Showing posts with label bangla jokes 18. Show all posts
Showing posts with label bangla jokes 18. Show all posts

আক্কেল কখন গুড়ুম হয় || Bangla Funny Jokes

 

কলকে পাওয়া

নারকেলের খোল, মাটির পাত্র ও কাঠের নল দিয়ে তৈরি তামাক খাওয়ার বিশেষ উপকরণকে বলা হয় হুঁকা বা কলকে। গ্রামগঞ্জে অবসরে তামাক খাওয়ার সময় একটি কলকেই এক হাত থেকে আরেক হাতে ঘুরতে থাকে। কারও হাতে কলকে না এলে মনে করা হয়, সে সম্মান পেল না বা উপেক্ষিত থেকে গেল। তাই কলকে পাওয়া বাগ্‌ধারার অর্থ সম্মান পাওয়া বা উপেক্ষিত না হওয়া।

কাকতালীয়

পরস্পর সম্পর্কহীন দুটি ঘটনা একসঙ্গে ঘটলে তাকে বলা হয় কাকতালীয় ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে মনে হয়, একটির কারণে যেন আরেকটি ঘটনা ঘটেছে! কাকতালীয় শব্দের মধ্যে আছে ‘কাক’ ও ‘তাল’—এই দুটি শব্দ। ধরা যাক, একটি কাক উড়ে এসে তালগাছে বসল; আর তখনই তালগাছ থেকে তাল পড়ল। এই আকস্মিক ঘটনা দুটির মধ্যে আদৌ কোনো সম্পর্ক বা কার্যকারণ নেই। একইভাবে, কাকতালীয় ব্যাপারেও দুটি ঘটনা সম্পর্ক ছাড়াই একত্রে ঘটে।

 

 

 

আক্কেল গুড়ুম

আরবি ‘আকল’ থেকে আক্কেল শব্দটি এসেছে। এর অর্থ বুদ্ধি, বিবেচনা, কাণ্ডজ্ঞান। আর ‘গুড়ুম’ হলো কামান থেকে গোলা বের হওয়ার শব্দ। আকস্মিক কোনো ঘটনায় আমাদের বুদ্ধি, বিবেচনা মাঝেমধ্যে লোপ পায় বা হারিয়ে যায়। হতবুদ্ধি হয়ে যাওয়ার এই পরিস্থিতিকে বলা হয় আক্কেল গুড়ুম অবস্থা। কামানের গোলা লেগে বুদ্ধি হঠাৎ উড়ে গেলে যে অবস্থা হয়, আরকি!

 

১৬ আগষ্ট || হাসতে নেই মানা

 

* জোকস-১

মালিক: এই বল্টু, তুই আমার নারিকেল গাছে কেন?
বল্টু: গরুর জন্য ঘাস কাটতে উঠেছি।
মালিক: তোর কি মাথা খারাপ, নারিকেল গাছে ঘাস পাবি কই?
বল্টু: ঘাস পাইনি, তাই তো নামছি।
পরদিন আবারও বল্টু গেল চুরি করতে। আবারও মালিক দেখে ফেলল--
মালিক: তুই আবার গাছে উঠেছিস কেন?
বল্টু: না, কাল ঘাস কাটার কাচিটা ফেলে গেছিলাম।

* জোকস-২

বানান বিভ্রাটে যে অবস্থা হলো
ক্লাসে শিক্ষক তার ছাত্রদের ইংরেজি পড়াচ্ছেন, হঠাৎ এক ছাত্র জিজ্ঞেস করল--
ছাত্র: আচ্ছা স্যার, ‘নাটুরে’ মানে কী?
শিক্ষক: আচ্ছা, তোর ‘নাটুরে’র বানানটা কী হবে বল তো?
ছাত্র: স্যার ‘NATURE’।
শিক্ষক: ওরে গাধা, ওটা নাটুরে না। ওটা হবে ‘ন্যাচার’ মানে প্রকৃতি। বের হয়ে যা আমার ক্লাস থেকে, আজই তোকে টিসি দিয়ে দেব।
ছাত্র: স্যার, প্লিজ প্লিজ এমন করবেন না। তাহলে আমার ‘ফুটুরে’ নষ্ট হয়ে যাবে।

* জোকস-৩
সর্বনাম পদের দুটি উদাহরণ
বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক অন্যমনস্ক এক ছেলেকে বললেন-
শিক্ষক: এই ছেলে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।
ছেলেটি হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে বলল-
ছাত্র: কে? আমি?
শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।

হাসতে নেই মানা

 


 * জোকস-১
প্রেমিকাকে নিয়ে ডেটিং করতে এক রেস্তোরাঁয় ঢুকল বল্টু।
ওয়েটার: স্যার, মেনুকার্ড দেখে অর্ডার দিন কী কী খাবেন?
খাবারের দাম দেখে বল্টুর কলিজা শুকিয়ে গেল।
বল্টু: আপাতত, চেয়ার-টেবিল সরান। একটু গড়াগড়ি খাই।

* জোকস-২
অসিমের সেভ করা দরকার। তাই সে তার পাড়ার নাপিতের কাছে গেল। নাপিত কেবল অসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে এমন সময় অসিম বলল, ‘আমার গালটা একটু ভাঙা, তাই মসৃণ সেভ হয় না, দয়াকরে খুব সাবধানে মসৃণ সেভ করে দাও।’
নাপিত তখন একটা কাঠের ছোট গোল বল অসিমের গালের ভেতরে ঢুকিয়ে দিলো। তারপর সেভ করা শুরু করলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই অসিম বুঝতে পারল, আসলেই খুব ভালো ও মসৃণ সেভ হচ্ছে। গালের ভেতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় অসিম বলল, ‘খুব ভালো। কিন্তু এখন যদি আমি বলটি গিলে ফেলি, তাহলে কী হবে?’

নাপিত একটুও বিচলিত না হয়ে বলল, ‘ওইটা কোনো ব্যাপার না, সবাই যেমন পরের দিন ফেরত দিয়া যায়, আপনেও কাইলকা আইসা ফেরত দিয়া যাইয়েন।’
* জোকস-৩
কাক বসেছিল গাছের ডালে। নিচ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল খরগোশ।
খরগোশ: কিরে কাক, তুই কী করছিস?
কাক: কিছুই না। এমনি বসে আছি।
খরগোশ: বেশ মজা তো! আমিও বসে থাকি কিছু না করে?
কাক: থাকো।
হাত-পা গুটিয়ে খরগোশ বসল গাছের গোড়ায়। ঝোঁপের আড়াল থেকে খেঁকশিয়াল দেখল খরগোশ বসে আছে চুপচাপ। ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে খেয়ে ফেলল। পুরো ঘটনাটাই কাক দেখল গাছের ডালে বসে এবং ভাবল, খরগোশকে একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, কিছু না করে বসে থাকলে চলে কেবল তাদেরই; যারা বসে থাকে উপরে।

৪২০ ফানি জোকস, Bengali 420 Jokes

 

  • এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে দেরি করে আসেন। বস : আজও দেরি হল কেন? তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল! বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন? তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!   
 
  • এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ী দুঘটনার একেবারে চুরমার হয়ে গেছে । তিনি তার গাড়ী যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকার দাবী করলেন । কোম্পানীর ম্যানেজার বললেন যে আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না । আপনাকে গাড়ীর বদলে একটা নতুন গাড়ী দেয়া হবে । ভদ্রলোক তো উল্লসিত হয়ে ঊঠে বললেন, আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা , সে মরে গেলে কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন ?  
 
  • ভদ্রমহিলাঃ তোমার নাম কি? খুকিঃ অনিতা। ভদ্রমহিলাঃ কি সুন্দর দেখতে তুমি! তোমার মতো মেয়ের মা হতে আমার খুব ইচ্ছে। খুকিঃ কিন্তু আমার বাবা যে মারা গিয়েছেন।  
 
  • এক লোক গেছে ডাক্তারের কাছে। তার থাই (উরু) পুড়ে গেছে। তো, ডাক্তার প্রেস্ক্রিপশন লিখলো, (১) বার্নল। (২) ভায়াগ্রা।  লোকটা প্রেস্ক্রিপশন দেখে তো অবাক!! জিজ্ঞেস করলো, বার্নল তো বুঝলাম কিন্তু ভায়াগ্রা কেন? আমার তো …ইয়ে মানে…আমার তো তেমন কোন সমস্যা নাই!! ডাক্তার : এইটা আপনার লুংগিকে আপনার পোড়া জায়গাটা থেকে দুরে রাখতে সাহায্য করবে।। 
 
  • এক লোক রাতের বেলা FTV তে ফ্যাশন শো দেখছিলো… হটাৎ ছেলে এসে রুমে ঢুকে পড়ল… অপ্রস্তুত হয়ে লোকটি ছেলেকে বলল, বেচারা গরীব মেয়েরা, কাপড় চোপড় কেনার পয়সা নাই… ছেলেঃ এর চেয়ে গরীব মেয়ে দেখতে চাইলে,আমার কাছে সিডি আছে,নিয়ে দেখতে পারো…..
 
  • এক লোক বড় বিপদে আছে, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ শিশ্ন নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, কারন মেয়েরা এটা দেখে ভয়ে পালিয়ে যায়, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতি মিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা! সে ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! সে টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! এবার ওটা ১৫-তে নেমে এলো। উল্লসিত হয়ে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? এবার উত্তর এলো, এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!  
 
  • একটা মেয়ে হাফ বুক খোলা টপসের উপর এরোপ্লেনের লকেট পরেছে। তা দেখে একটা ছেলে হা করে মেয়েটার বুকের দিকে তাকিয়ে আছে….. মেয়ে (খুশি হয়ে): আপনি বুঝি আমার এরোপ্লনটা দেখছেন ? খুব সুন্দর তাই না… ছেলে: জি মানে … টা তো বটেই…না… .মানে এরোপ্লেনের রানওয়েটা আরও সুন্দর হবে নিশ্চয়ই…. . .:P 
 
  • বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়? : অব্যশই মেয়ে | : কেন ? : যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না কাঠিতে ??  
 
  • গৃহকর্ত্রী : তুমি গত তিন দিন কাজে আসোনাই ক্যান?? কাজের বুয়া: আমিতো ফেসবুক এ স্ট্যাটাস দিসিলাম যে আমি বাড়ি যাচ্ছি…। গৃহকর্ত্রী : ও’মা, তুমি ফেসবুক চালাও নাকি?? কাজের বুয়া: ক্যান, আপনি জানেন না? আপনার সাহেব তো কমেন্টও দিসে – ‘miss u’!!!   
 
  • চান্দুর বিয়ে হয়েছে ৩ মাস কিন্তু এর মাঝেই তার বউ সন্তান জন্ম দিলো!!  চান্দুঃ বাচ্চা তো ৯ মাস পরে হয়।। কিন্তু ৩ মাস পর কিভাবে হল?? স্ত্রীঃ তোমার বিয়ের কয় মাস হল?? … চান্দু একটু ভেবে বললঃ ৩ মাস।।  স্ত্রীঃ আমার বিয়ের কত দিন হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ বিয়ের কত দিন পর বাচ্চা হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ তাহলে মোট কত দিন হলো??  চান্দুঃ ৯ মাস!! বলে ওয়ে ধিনকা চিকা ধিনকা চিকা করে আনন্দে নাচতে শুরু করলো!!  
 
