Showing posts with label বল্টুর জোকস. Show all posts
Showing posts with label বল্টুর জোকস. Show all posts

হাসতে নেই মানা

 


 * জোকস-১
প্রেমিকাকে নিয়ে ডেটিং করতে এক রেস্তোরাঁয় ঢুকল বল্টু।
ওয়েটার: স্যার, মেনুকার্ড দেখে অর্ডার দিন কী কী খাবেন?
খাবারের দাম দেখে বল্টুর কলিজা শুকিয়ে গেল।
বল্টু: আপাতত, চেয়ার-টেবিল সরান। একটু গড়াগড়ি খাই।

* জোকস-২
অসিমের সেভ করা দরকার। তাই সে তার পাড়ার নাপিতের কাছে গেল। নাপিত কেবল অসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে এমন সময় অসিম বলল, ‘আমার গালটা একটু ভাঙা, তাই মসৃণ সেভ হয় না, দয়াকরে খুব সাবধানে মসৃণ সেভ করে দাও।’
নাপিত তখন একটা কাঠের ছোট গোল বল অসিমের গালের ভেতরে ঢুকিয়ে দিলো। তারপর সেভ করা শুরু করলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই অসিম বুঝতে পারল, আসলেই খুব ভালো ও মসৃণ সেভ হচ্ছে। গালের ভেতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় অসিম বলল, ‘খুব ভালো। কিন্তু এখন যদি আমি বলটি গিলে ফেলি, তাহলে কী হবে?’

নাপিত একটুও বিচলিত না হয়ে বলল, ‘ওইটা কোনো ব্যাপার না, সবাই যেমন পরের দিন ফেরত দিয়া যায়, আপনেও কাইলকা আইসা ফেরত দিয়া যাইয়েন।’
* জোকস-৩
কাক বসেছিল গাছের ডালে। নিচ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল খরগোশ।
খরগোশ: কিরে কাক, তুই কী করছিস?
কাক: কিছুই না। এমনি বসে আছি।
খরগোশ: বেশ মজা তো! আমিও বসে থাকি কিছু না করে?
কাক: থাকো।
হাত-পা গুটিয়ে খরগোশ বসল গাছের গোড়ায়। ঝোঁপের আড়াল থেকে খেঁকশিয়াল দেখল খরগোশ বসে আছে চুপচাপ। ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে খেয়ে ফেলল। পুরো ঘটনাটাই কাক দেখল গাছের ডালে বসে এবং ভাবল, খরগোশকে একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, কিছু না করে বসে থাকলে চলে কেবল তাদেরই; যারা বসে থাকে উপরে।

৪২০ ফানি জোকস, Bengali 420 Jokes

 

  • এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে দেরি করে আসেন। বস : আজও দেরি হল কেন? তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল! বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন? তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!   
 
  • এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ী দুঘটনার একেবারে চুরমার হয়ে গেছে । তিনি তার গাড়ী যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকার দাবী করলেন । কোম্পানীর ম্যানেজার বললেন যে আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না । আপনাকে গাড়ীর বদলে একটা নতুন গাড়ী দেয়া হবে । ভদ্রলোক তো উল্লসিত হয়ে ঊঠে বললেন, আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা , সে মরে গেলে কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন ?  
 
  • ভদ্রমহিলাঃ তোমার নাম কি? খুকিঃ অনিতা। ভদ্রমহিলাঃ কি সুন্দর দেখতে তুমি! তোমার মতো মেয়ের মা হতে আমার খুব ইচ্ছে। খুকিঃ কিন্তু আমার বাবা যে মারা গিয়েছেন।  
 
  • এক লোক গেছে ডাক্তারের কাছে। তার থাই (উরু) পুড়ে গেছে। তো, ডাক্তার প্রেস্ক্রিপশন লিখলো, (১) বার্নল। (২) ভায়াগ্রা।  লোকটা প্রেস্ক্রিপশন দেখে তো অবাক!! জিজ্ঞেস করলো, বার্নল তো বুঝলাম কিন্তু ভায়াগ্রা কেন? আমার তো …ইয়ে মানে…আমার তো তেমন কোন সমস্যা নাই!! ডাক্তার : এইটা আপনার লুংগিকে আপনার পোড়া জায়গাটা থেকে দুরে রাখতে সাহায্য করবে।। 
 
  • এক লোক রাতের বেলা FTV তে ফ্যাশন শো দেখছিলো… হটাৎ ছেলে এসে রুমে ঢুকে পড়ল… অপ্রস্তুত হয়ে লোকটি ছেলেকে বলল, বেচারা গরীব মেয়েরা, কাপড় চোপড় কেনার পয়সা নাই… ছেলেঃ এর চেয়ে গরীব মেয়ে দেখতে চাইলে,আমার কাছে সিডি আছে,নিয়ে দেখতে পারো…..
 
  • এক লোক বড় বিপদে আছে, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ শিশ্ন নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, কারন মেয়েরা এটা দেখে ভয়ে পালিয়ে যায়, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতি মিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা! সে ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! সে টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! এবার ওটা ১৫-তে নেমে এলো। উল্লসিত হয়ে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? এবার উত্তর এলো, এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!  
 
  • একটা মেয়ে হাফ বুক খোলা টপসের উপর এরোপ্লেনের লকেট পরেছে। তা দেখে একটা ছেলে হা করে মেয়েটার বুকের দিকে তাকিয়ে আছে….. মেয়ে (খুশি হয়ে): আপনি বুঝি আমার এরোপ্লনটা দেখছেন ? খুব সুন্দর তাই না… ছেলে: জি মানে … টা তো বটেই…না… .মানে এরোপ্লেনের রানওয়েটা আরও সুন্দর হবে নিশ্চয়ই…. . .:P 
 
  • বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়? : অব্যশই মেয়ে | : কেন ? : যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না কাঠিতে ??  
 
  • গৃহকর্ত্রী : তুমি গত তিন দিন কাজে আসোনাই ক্যান?? কাজের বুয়া: আমিতো ফেসবুক এ স্ট্যাটাস দিসিলাম যে আমি বাড়ি যাচ্ছি…। গৃহকর্ত্রী : ও’মা, তুমি ফেসবুক চালাও নাকি?? কাজের বুয়া: ক্যান, আপনি জানেন না? আপনার সাহেব তো কমেন্টও দিসে – ‘miss u’!!!   
 
  • চান্দুর বিয়ে হয়েছে ৩ মাস কিন্তু এর মাঝেই তার বউ সন্তান জন্ম দিলো!!  চান্দুঃ বাচ্চা তো ৯ মাস পরে হয়।। কিন্তু ৩ মাস পর কিভাবে হল?? স্ত্রীঃ তোমার বিয়ের কয় মাস হল?? … চান্দু একটু ভেবে বললঃ ৩ মাস।।  স্ত্রীঃ আমার বিয়ের কত দিন হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ বিয়ের কত দিন পর বাচ্চা হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ তাহলে মোট কত দিন হলো??  চান্দুঃ ৯ মাস!! বলে ওয়ে ধিনকা চিকা ধিনকা চিকা করে আনন্দে নাচতে শুরু করলো!!  
 
  • স্ত্রী নতুন সিম কিনে তার প্রিয়তম স্বামীকে surprise দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল যে কিনা বেডরুমে বসে ছিল। তাই স্ত্রী রান্নাঘরে গিয়েস্বামীকে নতুন নাম্বার থেকে কল দিলঃ হ্যালো জানু … … … … স্বামীঃ (খুব নিচু স্বরে) ডার্লিং, আমি তোমাকে একটু পরে ফোন দিচ্ছি, ইদুরমুখো মহিলটা এখন রান্নাঘরে, যেকোনো সময় এসে পরবে।  
 
  • স্ত্রীর রান্না ভাল না, তাই স্বামী স্ত্রী কে খোটা দিচ্ছে: স্বামী: তোমার পারফর্মেন্স ভাল হলে আমি বাবুর্চি কে ছাড়িয়ে দিতাম। স্বামীর খোটা শুনে স্ত্রী রেগে গেছে, মুখ ঝামটা দিয়ে বলছে:…
 
  • স্ত্রী: আর তোমার পারফর্মেন্স একরত্তিও ভাল হলে আমি বাবুর্চি, মালী, ড্রাইভার, দারোয়ান এদের সবাইকে ছাড়িয়ে দিতাম। 
 
  • এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি হাওড়া ষ্টেশান থেকে দক্ষিনভারতগামী একটি ট্রেনে উঠেছে। উদ্দেশ্য মধুচন্দ্রিমা। দুজনের চোখে-মুখেই খুশীর ঝিলিক। ট্রেন চলতে শুরু করলো। এমনিতেই এ সি টু টায়ার্স কামরা, তার উপর প্যাসেঞ্জার্সও অনেক কম। স্বামী-স্ত্রী দুজনে সন্ধ্যে নাগাদ রাতের খাবার খেয়ে নিয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।  স্বামী: জান্, কালকে বাজারের ব্যাগটা …রাখতে গিয়ে হাতের কব্জীটায় একটা জোর মচকা লেগেছে, খুব ব্যাথা করছে! স্ত্রী পাশেই বসা ছিল, স্বামীর হাতটা দু-হাতে আদর করে নিজের মুখের কাছে নিয়ে এসে চকাস করে একটা চুমু খেয়ে বললো এই নাও পেইন কীলার! মেঘ না চাইতে জল পেয়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে পড়লো। মনে মনে একটা ফন্দি এঁটে বললো না না! ব্যাথাটা তো এখন আর কব্জীতে হচ্ছে না। এ কাঁধে হচ্ছে।  যেমনটা হবার ছিল তেমনই হল স্ত্রী স্বামীর আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে কাঁধে একটা চকাস, চুমু জি, এই নিন আপনার পেইন কীলার। এরপর স্বামী নিজের ঠোঁট-এর দিকে ইঙ্গিত করতেই স্ত্রী ব্যাথা কমাতে তৎপর হয়ে উঠলো….. এখন হয়েছে কি, আপার বার্থ-এ এক দাদু অনেক্ষণ ধরে যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো, ঘুমোতে পারছিলো না। নীচে বারবার পেইন কীলার পেইন কীলার বলা হচ্ছে শুনে কাতর হয়ে বললেন মামনি, আমার পাইলস এর যন্ত্রনাটা বেড়েছে, একটা পেইন কীলার পাওয়া যাবে, প্লিজ্? 
 
  • সেক্স এজুকেশন কোর্সে তিন পিচ্চি বাজে গ্রেড পেয়েছে।  একজন সি, একজন ডি আর একজন এফ। যে সি পেয়েছে, সে চটে গিয়ে বলছে, ম্যাডাম এটা একটা কাজ করলো? চল বেটিকে শায়েস্তা করি!  যে ডি পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, চল! স্কুল ছুটি হয়ে গেলে যখন কেউ থাকবে না, তখন বেটিকে পাকড়াও করবো …! যে এফ পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, তারপর পাকড়াও করে ম্যাডামের অন্ডকোষে অয়সা জোরসে একটা লাত্থি মারবো না!….. 
 
  • একটি খুব দামি হোটেলে খাওয়া দাওয়া চলছে।  এক মহিলা বুকে গুজে রাখা ন্যাপকিনটা বের করতে গিয়ে টান লেগে তার বুকের বেশ খানিকটা অংশ বের হয়ে আসলো।  পাশে দাড়ানো ওয়েটার ব্যস্ত হয়ে আংগুল দিয়ে চাপ দিয়ে তা আবার গাউনের ভেতর ঢুকিয়ে দিলো। তা দেখে ম্যানেজার ওই ওয়েটারকে ডেকে ধমক দিয়ে বললো, এটা নামিদামি হোটেল এখানে ওসব অসভ্যতা চলবে না। তুমি কোন সাহসে হাত দিলে? ভবিষ্যতে যদি এমন হয় তাহলে চামচ ব্যবহার করবে। 
 
  • প্রতিবেশী বয়েবৃদ্ধ জামিল সাহেব সাবধান করছিলেন সদ্যবিবাহিত রাসেল সাহেবকে। : শোন বউকে আদর করার সময় জানালা বন্ধ করে নিও। আমি চোখে ভাল দেখি না তবু কাল তো ব্যাপারটা আমারই চোখে পড়ে গেল। : কি বলছেন যা তা ! বুড়ো হয়েও ফুচকি মারার অভ্যাসটা ছাড়তে পারেন নাই মনে হয়। আর কাল তো আমি বাসায়ই ছিলাম না।  
  • এক ছোটখাটো গড়নের এক লোক লিফটে উঠে দেখলো যে তার পাশে বিশালাকার এক লোক দাঁড়িয়ে আছে। ছোটখাটো লোকটি অবাক চোখে হাঁ করে বিশালাকার লোকটির দিকে তাকিয়েই থাকলো!  বিশালাকার লোকটি তা খেয়াল করে যা বললো ইংরেজীতে তা হলো, 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle; Tuner Brown! এ কথা শুনে ছোটখাটো লোকটি মুর্ছা গেলো! 😉  বিশালাকার লোকটি তাকে নাড়িয়ে, থাপ্পড় দিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞেস করলো, তোমার সমস্যা টা কি? আমার কথা শুনে অজ্ঞান হওয়ার কি আছে? জীবনে বড় আকারের লোক দ্যাখো নাই? ছোটখাটো লোকটি ভয়ে ভয়ে বললো, আপনি শেষে কি যেন বললেন আবার বলেন তো?  বিশালাকার লোকটি বললো, আমার আকৃতি দেখে সবার এই তথ্য গুলোই জানতে ইচ্ছে করে। তুমি কৌতুহলি হয়ে তাকিয়ে ছিলে, তাই আমি সব এক সাথে বলে দিলাম। 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle. শেষে বলেছি Tuner Brown. Tuner Brown হলো আমার নাম।  ছোটখাটো লোকটি তখন সস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললো, ও তাই বলেন, আমি শুনেছি আপনি শেষে বলেছেন Turn Around!! 
  • রাগী জামাই একদিন তার শ্বশুরকে SMS পাঠালো– YOUR PRODUCT NOT MEETING MY REQUIREMENTS. উত্তর আসলো– WARRANTY EXPIRED, MANUFACTURER NOT RESPONSIBLE..
 
  • বউরা দিবাচর ; আর স্বামীরা নিশাচর  নতুন বিয়ে হওয়া বান্ধবীকে প্রশ্ন করল শায়লা- কী রে তোর বর কেমন? : স্বামী আর পেঁচার মাঝে কোন প্রর্থক্য নেই | : কেন, এমন কথা বলছিস কেন? : বলছি কারন স্বামীরা তাদের বউদের সব ভালো জিনিস শুধু রাতের বেলাই খুজে পায় | 
 
  • কোনটা বেশি দামি?  এক ভদ্র মহিলা প্রচন্ড জোরে কাঁদছেন শুনে একজন জিজ্ঞেস করলো  ম্যাডাম আপনি কাঁদছেন কেন? কী বলবো! গতকাল ডাকাত পড়েছিল আমার ঘরে,সমস্ত গয়না ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। যাক! ইজ্জতটা তো বেঁচে গেছে! ওটা বেচেইতো গয়না কিনেছিলাম।

 

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি



 

 একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি

 বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!

সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

 

ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স

জুতা পছন্দ করতে গিয়ে দোকানের প্রায় সব ডিজাইন উল্টেপাল্টে দেখছেন লাবনী। এতে জুতার শো-রুম একেবারে তছনছ হয়ে গেল। কিন্তু পছন্দ হলো না একটিও। এ সময় তার নজর পড়ল অন্যরকম একটি বাক্সের ওপর-
লাবনী : ওই বক্সটা একটু দেখান, প্লিজ। ওটার ভেতরে যে ডিজাইনটা আছে, তা দেখবো।
দোকানদার : দয়া করেন আপা, ওইটা আর দেখতে চাইবেন না!
লাবনী : এটা কেমন কথা! কাস্টমার দেখতে চাচ্ছে।
দোকানদার : আপা, ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স!

খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে

ওসি: ক্রেডিট কার্ড হারানোর সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্ট করেননি কেন?
মন্টু: কার্ডটা চুরি হওয়ার পর দেখলাম চোর আমার বউয়ের থেকে কম খরচ করছে,
ওসি: এখন রিপোর্ট করাতে আসছেন কেন?
মন্টু: এখন মনে হচ্ছে কার্ডটা এবার চোরের বউয়ের হাতে পড়েছে, খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে।

হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না

পল্টু ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল-
পল্টু: স্যার, আঙুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তাহলে স্যার কতদিন পরে উঠবে?
অফিসার: একবছর পর যাবে।
পল্টু: তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার?
অফিসার: কেন?
পল্টু: চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না।


তোর ভাবির সাথে

একদিন হাবলু হঠাৎ তার ভাবিকে ধরে প্রচুর মারধর করতে লাগল! সবাই অবাক হয়ে হাবলুকে থামালো আর জিজ্ঞেস করল-
প্রতিবেশী : তুমি তোমার ভাবিকে মারছ কেন?
হাবলু : আমার ভাবি ভালো মহিলা না!
প্রতিবেশী : তুমি কীভাবে বুঝলা?
হাবলু : আর বইলেন না! আমি আমার যেই বন্ধুকেই ফোনে কথা বলতে দেখে জিজ্ঞেস করি, কার সাথে কথা বলিস? সেই বন্ধুই উত্তর দেয়, তোর ভাবির সাথে!


ছেলেকে পিটানোর জন্য না

মা: বজ্জাত ছেলে কোথাকার! এতবার বলি, তারপরেও সোফায় শুয়ে থাকিস। আজ জুতিয়ে তোকে সিধা করবো,
বল্টু: মা! মা! আর হবে না এমন এবারের মতো,
মা: আর হবে না কেন? তুই আবার করবি এই কাজ! সোফা হচ্ছে বসার জন্য, এটা তো শোয়ার জন্য না,
বল্টু: মা, স্যান্ডেলও তো পায়ে দেওয়ার জন্য, ছেলেকে পিটানোর জন্য না!


এবার মাফ করেন

এক ফকির পিচ্চি মেয়েকে বলছে-
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটা।
পিচ্চি : আমি বেটা না, বেটি।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটি।
পিচ্চি : আমার নাম স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে স্বর্ণা।
পিচ্চি : আমার পুরা নাম নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
পিচ্চি : হ্যাঁ, এখন ঠিক আছে! এবার মাফ করেন।

 

 

আজকের কৌতুক : মুরগির বয়স জানার উপায় কী?

 


মুরগির বয়স জানার উপায় কী?
বিকেলে জঙ্গলের মধ্যে দুটি শেয়ালের কথোপকথন। শিশু শেয়াল প্রশ্ন করল বয়স্ক শেয়ালকে—
শিশু: মুরগির বয়স জানার উপায় কী?
বয়স্ক: দাঁতের মাধ্যমে।
শিশু: কিন্তু মুরগির তো দাঁত নেই।
বয়স্ক: আমাদের তো আছে।

পেছন পেছন দৌড়াতে হবে
এক কুকুর বলছে আরেক কুকরকে—
প্রথম কুকুর: চলো না, ঘুরতে বেরোই! পথে এটা-ওটা শুঁকব, এটা-ওটা খুঁজব, চাটব… চলো না! বেকার বসে থাকতে আর ভালো লাগছে না।
দ্বিতীয় কুকুর: না রে, ভাই, আজ যেতে পারব না। অনেক কাজ আছে।
প্রথম কুকুর: কী কাজ?
দ্বিতীয় কুকুর: আমার মালিক আজ তার জমিতে সার দেবেন। আমাকে তার পেছন পেছন দৌড়াতে হবে।

****

প্রেমিকার খোঁজে হাতির বাসায় মশা
হাতির বাসায় হঠাৎ কলিং বেল বাজল। দরজা খুলল হাতি। দেখল একটি মশা দাঁড়িয়ে আছে—
মশা: হস্তিনী বাসায়?
হাতি: না। বাইরে গেছে।
মশা: ঠিক আছে। ফিরলে বলো, তার বয়ফ্রেন্ড এসেছিল।

 

ঘরে বান্ধবী এসেছে। আমি রান্নাঘরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম


 

ঘরে বান্ধবী এসেছে। আমি রান্নাঘরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম। . . . . না নাড়ালে কড়াই তে চিকেন টা ধরে যেত যে। ফিরে দেখি বান্ধবী খুলে বসে আছে আমার জন্য । 

 . . . . বিয়ারের বোতল টা। আমিও তাই দেখে প্যান্ট থেকে আমার জিনিস টা বের করে ওর হাতে দিতেই ও টানতে শুরু করল... . . . . সিগারেট । বান্ধবী বলল একবার করবি নাকি? . . . আমি বললাম - হ্যাঁ। ও সাথেসাথে বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল ’’টেপ“ । . . . . . . আমিও ওর মোবাইল নিয়ে কিপ্যাড টিপে ফোন করলাম আমাদের তৃতীয় বন্ধু কে। ফোন ধরে ও বলল ‘আ.. আঃ... আঃ.. আঃ.. . . . আচ্ছি’.. খুব বেরোচ্ছে নাক দিয়ে। ঠান্ডায় কাবু। যাচ্ছি এখুনি। ফোন ছেড়ে দেখি বান্ধবী আমার সাধের জিনিস টা চুষছে। . . . . . আমি হতাশ। ফ্রীজে স্টিক আইসক্রীম রেখেছিলাম। কখন বের করে নিয়েছে বুঝতে পারিনি। ওর খাওয়া দেখতে দেখতে আমার নীচে এসে গেল, তৃতীয় বন্ধু । ওকে ওপরে আসতে বললাম। এর মধ্যে দেখি বান্ধবীর নীচ টা জলে ভরে গেছে। . . . এতবড় হয়ে গেছে অথচ আইসক্রীম খেতে শেখেনি। পুরো মেঝে জলে ভরে গেছে। ওদিকে আমাদের বন্ধু ঘরে ঢুকেই ওর ভেজা জিনিস টা গুঁজে দিয়েছে আমার পেছনের দরজায়। বলল “ বৃষ্টি হচ্ছে, তাই ছাতা নিয়ে এলাম। ” বান্ধবী কে বলল ’তোরা করেছিস’? বান্ধবী বলল হ্যাঁ, আমরা দুজনে করেছি, তুমিও করে নাও চটপট। বলেই .. . খুলে দিল.. . . . .ফ্রীজ। এতেই রাখা আছে ব্রেকফাস্ট । আমি ভেতরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম আবার .

 . . . . চিকেন টা। এসে শুনি বন্ধু বলছে বান্ধবী কে ’ ঢুকছে? . . বান্ধবী বলল ‘হ্যাঁ, ঢুকছে। আর একটু চেপে ঢোকাও। . . বন্ধু চেপে ঢুকিয়ে বলল ‘ব্যাথা লাগছে নাতো? . . বান্ধবী ’খুব আরাম লাগছে, তোর সত্যি চয়েস আছে। . . . . . . 

একদম ঠিক সাইজের জুতো টা কিনেছিস। থ্যান্কু। এরপর বন্ধু বান্ধবী কে খুলতে বলল। আমি বললাম ও খুলেই রেখেছে, . . . . . বোতল। তুই ড্রিংক শুরু কর। তখনই বান্ধবী শাড়ি তুলতে শুরু করল ব্যালকনি থেকে। বলল বৃষ্টিতে বৌদির শাড়ী গুলো ভিজে যাচ্ছে যে, তুলিসনি? . . . এরপর কিছুক্ষণ আড্ডা মারার পর আমার বৌ এসে ঢুকল। বৌ কে দেখেই আমার বন্ধুর দাড়িঁয়ে গেল...

 . . . . . পা দুটো। সোজা গিয়ে বৌ কে ঠুকে দিল, প্রণাম। আমার বৌ ও সাথেসাথে দুটো বার করে বন্ধুর হাতে ধরিয়ে বলল ভালো করে খাও। একদম গরম আছে। আমাদের বলল তোমরা খাবে? আমি বললাম ’না, . . . . সিঙারা খেলে আমার অম্বল হয়‘। বৌ তখন বলল ’তাহলে রাতে ৪জন একসাথেই করব তো? . . . . . . . ডিনার । সবাই বললাম হ্যাঁ । বৌ ডিনার রেডি করতে চলে গেল আর বান্ধবী ওর দুটো খুলে ফেলল। . . . জুতোজোড়া। তারপর আমরা একসাথে করলাম, . . . . . . . . .i . . ডিনার

ঝড় থেকে বাঁচার দোয়া | Very Funny Jokes


ঝড় থেকে বাঁচার দোয়া

আকাশে ঝড়ের কবলে পড়েছে উড়োজাহাজ। এয়ার হোস্টেস এসে জিজ্ঞেস করল-
এয়ার হোস্টেস : ঝড় থেকে বাঁচার দোয়া কেউ জানেন?
মন্টু : আমি জানি, ম্যাম!
এয়ার হোস্টেস : তাহলে আপনি দোয়া পড়তে থাকেন, স্যার! বাকি সবাই লাইফ জ্যাকেট পাবেন। আমাদের লাইফ জ্যাকেট একটা কম আছে তো।


গড ব্লেস ইয়্যু মাই সন

প্রতিদিন সামান্য ব্যাপার নিয়ে চিৎকার করে বাড়ি মাথায় তোলা তোর মা আজকে এতো চুপচাপ বসে আছে কেন রে? ছেলে: তেমন কিছুনা বাবা। মা আমার কাছে লিপস্টিক চেয়েছিল, কিন্তু আমি শুনেছি গ্লু স্টিক! বাবা: গড ব্লেস ইয়্যু মাই সন!


টিকটিকি না হইয়া কুমির

১ম টিকটিকি : ধুর, আজকে হঠাৎ বাপ-মার উপর চরম জিদ উঠছে।
২য় টিকটিকি : কেন বন্ধু? হঠাৎ বাপ-মার উপর জিদ কেন?
১ম টিকটিকি : আরে আজকে টিভিতে হরলিক্সের অ্যাড দেখলাম।
২য় টিকটিকি : তো?
১ম টিকটিকি : ছোটবেলায় বাপ-মা যদি নিয়ম কইরা হরলিক্স খাওয়াইতো তাইলে কি হইতো বুঝস নাই?
২য় টিকটিকি : না তো। কি হইতো?
১ম টিকটিকি : আরে ব্যাটা, আমরা তাইলে টিকটিকি না হইয়া কুমির হইতাম!


আলুর বস্তায় বিড়াল

গেরস্তের তাড়া খেয়ে তিন চোর গিয়ে ঢুকল এক আলুর গুদামে। ঢুকেই তিনজন চটপট তিনটা আলুর বস্তার ভেতর ঢুকে পড়ল।

ছুটতে ছুটতে গেরস্তও এসে ঢুকলেন আলুর গুদামে। কী মনে করে যেন হাতের লাঠি দিয়ে একটা বস্তায় খোঁচা দিলেন। ভেতর থেকে শব্দ এলো, ‘ম্যাঁও’। ‘ওরে, আলুর বস্তায় কখনো বিড়াল থাকে?’ বলেই গেরস্ত বস্তার ভেতর থেকে প্রথম চোরকে পাকড়াও করলেন।

আরেকটা বস্তায় খোঁচা দিতেই ভেতর থেকে শব্দ এল, ‘ঘেউ-ঘেউ’! ‘ওরে, আলুর বস্তায় কখনো কুকুর থাকে?’ বলেই গেরস্ত বস্তার ভেতর থেকে দ্বিতীয় চোরকে পাকড়াও করলেন।

এবার আরেকটা বস্তায় খোঁচা দিতেই এবার ভেতর থেকে শব্দ এল, ‘আলু, আলু’!


জীবন দিলি, তবুও ইজ্জত দিলি না

একটি মোরগ একটি মুরগিকে তাড়া করছিল। আর মুরগির মালিক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখছিল। তো মোরগ মুরগিকে তাড়া করতে করতে হঠাৎ মুরগিটি একটি গাড়ির নিচে পড়ে মারা গেল। আর তখনই মুরগির মালিকের চিৎকার-
‘বাহ! সাবাস মুরগি, সাবাস। জীবন দিলি, তবুও ইজ্জত দিলি না। সাবাস!’


ক্যারিয়ারটাই বরবাদ কইরা দিলো

একদিন এক মশা আরেকটি মশাকে বলে-
১ম মশা : এই তুই বড় হইয়া কি হবি?
২য় মশা : আমি ডাক্তার হমু, তুই কি হবি?
১ম মশা : আমি, আমি বড় হইয়া ইঞ্জিনিয়ার হইমু চিন্তা করতাছিএমন সময় একজন এসে মশা মারার ওষুধ ছিটালো। তখন মশাগুলো অজ্ঞান হতে হতে বলে উঠল-
মশা : ধুর, ক্যারিয়ারটাই বরবাদ কইরা দিলো


আমার এইডস হইছে

আসুন দেখা যাক পশু-পাখিরা ফেসবুকে থাকলে তাদের স্ট্যাটাস কেমন হত-
তেলাপোকা : আজ বহুত কষ্টে এক মাইয়ার পায়ের তলা থাইক্যা বাঁচলাম। আমারে দেইখ্যা যে চিৎকারটা না দিলো, অল্পের জন্য হার্ট অ্যাটাক করি নাই। আল্লাহ বাঁচাইছে।

বিড়াল : হায় আল্লাহ, এ কী বিপদে পড়লাম! আমার সাত নাম্বার বাচ্চা জানতে চাইতেছে ওর বাপ কে! কী জবাব দিব বুঝতেছি না। আমি নিজে জানলে তো!

শুকর : কোন পাজি যে ছড়াইতেছে, আমরা নাকি ফ্লু ছড়াইতাছি। একবার খালি পাইয়া লই।

মুরগী : কাল থেকে যদি আমার স্ট্যাটাস না পান তবে বুঝবেন ফাস্ট ফুডে আমারে সার্ভ করা হইতেছে।

মশা : সবাই ভালো থাকবেন। আজকের এই স্ট্যাটাস হয়ত বা আমার শেষ স্ট্যাটাস। আমার এইডস হইছে। কোন দুঃখে যে ওর রক্ত খাইতে গেছিলাম। আমি আর এ পৃথিবীতে মুখ দেখাবো কেমনে? তাই মৃত্যুই শ্রেয়। বিদায় বন্ধু বিদায়।


একটু আগে একটি ব্যাগ পেয়েছি

গানের অনুষ্ঠান চলার সময় বল্টু একবার এফএম রেডিও’র আরজেকে ফোন দিলো-
বল্টু : হ্যালো।
আরজে : জি, আমি আরজে আবু বলছি।
বল্টু : আমি রাস্তায় একটু আগে একটি ব্যাগ পেয়েছি। যাতে ৫০ হাজার টাকা, একটা ক্রেডিট কার্ড আর কাশেম নামের এক লোকের পরিচয়পত্র পেয়েছি।
আরজে : তাই? আপনি কত সৎ যে এত কিছু পেয়েও কাশেম সাহেবকে সব কিছু ফিরিয়ে দিতে চাচ্ছেন। আমি কি এখনি কাশেম সাহেবকে আপনার সাথে কনট্যাক্ট করার জন্য রেডিওতে বলে দিবো?
বল্টু : আরে ঐ সব বাদ দেন, আমি আপনাকে ফোন দিছি কারণ কাশেম সাহেব এখন কষ্টে আছেন, তাই তাকে একটা দুঃখের গান ডেডিকেট করতে চাই আপনার রেডিওর মাধ্যমে।


আম্পায়ার তো আমার ওপাশে

স্বর্গ ও নরকের মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ হবে। তাই খুব উত্তেজনা। দুই পক্ষই যার যার দল নিয়ে খুব আশাবাদী।
ঈশ্বর অবাক হয়ে শয়তানকে প্রশ্ন করলেন, ‘তুমি জয়ের আশা করছ কীভাবে? সব ভালো খেলোয়াড় তো স্বর্গে আছেন।’
শয়তান মুচকি হেসে জবাব দিল, ‘তাতে সমস্যা নেই। সব আম্পায়ার তো আমার ওপাশে।’


তোমার চুল কাটানোটা ভালো হয়েছে

আগামী ম্যাচ হচ্ছে টিমের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই দলের অন্যতম ফাস্ট বোলার পুরো সপ্তাহ ধরে কঠিন পরিশ্রম করলেন। পুরো সপ্তাহ তিনি নেটে অনুশীলন করে কাটালেন। সবশেষে ম্যাচের আগের দিন মাঠে প্রাকটিসের এক ফাঁকে কোচকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কোনো পার্থক্য কি চোখে পড়ছে?’
কোচ তাঁকে আগাগোড়া একনজর দেখলেন। তারপর বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার চুল কাটানোটা ভালো হয়েছে।’


তুমি ওটাও মিস করবে

একটা ফ্রি হিট মিস করে ব্যাটসম্যান বলছিল, ‘ইস, কী একটা চান্স মিস করলাম! মন চাইছে নিজেকেই নিজে পেটাই।’ তার আক্ষেপ শুনে এক সমর্থক মন্তব্য করে বসে, ‘সে চেষ্টা করো না, তুমি ওটাও মিস করবে।’


ভালো অঙ্কের টিউটর

বাবা : আজ স্কুলের টিচার কী বললেন?
হাবলু : বললেন তোমার জন্য একজন ভালো অঙ্কের টিউটর রাখতে।
বাবা : মানে?
হাবলু : মানে, তুমি হোমওয়ার্কের যে অঙ্কগুলো করে দিয়েছিলে সব ভুল ছিল।


আমি ওর বউকে মারলাম

রুবেলের মেয়ে তার বরের সাথে ছয় মাস পর ফিরে এসেছে কাঁদতে কাঁদতে-
রুবেল : এই কী হয়েছে, কাঁদছিস কেন?
মেয়ে : বাবা, তোমার জামাই আমাকে বাম গালে মেরেছে।

এই শুনে রুবেল তার মেয়ের ডান গালে পটাস করে একটা চড় মারলো-
মেয়ে : কী হল, মারলে কেন?
রুবেল : দেখ মা, আমার মেয়েকে ও মেরেছে, আমি ওর বউকে মারলাম।


অফিসের বড়কর্তার কাণ্ড

অফিসের নতুন বড়কর্তা কাজের ব্যাপারে খুব কড়া। কাউকে একবিন্দু ছাড় দেন না। চাকরির প্রথম সপ্তাহেই একদিন ক্ষেপে গেলেন তিনি। রেগেমেগে রুম থেকে বের হয়েই এক লোককে পাকড়াও করলেন। অফিসের সবার সামনে চিৎকার করে বললেন-
বড়কর্তা : তুমি সপ্তাহে কত টাকা মাইনে পাও, শুনি?
লোক : ৩ হাজার টাকা।

বড়কর্তা তার মুখের ওপর ৩ হাজার টাকা ছুড়ে দিয়ে বললেন-
বড়কর্তা : এই নাও তোমার এ সপ্তাহের মাইনে, আর বেরিয়ে যাও।

লোকটি বের হয়ে যাওয়ার পর বড়কর্তা বললেন-
বড়কর্তা : প্রয়োজন হলে এভাবেই অফিসের প্রত্যেককে বের করে দেব আমি। যা হোক, ওই লোকটা আমাদের অফিসে কী কাজ করে?
কর্মচারী : স্যার, ও আমাদের এখানে পিৎজা ডেলিভারি দেয়।

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়

 

 

হায়রে আমার সিদ্ধান্ত

গরুর মাংসের কেজি যখন ৮০ টাকা ছিল, তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ২০০ টাকা হলে খাওয়া বাদ দিয়ে দেব! গরুর মাংসের কেজি এখন ৫২০ টাকা, এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি পাঁচ হাজার টাকা কেজি হলে খাওয়া বাদ দিয়ে দেব!

রোহিত হাসান কিসলু

 

 

একটি সিঙ্গেল ছেলের আত্মকাহিনি

আমাদের ব্যাচের মেয়েরা বড়ভাইদের সঙ্গে প্রেম করত। তাই ভাবতাম, যেদিন বড়ভাই হব সেদিন হয়তো প্রেম হবে। কিন্তু আফসোস, জুনিয়র মেয়েরা পলিসি চেঞ্জ করেছে! তারা এখন ক্লাসমেটদের সঙ্গেই প্রেম করে। তাই বড়ভাইরা সিঙ্গেল রয়ে গেল।

কানন শূন্য

 

 

বিসিএস ক্যাডার

কয়েকটা ঐর দেওয়ার পরও রিপ্লাই না করা জুনিয়র মেয়েটাও আজ ঈড়হমত্ধঃঁষধঃরড়হং জানাচ্ছে সদ্য ইঈঝ ক্যাডারে মনোনীত ক্যাম্পাসের বড় ভাইয়াকে।

মনে মনে আক্ষেপ, ইস্ কেন যে আগে থেকেই ইনবক্সে ভাব-ভালোবাসা আরেকটু জমাইনি!

সাদিক খান

 

সমাধান

অথচ সিনেমার শেষে ছোট করে ‘কালেক্টেড’ লিখে দিলেই কত সমস্যার সমাধান হয়ে যেত!

অনুপম হোসাইন পূর্ণম

 

পৌরসভা

মিটিং না ডাইকাও যে সংস্থায় ১২ মাসই সভা থাকে তারেই পৌরসভা বলে।

জগলুল হায়দার

 

তোর ভাবির সাথে


একদিন হাবলু হঠাৎ তার ভাবিকে ধরে প্রচুর মারধর করতে লাগল! সবাই অবাক হয়ে হাবলুকে থামালো আর জিজ্ঞেস করল-
প্রতিবেশী : তুমি তোমার ভাবিকে মারছ কেন?
হাবলু : আমার ভাবি ভালো মহিলা না!
প্রতিবেশী : তুমি কীভাবে বুঝলা?
হাবলু : আর বইলেন না! আমি আমার যেই বন্ধুকেই ফোনে কথা বলতে দেখে জিজ্ঞেস করি, কার সাথে কথা বলিস? সেই বন্ধুই উত্তর দেয়, তোর ভাবির সাথে!


ছেলেকে পিটানোর জন্য না

মা: বজ্জাত ছেলে কোথাকার! এতবার বলি, তারপরেও সোফায় শুয়ে থাকিস। আজ জুতিয়ে তোকে সিধা করবো,
বল্টু: মা! মা! আর হবে না এমন এবারের মতো,
মা: আর হবে না কেন? তুই আবার করবি এই কাজ! সোফা হচ্ছে বসার জন্য, এটা তো শোয়ার জন্য না,
বল্টু: মা, স্যান্ডেলও তো পায়ে দেওয়ার জন্য, ছেলেকে পিটানোর জন্য না!


এবার মাফ করেন

এক ফকির পিচ্চি মেয়েকে বলছে-
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটা।
পিচ্চি : আমি বেটা না, বেটি।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটি।
পিচ্চি : আমার নাম স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে স্বর্ণা।
পিচ্চি : আমার পুরা নাম নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
পিচ্চি : হ্যাঁ, এখন ঠিক আছে! এবার মাফ করেন।

Bangla jokes collection, Mojar jokes, Funny jokes, Gopal var jokes, teacher-student jokes provided by mojarjokes.com


অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার

বস: অফিসে যেসব পুরুষ অধিক সময় কাটায়, হামেশা ওভারটাইম করে তারা আসলে খুব পরিশ্রমী। এদের স্ত্রীরা খুব সুখী।
বল্টু: না স্যার! আসল কারণ হইলো- হয় বাড়িতে এরা সারাক্ষণ বউয়ের নির্যাতনের শিকার নয়তো অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার।


তুমি অবশ্যই আমেরিকান

এক পাগল এক চাইনিজকে জিজ্ঞেস করছে-
পাগল : তুমি কি আমেরিকান?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : তুমি আমেরিকান না?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : মিথ্যা বলছ, তুমি অবশ্যই আমেরিকান।
চাইনিজ : হ্যাঁ বাবা। আমি আমেরিকান। খুশি?
পাগল : কিন্তু চেহারা দেখে তো মনে হয় তুমি চাইনিজ।

আজকের জোকস : বিয়ে করার ব্যতিক্রমী প্রস্তাব

 


বিয়ে করার ব্যতিক্রমী প্রস্তাব
মায়া ও ছায়া দুই বোন। বাবুল ভালোবাসে মায়াকে। কিন্তু কথাটি মুখ ফুটে বলতে সাহস পাচ্ছে না। একদিন খুব সাহস করে মায়ার হাত ধরে বলল-
বাবুল: মায়া, তুমি ছায়ার কাছ থেকে আমার একটা কথার জবাব এনে দেবে?
মায়া: কী কথা?
বাবুল: এ মাসে ও আমার শালী হতে রাজি আছে কি-না?

****

 

৩০ বছরে ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতা
এক লোক চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেলেন-
প্রশ্নকর্তা: আপনার বয়স কত?
প্রার্থী: ৩০ বছর।
প্রশ্নকর্তা: আগে কোনো চাকরি করেছেন?
প্রার্থী: করেছি।
প্রশ্নকর্তা: কত বছর?
প্রার্থী: ৩৫ বছর।
প্রশ্নকর্তা: কিভাবে সম্ভব? আপনার বয়স তো ৩০ বছর।
প্রার্থী: বোঝেন নাই, ওভার টাইম করেছি।

****

অহংকারের জবাব যেমন হয়
গোপালের দোতলা বাড়ি তৈরি হলে সে তার প্রতিবেশী এক ভাইপোকে ছাদের উপর দাঁড়িয়ে ডাকতে লাগল, ‘রাখাল, ও রাখাল, কী করছিস ওখানে?’ রাখাল বুঝলো কাকা দোতলা বাড়ি দেখাচ্ছে। তাই সে কোনো কথা বলল না।

এর বহুদিন পর রাখালও নিজের চেষ্টায় ছোটখাট একটি দোতলা বাড়ি তৈরি করে ফেলল। তারপর গোপালের মতো ছাদে উঠে ডাকতে লাগল, ‘কাকা, ও কাকা, সে বছর আমায় ডেকেছিলে কেন?’

 

Read More

 

ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে

 

১৯৯০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে সাইকেল চাইত।
২০০০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে মোটরসাইকেল চাইত।
.



.
.
২০৩০ সাল।
ঘটক আর মেয়ের বাবার মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছে।
‘ছেলেপক্ষের একটা আবদার আছে…’
মেয়ের বাবা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালেন।
‘ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে। ছেলের অনেকদিনের শখ।’
‘১০ কেজি?’ মেয়ের বাবা আকাশ থেকে পড়লেন।
‘একটু কমানো যায় না? দরকার হলে আমাদের একটা টয়োটা করলা দিয়ে দিলাম।’ মেয়ের বাবা মিন মিন করে বলল।
‘নাহ ভাই। বললাম না ছেলের অনেক দিনের শখ।’
মেয়ের বাবা নিমরাজী হলেন। কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।

বিয়ের দিন।
কাজী বিয়ে পড়াতে শুরু করতেই ছেলের বাবা উঠে দাঁড়ালেন।
‘দাঁড়ান কাজী সাহেব। আগে পেঁয়াজ বুঝে নিই। পরে বিয়ে।’
সবাই থমকে গেল। একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে সবাই।
মেয়ের বাবা ঘর হতে একটা বাজারের ব্যাগ নিয়ে আসলেন।
‘ভাইসাহেব, এইখানে ৮ কেজি পেঁয়াজ আছে। বাকীটা আগামী সপ্তাহেই দিয়ে আসব।’
ছেলের বাবা রাগী ভঙ্গিতে তাকালেন। [ব্যাকগ্রাউন্ডে তখন ঝড়ের মিউজিক]
‘নাহ। এই বিয়ে হবে না। আরো দুই কেজি পেঁয়াজ ছাড়া এই বিয়ে সম্ভব না।’ বলেই ছেলের বাবা মেয়েদের সাততলা বাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হলেন। ‘চলে আয় কুদ্দুস। এই বিয়ে হবে না।’
অন্দরমহলে কান্নার আওয়াজ।
মেয়ে এসে দাঁড়াল ঘরে। চোখে জল।
‘চৌধুরী সাহেব, পেঁয়াজের লোভে মানুষকে আর মানুষ মনে হয় না? মনে রাখবেন পেঁয়াজ থাকলেই বড়লোক হওয়া যায় না। বড়লোক হতে হলে দরকার সুন্দর একটা ফেইসবুক একাউন্ট। যা আপনাদের নেই। চলে যান। আমি এখুনি স্ট্যাটাস দিচ্ছি।’
কুদ্দুস উঠে দাঁড়াল। তার চোখ খুলে গেছে। এই মেয়ে আবার তার ফেসবুক ফ্রেন্ড। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। ‘না বাবা। এই বিয়ে হবেই। পেঁয়াজ তোমাকে অন্ধ করে দিয়েছে বাবা।’

অবশেষে বিয়ের সানাই। আকাশে তারাবাত্তি।

 

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি



একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি

বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!



সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 18








FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 18

বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক || ভাবি vs দেবর

ভাবি vs দেবর

ভাবিঃ কিরে তোর মাইয়া পছন্দ হইছে?
দেবরঃ না ভাবি, হল না তো ...........
ভাবিঃ কি হইছে রে......?
দেবরঃ সবই ঠিক আছে কিন্তু একটু খাটো আর কি।
ভাবিঃ আরে বোকা, মোবাইল ছোট হোক আর বড় হোক, মেমোরি ঢুকানোর জায়গা কিন্তু সব সময় সমান। এবার বুঝলি?!!

যুবতি মেয়ে ও যুবক দৈত্য



এক যুবতি মেয়ে বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়। 
ঘুরে ঘুরে একটা ঘরে ঢুকে যুবতি দেখলো পাশে এক দৈত্যের পোশাকে যুবক দাঁড়িয়ে।
যুবকটি বললোঃ “স্বাগতম আমার মালিক! আমি এই চেরাগের দৈত্য। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করতে চাই!”
যুবতি এক নিঃশ্বাসে বললোঃ ‘কোটি কোটি টাকা, বিশটা বাড়ির দলিল বিশটা গাড়ি!’
যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স তৈরি পাবেন। কিন্তু আমার মালিক আমি দীর্ঘদিন এই কেল্লায় একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আমি আপনার ইচ্ছা পূরণের আগে আমার একটি ইচ্ছা পূরণ করতে চাই!’
যুবতি বললোঃ ‘বলে ফেলো তোমার কি চাই?’
 যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘আপনার সাথে কয়েক বার আদর সোহাগ করতে চাই!’
যুবতিটি ভাবলোঃ ‘এতো কিছু পাবো সাথে আবার আদর সোহাগও? মন্দ কি?’ 
তাই যুবতিটি সানন্দে রাজি হলো। অতঃপর সারা রাত তারা আদর সোহাগ করলো! 
পরদিন ভোরে যুবক দৈত্যটি বললোঃ আমার মালিক, আপনার বয়স কত?’ 
যুবতিটিজবাব দিলোঃ ‘আমার বয়স ২৫!’
যুবক দৈত্যটি হাসতে হাসতে বললোঃ ‘এই বয়সেও আপনি চেরাগের দৈত্য/ ভূতে বিশ্বাস করেন?
মেয়েটি আরো বেশি জোরে হেসে বললঃ
- আপনার বয়স কত?
- ৩৫ 
- ৩৫ বছর হয়ে গেছে আপনার। তারপরও আপনাকে একটি মেয়ের সান্নিধ্য পাওয়ার আশায় এই জংলা বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দৈত্যের অভিনয় করতে হচ্ছে দেখে আমার মায়া লাগলো। তাছাড়া আজ একমাস হল আমার বয়ফ্রেন্ড ব্যবসার কাজে সিঙ্গাপুর গেছে।
অতএব, মেয়েদের ২৫= ছেলেদের ৩৫। তাই নয় কি?

Jokes-Beggar-ভিক্ষুক-Lover-এক তরুনী-Cow-গরু



ভিক্ষুক: স্যার ২০ টা টাকা দেন কফি খাব
লোক: কেন?? কফি তো ১০ টাকা কাপ
ভিক্ষুক: স্যার সাথে গার্ল ফ্রেন্ড আছে তো তাই।
লোক: ভিক্ষুক হয়েও গার্ল ফ্রেন্ড বানিয়েছ।
ভিক্ষুক: জি না স্যার, গার্ল ফ্রেন্ড বরং আমাকে ভিক্ষুক বানিএছে

****
বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুনী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক: তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা: উনি বাসাই নেই।
প্রমিক: বল কি? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা: আমাদের জন্য টেকসি ডাকতে গেছেন।


***
এক লোকের গরু হারিয়ে গেছে। কোথাও সে খুজে পাচছে না,
খুজতে খুজতে ক্লান্ত হয়ে পার্কের এক কোনাই বিশ্রাম করেছে।
পার্কের অপর কোনাই বসে কপত কপতি আলাপ আলোচনায় বিভোর,
কপত কপতি বলছে- আমি তোমার চোখে চোখ রাখলে পুরা পৃথিবীটাকে দেখি।
এমন সময় পাশে বসে থাকা গরু হারান লোকটা উঠে এসে বলে - আমি আমার গরুটা খুজে পাচছিনা, ভাই দয়া করে ওনার চোখে চোখ রেখে খুজে দেখে বলুন তো আমার গরু টা কোথায় আছে?

আজকের কৌতুক : স্বামীর অতীত জানার উপায়


স্বামীর অতীত জানার উপায় এক নারী জ্যোতিষীর কাছে গিয়ে স্বামীর বিষয়ে জানতে চাইলেন- নারী: আমার স্বামী সম্পর্কে কিছু বলুন। জ্যোতিষী: আপনি কি আপনার স্বামীর ভবিষ্যৎ জানতে ইচ্ছুক? নারী: রাবিশ! ওর ভবিষ্যৎ তো আমি ঠিক করব। জ্যোতিষী: তাহলে কী জানতে চাইছেন? নারী: তার অতীত জানতে চাইছি!

 ****

এটিএম বুথের সিকিউরিটি গার্ড বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে পিন্টুর একান্ত ইচ্ছা ছিল কয়েকটি- প্রথমত, সঙ্গে থাকবে টাকাভর্তি বাক্স। দ্বিতীয়ত, একটি মোটামুটি ঝামেলা ছাড়া চাকরি। তৃতীয়ত, শান্তির ঘুম। চতুর্থত, কাজ করার স্থানটা হবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। পিন্টুর সব ইচ্ছাই আজ পূরণ হয়েছে। সে এখন এটিএম বুথের সিকিউরিটি গার্ড।

****

স্বামীর এসএমএসে ক্ষেপে গেল স্ত্রী স্বামী-স্ত্রী ইংরেজি চর্চা শুরু করেছে। যখন-তখন ইংরেজিতে এসএমএস করছে তারা। ফোন করে বলছে, তাড়াতাড়ি উত্তর দিতে। একদিন স্বামী এসএমএস করেছে স্ত্রীকে- স্বামী: হাই! হোয়াট আর ইউ ডুয়িং ডার্লিং? স্ত্রী: আই অ্যাম ডায়িং… স্বামী: সুইট হার্ট, ডোন্ট ডাই, প্লিজ! হাউ ক্যান, আই লিভ উইদাউট ইউ? স্ত্রী: ইউ ডাফার, ইডিয়ট! আই অ্যাম ডায়িং মাই হেয়ার।

বিয়ার কোম্পানিতে বিয়ার-এর স্বাদ পরীক্ষা

bangla jockes

এক বিয়ার কোম্পানিতে বিয়ার-এর স্বাদ পরীক্ষার জন্য লোক নিয়োগ হচ্ছিলো।
বাজে চেহারার এক মাতাল ইন্টারভিউ দিতে এলো।
কোম্পানির মালিক তাকে দেখেই মনে মনে বাতিলের খাতায় ফেলে দিলেন। কিন্তু ইন্টারভিউ দিতে যখন এসেছে তখন তো ইন্টারভিউ নিতেই হবে। তাই মাতালটিকে প্রথমে এক গেলাস বিয়ার দেওয়া হল, স্বাদ পরীক্ষার জন্য।
মাতাল তার এক চুমুক খেয়েই সব উপকরণের নাম সঠিক বলে দিল।
এটা শুনে মালিকের ভুরু কুঁচকে গেল।
এরপর তাকে আর একটি অন্য ব্রান্ড-এর বিয়ার এক গেলাস দেওয়া হল.....
মাতাল সেটিরও এক চুমুক খেয়ে সব কিছু পারফেক্ট বলে দিল।
মালিকও হার মানার পাত্র নন। মহিলা সেক্রেটারিকে ইশারা করে কিছু বললেন।
সেক্রেটারি এবার একটি গেলাস হিসু করে নিয়ে এসে মাতালটিকে দিল।
মাতাল সেটার এক চুমুক খেয়েই মালিককে বলল--
"খুব সুন্দরী,
বয়স ২৭,
সুগার আছে, তিন মাসের প্রেগনেন্ট .....!!
আমাকে চাকরিটা না দিলে আপনার স্ত্রীকে গিয়ে বলে দেব বাবাটা কে

------------------------------------------------------------

পরীক্ষার খাতায় উত্তর দেয়ার সময়
সর্ব প্রথম এটা লেখা উচিত যে--😇
"এই খাতায় লেখা উত্তরগুলো
সম্পূর্ণ কাল্পনিক,😐
বাস্তবে বইয়ের সাথে মিলে গেলে
এটি নিতান্তই কাকতালীও 😆
এবং এই খাতার লেখক
কোন ভাবেই দায়ী'নয়"


হাফ ডজন মজার কৌতুক!


০১.

বাবা ছেলেকে নতুন জুতা কিনে দিয়ে বলল সিড়ি দিয়ে উঠার সময় দুইটা করে উঠবি। এতে জুতার উপর চাপ কমবে। জুতা বেশিদিন টিকবে।
কিছু ছেলে বাবার চেয়ে আরো এক ডিগ্রি উপরে। সে বাবাকে খুশি করার জন্য তিনটা সিড়ি করে উঠছে। উপরে উঠার পর বাবা ছেলের গালে মারল জোড়ে এক চড়। ছেলের চিৎকারের শব্দে পাশের বাসার মহিলা এসে বলল এতটুকু বাচ্চাকে কেউ এভাবে মারে? কেন মেরেছেন?
বাবা: ওকে বলেছি দুইটা সিড়ি করে উঠবি তাহলে জুতা বেশিদিন টিকবে আর ও উঠলো তিনটা করে।
মহিলা: ও তো ঠিকই করেছে। আপনার তো খুশি হওয়ার কথা।
বাবা: খুশি হব কিভাবে বলেন, ও ২০০ টাকার জুতার তলা বাঁচাতে গিয়ে ৮০০ টাকার প্যান্টের তলা ছিঁড়ে ফেলেছে।

০২.

পাত্রী পক্ষের লোক: তো, তুমি আমাদের মেয়েকে বিয়ে করে আমাদের জামাই হতে চাও?
পাত্র: আসলে ঠিক তা নয়। তবে বিয়ে না করে অন্য ভাবে জামাই হওয়ার উপায় থাকলে বলতে পারেন।

০৩.

সদ্য বিবাহিত এক তরুণীকে তার বান্ধবী জিজ্ঞেস করল, কিরে, নতুন দাম্পত্য-জীবন কেমন লাগছে?
তরুণী জবাবে বলল, আমি তো বিয়ের আগে আর বিয়ের পরের অবস্থার মধ্যে তেমন কিছুই পার্থক্য দেখছি না।
আগেও আমাকে অর্ধেক রাত জেগে কাটাতে হতো, যতক্ষণ না ও বাড়ি যাওয়ার জন্য ওঠে; এখনো আমাকে অর্ধেক রাত জেগে অপেক্ষায় থাকতে হয়, কখন ও ফেরে।

০৪.

স্বামীর মৃত্যুর কয়দিন পরেই এক মহিলা তার দেবরকে বিয়ে করে ফেললেন। তার বান্ধবীদের অনেকেই ব্যাপারটা মনঃক্ষুন্ন হলো। একদিন মহিলার বাড়িতে বাড়িতে এসে তার বান্ধবীরা লক্ষ করল, শোবার ঘরের দেওয়ালে তার মৃত স্বামীর বিশাল একটা ছবি টানানো।
সবাই খুব খুশি হলো ছবি দেখে। এদের মধ্যে একজন মহিলার স্বামীকে চিনত না।
ছবি দেখে তাই সে জানতে চাইল, ছবিটা কার?
মহিলা বললেন, আমার ভাশুরের। কয়েকদিন আগে মারা গেছেন!

০৫.

রাতে মলি শাওনকে ফোন করে ফিসফিস করে বলল, কেউ বাসায় নেই, ইচ্ছা হলে আসতে পারো।
শাওন দ্রুত দৌড়ে গিয়ে দেখল আসলেই কেউ নেই বাসায়! বাসার ফটকে বড় তালা দেওয়া।

০৬.

হাবলু রাস্তা দিয়ে গাড়ি হাঁকিয়ে যাচ্ছে। একসময় রাস্তার লাল বাতি জ্বলে উঠল। কিন্তু হাবলুর থামার কোনো নামগন্ধ নেই। লাল বাতি পেরোতেই ট্রাফিক পুলিশ হাবলুকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, রাস্তায় লাল বাতি জ্বলে উঠেছে, দেখতে পারছেন না? লাল বাতি জ্বলে উঠলে যে থামতে হয় তাও জানেন না, নাকি?
হাবলু: লাল বাতি জ্বলে ওঠা তো দেখেছি, কিন্তু আপনি যে দাঁড়িয়ে ছিলেন এটা দেখতে পারিনি, স্যার।

আসুন আমাদের গার্ল ফ্রেন্ডদেরকে বোকা বানাই বাংলা মজার কৌতুক

bangla jokes
বয়ফ্রেন্ডঃ বলতো ঐটা কি জিনিস যেটা আমার প্যান্ট এর ভিতরে আছে কিন্তু তোমার প্যান্ট এর ভিতরে নাই ?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ পকেট।
বয়ফ্রেন্ডঃ বলতো,ওইটা কোন জিনিস যেটা বিছানা তে করতে অনেক আরাম আর মজা লাগে?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ ঘুম ।
বয়ফ্রেন্ডঃ এবার বলতো কোন কাজটা, যেটা মেয়েরা প্রথম প্রথম করতে গেলে ব্যাথায় আহ ওহ করে ?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ কান ফুটানোর সময় ।
বয়ফ্রেন্ডঃ আচ্ছা তাহলে এবার বল কোন জিনিসটা অর্ধেক ঢুকলে ব্যাথা লাগে আরপুরাটা ঢুকে গেলে ভাল লাগে?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ হাতে চুড়ি পরাতে গেলে।
বয়ফ্রেন্ডঃ বলতো ওইটা কি যেটা যারকাছে আছে সে হাতে ধরে নেড়ে নেড়ে করে,আর জার নাই সে আঙ্গুলঢুকিয়ে করে ?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ টুথব্রাস দিয়ে ব্রাস করা***
বোকা বানাতে পারলাম নাকি নিজেই বোকা হয়ে গেলাম বুঝলাম না
বিঃদ্রঃ আপনার গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে এটা করার চেষ্টা করবেন না

বাসর রাতে বউ জামাই কে বলল “কর”

bangla koutuk
বাসর রাতে বউ জামাই কে বলল “কর”।
জামাইঃ কি করব? আমি তো কিছু জানিনা।
বউঃ কোন ব্যাপার না। আমি যা করব তুমিও তাই করবা, কেমন??
জামাইঃ ঠিক আছে।
(বউ শাড়ী খুলল, দেখে দেখে জামাই শার্ট খুলল, বউ সায়া খুলল, জামাই তার প্যান্ট খুলল। তারপর বউ প্যান্টি খুলল, জামাই তার underwear খুলল। বউ চিত হয়ে শুইলো। জামাই ও তাই করলো।)
জামাইঃ এখন??
বউ এবার দুই পা ফাক করলে জামাই ও তার দুই পা ফাক করলো...
জামাইঃ এরপর??
বউঃ রাগ হয়ে...এইবার এমন কর, তুমি বাইরে গিয়ে দুইজন পুরুষ ডেকে নিয়ে আস, একটা তোমার জন্য আর একটা আমার জন্য!!!

bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms,bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস