Showing posts with label bangla sad sms. Show all posts
Showing posts with label bangla sad sms. Show all posts

Bangla love sms || Bangla romantic sms bd

 


ভালোবাসা তো যায়না টাকা দিয়ে কেনা,
ভালোবাসা তো যায়না হীরা মুক্তা দিয়ে গড়া।
দুটি মনের আকুলতায় যে বন্ধন হয়,
তাকেই তো ভালোবাসা কয় ।
@@@@@@@@@@@

তুমি আমার রঙিন স্বপ্ন শিল্পীর রঙে ছবি,
তুমি আমার ছাঁদের আলো, সকাল বেলার রবি,
তুমি আমার নদীর মাঝে একটি মাত্র কূল,
তুমি আমার ভালোবাসার শিউলি বকুল ফুল ।

মানুষ মানুষের জন্য,
পাখি আকাশের জন্য,
সবুজ প্রকিতির জন্য,
পাহাড় ঝর্নার জন্য,
ভালোবাসা সবার জন্য,
আর তুমি শুধু আমার জন্য ।

 

রাতের আকশে তাকালে দেখি লক্ষ তারার মেলা,
এক চাঁদকে ঘিরেই যেন তাদের যত খেলা,
বন্ধু অনেক পাওয়া যায় বাড়ালেই হাত,
আমার কাছে তুই যে বন্ধু ওই আকাশের চাঁদ ।

তোমার জন্য রইলো আমার সপ্নে ভেজা ঘুম
একলা থাকা শান্ত দুপুর রাত্রি নিঝুম
তোমার জন্য রইলো আমার দুস্টু চোখের ভাষা,
মনের মাঝে লুকিয়ে রাখা অনেক ভালোবাসা ।

আবার যদি বৃষ্টি নামে
আমিই তোমার প্রথম হবো,
লেপটে যাওয়া শাড়ির মত
অঙ্গে তোমার জড়িয়ে যাবো ।

যতো ভালোবাসা পেয়েছি তোমার কাছ থেকে,
দুষ্টু এই মন চায় আরো বেশী পেতে,
কি জানি তোমার মধ্যে কি আছে,
এই মন চায় তোমাকে আরো বেশী কাছে পেতে ।

আজকের এই দিন গুলো কাল সৃতি হয়ে যাবে,
মনের খাতায় কোন পাতায় লেখা হয়ে যাবে,
কালকে এই পাতা গুলো একটু উল্টে দেখো-
আবসা সব সৃতির মাঝে আমায় খুঁজে পাবে ।

সপ্নে তুমি আসো কেনো দেখা দাও না
তোমায় আমি ভালোবাসি তুমি কেনো বুঝো না,
একবার বলোনা তোমায় আমি ভালোবাসি
তাহলে স্বর্গের সুখ এনে দিতে পারি ।

যত দূরে যাওনা কেনো আছি তোমার পাশে,
তাকিয়ে দেখো আকাশ পানে, ঘুম যদি না আসে ।
কাছে আমায় পাবে তুমি হাত বাড়াবেই যেই,
যদি না পাও জানবে সেদিন আমি যে আর নেই ।

রাতে চাঁদ দিনে আলো,
কেনো তোমায় লাগে ভালো ?
গোলাপ লাল কোকিল কালো
সবার চেয়ে তুমি ভালো ।
আকাশ নীল মেঘ সাদা
গোয়াল ঘরে তুমি বাঁধা ।

তুমি যদি ৮০ বছর বাঁচো, তবে ৭২০ টা পূর্ণিমা পাবে, ১৬০ টা ঈদ পাবে,
৮০ টা জন্মদিন পাবে, ২/৩ টা সূর্য গ্রহন ও পাবে,
তবে আমার মত লাভার পাবে না ।

আমি মেঘের মত চেয়ে থাকি
চাঁদের মত হাসি
তারার মত জ্বলে থাকি
বৃষ্টির মত কাঁদি
দূর থেকে বন্ধু শুধু
তোমার কথাই ভাবি…

প্রেম মানে হৃদয়ের টান
প্রেম মানে একটু অভিমান
দুটি পাখির একটি নীড়
একটি নদীর দুটি তীর
দুটি মনের একটি আশা
তার নাম ভালোবাসা

সপ্ন আমার অনেক ছিলো বন্ধু তোমায় ঘিরে
সপ্ন দিয়ে কেনো তুমি আসলে না আর ফিরে
মন যে আমার অচিন পাখি নেই তার কোন খোঁজ
বন্ধু তোমায় মনে পড়ে সকাল সন্ধ্যা রোজ ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আবর্তন !! লেখাঃ তাজরীন খন্দকার

 আবর্তন


 

অরুণ আমার পেটে তোমার বাচ্চা,অথচ তুমি আমার জীবনটা নষ্ট করে আবার বিয়ে করতে চলেছো?
কীভাবে ভুলে গেলে আমাদের তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক এবং এক বছর আগে কোর্টে বিয়ে হওয়ার কথা?
অরুণের বিয়ের আসরে হঠাৎ দৌঁড়ে এসে হাঁফাতে হাঁফাতে কথাগুলো বললো একটা অচেনা মেয়ে। যাকে কিনা এখানে উপস্থিত কেউই চিনেনা।
কাজী সাহেব বিয়ে পড়ানোর পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে বরের সামনে বসেছিলেন ,ঠিক সেসময় সেখানে এই অচেনা মেয়ের আগমন, যার দাবি হলো এই বর তার স্বামী হয় এবং তাদের একবছর আগে বিয়ে হয়েছে৷ অপরিচিত সেই মেয়েটা হাতে বিয়ের কাগজপত্র নিয়ে জোরে জোরে চিৎকার করে সামনে যারা আছে সবাইকে দেখাচ্ছে,আর বলছে ___এই বিয়ে যেভাবেই হোক যেন ভেঙে দেন প্লিজ। বুঝার চেষ্টা করুন, এখানে যদি কোনো রকম বিয়ে হয় তাহলে আমার এবং আমার বাচ্চার জীবন নষ্ট হয়ে যাবে। আমার জানা ছিল না অরুণ আমাকে এভাবে ঠকাতে পারে। সে আমাকে বলেছিল তার পরিবারকে ৬ মাসের মধ্যে যেভাবেই হোক রাজী করিয়ে আমাকে তার ঘরে তুলবে,কিন্তু তার আগেই সে আরেকটা মেয়েকে বিয়ে করার জন্য চলে এসেছে। আমি ভাবতে পারছিনা কিছু!
মেয়েটা রীতিমতো সবার হাতেপায়ে ধরে হাউমাউ করে অনুরোধ করতেছে। অরুণের পরিবারের লোকজন পারছেনা এই মূহুর্তে এই অসম্মান থেকে বাঁচতে মাটির নিচে লুকিয়ে যায়! তাদের ছেলে তাদের না জানিয়ে কি করে এমন একটা জগণ্য কাজ করতে পারে!
ইতোমধ্যে এই ব্যপারটা সারাময় রটে গেলো।
সেটা এই বিয়ের কণেবেশে অন্তপুরে বসে থাকা চন্দ্রার কানে পৌঁছাতেই তার গা হিম হয়ে এলো, কিছুক্ষণের জন্য সে একদম স্থির হয়ে ছিল, আর তার চোখ দুটো মূহুর্তেই লাল হয়ে পানিতে টলমল করছে, মুখে কোনো শব্দ বেরুচ্ছেনা, হাত একটা আরেকটার হালকা উপর নড়ছে । হঠাৎই সে লাল বেনারসি শাড়ী আর ঘোমটা টেনে এক দৌঁড়ে রুম থেকে বেড়িয়ে গেলো ।