  • স্ত্রী নতুন সিম কিনে তার প্রিয়তম স্বামীকে surprise দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল যে কিনা বেডরুমে বসে ছিল। তাই স্ত্রী রান্নাঘরে গিয়েস্বামীকে নতুন নাম্বার থেকে কল দিলঃ হ্যালো জানু … … … … স্বামীঃ (খুব নিচু স্বরে) ডার্লিং, আমি তোমাকে একটু পরে ফোন দিচ্ছি, ইদুরমুখো মহিলটা এখন রান্নাঘরে, যেকোনো সময় এসে পরবে।  
 
  • স্ত্রীর রান্না ভাল না, তাই স্বামী স্ত্রী কে খোটা দিচ্ছে: স্বামী: তোমার পারফর্মেন্স ভাল হলে আমি বাবুর্চি কে ছাড়িয়ে দিতাম। স্বামীর খোটা শুনে স্ত্রী রেগে গেছে, মুখ ঝামটা দিয়ে বলছে:…
 
  • স্ত্রী: আর তোমার পারফর্মেন্স একরত্তিও ভাল হলে আমি বাবুর্চি, মালী, ড্রাইভার, দারোয়ান এদের সবাইকে ছাড়িয়ে দিতাম। 
 
  • এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি হাওড়া ষ্টেশান থেকে দক্ষিনভারতগামী একটি ট্রেনে উঠেছে। উদ্দেশ্য মধুচন্দ্রিমা। দুজনের চোখে-মুখেই খুশীর ঝিলিক। ট্রেন চলতে শুরু করলো। এমনিতেই এ সি টু টায়ার্স কামরা, তার উপর প্যাসেঞ্জার্সও অনেক কম। স্বামী-স্ত্রী দুজনে সন্ধ্যে নাগাদ রাতের খাবার খেয়ে নিয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।  স্বামী: জান্, কালকে বাজারের ব্যাগটা …রাখতে গিয়ে হাতের কব্জীটায় একটা জোর মচকা লেগেছে, খুব ব্যাথা করছে! স্ত্রী পাশেই বসা ছিল, স্বামীর হাতটা দু-হাতে আদর করে নিজের মুখের কাছে নিয়ে এসে চকাস করে একটা চুমু খেয়ে বললো এই নাও পেইন কীলার! মেঘ না চাইতে জল পেয়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে পড়লো। মনে মনে একটা ফন্দি এঁটে বললো না না! ব্যাথাটা তো এখন আর কব্জীতে হচ্ছে না। এ কাঁধে হচ্ছে।  যেমনটা হবার ছিল তেমনই হল স্ত্রী স্বামীর আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে কাঁধে একটা চকাস, চুমু জি, এই নিন আপনার পেইন কীলার। এরপর স্বামী নিজের ঠোঁট-এর দিকে ইঙ্গিত করতেই স্ত্রী ব্যাথা কমাতে তৎপর হয়ে উঠলো….. এখন হয়েছে কি, আপার বার্থ-এ এক দাদু অনেক্ষণ ধরে যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো, ঘুমোতে পারছিলো না। নীচে বারবার পেইন কীলার পেইন কীলার বলা হচ্ছে শুনে কাতর হয়ে বললেন মামনি, আমার পাইলস এর যন্ত্রনাটা বেড়েছে, একটা পেইন কীলার পাওয়া যাবে, প্লিজ্? 
 
  • সেক্স এজুকেশন কোর্সে তিন পিচ্চি বাজে গ্রেড পেয়েছে।  একজন সি, একজন ডি আর একজন এফ। যে সি পেয়েছে, সে চটে গিয়ে বলছে, ম্যাডাম এটা একটা কাজ করলো? চল বেটিকে শায়েস্তা করি!  যে ডি পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, চল! স্কুল ছুটি হয়ে গেলে যখন কেউ থাকবে না, তখন বেটিকে পাকড়াও করবো …! যে এফ পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, তারপর পাকড়াও করে ম্যাডামের অন্ডকোষে অয়সা জোরসে একটা লাত্থি মারবো না!….. 
 
  • একটি খুব দামি হোটেলে খাওয়া দাওয়া চলছে।  এক মহিলা বুকে গুজে রাখা ন্যাপকিনটা বের করতে গিয়ে টান লেগে তার বুকের বেশ খানিকটা অংশ বের হয়ে আসলো।  পাশে দাড়ানো ওয়েটার ব্যস্ত হয়ে আংগুল দিয়ে চাপ দিয়ে তা আবার গাউনের ভেতর ঢুকিয়ে দিলো। তা দেখে ম্যানেজার ওই ওয়েটারকে ডেকে ধমক দিয়ে বললো, এটা নামিদামি হোটেল এখানে ওসব অসভ্যতা চলবে না। তুমি কোন সাহসে হাত দিলে? ভবিষ্যতে যদি এমন হয় তাহলে চামচ ব্যবহার করবে। 
 
  • প্রতিবেশী বয়েবৃদ্ধ জামিল সাহেব সাবধান করছিলেন সদ্যবিবাহিত রাসেল সাহেবকে। : শোন বউকে আদর করার সময় জানালা বন্ধ করে নিও। আমি চোখে ভাল দেখি না তবু কাল তো ব্যাপারটা আমারই চোখে পড়ে গেল। : কি বলছেন যা তা ! বুড়ো হয়েও ফুচকি মারার অভ্যাসটা ছাড়তে পারেন নাই মনে হয়। আর কাল তো আমি বাসায়ই ছিলাম না।  
  • এক ছোটখাটো গড়নের এক লোক লিফটে উঠে দেখলো যে তার পাশে বিশালাকার এক লোক দাঁড়িয়ে আছে। ছোটখাটো লোকটি অবাক চোখে হাঁ করে বিশালাকার লোকটির দিকে তাকিয়েই থাকলো!  বিশালাকার লোকটি তা খেয়াল করে যা বললো ইংরেজীতে তা হলো, 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle; Tuner Brown! এ কথা শুনে ছোটখাটো লোকটি মুর্ছা গেলো! 😉  বিশালাকার লোকটি তাকে নাড়িয়ে, থাপ্পড় দিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞেস করলো, তোমার সমস্যা টা কি? আমার কথা শুনে অজ্ঞান হওয়ার কি আছে? জীবনে বড় আকারের লোক দ্যাখো নাই? ছোটখাটো লোকটি ভয়ে ভয়ে বললো, আপনি শেষে কি যেন বললেন আবার বলেন তো?  বিশালাকার লোকটি বললো, আমার আকৃতি দেখে সবার এই তথ্য গুলোই জানতে ইচ্ছে করে। তুমি কৌতুহলি হয়ে তাকিয়ে ছিলে, তাই আমি সব এক সাথে বলে দিলাম। 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle. শেষে বলেছি Tuner Brown. Tuner Brown হলো আমার নাম।  ছোটখাটো লোকটি তখন সস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললো, ও তাই বলেন, আমি শুনেছি আপনি শেষে বলেছেন Turn Around!! 
  • রাগী জামাই একদিন তার শ্বশুরকে SMS পাঠালো– YOUR PRODUCT NOT MEETING MY REQUIREMENTS. উত্তর আসলো– WARRANTY EXPIRED, MANUFACTURER NOT RESPONSIBLE..
 
  • বউরা দিবাচর ; আর স্বামীরা নিশাচর  নতুন বিয়ে হওয়া বান্ধবীকে প্রশ্ন করল শায়লা- কী রে তোর বর কেমন? : স্বামী আর পেঁচার মাঝে কোন প্রর্থক্য নেই | : কেন, এমন কথা বলছিস কেন? : বলছি কারন স্বামীরা তাদের বউদের সব ভালো জিনিস শুধু রাতের বেলাই খুজে পায় | 
 
  • কোনটা বেশি দামি?  এক ভদ্র মহিলা প্রচন্ড জোরে কাঁদছেন শুনে একজন জিজ্ঞেস করলো  ম্যাডাম আপনি কাঁদছেন কেন? কী বলবো! গতকাল ডাকাত পড়েছিল আমার ঘরে,সমস্ত গয়না ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। যাক! ইজ্জতটা তো বেঁচে গেছে! ওটা বেচেইতো গয়না কিনেছিলাম।

 

Bangla Mojar Koutuk || Funny Koutuk Collection

 


 1

মা:- পাশের বাড়ির ছেলে-মেয়ে
গুলােকে দ্যাখ,
ওদের দেখেও কিছু শেখ।
আমি:- ওরা আমাকে দ্যাখে?
আমি কেনাে ওদের দেখতে যাবাে।
Flying চপ্পল Coming to M

2

যখন তােমার একা লাগবে
তুমি চারদিকে কিছুই দেখতে
পাবে না দুনিয়াটা
ঝাপসা হয়ে আসবে।
তখন তুমি আমার কাছে
এসাে তােমাকে চোখের
ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো

3

লালুদা ওষুধের দোকানে গিয়ে বললো এক বােতল বিষ দিন তো।
দোকানদার:- প্রেসক্রিপশন ছাড়া দেওয়া যাবে না।
লালুদা নিজের বিয়ের কার্ড দেখিয়ে বললাে এবার দেওয়া যাবে‌।
দোকানদার:- ব্যাস চুপ করে যা পাগল!
কাঁদাবি নাকি!
বড়ো বােতলে দেবো নাকি ছােটো বোতলে।

 4

কালু:- দাদা একটা নতুন চিরুনি দিন তো,
পুরােনােটার একটা কাঁটা ভেঙে গেছে।
দোকানদার:- একটা কাঁটা ভেঙে গছে বলে আবার নতুন চিরুনি কিনবেন কেন?
ওতেই তো চুল অচড়ে নেওয়া যায়।
কালু:-আরে না দাদা ওটাই চিরুনির শেষ কাঁটা ছিল।

5

মাছে ফরমালিন,
মাংস সােজা ভাগাড় থেকে,
ডিম, চাল প্লাস্টিকের
দুধে ফিনাইল সাবান গোলাজল,
সব নির্বিকারে হজম হয়ে যাচ্ছে।
কেমন যেন নিজেকে
ঈশ্বর ঈশ্বর হচ্ছে।

6

পুলিশ:- আগামীকাল তোর ফাঁসি।
আসামি:- কিন্তু স্যার আমার ফাঁসি তাে আরােও একমাস পরে হওয়ার কথা ছিল।
পুলিশ:- জেলার সাহেব বললাে তুই নাকি ওনার গ্রামের লােক,
তোর কাজটা আগে করে দিতে বললাে।

 7

এবার থেকে প্রেম করলেও
আঁধার লিঙ্ক করাতে হবে।
যাতে কেউ একটার বেশি
প্রেম না করতে পারে।

 

 

 

 

 

 

প্রাপ্ত বয়স্ক জোকস || Bangla New Jokes Collection

 


শালী আর দুলাভাই জোকস

একদিন শালী আর দুলাভাই নির্জন জঙ্গলের পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল ।
হটাৎ শালী দুলাভাইকে বলে উঠলোঃ
দুলাভাই এই নির্জন জঙ্গলে আমায় একা পেয়ে আপনি আমার সাথে
উল্টোপাল্টা কিছু করবেন না তো? আমার কিন্তু খুব ভয় করছে!

দুলাভাইঃ দেখতে পারছ না আমার
এক হাতে লাঠি আর ছাগল অন্য
হাতে আছে মুরগি, দড়ি আর একটা বালতি।
দুহাতে জিনিস নিয়ে আমি কিভাবে
তোমার সাথে উল্টোপাল্টা করবো?

শালীঃ কেন পারবেন না,
যদি লাঠি মাটিতে পুঁতে তার সাথে
দড়ি দিয়ে ছাগলটাকে বেঁধে দেন
আর বালতি টাকে উল্টো করে
মুরগিটাকে আটকে দেন তাহলেই তো
আপনি সব রকম উল্টোপাল্টা করতে
পারবেন আমার সাথে।
আমার তো ভীষণ ভয় করছে।




মূলকথাঃ
ছেলেরা সব সময়ই সরল, নিরীহ,
সাদা মনের এবং চরিত্র বান হয়।
খারাপ জিনিসের আইডিয়া গুলো
মেয়েরাই দেয়।


রাস্তা থেকে তিনজন ধরে আনতে সমস্যা

রফিকের নতুন বিয়ে, বাসর রাতে কি করতে হয় সে জানেনা, তাই বাসর রাতে সে তার বন্ধুদের ফোন দিল,
রফিকঃ দোস্ত বাসর রাতে কি করতে হয় তা তো আমি জানিনা, তোরা একটু আমাকে বল।

তার বন্ধুরা ছিল খুব লুইচ্চা।তারা বলল, দোস্ত,আমরা থাকতে তোর কোন চিন্তা নাই। আমরা বাসায় এসে তকে দেখিয়ে দিচ্ছি

এরপর রফিকের তিন বন্ধু তার বাসায় এসে রফিককে বলল , তুই রুমের বাইরের জানালায় দাঁড়িয়ে দেখ, আমরা কি করি, তাহলে তুই শিখে যাবি। রফিককে বাইরে দাড় করিয়ে তিন লুইচ্চা বন্ধু তার বউকে ইচ্ছা মত করল। সব শেষ করার পর শার্ট প্যান্ট পরতে পরতে এবার বুঝেছিস কি করতে হয়….

