Showing posts with label মজার কৌতুক. Show all posts
Showing posts with label মজার কৌতুক. Show all posts

৪২০ ফানি জোকস, Bengali 420 Jokes

 

  • এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে দেরি করে আসেন। বস : আজও দেরি হল কেন? তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল! বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন? তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!   
 
  • এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ী দুঘটনার একেবারে চুরমার হয়ে গেছে । তিনি তার গাড়ী যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকার দাবী করলেন । কোম্পানীর ম্যানেজার বললেন যে আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না । আপনাকে গাড়ীর বদলে একটা নতুন গাড়ী দেয়া হবে । ভদ্রলোক তো উল্লসিত হয়ে ঊঠে বললেন, আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা , সে মরে গেলে কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন ?  
 
  • ভদ্রমহিলাঃ তোমার নাম কি? খুকিঃ অনিতা। ভদ্রমহিলাঃ কি সুন্দর দেখতে তুমি! তোমার মতো মেয়ের মা হতে আমার খুব ইচ্ছে। খুকিঃ কিন্তু আমার বাবা যে মারা গিয়েছেন।  
 
  • এক লোক গেছে ডাক্তারের কাছে। তার থাই (উরু) পুড়ে গেছে। তো, ডাক্তার প্রেস্ক্রিপশন লিখলো, (১) বার্নল। (২) ভায়াগ্রা।  লোকটা প্রেস্ক্রিপশন দেখে তো অবাক!! জিজ্ঞেস করলো, বার্নল তো বুঝলাম কিন্তু ভায়াগ্রা কেন? আমার তো …ইয়ে মানে…আমার তো তেমন কোন সমস্যা নাই!! ডাক্তার : এইটা আপনার লুংগিকে আপনার পোড়া জায়গাটা থেকে দুরে রাখতে সাহায্য করবে।। 
 
  • এক লোক রাতের বেলা FTV তে ফ্যাশন শো দেখছিলো… হটাৎ ছেলে এসে রুমে ঢুকে পড়ল… অপ্রস্তুত হয়ে লোকটি ছেলেকে বলল, বেচারা গরীব মেয়েরা, কাপড় চোপড় কেনার পয়সা নাই… ছেলেঃ এর চেয়ে গরীব মেয়ে দেখতে চাইলে,আমার কাছে সিডি আছে,নিয়ে দেখতে পারো…..
 
  • এক লোক বড় বিপদে আছে, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ শিশ্ন নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, কারন মেয়েরা এটা দেখে ভয়ে পালিয়ে যায়, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতি মিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা! সে ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! সে টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! এবার ওটা ১৫-তে নেমে এলো। উল্লসিত হয়ে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? এবার উত্তর এলো, এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!  
 
  • একটা মেয়ে হাফ বুক খোলা টপসের উপর এরোপ্লেনের লকেট পরেছে। তা দেখে একটা ছেলে হা করে মেয়েটার বুকের দিকে তাকিয়ে আছে….. মেয়ে (খুশি হয়ে): আপনি বুঝি আমার এরোপ্লনটা দেখছেন ? খুব সুন্দর তাই না… ছেলে: জি মানে … টা তো বটেই…না… .মানে এরোপ্লেনের রানওয়েটা আরও সুন্দর হবে নিশ্চয়ই…. . .:P 
 
  • বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়? : অব্যশই মেয়ে | : কেন ? : যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না কাঠিতে ??  
 
  • গৃহকর্ত্রী : তুমি গত তিন দিন কাজে আসোনাই ক্যান?? কাজের বুয়া: আমিতো ফেসবুক এ স্ট্যাটাস দিসিলাম যে আমি বাড়ি যাচ্ছি…। গৃহকর্ত্রী : ও’মা, তুমি ফেসবুক চালাও নাকি?? কাজের বুয়া: ক্যান, আপনি জানেন না? আপনার সাহেব তো কমেন্টও দিসে – ‘miss u’!!!   
 
  • চান্দুর বিয়ে হয়েছে ৩ মাস কিন্তু এর মাঝেই তার বউ সন্তান জন্ম দিলো!!  চান্দুঃ বাচ্চা তো ৯ মাস পরে হয়।। কিন্তু ৩ মাস পর কিভাবে হল?? স্ত্রীঃ তোমার বিয়ের কয় মাস হল?? … চান্দু একটু ভেবে বললঃ ৩ মাস।।  স্ত্রীঃ আমার বিয়ের কত দিন হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ বিয়ের কত দিন পর বাচ্চা হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ তাহলে মোট কত দিন হলো??  চান্দুঃ ৯ মাস!! বলে ওয়ে ধিনকা চিকা ধিনকা চিকা করে আনন্দে নাচতে শুরু করলো!!  
 
  • স্ত্রী নতুন সিম কিনে তার প্রিয়তম স্বামীকে surprise দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল যে কিনা বেডরুমে বসে ছিল। তাই স্ত্রী রান্নাঘরে গিয়েস্বামীকে নতুন নাম্বার থেকে কল দিলঃ হ্যালো জানু … … … … স্বামীঃ (খুব নিচু স্বরে) ডার্লিং, আমি তোমাকে একটু পরে ফোন দিচ্ছি, ইদুরমুখো মহিলটা এখন রান্নাঘরে, যেকোনো সময় এসে পরবে।  
 
  • স্ত্রীর রান্না ভাল না, তাই স্বামী স্ত্রী কে খোটা দিচ্ছে: স্বামী: তোমার পারফর্মেন্স ভাল হলে আমি বাবুর্চি কে ছাড়িয়ে দিতাম। স্বামীর খোটা শুনে স্ত্রী রেগে গেছে, মুখ ঝামটা দিয়ে বলছে:…
 
  • স্ত্রী: আর তোমার পারফর্মেন্স একরত্তিও ভাল হলে আমি বাবুর্চি, মালী, ড্রাইভার, দারোয়ান এদের সবাইকে ছাড়িয়ে দিতাম। 
 
  • এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি হাওড়া ষ্টেশান থেকে দক্ষিনভারতগামী একটি ট্রেনে উঠেছে। উদ্দেশ্য মধুচন্দ্রিমা। দুজনের চোখে-মুখেই খুশীর ঝিলিক। ট্রেন চলতে শুরু করলো। এমনিতেই এ সি টু টায়ার্স কামরা, তার উপর প্যাসেঞ্জার্সও অনেক কম। স্বামী-স্ত্রী দুজনে সন্ধ্যে নাগাদ রাতের খাবার খেয়ে নিয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।  স্বামী: জান্, কালকে বাজারের ব্যাগটা …রাখতে গিয়ে হাতের কব্জীটায় একটা জোর মচকা লেগেছে, খুব ব্যাথা করছে! স্ত্রী পাশেই বসা ছিল, স্বামীর হাতটা দু-হাতে আদর করে নিজের মুখের কাছে নিয়ে এসে চকাস করে একটা চুমু খেয়ে বললো এই নাও পেইন কীলার! মেঘ না চাইতে জল পেয়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে পড়লো। মনে মনে একটা ফন্দি এঁটে বললো না না! ব্যাথাটা তো এখন আর কব্জীতে হচ্ছে না। এ কাঁধে হচ্ছে।  যেমনটা হবার ছিল তেমনই হল স্ত্রী স্বামীর আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে কাঁধে একটা চকাস, চুমু জি, এই নিন আপনার পেইন কীলার। এরপর স্বামী নিজের ঠোঁট-এর দিকে ইঙ্গিত করতেই স্ত্রী ব্যাথা কমাতে তৎপর হয়ে উঠলো….. এখন হয়েছে কি, আপার বার্থ-এ এক দাদু অনেক্ষণ ধরে যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো, ঘুমোতে পারছিলো না। নীচে বারবার পেইন কীলার পেইন কীলার বলা হচ্ছে শুনে কাতর হয়ে বললেন মামনি, আমার পাইলস এর যন্ত্রনাটা বেড়েছে, একটা পেইন কীলার পাওয়া যাবে, প্লিজ্? 
 
  • সেক্স এজুকেশন কোর্সে তিন পিচ্চি বাজে গ্রেড পেয়েছে।  একজন সি, একজন ডি আর একজন এফ। যে সি পেয়েছে, সে চটে গিয়ে বলছে, ম্যাডাম এটা একটা কাজ করলো? চল বেটিকে শায়েস্তা করি!  যে ডি পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, চল! স্কুল ছুটি হয়ে গেলে যখন কেউ থাকবে না, তখন বেটিকে পাকড়াও করবো …! যে এফ পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, তারপর পাকড়াও করে ম্যাডামের অন্ডকোষে অয়সা জোরসে একটা লাত্থি মারবো না!….. 
 
  • একটি খুব দামি হোটেলে খাওয়া দাওয়া চলছে।  এক মহিলা বুকে গুজে রাখা ন্যাপকিনটা বের করতে গিয়ে টান লেগে তার বুকের বেশ খানিকটা অংশ বের হয়ে আসলো।  পাশে দাড়ানো ওয়েটার ব্যস্ত হয়ে আংগুল দিয়ে চাপ দিয়ে তা আবার গাউনের ভেতর ঢুকিয়ে দিলো। তা দেখে ম্যানেজার ওই ওয়েটারকে ডেকে ধমক দিয়ে বললো, এটা নামিদামি হোটেল এখানে ওসব অসভ্যতা চলবে না। তুমি কোন সাহসে হাত দিলে? ভবিষ্যতে যদি এমন হয় তাহলে চামচ ব্যবহার করবে। 
 
  • প্রতিবেশী বয়েবৃদ্ধ জামিল সাহেব সাবধান করছিলেন সদ্যবিবাহিত রাসেল সাহেবকে। : শোন বউকে আদর করার সময় জানালা বন্ধ করে নিও। আমি চোখে ভাল দেখি না তবু কাল তো ব্যাপারটা আমারই চোখে পড়ে গেল। : কি বলছেন যা তা ! বুড়ো হয়েও ফুচকি মারার অভ্যাসটা ছাড়তে পারেন নাই মনে হয়। আর কাল তো আমি বাসায়ই ছিলাম না।  
  • এক ছোটখাটো গড়নের এক লোক লিফটে উঠে দেখলো যে তার পাশে বিশালাকার এক লোক দাঁড়িয়ে আছে। ছোটখাটো লোকটি অবাক চোখে হাঁ করে বিশালাকার লোকটির দিকে তাকিয়েই থাকলো!  বিশালাকার লোকটি তা খেয়াল করে যা বললো ইংরেজীতে তা হলো, 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle; Tuner Brown! এ কথা শুনে ছোটখাটো লোকটি মুর্ছা গেলো! 😉  বিশালাকার লোকটি তাকে নাড়িয়ে, থাপ্পড় দিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞেস করলো, তোমার সমস্যা টা কি? আমার কথা শুনে অজ্ঞান হওয়ার কি আছে? জীবনে বড় আকারের লোক দ্যাখো নাই? ছোটখাটো লোকটি ভয়ে ভয়ে বললো, আপনি শেষে কি যেন বললেন আবার বলেন তো?  বিশালাকার লোকটি বললো, আমার আকৃতি দেখে সবার এই তথ্য গুলোই জানতে ইচ্ছে করে। তুমি কৌতুহলি হয়ে তাকিয়ে ছিলে, তাই আমি সব এক সাথে বলে দিলাম। 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle. শেষে বলেছি Tuner Brown. Tuner Brown হলো আমার নাম।  ছোটখাটো লোকটি তখন সস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললো, ও তাই বলেন, আমি শুনেছি আপনি শেষে বলেছেন Turn Around!! 
  • রাগী জামাই একদিন তার শ্বশুরকে SMS পাঠালো– YOUR PRODUCT NOT MEETING MY REQUIREMENTS. উত্তর আসলো– WARRANTY EXPIRED, MANUFACTURER NOT RESPONSIBLE..
 
  • বউরা দিবাচর ; আর স্বামীরা নিশাচর  নতুন বিয়ে হওয়া বান্ধবীকে প্রশ্ন করল শায়লা- কী রে তোর বর কেমন? : স্বামী আর পেঁচার মাঝে কোন প্রর্থক্য নেই | : কেন, এমন কথা বলছিস কেন? : বলছি কারন স্বামীরা তাদের বউদের সব ভালো জিনিস শুধু রাতের বেলাই খুজে পায় | 
 
  • কোনটা বেশি দামি?  এক ভদ্র মহিলা প্রচন্ড জোরে কাঁদছেন শুনে একজন জিজ্ঞেস করলো  ম্যাডাম আপনি কাঁদছেন কেন? কী বলবো! গতকাল ডাকাত পড়েছিল আমার ঘরে,সমস্ত গয়না ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। যাক! ইজ্জতটা তো বেঁচে গেছে! ওটা বেচেইতো গয়না কিনেছিলাম।

 

প্রাপ্ত বয়স্ক জোকস || Bangla New Jokes Collection

 


শালী আর দুলাভাই জোকস

একদিন শালী আর দুলাভাই নির্জন জঙ্গলের পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল ।
হটাৎ শালী দুলাভাইকে বলে উঠলোঃ
দুলাভাই এই নির্জন জঙ্গলে আমায় একা পেয়ে আপনি আমার সাথে
উল্টোপাল্টা কিছু করবেন না তো? আমার কিন্তু খুব ভয় করছে!

দুলাভাইঃ দেখতে পারছ না আমার
এক হাতে লাঠি আর ছাগল অন্য
হাতে আছে মুরগি, দড়ি আর একটা বালতি।
দুহাতে জিনিস নিয়ে আমি কিভাবে
তোমার সাথে উল্টোপাল্টা করবো?

শালীঃ কেন পারবেন না,
যদি লাঠি মাটিতে পুঁতে তার সাথে
দড়ি দিয়ে ছাগলটাকে বেঁধে দেন
আর বালতি টাকে উল্টো করে
মুরগিটাকে আটকে দেন তাহলেই তো
আপনি সব রকম উল্টোপাল্টা করতে
পারবেন আমার সাথে।
আমার তো ভীষণ ভয় করছে।




মূলকথাঃ
ছেলেরা সব সময়ই সরল, নিরীহ,
সাদা মনের এবং চরিত্র বান হয়।
খারাপ জিনিসের আইডিয়া গুলো
মেয়েরাই দেয়।


রাস্তা থেকে তিনজন ধরে আনতে সমস্যা

রফিকের নতুন বিয়ে, বাসর রাতে কি করতে হয় সে জানেনা, তাই বাসর রাতে সে তার বন্ধুদের ফোন দিল,
রফিকঃ দোস্ত বাসর রাতে কি করতে হয় তা তো আমি জানিনা, তোরা একটু আমাকে বল।

তার বন্ধুরা ছিল খুব লুইচ্চা।তারা বলল, দোস্ত,আমরা থাকতে তোর কোন চিন্তা নাই। আমরা বাসায় এসে তকে দেখিয়ে দিচ্ছি

এরপর রফিকের তিন বন্ধু তার বাসায় এসে রফিককে বলল , তুই রুমের বাইরের জানালায় দাঁড়িয়ে দেখ, আমরা কি করি, তাহলে তুই শিখে যাবি। রফিককে বাইরে দাড় করিয়ে তিন লুইচ্চা বন্ধু তার বউকে ইচ্ছা মত করল। সব শেষ করার পর শার্ট প্যান্ট পরতে পরতে এবার বুঝেছিস কি করতে হয়….

রফিক তো ভীষন খুশি…
প্রায় ১ বছর পর রফিকের সাথেসেই তিন বন্ধুর মার্কেটে দেখা…
বন্ধুঃ কি অবস্থা? সব ঠিক তো..
রফিকঃ পুরা ঠিক…
বন্ধুঃ আমরা যেভাবে দেখিয়ে দিয়েছিলাম সেভাবে চালাচ্ছিস তো?
রফিকঃ হ্যা, সেভাবেই চালাচ্ছি…আর আমার বউ ও ভীষন খুশী। কিন্তু একটা সমস্যা…
বন্ধুঃ কি সমস্যা?
রফিকঃ প্রতিদিন রাস্তা থেকে তিনজন লোক ধরে আনতে খুব সমস্যা হয়…


তোমাদের লাভ ম্যারেজ হয়েছিল

চান্দু মুচকি হেসে তার বাবাকে বলছে-
চান্দু : আব্বা, তোমাদের লাভ ম্যারেজ হয়েছিল, তাই না?
বাবা : হ্যাঁ! কিন্তু তুই কীভাবে জানলি? কে বলেছে?
চান্দু : আরে ধুর, কে বলতে যাবে! একটু মাথা খাটালেই তো বোঝা যায়! তোমাদের ম্যারেজ ডে’র ৫ মাস পরই আমার বার্থ ডে!


তোর দিদিমা তোকে খুশি হয়ে দিয়েছে

ছোট্ট নাতি আর তার দাদু বাড়ির বাগান সাফ্ করছে। হঠাৎ নাতি দেখল একটা কেঁচো গর্ত থেকে বেরিয়ে আসছে। নাতি কেঁচোটা হাতে নি য়ে দাদুকে বলল:-“আমি এই কেঁচোটা আবার এই গর্তে ঢুকিয়ে দিতে পারি।”
দাদু:-“অসম্ভব! তুই যদি এটা পারিস, তবে আমি তোকে ৫০ টাকা দেব।”

নাতি দৌড়ে বাড়ির ভেতর থেকে 1টা অজানা স্প্রে -র ক্যান নিয়ে এল। তারপর ঐ কেঁচোটার ওপর ওটা স্প্রে করল। কেঁচোটা সঙ্গে সঙ্গে লোহার মত শক্ত হয়ে গেল। নাতি তখন খুব সহজে কেঁচোটা গর্তে ঢুকিয়ে দাদুকে বলল:-“দেখলে তো? এবার 50টাকা দাও।”
দাদু তার নাতিকে টাকা দিয়ে স্প্রে টা নিয়ে বাড়ি ঢুকে গেল। ১ ঘন্টা পর বেরিয়ে এসে নাতির হাতে আরো ৫০০ টাকা দিল।
নাতি:-“তুমি তো অলরেডি আমায় ৫০ টাকা দিয়ে দিয়েছ। তাহলে এই ৫০০ টাকা কেন?”
দাদু:- এটা তোর দিদিমা তোকে খুশি হয়ে দিয়েছে।


আপনার চাকুরি কন্ফার্ম

একদিন তিনজন আগুনের মত
সুন্দরী মেয়ে অফিসে চাকরির জন্য
পরীক্ষা দিতে গেল।
অদ্ভুতভাবে তারা তিনজন একই নাম্বার
পেল পরীক্ষাতে। তো অফিস
কর্মকর্তারা পরল মহাফাপরে।
চাকরি পাবে যে মাত্র একজন!
তারা ঠিক করল একজন একজন
করে ইন্টারভিউ নেয়া হবে তাদের।
ইন্টারভিউতে একই প্রশ্ন
করা হবে তাদের।
প্রথমে ডাক পরল প্রথম মেয়েটির।
তাকে জিজ্ঞেস করা হল, ‘বুকের ও
দুটো কি?
জিজ্ঞেস করার সাথে সাথে বাঘের
মতো গর্জন ছাড়ল মেয়েটি। অফিস
কর্মকর্তা ও তাদের চোদ্দ
গুষ্টিকে দেখে নেবার কথা বলে দ্রুত রুম
থেকে বেরিয়ে গেল সে।
দ্বিতীয় মেয়েকে একই প্রস্ন করা হল।
দ্বিতীয় মেয়েটির মুখ লজ্জাতে লাল
হয়ে গেল। কোন কথা না বলে রুম ত্যাগ
করল সেও।
তৃতীয় মেয়েকেও একই প্রশ্ন করা হল। তৃতীয়
মেয়েটি মুচকি হেসে জবাব দিল, ‘স্যার
বুকের ‘O’ দুটো Vowel..

আপনার চাকুরি কন্ফার্ম।


আগে আপনারটা দেখান

বল্টু বিয়ের পাত্রী দেখার জন্য মেয়ে
বাড়ি আসল।

এ সময় বল্টুর প্রচন্ড প্রস্রাব পাইলো
কিন্তু কি আর করার, বল্টু লজ্জায় প্রস্রাব
চেপে রাখলো৷

বল্টুর মেয়ে দেখে পছন্দ হলো…

মেয়ের ও বল্টুকে পছন্দ হলো…

এবার বল্টুকে ও
মেয়েকে মেয়ের ঘরে পাঠাল,
তাদের আন্ডারস্ট্যান্ডিং করার জন্য…

ওদিকে বল্টুর তো প্রস্রাবের বেগে মাথা নষ্ট…

বল্টু মেয়েকে বলল, তোমাকে একটা কথা বলব,
কিন্তু লজ্জায় বলতে পারছি না ।

তখন মেয়ে বলল কিসের লজ্জা, আপনি বলেন
লজ্জা করবেন না প্লিজ৷

এবার বল্টু কাছে এসে এদিক ওদিক
তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল,
তোমার প্রসাব করার জায়গাটা একটু দেখাও
তো!!!

এবার মেয়ে লজ্জায় একটু মাথা নিচু করে বলল,

আগে আপনারটা দেখান!!!


তাহলে আমার স্বামীকেও নিয়ে আসব

বিবাহিত এক ভদ্রমহিলা গেছেন ডাক্তারের কাছে – ডাক্তার সাহেব, আমার স্তন দুটি অনেক ছোট, কী করলে বড় হবে জানাবেন?

ডাক্তারটি আবার বেজায় লম্পট ভাবল এই তো সুযোগ। খুশি হয়ে মহিলাকে বলল, এখন থেকে প্রতিদিন একবার করে আসবেন। আমি চুষে বড় করে দিব।

মহিলা খুশি হয়ে বলল, তাই??তাহলে আমার স্বামীকেও নিয়ে আসব আপনার কাছে। তার  ঝুনু  টাও অনেক ছোট, আপনি চুষে বড় করে দিয়েন…


কেচো দে মাছ ধরব

দুই ভাই একটা বাড়ীর পেছনের লেকে বসে মাছ ধরছিলো।টোপ হিসেবে বড় ভাইটি কেচো ব্যাবহার করছিলো।সে বারবার বড়শিতে কেচো দিচ্ছিলো আর মাছ বারবার সেটা ফাকি দিয়ে খেয়ে ফেলছিলো। তাই সে বারবার তার ছোট ভাইকে বলছিলো “কেচো দে, কেচো দে” ঐকটু পর বাড়ী থেকে এক লোক বের হয়ে এসে বড় ভাইটির গালে একটা চড় বসিয়ে বললো “বদমাশ ছেলে, মানুষের বাড়ির দিকে নজর কেন?”


যার সন্তান সে নিয়ে গেছে

এলাকার চেয়ারম্যান ঘোষণা দিলেন, যে পরিবারে ৪টি সন্তান আছে, উনি সেই পরিবারের একটি সন্তানকে ১০ হাজার করে টাকা দেবেন। এতে হাবুল পড়ে গেল মহা চিন্তায়। তার ঘরে সন্তান মাত্র ৩টি।

কি যেন চিন্তা করে সে তার বউকে বলল, ‘বউ একটু অপেক্ষা কর। ও পাড়ায় আমার একটা ছেলে আছে। আমি এখনি নিয়ে আসছি।’ আবুল দৌড়ে গেল ছেলেকে আনতে।

একটু পর ফিরে এসে দেখে যে, তার বউয়ের কাছে মাত্র ১টি ছেলে বসে আছে। আবুল তার বউকে বলল, ‘বউ, আমার আর ২টা ছেলে কই? এই দেখ, আমার আরেকটা ছেলে এনেছি। এবার মোট ৪টা হল।’ আবুলের বউ বলল, ‘ওই দুইটা যার সন্তান, সে নিয়ে গেছে।’

 

আমি ড্যান্সিং কারের মধ্যে ছিলাম

সানি লিওন : আমার পিকে ছবিটি বলিউডের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে।
আমির খান : পিকে ছবিতে আমি ছিলাম, তুমি নও।
সানি লিওন : আমিও ছিলাম।
আমির খান : কিন্তু তোমাকে তো দেখিনি, কোথায় ছিলে?
সানি লিওন : আমি ড্যান্সিং কারের মধ্যে ছিলাম।


আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে, ‘টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘চল্লিশ।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আপুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আঠারো।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?’

টিচার হেসে বললেন, ‘তোমার বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আট।’

টিচার বললেন, ‘না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।’

এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, শুনলে তো? আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই…


দুদু বার করে লিখ

একজন শিক্ষক তার ছাত্রীকে পড়াচ্ছে। যাতে সব কিছু মনে থাকে সে জন্য সে ছাত্রীকে বলেছে প্রতিটি জিনিস দুই বার করে লিখতে। সে শিক্ষক আবার ভদ্র ভাষায় কথা বলে। তাই সে বলেছে…

দুদু বার করে লিখ।

বেচারা ভদ্র ভাষায় কথা বলার দায়ে প্রাইভেট হারাইছে।


ভাই কয় টাকার বিষ লাগবে

রাকিব গেছে দোকানে বিষ কিনতে।
দোকানদার : ভাই বিষ দিয়া কী করবেন?
রাকিব : আত্মহত্যা করবো।
দোকানদার : ক্যান ভাই?
রাকিব : কিছু কিছু জিনিস আছে কাউকে বোঝানো যায় না।
দোকানদার : মানে?
রাকিব : আজ সকালে আমি গরুর দুধ দোহাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে গরুটা বাম পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল। আমি বাধ্য হয়ে বাঁশের সাথে বাম পা বেঁধে রাখলাম। এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মারা শুরু করলো। আমি এবার গরুর ডান পাও বাঁশের সাথে শক্ত করে
বাঁধলাম। অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মারতে লাগলো। ভাবলাম লেজটাও বেঁধে রাখি। কিন্তু লেজ বাঁধার জন্য কিছু পেলাম না। শেষমেষ নিজের বেল্ট খুলে বাঁধতে লাগলাম। বেল্ট খোলার কারণে আমার প্যান্ট হঠাৎ করে খুলে গেলো। এমন সময় আমার বউ গোয়ালে এসে আমাকে ঐ অবস্থায় দেখলো। এখন আপনিই বলেন, আমি আমার বউকে কী করে তা বোঝাবো? বউ আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে। এ জীবন আমি আর রাখতে চাই না।
দোকানদার : ভাই কয় টাকার বিষ লাগবে?

 

 

 

 

আজকের কৌতুক : দেবরকে দেখে যা করেছিলেন ভাবি!


দেবরকে দেখে যা করেছিলেন ভাবি!
দেবর-ভাবির মধ্যে কথা হচ্ছে। দেবর লাজুক হাসি হেসে বলল—
দেবর: জানেন ভাবি, কলেজে একটা মেয়ে আমাকে দেখে মুচকি হাসে।
ভাবি: তা-ও তো ভালো, মেয়েটা তোমাকে দেখে মুচকি হাসে। আমি যখন এ বাড়িতে এসে প্রথম তোমাকে দেখেছিলাম, আমি তো টানা তিন দিন হাসি থামাতে পারিনি।

সাহায্যের জন্য আট ভাষায় চিৎকার
দুই অনুবাদক একটি নৌকায় করে ভিনদেশে যাচ্ছেন—
প্রথম অনুবাদক: আপনি সাঁতার জানেন?
দ্বিতীয় অনুবাদক: তা জানি না, তবে আটটা ভাষা জানি।
প্রথম অনুবাদক: তাতে কী লাভ?
দ্বিতীয় অনুবাদক: ডুবে গেলে সাহায্যের জন্য আট ভাষায় চিৎকার করতে পারব!

****

মুরগির ছানা দত্তক নিয়েছিল কাক
গাছের মগডালে উঠে বারবার লাফিয়ে পড়ছে একটা মুরগির ছানা। বোঝা যাচ্ছে, সে উড়তে চেষ্টা করছে। পাশের গাছে বসে দৃশ্যটি দেখছে এক কাক দম্পতি। তা দেখে স্ত্রী কাক বলছে—
স্ত্রী কাক: আমার মনে হয়, ওকে জানিয়ে দেওয়ার সময় হয়েছে যে, আমরা ওকে দত্তক নিয়েছিলাম!

 

মেয়েটি মা হতে চলেছে


মেয়েটি মা হতে চলেছে
মেয়ে: আমি মা হতে চলেছি।
মা: কোথায় গেছিলি বংশের মুখ কালো করার জন্য? বল তাড়াতাড়ি, নইলে সিমেন্টের সাথে দেয়ালে একেবারে প্যাকেট করে রেখে দেব!
মেয়ে: স্কুলের একটা নাটকে ‘মা’র চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছি আমি।

****

বন্ধুর মেসেজ পড়ে অজ্ঞান!
গতকাল রাতে এক বন্ধু রনিকে একটি মেসেজ দিয়েছে। মেসেজটি পড়ে রনি ভয়ে লাফিয়ে উঠলো। মেসেজটি ছিল এ রকম-
‘প্রিয় বন্ধু, এখন আমার হাতে এক বোতল বিষ। আমি মুক্তি পেতে চাই। এত জ্বালা আমার আর সহ্য হয় না, এত যন্ত্রণা আর ভালো লাগে না। আমি রাতে ঘুমাতে পারি না, ঠিকমত খেতে পারি না। সব সময় রুমের ভেতর একটু বেশি যেন অস্থির থাকি, যেটা আমাকে ভীষণ কষ্ট দেয়। তাই যাচ্ছি… ইঁদুর মারতে। শুভ রাত্রি!’

 

আজকের কৌতুক : মেয়েদের মাথায় এতো চুল কেন?

মেয়েদের মাথায় এতো চুল কেন
শ্রেণিকক্ষে এক ম্যাডাম শিশুদের পড়াচ্ছেন-
পল্টু: ম্যাম! গান্ধীজীর মাথায় চুল ছিল না কেন?
ম্যাডাম: কারণ তিনি সব সময় সত্য কথা বলতেন, কখনো মিথ্যা বলতেন না!
পল্টু: ও! তাই তো বলি, মেয়েদের মাথায় এতো চুল কেন!

****

তাঁবু থেকে আকাশ দেখার উপায়
দুই বন্ধু পিকনিকে গেছে। রাতে একটি তাঁবু টানিয়ে তার ভেতর ঘুমিয়ে পড়ল। মাঝরাতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ডেকে তুলল-
১ম বন্ধু: দোস্ত, আকাশ দেখতাছস?
২য় বন্ধু: হ দোস্ত। দেখতাছি তো।
১ম বন্ধু: কী বুঝলি?
২য় বন্ধু: আকাশে কোনো মেঘ নাই। অনেক তারা দেখা যাচ্ছে। তার মানে, আজ বৃষ্টি হবে না।
১ম বন্ধু: ওরে আবহাওয়াবিদের বাচ্চা! আমাগো তাঁবুডা চুরি হইয়া গেছে, এই জন্যই আকাশ দেহা যাইতাছে!

****

কোলবালিশ যেভাবে এলো
প্রশ্নকর্তা: কোলবালিশ কিভাবে এলো?
প্রার্থী: কোলবালিশ যিনি আবিষ্কার করেছেন; তিনি আসলে অনেকগুলো বিয়ে করেছিলেন!
প্রশ্নকর্তা: কেন?
প্রার্থী: কারণ এর থেকেই তিনি আসলে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন, বউ থেকে কোলবালিশ উত্তম! কারণ কোলবালিশ পালতে কোনো খরচই হয় না!

 

 

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি



একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি

বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!



সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক || ভাবি vs দেবর

ভাবি vs দেবর

ভাবিঃ কিরে তোর মাইয়া পছন্দ হইছে?
দেবরঃ না ভাবি, হল না তো ...........
ভাবিঃ কি হইছে রে......?
দেবরঃ সবই ঠিক আছে কিন্তু একটু খাটো আর কি।
ভাবিঃ আরে বোকা, মোবাইল ছোট হোক আর বড় হোক, মেমোরি ঢুকানোর জায়গা কিন্তু সব সময় সমান। এবার বুঝলি?!!

যুবতি মেয়ে ও যুবক দৈত্য



এক যুবতি মেয়ে বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়। 
ঘুরে ঘুরে একটা ঘরে ঢুকে যুবতি দেখলো পাশে এক দৈত্যের পোশাকে যুবক দাঁড়িয়ে।
যুবকটি বললোঃ “স্বাগতম আমার মালিক! আমি এই চেরাগের দৈত্য। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করতে চাই!”
যুবতি এক নিঃশ্বাসে বললোঃ ‘কোটি কোটি টাকা, বিশটা বাড়ির দলিল বিশটা গাড়ি!’
যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স তৈরি পাবেন। কিন্তু আমার মালিক আমি দীর্ঘদিন এই কেল্লায় একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আমি আপনার ইচ্ছা পূরণের আগে আমার একটি ইচ্ছা পূরণ করতে চাই!’
যুবতি বললোঃ ‘বলে ফেলো তোমার কি চাই?’
 যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘আপনার সাথে কয়েক বার আদর সোহাগ করতে চাই!’
যুবতিটি ভাবলোঃ ‘এতো কিছু পাবো সাথে আবার আদর সোহাগও? মন্দ কি?’ 
তাই যুবতিটি সানন্দে রাজি হলো। অতঃপর সারা রাত তারা আদর সোহাগ করলো! 
পরদিন ভোরে যুবক দৈত্যটি বললোঃ আমার মালিক, আপনার বয়স কত?’ 
যুবতিটিজবাব দিলোঃ ‘আমার বয়স ২৫!’
যুবক দৈত্যটি হাসতে হাসতে বললোঃ ‘এই বয়সেও আপনি চেরাগের দৈত্য/ ভূতে বিশ্বাস করেন?
মেয়েটি আরো বেশি জোরে হেসে বললঃ
- আপনার বয়স কত?
- ৩৫ 
- ৩৫ বছর হয়ে গেছে আপনার। তারপরও আপনাকে একটি মেয়ের সান্নিধ্য পাওয়ার আশায় এই জংলা বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দৈত্যের অভিনয় করতে হচ্ছে দেখে আমার মায়া লাগলো। তাছাড়া আজ একমাস হল আমার বয়ফ্রেন্ড ব্যবসার কাজে সিঙ্গাপুর গেছে।
অতএব, মেয়েদের ২৫= ছেলেদের ৩৫। তাই নয় কি?

Jokes-Beggar-ভিক্ষুক-Lover-এক তরুনী-Cow-গরু



ভিক্ষুক: স্যার ২০ টা টাকা দেন কফি খাব
লোক: কেন?? কফি তো ১০ টাকা কাপ
ভিক্ষুক: স্যার সাথে গার্ল ফ্রেন্ড আছে তো তাই।
লোক: ভিক্ষুক হয়েও গার্ল ফ্রেন্ড বানিয়েছ।
ভিক্ষুক: জি না স্যার, গার্ল ফ্রেন্ড বরং আমাকে ভিক্ষুক বানিএছে

****
বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুনী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক: তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা: উনি বাসাই নেই।
প্রমিক: বল কি? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা: আমাদের জন্য টেকসি ডাকতে গেছেন।


***
এক লোকের গরু হারিয়ে গেছে। কোথাও সে খুজে পাচছে না,
খুজতে খুজতে ক্লান্ত হয়ে পার্কের এক কোনাই বিশ্রাম করেছে।
পার্কের অপর কোনাই বসে কপত কপতি আলাপ আলোচনায় বিভোর,
কপত কপতি বলছে- আমি তোমার চোখে চোখ রাখলে পুরা পৃথিবীটাকে দেখি।
এমন সময় পাশে বসে থাকা গরু হারান লোকটা উঠে এসে বলে - আমি আমার গরুটা খুজে পাচছিনা, ভাই দয়া করে ওনার চোখে চোখ রেখে খুজে দেখে বলুন তো আমার গরু টা কোথায় আছে?

কয়েকটি দমফাটানো মজার কৌতুক পর্ব-১



  • দুই সন্তানের বাবা

পল্টু প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার সময় রসিকতা করে তার স্ত্রীকে বলে-
পল্টু : বিদায়, ওগো চার সন্তানের মা।
একই কথা প্রতিদিন শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে একদিন পল্টুর স্ত্রী সত্যটা বলেই ফেলল-
স্ত্রী : টা-টা, ওগো দুই সন্তানের বাবা।


  • পাশের বাড়ির আপুর সাথে

ছেলে : মা মা, আজকে কি ঈদ?
মা : না তো, কেন কি হইছে?
ছেলে : না মানে, ভাইয়াকে দেখলাম পাশের বাড়ির আপুর সাথে কোলাকুলি করছে।
মা : কি বললি!


  • কবরে খুব গরম লাগতেছিলো

পল্টু একবার পূর্ণিমা রাতে এক গোরস্থানের পাশ দিয়ে একা যাচ্ছিল। তার খুব ভয় ভয় লাগছিল! হঠাৎ দেখলো যে, এক লোক কবরের পাশে বসে আছে! লোকটিকে দেখে তার কাছে এগিয়ে গিয়ে বলল-
পল্টু: একা একা ভয় লাগছিল! আপনাকে দেখে একটু সাহস হলো! কিন্তু এ সময় আপনি এখানে কী করেন? লোক: কবরে খুব গরম লাগতেছিল! তাই বাইরে এসে একটু বাতাস খাচ্ছি!


  • শরীরের কোন অংশ সুন্দর?

প্রেমিকা: জানু, এবার ভালো করে দেখে বলো না, আমার শরীরের কোন অংশ সবচেয়ে সুন্দর?
প্রেমিক: হুম, সেটা হলো এমন একটা জিনিস; যেটা দেখতে নারিকেলের মতো গোল ও সাদা। তার ভেতরে আরো দুইটা বৃত্ত আছে, বৃত্তের উপর ডট।
প্রেমিকা: শয়তান! কী বলতে চাস?
প্রেমিক: সেটা হলো তোমার চোখ।

অতিথি নারায়ণ || হাস্যরসাত্মক গল্প পরে মজা পাবেন


একটি স্কুলে চাকরি করি। সেই সুবাদে প্রায় অপ্রত্যাশিত ছুটিছাঁটা পাওয়া হয়ে যায়। এই যেমন গরমের ছুটি, শীতের ছুটি, বর্ষার ছুটি, বসন্তের ছুটি লেগেই আছে। করপোরেট জগতের অন্য বন্ধুরা আমার ছুটির এহেন বহর দেখে হিংসার আগুনে জ্বলতে জ্বলতে প্রায়ই গালিগালাজ করে। স্কুলে মিড টার্মের পরেই এ রকম ১০ দিনের একটা ছুটি পাওয়া গেল। আমিও বেশ কিছু মুভি নামিয়ে, কিছু গল্পের বই কিনে কোমরে লুঙ্গি বেঁধে ছুটি উপভোগের জন্য প্রস্তুত হলাম। ছুটির প্রথম দিনে ঘুম ভাঙল তীক্ষ কলিংবেলের শব্দে। কানে বালিশচাপা দিয়েও রক্ষা নেই, বেল বেজেই চলছে। মোবাইলে দেখি সকাল ৭টা। ‘এই ৭টা বাজে কোন হালায় এলো’—গজগজ করতে করতে দরজা খুলতেই আমার শিরদাঁড়া বেয়ে শীতল স্রোত বয়ে গেল। গ্রাম থেকে গেদু চাচা এসেছেন। পান খাওয়া লাল দাঁত দেখিয়ে তিনি বললেন, ‘বাজান আছ কেমুন?’

আমি ঢোক গিলে বললাম, ‘ভালোই ছিলাম চাচা।’
তিনি বাসার ভেতরে পা দিয়েই বিশাল দুটি হাঁস কার্পেটের ওপর রেখে দিলেন। ওরা দুজনই মনে হয় অনেকক্ষণ ধরে টয়লেট চেপে রেখেছিল। আমাদের লাল রাজকীয় কার্পেট দেখে ওরা পিচিক পিচিক করে কাজ সেরে ফেলল। এরই মধ্যে আমাদের কাজের ছেলে মতি চোখ কচলাতে কচলাতে উঠে এলো। কার্পেটের ওপর হাঁস আর হাঁসের মল দেখে সে আঁতকে উঠল, ‘আরে করছেন কী বাইজান? আম্মায় দেখলে তো সাড়ে সর্বনাশ!’

চাচা বললেন, ‘এই বেডা তুই কেডা? এইসব ভিত্রে নিয়া যা, আর এক গেলাস ঠাণ্ডা ফানি আন। ভ্যানভ্যান করস ক্যান?’

মতি আমার দিকে অবাক হয়ে তাকাল। আমি হাঁসগুলোর দিকে তাকালাম। হাঁসগুলো আমাদের বিশাল টিভি স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকল।

আমি রুমে ঢুকে ফেসবুক থেকে আমার স্ট্যাটাস সরিয়ে ফেললাম। নিশ্চয়ই সবার নজর লাগছে। না হলে এই সময় ‘গোঁদের উপর বিষফোঁড়া’ গেদু চাচা কেন এলো! এর আগে একবার তিনি সাত দিনের জন্য এসেছিলেন। জীবন ছেড়াবেড়া করে দিয়ে গেছেন।

আমি বিছানায় শুয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করছি। এপাশ থেকে ওপাশ ফিরতেই দেখি গেদু চাচা এসে হাজির, ‘কী ব্যাপার ভাতিজা। এই অবেলায় ঘুমাইতেছ ক্যান? অবেলায় ঘুমাইলে তো স্বাস্থ্য খারাপ হইয়া যাইব। আমারে দেখো! এই বয়সেই ভোর চাইরডায় উঠি। মনে রাখবা, স্বাস্থ্যই হইলো ধন।’

আমি ধন আর সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে উঠে পড়লাম। আব্বা-আম্মার রুমে গিয়ে বললাম, ‘গেদু চাচা আসছে কেন?’