একদম বাইরের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালো, আর দেখলো এক জায়গায় সবাই জড়ো হয়ে আছে এবং সেখান থেকে তর্কাতর্কির খুব জোরে জোরে শব্দ আসছে, চন্দ্রা বুঝতে পারলো সেই মেয়েটার সাথেই হয়তো কথা বলছে সবাই। চন্দ্রা সামনে এগুনোর জন্য যে-ই পা বাড়াবে তখনি তাকে পেছন থেকে কেউ আটকে ফেললো। পেছনে তাকানোর আগেই সামনে একজনের চোখে আর চোখবিদ্ধ হলো, সবার ভীড় থেকে যে চোখজোড়া তার দিকে অসহায় হয়ে তাকিয়ে আছে। চন্দ্রা পেছনে আটকানো হাতটাকে ছিটকে সরিয়ে দরজার একদম বাইরে চলে আসলো। ততক্ষণে সেখানের সবার দৃষ্টি এসে পড়লো চন্দ্রার দিকে। আবর্তন
স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে অরুণের চোখ ভিজে আছে কিন্তু সেখানে এই মূহুর্তে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মতো কোনো শক্তি তার নেই। চন্দ্রা ডান হাতের আঙুলটা উপরে সামনে ধরে ঠিক অরুণের দিকে লক্ষ্য করে কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে, ভাঙা স্বরে জোরে জোরে বলতে লাগলো,,
___ একটা মানুষ এতো নিচ কীভাবে হয়? কীভাবে পারে এতো নিখুঁতভাবে প্রতারণা করতে?
এই এই! আপনিই না সেদিন বলেছিলেন, চন্দ্রা তোমার আর আমার নামের মধ্যে একটা দারুণ মিল আছে, অরুণ নামের অর্থ সূর্য, আর আমার নামের অর্থ চাঁদ! চাঁদ যেমন সূর্যের আলোয় নিজেকে আধারে আলোকিত করে, তেমনি আপনার ভালোবাসায় আমাকেও সারাজীবন আলোকিত করে রাখবেন! বলেছিলেন না? কেন বলেছিলেন এগুলো, কেন ? কেন আমার এতো স্বপ্ন আশাকে ভেঙে চুরমার করে দিলেন! কি দোষ ছিল আমার?
বিয়ের আসর থেকে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পরে একটা মেয়ের জীবনে কেমন ধ্বস নেমে আসতে পারে, আপনার ধারণা আছে? আমি আপনাকে কখনোই ক্ষমা করবোনা,কখনোই না।
চন্দ্রার কথা শুনে এখানে সবাই মুখ ভার করে দাঁড়িয়ে রইলো, কেউ কেউ চোখ মুছতেছে, শুধু অরুণ নির্বাক হয়ে তাকিয়ে তাকিয়ে শুনে যাচ্ছে। চন্দ্রা এখান থেকে ভেতরে যাওয়ার জন্য ঘুরে দাঁড়িয়েও আবার অরুণের দিকে তাকালো, অরুণ হাত নাড়িয়ে বলতে চাচ্ছে এসবের কিছুই সে জানেনা,কিন্তু চন্দ্রা তাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই চেঁচিয়ে বললো, ___আপনার এই পাপী মুখ আমাকে দেখাবেন না। আমি আপনাকে আর কখনোই দেখতে চাইনা। ঘৃণা করি আপনাকে! বলেই এক দৌঁড়ে চন্দ্রা ভেতরে চলে গেলো। বিয়েটা ভেঙে গেলো, অরুণ কোনো একটা মুখের কথাও বলতে পারলোনা। চারপাশ থেকে মানুষজন ছি ছি কর‍তে লাগলো। তার পরিবারের লোকজন তাকে যাচ্ছেতাই বকে যাচ্ছে। কোনো রকম সেখান থেকে মাফ চেয়ে বরপক্ষ কণেবিহীন গাড়ী নিয়ে খালি হাতে ফেরত যাচ্ছে। অরুণের তখনি মরে যেতে ইচ্ছে করছিলো, কাউকে বিশ্বাস করাতে পারছেনা সত্যিই সে নির্দোষ! এমন গন্ডগোলের ভীড়ে অরুণ সেই মেয়েটাকেও আর খুঁজে পেলোনা আর।
কারো চোখের দিকে তাকাতে পারছেনা, খুব ক্ষেপে আছে সবাই। আবর্তন
গাড়ীতে বসে অরুণ উপরে তাকিয়ে নিজেকে শক্ত করলো। চন্দ্রার সাথে বিয়ের তারিখ হওয়ার পরে মাত্র তিনবার ফোনে কথা হয়েছে, এর আগে অসংখ্য পাত্রী দেখেছে অরুণ কিন্তু কাউকেই তার জীবনসঙ্গী হিসেবে যোগ্য মনে করতে পারেনি। কিন্তু চন্দ্রাকে দেখার পর পরই তার মনে হয়েছিল তারা একে অপরের জন্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে আজ কাঙ্খিত সেই চাওয়াকে পাওয়ার শুরুতেই হারানোর ভয়াবহ ব্যথার পাথর বেঁধে ফিরতে হচ্ছে। সে জানেনা এটা কেমন চক্রান্ত ছিল! সত্যিই কি চন্দ্রাকে সে হারাবে এটা ভাবতেই অরুণের বুক কেঁপে ওঠছে।

কিন্তু নাহ তাকে হেরে গেলে চলবেনা,সেতো জানে সে সত্যিই কিছু করেনি। তাকে এখানে ফাঁসানো হয়েছে। আর এটা তাকে যেভাবেই হোক প্রমাণ করতে হবে। কিন্তু কে এমন করতে পারে? যে মেয়েটা আসছিল তাকেও তো অরুণ চিনেনা, আবার সে যে কাবিনপত্র নিয়ে আসলো সেখানেও অরুণের সাক্ষর স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো। অরুণের জানামতে তার কোনো শত্রু থাকতে পারেনা, আবার এমনো নয় যে তার কোনো প্রাক্তন প্রেমিকা ছিল। সে কখনো প্রেম করার সুযোগই পায়নি। বছরের পর বছর একগাদা বই নিয়ে তার জীবনের এতগুলো সময় নির্বাহিত হয়েছে। আর সেই জন্যই আজ তার ভালো একটা চাকরি আছে,সম্মান আছে। তবে আজকের কান্ডে তার সারাজীবনের সঞ্চিত সম্মানটা পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। সে জানেনা কি থেকে এখন কি শুরু করবে, আর সবার ভুল ভাঙাবে! তবে সে হাল ছাড়বেনা। মনে মনে শপথ করেছে যে করেই সত্যটা সবার সামনে আনবে এবং সে চন্দ্রাকেই বিয়ে করবে। আবর্তন

অন্যদিকে চন্দ্রা নিজের ঘরে সেই দুপুর থেকে দরজা লাগিয়ে বসে আছে। তাকে এভাবে ঘরে দরজা লাগিয়ে রাখতে দেখে সবাই চিন্তায় পড়ে গেলো। শুধুমাত্র তার ভাবী ছাড়া সবাই-ই কেমন জানি ছুটাছুটি করছে, চন্দ্রার মা তো পুরো পাগল প্রায় অবস্থা। এভাবে মেয়েটার বিয়ে ভেঙে গেলো, কে জানে তার মেয়ের ভবিষ্যৎে কি অপেক্ষা করছে! কিন্তু চন্দ্রার সেই ভাবীটা উনাকে বুঝানোর চেষ্টা করছে কিছুই হবেনা। যা হয়েছে হয়তো মঙ্গলের জন্যই হয়েছে। নাহলে এমন একটা ছেলের সাথে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরে বিষয়টা জানলে কতোই না দেরি হয়ে যেতো।
চন্দ্রার মা বিষয়টা বুঝতে পেরে কিছুটা আশ্বস্ত হলেন। আবর্তন
এদিকে সবাইকে বুঝাতে বুঝাতে চন্দ্রার ভাবী প্রায় হাঁফিয়ে উঠেছে।
এতকিছু হয়ে যাওয়ার পরে কেউ চন্দ্রার সাথে কথা বলতে যায়নি। কারণ সেটার সুযোগই পায়নি কেউ। অবশেষে ভাবী গিয়ে চন্দ্রার দরজার উপর কড়া নাড়লেন।
পুরো তিন মিনিট পর চন্দ্রা একটা গম্ভীর ভাব নিয়ে দরজা খোলে সামনে নিজের ভাবীকে দেখে জোরে হেসে উঠে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বললো,
___ভাবী তুমি? আমি তো ভাবছি অন্য কেউ!
চন্দ্রার ভাবী মুখ বাঁকিয়ে বললো, আবর্তন

___কেন আমি না হলে কি শুরু করে দিতে অভিনয়? তুমিও পারো বোন। আচ্ছা মানলাম এসব সংলাপ দেওয়া সহজ কিন্তু চোখে পানি আসে কীভাবে বুঝাবে?
চন্দ্রা তার ভাবীর মুখ চেপে ধরে বললো, ___ আস্তে ভাবী আস্তে, কেউ শুনে ফেলবে তো!
চলবে…

হ্যালো......এটা কি দীপার নাম্বার

 


 

 হ্যালো......এটা কিদীপার নাম্বার?-নাম্বার ভালোমতদেখেফোন দিতে পারেননা!সাত-সকালে ঘুম টানষ্ট করছেন!-Sorry...ঘুমের ডিস্টার্বকরার জন্য।-That's o.k...এটা বলেই ফোনটারেখে দিলো নুহান।সারারাত বই পড়েভোরের দিকেঘুমিয়েছিলনুহান তাই সকালেঅহেতুক একটা ফোনেরজন্যতার ঘুম ভাঙ্গাতে সেভীষণ বিরক্ত।একটামেয়ে ফোন দিয়েছে তোকী হয়েছে? নুহানেরকাছে এটা বিশেষ কোনকিছু না।সেমেয়েদেরকে এড়িয়েচলে।তাকে এই পর্যন্ত৩টা মেয়েপ্রোপোজ করেছে,আরসে তিনটা মেয়েকেইরিফিউজ করেছে।তারধারনা ভার্সিটির ৩য়বর্ষ ছাড়া প্রেম করাযাবে না কারণ এর আগেপ্রেম করলেভার্সিটির ৩য় বর্ষেউঠার আগেইকবি হতে হবে।

বর্তমানে সে যেহেতুভার্সিটির ১ম বর্ষেসেহেতু কোন মেয়েকেসে পাত্তা দেয় না।বিরক্তি নিয়েবিছানা থেকে উঠলোনুহান।আজকে ভার্সিটিবন্ধ তাই আজকে সেতারবাসাতেই থাকবে।ঘুমথেকে উঠেইপ্রতিদিনকার মতোরবীন্দ্র সঙ্গীতশুনছে আরচিন্তা করছে কীকরবে।হঠাৎ তার মনেপড়লোযে তিন গোয়েন্দারএকটা বই পড়া বাকী।তাইসে বইটি নিয়েবারান্দায় গেলো পড়তে।কিন্তুপড়ায় কেন জানি তারমন বসাতে পারছে না।বার বার বিপরীতপাশের বিল্ডিং এরতারমুখমুখী ফ্ল্যাটেরবারান্দার দিকেতাকাচ্ছে।সে নিজেকেই প্রশ্নকরছে কেনো?গতকালকেপর্যন্তও সেবারান্দাটির দিকেতাকাতেবিরক্ত লাগত কারনসে বারান্দায় যতবারিযেত বারান্দিটিতেএকটি মেয়ে দাঁড়ানোথাকত।কিন্তু আজকেবারান্দাটিতে মেয়েটিনেই।এই জন্য কি সেবারান্দাটিতে বার বারতাকাচ্ছে? 

এইকথাগুলো যখন সেচিন্তাকরছিলো তখনিমেয়েটি বারান্দায়আসলো।মেয়েটি যখনইবারান্দায় আসলোতখনইবারান্দাটির দিকেতাকাতে তার বিরক্তলাগা শুরু করল।না,আজকে আর তারবই পড়া হবেনা তাই সে তার রুমেরভিতর চলে গেলো।রুমেরভিতর গিয়ে সে চিন্তাকরছে তার মনে কেনএইরকম চিন্তা হচ্ছে।নুহানের শখসাইকোলজিনিয়ে পড়া।বন্ধুমহলেসাইকোলজিস্টহিসেবেতার সুনাম রয়েছে।কিন্তু সে তার নিজেরসাইকোলজি নিজেইএখন বুঝতে পারছে না।তাই সে সিধান্ত নিলভার্সিটির সোহেলভাইকে তার সমস্যারকথা বলবে কারনভার্সিটিতে প্রেমবিষয়ক কোন সমস্যাহলেসবাই তাকে বলে।পরের দিন ভার্সিটিতেগিয়ে সৌভাগ্যক্রমেসোহেল ভাই কে পেল।সোহেল ভাইকে তারসমস্যার কথা বলল।-তোমার কি বারান্দায়গেলে মেয়েটাকেদেখতে মন চায়?-ব্যাপারটা তা না।কিন্তু না দেখলেকেমনজানি লাগে?-

আর বলা লাগবে না।বুছতে পারছি তুমিতারপ্রেমে পরেছো.........-কি যে বলেন।আমিভার্সিটির ৩য় বর্ষছাড়াপ্রেম করব না।-প্রেম কোন নির্দিষ্টসময় বলে আসে না।প্রেমযেকোন সময় আসতেপারে।সোহেল ভাইয়ের শেষকথাটা তার মনে ধরে।সারাদিন সে কথাটি সেচিন্তা করে।দুইদিন পর বারান্দায়ঃ- এই যে শুনছেন।-আমাকে বলছেন?-হুম-জি বলেন।-আপনার সাথে কথাবললে কি বিরক্তহবেন?-না,বলেন।-আপনার নাম কি?-নূপুর।আপনার?-নুহান।কী করেন?-ইন্টার 2nd year।আপনি?-ভার্সিটি 1st year.এইভাবে তাদের মধ্যেশুরু হয় কথা.........কিছুদিন পর হয় ভালবন্ধুত্ত...............১ বছর পর...নূপুর নুহানেরভার্সিটিতে ভর্তিহয়।নূপুর আর"নুহান এখন best friend।এদিকে নুহানপ্রতিদিনপ্রতিমূহুর্তে তারমনেরসাথে যুদ্ধ করে।একবার মনে হয় সেনূপুরকেভালবাসে আর একবারতার নীতির উপর সেথাকতে চায়।এভাবেদোটানায় চলছে তারদিন।অবশেষে সেসোহেল ভাইয়ের শেষকথাটা মানে এবংসিদ্ধান্ত নেয় নূপুরকেপ্রোপোজ করবে।কিন্তুকবে? সিধান্ত নিলনূপুরের জন্মদিনেপ্রোপোজ করবে।নূপুরের জন্মদিনেভার্সিটিতে...-নূপুর একটা কথাবলবো।-একটা কেন?হাজারটাবলো।-I love you-তোমার মাথা নষ্টহয়েছে?-না,আমি সুস্থমস্তিষ্কে বলছি Ilove you- But I don't love you- কেন?-কারন তুমি সবসময়নিজেকে নিয়ে চিন্তাকরো।অন্যজনেরfeelings তুমি বুঝতেপারো না।You are a selfish.- তুমি এগুলো কিবলতেছো?- যা বলতেছি তা সত্য।এক বছর আগে আমিতোমাকে দেখার জন্যবারান্দায় যেতাম।মনেআছে এক বছর আগেএকটা মেয়ে তোমাকেফোন দিয়েছিল আরতুমি তার সাথেকিভাবেকথা বলছ?কেনবলেছ??কারণ তুমিমেয়েদেরকে পাত্তাদাও না।মেয়েদেরকেসম্মান দিতে তুমিপারো না।-কিন্তু?-কোন কিন্তু না.........এই বলে নূপুর হাঁটা শুরুকরল......আর নুহান তার চলারপথের দিকে তাকিয়েথাক্ল...আর তার চোখদিয়ে পানি পরতেলাগলো......২ ঘন্টা পর...নুহান হাতিরঝিলেরএকটা লেকের ধারেবসেকাদছে...সে যতই তারভুল বুঝতে পারছেততোইতার কান্নার পরিমাণবাড়ছে.........এইসময় তারমোবাইল এ মেসেজআসলো নূপুরের নাম্বারথেকে...'পিছনে তাকাও'নুহান পিছনে তাকালোএবং দেখলো যে নূপুরহাতে তার পছন্দেরকদম ফুল এবং নূপুর গালবেয়ে অশ্রুগুলো সবুজঘাসের উপর পড়েরোদেরআলোয় চকচক করছে।নুহান কিছু বলারআগেইনূপুর তার সামনে এসেফুল দিয়ে তার হাতেদিয়ে বলল,'দুই ঘন্টাতোমাকে কষ্ট দেওয়ারজন্য আমাকে মাফকরে দাও।আমিতোমাকেতোমার ভুল ধরিয়েদেওয়ার জন্য মিথ্যাবলেছি।আসলে আমিতোমাকে অনেক অনেকভালবাসি।'নুহান কিছু বলতেযাওয়ার আগেই নূপুরতার হাতদিয়ে নুহানের ঠোঁটস্পর্শ করেবলল,'তোমারকিছু বলা লাগবে না।তোমার চোখ দেখেআমিবলতে পারি তুমি কিবলবা।তোমাকে ছেড়েথাকতে এই ২ ঘন্টাতোমার থেকে বেশীআমিকষ্ট পেয়েছি'৪ বছর পর...নুহান আর নূপুরেরবিয়ের অনুষ্ঠানচলছে...নূপুরযখন তার পরিবারথেকেঅশ্রুসিক্তভাবেবিদায় নিয়ে গাড়িতেউঠলো...নুহান তার চোখমুছে দিয়ে বলল।'এইখুশির দিনে কান্না না।তোমার কারনেই এইখুশির মূহুর্তটা দেখতেপারছি।সেই দিন দুইঘন্টা তুমি যদিআমাকেনা কাদাতে তাহলেহয়তো এই খুশির দিনদেখতে পারতাম নাসমাপ্তহ্যালো......এটা কিদীপার নাম্বার?-নাম্বার ভালোমতদেখেফোন দিতে পারেননা!সাত-সকালে ঘুম টানষ্ট করছেন!-Sorry...ঘুমের ডিস্টার্বকরার জন্য।-That's o.k...এটা বলেই ফোনটারেখে দিলো নুহান।সারারাত বই পড়েভোরের দিকেঘুমিয়েছিলনুহান তাই সকালেঅহেতুক একটা ফোনেরজন্যতার ঘুম ভাঙ্গাতে সেভীষণ বিরক্ত।একটামেয়ে ফোন দিয়েছে তোকী হয়েছে? নুহানেরকাছে এটা বিশেষ কোনকিছু না।সেমেয়েদেরকে এড়িয়েচলে।তাকে এই পর্যন্ত৩টা মেয়েপ্রোপোজ করেছে,আরসে তিনটা মেয়েকেইরিফিউজ করেছে।তারধারনা ভার্সিটির ৩য়বর্ষ ছাড়া প্রেম করাযাবে না কারণ এর আগেপ্রেম করলেভার্সিটির ৩য় বর্ষেউঠার আগেইকবি হতে হবে।বর্তমানে সে যেহেতুভার্সিটির ১ম বর্ষেসেহেতু কোন মেয়েকেসে পাত্তা দেয় না।বিরক্তি নিয়েবিছানা থেকে উঠলোনুহান।আজকে ভার্সিটিবন্ধ তাই আজকে সেতারবাসাতেই থাকবে।ঘুমথেকে উঠেইপ্রতিদিনকার মতোরবীন্দ্র সঙ্গীতশুনছে আরচিন্তা করছে কীকরবে।হঠাৎ তার মনেপড়লোযে তিন গোয়েন্দারএকটা বই পড়া বাকী।তাইসে বইটি নিয়েবারান্দায় গেলো পড়তে।কিন্তুপড়ায় কেন জানি তারমন বসাতে পারছে না।বার বার বিপরীতপাশের বিল্ডিং এরতারমুখমুখী ফ্ল্যাটেরবারান্দার দিকেতাকাচ্ছে।সে নিজেকেই প্রশ্নকরছে কেনো?গতকালকেপর্যন্তও সেবারান্দাটির দিকেতাকাতেবিরক্ত লাগত কারনসে বারান্দায় যতবারিযেত বারান্দিটিতেএকটি মেয়ে দাঁড়ানোথাকত।কিন্তু আজকেবারান্দাটিতে মেয়েটিনেই।এই জন্য কি সেবারান্দাটিতে বার বারতাকাচ্ছে? এইকথাগুলো যখন সেচিন্তাকরছিলো তখনিমেয়েটি বারান্দায়আসলো।মেয়েটি যখনইবারান্দায় আসলোতখনইবারান্দাটির দিকেতাকাতে তার বিরক্তলাগা শুরু করল।না,আজকে আর তারবই পড়া হবেনা তাই সে তার রুমেরভিতর চলে গেলো।রুমেরভিতর গিয়ে সে চিন্তাকরছে তার মনে কেনএইরকম চিন্তা হচ্ছে।নুহানের শখসাইকোলজিনিয়ে পড়া।বন্ধুমহলেসাইকোলজিস্টহিসেবেতার সুনাম রয়েছে।কিন্তু সে তার নিজেরসাইকোলজি নিজেইএখন বুঝতে পারছে না।তাই সে সিধান্ত নিলভার্সিটির সোহেলভাইকে তার সমস্যারকথা বলবে কারনভার্সিটিতে প্রেমবিষয়ক কোন সমস্যাহলেসবাই তাকে বলে।পরের দিন ভার্সিটিতেগিয়ে সৌভাগ্যক্রমেসোহেল ভাই কে পেল।সোহেল ভাইকে তারসমস্যার কথা বলল।-তোমার কি বারান্দায়গেলে মেয়েটাকেদেখতে মন চায়?-ব্যাপারটা তা না।কিন্তু না দেখলেকেমনজানি লাগে?-আর বলা লাগবে না।বুছতে পারছি তুমিতারপ্রেমে পরেছো.........-কি যে বলেন।আমিভার্সিটির ৩য় বর্ষছাড়াপ্রেম করব না।-প্রেম কোন নির্দিষ্টসময় বলে আসে না।প্রেমযেকোন সময় আসতেপারে।সোহেল ভাইয়ের শেষকথাটা তার মনে ধরে।সারাদিন সে কথাটি সেচিন্তা করে।দুইদিন পর বারান্দায়ঃ- এই যে শুনছেন।-আমাকে বলছেন?-হুম-জি বলেন।-আপনার সাথে কথাবললে কি বিরক্তহবেন?-না,বলেন।-আপনার নাম কি?-নূপুর।আপনার?-নুহান।কী করেন?-ইন্টার 2nd year।আপনি?-ভার্সিটি 1st year.এইভাবে তাদের মধ্যেশুরু হয় কথা.........কিছুদিন পর হয় ভালবন্ধুত্ত...............১ বছর পর...নূপুর নুহানেরভার্সিটিতে ভর্তিহয়।নূপুর আর"নুহান এখন best friend।এদিকে নুহানপ্রতিদিনপ্রতিমূহুর্তে তারমনেরসাথে যুদ্ধ করে।একবার মনে হয় সেনূপুরকেভালবাসে আর একবারতার নীতির উপর সেথাকতে চায়।এভাবেদোটানায় চলছে তারদিন।অবশেষে সেসোহেল ভাইয়ের শেষকথাটা মানে এবংসিদ্ধান্ত নেয় নূপুরকেপ্রোপোজ করবে।কিন্তুকবে? সিধান্ত নিলনূপুরের জন্মদিনেপ্রোপোজ করবে।নূপুরের জন্মদিনেভার্সিটিতে...-নূপুর একটা কথাবলবো।-একটা কেন?হাজারটাবলো।-I love you-তোমার মাথা নষ্টহয়েছে?-না,আমি সুস্থমস্তিষ্কে বলছি Ilove you- But I don't love you- কেন?-কারন তুমি সবসময়নিজেকে নিয়ে চিন্তাকরো।অন্যজনেরfeelings তুমি বুঝতেপারো না।You are a selfish.- তুমি এগুলো কিবলতেছো?- যা বলতেছি তা সত্য।এক বছর আগে আমিতোমাকে দেখার জন্যবারান্দায় যেতাম।মনেআছে এক বছর আগেএকটা মেয়ে তোমাকেফোন দিয়েছিল আরতুমি তার সাথেকিভাবেকথা বলছ?কেনবলেছ??কারণ তুমিমেয়েদেরকে পাত্তাদাও না।মেয়েদেরকেসম্মান দিতে তুমিপারো না।-কিন্তু?-কোন কিন্তু না.........এই বলে নূপুর হাঁটা শুরুকরল......আর নুহান তার চলারপথের দিকে তাকিয়েথাক্ল...আর তার চোখদিয়ে পানি পরতেলাগলো......২ ঘন্টা পর...নুহান হাতিরঝিলেরএকটা লেকের ধারেবসেকাদছে...সে যতই তারভুল বুঝতে পারছেততোইতার কান্নার পরিমাণবাড়ছে.........এইসময় তারমোবাইল এ মেসেজআসলো নূপুরের নাম্বারথেকে...'পিছনে তাকাও'নুহান পিছনে তাকালোএবং দেখলো যে নূপুরহাতে তার পছন্দেরকদম ফুল এবং নূপুর গালবেয়ে অশ্রুগুলো সবুজঘাসের উপর পড়েরোদেরআলোয় চকচক করছে।নুহান কিছু বলারআগেইনূপুর তার সামনে এসেফুল দিয়ে তার হাতেদিয়ে বলল,'দুই ঘন্টাতোমাকে কষ্ট দেওয়ারজন্য আমাকে মাফকরে দাও।আমিতোমাকেতোমার ভুল ধরিয়েদেওয়ার জন্য মিথ্যাবলেছি।আসলে আমিতোমাকে অনেক অনেকভালবাসি।'নুহান কিছু বলতেযাওয়ার আগেই নূপুরতার হাতদিয়ে নুহানের ঠোঁটস্পর্শ করেবলল,'তোমারকিছু বলা লাগবে না।তোমার চোখ দেখেআমিবলতে পারি তুমি কিবলবা।তোমাকে ছেড়েথাকতে এই ২ ঘন্টাতোমার থেকে বেশীআমিকষ্ট পেয়েছি'৪ বছর পর...নুহান আর নূপুরেরবিয়ের অনুষ্ঠানচলছে...নূপুরযখন তার পরিবারথেকেঅশ্রুসিক্তভাবেবিদায় নিয়ে গাড়িতেউঠলো...নুহান তার চোখমুছে দিয়ে বলল।'এইখুশির দিনে কান্না না।তোমার কারনেই এইখুশির মূহুর্তটা দেখতেপারছি।সেই দিন দুইঘন্টা তুমি যদিআমাকেনা কাদাতে তাহলেহয়তো এই খুশির দিনদেখতে পারতাম নাসমাপ্ত

পিশাচ || bangla story



- খালাম্মা, কাইল রাইতে খালু আমারে.... 

- তুই যাবি এখান থেকে!! 

অগ্নিদৃষ্টিতে তাকালাম সালমার দিকে। সকাল থেকে এই নিয়ে চারবার শুনলাম কথাটা। ভেবেছে কি ওর কথা বিশ্বাস করবো?? আমার সহজ সরল স্বামীটাকে ফাঁসাতে চাইছে। সোসাইটিতে একটা বদনাম হওয়ার আগেই বেতন দিয়ে বিদায় করে দিলাম সালমাকে। বের করে দেয়ার সময় ওর করুণ মুখটার দিকে তাকিয়ে খুব মায়াই লাগলো। তারপরও নিষ্ঠুরের মতো মুখের উপর দরজা লাগিয়ে দিলাম। 

অনেক কষ্টে একটা কাজের মেয়ে পেয়েছিলাম। বুঝিনা কেন আমার বাসায় কাজের বুয়া বেশিদিন টিকে না ?? অথচ অন্যান্য ফ্ল্যাটের ভাবিদের থেকে আমি বেশি টাকা বেতন দেই। 

দুইমাস আগে হাসনা নামের একজন কাজের মেয়ে ছিল। খুব ভাল কাজ করতো মেয়েটা। কিছুদিনের জন্য বেড়াতে গিয়েছিলাম, মামাতো ভাইয়ের বিয়েতে। আসিফ যেতে পারেনি,অফিসে অনেক কাজ ছিল তো তাই। এসে দেখি মেয়েটা নেই। অাসিফ বললো, মেয়েটা নাকি মানিব্যাগ থেকে টাকা চুরি করেছিলো তাই সে তাকে বাসা থেকে বের করে। তা বেশ করেছে। আমার স্বামী অনেক নীতিবান, অন্যায় সে সহ্যই করে না। কিন্তু পাশের ফ্ল্যাটের ভাবিদের এসব সহ্য হয় না, তাইতো শুধু আমার স্বামীর নামে কুৎসা রটিয়ে বেড়ায়। বলে কিনা, যেদিন আমি বাসায় ছিলাম না সেই রাতে তারা আমাদের বাসায় চিৎকার চেঁচামেচি শুনে দরজা খুলে দেখে এলোমেলো কাপড়ে হাসনা আমাদের ঘর থেকে দৌড়ে বেরোচ্ছে আর আসিফকে শাসাচ্ছে, "খালাম্মারে সব কইয়া দিমু আপনে আমার লগে কি করছেন... " আসিফ ওকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়। মেয়েটা তখন আসিফের নামে প্রতিবেশীদের কাছে যতসব আজেবাজে কথা বলতে থাকে। যদিও আমি ওসব মোটেও বিশ্বাস করিনি, কারণ আমার স্বামী ফেরেশতার মতো। 

সেদিন ছেলেদেরকে স্কুল থেকে নিয়ে বাড়ি ফিরে দেখি এক জায়গায় মহিলাদের জটলা। মহুয়ার আম্মুকে দেখলাম মুখ থমথমে। উনার সাথে আমার অনেক দিনের ভাব। গিয়ে জিগ্যেস করলাম, "কি হয়েছে ভাবি??" উনি আমাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে বললেন, লবণ শেষ হয়ে গিয়েছিল তাই আমাদের বাসায় তার ৭ম শ্রেণীতে পড়ুয়া মহুয়াকে পাঠিয়েছিলেন একবাটি লবণের জন্য। বাসায় তখন আসিফ ছাড়া আর কেউ ছিল না। তখন নাকি আসিফ মহুয়াকে.... 

আমি রাগে ক্ষোভে চিৎকার করে উঠলাম, "থামেন!! আর একটা কথা ও বলবেন না। আমাদের দুটি ছেলে কোন মেয়ে নাই এজন্য আসিফ মেয়ে বাচ্চাদের অনেক আদর করে। মহুয়াকে ও নিজের মেয়ের মতোই আদর করে। আর আপনি কিনা ওর নামে এমন নোংরা কথা বলছেন!!... "

সেই থেকে মহুয়ার আম্মুর সাথে আমার মুখ দেখাদেখি বন্ধ। আমার চরিত্রবান স্বামীর নামে এত বড় অপবাদ!! 

আমার ছোট বোন দিবা ভার্সিটি এডমিশনের জন্য ঢাকা এসেছে। আমার বাসায় থেকেই পরীক্ষা দিবে। সেদিন কিচেনে রান্না করার সময় দিবা এসে ইতস্তত করতে থাকে। 

- কিরে কিছু বলবি?? 

- আপু দুলাভাইর আচরণ কেমন যেন, আমার ভালো লাগে না। যখন তখন শুধু গায়ে হাত দেয়, জড়িয়ে ধরে... 

আমি হেসে উড়িয়ে দিলাম, 

- আরে ধুর, তুই না কিসব ভাবিস!!! আসিফ তোকে ছোট বোনের মত ভাবে তাই একটু জড়িয়ে ধরে। তুই অত নেগেটিভ ভাবে নিস না তো!! 

সেদিন রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। দেখি আসিফ পাশে নেই। বেডরুমের সাথেই এটাচড বাথরুম, সেখানে ও নেই। এত রাতে ও কোথায় যাবে??  আসিফের নাম ধরে ডাকলাম। ও হন্তদন্ত হয়ে রুমে ঢুকলো। 

- কোথায় গিয়েছিলে?? 

- পা.. পানি খেতে.... 

- পানি খেতে মানে?? সাইড টেবিলেই তো জগ গ্লাস রাখা।

- খেয়াল করিনি

বলে ও কাঁথা মুড়িয়ে শুয়ে পড়লো। 

কিচেনের লাইট অন নাকি দেখার জন্য রুম থেকে বেরিয়ে দেখি কিচেনের লাইট অফ কিন্তু দিবার রুমের লাইট অন। ও কি পড়ছে এখনও?? 

দিবার রুমে গিয়ে দেখলাম ও খাটে বসে আছে। 

- কিরে এখন ও ঘুমাসনি?? 

বলে ওর কাঁধে হাত রাখলাম। থরথর করে কাঁপছে ও। কোন কথা বলছে না, আমার দিকে চেয়ে ও দেখলো না। লাইট অফ করে দিয়ে চলে এলাম আমি। 

সারা রাত ঘুমোতে পারিনি। আজকে দিবার অবস্থা দেখে সুমাইয়ার কথা মনে পড়ে গেল।  বছর দুয়েক আগের কথা। ৭/৮ বছরের সুমাইয়া নামের একটা কাজের মেয়ে ছিল। কিচেনের ফ্লোরে ঘুমাতো ও। প্রতিরাতেই পানি খাওয়ার নাম করে আসিফ কিচেনে যেতো। ওর কষ্ট হয় ভেবে বেডের পাশে সাইড টেবিলে জগ গ্লাস রেখে দিলাম। একদিন ঘুম ভেঙে দেখি আসিফ পাশে নেই। কিচেনের লাইট জ্বলছে বলে দেখতে গেলাম। গিয়ে দেখি সুমাইয়া গুটিসুটি মেরে বসে আছে, কাঁদছে। সামনে আসিফ দাঁড়িয়ে। আমাকে দেখে চমকে গেল। আমি সুমাইয়ার মাথায় হাত রাখলাম, 

- কি হয়েছে কাঁদছিস কেন?? 

ও থরথর করে কাঁপছিল দিবার মতো। কথা বলল না, শুধু অঝোরে কাঁদছে। আমি আসিফের দিকে তাকালাম। 

- কি হয়েছে ওর?? 

- ফ্রিজ থেকে কেক চুরি করে খাচ্ছিল। দিয়েছি এক থাপ্পড়। ওকে সকালে বিদায় করে দিও। আমি যেন অফিস থেকে এসে ওকে না দেখি। 

বলে আসিফ রুমে চলে গেল। 

সকালে উঠেই একজন লোক দিয়ে সুমাইয়াকে ওর গ্রামে পাঠিয়ে দিলাম। যদিও খুব মায়া লাগছিল, কিন্তু আসিফ বলেছে। না পাঠালে ও মাইন্ড করবে। সবাই বলে আমি নাকি স্বামী ভক্ত, অন্ধের মতো ওকে বিশ্বাস করি। যে যা বলুক, আমার কি!! 

এতদিন আমার মনে কোন প্রশ্ন জাগেনি। কিন্তু আজকে মাথায় হাজারো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। সারা রাত দুচোখের পাতা এক করতে পারিনি। 

সকালে ছেলেদের স্কুলে নিয়ে যাওয়ার সময় দেখলাম আসিফ, দিবা যার যার রুমে বেঘোরে ঘুমোচ্ছে। তাই আর কাউকে ডিস্টার্ব করলাম না। বাইরে থেকেই মেইন ডোর লক করে দিলাম। 

সাধারণত আমি চার ঘন্টা পর স্কুল ছুটি হলে একবারেই ছেলেদের নিয়ে বাসায় ফিরি। কিন্তু আজকে আসার সময় বাচ্চাদের বেতন বই ভুলে নিয়ে আসিনি। তাই বাচ্চাদেরকে স্কুলে দিয়েই চলে এলাম বাসায়। চাবি ঘুরিয়ে দরজা খুলে যেই ভেতরে ঢুকবো অমনি দিবার চিৎকার শুনতে পেলাম। জুতো সহ দৌড়ে গেলাম দিবার রুমে। ঢুকে যা দেখলাম, তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না আমি। আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়লো। 

আসিফ আমাকে দেখে আঁতকে উঠলো। ততক্ষণে আমার রক্ত মাথায় চড়ে গেছে। পায়ের স্যান্ডেলটা খুলে ওকে এলোপাতাড়ি পেটাতে লাগলাম। যতক্ষণ না স্যান্ডেলটা ছিঁড়লো ততক্ষণ পর্যন্ত ওকে পেটাতে থাকলাম। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আশেপাশের সব মানুষ ছুটে এলো। মহুয়ার আম্মু এসে আমার হাত থেকে ছেঁড়া স্যান্ডেলটা ফেলে দিলেন, 

- ভাবি, শান্ত হয়ে বসেন। কি হয়েছে আমাদেরকে বলেন। 

আমি মহুয়ার আম্মুর গায়ে ঢলে পড়লাম, 

- ভাবি, আমি আপনার প্রতি অন্যায় করেছি, আমাকে মাফ করে দিয়েন। এই জানোয়ারটাকে অন্ধ বিশ্বাস করে কত বড় পাপই না আমি করেছি!! ওরে আমি ছাড়বো না... 

বলে ছেঁড়া স্যান্ডেলটা তুলে নিয়ে আবার ওর নাকে মুখে পেটাতে লাগলাম। থানায় ফোন করে পুলিশ আনলাম। ওর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা করলাম। যতজনকে ও নির্যাতন করেছে সবার পক্ষ হয়ে আমি লড়বো। 

দিবাকে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য হসপিটালে আনা হয়েছে। সাথে মহুয়ার বাবা মা ও আছেন। উনারা না থাকলে আমি এতকিছু করতে পারতাম না। তাঁদের মুখের দিকে তাকাতেও আমার লজ্জা করছে। 

পেছন থেকে কেউ একজন সালাম দিলো। ঘুরে তাকিয়ে দেখি সালমা। ও এই হসপিটালে আয়ার কাজ করে। আমি ওকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলাম, 

- আমাকে মাফ করে দিস, আমি তোর প্রতি অনেক অন্যায় করেছি। 

- আমি কিছু মনে রাখি নাই গো খালাম্মা... 

বলে ও অঝোরে কাঁদতে লাগলো। 

সালমাকে রাজি করালাম আসিফের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে। হাসনাকে ও খুঁজে বের করবো। সুমাইয়ার বাড়িতে ও যাবো। আমি ওদের সবাইকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিবো। যত যাই হোক, আমি ওদের পক্ষে লড়বো। 

আল্লাহর কাছে শুধু অভিযোগ করতাম, কেন আল্লাহ আমাকে একটা মেয়ে সন্তান দিলো না। কিন্তু আজকে আমি আল্লাহর দরবারে কোটি কোটি শুকরিয়া জানাই যে তিনি আমাকে কোন মেয়ে সন্তান দেননি। কারণ এসব মানুষরূপী পিশাচদের কাছে অন্যের মেয়ে কেন নিজের মেয়ে ও নিরাপদ নয়!!

( সমাপ্ত )

লেখা : আফরিন শোভা

*** লাল রঙা ডায়েরি *** ---ফওজিয়া পারভীন।।

 


 খুব ছোট বেলায় বিয়ের পিড়িতে বসেছিলাম বাবা-মায়ের কথায়।বয়স তখন ১৪ বছর।আর যে মানুষটার সাথে আমার পথ চলা শুরু হয় উনার তখন ২৫ বছর।বর্তমানে আমরা দুজনেই বুড়ো-বুড়ির কাতারে চলে গেছি।কিন্তু আমাদের ভালোবাসার কমতি হয়নি।এখনো উনি আমাকে ফওজিয়া কে সংক্ষেপ করে ফৌজু বলে ডাকেন। আর আমি,ফাইয়াজের বাবা অথবা রাত্রির বাবা বলে ডাকি।
.
আমার যখন বিয়ে হয় তখন প্রেম- ভালোবাসা তো দূরের কথা বিয়ে মানে কি সেটাই বুঝতাম না। লাল টুকটুকে শাড়ি পরে শুধুমাত্র বিয়ের দিন চুপচাপ ছিলাম।তাও অনেক কষ্টে।আমার খালাতো-চাচাতো ভাইবোনরা খেলছে দেখে আমারও খুব ইচ্ছে করছিলো খেলতে।
.
বিয়ের দিন শ্বশুড় বাড়ি এসে সব কান্নাকাটি বন্ধ করে দিলাম।নতুন জায়গায় নতুন বাড়িতে বেড়াতে আসছি মনে হচ্ছিলো তাই। আর ফাইয়াজের বাবার রোমান্টিক চোখের ভাষাটা তখন না বুঝলেও এখন মনে করে লজ্জা পাই, ভালোও লাগে।
.
আমার শ্বাশুড়ি আম্মার সাথে রান্না শিখতে আমি যখন রান্নাঘরে যেতাম বেচারা তখন কারণে অকারণে রান্নাঘরের আশপাশে ঘুরঘুর করতো।আমি না তাকালে মুখ দিয়ে শব্দ করে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা সবসময়। বেচারার ভালোবাসা তখনও বোঝার ক্ষমতা আমার হয় নি। উনার স্পর্শে সুড়সুড়ি লাগতো।বেচারা কতদিন মেঝেতে পা ঘষে ঘষে সংকেত দিয়ে আমায় ডাকতো।মাথায় দুষ্টমির কারণে সাড়া না দিয়ে উনাকে ভেংচি দিতাম।কত বড় পাগলিটাই না ছিলাম তখন।
.
দেখতে দেখতে সংসার জীবনের দু'টো বছর কাটিয়ে দিলাম।এরই মধ্যে আমাদের কোল জুড়ে ফাইয়াজ এলো।আমার চঞ্চলতা কমে গেল।আস্তে আস্তে সংসার,স্বামী, সন্তানের মাঝে নিজেকে মানিয়ে গুছিয়ে নিলাম।আর উনার ভালোবাসাটাও বুঝতে শিখে গেলাম। আসলে একজন নারীর মা হওয়া যে তার জীবনকে কতটা বদলাতে পারে তা আমি তখন বুঝতে পারি।
.
ফাইয়াজকে নিয়ে সে কি মাতামাতি সবার!আমার সেদিকে খেয়াল।কিন্তু উনি আমাদের মা-ছেলের সমান খেয়াল রাখতেন।কিছুক্ষণ পর পর বলতেন_ফৌজু, কেমন লাগছে তোমার? কি খাবে বলো?
সে কি উৎকন্ঠা উনার!আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখতাম উনাকে।আর উনি পাগলি বউটা বলে আমার নাকটা টেনে দিতেন।
.
দেখতে দেখতে আমাদের মেয়ে সন্তান আসে ঘর আলো করে।উনি নিজেই বলেন রাত্রি ডাকবো আমাদের মেয়েকে। ততোদিনে আমার শ্বাশুড়ি আমাদের ছেড়ে পরপারে চলে যান।রাত্রি তখন ৪ মাসের ফুটফুটে বাচ্ছা। ওর তখন খুব অসুখ হয়। সবকিছু একা সামলে উঠতে পারছিলাম না। রান্নাচড়ানো হলো দেরিতে।সেদিন উনার অফিসের কাজে মাথা গরম ছিলো,আর রাগ ঝাড়লেন আমার উপর।কষে একটা থাপ্পড় ও দিয়েছিলেন। খুব কষ্ট লাগছিলো তখন। মনে মনে শুধু একটাই কথা উপরওয়ালাকে বলেছি,ভালোবাসা-সংসার কেনইবা আমাকে বুঝতে শিখালে আর আজ কেনইবা এতো অপমান আর কষ্ট দিলে।
.
সেদিনের পর যতদিন সে কষ্টের অভিমান চেপে ছিলাম,ততোদিন উনাকে নাম ধরে আতিক সাহেব বলে ডাকতাম। পরে যখন উনি আমার অভিমান ভাংঙ্গালেন তখন সুখে কেঁদেছিলাম।
.
আমাদের ফাইয়াজ এখন অনার্স করছে আর রাত্রি ইন্টারে পড়ছে।কিন্তু সংসারের টানাপোড়ন এ উনার আর আমার ভালোবাসায় কোন কমতি পড়েনি।
.
জীবনের এতোগুলো বছরের সারসংক্ষেপ লিখেছি আমার লাল রঙা ডায়েরিতে।আজ আমাদের বিবাহবার্ষিকী। আমার লাল রঙা ডায়েরিটা আজ উনাকে উপহার দিলাম।পাগলটা খুশিতে সে কি কান্না!আজ আমারও চোখ ভর্তি জল তবে সেটা কষ্টের নয়,সেটা ভালোবাসার সুখের নোনাজল।।

Romantic bangla love sms

 


ভালোবাসা তো যায়না টাকা দিয়ে কেনা,
ভালোবাসা তো যায়না হীরা মুক্তা দিয়ে গড়া।
দুটি মনের আকুলতায় যে বন্ধন হয়,
তাকেই তো ভালোবাসা কয় ।
@@@@@@@@@@@

 

Tumi amar rongin sopno, shilpir ronge chobi,
Tumi amar chader alo, sokal belar robi.
Tumi amar nodir maje ekti matro kul,
Tumi amar valobashar sheuli bokul full.


তুমি আমার রঙিন স্বপ্ন শিল্পীর রঙে ছবি,
তুমি আমার ছাঁদের আলো, সকাল বেলার রবি,
তুমি আমার নদীর মাঝে একটি মাত্র কূল,
তুমি আমার ভালোবাসার শিউলি বকুল ফুল ।


Manush manusher jonno, paki akasher jonnyo.
sobujh prokritir jonnyo, paharr jhornaar jonnyo,
valobasa shobar jonnyo,
ar tumi shudhu amar jonyo.


মানুষ মানুষের জন্য,
পাখি আকাশের জন্য,
সবুজ প্রকিতির জন্য,
পাহাড় ঝর্নার জন্য,
ভালোবাসা সবার জন্য,
আর তুমি শুধু আমার জন্য ।


>>> আরো ভালোবাসার এসএমএস <<<


Rater akashe takale dekhi lokkho tarar mela,
Ek chadke ghirei jeno tader joto khela.
bondhu onek paoa jay baralei hat,
amar kache tui je bondhu oi akasher chad.


রাতের আকশে তাকালে দেখি লক্ষ তারার মেলা,
এক চাঁদকে ঘিরেই যেন তাদের যত খেলা,
বন্ধু অনেক পাওয়া যায় বাড়ালেই হাত,
আমার কাছে তুই যে বন্ধু ওই আকাশের চাঁদ ।


tomar jonnyo roilo amar sopne vejha ghum,
ekla thaka santho dhupur, raatri nijum.
tomar jonnyo roylo amardusthu chokher bhasha,
mooner maje lukiye rakha onek valobasa.


তোমার জন্য রইলো আমার সপ্নে ভেজা ঘুম
একলা থাকা শান্ত দুপুর রাত্রি নিঝুম
তোমার জন্য রইলো আমার দুস্টু চোখের ভাষা,
মনের মাঝে লুকিয়ে রাখা অনেক ভালোবাসা ।

একটা চুমো

একটা চুমো

 বান্ধবীকে রাতের বেলা বাড়ি পৌঁছে দিতে এসেছে বাবু। দরজার পাশে দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বললো সে, একটা চুমো খেতে দাও আমাকে।’ ‘কী? তুমি পাগল হলে? এখানে দাঁড়িয়ে না না না!’ ‘আরে কেউ দেখবে না। এসো, একটা চুমো।’ ‘না না, খুব ঝামেলা হবে কেউ দেখে ফেললে।’ ‘আরে জলদি করে খাবো, কে দেখবে?’ ‘না না, কক্ষণো এভাবে আমি চুমো খেতে পারবো না।’ ‘আরে এসো তো, আমি জানি তুমিও চাইছো — খামোকা এমন করে না লক্ষ্মী!’ এমন সময় দরজা খুলে গেলো, বান্ধবীর ছোট বোন ঘুম ঘুম চোখে দাঁড়িয়ে। চোখ ডলতে ডলতে সে বললো, ‘আপু, বাবা বলেছে, হয়তুমি চুমো খাও,নয়তো আমি চুমো খাই, নয়তো বাবা নিজেই নিচে নেমে এসে লোকটাকে চুমো খাবে —
কিন্তু তোমার বন্ধু যাতে আল্লার ওয়াস্তে ইন্টারকম থেকে হাতটা সরায়।’

 

আধুনিক ছেলে

এক পিচ্চি বাসে যাওয়ার সময় বাসের দরজার সামনে দাড়িয়ে ছিল সেটা দেখে কনডাক্টর বলছে… “কিরে তুই সব সময় দরজার সামনে দাঁড়াইয়া থাকিস!! তোর বাপে কি চৌকিদার আছিল??”
পিচ্চিঃ আরে আর তুই তো সব সময় টাকা চাইতে থাকিস তোর বাপে কি ফকির আছিল??

 

পঁচা বাসি গন্ধ

রতনের ছিল চারটা ছেলে। ছেলেগুলোর নামও ছিল আজব। পঁচা, বাসি, গন্ধ আর মুইতা। একবার রতনের বন্ধু বেড়াতে এলো বাড়িতে। গ্রামে আসতে তার বন্ধুকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে । বন্ধুর অনেক ক্ষুধা লাগলো এবং তাড়াতাড়ি খাবার চাইল।
রতনঃ একটু সময় দে, পোলাও কোরমা রান্না করি।
বন্ধু বললঃ আরে ওসব লাগবে না, যা আছে তাই দে।
রতন তখন তার ছেলেদের ডাকলঃ পঁচা,ভাত আন। বাসি,তরকারী আন।
ভাব ভাল না দেখে বন্ধু বললোঃ থাক দোস্ত আমি খাব না।
রতনঃ এতো কষ্ট করে এসেছো তোমাকে কি না খাইয়ে ছাড়বো? গন্ধ, ডাল আন। মুইতা, পানি আন ! বন্ধু পা ধরে মাফ চেয়ে দিল এক দৌড় ..

 

স্কুল জীবনের ভালোবাসা

love of school live

ক্লাসে ম্যাডাম ঢুকেই বলল, " রাকিব তুই নাকি সাদিয়াকে
প্রেমপত্র দিছিস! সাদিয়া তোর প্রেমপত্র পড়ে অজ্ঞান
হয়ে গেছে।" ম্যাডামের কথা শুনে রাকিব এর কলিজা শুকিয়ে
গেলো। সাদিয়া ম্যাডামের একমাত্র মেয়ে। ডাইনী মায়ের
একমাত্র আদরের সন্তান। ম্যাডাম আবার বলল, "কিরে তুই
উত্তর দিচ্ছিস না কেন"? ভয়ে রাকিবয়ের পায়ে কাঁপাকাঁপি শুরু
হয়ে গেলো। যেকোনো সময় প্যান্ট নষ্ট করে ফেলার মতন
অবস্থা।
জীবনে কখনো ম্যাডামের ক্লাসে পড়া দিয়েছি বলে মনে
পড়ে না। ম্যাডাম এমনিতেই আমাকে দেখতে পারে না।
তার উপর তার মেয়েকে প্রেমপত্র দিয়েছি, সেটা পড়ে
বেচারি অজ্ঞান। ম্যাডাম আমার অবস্থা আজ কি করবে
সেটা বুঝার বাকি রইলো না। মনে মনে বিপদের দোয়া
পড়ছি আর নিজের বুকে ফুঁ দিচ্ছি। আল্লাহ এবারের মতন
আমাকে বাঁচাও এরপর থেকে সাদিয়াকে নিজের বোনের
চোখে দেখবো।
ম্যাডাম আস্তে আস্তে এগিয়ে এলো আমার দিকে।ক্লাসের
সবাই সার্কাস দেখার অপেক্ষায় আমার দিকে তাকিয়ে
আছে। ম্যাডাম আমার কাছে এসে চিঠিটা আমার হাতে
দিয়ে বলল, " পড়ে শোনা"। ম্যাডামের কথা শুনে এবার গলা
পর্যন্ত শুকিয়ে কাঠ। আমি লজ্জায় নিচের দিকে তাকিয়ে
আছি। ম্যাডার তার ডাইনী কণ্ঠে চিৎকার করে উঠে বলল,
"এক্ষণ পড়ে শোনা বলছি।"
আমি চিঠি হাতে নিয়ে পড়া শুরু করলাম।
কলিজার বোঁটা সাদিয়া,
কেমন আছো তুমি? জানি তুমি ভালো নেই। তোমার ডাইনী মা
৪৫ মিনিটের ক্লাসে আমাদের যে অবস্থা করে! আল্লাহ
জানে সারাদিন তোমার উপর ঐ ডাইনীটা কতো নির্যাতন
চালায়। তুমি বললে আমি উনার বিরুদ্ধে মামলা করবো।
প্রথমদিন তোমাকে দেখেই আমার বুক কেঁপে উঠেছিল। সেই
কাঁপুনিতে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের কিছু অংশ কেঁপে
উঠে। অথচ মানুষজন বলে সেটা নাকি ভূমিকম্পের কারণে।
কাউকে বিশ্বাস করাতেই পারিনি ওটা আমারি বুকের
ভূমিকম্প।
তুমি জানো সারাদিন শুধু আমি তোমার কথা ভাবি। এতো
ভাবনা যদি আমি গণিতের প্রতি দিতাম তাহলে
আইনস্টাইনের মতন আমারো পকেটে দুইচারটা নোবেল
থাকতো। কিন্তু দেখো আমি নোবেলের কথা চিন্তা না করে
শুধু তোমার কথা চিন্তা করি। কিন্তু তোমার ডাইনী মায়ের
জন্য চিন্তাটাও ঠিকমতন করতে পারি না। হঠাৎ করে
তোমার মা আমার চিন্তার মধ্যে এসে আমাকে লাঠিপেটা
করে আর বলে " ঐ তুই আমার মেয়েকে নিয়ে চিন্তা করিস
কেন?"
সেইদিন স্বপ্নে দেখি তোমাকে নিয়ে চাঁদে যাচ্ছি
হানিমুন করতে। রকেটে আমি আর তুমি লুকোচুরি খেলছি।
এরমধ্যে কোথা থেকে যেন তোমার মা এসে রকেটের ইঞ্জিন
বন্ধ করে দিয়ে বলে, " এবার খেলা হবে।"
বিশ্বাস করো সাদিয়া, তোমার কথা মনে হইলেই এই হৃয়দের
মধ্যে এনার্জি বাল্ব জ্বলে উঠে। তুমি আবার ভেবো না আমি
৩০০ টাকার এনার্জি বাল্ব ১০০ টাকায় কিনেছি শুধুমাত্র
কোম্পানির প্রচারের জন্য।
আমি ফিলিপ্স বাল্বের কথা বলেছি। যা দিবে তোমাকে
শতভাগ আলো ও দীর্ঘদিনের গ্যারান্টি।
সাদিয়া বিশ্বাস করো এই মনে!!...."
হঠাৎ ধপাস করে কিছু পরে যাওয়ার শব্দ পেলাম। সামনে
তাকিয়ে দেখি ম্যাডাম অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে গেছে।
সবাই মিলে দৌড়াদৌড়ি করে ম্যাডামকে তুলে ডাক্তার
ডাকতে গেলাম।
ম্যাডামের জ্ঞান ফিরলে প্রিন্সিপ্যাল ম্যাডাম আমাকে
ডেকে পাঠালেন। উনি বললেন," তুমি নাকি ম্যাডামের
মেয়ে সাদিয়াকে চিঠি দিয়েছ। কি ছিল সেই চিঠিতে
দেখি চিঠিটা আমাকে দেও।" আমি ভয়ে ভয়ে প্রিন্সিপ্যাল
ম্যাডাম কে বললাম "আগে এখানে ডাক্তারকে ডাক দেন
ম্যাডাম।"