Showing posts with label বল্টুর মজার জোকস. Show all posts
Showing posts with label বল্টুর মজার জোকস. Show all posts

১৬ আগষ্ট || হাসতে নেই মানা

 

* জোকস-১

মালিক: এই বল্টু, তুই আমার নারিকেল গাছে কেন?
বল্টু: গরুর জন্য ঘাস কাটতে উঠেছি।
মালিক: তোর কি মাথা খারাপ, নারিকেল গাছে ঘাস পাবি কই?
বল্টু: ঘাস পাইনি, তাই তো নামছি।
পরদিন আবারও বল্টু গেল চুরি করতে। আবারও মালিক দেখে ফেলল--
মালিক: তুই আবার গাছে উঠেছিস কেন?
বল্টু: না, কাল ঘাস কাটার কাচিটা ফেলে গেছিলাম।

* জোকস-২

বানান বিভ্রাটে যে অবস্থা হলো
ক্লাসে শিক্ষক তার ছাত্রদের ইংরেজি পড়াচ্ছেন, হঠাৎ এক ছাত্র জিজ্ঞেস করল--
ছাত্র: আচ্ছা স্যার, ‘নাটুরে’ মানে কী?
শিক্ষক: আচ্ছা, তোর ‘নাটুরে’র বানানটা কী হবে বল তো?
ছাত্র: স্যার ‘NATURE’।
শিক্ষক: ওরে গাধা, ওটা নাটুরে না। ওটা হবে ‘ন্যাচার’ মানে প্রকৃতি। বের হয়ে যা আমার ক্লাস থেকে, আজই তোকে টিসি দিয়ে দেব।
ছাত্র: স্যার, প্লিজ প্লিজ এমন করবেন না। তাহলে আমার ‘ফুটুরে’ নষ্ট হয়ে যাবে।

* জোকস-৩
সর্বনাম পদের দুটি উদাহরণ
বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক অন্যমনস্ক এক ছেলেকে বললেন-
শিক্ষক: এই ছেলে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।
ছেলেটি হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে বলল-
ছাত্র: কে? আমি?
শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।

আজকের কৌতুক : দেবরকে দেখে যা করেছিলেন ভাবি!


দেবরকে দেখে যা করেছিলেন ভাবি!
দেবর-ভাবির মধ্যে কথা হচ্ছে। দেবর লাজুক হাসি হেসে বলল—
দেবর: জানেন ভাবি, কলেজে একটা মেয়ে আমাকে দেখে মুচকি হাসে।
ভাবি: তা-ও তো ভালো, মেয়েটা তোমাকে দেখে মুচকি হাসে। আমি যখন এ বাড়িতে এসে প্রথম তোমাকে দেখেছিলাম, আমি তো টানা তিন দিন হাসি থামাতে পারিনি।

সাহায্যের জন্য আট ভাষায় চিৎকার
দুই অনুবাদক একটি নৌকায় করে ভিনদেশে যাচ্ছেন—
প্রথম অনুবাদক: আপনি সাঁতার জানেন?
দ্বিতীয় অনুবাদক: তা জানি না, তবে আটটা ভাষা জানি।
প্রথম অনুবাদক: তাতে কী লাভ?
দ্বিতীয় অনুবাদক: ডুবে গেলে সাহায্যের জন্য আট ভাষায় চিৎকার করতে পারব!

****

মুরগির ছানা দত্তক নিয়েছিল কাক
গাছের মগডালে উঠে বারবার লাফিয়ে পড়ছে একটা মুরগির ছানা। বোঝা যাচ্ছে, সে উড়তে চেষ্টা করছে। পাশের গাছে বসে দৃশ্যটি দেখছে এক কাক দম্পতি। তা দেখে স্ত্রী কাক বলছে—
স্ত্রী কাক: আমার মনে হয়, ওকে জানিয়ে দেওয়ার সময় হয়েছে যে, আমরা ওকে দত্তক নিয়েছিলাম!

 

FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 18








FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 18

FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 17











FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 17

Jokes-Hell-নরক-Love Exam-ভালবাস?-politician-রাজনীতিবিদ



শোভা- বুঝলি সোমা, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি অয়ন কে বিয়ে করব না।
সোমা- সেকি রে , পাচ বছর ধরে প্রেম করলি , আর এখন  বিয়ে করবি না কেন?
শোভা - জানিস অয়ন একেবারে নাস্তিক।
সোমা- ও নাস্তিক তাতে তোর কি, তুই তো আর নাস্তিক না
শোভা- ও নরক আছে বলে বিশ্বাস করে না। ভয়ানক বেপার নয়?
সোমা: ঘাবড়াচ্ছস কেন, বিয়েটা হতে দে। কয়েকদিনের মধ্যেই বাছাধন বুঝে যাবে নরক সত্যিইআছে।

****

প্রেমিকা: তুমি কি আমায় ভালবাস?
প্রেমিক: বিশাস না হলে পরীক্ষা কর?
প্রেমিকা: ধর তোমার শার্টের পকেটে মাত্র ২০ টাকা আছে, তা থেকে আমি পনের টাকা চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?

জরুরী টাকাটাই প্রেমিকা চোখ পড়েছে দেখে , বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, কেন পারব না? একশবার পারব। তবে পরীক্ষার তারিখ টা একটু পিছান যায় না?


আজীবন বাম রাজনীতি করেছেন খ্যাতনামা এক রাজনীতিবিদ। এখন মৃত্যুশয্যায়। শুভাধ্যীরে ঘিরে আছে শেষ সময়ের বানী শোনার জন্য। রাজনীতিবিদ বললেন একটা ডান দলে যোগ দিতে চাই। কেন? এই শেষ বেলাই কেন কপালে কলংক লাগাতে চান?
মরার আগে আন্তত একজন ডান রাজনীতিবিদ মেরে যেতে চাই।

কয়েকটি দমফাটানো মজার কৌতুক পর্ব-১



  • দুই সন্তানের বাবা

পল্টু প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার সময় রসিকতা করে তার স্ত্রীকে বলে-
পল্টু : বিদায়, ওগো চার সন্তানের মা।
একই কথা প্রতিদিন শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে একদিন পল্টুর স্ত্রী সত্যটা বলেই ফেলল-
স্ত্রী : টা-টা, ওগো দুই সন্তানের বাবা।


  • পাশের বাড়ির আপুর সাথে

ছেলে : মা মা, আজকে কি ঈদ?
মা : না তো, কেন কি হইছে?
ছেলে : না মানে, ভাইয়াকে দেখলাম পাশের বাড়ির আপুর সাথে কোলাকুলি করছে।
মা : কি বললি!


  • কবরে খুব গরম লাগতেছিলো

পল্টু একবার পূর্ণিমা রাতে এক গোরস্থানের পাশ দিয়ে একা যাচ্ছিল। তার খুব ভয় ভয় লাগছিল! হঠাৎ দেখলো যে, এক লোক কবরের পাশে বসে আছে! লোকটিকে দেখে তার কাছে এগিয়ে গিয়ে বলল-
পল্টু: একা একা ভয় লাগছিল! আপনাকে দেখে একটু সাহস হলো! কিন্তু এ সময় আপনি এখানে কী করেন? লোক: কবরে খুব গরম লাগতেছিল! তাই বাইরে এসে একটু বাতাস খাচ্ছি!


  • শরীরের কোন অংশ সুন্দর?

প্রেমিকা: জানু, এবার ভালো করে দেখে বলো না, আমার শরীরের কোন অংশ সবচেয়ে সুন্দর?
প্রেমিক: হুম, সেটা হলো এমন একটা জিনিস; যেটা দেখতে নারিকেলের মতো গোল ও সাদা। তার ভেতরে আরো দুইটা বৃত্ত আছে, বৃত্তের উপর ডট।
প্রেমিকা: শয়তান! কী বলতে চাস?
প্রেমিক: সেটা হলো তোমার চোখ।

কয়েকটি রসালো কৌতুক ।। পড়ুন আর হাসুন


ব্যর্থ হই নি

 সুন্দর রোগীঃ ডাক্তার আমি শুধুমাত্র একটি জিনিসই চাই
ডাক্তারঃ সেটা কি?
রোগীঃ বাচ্চা
ডাক্তারঃ আপনি নিশ্চিত থাকুন এ ব্যাপারে আমি একবারও ব্যর্থ হইনি

ওদের বাবাকে

হঠাৎ করে গৃহকর্ত্রী বুঝতে পারলেন তাঁর তিন ছেলের যে কোন একজনের সাথে বাড়ির কাজের মেয়েটির সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ পর্যায়ে চলে গেছে। কিন্তু কোন ছেলের সাথে তা আন্দাজ করতে ব্যর্থ হয়ে শেষমেষ কাজের মেয়েটাকে ডেকে ঠাট্টাচ্ছলে জিজ্ঞেস করলেন ধরো আমার যে কোন এক ছেলের সঙ্গে তোমাকে বাইরে যেতে দেওয়া হলো তুমি কাকে বেছে নেবে? – ঘুরতে আমি তিনজনের সাথেই রাজি আছি তবে সময়টা উপভোগ করার জন্য ওদের বাবাকেই আমি বেছে নেব ।


ব্ল্যাংক চেক

ভ্যালেন্টাইন ডেতে স্ত্রীর কাছে আসতে না পেরে একটা ব্ল্যাঙ্ক চেকে এক হাজার চুমু লিখে স্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দিলেন স্বামী। দুদিন পর স্বামী ফোন করলেন, আমার চেক পেয়েছিলে? হ্যাঁ, আমাদের পাড়ার নজরুল ভাইয়ের কাছে ভাঙিয়ে নিয়েছি।

কানাডায় এক বাংলাদেশি


একজন ব্যাংকার বাংলাদেশে প্রাইভেট ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে কানাডায় গিয়ে একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে সেলসম্যান হিসেবে যোগ দিলেন। ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের মালিক জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার কী কোনো চাকরির অভিজ্ঞতা আছে?’
তিনি জানালেন, ‘আমি দেশে প্রাইভেট ব্যাংকে কাজ করতাম।’
দেখা গেল, চাকরির প্রথম দিনে তিনি খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করলেন। সন্ধ্যা ৬টায় ছুটির সময় স্টোরের মালিক তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আজ তুমি কজন ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করেছ?’

তিনি উত্তর দিলেন, ‘আমি আজ সারা দিনে একজন ক্রেতার কাছে বিক্রি করেছি।’ স্টোরের মালিক আশ্চর্য হয়ে বললেন, ‘মাত্র একজন? এখানকার প্রত্যেক সেলসম্যান দিনে ২০ থেকে ৩০ জন ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করে।’ স্টোরের মালিক একটু বিরক্ত সুরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তা তুমি কত ডলারের পণ্য বিক্রি করেছ?’

তিনি বললেন, ‘৩,৭৬,৫৪৩ ডলার।’

স্টোরের মালিক অবাক হয়ে বললেন, ‘কী! এত ডলার! এটা তুমি কিভাবে করলে?’

তিনি বললেন, ‘ওই ক্রেতার কাছে প্রথমে মাছ ধরার একটি ছোট্ট বড়শি বিক্রি করেছি। তারপর একটি বড় ও একটি মাঝারি বড়শি বিক্রি করলাম। এরপর একটি বড় ফিশিং রড আর কয়েকটি ফিশিং গিয়ার বিক্রি করলাম। তারপর আমি তাকে প্রশ্ন করলাম, আপনি কোথায় মাছ ধরবেন? তিনি বললেন, সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায়। তখন আমি তাকে বললাম, তাহলে তো আপনার একটি নৌকার প্রয়োজন হবে। আমি তাকে নিচতলায় নৌকার ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গেলাম। ভদ্রলোক সেখান থেকে কুড়ি ফুট দীর্ঘ দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট নৌকা কিনলেন। এরপর আমি তাকে বললাম—এই নৌকাটি তো আপনার ভক্সওয়াগন গাড়িতে ধরবে না, একটা বড় গাড়ির প্রয়োজন! আমি ভদ্রলোককে অটোমোবাইল ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গেলাম। আমার পরামর্শে তিনি নৌকাটি বহন করার উপযোগী একটি গাড়ি বুকিং দিলেন। তারপর আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম—মাছ ধরার সময় কোথায় থাকবেন? তিনি জানালেন, এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা করেননি। আমি তাঁকে ক্যাম্পিং ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গেলাম। তিনি আমার পরামর্শমতো ছয়জন লোক ঘুমানোর উপযুক্ত একটি ক্যাম্প তাঁবু কিনলেন। সব শেষে আমি তাঁকে বোঝালাম—আপনি যখন এত কিছু কিনেছেন, এখন কিছু খাবার ও পানীয় কিনে নেওয়া উচিত। ভদ্রলোক ২০০ ডলার দিয়ে কিছু মুদিদ্রব্য ও দুই কেইস বিয়ার কিনলেন!’

এবার স্টোরের মালিক একটু দমে গিয়ে বিস্ময়ের সঙ্গে বলে উঠলেন, ‘যে লোকটা একটি বড়শি কিনতে এসেছিল, তুমি তাকে দিয়ে এত কিছু কেনালে কিভাবে?’

ব্যাংকার ভদ্রলোক বললেন, ‘না স্যার, ওই ভদ্রলোক শুধু মাথা ব্যথার ওষুধ কিনতে এসেছিলেন। আমি তাঁকে বোঝালাম—মাছ ধরলে মাথা ব্যথার উপশম হবে।’

স্টোরের মালিক এবার জানতে চাইলেন, ‘এর আগে তুমি কী কাজ করতে?’

তিনি বললেন, ‘আমি বাংলাদেশে একটি প্রাইভেট ব্যাংকে ছিলাম। ব্যাংকের ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিভিন্ন স্কিম করানোর পরামর্শ দিতাম।’

একটা চুমো


বান্ধবীকে রাতের বেলা বাড়ি পৌঁছে দিতে এসেছে বাবু। দরজার পাশে দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বললো সে, একটা চুমো খেতে দাও আমাকে।’ ‘কী? তুমি পাগল হলে? এখানে দাঁড়িয়ে না না না!’ ‘আরে কেউ দেখবে না। এসো, একটা চুমো।’ ‘না না, খুব ঝামেলা হবে কেউ দেখে ফেললে।’ ‘আরে জলদি করে খাবো, কে দেখবে?’ ‘না না, কক্ষণো এভাবে আমি চুমো খেতে পারবো না।’ ‘আরে এসো তো, আমি জানি তুমিও চাইছো — খামোকা এমন করে না লক্ষ্মী!’ এমন সময় দরজা খুলে গেলো, বান্ধবীর ছোট বোন ঘুম ঘুম চোখে দাঁড়িয়ে। চোখ ডলতে ডলতে সে বললো, ‘আপু, বাবা বলেছে, হয়তুমি চুমো খাও,নয়তো আমি চুমো খাই, নয়তো বাবা নিজেই নিচে নেমে এসে লোকটাকে চুমো খাবে —
কিন্তু তোমার বন্ধু যাতে আল্লার ওয়াস্তে ইন্টারকম থেকে হাতটা সরায়।’

আজকের কৌতুক : স্বামীর অতীত জানার উপায়


স্বামীর অতীত জানার উপায় এক নারী জ্যোতিষীর কাছে গিয়ে স্বামীর বিষয়ে জানতে চাইলেন- নারী: আমার স্বামী সম্পর্কে কিছু বলুন। জ্যোতিষী: আপনি কি আপনার স্বামীর ভবিষ্যৎ জানতে ইচ্ছুক? নারী: রাবিশ! ওর ভবিষ্যৎ তো আমি ঠিক করব। জ্যোতিষী: তাহলে কী জানতে চাইছেন? নারী: তার অতীত জানতে চাইছি!

 ****

এটিএম বুথের সিকিউরিটি গার্ড বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে পিন্টুর একান্ত ইচ্ছা ছিল কয়েকটি- প্রথমত, সঙ্গে থাকবে টাকাভর্তি বাক্স। দ্বিতীয়ত, একটি মোটামুটি ঝামেলা ছাড়া চাকরি। তৃতীয়ত, শান্তির ঘুম। চতুর্থত, কাজ করার স্থানটা হবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। পিন্টুর সব ইচ্ছাই আজ পূরণ হয়েছে। সে এখন এটিএম বুথের সিকিউরিটি গার্ড।

****

স্বামীর এসএমএসে ক্ষেপে গেল স্ত্রী স্বামী-স্ত্রী ইংরেজি চর্চা শুরু করেছে। যখন-তখন ইংরেজিতে এসএমএস করছে তারা। ফোন করে বলছে, তাড়াতাড়ি উত্তর দিতে। একদিন স্বামী এসএমএস করেছে স্ত্রীকে- স্বামী: হাই! হোয়াট আর ইউ ডুয়িং ডার্লিং? স্ত্রী: আই অ্যাম ডায়িং… স্বামী: সুইট হার্ট, ডোন্ট ডাই, প্লিজ! হাউ ক্যান, আই লিভ উইদাউট ইউ? স্ত্রী: ইউ ডাফার, ইডিয়ট! আই অ্যাম ডায়িং মাই হেয়ার।

আসুন আমাদের গার্ল ফ্রেন্ডদেরকে বোকা বানাই বাংলা মজার কৌতুক

bangla jokes
বয়ফ্রেন্ডঃ বলতো ঐটা কি জিনিস যেটা আমার প্যান্ট এর ভিতরে আছে কিন্তু তোমার প্যান্ট এর ভিতরে নাই ?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ পকেট।
বয়ফ্রেন্ডঃ বলতো,ওইটা কোন জিনিস যেটা বিছানা তে করতে অনেক আরাম আর মজা লাগে?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ ঘুম ।
বয়ফ্রেন্ডঃ এবার বলতো কোন কাজটা, যেটা মেয়েরা প্রথম প্রথম করতে গেলে ব্যাথায় আহ ওহ করে ?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ কান ফুটানোর সময় ।
বয়ফ্রেন্ডঃ আচ্ছা তাহলে এবার বল কোন জিনিসটা অর্ধেক ঢুকলে ব্যাথা লাগে আরপুরাটা ঢুকে গেলে ভাল লাগে?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ হাতে চুড়ি পরাতে গেলে।
বয়ফ্রেন্ডঃ বলতো ওইটা কি যেটা যারকাছে আছে সে হাতে ধরে নেড়ে নেড়ে করে,আর জার নাই সে আঙ্গুলঢুকিয়ে করে ?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ টুথব্রাস দিয়ে ব্রাস করা***
বোকা বানাতে পারলাম নাকি নিজেই বোকা হয়ে গেলাম বুঝলাম না
বিঃদ্রঃ আপনার গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে এটা করার চেষ্টা করবেন না