Showing posts with label কৌতুক. Show all posts
Showing posts with label কৌতুক. Show all posts

আক্কেল কখন গুড়ুম হয় || Bangla Funny Jokes

 

কলকে পাওয়া

নারকেলের খোল, মাটির পাত্র ও কাঠের নল দিয়ে তৈরি তামাক খাওয়ার বিশেষ উপকরণকে বলা হয় হুঁকা বা কলকে। গ্রামগঞ্জে অবসরে তামাক খাওয়ার সময় একটি কলকেই এক হাত থেকে আরেক হাতে ঘুরতে থাকে। কারও হাতে কলকে না এলে মনে করা হয়, সে সম্মান পেল না বা উপেক্ষিত থেকে গেল। তাই কলকে পাওয়া বাগ্‌ধারার অর্থ সম্মান পাওয়া বা উপেক্ষিত না হওয়া।

কাকতালীয়

পরস্পর সম্পর্কহীন দুটি ঘটনা একসঙ্গে ঘটলে তাকে বলা হয় কাকতালীয় ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে মনে হয়, একটির কারণে যেন আরেকটি ঘটনা ঘটেছে! কাকতালীয় শব্দের মধ্যে আছে ‘কাক’ ও ‘তাল’—এই দুটি শব্দ। ধরা যাক, একটি কাক উড়ে এসে তালগাছে বসল; আর তখনই তালগাছ থেকে তাল পড়ল। এই আকস্মিক ঘটনা দুটির মধ্যে আদৌ কোনো সম্পর্ক বা কার্যকারণ নেই। একইভাবে, কাকতালীয় ব্যাপারেও দুটি ঘটনা সম্পর্ক ছাড়াই একত্রে ঘটে।

 

 

 

আক্কেল গুড়ুম

আরবি ‘আকল’ থেকে আক্কেল শব্দটি এসেছে। এর অর্থ বুদ্ধি, বিবেচনা, কাণ্ডজ্ঞান। আর ‘গুড়ুম’ হলো কামান থেকে গোলা বের হওয়ার শব্দ। আকস্মিক কোনো ঘটনায় আমাদের বুদ্ধি, বিবেচনা মাঝেমধ্যে লোপ পায় বা হারিয়ে যায়। হতবুদ্ধি হয়ে যাওয়ার এই পরিস্থিতিকে বলা হয় আক্কেল গুড়ুম অবস্থা। কামানের গোলা লেগে বুদ্ধি হঠাৎ উড়ে গেলে যে অবস্থা হয়, আরকি!

 

হাসতে নেই মানা

 


 * জোকস-১
প্রেমিকাকে নিয়ে ডেটিং করতে এক রেস্তোরাঁয় ঢুকল বল্টু।
ওয়েটার: স্যার, মেনুকার্ড দেখে অর্ডার দিন কী কী খাবেন?
খাবারের দাম দেখে বল্টুর কলিজা শুকিয়ে গেল।
বল্টু: আপাতত, চেয়ার-টেবিল সরান। একটু গড়াগড়ি খাই।

* জোকস-২
অসিমের সেভ করা দরকার। তাই সে তার পাড়ার নাপিতের কাছে গেল। নাপিত কেবল অসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে এমন সময় অসিম বলল, ‘আমার গালটা একটু ভাঙা, তাই মসৃণ সেভ হয় না, দয়াকরে খুব সাবধানে মসৃণ সেভ করে দাও।’
নাপিত তখন একটা কাঠের ছোট গোল বল অসিমের গালের ভেতরে ঢুকিয়ে দিলো। তারপর সেভ করা শুরু করলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই অসিম বুঝতে পারল, আসলেই খুব ভালো ও মসৃণ সেভ হচ্ছে। গালের ভেতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় অসিম বলল, ‘খুব ভালো। কিন্তু এখন যদি আমি বলটি গিলে ফেলি, তাহলে কী হবে?’

নাপিত একটুও বিচলিত না হয়ে বলল, ‘ওইটা কোনো ব্যাপার না, সবাই যেমন পরের দিন ফেরত দিয়া যায়, আপনেও কাইলকা আইসা ফেরত দিয়া যাইয়েন।’
* জোকস-৩
কাক বসেছিল গাছের ডালে। নিচ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল খরগোশ।
খরগোশ: কিরে কাক, তুই কী করছিস?
কাক: কিছুই না। এমনি বসে আছি।
খরগোশ: বেশ মজা তো! আমিও বসে থাকি কিছু না করে?
কাক: থাকো।
হাত-পা গুটিয়ে খরগোশ বসল গাছের গোড়ায়। ঝোঁপের আড়াল থেকে খেঁকশিয়াল দেখল খরগোশ বসে আছে চুপচাপ। ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে খেয়ে ফেলল। পুরো ঘটনাটাই কাক দেখল গাছের ডালে বসে এবং ভাবল, খরগোশকে একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, কিছু না করে বসে থাকলে চলে কেবল তাদেরই; যারা বসে থাকে উপরে।

আমার বাড়িতে ফিরে এসেছে

 


আমার বাড়িতে ফিরে এসেছে

এক লোক তার পোষা কবুতরগুলো হাটে তুলেছেন। ক্রেতাকে বলছেন-
বিক্রেতা : এই কবুতরগুলো নেন ভাই, খুবই প্রভুভক্ত।
ক্রেতা : তাই নাকি? তা কেমন করে বুঝলেন খুব প্রভুভক্ত?
বিক্রেতা : আমি যতবারই এগুলো বিক্রি করেছি, ততবারই আমার বাড়িতে আবার ফিরে এসেছে।


আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না

এক গরিব লোকের ঘরে চোর এসে আতিপাতি করে খুঁজে নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না। হতাশ হয়ে চোর যখন চলে যাচ্ছে-
লোক : দরজাটা বন্ধ করে যেও।
চোর : দরজা খোলা থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না।


একটি কেকের দাম কত

রুবেল এক দোকানে গেছে কেক কিনতে-
রুবেল : ভাই কেকের দাম কত?
দোকানদার : দুটি কেকের দাম ২৫ টাকা।
রুবেল : তাহলে এই একটি কেকের দাম কত?
দোকানদার : ১৩ টাকা।
রুবেল : ঠিক আছে, ১২ টাকায় অন্য কেকটি দিয়ে দেন।


সব সম্পদের মালিক তো তুমিই

এক বড় চাষির একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করার জন্য ঘটক এক দিনমজুরকে প্রস্তাব দিলেন।
প্রস্তাব শুনে দিনমজুর বলল-
দিনমজুর : আমাকে কয়েকটা দিন সময় দিন। কিছু টাকাপয়সা রোজগার করে নিই।
ঘটক : টাকাপয়সা রোজগারের চিন্তা তোমাকে করতে হবে না। সব সম্পদের মালিক তো তুমিই হবে। এমনকি বাপ হওয়ার জন্যও তোমার পাঁচ মাসের বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। সবকিছু তৈরিই আছে।


গত রাতে নিশ্বাস নিতে ভুলে গেছিলেন

বাড়ির মালিক মারা গেছেন। চাকর হাউমাউ করে কাঁদছে। প্রতিবেশীরা এসে জিজ্ঞেস করল, ‘কী হয়েছিল তোমার মালিকের?’
চাকর জবাব দিল, ‘ভারি ভুলোমনা মানুষ ছিলেন তিনি। বোধ হয় গত রাতে নিশ্বাস নিতে ভুলে গেছিলেন।’


পাপ ধুয়ে ফেলা

সাধুবাবা তার অনুসারীদের নিয়ে বঙ্গোপসাগরে গেছেন স্নানের জন্য। উদ্দেশ্য পাপ ধুয়ে ফেলা। গোসল শেষ করে সবাই উঠলো কিন্তু সাধুবাবার ওঠার কোন নাম নেই।
তা দেখে একজন বলল, ‘কি সাধুবাবা, আপনি উঠছেন না কেন?’
সাধুবাবা উত্তরে বললেন, ‘বৎস, পাপ ধোয়ার সাথে সাথে গামছাটাও যে চলে যাবে তা ভাবতেই পারিনি।’


টয়লেট পরিষ্কার করি

একদিন ছেলে বসে পড়ছিল তখন বাবা ছেলের পাশে বসল-
বাবা : তুই সারাদিন এমন চুপচাপ থাকিস কেন?
ছেলে : কেন বাবা আমি তো কথা বলি।
বাবা : তোকে অযথা এত বকাঝকা করি অথচ কিছু বলিস না। প্রতিবাদ করিস না।
ছেলে : কেন বাবা, আমি তো প্রতিবাদ করি।
বাবা : কই করিস? আমি যে দেখি না।
ছেলে : কেন বাবা, তুমি বকা দিলে আমি টয়লেটে যাই।
বাবা : টয়লেটে গেলে কি রাগ কমে? টয়লেটে গিয়ে কি করিস?
ছেলে : টয়লেট পরিষ্কার করি।
বাবা : টয়লেট পরিষ্কার করলে কি রাগ কমে?
ছেলে : কেন আমি তোমার দাঁত পরিষ্কার করার ব্রাশ দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার করি।