আম্মা দাঁত দিয়ে জিহ্বা কেটে বলল, ‘এইসব কী কথা! উনি চিকিত্সা করাতে আসছেন।’ ‘ওনাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিত্সা করাতে বলো। টাকা যা লাগে আমি দেব।’

আব্বা রেগে গিয়ে বলল, ‘কী উল্টাপাল্টা কথা বলতেছস? উনি এখানে থাকবে ওনার মতো। তোর সমস্যা কী? যা, রুমে যা।’

আমি রুমে গিয়ে বিষণ্ন বদনে বসে আছি। সকাল বাজে সাড়ে ৭টা। গভীর রাত পর্যন্ত মুভি দেখছি। ভাবছিলাম, দুপুর পর্যন্ত ঘুমাব। মানুষ ভাবে এক আর হয় আরেক। রুমে মতি এসে বলল, ‘ভাই, কাম সারছে!’

‘কী হইছে?’

‘গেদু চাচা নাকি আপনার গোসলখানা ব্যবহার করব।’



‘ক্যান, গেস্টরুমেরটা কী হইছে?’

‘ওইটার কল নষ্ট।’

‘কল নষ্ট, এত দিন ঠিক করাস নাই ক্যান?’ আমি চেঁচিয়ে বললাম। খানিক বাদেই গেদু চাচা হাজির। গামছা, লুঙ্গি, সাবান, তেল—বিশাল আয়োজন, ‘বাজান, তোমার কাছে গ্যাস্ট্রিকের দাবাই আছে? প্যাটে কিমুন গ্যাস হইছে।’

এই বলে গেদু চাচা আমার বাথরুমে ঢুকে পড়ল। আর তার পেটে যে আসলেই গ্যাস হইছে, সেটা নানা শব্দ করে বোঝাতে লাগল।

‘বুইড়া বেডা করে কী?’ এই সব শব্দ শুনে অবাক মতিও।

গেদু চাচা বাথরুম থেকে বের হওয়ার পর বাথরুমে গোটা অর্ধেক এয়ার ফ্রেশনার দিয়ে তবে রক্ষা।

নাশতার টেবিলে গেদু চাচা গোটা চারেক পরোটা, এক বাটি মাংস, একটি সিদ্ধ ডিম, দুই পিস সাগর কলা খেয়ে বলল, ‘বয়স হইয়া গেছে, আগের মতো খাইতে আর পারি না।’ এই শুনে মতি হাত থেকে গ্লাস ফেলে দিল।

‘এই বেডা করছ কী? সাবধানে চল।’

এর মধ্যেই পাশের বাসার তিন্নি এলো। তিন্নি মেয়েটার সঙ্গে আমি একটা সম্পর্ক ধীরে ধীরে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। মেয়েটা ভার্সিটিতে পড়ে। আমার থেকে প্রায়ই গল্পের বই নিতে আসে। এভাবে বই আদান-প্রদানের মধ্যেই সম্পর্ক করার চেষ্টা। এর মধ্যেই সে এলে গেদু চাচা দরজা খুলে দিল।

‘রায়হান ভাইয়া আছে?’ গেদু চাচাকে তিন্নি জিজ্ঞেস করল।

‘রায়হান তো টাট্টিখানায়। মনে হয় হাগতাছে। তুমি কে গো মা?’

পুরো ঘটনা দেখে মতি দৌড়ে গিয়ে আমার বাথরুমের দরজায় নক করল, ‘বাইজান তুরন্ত বাইর হন। গেদু চাচা তিন্নি আফারে কী কয় দেইখা যান।’

আমি কোনোভাবে কাজ সেরে বের হয়ে গেদু চাচাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘মেয়েটা কই?’
‘চইলা গেছে। আমি কইছি তুমি টাট্টিখানায়!’
আমি রুমে গিয়ে মতির থেকে সব শুনে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লাম। তিন দিনের মাথায় যখন গেদু চাচার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়লাম, তখনই আমি আর মতি এক প্ল্যান করলাম। গভীর রাতে ওনাকে ভূতের ভয় দেখাতে হবে। গত পহেলা বৈশাখে মেলা থেকে কেনা ভূতের মুখোশটা বের করলাম। মতিকে সব বুঝিয়ে বলতেই মতি বলল, ‘বাইজান, বুইড়া বেডা। ফট কইরা মইরা গেলে?’


‘তাহলে তো বেঁচেই গেলাম, মতি। যা, কথা বাড়াইস না।’


রাত ৩টায় মোবাইলে একটা মেয়ের কান্নার সুর গেদু চাচার রুমে গিয়ে বাজাতে লাগলাম। একটু পর চাচা উঠে ‘এই কেডা, এই কেডা’ বলে লাইট জ্বালাতে গেল। কিন্তু লাইট আগেই খুলে নেওয়া হয়েছে। বারান্দার জানালায় মতি সেই মুখোশ পরে ছোট্ট একটি টর্চ জ্বালিয়ে নিজের মুখ দেখাতে লাগল। চাচা জোরে জোরে কী যেন পড়ছে। আমরা সরে পড়লাম। যথেষ্ট হয়েছে। পরদিন সকালে নাশতার টেবিলে চাচাকে দেখেই বুঝলাম সারা রাত ঘুমাতে পারেনি। আমি আর মতি একজন আরেকজনের দিকে তাকাচ্ছি, এর মধ্যেই কলিংবেল। উঠে দেখি এক হুজুর টাইপ ছেলে।


‘গেদু চাচা আছে?’
‘তয়োব আইছ?’ এই বলে গেদু চাচা সেই ছেলেকে ঘরে নিয়ে এলো।
গেদু চাচা আব্বাকে বলল, ‘এইটা আমাগো গেরামের পোলা। তোমাদের এই বাসায় খারাপ জিনিসের আছর আছে। তয়োব এইসব ব্যাপারে ওস্তাদ। সে আগামী কয়েকটা দিন আমার লগে থাকব।’
মতি বিড়বিড় করল, ‘কাম সারছে!’



আব্বা বলল, ‘সমস্যা নাই।’
ঠিক সেই সময় হকার পেপার দিয়ে গেল। হেডলাইন বলছে, ‘রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরতে চাইছে না!’

আজকের কৌতুক : স্বামীর অতীত জানার উপায়


স্বামীর অতীত জানার উপায় এক নারী জ্যোতিষীর কাছে গিয়ে স্বামীর বিষয়ে জানতে চাইলেন- নারী: আমার স্বামী সম্পর্কে কিছু বলুন। জ্যোতিষী: আপনি কি আপনার স্বামীর ভবিষ্যৎ জানতে ইচ্ছুক? নারী: রাবিশ! ওর ভবিষ্যৎ তো আমি ঠিক করব। জ্যোতিষী: তাহলে কী জানতে চাইছেন? নারী: তার অতীত জানতে চাইছি!

 ****

এটিএম বুথের সিকিউরিটি গার্ড বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে পিন্টুর একান্ত ইচ্ছা ছিল কয়েকটি- প্রথমত, সঙ্গে থাকবে টাকাভর্তি বাক্স। দ্বিতীয়ত, একটি মোটামুটি ঝামেলা ছাড়া চাকরি। তৃতীয়ত, শান্তির ঘুম। চতুর্থত, কাজ করার স্থানটা হবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। পিন্টুর সব ইচ্ছাই আজ পূরণ হয়েছে। সে এখন এটিএম বুথের সিকিউরিটি গার্ড।

****

স্বামীর এসএমএসে ক্ষেপে গেল স্ত্রী স্বামী-স্ত্রী ইংরেজি চর্চা শুরু করেছে। যখন-তখন ইংরেজিতে এসএমএস করছে তারা। ফোন করে বলছে, তাড়াতাড়ি উত্তর দিতে। একদিন স্বামী এসএমএস করেছে স্ত্রীকে- স্বামী: হাই! হোয়াট আর ইউ ডুয়িং ডার্লিং? স্ত্রী: আই অ্যাম ডায়িং… স্বামী: সুইট হার্ট, ডোন্ট ডাই, প্লিজ! হাউ ক্যান, আই লিভ উইদাউট ইউ? স্ত্রী: ইউ ডাফার, ইডিয়ট! আই অ্যাম ডায়িং মাই হেয়ার।

হাফ ডজন মজার কৌতুক!


০১.

বাবা ছেলেকে নতুন জুতা কিনে দিয়ে বলল সিড়ি দিয়ে উঠার সময় দুইটা করে উঠবি। এতে জুতার উপর চাপ কমবে। জুতা বেশিদিন টিকবে।
কিছু ছেলে বাবার চেয়ে আরো এক ডিগ্রি উপরে। সে বাবাকে খুশি করার জন্য তিনটা সিড়ি করে উঠছে। উপরে উঠার পর বাবা ছেলের গালে মারল জোড়ে এক চড়। ছেলের চিৎকারের শব্দে পাশের বাসার মহিলা এসে বলল এতটুকু বাচ্চাকে কেউ এভাবে মারে? কেন মেরেছেন?
বাবা: ওকে বলেছি দুইটা সিড়ি করে উঠবি তাহলে জুতা বেশিদিন টিকবে আর ও উঠলো তিনটা করে।
মহিলা: ও তো ঠিকই করেছে। আপনার তো খুশি হওয়ার কথা।
বাবা: খুশি হব কিভাবে বলেন, ও ২০০ টাকার জুতার তলা বাঁচাতে গিয়ে ৮০০ টাকার প্যান্টের তলা ছিঁড়ে ফেলেছে।

০২.

পাত্রী পক্ষের লোক: তো, তুমি আমাদের মেয়েকে বিয়ে করে আমাদের জামাই হতে চাও?
পাত্র: আসলে ঠিক তা নয়। তবে বিয়ে না করে অন্য ভাবে জামাই হওয়ার উপায় থাকলে বলতে পারেন।

০৩.

সদ্য বিবাহিত এক তরুণীকে তার বান্ধবী জিজ্ঞেস করল, কিরে, নতুন দাম্পত্য-জীবন কেমন লাগছে?
তরুণী জবাবে বলল, আমি তো বিয়ের আগে আর বিয়ের পরের অবস্থার মধ্যে তেমন কিছুই পার্থক্য দেখছি না।
আগেও আমাকে অর্ধেক রাত জেগে কাটাতে হতো, যতক্ষণ না ও বাড়ি যাওয়ার জন্য ওঠে; এখনো আমাকে অর্ধেক রাত জেগে অপেক্ষায় থাকতে হয়, কখন ও ফেরে।

০৪.

স্বামীর মৃত্যুর কয়দিন পরেই এক মহিলা তার দেবরকে বিয়ে করে ফেললেন। তার বান্ধবীদের অনেকেই ব্যাপারটা মনঃক্ষুন্ন হলো। একদিন মহিলার বাড়িতে বাড়িতে এসে তার বান্ধবীরা লক্ষ করল, শোবার ঘরের দেওয়ালে তার মৃত স্বামীর বিশাল একটা ছবি টানানো।
সবাই খুব খুশি হলো ছবি দেখে। এদের মধ্যে একজন মহিলার স্বামীকে চিনত না।
ছবি দেখে তাই সে জানতে চাইল, ছবিটা কার?
মহিলা বললেন, আমার ভাশুরের। কয়েকদিন আগে মারা গেছেন!

০৫.

রাতে মলি শাওনকে ফোন করে ফিসফিস করে বলল, কেউ বাসায় নেই, ইচ্ছা হলে আসতে পারো।
শাওন দ্রুত দৌড়ে গিয়ে দেখল আসলেই কেউ নেই বাসায়! বাসার ফটকে বড় তালা দেওয়া।

০৬.

হাবলু রাস্তা দিয়ে গাড়ি হাঁকিয়ে যাচ্ছে। একসময় রাস্তার লাল বাতি জ্বলে উঠল। কিন্তু হাবলুর থামার কোনো নামগন্ধ নেই। লাল বাতি পেরোতেই ট্রাফিক পুলিশ হাবলুকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, রাস্তায় লাল বাতি জ্বলে উঠেছে, দেখতে পারছেন না? লাল বাতি জ্বলে উঠলে যে থামতে হয় তাও জানেন না, নাকি?
হাবলু: লাল বাতি জ্বলে ওঠা তো দেখেছি, কিন্তু আপনি যে দাঁড়িয়ে ছিলেন এটা দেখতে পারিনি, স্যার।

মাছি ও মাকরশা মজার কিছু কৌতূক | বাংলা মজার কৌতূক

মাকড়সা
সান্‌-বাঁধা মোর আঙিনাতে
জাল বুনেছি কালকে রাতে,
ঝুল ঝেড়ে সব সাফ করেছি বাসা।
আয় না মাছি আমার ঘরে,
আরাম পাবি বসলে পরে,
ফরাশ পাতা দেখবি কেমন খাসা!

মাছি 
থাক্‌ থাক্‌ থাক্‌ আর বলে না
আন্‌কথাতে মন গলে না- 
ব্যবসা তোমার সবার আছে জানা। 
ঢুক্‌লে তোমার জালের ঘেরে 
কেউ কোনদিন আর কি ফেরে? 
বাপ্‌রে! সেথায় ঢুক্‌তে মোদের মানা।

মাকড়সা
হাওয়ায় দোলে জালের দোলা 
চারদিকে তার জান্‌লা খোলা 
আপ্‌নি ঘুমে চোখ যে আসে জুড়ে! 
আয় না হেথা হাত পা ধুয়ে 
পাখ্‌না মুড়ে থাক্‌ না শুয়ে- 
ভন্‌ ভন্‌ ভন্‌ মরবি কেন উড়ে? 

মাছি 
কাজ নেই মোর দোলায় দুলে, 
কোথায় তোমার কথায় ভুলে 
প্রাণটা নিয়ে টান্‌ পড়ে ভাই শেষে। 
তোমার ঘরে ঘুম যদি পায় 
সে ঘুম কভু ভাঙবে না হায়- 
সে ঘুম নাকি এমন সর্বনেশে! 

মাকড়সা
মিথ্যে কেন ভাবিস্‌ মনে? 
ভাঁড়ার ভরা খাবার আছে কত! 
 দে-টাপাটপ ফেলবি মুখে 
নাচ্‌বি গাবি থাক্‌বি সুখে 
ভাবনা ভুলে বাদ্‌শা-রাজার মতো।

মাছি 
লোভ দেখালেই ভুলবে ভবি, 
ভাবছ আমায় তেমনি লোভী! 
মিথ্যে দাদা ভোলাও কেন খালি,
করব কি ছাই ভাড়ার দেখে? 
প্রণাম করি আড়াল থেকে-
আজকে তোমার সেই গুড়ে ভাই বালি। 

মাকড়সা
নধর কালো বদন ভরে 
রূপ যে কত উপচে পড়ে! 
অবাক দেখি মুকুটমালা শিরে! 
হাজার চোখে মানিক জ্বলে! 
ইন্দ্রধনু পাখার তলে! 
 ছয় পা ফেলে আয় না দেখি ধীরে।

মাছি 
মন ফুর্‌ফুর্‌ ফুর্তি নাচে- 
একটুখানি যাই না কাছে! 
যাই যাই যাই- বাপ্‌রে একি বাঁধা। 
ও দাদা ভাই রক্ষে কর! 
ফাঁদ পাতা এ কেমন তরো। 
পড়ে হাত পা হল বাঁধা।

ষ্টুলোকের মিষ্টি কথায় 
দুষ্টুলোকের মিষ্টি কথায় 
নাচলে লোকের স্বস্তি কোথায়? 
এমনি দশাই তার কপালে লেখা। 
কথার পাকে মানুষ মেরে 
মাকড়জীবী ঐ যে ফেরে, 
গড় করি তার অনেক তফাৎ থেকে
bangla love poem, bangla valobasar golpo, love story bangla, কৌতক, বাংলা ভালোবাসার কবিতা, মজার কৌতুক

ভবিষ্যতে বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলেদের যোগ্যতা যেসব বিষয়ে চাওয়া হবে

1
ভবিষ্যতে বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলেদের যোগ্যতা যেসব বিষয়ে চাওয়া হবে       

১। ছেলে এভারেস্টে ঊঠেছে কিনা ?
২। ছেলের ফ্ল্যাশ মব করার অভিজ্ঞতা আছে কিনা ?
৩। ডি এস এল আর ছিলো কিনা ?
৪। ফেসবুকে ফলোয়ার ১০,০০০+ ছিলো কি ?
৫। স্ট্যাটাসে লাইক কত হাজার আসত ?
৬। কয়টি পেজের এডমিন ছিল?
৭। আরেফিন রুমির চেতনায় বিশ্বাসী কি ?
৮। শাহবাগে গিয়েছিল কিনা ?
৯। মেহজাবীনের "তুমি এত্তগুলি পচা স্ট্যাটাসে লাইক ছিল কিনা ?
১০। ২০১৪ নির্বাচনে মিনিটে কয়টি ভোট দেওয়ার রেকর্ড আছে ?
সহ প্রমুখ
2
ফুচকা চটপটি কিংবা চাওমিন ততটা 

ভালোবাসি না যতটা তোমায় বাসি,
বিকেলের রোদে নদীর ধারে হাঁটতে                       
কিংবা আকাশে বিহঙ্গের মতো উড়ে যেতে 
ততটা ভালো লাগবে না যতটা না তোমাকে লাগে , 
মনের ভিন্নতায় প্রেমাসক্ত চোখে অন্য কিছুকে দেখিনি কখনো
যতটা না তোমাকে দেখি নিখুত ভাবে , আমার এলো চুলে
বিলি কাটতে কাউকে কখনো বলিনি যতটা না মন থেকে চাই 
তুমি হাত বুলিয়ে দেও ... হাতভরা কাঁচের চুড়ি চাইনি ততটা
তোমার দেওয়া কাঠের চুড়ি যতটা না প্রিয় . 
3

 প্রতিটি মানুষের

জীবনেই একজন
বিশেষ মানুষ আসে।
সেই
মানুষটি জীবনে এসে হয়
অগোছালো জীবন
গুছিয়ে দেয়,
না হয়
গোছালো জীবনকে অগোছালো করে দেয়
4
 মিথ্যে ভালোবাসা দিয়ে কখনো জীবন

চলেনা,
সময় আবেগের
বশবর্তি হয়ে
অনেকেই প্রেম
করে তবে
সেই প্রেম
বেশী দিন
টিকে না,
অল্প ঝড়েই
সেটা ভেঙ্গে যায় l
 6
 ~ভালোবাসা~
ভালোবাসা চিরদিন
বেঁচে থাকে,,
কখনো কবিতা হয়ে,,
কখনো গল্প
হয়ে,,
কখনো স্মৃতি হয়ে,,
কখনো আবার
কারো চোখের জল
হয়ে !!!
7

 অদ্ভুত হলেও

কথা টা সত্যিই!
আমাদের
ভালোবাসার
মানুষটা আমাদের
কাছ
থেকে হারিয়ে গেলেও
আমরা
তাকেই
ভালোবাসি কেন
জানেন ??
কারণ,
হয়তো ভালোবাসার
মানুষটা হারাতে পারে ,
কিন্তু মন
থেকে সেই মানুষ
টার জন্য
ভালোবাসা কোন
দিনও হারায় না ...
bangla comedy, কৌতক, কৌতুক, বাংলা ভালোবাসার কবিতা, মজার কৌতুক, bangla valobasar golpo, bengali jokes
 8
পারবো না তোমায়,

কষ্ট দিতে ।
পারবো না তোমায়,
ভুলে যেতে ।
পারবো না তোমায়,
বিদায় জানাতে ।
শুধু
পারবো সারা জীবন
তোমায়
ভালোবাসতে....
9
 কখনো কাউকে

অযোগ্য বলে
অবহেলা করো না ..
ভেবে দেখো তুমিও,
কারো না কারো কাছে অযোগ্য ..
মনে রেখো,
কেউ কারো যোগ্য নয়
যোগ্য করে নিতে হয়
10
যদি তুমি কাউকে পাওয়ার জন্য
আল্লাহর কাছে দোয়া করে না পাও,
তবে মনে করবে অন্য
কেউ তোমাকে পাওয়ার
জন্য দোয়া করছে,
যার দোয়া তোমার
চেয়েও সত্যি..
 11

পা না ভিজিয়ে হয়তো সাগর

পাড়ি দেওয়া সম্ভব,
কিন্তু চোখের জল
না ঝরিয়ে জীবন
পাড়ি দেওয়া টা অসম্ভব।
মানুষকে একটি বার
হলেও কাঁদতে হয়, এটাই
জীবনের সত্যতা।
  12

 একা থাকলে বোঝা যায়,

একাকীত্ব কি। দুঃখ
পেলে বোঝা যায়,
সুখ মানে কি। যুদ্ধ
করলে বোঝা যায়,
বাস্তবতা কি। আর
মন থাকলে বোঝা যায়,
ভালোবাসা কি।
bangla comedy, কৌতক, কৌতুক, বাংলা ভালোবাসার কবিতা, মজার কৌতুক, bangla valobasar golpo, bengali jokes, 

সাংবাদিক পেটাই! বাংলা মজার কৌতুক

love story bangla

- হ্যালো আমি সাংবাদিক! আপনার নামটা? আপনার সাক্ষাতকার নিচ্ছি আরকি!
- জি! আমার নাম ক্রেজি বয় মফিজ!!
- ও!তো আপনি কি করেন?
- সাংবাদিক পেটাই!
-  (কেশে নিয়ে) আচ্ছা আচ্ছা! কি পছন্দ করেন?
- সাংবাদিক পেটাতে!
- কি অপছন্দ করেন?
-
সাক্ষাতকার!
- আপনার ভাল গুন?
- সাংবাদিক কে কম কষ্ট দিয়ে পেটাই!
- খারাপ গুন?
- আজ পর্যন্ত কোনো সাংবাদিক কেই ছাড় দেই নাই!
- তাদের উপর এতো ক্ষোভ কেনো?
- তাদের উপর ক্ষোভ নাই। ক্ষোভ তো লাঠির উপরে! যেটা দুই বারি দিলেই ভাইংগা যায়!
- আচ্ছা আমার পরিচয় টা আপনার মনে আছে?
- হ্যা! সংখ্যাবিদ!
- (উফ তাহলে তো মনে হয় এবারের মত বাচা গেল ! সাংবাদিক শোনে নাই।
শুনছে সংখ্যাবিদ) আচ্ছা তাদের উপর
ক্ষোভ না থাকলে, তাদের পেটান কেনো?
- কারন আমি যখন তাদের সংখ্যাবিদ
বলে ডাকি, তখন তারা ভুল ধরে দেয়
না এইজন্যে! 

 সাংবাদিক :::: ইয়ে মানে ::::::::::::::

আসুন আমাদের গার্ল ফ্রেন্ডদেরকে বোকা বানাই বাংলা মজার কৌতুক

bangla jokes
বয়ফ্রেন্ডঃ বলতো ঐটা কি জিনিস যেটা আমার প্যান্ট এর ভিতরে আছে কিন্তু তোমার প্যান্ট এর ভিতরে নাই ?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ পকেট।
বয়ফ্রেন্ডঃ বলতো,ওইটা কোন জিনিস যেটা বিছানা তে করতে অনেক আরাম আর মজা লাগে?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ ঘুম ।
বয়ফ্রেন্ডঃ এবার বলতো কোন কাজটা, যেটা মেয়েরা প্রথম প্রথম করতে গেলে ব্যাথায় আহ ওহ করে ?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ কান ফুটানোর সময় ।
বয়ফ্রেন্ডঃ আচ্ছা তাহলে এবার বল কোন জিনিসটা অর্ধেক ঢুকলে ব্যাথা লাগে আরপুরাটা ঢুকে গেলে ভাল লাগে?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ হাতে চুড়ি পরাতে গেলে।
বয়ফ্রেন্ডঃ বলতো ওইটা কি যেটা যারকাছে আছে সে হাতে ধরে নেড়ে নেড়ে করে,আর জার নাই সে আঙ্গুলঢুকিয়ে করে ?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ টুথব্রাস দিয়ে ব্রাস করা***
বোকা বানাতে পারলাম নাকি নিজেই বোকা হয়ে গেলাম বুঝলাম না
বিঃদ্রঃ আপনার গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে এটা করার চেষ্টা করবেন না

বাসর রাতে বউ জামাই কে বলল “কর”

bangla koutuk
বাসর রাতে বউ জামাই কে বলল “কর”।
জামাইঃ কি করব? আমি তো কিছু জানিনা।
বউঃ কোন ব্যাপার না। আমি যা করব তুমিও তাই করবা, কেমন??
জামাইঃ ঠিক আছে।
(বউ শাড়ী খুলল, দেখে দেখে জামাই শার্ট খুলল, বউ সায়া খুলল, জামাই তার প্যান্ট খুলল। তারপর বউ প্যান্টি খুলল, জামাই তার underwear খুলল। বউ চিত হয়ে শুইলো। জামাই ও তাই করলো।)
জামাইঃ এখন??
বউ এবার দুই পা ফাক করলে জামাই ও তার দুই পা ফাক করলো...
জামাইঃ এরপর??
বউঃ রাগ হয়ে...এইবার এমন কর, তুমি বাইরে গিয়ে দুইজন পুরুষ ডেকে নিয়ে আস, একটা তোমার জন্য আর একটা আমার জন্য!!!

bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms,bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস