১ম ইচ্ছা, আমাকে অনেক ধৈর্যশীল করে দাও।

২য় ইচ্ছা ,পৃথিবীর যত প্যাচ আর কুটনামি শেখার এবং বোঝার ক্ষমতা দাও।

৩য় ইচ্ছা, এমন কিছু দাও যা কোনো দিন শেষ হবে না।

অতঃপর, দৈত্য অনেক বুদ্ধি করে তাকে হিন্দি সিরিয়াল
ও স্টার জলসা দেখতে বসিয়ে দিলো!


আমার সাথে দৌড় দিন

দূর থেকে এক লোক দেখলো ছোট্ট জনি লাফাচ্ছে। একটু কাছে এসে দেখলো আসলে ছোট্ট জনি কলিং বেল চাপতে চেষ্টা করছে কিন্তু কলিং বেলের নাগাল পাচ্ছে না। সে ভাবলো, আহারে ছোট্ট ছেলেটা কতো কষ্ট করছে, একটু সাহায্য করি।
লোকটি ছোট্ট জনিকে বললো, ‘আমি কি বেলটা চেপে দেবো?’
জনি বললো, ‘আচ্ছা দিন।’
যেই লোকটি বেল চাপলো তখন ছোট্ট জনি বললো, ‘কাজ শেষ। এইবার আমার সাথে দৌড় দিন!’


আত্মহত্যা করতে গিয়ে ব্যর্থ

বিল্টু আত্মহত্যা করতে গিয়ে অনেকবার ব্যর্থ হয়েছে। এইবার সে ঠিক করল একদম কোমর বেঁধে নামবে। বাজারে গিয়ে এক বোতল বিষ, এক টিন কেরোসিন, একটা পিস্তল, একটা দড়ি, একটা ম্যাচ কিনল।

এইসব কিনে সে চিন্তা করল বিষ খাবে, গায়ে আগুন ধরাবে, দড়িতে ঝুলবে, আবার পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করবে।

সে অনুযায়ী নির্জন এক পুকুর পাড়ে গেল সে। প্রথমে গাছে উঠল। গলায় দড়িটা বেঁধে গায়ে কেরোসিন দিল, তারপর বিষটা খেয়েই গায়ে আগুন দিল।

এরপর হাতে পিস্তল নিয়ে গাছ থেকে ঝুলে পড়ল। দড়িতে ঝুলতে ঝুলতে পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করতে গিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হল। দড়িতে গুলি লেগে দড়ি কেটে গেল। সে গিয়ে পড়ল পানিতে। আগুন গেল নিভে। অতিরিক্ত পানি খেয়ে বিষক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেল। মরতে পারল না এবারও।


রজনীকান্ত কি কি পারেন

তামিল এই সুপারস্টার রজনীকান্ত কি কি পারেন। কিছু কৌতুক শেয়ার করা হলো:
* রজনীকান্তকে গতকাল গুলি করা হয়েছিল, আজ ওই গুলিকে সমাহিত করা হয়েছে!
* রজনীকান্ত আমেরিকার এক সন্ত্রাসীকে মেরে ফেলেছেন! কীভাবে? ব্লুটুথ দিয়ে!
* রজনীকান্তের পালস মাপা হয় রিখ্টার স্কেলে!
* আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কারের সাথে সাথে বুঝতে পারলেন যে রজনীকান্ত তাকে ২টা মিসকল মেরেছেন!
* রজনীকান্ত ৫টা ভাষায় শিস বাজাতে পারেন!
* রজনীকান্তই একমাত্র ব্যক্তি, যে কিনা তার গার্লফ্রেন্ডের ভুল স্বীকার করতে বাধ্য করাতে পারেন!
* মার্ক জুকারবার্গ ফেসবুক আবিষ্কারের সাথে সাথেই দেখলো যে রজনীকান্তের রিকোয়েস্ট পেন্ডিংয়ে আছে!
* রজনীকান্ত আকাশে সাঁতার কাটতে আর পানিতে উড়তে পারেন!
* রজনীকান্ত কাঁচ দিয়ে পাথর ভাঙতে পারেন!
* রজনীকান্ত একটি রোড রোলার কিনেছেন তার কাপড় ইস্ত্রি করার জন্য!
* রজনীকান্ত একবার বৃষ্টির মৌসুমে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিলেন। ম্যাচের কারণে বৃষ্টিই পরিত্যক্ত হয়ে গিয়েছিল!


বান্টিও এখনো পড়তে জানে না

ছোট্ট মলি বসে আঁকিবুঁকি করছিল। এমন সময় মা বললেন-
মা : মলি মা আমার, কী করছ?
মলি : বান্টিকে চিঠি লিখছি মা।
মা : কিন্তু তুমি তো এখনো লিখতে জানো না।
মলি : বান্টিও এখনো পড়তে জানে না মা।


বাজে মেয়েটাকেই ঘরের বউ

বাবা : তুমি যদি ওই বাজে মেয়েটার সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ না করো তাহলে আমি তোমার হাত খরচ বন্ধ করে দেব।
বিল্লাল : আর তুমি যদি আমার হাত খরচ দ্বিগুন না করে দাও তাহলে আমি ওই বাজে মেয়েটাকেই তোমার ঘরের বউ করে আনব।


কষ্টে চোখ বন্ধ হয়ে যায়

এক কিংবদন্তী শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী একবার মহিনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন-
শিল্পী : আচ্ছা বলতো, উচ্চাঙ্গ সংগীত যারা গায়; তারা চোখ বন্ধ করে গায় কেন?
মহিন : আসলে ওনারা দর্শক শ্রোতাদের কষ্টটা সহ্য করতে পারেন না। তাই কষ্টে চোখ বন্ধ হয়ে যায়।


আপনার দোকানের নাম কী

দোকানদার ও ভদ্রলোকের মধ্যে কথোপকোথন-
ভদ্রলোক : আপনার দোকানের নাম কী?
দোকানদার: দরকার কী?
ভদ্রলোক : এমনি। নামটা কী বলবেন?
দোকানদার : বললাম তো দরকার কী?
ভদ্রলোক : আপনি তো ফাজিল লোক একটা।
দেকানদার : আরে ভাই চেতেন কেন? আমার দোকানের নামই তো ‘দরকার কী’।


ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবক

ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো-
প্রশ্নকর্তা : ‘ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগি মারা গেল’- এর ইংরেজি কী হবে?
প্রার্থী : এটার ইংরেজি পারি না স্যার। আরবি পারি।
প্রশ্নকর্তা : আরবিটাই বল শুনি।
প্রার্থী : ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।


আপনি আমাকে কিস করবেন

মেয়ে সাধু বাবার কাছে গিয়ে-
মেয়ে : বাবা আমাকে ভবিষ্যৎ দেখানো শিখিয়ে দিন।
সাধু : চোখ বন্ধ করে ঠোঁট আমার কাছে নিয়ে আসো বালিকা।
মেয়ে : না।
সাধু : কেন?
মেয়ে : আপনি আমাকে কিস করবেন।
সাধু : আরে বাহ, তুমি তো ভবিষ্যৎ দেখা শিখে গেছো।


দাও না গো, একটু খেলি

প্রোগ্রামার স্বামী ল্যাপটপ নিয়ে কাজে মগ্ন। স্ত্রী এসে-
স্ত্রী : দাও না গো, একটু খেলি?
মনিটর থেকে চোখ না সরিয়ে-
প্রোগ্রামার : তুমি যখন রান্না করো, আমি কখনো হাঁড়ি চাই তোমার কাছে?


শক্তিবর্ধক মাদক

একটু পরই শুরু হবে ঘোড়দৌড়! এমন সময় দেখা গেল এক জকি তার ঘোড়াকে কী যেন খাওয়াচ্ছেন। দেখেই এক নিরাপত্তাকর্মী ছুটে এলেন।
রাগতস্বরে বললেন, ‘হেই! আপনি আপনার ঘোড়াকে কোনো শক্তিবর্ধক মাদক খাওয়াচ্ছেন না তো?’
জকি বললেন, ‘না, না! এটা একটা চকোলেট। নিন নিন, আপনিও খান। এই দেখুন, আমিও খাচ্ছি। এটা একটা সাধারণ চকোলেট ছাড়া কিছুই না।’
নিরাপত্তারক্ষী চকোলেটসদৃশ বস্তুটা মুখে দিলেন। বললেন, ‘হু, চকোলেটই তো মনে হচ্ছে। ঠিক আছে।’
নিরাপত্তারক্ষী চলে গেলেন। জকি এবার ফিসফিস করে তাঁর ঘোড়ার কানে কানে বললেন, ‘এখন দৌড়ে তোকে কেউ হারাতে পারবে না। শুধু আমি আর ওই নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া!’

টানা ১০ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা

করোনা ভাইরাসের কারণে ২৬ মার্চ থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকবে। এর মধ্য ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি থাকবে। এর আগে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ও পরে ২৭ ও ২৮ মার্চের সাপ্তাহিক ছুটিও যোগ হবে। এ ছাড়া ৩ ও ৪ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি এ ছুটির সঙ্গে যোগ হবে।


তবে এ ছুটি কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল এবং জরুরি সেবার জন্য প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে সামাজিক দূরত্ব এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থার জন্য বেসরকারি প্রশাসনকে সহায়তা দিতে সেনাবাহিনী নিয়োজিত হবে।
সচিবালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার এ ধরনের মোট ১০টি সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউসসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবেরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও মুখ্য সচিব জানান, এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের সঙ্গে তাঁদের পৃথকভাবে বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ দফার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১০ সিদ্ধান্তের মধ্য রয়েছে গণপরিবহন চলাচল সীমিত রাখা, সব রকম সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে নিম্ন আয়ের কোনো ব্যক্তি শহরে জীবনযাপনে অক্ষম হলে সরকার তাঁকে ঘরে ফেরা কর্মসূচির অধীনে নিজ গ্রাম বা ঘরে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকেরা ব্যবস্থা নেবেন।

পৃথিবীতে বন্ধু বানাব কাকে || পাখি কে || সে তো উড়ে যাবে

sms bangla

পৃথিবীতে বন্ধু বানাব কাকে? পাখি কে? সে তো উড়ে যাবে,,,,, ফুল কে? সেতো ঝরে যাবে,,,,,,,,, চাঁদ কে? সে তো ডুবে যাবে,,,,,,,, মানুষ কে? ওরে বাবা, সে তো সময়ের সাথে পাল্টে যাবে ।।।।তাহলে কাকে বন্ধু বানাব,,???????? কেউ কাছে আসার আগেই হারিয়েযায়..........! ! কেউ ভালোবাসার আগেই দুরে চলে যায়.........!! কেউ পাশে থেকেও আপন হতে পারে না...........!! কেউ আপন হয়েও ভালোবাসতে পারে না......!! আর কেউ অনেক ভালোবেসেও ভালোবাসা পায় না........!!

চলে যদি যাবি দূরে স্বার্থপর, আমাকে কেন জোছনা দেখালি হবি যাদি নাও ভাসিয়ে দেশান্তর, পাথরের বুকে ফুল কেন ফুটালি আমারি সীমানায় সেতো তোর ছায়া, সেখানে করে বিচরন দুখের নিবাশ। ও রাখিস কি খবর তোর আঘাতে জমে গেছে নীল আকাশে জমিনের নীল বেদনা


এই পৃথিবী তে সবচেয়ে হতভাগা সেই যে দেখতে কালো,, যার চেহারা সুন্দর নয়,, . তারা যেটা চায়,, বেশিরভাগ জিনিস থেকেই বঞ্চিত হয়,, . বেশি কিছু চাই নি,, . শুধু একটু,, . তাও পাওয়া হল না,, . শুনেছি মানুষ এর চেহারা খারাপ হলে ভাগ্য ভালো হয়,, . সেই জায়গায় আমার মত দুর্ভাগা খুব কম ই পাওয়া যাবে,, . আল্লাহ ও এক কঠিন নিয়ম করে দিয়েছে এই দুনিয়ার বুকে,, সমাজের,, পরিবারের বাঁধাধরা,, . মৃত্যু টাও অসম্ভব হয়ে যায়,, . আজ এক বছর পর একটি ভুল পদক্ষেপ আবার বুকের ভিতর কষ্টের রক্ত স্রোত বয়ে আনল,, . তবে আমি এটাও চাই না,, আমার চাওয়াই পুরন হোক এতে হয়ত ওর খুশি নেই,, . আল্লাহ তাকে পৃথিবীর সকল সুখ দিক,, আমি কখনই তাকে কষ্ট দিব না,, কখনই তাকে জালাবো না,, . শুধু একটাই আক্ষেপ,, . অনেক কথা বলার ছিল,, বলতে পারলাম না,



bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

মধ্যবিত্ত ঘরে জন্ম না নিলে হয়তো জীবনের মানে বুঝতে পারতাম না

bangla jokes
মধ্যবিত্ত ঘরে জন্ম না নিলে হয়তো
জীবনের মানে বুঝতে পারতাম না। অনেক
কিছুই আছে যা শুধু মধ্যবিত্তদেরই চিন্তা
করতে হয় ।
.
যেমন :
১) আমাদের টুথ ব্রাশ সূর্যমুখী ফুল না হওয়া
পর্যন্ত ওটা ইউজ করতেই থাকি।
২) আমরা শ্যাম্পুর বোতল শেষ হয়ে গেলে
ফেলে দিই না ,তাতে পানি ঢেলে সপ্তাহ
খানেক চালিয়ে দেই।
৩) টুথপেস্ট শেষ হলে সেটার কোনা কেটে
টিপে টিপে বের করি।নিশ্চিন্তে সপ্তাহ
খানেক কেটে যায়!
৪) টিভির রিমোট জোরে জোরে টিপি, চড়
থাপ্পড় দিই, তবুও নতুন ব্যাটারি লাগানোর
কথা মাথায় আসে না।
৫) আমাদের ঘরের দামি প্লেট বাটি গুলো
সো-কেজ এ তুলে রাখা হয়, বাড়িতে
অতিথি না আসা পর্যন্ত সেগুলো বের করা
হয় না।
৬) আমাদের বাড়িতে হরলিক্স-এর খালি
বোতল ফেলে দেয়া হয় না, তাতে আচার বা
অনান্য খাবার ভর্তি করে রাখা হয়।
৭) আমাদের ঘরে চার্জার লাইট বা
ইনভারটার থাকে না তাই কারেন্ট চলে
গেলে গরমের মাঝেও মোমবাতি বা
হ্যারিকেনের আলোতে পড়তে হয় ।
৮) মোবাইলের ব্যাটারী পাওয়ার কম হয়ে
গেলেও চার্জে ঢুকিয়ে দিয়ে সারাদিন
ফেসবুক ইউজ করি তবুও নতুন ব্যাটারি
কিনতে চাই না।
৯)আর একটা ভিন্ন কার্য, আমরা
মধ্যবিত্তরা বড় লোকদের মত নামি দামি
রেস্টুরেন্টে চিকেন ফ্রাইড রাইস খেতে
পারি না। রাস্তার পাশের ভাঙ্গা
দোকানটা থেকে মাছি পড়ে থাকা চপ,
সিঙ্গাড়া সাথে লিকার চাও খেতে পারি।
কিন্তুু সেই চা বড়লোকরা খেলে ওয়াক থু করতে
করতে কাপটাই আছাড় মারবে।
.
আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মনিয়ে যতটা
ভালবাসা আর সুখ খুজে পাই তা ওই চার
দেয়ালের মাঝে থাকা বড় লোকরা হয়তো
পায় না। কারন আমরা হাসি ঠাট্টা, মজা
করতে ভালোবাসি। আমরা সকলের সাথে
এক ঘরে একসাথে থাকতে ভালোবাসি।
এটাই আমাদের আনন্দ। এটাই আমাদের
জীবন।তাই আমি মধ্যবিত্ত ঘরে জন্ম নিয়ে গর্বিত।
bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

একটা মেয়ে যখন মন থেকে ভালোবেসে

একটা মেয়ে যখন মন থেকে ভালোবেসে কোনো ছেলের সাথে রিলেশনে জড়ায়- তখন সে সত্যিই ভাবে যে ঐ সম্পর্কটা সারাজীবন টিকে থাকবে,এবং ঐ ছেলেটাকে সে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করতে শুরু করে...! মেয়েটা তার বয়ফ্রেন্ডের উপর যতই রাগ করুক না কেনো-ছেলেটা যদি একটু আহ্লাদী ভাষায় মেয়েটার সাথে কথা বলে তাহলে মেয়েটার মন সাথে সাথে গলে যায়,সে আগের সবকিছু ভুলে যায়...! সে আর রাগ করে থাকতে পারেনা... ☞☞মেয়েটার বয়ফ্রেন্ড যদি খিটখিটে মেজাজের হয়-তাহলে মেয়েটা নিজে নিজে রাগ করে সেটা নিজেই ভেঙ্গে ফেলে বয়ফ্রেন্ডকে বুঝতে না দিয়ে...!কারণ সে তার বয়ফ্রেন্ডের বিরক্তির কারণ হতে চায় না... ছেলেরা রাগ করলে রাগের সাথে মেজাজও মিশ্রিত থাকে এজন্যই মেয়েরা ছেলেদের রাগকে এতো ভয় পায়...!!! ☞☞মেয়েটা বান্ধবীদের সাথে আড্ডায় মেতে থাকা অবস্থায়ও হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা ফেসবুক মেসেঞ্জার টা বার বার চেক করে দেখে তার বয়ফ্রেন্ড কোনো টেক্সট করেছে কিনা... অর্থাৎ মেয়েটার চিন্তায় সারাক্ষণ শুধু ছেলেটাই থাকে...! একারণেই রিলেশনে জড়ানোর পর মেয়েরা সাধারণত আনমনা হয়ে যায়...☞ ☞মেয়েদের মন বোঝা কি খুব কঠিন কাজ...?নিশ্চয়ই না...যে মেয়েটা আপনাকে সত্যিই ভালোবাসে সে আপনার কাছে দামী গিফট চাইবেনা...চাইবে একটু সময়, মানসিক শান্তি, একটু ভালোবাসা...!!!যদি আপনি এই ৩টা জিনিস তাকে দিতে পারেন-যদি আপনি মেয়েটাকে মন দিয়ে ভালোবেসে থাকেন- তাহলে মেয়েটার মন আপনি ছাড়া আর কেউ ভালো বুঝতে পারবেনা

banglajokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

মেয়েদের যে যে সময় সবচেয়ে সুন্দর লাগে

মেয়েদের যে যে সময় সবচেয়ে সুন্দর লাগেঃ
যখন হাসে। এই হাসিই তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
যখন ঘুমায়। তখন তাদের মায়াবী দেখায়।
যখন আগ্রহ দৃষ্টিতে কারো দিকে আড় চোখে তাকায়।
কান্নার আগমূহুর্তে।
যখন তারা নিজের ঠোটে কামড় দেয়।
গোসল করার পর ভেজা চুলে।
যখন তাদের মনে প্রচন্ড আনন্দ থাকে, কিন্তু কুখে একটা লজ্জার আবরণ দিয়ে সেই আনন্দটা ঢাকার চেষ্টা করে।
যখন তাদের প্রসংসা করা হয়।
যখন তারা রেগে যায়।
গোধুলির সময়।
মোমবাতির আলোতে।

bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms,bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

দয়া করে এই Post পড়বেন. না হলে হয়তো জীবনে অনেক কিছু Miss করবেন

bangla love poem

দয়া করে এই status পড়বেন.
না হলে হয়তো জীবনে অনেক কিছু
Miss করবেন.......
দশ বছর বয়সী এক ছেলে ১৫ দিন
আগে আনারস খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল,
ঠিক ঐদিন থেকেই।
পরবর্তীতে ছেলেটিকে যখন
ডাক্তারের
কাছে নিয়ে গিয়ে পরিক্ষা করা হলো,
তখন তার শরীরে এইডস ধরা পড়ল।
ছেলেটির বাবা-মা তো বিশ্বাসই
করতে পারছিল না। তারপর
তারা পুরো পরিবার পরিক্ষা করাল
কিন্তু কারো দেহেই এইডস
খুজে পাওয়া গেল না। তাই ডাক্তার
পুনরায় পরিক্ষা করল
ছেলেটিকে এবং সে এরকম কিছু
খেয়েছিল কিনা জিজ্ঞেস করায়
ডাক্তারকে ছেলেটি বলল, সেদিন
সন্ধ্যায় আনারস খেয়েছিল।
সাথে সাথে হাসপাতাল থেকে এক
দল চিকিৎসক গেল সেই আনারস
বিক্রেতার কাছে এবং তারা সেই
আনারস
বিক্রেতার হাতে ক্ষতস্থান
খুজে পেল,
যেখান থেকে রক্ত বের হয় আনারসের
সাথে মিশতেছিল।
তারা বিক্রেতার রক্ত
পরিক্ষা করে তার
শরীরে এইডসের জিবানু খুজে পেল,
কিন্তু লোকটা জানত না। দূর্ভাগ্যবসত
ছোট্ট ছেলেটি এখন এইডস
রোগে ভুগছে!
দয়া করে রাস্তার খাবার খাওয়ার
পূর্বে অতিরিক্ত
শতর্ক হবেন এবং এই
সংবাদটি ছড়িয়ে দিন
আপনার প্রিয়জনদের কাছে।
কে যানে আপনার একটি শেয়ার
হয়তোবা একটি জীবন
রক্ষা করতে পারে ।।।
...........................(সংগৃহীত)

bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms,bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস