Showing posts with label kiss. Show all posts
Showing posts with label kiss. Show all posts

মুখের ঘা কোন মারাত্মক রোগ নয়

 


 মুখের ভেতর ছোট ছোট দানা, ঝাল খেলে যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়া। মনে হতে বড় সড় কোন সমস্যা কিন্তু এটা কোন মারাত্মক রোগ নয়। কয়েকদিনেই সেড়ে যায় কোন চিকিৎসা ছাড়াই। তবে বেশ কয়েকদিনেও ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চিকিৎসার পরও যদি বেশকিছু সময় লাগে তাহলে সঠিক পরীক্ষা করে নিতে পারেন। যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং দীর্ঘদিন ধরে ঔষধ গ্রহণ করছেন তাদের মুখে ঘা দেখা দিতে পারে।
মুখে ঘা সমস্যা হলে যা করতে হবে

১. প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে।
২. লবণ পানি দিয়ে বারবার কুলি করতে পারেন।
৩. অ্যান্টিসেপটিক জেল ব্যবহার করতে পারেন।
৪. ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী রোগের যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
৫. নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ।
৬. ধূমপান পরিহার এবং জর্দা দিয়ে পান খাওয়া ত্যাগ দিতে হবে।
৭. প্রতিদিন দুইবার অন্তত দুই তিন মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
৮. বছরে একবার অন্তত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অসুরক্ষিত যৌ’ন সংসর্গ থেকে সাবধান! তা নানা রোগের কারণ হতে পারে

 


 যৌন সম্পর্ক নিয়ে আমরা এখন অনেক মুক্তমনা হয়েছি। কেবলমাত্র একজনের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ হওয়া যায়, এমন একটা ধারণা থেকেও আজকের সমাজ ক্রমশ সরতে আরম্ভ করেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে এটাও ঠিক যে, যৌনতা নিয়ে আপনি যত পরীক্ষামূলক হবেন, তত বাড়বে যৌন সংসর্গজনিত অসুখবিসুখের আশঙ্কা। সোজা কথায়, সুরক্ষাকবচের সাহায্য না নিয়ে সম্পর্কে লিপ্ত হলে নানা ধরনের এসডিটি (সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজ়িজ়) বা এসটিআই (সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন) হতে পারে। মেয়েদের ক্ষেত্রে খুব কমন কতগুলি সমস্যা আছে – সেগুলি আপাতভাবে খুব ছোট মনে হলেও পরবর্তীকালে আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যহানির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তার মধ্যে যেগুলি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তা নিয়েই আপাতত আলোচনা চালানো যাক।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (SPV):মহিলাদের মধ্যে যে এসটিডি বা এসটিআইগুলি দেখা যায়, তার মধ্যে এইচপিভি সবচেয়ে কমন। এইচপিভি কিন্তু সারভাইকাল ক্যানসারেরও অন্যতম কারণ। আজকাল এর টীকা বেরিয়ে গিয়েছে এবং কম বয়সেই তা নিয়ে রাখা যায় সুরক্ষাকবচ হিসেবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার শরীর নিজের থেকেই এইচপিভি প্রতিরোধ করে দেয়, তা সম্ভব না হলে কিন্তু জেনিটাল ওয়ার্টস হতে পারে। মুখ আর গলাতেও সংক্রমণ হয় অনেক সময়
ক্ল্যামাইডিয়া:এটিও খুব কমন এসটিডি। সাধারণত প্রস্রাব করার সময় জ্বালাভাব আর ভ্যাজাইনা থেকে দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষরণ হয় ক্ল্যামাইডিয়া হলে। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে এমনটা হতে পারে, অ্যান্টিবায়োটিক দিলে সেরে যায়। তবে দম্পতিদের দু’জনকেই একসঙ্গে ওষুধের কোর্স কমপ্লিট করতে হবে। মাস তিনেক বাদে আরও একবার পরীক্ষা করে তবে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সংক্রমণ পুরোপুরি কেটেছে।

জেনিটাল হারপিস:হারপিস ভাইরাস আক্রমণ করলে ভ্যাজাইনার আশপাশে সাধারণত যন্ত্রণাদায়ক ছোট ছোট ফোসকা দেখা যায়। খুব তাড়াতাড়ি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু ভাইরাল সংক্রমণ, তাই নিয়ন্ত্রণের কোনও রাস্তা নেই। তবে ব্যথা বা জ্বালা কমানোর ওষুধ খেয়ে খানিকটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

কী থেকে বুঝবেন যে আপনার এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে?
প্রস্রাবে জ্বালাভাব ও ভ্যাজাইনা থেকে অস্বাভাবিক ক্ষরণের কথা আগেই বলা হয়েছে। সাধারণত কোনও যৌন সংক্রমণ হলে ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথা অনুভব করবেন। তা ছাড়া যৌনাঙ্গে ফুসকুড়ি, ব্যথা বা ক্ষত হলেও সতর্ক হওয়া উচিত। অস্বাভাবিক রক্তপাত, ভ্যাজাইনায় চুলকানি, ইস্ট ইনফেকশন, কন্ডোমে অ্যালার্জিও হতে পারে। এর কোনও একটি লক্ষণ থাকলেই ডাক্তার দেখানো উচিত।
ঠেকানোর জন্য কী করবেন?

যৌন সংক্রমণ ঠেকানোর সবচেয়ে সহজ রাস্তা হচ্ছে সতর্কতা। অসুরক্ষিত সংসর্গ থেকে দূরে থাকুন। কন্ডোম আপনাকে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা জোগাবে। তাই যাঁরা নিয়মিত বার্থ কন্ট্রোল পিল খান বা কপার টি ব্যবহার করেন, তাঁরাও কন্ডোম ইউজ় করুন।

ভদ্র মেয়ে চিনে রাখার ৮টি কৌশল

 


 ভদ্র মেয়েরা হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য। একজন ভদ্র মেয়ে তার পরিবারের ও সমাজের জন্য গর্ব। বর্তমান আধুনিক যুগে প্রায় সব মেয়েই নিজেকে অত্যাধুনিক মনে করে থাকেন। মূলত সে কারণেই অনেকেই বিভিন্ন ধরণের কুরুচিপূর্ণ পরে নিজেকে অত্যাধুনিক হিসেবে উপস্থাপনের নোংরা খেলায় মেতে রয়েছে।

তাই ভদ্র মেয়ে মানুষ চিনে রাখা সবার জন্যেই দরকার। তাই ভদ্র মেয়েদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:

 

১. ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচেতন থাকে। এমন কিছু পরে না যাতে করে বাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

২. ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চাই না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।
৩. ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্রভাব পরুক তা তারা চাই না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।

৪. ভদ্র মেয়েদের রাগ একটু বেশি। যার উপর রেগে যায় তাকে মুখের উপর সব বলে দেয়। মনে কোনও রকম রাগ, হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিও পেয়ে বসে।
৫. ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলা পোহাতে হয় বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগে থাকলে অযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুব বেশি ভালোবাসে।

৬. ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরুষ থেকে তারা ১০০ হাত দূরে থাকে।
৭. ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুব সীমিত থাকে। ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটা যেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাব পেতে হয়।
৮. ভদ্র মেয়েদের কবিতা লেখার প্রতি আগ্রহ বেশি। তারা তাদের লেখা কবিতা সচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায় না। ভদ্র মেয়েরা সাধারণ ঘর কুনো স্বভাবের বেশি হয়। ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনও কাজ কখনও করে না।

যৌ’ন জীবনে আগ্রহ নেই! আপনি কি প্রি-ম্যাচিওর? জানুন আসল তথ্য

 


 যৌ‘ন জীবনে কম আগ্রহী হয় প্রিম্যাচিওর বেবি  আপনি কি অল্প বয়সেই যৌন জীবন যাপনে আগ্রহ হারিয়েছেন? আপনি কি সময়ের আগেই জন্মেছেন? অর্থাৎ, প্রি-ম্যাচিওর বেবি? তাহলে এই নিবন্ধ আপনার জন্য। সমীক্ষা বলছে, যে সমস্ত বাচ্চা সময়ের আগেই আলো দেখে পৃথিবীর তারা নাকি ভবিষ্যতে রোমান্টিক কম হয় অন্যদের তুলনায়। এমনকি যৌন জীবন সম্বন্ধেও আগ্রহ হারায় খুব তাড়াতাড়ি। এই যৌন অক্ষমতার ফলেই বাবা হওয়ার স্বপ্নও পূরণ হয় না তাদের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু ৪৪ লক্ষ মানুষের ওপর করা এক সমীক্ষায় জানিয়েছে, ৩৭ সপ্তাহের আগে যেসব শিশু জন্মায় বড় হয়ে তাদের যৌন ইচ্ছে সঠিক সময়ে জন্মানো শিশুর থেকে ২৮ শতাংশ কম হয়। আর মা-বাবা হওয়ার সম্ভাবনা ২২ শতাংশ কম থাকে।

 

গবেষকরা জানিয়েছেন, সময়ের আগে জন্মানো শিশুরা বড় হওয়ার অনেকদিন পরেও অত্যন্ত লাজুক থাকে। এমনকি সমাজ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে নিজেদের। তাই এই সব বাচ্চাদের খুব তাড়াতাড়ি স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া উচিত। যাতে তারা অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে মিশে স্বাভাবিক হতে পারে। সমস্ত উৎসব অনুষ্ঠানে এদের নিয়ে যাওয়া দরকার মা-বাবার। তবেই এরা সামাজিক হয়ে উঠবে ধীরে ধীরে। 

এবিষয়ে দিল্লির বালাজি অ্যাকশন মেডিকেল ইন্সটিটিউটের মনোবিদ ডা. অমিত গর্গ জানিয়েছেন, শুধু শারীরিক নয়, মানসিক ভাবেও অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে থাকে এই সব বাচ্চা। অর্থাৎ, মানসিক বিকাশ এবং গঠন পরিপূর্ণ হয় না। ফলে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেও পারে না। আর এদের মধ্যে অপুষ্টি, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা তুলনায় বেশি থাকে এই বাচ্চাদের মধ্যে। এই সমস্যা কিন্তু বড় হয়ার পরেও থেকে যায়। ফলে, এদের সারাজীবনই খুব সাবধান হয়ে চলতে হয়।


আর এর থেকেই এত প্রচণ্ড পরিমাণে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা বা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে এদের যেতে হয় যে রোমান্টিসিজম বা সন্তানের জন্মদানে আগ্রহই হারিয়ে ফেলে এরা।

চু’মু খাওয়ার সাতটি উপকারিতা, জেনে রাখুন আপনিও

 

চুমু খাওয়ার মতো মিষ্টি অনুভূতি কমই হয়। ভালোবাসার প্রকাশ তো বটেই, দু’জন মানুষের পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতার সর্বোচ্চ প্রকাশ হল চুমু। এটি শারীরিক সম্ভোগ আর ফোরপ্লের একটা দারুণ জরুরি ধাপও বটে! শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে চুমু খাওয়ার আরও নানা স্বাস্থ্যকর দিক রয়েছে! অবাক হচ্ছেন? তা হলে পড়তে থাকুন!
উদ্বেগ কমাতে:চুমু খাওয়ার মুহূর্তেই মস্তিষ্কের কর্টিসলের (স্ট্রেস হরমোন) মাত্রা কমে যায়। তাই প্রবল মানসিক অশান্তির মুহূর্তে প্রেমিককে চুমু খেলে অনেকটা শান্ত লাগে।
দাঁতের স্বাস্থ্যরক্ষায়:অবাক হবেন না, সত্যিই চুমু খেলে আপনার দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সঙ্গীকে চুমু খাওয়ার সময় পরস্পরের লালা মিশে যায় এবং তাতেই দাঁত, মাড়ি আর মুখের সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।
মন ভালো থাকে:ভালোবাসার মানুষকে চুমু খেলে তো মন ভালো থাকবেই! আসলে পরস্পরের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সময় শরীরে একগুচ্ছ হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। অক্সিটোসিন, ডোপামাইন আর সেরোটোনিন নামের এই সব হরমোন আপনাকে মানসিক দিক থেকে চাঙ্গা করে তোলে এবং পার্টনারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও বাড়িয়ে দেয়।
রক্তচাপ কমায়:চুমু খাওয়ার সময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, শরীরের শিরা আর ধমনীগুলো প্রসারিত হয়, তাতে শরীরে রক্ত স্বচ্ছন্দে প্রবাহিত হতে পারে এবং রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে!

মুখের ব্যায়ামের পক্ষে আদর্শ:জানেন কি, চুমু খাওয়ার সময় আপনার মুখের 30টি পেশি সচল হয়ে ওঠে? ফলে মুখের একধরনের ব্যায়াম হয়ে যায়। পাশাপাশি চুমু খেলে প্রতি মিনিটে 26 ক্যালরি পর্যন্ত খরচ হতে পারে! কাজেই জিমে যাওয়ার উপকারিতা পাবেন চুমু খেয়েই, ভাবতে পারেন!
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে:জানেনই তো, ডিপ কিসের সময় পার্টনারের মুখের লালার সঙ্গে আপনার মুখের লালা মিশে যায়। ফলে আপনার শরীর নতুন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে পরিচিত হয়। কাজেই স্বাভাবিকভাবেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। দারুণ না?

বয়সের ছাপ কমায়:চুমু খেলে মুখে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে কোলাজেন উৎপাদনও বাড়ে। কাজেই মুখের ত্বক টানটান, সতেজ থাকে। কাজেই যত পারেন চুমু খান, সুস্থ থাকুন!