Showing posts with label lips kiss. Show all posts
Showing posts with label lips kiss. Show all posts

এক পাতিল দই || Bangla love story

 


মিষ্টির দোকান থেকে দই কিনে রাস্তা দিয়ে হাঁটছি এমন সময় এক গাড়ী পুলিশ এসে দাঁড়ালো আমার সামনে। গাড়ী থেকে নেমেই কয়েকটা পুলিশ সোজা বন্দুক আমার দিকে করে বললো, এই প্যাকেটের মধ্যে কি আছে এক্ষুনি বের করুন নাহলে আপনাকে গুলি করতে বাধ্য হবো। ভয়ে আমার হাত পা কাঁপছে। সকাল সকাল এ কি বিপদে পড়লাম রে বাবা। ভয়ে ভয়ে বললাম, স্যার এর মধ্যে বগুড়ার দই আছে। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশকে লক্ষ্য করে বললাম, স্যার আমার বিয়েশাদি হয়নাই। আপনি দয়া করে বন্দুকটা বুকের দিকে অথবা মাথার দিকে তাক করে ধরুন। ওখানে গুলি লাগলে আমি আর এই জীবনে বিয়ে করতে পারবো না। ছোটবেলা থেকে আমার বিয়ে করার খুব ইচ্ছে।

পিছন থেকে এসআই সাহেব এগিয়ে এসে বললো, মানুষের এতো ইচ্ছে থাকতে তোর এই বিয়ে করার ইচ্ছের কারণ টা কি? আমি বললাম, বিয়ের পর অনেকগুলো বাচ্চাকাচ্চা হবে। তারপর শিশুপার্কে গিয়ে এক ব্যাটার উপর প্রতিশোধ নিবো। সেদিন প্রেমিকার সাথে শিশুপার্কে গেছিলাম। এক ব্যাটা আমাদের ঢুকতে দেয়নাই। বলছে ওখানে শিশু ছাড়া ঢোকা নিষেধ।

এসআই আমার কানমলা দিয়ে বললো, পরিবার পরিকল্পনার শ্লোগান শুনিস নাই? দুইটি বাচ্চার বেশি নয়৷ একটি হলেই ভালো হয়। আমি কাচুমাচু হয়ে বললাম, স্যার বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটির বেশি। সেইখানে আমার ৩-৪ বাচ্চাকাচ্চা আপনাদের কাছে বেশি হয়ে গেলো? এসআই ধমক দিয়ে বললো ,অই তুই চুপ থাক। বেশি কথা বলিস। ঐ কেউ একজন এর প্যাকেট খুলে দেখ ভিতরে কি আছে।

একজন এগিয়ে এসে প্যাকেট খুলে দেখে বললো, স্যার ভিতরে দই ছাড়া কিচ্ছু নাই।

এসআই বললো, দইটাও চেক করে দেখ। গাড়ির ভিতরে দেখ চামুচ আছে সেটা নিয়ে আয়।

কনস্টেবল একটা চামুচ এনে দই থেক এক চামুচ মুখে দিয়েই বললো, স্যার ফার্স্টক্লাস দই। জীবনে এমন দই খাইনাই।এসআই বললো, কি তাই নাকি? সত্যি ভালো তো?কনস্টেবল বললো, জ্বী স্যার। একদম খাটি দই।এবার আমার বিশেষ যায়গায় দিকে বন্দুক তাক করে থাকা কনস্টেবল এসআইকে বললো, স্যার বউয়ের যন্ত্রণায় বাসায় মিষ্টি খাইতে পারি না। আপনি যদি কিছু মনে না করেন তাহলে ওখান থেকে এক চামুচ দই খাই? খুব খাইতে ইচ্ছে করতেছে।আরো পড়ুনঃ চুমু খাওয়ার সাতটি উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন এসআই বললো, ঠিক আছে খা। তবে এক চামুচের বেশি খাবি না।এরপর সেই কনস্টেবল এক চামুচ মুখে দিয়েই বললো, স্যার দই খেয়ে মুখের চুলকানি বেড়ে গেছে। আরেক চামুচ খাই স্যার?

এসআই বললো, ঠিক আছে খা।এবার খেয়াল করে দেখলাম, সব পুলিশ সদস্যরাই এসআইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। অর্থাৎ এরাও খেতে চায়।আমি দৌড়ে গিয়ে সেই কনস্টেবলের হাত থেকে দইয়ের হাঁড়ি দুইটি কেড়ে নিয়ে বললাম, স্যার আর দই দেওয়া যাবে না। আপনার দুই কনস্টেবল আমার এক হাঁড়ির অর্ধেক দই শেষ করছে। আমি আর দই দিবো না।এবার আরেক কনস্টেবল বলে উঠলো, ও ভাই আমারে এক চামুচ দই দেন না। এমন করেন কেন?আমি রেগে গিয়ে বললাম, দেখেন ভাই। আমার আব্বা আমাকে এমনেই বিশ্বাস করে না। ভাববে আমি রাস্তায় দই খেয়ে হাঁড়ি খালি করেছি। আপনারা থাকেন আমি চালালাম।এসআই সাহেব বললেন, “আজ নির্বাচন” জানো না?এসব প্যাকেট নিয়ে ঘুরলে পুলিশ সন্দেহ করবেই।যাইহোক, এটা কোথাকার দই?আমি বগুড়ার দই বলে বাসার দিকে হাঁটতে লাগলাম। একবার পিছন ফিরে দেখি সবাই আমার হাতের দইয়ের প্যাকেটের দিকে তাকিয়ে আছে। মনে মনে ভাবছি বাসায় গিয়ে আব্বারে কি জবাব দিমু।বাসার প্রায় সামনে চলে এসেছি। দেখি গলির মোড়ে কয়েকজন পুলিশ সমস্যা দাঁড়িয়ে আছে। মনে মনে ভাবলাম শেষ। এবার আর আমার দই নিয়ে বাসায় যাওয়া হবে না। কোনো চিন্তা না করেই দইয়ের প্যাকেট দুইহাত দিয়ে শক্ত করে ধরে দিলাম ভৌ-দৌড়।আমি দৌড়াচ্ছি পুলিশ সদস্যরা আমার পিছে পিছে দৌড়াচ্ছে। আমি আরো জোরে দৌড়াচ্ছি। ওরাও আমার পিছু আরো জোরে দৌড়াচ্ছে। বেশকিছু দূর দৌড়ানোর পর হাল ছেড়ে দিলাম। ইতিমধ্যে উনারা আমাকে ধরে ফেললো। আবার বন্দুক আমার দিকে তাক করে বললো, সত্যি করে বল এই প্যাকেটের মধ্যে কি আছে?আমি বললাম, আমার জীবন থাকতে বলবো না।। এর আগেরবার যে ভুল করছি সেটা আর করবো না।একজন পুলিশ সদস্য এসে আমার কাছে থেকে দইয়ের প্যাকেট কেড়ে নিয়ে খুলে দেখে বললো, আরে এর মধ্যে তো দই।আমি বললাম, হ্যাঁ দই।উনি বললেন, তাহলে তুই দৌড়াচ্ছিলি কেন?আমি রাগ নিয়ে বললাম, আপনারা মানুষের হাতে দই দেখলেই খাওয়া শুরু করেন। এই ভয়ে দৌড় দিছি।হঠাৎ একজন পুলিশ সদস্য বললো, তোর কথা আমার কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। চল থানায় চল।আমি থানায় দইয়ের প্যাকেট নিয়ে বসে আছি। এরমধ্যে আব্বা এসে হাজির।আব্বা- তুমি কি করছ? পুলিশ তোমাকে ধরছে কেন?আমি- আব্বা আমি পুলিশকে দই খাইতে দেই নাই। তাই আমাকে ধরে নিয়ে আসছে।আব্বা – জেলে বইসা আমার সাথে মজা করো?

আমি- আব্বা বিশ্বাস করেন আমি মজা করতেছি না।হঠাৎ সেই এসআই এসে বললো, আরে তুই এইখানে কেন? এসআই আর আব্বাকে পরের ঘটনা সব খুলে বলতেই এসআই বললো, তোকে মুক্তি দিতে পারি এক শর্তে।।আব্বা বললেন, কি শর্ত এসআই সাহেব?এসআই বললেন, দইয়ের হাঁড়ি দুটো আমাকে দিতে হবে। নাহলে সাতদিন জেল খাটতে হবে।আব্বারে বললাম, আব্বা আমার সাতদিন জেল খাটতে কোনো সমস্যা নাই। আপনি দইয়ের হাঁড়ি দুইটা নিয়ে যান।

আব্বা আমাকে ধমক দিয়ে বললো, তুই চুপ থাক হারামজাদা। এসআই সাহেব হাঁড়ি দুইটা আপনি রাখেন। তবুও আমার ছেলেরে ছাইড়া দেন।আমি আর আব্বা থানা থেকে বের হচ্ছি। এমন সময় এসআই সাহেব বললেন, কিছুদিন ধরে বউ রাগ করে শ্বশুর বাড়ি গেছে। আমার বউয়ের রাগ আবার বগুড়ার মিষ্টি দই ছাড়া ভাঙ্গানো যায় না।

থানার বাইরে আইসা আব্বাকে বললাম, আব্বা জোরে হাঁটেন। আব্বা বললেন, কেন? আমি বললাম, আপনি না বলছিলেন একটা টক দই আর একটা মিষ্টি দই নিতে। এরা তো মিষ্টি দইটা খাইছে টক দইটা নিচে আছে। এসআইয়ের বউ যখন টক দইয়ে মুখে দিবে তখন কি হবে একবার ভেবে দেখেছেন?হঠাৎ খেয়াল করে দেখলাম আশেপাশে আব্বা নাই। কিন্তু একটু দূরে চোখ রাখতেই টের পেলাম আব্বার মতো একটা লোক দৌড়ে পালাচ্ছে।

আমিও আর কোনো দিকে না তাকিয়ে দিলাম দৌড়

মুখের ঘা কোন মারাত্মক রোগ নয়

 


 মুখের ভেতর ছোট ছোট দানা, ঝাল খেলে যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়া। মনে হতে বড় সড় কোন সমস্যা কিন্তু এটা কোন মারাত্মক রোগ নয়। কয়েকদিনেই সেড়ে যায় কোন চিকিৎসা ছাড়াই। তবে বেশ কয়েকদিনেও ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চিকিৎসার পরও যদি বেশকিছু সময় লাগে তাহলে সঠিক পরীক্ষা করে নিতে পারেন। যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং দীর্ঘদিন ধরে ঔষধ গ্রহণ করছেন তাদের মুখে ঘা দেখা দিতে পারে।
মুখে ঘা সমস্যা হলে যা করতে হবে

১. প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে।
২. লবণ পানি দিয়ে বারবার কুলি করতে পারেন।
৩. অ্যান্টিসেপটিক জেল ব্যবহার করতে পারেন।
৪. ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী রোগের যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
৫. নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ।
৬. ধূমপান পরিহার এবং জর্দা দিয়ে পান খাওয়া ত্যাগ দিতে হবে।
৭. প্রতিদিন দুইবার অন্তত দুই তিন মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
৮. বছরে একবার অন্তত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অসুরক্ষিত যৌ’ন সংসর্গ থেকে সাবধান! তা নানা রোগের কারণ হতে পারে

 


 যৌন সম্পর্ক নিয়ে আমরা এখন অনেক মুক্তমনা হয়েছি। কেবলমাত্র একজনের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ হওয়া যায়, এমন একটা ধারণা থেকেও আজকের সমাজ ক্রমশ সরতে আরম্ভ করেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে এটাও ঠিক যে, যৌনতা নিয়ে আপনি যত পরীক্ষামূলক হবেন, তত বাড়বে যৌন সংসর্গজনিত অসুখবিসুখের আশঙ্কা। সোজা কথায়, সুরক্ষাকবচের সাহায্য না নিয়ে সম্পর্কে লিপ্ত হলে নানা ধরনের এসডিটি (সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজ়িজ়) বা এসটিআই (সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন) হতে পারে। মেয়েদের ক্ষেত্রে খুব কমন কতগুলি সমস্যা আছে – সেগুলি আপাতভাবে খুব ছোট মনে হলেও পরবর্তীকালে আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যহানির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তার মধ্যে যেগুলি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তা নিয়েই আপাতত আলোচনা চালানো যাক।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (SPV):মহিলাদের মধ্যে যে এসটিডি বা এসটিআইগুলি দেখা যায়, তার মধ্যে এইচপিভি সবচেয়ে কমন। এইচপিভি কিন্তু সারভাইকাল ক্যানসারেরও অন্যতম কারণ। আজকাল এর টীকা বেরিয়ে গিয়েছে এবং কম বয়সেই তা নিয়ে রাখা যায় সুরক্ষাকবচ হিসেবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার শরীর নিজের থেকেই এইচপিভি প্রতিরোধ করে দেয়, তা সম্ভব না হলে কিন্তু জেনিটাল ওয়ার্টস হতে পারে। মুখ আর গলাতেও সংক্রমণ হয় অনেক সময়
ক্ল্যামাইডিয়া:এটিও খুব কমন এসটিডি। সাধারণত প্রস্রাব করার সময় জ্বালাভাব আর ভ্যাজাইনা থেকে দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষরণ হয় ক্ল্যামাইডিয়া হলে। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে এমনটা হতে পারে, অ্যান্টিবায়োটিক দিলে সেরে যায়। তবে দম্পতিদের দু’জনকেই একসঙ্গে ওষুধের কোর্স কমপ্লিট করতে হবে। মাস তিনেক বাদে আরও একবার পরীক্ষা করে তবে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সংক্রমণ পুরোপুরি কেটেছে।

জেনিটাল হারপিস:হারপিস ভাইরাস আক্রমণ করলে ভ্যাজাইনার আশপাশে সাধারণত যন্ত্রণাদায়ক ছোট ছোট ফোসকা দেখা যায়। খুব তাড়াতাড়ি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু ভাইরাল সংক্রমণ, তাই নিয়ন্ত্রণের কোনও রাস্তা নেই। তবে ব্যথা বা জ্বালা কমানোর ওষুধ খেয়ে খানিকটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

কী থেকে বুঝবেন যে আপনার এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে?
প্রস্রাবে জ্বালাভাব ও ভ্যাজাইনা থেকে অস্বাভাবিক ক্ষরণের কথা আগেই বলা হয়েছে। সাধারণত কোনও যৌন সংক্রমণ হলে ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথা অনুভব করবেন। তা ছাড়া যৌনাঙ্গে ফুসকুড়ি, ব্যথা বা ক্ষত হলেও সতর্ক হওয়া উচিত। অস্বাভাবিক রক্তপাত, ভ্যাজাইনায় চুলকানি, ইস্ট ইনফেকশন, কন্ডোমে অ্যালার্জিও হতে পারে। এর কোনও একটি লক্ষণ থাকলেই ডাক্তার দেখানো উচিত।
ঠেকানোর জন্য কী করবেন?

যৌন সংক্রমণ ঠেকানোর সবচেয়ে সহজ রাস্তা হচ্ছে সতর্কতা। অসুরক্ষিত সংসর্গ থেকে দূরে থাকুন। কন্ডোম আপনাকে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা জোগাবে। তাই যাঁরা নিয়মিত বার্থ কন্ট্রোল পিল খান বা কপার টি ব্যবহার করেন, তাঁরাও কন্ডোম ইউজ় করুন।

ভদ্র মেয়ে চিনে রাখার ৮টি কৌশল

 


 ভদ্র মেয়েরা হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য। একজন ভদ্র মেয়ে তার পরিবারের ও সমাজের জন্য গর্ব। বর্তমান আধুনিক যুগে প্রায় সব মেয়েই নিজেকে অত্যাধুনিক মনে করে থাকেন। মূলত সে কারণেই অনেকেই বিভিন্ন ধরণের কুরুচিপূর্ণ পরে নিজেকে অত্যাধুনিক হিসেবে উপস্থাপনের নোংরা খেলায় মেতে রয়েছে।

তাই ভদ্র মেয়ে মানুষ চিনে রাখা সবার জন্যেই দরকার। তাই ভদ্র মেয়েদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:

 

১. ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচেতন থাকে। এমন কিছু পরে না যাতে করে বাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

২. ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চাই না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।
৩. ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্রভাব পরুক তা তারা চাই না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।

৪. ভদ্র মেয়েদের রাগ একটু বেশি। যার উপর রেগে যায় তাকে মুখের উপর সব বলে দেয়। মনে কোনও রকম রাগ, হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিও পেয়ে বসে।
৫. ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলা পোহাতে হয় বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগে থাকলে অযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুব বেশি ভালোবাসে।

৬. ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরুষ থেকে তারা ১০০ হাত দূরে থাকে।
৭. ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুব সীমিত থাকে। ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটা যেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাব পেতে হয়।
৮. ভদ্র মেয়েদের কবিতা লেখার প্রতি আগ্রহ বেশি। তারা তাদের লেখা কবিতা সচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায় না। ভদ্র মেয়েরা সাধারণ ঘর কুনো স্বভাবের বেশি হয়। ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনও কাজ কখনও করে না।

যৌ’ন জীবনে আগ্রহ নেই! আপনি কি প্রি-ম্যাচিওর? জানুন আসল তথ্য

 


 যৌ‘ন জীবনে কম আগ্রহী হয় প্রিম্যাচিওর বেবি  আপনি কি অল্প বয়সেই যৌন জীবন যাপনে আগ্রহ হারিয়েছেন? আপনি কি সময়ের আগেই জন্মেছেন? অর্থাৎ, প্রি-ম্যাচিওর বেবি? তাহলে এই নিবন্ধ আপনার জন্য। সমীক্ষা বলছে, যে সমস্ত বাচ্চা সময়ের আগেই আলো দেখে পৃথিবীর তারা নাকি ভবিষ্যতে রোমান্টিক কম হয় অন্যদের তুলনায়। এমনকি যৌন জীবন সম্বন্ধেও আগ্রহ হারায় খুব তাড়াতাড়ি। এই যৌন অক্ষমতার ফলেই বাবা হওয়ার স্বপ্নও পূরণ হয় না তাদের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু ৪৪ লক্ষ মানুষের ওপর করা এক সমীক্ষায় জানিয়েছে, ৩৭ সপ্তাহের আগে যেসব শিশু জন্মায় বড় হয়ে তাদের যৌন ইচ্ছে সঠিক সময়ে জন্মানো শিশুর থেকে ২৮ শতাংশ কম হয়। আর মা-বাবা হওয়ার সম্ভাবনা ২২ শতাংশ কম থাকে।

 

গবেষকরা জানিয়েছেন, সময়ের আগে জন্মানো শিশুরা বড় হওয়ার অনেকদিন পরেও অত্যন্ত লাজুক থাকে। এমনকি সমাজ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে নিজেদের। তাই এই সব বাচ্চাদের খুব তাড়াতাড়ি স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া উচিত। যাতে তারা অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে মিশে স্বাভাবিক হতে পারে। সমস্ত উৎসব অনুষ্ঠানে এদের নিয়ে যাওয়া দরকার মা-বাবার। তবেই এরা সামাজিক হয়ে উঠবে ধীরে ধীরে। 

এবিষয়ে দিল্লির বালাজি অ্যাকশন মেডিকেল ইন্সটিটিউটের মনোবিদ ডা. অমিত গর্গ জানিয়েছেন, শুধু শারীরিক নয়, মানসিক ভাবেও অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে থাকে এই সব বাচ্চা। অর্থাৎ, মানসিক বিকাশ এবং গঠন পরিপূর্ণ হয় না। ফলে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেও পারে না। আর এদের মধ্যে অপুষ্টি, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা তুলনায় বেশি থাকে এই বাচ্চাদের মধ্যে। এই সমস্যা কিন্তু বড় হয়ার পরেও থেকে যায়। ফলে, এদের সারাজীবনই খুব সাবধান হয়ে চলতে হয়।


আর এর থেকেই এত প্রচণ্ড পরিমাণে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা বা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে এদের যেতে হয় যে রোমান্টিসিজম বা সন্তানের জন্মদানে আগ্রহই হারিয়ে ফেলে এরা।

চু’মু খাওয়ার সাতটি উপকারিতা, জেনে রাখুন আপনিও

 

চুমু খাওয়ার মতো মিষ্টি অনুভূতি কমই হয়। ভালোবাসার প্রকাশ তো বটেই, দু’জন মানুষের পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতার সর্বোচ্চ প্রকাশ হল চুমু। এটি শারীরিক সম্ভোগ আর ফোরপ্লের একটা দারুণ জরুরি ধাপও বটে! শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে চুমু খাওয়ার আরও নানা স্বাস্থ্যকর দিক রয়েছে! অবাক হচ্ছেন? তা হলে পড়তে থাকুন!
উদ্বেগ কমাতে:চুমু খাওয়ার মুহূর্তেই মস্তিষ্কের কর্টিসলের (স্ট্রেস হরমোন) মাত্রা কমে যায়। তাই প্রবল মানসিক অশান্তির মুহূর্তে প্রেমিককে চুমু খেলে অনেকটা শান্ত লাগে।
দাঁতের স্বাস্থ্যরক্ষায়:অবাক হবেন না, সত্যিই চুমু খেলে আপনার দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সঙ্গীকে চুমু খাওয়ার সময় পরস্পরের লালা মিশে যায় এবং তাতেই দাঁত, মাড়ি আর মুখের সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।
মন ভালো থাকে:ভালোবাসার মানুষকে চুমু খেলে তো মন ভালো থাকবেই! আসলে পরস্পরের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সময় শরীরে একগুচ্ছ হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। অক্সিটোসিন, ডোপামাইন আর সেরোটোনিন নামের এই সব হরমোন আপনাকে মানসিক দিক থেকে চাঙ্গা করে তোলে এবং পার্টনারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও বাড়িয়ে দেয়।
রক্তচাপ কমায়:চুমু খাওয়ার সময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, শরীরের শিরা আর ধমনীগুলো প্রসারিত হয়, তাতে শরীরে রক্ত স্বচ্ছন্দে প্রবাহিত হতে পারে এবং রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে!

মুখের ব্যায়ামের পক্ষে আদর্শ:জানেন কি, চুমু খাওয়ার সময় আপনার মুখের 30টি পেশি সচল হয়ে ওঠে? ফলে মুখের একধরনের ব্যায়াম হয়ে যায়। পাশাপাশি চুমু খেলে প্রতি মিনিটে 26 ক্যালরি পর্যন্ত খরচ হতে পারে! কাজেই জিমে যাওয়ার উপকারিতা পাবেন চুমু খেয়েই, ভাবতে পারেন!
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে:জানেনই তো, ডিপ কিসের সময় পার্টনারের মুখের লালার সঙ্গে আপনার মুখের লালা মিশে যায়। ফলে আপনার শরীর নতুন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে পরিচিত হয়। কাজেই স্বাভাবিকভাবেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। দারুণ না?

বয়সের ছাপ কমায়:চুমু খেলে মুখে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে কোলাজেন উৎপাদনও বাড়ে। কাজেই মুখের ত্বক টানটান, সতেজ থাকে। কাজেই যত পারেন চুমু খান, সুস্থ থাকুন!