রফিক তো ভীষন খুশি…
প্রায় ১ বছর পর রফিকের সাথেসেই তিন বন্ধুর মার্কেটে দেখা…
বন্ধুঃ কি অবস্থা? সব ঠিক তো..
রফিকঃ পুরা ঠিক…
বন্ধুঃ আমরা যেভাবে দেখিয়ে দিয়েছিলাম সেভাবে চালাচ্ছিস তো?
রফিকঃ হ্যা, সেভাবেই চালাচ্ছি…আর আমার বউ ও ভীষন খুশী। কিন্তু একটা সমস্যা…
বন্ধুঃ কি সমস্যা?
রফিকঃ প্রতিদিন রাস্তা থেকে তিনজন লোক ধরে আনতে খুব সমস্যা হয়…


তোমাদের লাভ ম্যারেজ হয়েছিল

চান্দু মুচকি হেসে তার বাবাকে বলছে-
চান্দু : আব্বা, তোমাদের লাভ ম্যারেজ হয়েছিল, তাই না?
বাবা : হ্যাঁ! কিন্তু তুই কীভাবে জানলি? কে বলেছে?
চান্দু : আরে ধুর, কে বলতে যাবে! একটু মাথা খাটালেই তো বোঝা যায়! তোমাদের ম্যারেজ ডে’র ৫ মাস পরই আমার বার্থ ডে!


তোর দিদিমা তোকে খুশি হয়ে দিয়েছে

ছোট্ট নাতি আর তার দাদু বাড়ির বাগান সাফ্ করছে। হঠাৎ নাতি দেখল একটা কেঁচো গর্ত থেকে বেরিয়ে আসছে। নাতি কেঁচোটা হাতে নি য়ে দাদুকে বলল:-“আমি এই কেঁচোটা আবার এই গর্তে ঢুকিয়ে দিতে পারি।”
দাদু:-“অসম্ভব! তুই যদি এটা পারিস, তবে আমি তোকে ৫০ টাকা দেব।”

নাতি দৌড়ে বাড়ির ভেতর থেকে 1টা অজানা স্প্রে -র ক্যান নিয়ে এল। তারপর ঐ কেঁচোটার ওপর ওটা স্প্রে করল। কেঁচোটা সঙ্গে সঙ্গে লোহার মত শক্ত হয়ে গেল। নাতি তখন খুব সহজে কেঁচোটা গর্তে ঢুকিয়ে দাদুকে বলল:-“দেখলে তো? এবার 50টাকা দাও।”
দাদু তার নাতিকে টাকা দিয়ে স্প্রে টা নিয়ে বাড়ি ঢুকে গেল। ১ ঘন্টা পর বেরিয়ে এসে নাতির হাতে আরো ৫০০ টাকা দিল।
নাতি:-“তুমি তো অলরেডি আমায় ৫০ টাকা দিয়ে দিয়েছ। তাহলে এই ৫০০ টাকা কেন?”
দাদু:- এটা তোর দিদিমা তোকে খুশি হয়ে দিয়েছে।


আপনার চাকুরি কন্ফার্ম

একদিন তিনজন আগুনের মত
সুন্দরী মেয়ে অফিসে চাকরির জন্য
পরীক্ষা দিতে গেল।
অদ্ভুতভাবে তারা তিনজন একই নাম্বার
পেল পরীক্ষাতে। তো অফিস
কর্মকর্তারা পরল মহাফাপরে।
চাকরি পাবে যে মাত্র একজন!
তারা ঠিক করল একজন একজন
করে ইন্টারভিউ নেয়া হবে তাদের।
ইন্টারভিউতে একই প্রশ্ন
করা হবে তাদের।
প্রথমে ডাক পরল প্রথম মেয়েটির।
তাকে জিজ্ঞেস করা হল, ‘বুকের ও
দুটো কি?
জিজ্ঞেস করার সাথে সাথে বাঘের
মতো গর্জন ছাড়ল মেয়েটি। অফিস
কর্মকর্তা ও তাদের চোদ্দ
গুষ্টিকে দেখে নেবার কথা বলে দ্রুত রুম
থেকে বেরিয়ে গেল সে।
দ্বিতীয় মেয়েকে একই প্রস্ন করা হল।
দ্বিতীয় মেয়েটির মুখ লজ্জাতে লাল
হয়ে গেল। কোন কথা না বলে রুম ত্যাগ
করল সেও।
তৃতীয় মেয়েকেও একই প্রশ্ন করা হল। তৃতীয়
মেয়েটি মুচকি হেসে জবাব দিল, ‘স্যার
বুকের ‘O’ দুটো Vowel..

আপনার চাকুরি কন্ফার্ম।


আগে আপনারটা দেখান

বল্টু বিয়ের পাত্রী দেখার জন্য মেয়ে
বাড়ি আসল।

এ সময় বল্টুর প্রচন্ড প্রস্রাব পাইলো
কিন্তু কি আর করার, বল্টু লজ্জায় প্রস্রাব
চেপে রাখলো৷

বল্টুর মেয়ে দেখে পছন্দ হলো…

মেয়ের ও বল্টুকে পছন্দ হলো…

এবার বল্টুকে ও
মেয়েকে মেয়ের ঘরে পাঠাল,
তাদের আন্ডারস্ট্যান্ডিং করার জন্য…

ওদিকে বল্টুর তো প্রস্রাবের বেগে মাথা নষ্ট…

বল্টু মেয়েকে বলল, তোমাকে একটা কথা বলব,
কিন্তু লজ্জায় বলতে পারছি না ।

তখন মেয়ে বলল কিসের লজ্জা, আপনি বলেন
লজ্জা করবেন না প্লিজ৷

এবার বল্টু কাছে এসে এদিক ওদিক
তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল,
তোমার প্রসাব করার জায়গাটা একটু দেখাও
তো!!!

এবার মেয়ে লজ্জায় একটু মাথা নিচু করে বলল,

আগে আপনারটা দেখান!!!


তাহলে আমার স্বামীকেও নিয়ে আসব

বিবাহিত এক ভদ্রমহিলা গেছেন ডাক্তারের কাছে – ডাক্তার সাহেব, আমার স্তন দুটি অনেক ছোট, কী করলে বড় হবে জানাবেন?

ডাক্তারটি আবার বেজায় লম্পট ভাবল এই তো সুযোগ। খুশি হয়ে মহিলাকে বলল, এখন থেকে প্রতিদিন একবার করে আসবেন। আমি চুষে বড় করে দিব।

মহিলা খুশি হয়ে বলল, তাই??তাহলে আমার স্বামীকেও নিয়ে আসব আপনার কাছে। তার  ঝুনু  টাও অনেক ছোট, আপনি চুষে বড় করে দিয়েন…


কেচো দে মাছ ধরব

দুই ভাই একটা বাড়ীর পেছনের লেকে বসে মাছ ধরছিলো।টোপ হিসেবে বড় ভাইটি কেচো ব্যাবহার করছিলো।সে বারবার বড়শিতে কেচো দিচ্ছিলো আর মাছ বারবার সেটা ফাকি দিয়ে খেয়ে ফেলছিলো। তাই সে বারবার তার ছোট ভাইকে বলছিলো “কেচো দে, কেচো দে” ঐকটু পর বাড়ী থেকে এক লোক বের হয়ে এসে বড় ভাইটির গালে একটা চড় বসিয়ে বললো “বদমাশ ছেলে, মানুষের বাড়ির দিকে নজর কেন?”


যার সন্তান সে নিয়ে গেছে

এলাকার চেয়ারম্যান ঘোষণা দিলেন, যে পরিবারে ৪টি সন্তান আছে, উনি সেই পরিবারের একটি সন্তানকে ১০ হাজার করে টাকা দেবেন। এতে হাবুল পড়ে গেল মহা চিন্তায়। তার ঘরে সন্তান মাত্র ৩টি।

কি যেন চিন্তা করে সে তার বউকে বলল, ‘বউ একটু অপেক্ষা কর। ও পাড়ায় আমার একটা ছেলে আছে। আমি এখনি নিয়ে আসছি।’ আবুল দৌড়ে গেল ছেলেকে আনতে।

একটু পর ফিরে এসে দেখে যে, তার বউয়ের কাছে মাত্র ১টি ছেলে বসে আছে। আবুল তার বউকে বলল, ‘বউ, আমার আর ২টা ছেলে কই? এই দেখ, আমার আরেকটা ছেলে এনেছি। এবার মোট ৪টা হল।’ আবুলের বউ বলল, ‘ওই দুইটা যার সন্তান, সে নিয়ে গেছে।’

 

আমি ড্যান্সিং কারের মধ্যে ছিলাম

সানি লিওন : আমার পিকে ছবিটি বলিউডের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে।
আমির খান : পিকে ছবিতে আমি ছিলাম, তুমি নও।
সানি লিওন : আমিও ছিলাম।
আমির খান : কিন্তু তোমাকে তো দেখিনি, কোথায় ছিলে?
সানি লিওন : আমি ড্যান্সিং কারের মধ্যে ছিলাম।


আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে, ‘টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘চল্লিশ।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আপুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আঠারো।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?’

টিচার হেসে বললেন, ‘তোমার বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আট।’

টিচার বললেন, ‘না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।’

এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, শুনলে তো? আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই…


দুদু বার করে লিখ

একজন শিক্ষক তার ছাত্রীকে পড়াচ্ছে। যাতে সব কিছু মনে থাকে সে জন্য সে ছাত্রীকে বলেছে প্রতিটি জিনিস দুই বার করে লিখতে। সে শিক্ষক আবার ভদ্র ভাষায় কথা বলে। তাই সে বলেছে…

দুদু বার করে লিখ।

বেচারা ভদ্র ভাষায় কথা বলার দায়ে প্রাইভেট হারাইছে।


ভাই কয় টাকার বিষ লাগবে

রাকিব গেছে দোকানে বিষ কিনতে।
দোকানদার : ভাই বিষ দিয়া কী করবেন?
রাকিব : আত্মহত্যা করবো।
দোকানদার : ক্যান ভাই?
রাকিব : কিছু কিছু জিনিস আছে কাউকে বোঝানো যায় না।
দোকানদার : মানে?
রাকিব : আজ সকালে আমি গরুর দুধ দোহাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে গরুটা বাম পা দিয়ে লাথি মারতে লাগল। আমি বাধ্য হয়ে বাঁশের সাথে বাম পা বেঁধে রাখলাম। এরপর গরুটা ডান পা দিয়ে লাথি মারা শুরু করলো। আমি এবার গরুর ডান পাও বাঁশের সাথে শক্ত করে
বাঁধলাম। অবশেষে লেজ দিয়ে বাড়ি মারতে লাগলো। ভাবলাম লেজটাও বেঁধে রাখি। কিন্তু লেজ বাঁধার জন্য কিছু পেলাম না। শেষমেষ নিজের বেল্ট খুলে বাঁধতে লাগলাম। বেল্ট খোলার কারণে আমার প্যান্ট হঠাৎ করে খুলে গেলো। এমন সময় আমার বউ গোয়ালে এসে আমাকে ঐ অবস্থায় দেখলো। এখন আপনিই বলেন, আমি আমার বউকে কী করে তা বোঝাবো? বউ আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছে। এ জীবন আমি আর রাখতে চাই না।
দোকানদার : ভাই কয় টাকার বিষ লাগবে?

 

 

 

 

আমার বাড়িতে ফিরে এসেছে

 


আমার বাড়িতে ফিরে এসেছে

এক লোক তার পোষা কবুতরগুলো হাটে তুলেছেন। ক্রেতাকে বলছেন-
বিক্রেতা : এই কবুতরগুলো নেন ভাই, খুবই প্রভুভক্ত।
ক্রেতা : তাই নাকি? তা কেমন করে বুঝলেন খুব প্রভুভক্ত?
বিক্রেতা : আমি যতবারই এগুলো বিক্রি করেছি, ততবারই আমার বাড়িতে আবার ফিরে এসেছে।


আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না

এক গরিব লোকের ঘরে চোর এসে আতিপাতি করে খুঁজে নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না। হতাশ হয়ে চোর যখন চলে যাচ্ছে-
লোক : দরজাটা বন্ধ করে যেও।
চোর : দরজা খোলা থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না।


একটি কেকের দাম কত

রুবেল এক দোকানে গেছে কেক কিনতে-
রুবেল : ভাই কেকের দাম কত?
দোকানদার : দুটি কেকের দাম ২৫ টাকা।
রুবেল : তাহলে এই একটি কেকের দাম কত?
দোকানদার : ১৩ টাকা।
রুবেল : ঠিক আছে, ১২ টাকায় অন্য কেকটি দিয়ে দেন।


সব সম্পদের মালিক তো তুমিই

এক বড় চাষির একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করার জন্য ঘটক এক দিনমজুরকে প্রস্তাব দিলেন।
প্রস্তাব শুনে দিনমজুর বলল-
দিনমজুর : আমাকে কয়েকটা দিন সময় দিন। কিছু টাকাপয়সা রোজগার করে নিই।
ঘটক : টাকাপয়সা রোজগারের চিন্তা তোমাকে করতে হবে না। সব সম্পদের মালিক তো তুমিই হবে। এমনকি বাপ হওয়ার জন্যও তোমার পাঁচ মাসের বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। সবকিছু তৈরিই আছে।


গত রাতে নিশ্বাস নিতে ভুলে গেছিলেন

বাড়ির মালিক মারা গেছেন। চাকর হাউমাউ করে কাঁদছে। প্রতিবেশীরা এসে জিজ্ঞেস করল, ‘কী হয়েছিল তোমার মালিকের?’
চাকর জবাব দিল, ‘ভারি ভুলোমনা মানুষ ছিলেন তিনি। বোধ হয় গত রাতে নিশ্বাস নিতে ভুলে গেছিলেন।’


পাপ ধুয়ে ফেলা

সাধুবাবা তার অনুসারীদের নিয়ে বঙ্গোপসাগরে গেছেন স্নানের জন্য। উদ্দেশ্য পাপ ধুয়ে ফেলা। গোসল শেষ করে সবাই উঠলো কিন্তু সাধুবাবার ওঠার কোন নাম নেই।
তা দেখে একজন বলল, ‘কি সাধুবাবা, আপনি উঠছেন না কেন?’
সাধুবাবা উত্তরে বললেন, ‘বৎস, পাপ ধোয়ার সাথে সাথে গামছাটাও যে চলে যাবে তা ভাবতেই পারিনি।’


টয়লেট পরিষ্কার করি

একদিন ছেলে বসে পড়ছিল তখন বাবা ছেলের পাশে বসল-
বাবা : তুই সারাদিন এমন চুপচাপ থাকিস কেন?
ছেলে : কেন বাবা আমি তো কথা বলি।
বাবা : তোকে অযথা এত বকাঝকা করি অথচ কিছু বলিস না। প্রতিবাদ করিস না।
ছেলে : কেন বাবা, আমি তো প্রতিবাদ করি।
বাবা : কই করিস? আমি যে দেখি না।
ছেলে : কেন বাবা, তুমি বকা দিলে আমি টয়লেটে যাই।
বাবা : টয়লেটে গেলে কি রাগ কমে? টয়লেটে গিয়ে কি করিস?
ছেলে : টয়লেট পরিষ্কার করি।
বাবা : টয়লেট পরিষ্কার করলে কি রাগ কমে?
ছেলে : কেন আমি তোমার দাঁত পরিষ্কার করার ব্রাশ দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার করি।


নুন দিলে তো কথাই নেই

কলম মিয়ার মুলার ক্ষেত পোকায় খেয়ে শেষ করে দিচ্ছে। তাই সে গেল কৃষি বিশেষজ্ঞের কাছে।
কলম মিয়া : ডাক্তার সাব, আমার মুলার ক্ষেত তো পোকায় খেয়ে শেষ করে দিল। এখন কী করি?
কৃষি বিশেষজ্ঞ : আপনি এক কাজ করুন। পুরো ক্ষেতে লবণ ছিটিয়ে দিন।
কলম মিয়া : আহা! কী পরামর্শ? নুন ছাড়াই খেয়ে শেষ করি ফেইলছে আর নুন দিলে তো কথাই নেই।


আপনি মা হতে যাচ্ছেন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিক সংকট দেখা দিলে কর্তৃপক্ষ নিয়ম করে দেয়, প্রতি পরিবার থেকে একজন তরুণকে যুদ্ধে অংশ নিতে হবে। জর্জ কোনো ভাবেই যুদ্ধে যাবে না।

মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষার জন্য যখন তার ডাক পড়ল, তখন সে তার গার্লফ্রেন্ডের ইউরিন স্যাম্পল নিজের ইউরিন স্যাম্পল বলে আর্মি হাসপাতালে জমা দিয়ে দিল। তার বান্ধবীর ছিল ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে সে আনফিট ঘোষিত হবে এবং তাকে যুদ্ধে যেতে হবে না।

পরদিনই ঐ তরুণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পেল। কনগ্রাচুলেশন! আপনি অবিলম্বে আমাদের গাইনি বিভাগে যোগাযোগ করুন। কারণ আপনি মা হতে যাচ্ছেন।

পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি

এক বৃদ্ধ লোকের একটি বড় ফার্ম হাউজ ছিলো। ফার্ম হাউজের পেছনে একটা বড় মাছের পুকুর ছিলো। সে সেটাকে কেটে গভীর করলো, কিছু পিকনিক টেবিল বসালো এবং কিছু গাছপালা লাগালো যাতে এটাকে একটা পিকনিক স্পট বানানো যায়।

একদিন বিকালে লোকটি পুকুরের অবস্থা দেখার জন্য চললো। তার হাতে ছিলো একটা বালতি। পুকুরের কাছে আসতেই তার নজরে পড়লো কিছু নারীকণ্ঠ। আরেকটু এগোতেই সে দেখলো স্বল্পবসনা কিছু মেয়ে পুকুরের পাশে হাসি-আনন্দ করছে।

বৃদ্ধ ভাবলো, হয়তো তারা পাশের কোন বাড়ি থেকে এসেছে। নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য সে গলা খাঁকাড়ি দিলো। তার আওয়াজ শুনে মেয়েরা সবাই গলাপানিতে নেমে গেলো। একজন বললো, ‘চাচা, আপনি এখান থেকে না গেলে আমরা উঠবো না।’

বৃদ্ধ বললো, ‘আমি তোমাদের শরীর দেখার জন্য এখানে আসিনি। আমি পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি।`


প্যান্টটিও ধুতে হবে

মিলিটারিদের সাহস পরীক্ষা করছে তাদের প্রধান। এক মিলিটারিকে দূরে দাঁড় করিয়ে রেখে মাথায় লেবু রেখে বন্দুক দিয়ে সেই লেবুটিকে গুলি করল।

মিলিটারিটি একদম নড়ল না। লেবুটি ফেঁটে গিয়ে তার শার্টটিকে নষ্ট করে দিল। তাদের প্রধান তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বললেন-
প্রধান : সাবাস, এই টাকা দিয়ে সাবান কিনে শার্টটি ধুয়ে নিও।
মিলিটারি : তাহলে আরোও ৫০ টাকা দিন, প্যান্টটিও ধুতে হবে।


সেভ করা শুরু করলো

জসিমের সেভ করা দরকার। তাই সে তার পাড়ার নাপিতের কাছে গেল। নাপিত কেবল জসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে, এমন সময় জসিম বলল, ‘আমার গালটা একটু ভাঙা, তাই মসৃণ সেভ হয় না, দয়াকরে খুব সাবধানে মসৃণ সেভ করে দাও।’

নাপিত তখন একটা কাঠের ছোট গোল বল জসিমের গালের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল, তারপর সেভ করা শুরু করলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই জসিম বুঝতে পারল, আসলেই খুব ভালো ও মসৃণ সেভ হচ্ছে। গালের ভিতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় জসিম বলল, ‘খুব ভালো। কিন্তু এখন যদি আমি বলটি গিলে ফেলি তাহলে কী হবে?’

নাপিত একটুও বিচলিত না হয়ে বলল, ‘ওইটা কোনো ব্যাপার না, সবাই যেমনে পরের দিন ফিরত দিয়া যায়, আপনেও কাইলকা আইসা ফিরত দিয়া যাইয়েন।’


গাড়ির বদলে একটা নতুন গাড়ি

এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ি দুর্ঘটনায় একেবারে চুরমার হয়ে গেছে। তিনি তার গাড়ি যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকা দাবি করলেন। কোম্পানির ম্যানেজার বললেন-
ম্যানেজার : আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না। আপনাকে গাড়ির বদলে একটা নতুন গাড়ি দেয়া হবে।
ভদ্রলোক : আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা, সে মরে গেলেও কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন?

Bangla jokes for fun, Mojar jokes, excellent funny jokes, Gopal varer golpo, matal jokes provided by mojarjokes.com


পিঁপড়ারা বুঝতে না পারে

একজন মুদির দোকানে গেছে চিনি কিনতে। দোকানদার প্যাকেট করতে যাচ্ছিল এমন সময়…
ক্রেতা : সেকি! আমি তো আপনাকে চিনি দিতে বলছি। আপনি আমাকে লবণ দিচ্ছেন কেন?
বিক্রেতা : কই! আমি তো আপনাকে চিনিই দিচ্ছি।
ত্রেতা : তাহলে বস্তার গায়ে ‘লবণ’ লেখা রয়েছে কেন?
বিক্রেতা : যাতে করে পিঁপড়ারা বুঝতে না পারে!


ট্রেনের ডানপাশে যাচ্ছে সিলেট আর বামপাশে যাচ্ছে চট্টগ্রাম

কোনো এক যাত্রী সিলেটগামী ট্রেনের পরিবর্তে চট্টগ্রামের ট্রেনে উঠে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর ট্রেনের অন্য এক যাত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন—
প্রথম যাত্রী : কোথায় যাওয়া হচ্ছে ভাই?
দ্বিতীয় যাত্রী : সিলেট।
প্রথম যাত্রী : বিজ্ঞানের কী বিস্ময় দেখুন, একই ট্রেনের ডানপাশে যাচ্ছে সিলেট আর বামপাশে যাচ্ছে চট্টগ্রাম।


আয়নাটার দাম কত

মেয়ে : আয়নাটার দাম কত?
দোকানদার : ৩শ’ টাকা!
মেয়ে : এত দাম কেন? এটার মধ্যে কি কোন বিশেষ গুণ আছে?
দোকানদার : হ্যাঁ, অবশ্যই। এই আয়না ১শ’ তলা বিল্ডিংয়ের ওপর থেকে ছেড়ে দিলে ৯৯ তলা পর্যন্ত ভাঙবে না!
মেয়ে : ওয়াও, তাহলে এটা প্যাক করে দিন!


ডেডবডি আগের স্টেশনে নামিয়ে নিয়ে গেল

এক যাত্রী ট্রেনের অ্যাটেন্ডেন্ট লালুকে ১০০ টাকা দিয়ে বলল-

যাত্রী : আরেকটু বরফ আনো তো, লাস্ট পেগটা মারি।
লালু : আর তো বরফ পাওয়া যাবে না স্যার।
যাত্রী : কেন?
লালু : ডেডবডি আগের স্টেশনে নামিয়ে নিয়ে গেল যে।


ব্যাটাছেলের কাপড়ই ছিল

বিচারক : চুরি করার সময় একবারও তোমার স্ত্রী আর মেয়ের কথা মনে হয়নি?
চোর : হয়েছে, হুজুর।
বিচারক : তারপরও চুরি করলে কেন?
চোর : কিন্তু দোকানটায় শুধু ব্যাটাছেলের কাপড়ই ছিল।

 

 

সোনার মূল্য দ্বিগুণ || bangla funn jokes

 


সোনার মূল্য দ্বিগুণ

মালিক তার কর্মচারীটিকে বোকাসোকাই জানত। আর তাই-
মালিক : আমি বাইরে যাচ্ছি, যদি কোনো ক্রেতা আসে তাহলে বলবি, সোনার মূল্য দ্বিগুণ।
কর্মচারী : জি, ঠিক আছে।

কিছুক্ষণ পর মালিক এসে-
মালিক : আমি যেমন বলেছিলাম তেমন করেছিস তো।
কর্মচারী : হ্যাঁ, এক লোক সোনা বিক্রি করতে এসেছিল। সে এক ভরি ৪৪ হাজার টাকা চাইল। আমি বললাম, ৮৮ হাজারের এক টাকাও কম দেয়া সম্ভব না।

*** ১০ ভরি কিনে ফেলেছি


মরার পরে আমাদের নাম রাখা হয়

একটি মুরগির বাচ্চা লাফাতে লাফাতে এসে মাকে জিজ্ঞেস করল-
বাচ্চা : মা, মানুষের জন্ম হলে তাদের বাবা-মায়েরা কত নাম রাখে। কিন্তু আমাদের নাম নেই কেন?
মুরগি : আমাদেরও নাম রাখা হয় বাবা, তবে মরার পর। মরার পরে আমাদের নাম রাখা হয়।
বাচ্চা : কী নাম রাখা হয়?
মুরগি : চিকেন টিক্কা, চিকেন কাবাব, চিকেন পাকোড়া, চিকেন পক্স, চিকেন কোরমা, চিকেন তন্দুরি ইত্যাদি! আর যে মুরগি মানুষে মারার আগে নিজে নিজে মরে যায়, তার নাম দেয় মরা মুরগি।


দু’টো পাথর চিবোতে পারেন না

শাশুড়ি : তোমার দু’টো চোখ আছে কী করতে? চাল থেকে দু’টো পাথর বাছতে পার না? রোজ খেতে বসে একই জিনিস দাঁতে লাগে।
বউ : আপনার বত্রিশটা দাঁত আছে কী করতে? দু’টো পাথর চিবোতে পারেন না?


২ চাকার জন্য পার্কিং

কিসলু একদিন নিজের অটোরিকশায় করে প্রেমিকা মলিকে নিয়ে শপিং মলে ঘুরতে গেছে। পার্কিংয়ে গাড়ি দাঁড় করিয়ে কিসলু অটোর একটা চাকা খুলতে শুরু করল-
মলি : অটোর চাকা খুলছ কেন?
কিসলু : দেখতে পাচ্ছ না এখানে লেখা আছে ২ চাকার জন্য পার্কিং?


ইয়ারকি মারার মুডে থাকে তখন

মেয়ে : আচ্ছা দাদা, ভালোবাসা কখন হয়?
ছেলে : যখন রাহু, কেতু এবং শনির দশা চলে, সঙ্গে মঙ্গলও খারাপ আর ভগবান তোমার সঙ্গে ইয়ারকি মারার মুডে থাকে তখন!


ডিভোর্সের ঘটনা ঘটতো না

আদালতে প্রেমের বিয়ের ডিভোর্সের মামলা চলছে-
১ম আইনজীবী: প্রেমের সময়ে ছেলেরা যতটা আন্তরিক থাকে, বিয়ের পরে যদি তার অর্ধেকও থাকতো। তবে এত ডিভোর্সের ঘটনা ঘটতো না, স্যার।
২য় আইনজীবী: বিয়ের পরে মেয়েরা যে আচরণ করে; বিয়ের আগে যদি তার এক চতুর্থাংশও করতো, তাহলে কিন্তু স্যার, প্রেমের সূত্রে কোনো বিয়েই আর হতো না।


আপনাকে ৪০ টাকাই দিতে হবে

চিঠি পোস্ট করতে পোস্ট অফিসে গেছে নিতু-
কর্মকর্তা : চিঠিটা যদি দ্রুত পৌঁছাতে চান, খরচ পড়বে ৪০ টাকা। আর যদি স্বাভাবিক নিয়মেই পাঠাতে চান, তাহলে খরচ পড়বে ৫ টাকা।
নিতু : সমস্যা নেই, আমার তেমন কোনো তাড়া নেই। প্রাপক তার জীবদ্দশায় চিঠিটা পেলেই হলো।
কর্মকর্তা : তাহলে আপনাকে ৪০ টাকাই দিতে হবে!


ট্রেন দুর্ঘটনা দেখার শখ

রেলওয়েতে চাকরির ইন্টারভিউ হচ্ছে। একটি চটপটে ছেলেকে সবার পছন্দ হল। চেয়ারম্যান একটু যাচাই করে নিতে চাইলেন-
চেয়ারম্যান : ধর, একটা দ্রুতগামী ট্রেন আসছে। হঠাৎ দেখলে লাইন ভাঙা। ট্রেনটা থামানো দরকার। কী করবে তুমি?
প্রার্থী : লাল নিশান ওড়াব।
চেয়ারম্যান : যদি রাত হয়?
প্রার্থী : লাল আলো দেখাব।
চেয়ারম্যান : লাল আলো যদি না থাকে?
প্রার্থী : তা হলে আমার বোনকে ডাকব।
চেয়ারম্যান : বোনকে! তোমার বোন এসে কী করবে?
প্রার্থী : কিছু করবে না। ওর অনেক দিনের শখ একটা ট্রেন দুর্ঘটনা দেখার!


৩২টা ঘুসি মেরে পেয়েছি

পাপ্পু একবার এক দোকানে গেছে রেসলিং এ জয়ী হওয়া ঘড়ি ঠিক করার জন্য-
পাপ্পু : আমি আমার এই ঘড়িটা ঠিক করতে চাই। কত টাকা লাগবে?
দোকানদার : আপনি যা দিয়ে কিনেছেন তার অর্ধেক দিলেই চলবে।
পাপ্পু : আমি ঘড়িটা ৩২টা ঘুসি মেরে পেয়েছি। তো কয়টা দিতে হবে?


মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড

হঠাৎ বাসায় কলিংবেল। গৃহকর্ত্রী গেলেন দরজা খুলতে। খুলেই তিনি অবাক, এক কাজের বুয়া দাঁড়িয়ে আছে।
গৃহকর্ত্রী : কে আপনি?
মহিলা : আপা, আমি আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড। গতকাল আপনি একটা স্ট্যাটাস দিলেন যে, আপনার বাসার কাজের বুয়া চইলা গেছে। সেইটা দেখার পর আমি আমার আগের বাড়ির কাজ ছাইড়া আপনার বাড়ি চইলা আইলাম।
গৃহকর্ত্রী : বাসার ঠিকানা কোথায় পেলে?
মহিলা : আপা, আপনার ছেলে দিছে। ও আবার আমার মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড।


তার অনেকগুলো গার্লফ্রেন্ড

এক ছেলেকে তার মা বলছেন-
মা : খারাপ ছেলেদের সাথে মিশবি না।
ছেলে : ঠিক আছে মা।

এরপর থেকে ছেলেটি আর ছেলেদের সাথে মেশে না। কেননা সে তার মায়ের কথা রাখছে।
কিছুদিন পর তার মা দেখলেন, এখন তার অনেকগুলো গার্লফ্রেন্ড।

শপিং কমপ্লেক্স কখন খুলবেন

 

শপিং কমপ্লেক্স কখন খুলবেন

ঈদের দিন একেবারে ভোরবেলা শপিং কমপ্লেক্সের দারোয়ানের কাছে ফোন এলো-
অপরপ্রান্ত : ভাই, আপনাদের শপিং কমপ্লেক্স কখন খুলবেন?
দারোয়ান : স্যার আজ তো ঈদের দিন। আজ আর খোলা হবে না। একেবারে ঈদের তিন দিন পর খুলব।
অপরপ্রান্ত : প্লিজ ভাই, আজকে কি একটু খোলা যায় না, মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য? ফোনের ওপাশ থেকে করুণ মিনতি ভেসে এলো।
দারোয়ান : কেন ভাই, আপনার কী এমন জরুরি দরকার? এই ঈদের দিনে আবার কী কিনবেন?
অপরপ্রান্ত : না ভাই, কিছু কিনব না। শপিং কমপ্লেক্স থেকে বের হবো। কাল রাতে বউ-বাচ্চা নিয়ে শপিং করতে এসে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।


গাড়ির ব্রেকটা ঠিক করাবো

আজিজ মিঞার কারখানায় আগুন লেগেছে। তিনি খবর দিলেন দমকলকর্মীদের। চটজলদি হাজির হলো দমকল বাহিনী। কারখানার সামনের ছোট গলিটার দু’পাশের দোকানগুলো ভেঙে, সদর দরজা গুঁড়িয়ে দিয়ে, দেয়াল ভেঙে সোজা অগ্নিকুণ্ডের স্থলে গিয়ে থামল গাড়ি! প্রচণ্ড ঝাঁকি খেয়ে গাড়ির পেছনে রাখা পানির ট্যাংকিটা ছিটকে গিয়ে পড়ল আগুনে। ব্যস, নিভল আগুন।

দমকলকর্মীদের তৎপরতা দেখে ভীষণ খুশি আজিজ। তিনি দমকল বাহিনীর প্রধানের হাতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার তুলে দিলেন। জিজ্ঞেস করলেন-
আজিজ : এই টাকা দিয়ে আপনারা কী করবেন বলুন তো?
বাহিনীর প্রধান : প্রথমেই গাড়ির ব্রেকটা ঠিক করাবো!


শক্তিশালী মশা, খাটে ছারপোকা

হোটেল ম্যানেজার : স্যার, রাতে ভালো ঘুম হয়েছে তো?
বোর্ডার : খুব! আপনার হোটেলের মশা এমন শক্তিশালী যে আমার প্রায় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তবে ভাগ্যিস খাটে ছারপোকা ছিল। ওরা আমাকে টেনে ধরে না রাখলে সকালে আমাকে হয়তো অন্য কোথাও পেতেন।


ছেলের কামাই-রোজগার বেশ ভালো

আধুনিক বিয়ে-শাদির কথাবার্তা চলছে-
মেয়েপক্ষ: শুনলাম ছেলে নাকি নেশাপানি করে খুব?
ছেলেপক্ষ: তা একটু আধটু… আমার ছেলে স্বভাবে-আচরণে কিন্তু খুবই ভালো। মিথ্যে বলবো না আপনাদের, মানে ও আজকাল একটু বেশিই… রোজ তিন-চার পেগ… তবে রাতের বেলায়…
মেয়েপক্ষ: এই বিয়ে পাক্কা। ছেলে পছন্দ হয়েছে আমাদের। বোঝা যাচ্ছে, ছেলের কামাই-রোজগার বেশ ভালো।


এত চকলেট খেয়ো না

চকলেটের দোকানে খোকার সঙ্গে দেখা হলো এক ভদ্রলোকের-
ভদ্রলোক : খোকা, এত চকলেট খেয়ো না। খেলে তোমার দাঁতে পোকা হবে, পেট খারাপ হবে, অল্প বয়সেই নানা রোগবালাই ধরবে।
খোকা : আপনি বুঝি অনেক দিন বাঁচতে চান?
ভদ্রলোক : অবশ্যই।
খোকা : আমার দাদির বয়স ১০৭ বছর।
ভদ্রলোক : তোমার দাদি নিশ্চয়ই ছোটবেলায় এত বেশি চকলেট খেতেন না।
খোকা : সেটা জানি না। তবে দাদি কখনোই অন্যের ব্যাপারে নাক গলান না।

Jokes bangla, Mojar funny jokes, Ectream funny jokes, nasiruddin hojja jokes, doctor-patient jokes provided by mojarjokes.com


আমাকে পুরস্কার দেয়ার মতো ভাঙতি টাকা

রমার হাতব্যাগটা হারিয়ে গিয়েছিল। ব্যাগটা পেয়ে ফেরত দিতে এলো বিল্লাল-
রমা : আশ্চর্য। আমি যখন ব্যাগটা হারিয়েছি, তখন ভেতরে একটা ৫০০ টাকার নোট ছিল, এখন ভেতরে ১০টা ৫০ টাকার নোট- এটা কেমন করে সম্ভব!
সিফাত : সম্ভব। কারণ, এর আগে যখন আমি একজনের ব্যাগ ফেরত দিতে গিয়েছিলাম, তার কাছে আমাকে পুরস্কার দেয়ার মতো ভাঙতি টাকা ছিল না!

অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার

 


অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার

বস: অফিসে যেসব পুরুষ অধিক সময় কাটায়, হামেশা ওভারটাইম করে তারা আসলে খুব পরিশ্রমী। এদের স্ত্রীরা খুব সুখী।
বল্টু: না স্যার! আসল কারণ হইলো- হয় বাড়িতে এরা সারাক্ষণ বউয়ের নির্যাতনের শিকার নয়তো অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার।


তুমি অবশ্যই আমেরিকান

এক পাগল এক চাইনিজকে জিজ্ঞেস করছে-
পাগল : তুমি কি আমেরিকান?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : তুমি আমেরিকান না?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : মিথ্যা বলছ, তুমি অবশ্যই আমেরিকান।
চাইনিজ : হ্যাঁ বাবা। আমি আমেরিকান। খুশি?
পাগল : কিন্তু চেহারা দেখে তো মনে হয় তুমি চাইনিজ।


ওটা লন্ড্রির দোকান

এক লোকের স্ত্রী বেড়াতে এসে এক জায়গায় একটা সাইনবোর্ড দেখল। তাতে লেখা- ‘বিশাল মূল্য ছাড়। সিল্কের শাড়ি ১০ টাকা, জামদানি ৮ টাকা ও সুতি শাড়ি ৫ টাকা’ দেখে সে তার স্বামীকে বলল-
স্ত্রী : দেখো জান, কী বিশাল ডিসকাউন্ট, অবিশ্বাস্য। এখনই আমাকে ৩০০ টাকা দাও। ইচ্ছেমতো শাড়ি কিনে আনি।
স্বামী : এতো উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই। ওটা লন্ড্রির দোকান।


এই গুণটা থাকা কী বাধ্যতামূলক

ক্রিসমাসের আগে এক সান্তাক্লজ হোয়াইট হাউসে ওবামার সাথে দেখা করতে গিয়েছে-
ওবামা : আপনার জীবনের একটি ইচ্ছের কথা বলুন।
সান্তাক্লজ : আমি আগামীবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াতে চাই।
ওবামা : আপনি কী পাগল হয়েছেন?
সান্তাক্লজ : এই গুণটা থাকা কী বাধ্যতামূলক?


সম্পর্ক তো আমার চেয়ে অনেক বেশি

বল্টু তার বড় ভাইকে বলছে-
বল্টু: প্লিজ, মার কাছে সিনেমার পয়সা চাও।
ভাই : তুই চা না! মা তো শুধু আমার না, তোরও।
বল্টু: তা বটে, তবে তার সঙ্গে তোমার সম্পর্ক তো আমার চেয়ে অনেক বেশি দিনের, ঠিক না?


ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গেল এইমাত্র

নদীর পাড়ে ছবি তুলছে ফটোগ্রাফার। এক মহিলা ছুটে এলো তার দিকে-
মহিলা : জলদি আমার সঙ্গে চলুন, প্লিজ! আমার বান্ধবী পানিতে ডুবে যাচ্ছে।
ফটোগ্রাফার : ইস! একটু আগে যদি বলতেন! আমার ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গেল এইমাত্র!


মাঝে-সাঝে মাথাটাও কাজে লাগাও

মাথায় মারাত্মক আঘাত নিয়ে বল্টু গেছে ডাক্তারের কাছে-
বল্টু: ডাক্তার, তাড়াতাড়ি কিছু করো! আহ্, শেষ হয়ে গেলাম!
ডাক্তার: কীভাবে এমন হলো!
বল্টু: আর বলো না। বাড়ির কাজের জন্য পাথর দিয়ে ইট ভাঙছিলাম। সামনে দিয়ে এলাকার স্কুলের মাস্টার যাচ্ছিল। সে বলল, ‘বল্টু, মাঝে-সাঝে মাথাটাও কাজে লাগাও’।
ডাক্তার: তো কী হয়েছে?
বল্টু: তার কথামতো পাথরের বদলে মাথা দিয়ে ইট ভাঙার চেষ্টা করলাম।


আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো

নারী: হ্যালো! এটা কি কাস্টমার কেয়ার?
কর্মকর্তা: হ্যাঁ, ম্যাডাম বলুন। আমরা কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
নারী: বলছি আমার ছেলেটা আমার সিমটা খেয়ে ফেলেছে।
কর্মকর্তা: দেখুন, আপনি ওকে ইমিডিয়েট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, এখানে ফোন করে সময় নষ্ট করছেন কেন?
নারী: না, আমি বলছিলাম আমার সিমটাতে ২০০ টাকার টকটাইম আছে।
কর্মকর্তা: তাতে কি?
নারী: যতক্ষণ না পর্যন্ত সিমটা বের করা হচ্ছে; ততক্ষণ আমার ছেলেটা যদি কথা বলে তাহলে আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো!


সিভিতে উল্লেখ কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতার

প্রশ্নকর্তা: আপনি সিভিতে উল্লেখ করেছেন- কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতারে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। চাকরি তো করবেন অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে। তার ওপর কোমর পানিতে-নোংড়া পানিতে সাঁতার! এসব কী! সিভিতে কেউ এ কথা লেখে?
বল্টু: স্যার, আমি আসলে বোঝাতে চেয়েছি- ঢাকায় ঝুম বৃষ্টি হলেও অফিসে পৌঁছাতে অসুবিধা হবে না আমার!
প্রশ্নকর্তা: সরি, আপনাকে ভুল বোঝার জন্য! আপনি আজই জয়েন করুন! আপনার মতো লোকই তো খুঁজছিলাম এতদিন!


আজ আমাদের রুটি ছিল না

এক লোক রেস্টুরেন্টের সামনে একটি অদ্ভুত বিজ্ঞাপন দেখে দাঁড়াল। বিজ্ঞাপনে লেখা আছে, ‘আমরা যদি আপনার অর্ডার অনুযায়ী খাবার দিতে ব্যর্থ হই তাহলে আপনাকে ৫০০ টাকা দেয়া হবে।’

লোকটা ভেতরে ঢুকতেই ওয়েটার এল। সে তাকে এক গ্লাস বাঘের দুধ আর দু’টি রুটি দিতে বলল। ওয়েটার অর্ডার লিখে কিচেনে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যানেজার পাঁচটি ১০০ টাকার নোট নিয়ে ফিরে এল।

টাকাগুলো টেবিলে রেখে বলল, ‘এই নিন আপনার টাকা। গত ১০ বছরে এই প্রথম আজ আমাদের রুটি ছিল না।’

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি



 

 একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি

 বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!

সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

 

ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স

জুতা পছন্দ করতে গিয়ে দোকানের প্রায় সব ডিজাইন উল্টেপাল্টে দেখছেন লাবনী। এতে জুতার শো-রুম একেবারে তছনছ হয়ে গেল। কিন্তু পছন্দ হলো না একটিও। এ সময় তার নজর পড়ল অন্যরকম একটি বাক্সের ওপর-
লাবনী : ওই বক্সটা একটু দেখান, প্লিজ। ওটার ভেতরে যে ডিজাইনটা আছে, তা দেখবো।
দোকানদার : দয়া করেন আপা, ওইটা আর দেখতে চাইবেন না!
লাবনী : এটা কেমন কথা! কাস্টমার দেখতে চাচ্ছে।
দোকানদার : আপা, ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স!

খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে

ওসি: ক্রেডিট কার্ড হারানোর সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্ট করেননি কেন?
মন্টু: কার্ডটা চুরি হওয়ার পর দেখলাম চোর আমার বউয়ের থেকে কম খরচ করছে,
ওসি: এখন রিপোর্ট করাতে আসছেন কেন?
মন্টু: এখন মনে হচ্ছে কার্ডটা এবার চোরের বউয়ের হাতে পড়েছে, খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে।

হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না

পল্টু ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল-
পল্টু: স্যার, আঙুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তাহলে স্যার কতদিন পরে উঠবে?
অফিসার: একবছর পর যাবে।
পল্টু: তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার?
অফিসার: কেন?
পল্টু: চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না।


তোর ভাবির সাথে

একদিন হাবলু হঠাৎ তার ভাবিকে ধরে প্রচুর মারধর করতে লাগল! সবাই অবাক হয়ে হাবলুকে থামালো আর জিজ্ঞেস করল-
প্রতিবেশী : তুমি তোমার ভাবিকে মারছ কেন?
হাবলু : আমার ভাবি ভালো মহিলা না!
প্রতিবেশী : তুমি কীভাবে বুঝলা?
হাবলু : আর বইলেন না! আমি আমার যেই বন্ধুকেই ফোনে কথা বলতে দেখে জিজ্ঞেস করি, কার সাথে কথা বলিস? সেই বন্ধুই উত্তর দেয়, তোর ভাবির সাথে!


ছেলেকে পিটানোর জন্য না

মা: বজ্জাত ছেলে কোথাকার! এতবার বলি, তারপরেও সোফায় শুয়ে থাকিস। আজ জুতিয়ে তোকে সিধা করবো,
বল্টু: মা! মা! আর হবে না এমন এবারের মতো,
মা: আর হবে না কেন? তুই আবার করবি এই কাজ! সোফা হচ্ছে বসার জন্য, এটা তো শোয়ার জন্য না,
বল্টু: মা, স্যান্ডেলও তো পায়ে দেওয়ার জন্য, ছেলেকে পিটানোর জন্য না!


এবার মাফ করেন

এক ফকির পিচ্চি মেয়েকে বলছে-
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটা।
পিচ্চি : আমি বেটা না, বেটি।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটি।
পিচ্চি : আমার নাম স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে স্বর্ণা।
পিচ্চি : আমার পুরা নাম নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
পিচ্চি : হ্যাঁ, এখন ঠিক আছে! এবার মাফ করেন।

 

 

আজকের কৌতুক : দেবরকে দেখে যা করেছিলেন ভাবি!


দেবরকে দেখে যা করেছিলেন ভাবি!
দেবর-ভাবির মধ্যে কথা হচ্ছে। দেবর লাজুক হাসি হেসে বলল—
দেবর: জানেন ভাবি, কলেজে একটা মেয়ে আমাকে দেখে মুচকি হাসে।
ভাবি: তা-ও তো ভালো, মেয়েটা তোমাকে দেখে মুচকি হাসে। আমি যখন এ বাড়িতে এসে প্রথম তোমাকে দেখেছিলাম, আমি তো টানা তিন দিন হাসি থামাতে পারিনি।

সাহায্যের জন্য আট ভাষায় চিৎকার
দুই অনুবাদক একটি নৌকায় করে ভিনদেশে যাচ্ছেন—
প্রথম অনুবাদক: আপনি সাঁতার জানেন?
দ্বিতীয় অনুবাদক: তা জানি না, তবে আটটা ভাষা জানি।
প্রথম অনুবাদক: তাতে কী লাভ?
দ্বিতীয় অনুবাদক: ডুবে গেলে সাহায্যের জন্য আট ভাষায় চিৎকার করতে পারব!

****

মুরগির ছানা দত্তক নিয়েছিল কাক
গাছের মগডালে উঠে বারবার লাফিয়ে পড়ছে একটা মুরগির ছানা। বোঝা যাচ্ছে, সে উড়তে চেষ্টা করছে। পাশের গাছে বসে দৃশ্যটি দেখছে এক কাক দম্পতি। তা দেখে স্ত্রী কাক বলছে—
স্ত্রী কাক: আমার মনে হয়, ওকে জানিয়ে দেওয়ার সময় হয়েছে যে, আমরা ওকে দত্তক নিয়েছিলাম!

 

আজকের কৌতুক : মুরগির বয়স জানার উপায় কী?

 


মুরগির বয়স জানার উপায় কী?
বিকেলে জঙ্গলের মধ্যে দুটি শেয়ালের কথোপকথন। শিশু শেয়াল প্রশ্ন করল বয়স্ক শেয়ালকে—
শিশু: মুরগির বয়স জানার উপায় কী?
বয়স্ক: দাঁতের মাধ্যমে।
শিশু: কিন্তু মুরগির তো দাঁত নেই।
বয়স্ক: আমাদের তো আছে।

পেছন পেছন দৌড়াতে হবে
এক কুকুর বলছে আরেক কুকরকে—
প্রথম কুকুর: চলো না, ঘুরতে বেরোই! পথে এটা-ওটা শুঁকব, এটা-ওটা খুঁজব, চাটব… চলো না! বেকার বসে থাকতে আর ভালো লাগছে না।
দ্বিতীয় কুকুর: না রে, ভাই, আজ যেতে পারব না। অনেক কাজ আছে।
প্রথম কুকুর: কী কাজ?
দ্বিতীয় কুকুর: আমার মালিক আজ তার জমিতে সার দেবেন। আমাকে তার পেছন পেছন দৌড়াতে হবে।

****

প্রেমিকার খোঁজে হাতির বাসায় মশা
হাতির বাসায় হঠাৎ কলিং বেল বাজল। দরজা খুলল হাতি। দেখল একটি মশা দাঁড়িয়ে আছে—
মশা: হস্তিনী বাসায়?
হাতি: না। বাইরে গেছে।
মশা: ঠিক আছে। ফিরলে বলো, তার বয়ফ্রেন্ড এসেছিল।

 

স্বামী-স্ত্রীদের নিয়ে মজার কিছু জোকস !

 

 স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি?
স্বামী: কই, কিছু না তো!
স্ত্রী: আরে, এ যে দেখি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামা এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছটা কী, শুনি?
স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও কেন জানি কাবিননামার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটা বের করতে পারলাম না।
………………………………………………………..
স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?
স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।
………………………………………………………
মৃত্যুশয্যায় শায়িত স্বামী তার স্ত্রীকে বলছেন—
স্বামী: আমি তো আর এক মাস পর মারা যাব, তাই আমি চাই, আমার মৃত্যুর পর তুমি সাজ্জাদ সাহেবকে বিয়ে কর।
স্ত্রী: সাজ্জাদ সাহেব! বলো কি, সে তো তোমার শত্রু। আর তাকে কিনা বিয়ে করতে বলছ তুমি!
স্বামী: আমি জানি সে আমার শত্রু। সাজ্জাদকে শায়েস্তা করার এটাই তো মোক্ষম সুযোগ, বুঝলে
…………………………………………………………….
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কয়েক দিন ধরে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলেন না। আর যতটুকু বলা প্রয়োজন, তা ইশারায় জানিয়ে দেন। স্বামী দেখলেন, পরের দিন ভোরে তাঁর ফ্লাইট। তাঁকে উঠতে হবে ভোর পাঁচটায়। কিন্তু স্ত্রী যদি জাগিয়ে না দেন, তবে কিছুতেই ভোরবেলায় তাঁর ঘুম ভাঙবে না। কিন্তু তাঁরা কথাও তো বলেন না। কী আর করা! স্বামী একটা কাগজে লিখে দিলেন, ‘দয়া করে ভোর পাঁচটায় আমাকে জাগিয়ে দেবে।’ কাগজটি টেবিলের ওপর রেখে দিলেন, যাতে স্ত্রী দেখতে পান। কিন্তু পরের দিন যখন তাঁর ঘুম ভাঙল, তখন সকাল নয়টা বেজে গেছে এবং বিমানও তাঁকে ছেড়ে চলে গেছে। তিনি রেগে টং হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তাঁকে জাগানো হলো না। এদিকে স্ত্রীও সমান তেড়িয়া, ‘এত রাগছ কেন? আমি তো তোমার ওই কাগজটিতে লিখে রেখেছি যে এখন ভোর পাঁচটা বাজে, ঘুম থেকে ওঠো। কিন্তু তুমি তো টেরই পেলে না। আমার কী দোষ?’
………………………………………………………………………………………………
সাইফ: তুই তোর বউর সাথে ঝগড়া করিস?
রিয়াজ: হ্যাঁ, করি। তবে প্রতিবার ঝগড়ার শেষে ও এসে হাঁটু গেড়ে আমার সামনে বসে পড়ে।
সাইফ: বলিস কী! তারপর?
রিয়াজ: তারপর মাথা ঝুঁকিয়ে বলে, ‘খাটের তলা থেকে বেরিয়ে আসো। আর মারব না।’
………………………………………………………………………………………………..
অফিস থেকে বাড়ি ফিরে স্বামী বলল, ‘শুরু করার আগে ভাতটা দাও, খেয়ে নিই।’
স্ত্রী ভাত বেড়ে দিল। ভাত খেয়ে স্বামী ড্রয়িংরুমের সোফায় বসতে বসতে বলল, ‘শুরু করার আগে এক গ্লাস পানি দাও…বড্ড তেষ্টা পেয়েছে।’
স্ত্রী পানি দিয়ে গেল।
পানি খেতে খেতে স্বামী বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়ল। তারপর বলল, ‘শুরু করার আগে এক কাপ চা দাও না আমাকে।’
এইবার স্ত্রী গেল খেপে, ‘অ্যাই, পেয়েছ কী তুমি আমাকে, আমি তোমার চাকর? অফিস থেকে ফিরে একটার পর একটা খালি অর্ডার মেরেই যাচ্ছ…নির্লজ্জ, অসভ্য, ছোটলোক, স্বার্থপর…’
স্বামী কানে তুলা গুঁজতে গুঁজতে বলে, ‘এই যে…শুরু হয়ে গেল।’
……………………………………………………………………………………………..
স্বামী তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিতে আদালতে গেছেন—
স্বামী: আমি আমার স্ত্রীকে আজই তালাক দিতে চাই। আপনি একটু ব্যবস্থা করুন।
আইনজীবী: কেন, সমস্যা কী আপনাদের?
স্বামী: আমার স্ত্রী প্রায় ছয় মাস ধরে আমার সঙ্গে কথা বলে না।
আইনজীবী: আরেকবার ভেবে দেখুন। এমন স্ত্রী পাওয়া কিন্তু ভাগ্যের ব্যাপার।
……………………………………………………………………………………………….
নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে?
স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।
……………………………………………………………………………………………………
: আমার স্ত্রী যার সঙ্গে পালিয়ে গেছে সে আমার সবচাইতে বড় বন্ধু।
: তাই নাকি? লোকটা কি দেখতে খুবই সুন্দর?
: কী জানি, জীবনে তাকে দেখি নি তো।

মোমের ব্যবহার


মোমের ব্যবহার

মহিলা হোষ্টেলে হঠাৎ বিদ্যুৎ নষ্ট হয়ে গেলে, ওয়ার্ডেন বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলো, ”হ্যালো বিদ্যুৎ অফিস? আপনার লোকজন কেশিগ্গির পাঠিয়ে দিন, মেয়েরা সবাই মোমবাতি ব্যবহার করছে!”

 বিয়ের পর শশুরবাড়িতে নতুন বউকে

শাশুড়ি বলছে: মা আজ থেকে তুমি এ বাড়িরই একজন সদস্য। আমার
মেয়ে তুমি, আমাকে তুমি মা ডাকবে।
নতুন বউ : আচ্ছা মা।
সারা দিনের কাজ শেষে জামাই বাসায় আসছে কলিংবেল বেজে উঠলো।
শাশুড়ি : এই কে এলো, দেখোতো বউ মা ?
নতুন বউ : মা! মা!! ভাইয়া এসেছে।

 দুঃখিত সুভাষ আফিসে নেই

বড় বাবু টেলিফোন ধরে শুনলেন , অন্য দিক খুব বয়স্ক একজন লোক কাঁপা কাঁপা গলায় বলছেন – মাফ করবেন আপনাদের অফিসের সুভাষকে একটু ডেকে দেবেন?
কে বলেছেন ?- বড় বাবু জিজ্ঞেস করলেন
আমি ওর ঠাকুদা বলছি – জবাব এলো
বড় বাবু এবার গম্ভীর ভাবে বললেন- দুঃখিত সুভাষ আফিসে নেই । সে আপনাকে পোড়াতে গিয়েছে।
Surprised

শিক্ষক ও বল্টুর জোকস

 


 ✅✅✅✅✅✅

শিক্ষক : কিরে এত দেরী হল কেন? স্কুল কয়টায় শুরু হয়?

বল্টু: স্যার , আমি তো আগেই বাইর হইছিলাম , আব্বা বলল গরুটারে চেয়ারম্যান বাড়ির ষাঁড়টার কাছে দিয়া আসতে ,তাই দেরী হইয়া গেল।

শিক্ষক: তো এই কাজটা তোমার বাবা করতে পারল না?
.
.
.

বল্টু: না স্যার ,
এইটা.……… ষাঁড়েরই করা লাগে

 😆😆😆😆😆😆😆😆😆😆😆😆😆

এক ম্যাডাম ছাত্রকে কিছু প্রশ্ন করছে ।
ম্যাডাম :- বল, তোর পেন্টের ভিতর কী আছে যা আমার শারির ভেতর নাই? | ছাত্র :- পকেট । |
ম্যাডাম:- বল, গাভীর 4টা আর আমার দুইটা কী ? |
ছাত্র :- পা |
ম্যাডাম:- বল, কোন কাজটা খাটে শুয়ে মজাও আরাম ? |
ছাত্র:-ঘুম । |
ম্যাডাম:- বল, কোন জিনিষ যার আছে সে হাত দিয়ে নারে চারে যার নাই সে আঙ্গুল দিয়ে করে ? |
ছাত্র:- ট্রুথব্রাশ । |
ম্যাডাম :- বল, কোন জিনিষ কারো ভিতর ডুকে শক্ত হয় আর বের হয় নরমও আঠালো হয়ে ? |
ছাত্র:- চুইংগাম । |
ম্যাডাম:- বল, ছেলেরা উত্তেযিত হলে তাদের শরিরের কোন অঙ্গ ছোট থেকে বড় হয় ? |
ছাত্র:- হৃদপিন্ড । |
ম্যাডাম:- বল, মেয়েরা জুরে শ্বাস নিলে কি ফুলে যায় ? |
ছাত্র:- ফুশফুশ ।
~~ ম্যাডাম তো বে হুশ

--------------------

জোকস:
এক লোক খুব লাজুক।
সারাদিন বই পড়ে।
... বিয়ের ২ মাস পর ও সে তার বৌ এর সাথে কিছুই না করায় বৌ হতাশ।
এক রাতে লোকটি পড়ছে।
বৌ তাকে আকর্ষন করতে সব কাপড় খুলে খাটেশুয়ে পড়লো।
লোকটি লজ্জা পেয়ে বৌ এর ঐ জায়গা বই দিয়ে ঢেকে বাইরে চলে গেল . . .
ঠিক তখনই ছোট ভাই ঘরে ঢুকে এই অবস্থা দেখে চিত্কার করে বলতে থাকলো . . .
“ মা . . . . . . . . . . . !
ও . . . . . মা !!
দেইখা যাও . . . !!
ভাইজান তো পুরা ভিতরে ঢুইকা গেছে খালি বই টা বাকী !! ”
 

ঘরে বান্ধবী এসেছে। আমি রান্নাঘরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম


 

ঘরে বান্ধবী এসেছে। আমি রান্নাঘরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম। . . . . না নাড়ালে কড়াই তে চিকেন টা ধরে যেত যে। ফিরে দেখি বান্ধবী খুলে বসে আছে আমার জন্য । 

 . . . . বিয়ারের বোতল টা। আমিও তাই দেখে প্যান্ট থেকে আমার জিনিস টা বের করে ওর হাতে দিতেই ও টানতে শুরু করল... . . . . সিগারেট । বান্ধবী বলল একবার করবি নাকি? . . . আমি বললাম - হ্যাঁ। ও সাথেসাথে বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল ’’টেপ“ । . . . . . . আমিও ওর মোবাইল নিয়ে কিপ্যাড টিপে ফোন করলাম আমাদের তৃতীয় বন্ধু কে। ফোন ধরে ও বলল ‘আ.. আঃ... আঃ.. আঃ.. . . . আচ্ছি’.. খুব বেরোচ্ছে নাক দিয়ে। ঠান্ডায় কাবু। যাচ্ছি এখুনি। ফোন ছেড়ে দেখি বান্ধবী আমার সাধের জিনিস টা চুষছে। . . . . . আমি হতাশ। ফ্রীজে স্টিক আইসক্রীম রেখেছিলাম। কখন বের করে নিয়েছে বুঝতে পারিনি। ওর খাওয়া দেখতে দেখতে আমার নীচে এসে গেল, তৃতীয় বন্ধু । ওকে ওপরে আসতে বললাম। এর মধ্যে দেখি বান্ধবীর নীচ টা জলে ভরে গেছে। . . . এতবড় হয়ে গেছে অথচ আইসক্রীম খেতে শেখেনি। পুরো মেঝে জলে ভরে গেছে। ওদিকে আমাদের বন্ধু ঘরে ঢুকেই ওর ভেজা জিনিস টা গুঁজে দিয়েছে আমার পেছনের দরজায়। বলল “ বৃষ্টি হচ্ছে, তাই ছাতা নিয়ে এলাম। ” বান্ধবী কে বলল ’তোরা করেছিস’? বান্ধবী বলল হ্যাঁ, আমরা দুজনে করেছি, তুমিও করে নাও চটপট। বলেই .. . খুলে দিল.. . . . .ফ্রীজ। এতেই রাখা আছে ব্রেকফাস্ট । আমি ভেতরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম আবার .

 . . . . চিকেন টা। এসে শুনি বন্ধু বলছে বান্ধবী কে ’ ঢুকছে? . . বান্ধবী বলল ‘হ্যাঁ, ঢুকছে। আর একটু চেপে ঢোকাও। . . বন্ধু চেপে ঢুকিয়ে বলল ‘ব্যাথা লাগছে নাতো? . . বান্ধবী ’খুব আরাম লাগছে, তোর সত্যি চয়েস আছে। . . . . . . 

একদম ঠিক সাইজের জুতো টা কিনেছিস। থ্যান্কু। এরপর বন্ধু বান্ধবী কে খুলতে বলল। আমি বললাম ও খুলেই রেখেছে, . . . . . বোতল। তুই ড্রিংক শুরু কর। তখনই বান্ধবী শাড়ি তুলতে শুরু করল ব্যালকনি থেকে। বলল বৃষ্টিতে বৌদির শাড়ী গুলো ভিজে যাচ্ছে যে, তুলিসনি? . . . এরপর কিছুক্ষণ আড্ডা মারার পর আমার বৌ এসে ঢুকল। বৌ কে দেখেই আমার বন্ধুর দাড়িঁয়ে গেল...

 . . . . . পা দুটো। সোজা গিয়ে বৌ কে ঠুকে দিল, প্রণাম। আমার বৌ ও সাথেসাথে দুটো বার করে বন্ধুর হাতে ধরিয়ে বলল ভালো করে খাও। একদম গরম আছে। আমাদের বলল তোমরা খাবে? আমি বললাম ’না, . . . . সিঙারা খেলে আমার অম্বল হয়‘। বৌ তখন বলল ’তাহলে রাতে ৪জন একসাথেই করব তো? . . . . . . . ডিনার । সবাই বললাম হ্যাঁ । বৌ ডিনার রেডি করতে চলে গেল আর বান্ধবী ওর দুটো খুলে ফেলল। . . . জুতোজোড়া। তারপর আমরা একসাথে করলাম, . . . . . . . . .i . . ডিনার

ঘরে বান্ধবী ||| চরম জোকস,,না পড়লে চরম মিস

 


চরম জোকস,,না পড়লে চরম মিসঃ

ঘরে বান্ধবী এসেছে। আমি রান্নাঘরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম। . . . . না নাড়ালে কড়াই তে চিকেন টা ধরে যেত যে। ফিরে দেখি বান্ধবী খুলে বসে আছে আমার জন্য । . . . . বিয়ারের বোতল টা। আমিও তাই দেখে প্যান্ট থেকে আমার জিনিস টা বের করে ওর হাতে দিতেই ও টানতে শুরু করল... . . . . সিগারেট । বান্ধবী বলল একবার করবি নাকি? . . . আমি বললাম - হ্যাঁ। ও সাথেসাথে বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল ’’টেপ“ । . . . . . . আমিও ওর মোবাইল নিয়ে কিপ্যাড টিপে ফোন করলাম আমাদের তৃতীয় বন্ধু কে। ফোন ধরে ও বলল ‘আ.. আঃ... আঃ.. আঃ.. . . . আচ্ছি’.. খুব বেরোচ্ছে নাক দিয়ে। ঠান্ডায় কাবু। যাচ্ছি এখুনি। ফোন ছেড়ে দেখি বান্ধবী আমার সাধের জিনিস টা চুষছে। . . . . . আমি হতাশ। ফ্রীজে স্টিক আইসক্রীম রেখেছিলাম। কখন বের করে নিয়েছে বুঝতে পারিনি। ওর খাওয়া দেখতে দেখতে আমার নীচে এসে গেল, তৃতীয় বন্ধু । ওকে ওপরে আসতে বললাম। এর মধ্যে দেখি বান্ধবীর নীচ টা জলে ভরে গেছে। . . . এতবড় হয়ে গেছে অথচ আইসক্রীম খেতে শেখেনি। পুরো মেঝে জলে ভরে গেছে। ওদিকে আমাদের বন্ধু ঘরে ঢুকেই ওর ভেজা জিনিস টা গুঁজে দিয়েছে আমার পেছনের দরজায়। বলল “ বৃষ্টি হচ্ছে, তাই ছাতা নিয়ে এলাম। ” বান্ধবী কে বলল ’তোরা করেছিস’? বান্ধবী বলল হ্যাঁ, আমরা দুজনে করেছি, তুমিও করে নাও চটপট। বলেই .. . খুলে দিল.. . . . .ফ্রীজ। এতেই রাখা আছে ব্রেকফাস্ট । আমি ভেতরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম আবার . . . . . চিকেন টা। এসে শুনি বন্ধু বলছে বান্ধবী কে ’ ঢুকছে? . . বান্ধবী বলল ‘হ্যাঁ, ঢুকছে। আর একটু চেপে ঢোকাও। . . বন্ধু চেপে ঢুকিয়ে বলল ‘ব্যাথা লাগছে নাতো? . . বান্ধবী ’খুব আরাম লাগছে, তোর সত্যি চয়েস আছে। . . . . . . একদম ঠিক সাইজের জুতো টা কিনেছিস। থ্যান্কু। এরপর বন্ধু বান্ধবী কে খুলতে বলল। আমি বললাম ও খুলেই রেখেছে, . . . . . বোতল। তুই ড্রিংক শুরু কর। তখনই বান্ধবী শাড়ি তুলতে শুরু করল ব্যালকনি থেকে। বলল বৃষ্টিতে বৌদির শাড়ী গুলো ভিজে যাচ্ছে যে, তুলিসনি? . . . এরপর কিছুক্ষণ আড্ডা মারার পর আমার বৌ এসে ঢুকল। বৌ কে দেখেই আমার বন্ধুর দাড়িঁয়ে গেল... . . . . . পা দুটো। সোজা গিয়ে বৌ কে ঠুকে দিল, প্রণাম। আমার বৌ ও সাথেসাথে দুটো বার করে বন্ধুর হাতে ধরিয়ে বলল ভালো করে খাও। একদম গরম আছে। আমাদের বলল তোমরা খাবে? আমি বললাম ’না, . . . . সিঙারা খেলে আমার অম্বল হয়‘। বৌ তখন বলল ’তাহলে রাতে ৪জন একসাথেই করব তো? . . . . . . . ডিনার । সবাই বললাম হ্যাঁ । বৌ ডিনার রেডি করতে চলে গেল আর বান্ধবী ওর দুটো খুলে ফেলল। . . . জুতোজোড়া। তারপর আমরা একসাথে করলাম, . . . . . . . . .i . . ডিনার

চরম জোকস্ , না পড়লেই মিস

 


রফিক বিয়ে করবে তাই পাত্রী দেখতে গেলো …..
কিন্তু হতাশ মুখে ফিরে এলো …..
এটা দেখে তা বন্ধু শামসু জিজ্ঞেস করলোঃ কিরে রফিক তোর পাত্রী পছন্দ হয়নি?
রফিক জবাব দিলোঃ না রে দোস্ত!!
মাইয়া অনেক মোটা!!
এইটা শুইনা শামসু মুচকি হাইসা কইলোঃ
:
:
:
:
:

আরে হারামজাদা… ঘর যতোই বড় হউক, দরজা তো ছোটই হইবো!! নাকি?!

 ----------------------------------------

এক পাগলা গারদে নার্স একটা পাগলের কাছে গেল ।
গিয়ে বললোঃ আমার শাড়ি খুলো ।
পাগলটা শাড়ি খুলল!!
তারপর বললোঃ আমার পেটিকোট খুলো।
পাগলটা পেটিকোটও খুলল!!
তারপর নার্স বললোঃ এবার আমার ব্লাউজটাও খুলো!
বেচারা পাগলটা চাকরের মতো নার্সের শাড়ি,ব্লাউজ ও পেটিকোটটা খুলল!!! তারপর আবার নার্স বললো
.
.
.
.

আর কোনো দিন আমার কাপড় পড়বে না ।
আপনারা কি ভেবেছিলেন😂🤣😂

------------------------------


 এক লোক ডাক্তার
দেখাতে গেছে কারন তার
দাড়ায় না। ডাক্তার
শুনে বললেন, বিয়ে করছেন?
= না।
প্রেমিকা আছে ?
=না।
পরকীয়া করেন ?
=না।
টানবাজার যান ?
=না।
মাস্টারবেট করেন?
=না।
ডাক্তার ক্ষেপে বললেন,
"ওই মিয়া, তাহলে দাড়
করায়ে কি করবেন?
ক্যালেন্ডার
টাঙ্গাবেন!!!"

একটা চুমো

একটা চুমো

 বান্ধবীকে রাতের বেলা বাড়ি পৌঁছে দিতে এসেছে বাবু। দরজার পাশে দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বললো সে, একটা চুমো খেতে দাও আমাকে।’ ‘কী? তুমি পাগল হলে? এখানে দাঁড়িয়ে না না না!’ ‘আরে কেউ দেখবে না। এসো, একটা চুমো।’ ‘না না, খুব ঝামেলা হবে কেউ দেখে ফেললে।’ ‘আরে জলদি করে খাবো, কে দেখবে?’ ‘না না, কক্ষণো এভাবে আমি চুমো খেতে পারবো না।’ ‘আরে এসো তো, আমি জানি তুমিও চাইছো — খামোকা এমন করে না লক্ষ্মী!’ এমন সময় দরজা খুলে গেলো, বান্ধবীর ছোট বোন ঘুম ঘুম চোখে দাঁড়িয়ে। চোখ ডলতে ডলতে সে বললো, ‘আপু, বাবা বলেছে, হয়তুমি চুমো খাও,নয়তো আমি চুমো খাই, নয়তো বাবা নিজেই নিচে নেমে এসে লোকটাকে চুমো খাবে —
কিন্তু তোমার বন্ধু যাতে আল্লার ওয়াস্তে ইন্টারকম থেকে হাতটা সরায়।’

 

আধুনিক ছেলে

এক পিচ্চি বাসে যাওয়ার সময় বাসের দরজার সামনে দাড়িয়ে ছিল সেটা দেখে কনডাক্টর বলছে… “কিরে তুই সব সময় দরজার সামনে দাঁড়াইয়া থাকিস!! তোর বাপে কি চৌকিদার আছিল??”
পিচ্চিঃ আরে আর তুই তো সব সময় টাকা চাইতে থাকিস তোর বাপে কি ফকির আছিল??

 

পঁচা বাসি গন্ধ

রতনের ছিল চারটা ছেলে। ছেলেগুলোর নামও ছিল আজব। পঁচা, বাসি, গন্ধ আর মুইতা। একবার রতনের বন্ধু বেড়াতে এলো বাড়িতে। গ্রামে আসতে তার বন্ধুকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে । বন্ধুর অনেক ক্ষুধা লাগলো এবং তাড়াতাড়ি খাবার চাইল।
রতনঃ একটু সময় দে, পোলাও কোরমা রান্না করি।
বন্ধু বললঃ আরে ওসব লাগবে না, যা আছে তাই দে।
রতন তখন তার ছেলেদের ডাকলঃ পঁচা,ভাত আন। বাসি,তরকারী আন।
ভাব ভাল না দেখে বন্ধু বললোঃ থাক দোস্ত আমি খাব না।
রতনঃ এতো কষ্ট করে এসেছো তোমাকে কি না খাইয়ে ছাড়বো? গন্ধ, ডাল আন। মুইতা, পানি আন ! বন্ধু পা ধরে মাফ চেয়ে দিল এক দৌড় ..