নুন দিলে তো কথাই নেই

কলম মিয়ার মুলার ক্ষেত পোকায় খেয়ে শেষ করে দিচ্ছে। তাই সে গেল কৃষি বিশেষজ্ঞের কাছে।
কলম মিয়া : ডাক্তার সাব, আমার মুলার ক্ষেত তো পোকায় খেয়ে শেষ করে দিল। এখন কী করি?
কৃষি বিশেষজ্ঞ : আপনি এক কাজ করুন। পুরো ক্ষেতে লবণ ছিটিয়ে দিন।
কলম মিয়া : আহা! কী পরামর্শ? নুন ছাড়াই খেয়ে শেষ করি ফেইলছে আর নুন দিলে তো কথাই নেই।


আপনি মা হতে যাচ্ছেন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিক সংকট দেখা দিলে কর্তৃপক্ষ নিয়ম করে দেয়, প্রতি পরিবার থেকে একজন তরুণকে যুদ্ধে অংশ নিতে হবে। জর্জ কোনো ভাবেই যুদ্ধে যাবে না।

মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষার জন্য যখন তার ডাক পড়ল, তখন সে তার গার্লফ্রেন্ডের ইউরিন স্যাম্পল নিজের ইউরিন স্যাম্পল বলে আর্মি হাসপাতালে জমা দিয়ে দিল। তার বান্ধবীর ছিল ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে সে আনফিট ঘোষিত হবে এবং তাকে যুদ্ধে যেতে হবে না।

পরদিনই ঐ তরুণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পেল। কনগ্রাচুলেশন! আপনি অবিলম্বে আমাদের গাইনি বিভাগে যোগাযোগ করুন। কারণ আপনি মা হতে যাচ্ছেন।

পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি

এক বৃদ্ধ লোকের একটি বড় ফার্ম হাউজ ছিলো। ফার্ম হাউজের পেছনে একটা বড় মাছের পুকুর ছিলো। সে সেটাকে কেটে গভীর করলো, কিছু পিকনিক টেবিল বসালো এবং কিছু গাছপালা লাগালো যাতে এটাকে একটা পিকনিক স্পট বানানো যায়।

একদিন বিকালে লোকটি পুকুরের অবস্থা দেখার জন্য চললো। তার হাতে ছিলো একটা বালতি। পুকুরের কাছে আসতেই তার নজরে পড়লো কিছু নারীকণ্ঠ। আরেকটু এগোতেই সে দেখলো স্বল্পবসনা কিছু মেয়ে পুকুরের পাশে হাসি-আনন্দ করছে।

বৃদ্ধ ভাবলো, হয়তো তারা পাশের কোন বাড়ি থেকে এসেছে। নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য সে গলা খাঁকাড়ি দিলো। তার আওয়াজ শুনে মেয়েরা সবাই গলাপানিতে নেমে গেলো। একজন বললো, ‘চাচা, আপনি এখান থেকে না গেলে আমরা উঠবো না।’

বৃদ্ধ বললো, ‘আমি তোমাদের শরীর দেখার জন্য এখানে আসিনি। আমি পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি।`


প্যান্টটিও ধুতে হবে

মিলিটারিদের সাহস পরীক্ষা করছে তাদের প্রধান। এক মিলিটারিকে দূরে দাঁড় করিয়ে রেখে মাথায় লেবু রেখে বন্দুক দিয়ে সেই লেবুটিকে গুলি করল।

মিলিটারিটি একদম নড়ল না। লেবুটি ফেঁটে গিয়ে তার শার্টটিকে নষ্ট করে দিল। তাদের প্রধান তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বললেন-
প্রধান : সাবাস, এই টাকা দিয়ে সাবান কিনে শার্টটি ধুয়ে নিও।
মিলিটারি : তাহলে আরোও ৫০ টাকা দিন, প্যান্টটিও ধুতে হবে।


সেভ করা শুরু করলো

জসিমের সেভ করা দরকার। তাই সে তার পাড়ার নাপিতের কাছে গেল। নাপিত কেবল জসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে, এমন সময় জসিম বলল, ‘আমার গালটা একটু ভাঙা, তাই মসৃণ সেভ হয় না, দয়াকরে খুব সাবধানে মসৃণ সেভ করে দাও।’

নাপিত তখন একটা কাঠের ছোট গোল বল জসিমের গালের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল, তারপর সেভ করা শুরু করলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই জসিম বুঝতে পারল, আসলেই খুব ভালো ও মসৃণ সেভ হচ্ছে। গালের ভিতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় জসিম বলল, ‘খুব ভালো। কিন্তু এখন যদি আমি বলটি গিলে ফেলি তাহলে কী হবে?’

নাপিত একটুও বিচলিত না হয়ে বলল, ‘ওইটা কোনো ব্যাপার না, সবাই যেমনে পরের দিন ফিরত দিয়া যায়, আপনেও কাইলকা আইসা ফিরত দিয়া যাইয়েন।’


গাড়ির বদলে একটা নতুন গাড়ি

এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ি দুর্ঘটনায় একেবারে চুরমার হয়ে গেছে। তিনি তার গাড়ি যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকা দাবি করলেন। কোম্পানির ম্যানেজার বললেন-
ম্যানেজার : আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না। আপনাকে গাড়ির বদলে একটা নতুন গাড়ি দেয়া হবে।
ভদ্রলোক : আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা, সে মরে গেলেও কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন?

Bangla jokes for fun, Mojar jokes, excellent funny jokes, Gopal varer golpo, matal jokes provided by mojarjokes.com


পিঁপড়ারা বুঝতে না পারে

একজন মুদির দোকানে গেছে চিনি কিনতে। দোকানদার প্যাকেট করতে যাচ্ছিল এমন সময়…
ক্রেতা : সেকি! আমি তো আপনাকে চিনি দিতে বলছি। আপনি আমাকে লবণ দিচ্ছেন কেন?
বিক্রেতা : কই! আমি তো আপনাকে চিনিই দিচ্ছি।
ত্রেতা : তাহলে বস্তার গায়ে ‘লবণ’ লেখা রয়েছে কেন?
বিক্রেতা : যাতে করে পিঁপড়ারা বুঝতে না পারে!


ট্রেনের ডানপাশে যাচ্ছে সিলেট আর বামপাশে যাচ্ছে চট্টগ্রাম

কোনো এক যাত্রী সিলেটগামী ট্রেনের পরিবর্তে চট্টগ্রামের ট্রেনে উঠে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর ট্রেনের অন্য এক যাত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন—
প্রথম যাত্রী : কোথায় যাওয়া হচ্ছে ভাই?
দ্বিতীয় যাত্রী : সিলেট।
প্রথম যাত্রী : বিজ্ঞানের কী বিস্ময় দেখুন, একই ট্রেনের ডানপাশে যাচ্ছে সিলেট আর বামপাশে যাচ্ছে চট্টগ্রাম।


আয়নাটার দাম কত

মেয়ে : আয়নাটার দাম কত?
দোকানদার : ৩শ’ টাকা!
মেয়ে : এত দাম কেন? এটার মধ্যে কি কোন বিশেষ গুণ আছে?
দোকানদার : হ্যাঁ, অবশ্যই। এই আয়না ১শ’ তলা বিল্ডিংয়ের ওপর থেকে ছেড়ে দিলে ৯৯ তলা পর্যন্ত ভাঙবে না!
মেয়ে : ওয়াও, তাহলে এটা প্যাক করে দিন!


ডেডবডি আগের স্টেশনে নামিয়ে নিয়ে গেল

এক যাত্রী ট্রেনের অ্যাটেন্ডেন্ট লালুকে ১০০ টাকা দিয়ে বলল-

যাত্রী : আরেকটু বরফ আনো তো, লাস্ট পেগটা মারি।
লালু : আর তো বরফ পাওয়া যাবে না স্যার।
যাত্রী : কেন?
লালু : ডেডবডি আগের স্টেশনে নামিয়ে নিয়ে গেল যে।


ব্যাটাছেলের কাপড়ই ছিল

বিচারক : চুরি করার সময় একবারও তোমার স্ত্রী আর মেয়ের কথা মনে হয়নি?
চোর : হয়েছে, হুজুর।
বিচারক : তারপরও চুরি করলে কেন?
চোর : কিন্তু দোকানটায় শুধু ব্যাটাছেলের কাপড়ই ছিল।

 

 

সোনার মূল্য দ্বিগুণ || bangla funn jokes

 


সোনার মূল্য দ্বিগুণ

মালিক তার কর্মচারীটিকে বোকাসোকাই জানত। আর তাই-
মালিক : আমি বাইরে যাচ্ছি, যদি কোনো ক্রেতা আসে তাহলে বলবি, সোনার মূল্য দ্বিগুণ।
কর্মচারী : জি, ঠিক আছে।

কিছুক্ষণ পর মালিক এসে-
মালিক : আমি যেমন বলেছিলাম তেমন করেছিস তো।
কর্মচারী : হ্যাঁ, এক লোক সোনা বিক্রি করতে এসেছিল। সে এক ভরি ৪৪ হাজার টাকা চাইল। আমি বললাম, ৮৮ হাজারের এক টাকাও কম দেয়া সম্ভব না।

*** ১০ ভরি কিনে ফেলেছি


মরার পরে আমাদের নাম রাখা হয়

একটি মুরগির বাচ্চা লাফাতে লাফাতে এসে মাকে জিজ্ঞেস করল-
বাচ্চা : মা, মানুষের জন্ম হলে তাদের বাবা-মায়েরা কত নাম রাখে। কিন্তু আমাদের নাম নেই কেন?
মুরগি : আমাদেরও নাম রাখা হয় বাবা, তবে মরার পর। মরার পরে আমাদের নাম রাখা হয়।
বাচ্চা : কী নাম রাখা হয়?
মুরগি : চিকেন টিক্কা, চিকেন কাবাব, চিকেন পাকোড়া, চিকেন পক্স, চিকেন কোরমা, চিকেন তন্দুরি ইত্যাদি! আর যে মুরগি মানুষে মারার আগে নিজে নিজে মরে যায়, তার নাম দেয় মরা মুরগি।


দু’টো পাথর চিবোতে পারেন না

শাশুড়ি : তোমার দু’টো চোখ আছে কী করতে? চাল থেকে দু’টো পাথর বাছতে পার না? রোজ খেতে বসে একই জিনিস দাঁতে লাগে।
বউ : আপনার বত্রিশটা দাঁত আছে কী করতে? দু’টো পাথর চিবোতে পারেন না?


২ চাকার জন্য পার্কিং

কিসলু একদিন নিজের অটোরিকশায় করে প্রেমিকা মলিকে নিয়ে শপিং মলে ঘুরতে গেছে। পার্কিংয়ে গাড়ি দাঁড় করিয়ে কিসলু অটোর একটা চাকা খুলতে শুরু করল-
মলি : অটোর চাকা খুলছ কেন?
কিসলু : দেখতে পাচ্ছ না এখানে লেখা আছে ২ চাকার জন্য পার্কিং?


ইয়ারকি মারার মুডে থাকে তখন

মেয়ে : আচ্ছা দাদা, ভালোবাসা কখন হয়?
ছেলে : যখন রাহু, কেতু এবং শনির দশা চলে, সঙ্গে মঙ্গলও খারাপ আর ভগবান তোমার সঙ্গে ইয়ারকি মারার মুডে থাকে তখন!


ডিভোর্সের ঘটনা ঘটতো না

আদালতে প্রেমের বিয়ের ডিভোর্সের মামলা চলছে-
১ম আইনজীবী: প্রেমের সময়ে ছেলেরা যতটা আন্তরিক থাকে, বিয়ের পরে যদি তার অর্ধেকও থাকতো। তবে এত ডিভোর্সের ঘটনা ঘটতো না, স্যার।
২য় আইনজীবী: বিয়ের পরে মেয়েরা যে আচরণ করে; বিয়ের আগে যদি তার এক চতুর্থাংশও করতো, তাহলে কিন্তু স্যার, প্রেমের সূত্রে কোনো বিয়েই আর হতো না।


আপনাকে ৪০ টাকাই দিতে হবে

চিঠি পোস্ট করতে পোস্ট অফিসে গেছে নিতু-
কর্মকর্তা : চিঠিটা যদি দ্রুত পৌঁছাতে চান, খরচ পড়বে ৪০ টাকা। আর যদি স্বাভাবিক নিয়মেই পাঠাতে চান, তাহলে খরচ পড়বে ৫ টাকা।
নিতু : সমস্যা নেই, আমার তেমন কোনো তাড়া নেই। প্রাপক তার জীবদ্দশায় চিঠিটা পেলেই হলো।
কর্মকর্তা : তাহলে আপনাকে ৪০ টাকাই দিতে হবে!


ট্রেন দুর্ঘটনা দেখার শখ

রেলওয়েতে চাকরির ইন্টারভিউ হচ্ছে। একটি চটপটে ছেলেকে সবার পছন্দ হল। চেয়ারম্যান একটু যাচাই করে নিতে চাইলেন-
চেয়ারম্যান : ধর, একটা দ্রুতগামী ট্রেন আসছে। হঠাৎ দেখলে লাইন ভাঙা। ট্রেনটা থামানো দরকার। কী করবে তুমি?
প্রার্থী : লাল নিশান ওড়াব।
চেয়ারম্যান : যদি রাত হয়?
প্রার্থী : লাল আলো দেখাব।
চেয়ারম্যান : লাল আলো যদি না থাকে?
প্রার্থী : তা হলে আমার বোনকে ডাকব।
চেয়ারম্যান : বোনকে! তোমার বোন এসে কী করবে?
প্রার্থী : কিছু করবে না। ওর অনেক দিনের শখ একটা ট্রেন দুর্ঘটনা দেখার!


৩২টা ঘুসি মেরে পেয়েছি

পাপ্পু একবার এক দোকানে গেছে রেসলিং এ জয়ী হওয়া ঘড়ি ঠিক করার জন্য-
পাপ্পু : আমি আমার এই ঘড়িটা ঠিক করতে চাই। কত টাকা লাগবে?
দোকানদার : আপনি যা দিয়ে কিনেছেন তার অর্ধেক দিলেই চলবে।
পাপ্পু : আমি ঘড়িটা ৩২টা ঘুসি মেরে পেয়েছি। তো কয়টা দিতে হবে?


মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড

হঠাৎ বাসায় কলিংবেল। গৃহকর্ত্রী গেলেন দরজা খুলতে। খুলেই তিনি অবাক, এক কাজের বুয়া দাঁড়িয়ে আছে।
গৃহকর্ত্রী : কে আপনি?
মহিলা : আপা, আমি আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড। গতকাল আপনি একটা স্ট্যাটাস দিলেন যে, আপনার বাসার কাজের বুয়া চইলা গেছে। সেইটা দেখার পর আমি আমার আগের বাড়ির কাজ ছাইড়া আপনার বাড়ি চইলা আইলাম।
গৃহকর্ত্রী : বাসার ঠিকানা কোথায় পেলে?
মহিলা : আপা, আপনার ছেলে দিছে। ও আবার আমার মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড।


তার অনেকগুলো গার্লফ্রেন্ড

এক ছেলেকে তার মা বলছেন-
মা : খারাপ ছেলেদের সাথে মিশবি না।
ছেলে : ঠিক আছে মা।

এরপর থেকে ছেলেটি আর ছেলেদের সাথে মেশে না। কেননা সে তার মায়ের কথা রাখছে।
কিছুদিন পর তার মা দেখলেন, এখন তার অনেকগুলো গার্লফ্রেন্ড।

শপিং কমপ্লেক্স কখন খুলবেন

 

শপিং কমপ্লেক্স কখন খুলবেন

ঈদের দিন একেবারে ভোরবেলা শপিং কমপ্লেক্সের দারোয়ানের কাছে ফোন এলো-
অপরপ্রান্ত : ভাই, আপনাদের শপিং কমপ্লেক্স কখন খুলবেন?
দারোয়ান : স্যার আজ তো ঈদের দিন। আজ আর খোলা হবে না। একেবারে ঈদের তিন দিন পর খুলব।
অপরপ্রান্ত : প্লিজ ভাই, আজকে কি একটু খোলা যায় না, মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য? ফোনের ওপাশ থেকে করুণ মিনতি ভেসে এলো।
দারোয়ান : কেন ভাই, আপনার কী এমন জরুরি দরকার? এই ঈদের দিনে আবার কী কিনবেন?
অপরপ্রান্ত : না ভাই, কিছু কিনব না। শপিং কমপ্লেক্স থেকে বের হবো। কাল রাতে বউ-বাচ্চা নিয়ে শপিং করতে এসে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।


গাড়ির ব্রেকটা ঠিক করাবো

আজিজ মিঞার কারখানায় আগুন লেগেছে। তিনি খবর দিলেন দমকলকর্মীদের। চটজলদি হাজির হলো দমকল বাহিনী। কারখানার সামনের ছোট গলিটার দু’পাশের দোকানগুলো ভেঙে, সদর দরজা গুঁড়িয়ে দিয়ে, দেয়াল ভেঙে সোজা অগ্নিকুণ্ডের স্থলে গিয়ে থামল গাড়ি! প্রচণ্ড ঝাঁকি খেয়ে গাড়ির পেছনে রাখা পানির ট্যাংকিটা ছিটকে গিয়ে পড়ল আগুনে। ব্যস, নিভল আগুন।

দমকলকর্মীদের তৎপরতা দেখে ভীষণ খুশি আজিজ। তিনি দমকল বাহিনীর প্রধানের হাতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার তুলে দিলেন। জিজ্ঞেস করলেন-
আজিজ : এই টাকা দিয়ে আপনারা কী করবেন বলুন তো?
বাহিনীর প্রধান : প্রথমেই গাড়ির ব্রেকটা ঠিক করাবো!


শক্তিশালী মশা, খাটে ছারপোকা

হোটেল ম্যানেজার : স্যার, রাতে ভালো ঘুম হয়েছে তো?
বোর্ডার : খুব! আপনার হোটেলের মশা এমন শক্তিশালী যে আমার প্রায় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তবে ভাগ্যিস খাটে ছারপোকা ছিল। ওরা আমাকে টেনে ধরে না রাখলে সকালে আমাকে হয়তো অন্য কোথাও পেতেন।


ছেলের কামাই-রোজগার বেশ ভালো

আধুনিক বিয়ে-শাদির কথাবার্তা চলছে-
মেয়েপক্ষ: শুনলাম ছেলে নাকি নেশাপানি করে খুব?
ছেলেপক্ষ: তা একটু আধটু… আমার ছেলে স্বভাবে-আচরণে কিন্তু খুবই ভালো। মিথ্যে বলবো না আপনাদের, মানে ও আজকাল একটু বেশিই… রোজ তিন-চার পেগ… তবে রাতের বেলায়…
মেয়েপক্ষ: এই বিয়ে পাক্কা। ছেলে পছন্দ হয়েছে আমাদের। বোঝা যাচ্ছে, ছেলের কামাই-রোজগার বেশ ভালো।


এত চকলেট খেয়ো না

চকলেটের দোকানে খোকার সঙ্গে দেখা হলো এক ভদ্রলোকের-
ভদ্রলোক : খোকা, এত চকলেট খেয়ো না। খেলে তোমার দাঁতে পোকা হবে, পেট খারাপ হবে, অল্প বয়সেই নানা রোগবালাই ধরবে।
খোকা : আপনি বুঝি অনেক দিন বাঁচতে চান?
ভদ্রলোক : অবশ্যই।
খোকা : আমার দাদির বয়স ১০৭ বছর।
ভদ্রলোক : তোমার দাদি নিশ্চয়ই ছোটবেলায় এত বেশি চকলেট খেতেন না।
খোকা : সেটা জানি না। তবে দাদি কখনোই অন্যের ব্যাপারে নাক গলান না।

Jokes bangla, Mojar funny jokes, Ectream funny jokes, nasiruddin hojja jokes, doctor-patient jokes provided by mojarjokes.com


আমাকে পুরস্কার দেয়ার মতো ভাঙতি টাকা

রমার হাতব্যাগটা হারিয়ে গিয়েছিল। ব্যাগটা পেয়ে ফেরত দিতে এলো বিল্লাল-
রমা : আশ্চর্য। আমি যখন ব্যাগটা হারিয়েছি, তখন ভেতরে একটা ৫০০ টাকার নোট ছিল, এখন ভেতরে ১০টা ৫০ টাকার নোট- এটা কেমন করে সম্ভব!
সিফাত : সম্ভব। কারণ, এর আগে যখন আমি একজনের ব্যাগ ফেরত দিতে গিয়েছিলাম, তার কাছে আমাকে পুরস্কার দেয়ার মতো ভাঙতি টাকা ছিল না!

অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার

 


অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার

বস: অফিসে যেসব পুরুষ অধিক সময় কাটায়, হামেশা ওভারটাইম করে তারা আসলে খুব পরিশ্রমী। এদের স্ত্রীরা খুব সুখী।
বল্টু: না স্যার! আসল কারণ হইলো- হয় বাড়িতে এরা সারাক্ষণ বউয়ের নির্যাতনের শিকার নয়তো অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার।


তুমি অবশ্যই আমেরিকান

এক পাগল এক চাইনিজকে জিজ্ঞেস করছে-
পাগল : তুমি কি আমেরিকান?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : তুমি আমেরিকান না?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : মিথ্যা বলছ, তুমি অবশ্যই আমেরিকান।
চাইনিজ : হ্যাঁ বাবা। আমি আমেরিকান। খুশি?
পাগল : কিন্তু চেহারা দেখে তো মনে হয় তুমি চাইনিজ।


ওটা লন্ড্রির দোকান

এক লোকের স্ত্রী বেড়াতে এসে এক জায়গায় একটা সাইনবোর্ড দেখল। তাতে লেখা- ‘বিশাল মূল্য ছাড়। সিল্কের শাড়ি ১০ টাকা, জামদানি ৮ টাকা ও সুতি শাড়ি ৫ টাকা’ দেখে সে তার স্বামীকে বলল-
স্ত্রী : দেখো জান, কী বিশাল ডিসকাউন্ট, অবিশ্বাস্য। এখনই আমাকে ৩০০ টাকা দাও। ইচ্ছেমতো শাড়ি কিনে আনি।
স্বামী : এতো উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই। ওটা লন্ড্রির দোকান।


এই গুণটা থাকা কী বাধ্যতামূলক

ক্রিসমাসের আগে এক সান্তাক্লজ হোয়াইট হাউসে ওবামার সাথে দেখা করতে গিয়েছে-
ওবামা : আপনার জীবনের একটি ইচ্ছের কথা বলুন।
সান্তাক্লজ : আমি আগামীবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াতে চাই।
ওবামা : আপনি কী পাগল হয়েছেন?
সান্তাক্লজ : এই গুণটা থাকা কী বাধ্যতামূলক?


সম্পর্ক তো আমার চেয়ে অনেক বেশি

বল্টু তার বড় ভাইকে বলছে-
বল্টু: প্লিজ, মার কাছে সিনেমার পয়সা চাও।
ভাই : তুই চা না! মা তো শুধু আমার না, তোরও।
বল্টু: তা বটে, তবে তার সঙ্গে তোমার সম্পর্ক তো আমার চেয়ে অনেক বেশি দিনের, ঠিক না?


ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গেল এইমাত্র

নদীর পাড়ে ছবি তুলছে ফটোগ্রাফার। এক মহিলা ছুটে এলো তার দিকে-
মহিলা : জলদি আমার সঙ্গে চলুন, প্লিজ! আমার বান্ধবী পানিতে ডুবে যাচ্ছে।
ফটোগ্রাফার : ইস! একটু আগে যদি বলতেন! আমার ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গেল এইমাত্র!


মাঝে-সাঝে মাথাটাও কাজে লাগাও

মাথায় মারাত্মক আঘাত নিয়ে বল্টু গেছে ডাক্তারের কাছে-
বল্টু: ডাক্তার, তাড়াতাড়ি কিছু করো! আহ্, শেষ হয়ে গেলাম!
ডাক্তার: কীভাবে এমন হলো!
বল্টু: আর বলো না। বাড়ির কাজের জন্য পাথর দিয়ে ইট ভাঙছিলাম। সামনে দিয়ে এলাকার স্কুলের মাস্টার যাচ্ছিল। সে বলল, ‘বল্টু, মাঝে-সাঝে মাথাটাও কাজে লাগাও’।
ডাক্তার: তো কী হয়েছে?
বল্টু: তার কথামতো পাথরের বদলে মাথা দিয়ে ইট ভাঙার চেষ্টা করলাম।


আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো

নারী: হ্যালো! এটা কি কাস্টমার কেয়ার?
কর্মকর্তা: হ্যাঁ, ম্যাডাম বলুন। আমরা কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
নারী: বলছি আমার ছেলেটা আমার সিমটা খেয়ে ফেলেছে।
কর্মকর্তা: দেখুন, আপনি ওকে ইমিডিয়েট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, এখানে ফোন করে সময় নষ্ট করছেন কেন?
নারী: না, আমি বলছিলাম আমার সিমটাতে ২০০ টাকার টকটাইম আছে।
কর্মকর্তা: তাতে কি?
নারী: যতক্ষণ না পর্যন্ত সিমটা বের করা হচ্ছে; ততক্ষণ আমার ছেলেটা যদি কথা বলে তাহলে আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো!


সিভিতে উল্লেখ কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতার

প্রশ্নকর্তা: আপনি সিভিতে উল্লেখ করেছেন- কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতারে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। চাকরি তো করবেন অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে। তার ওপর কোমর পানিতে-নোংড়া পানিতে সাঁতার! এসব কী! সিভিতে কেউ এ কথা লেখে?
বল্টু: স্যার, আমি আসলে বোঝাতে চেয়েছি- ঢাকায় ঝুম বৃষ্টি হলেও অফিসে পৌঁছাতে অসুবিধা হবে না আমার!
প্রশ্নকর্তা: সরি, আপনাকে ভুল বোঝার জন্য! আপনি আজই জয়েন করুন! আপনার মতো লোকই তো খুঁজছিলাম এতদিন!


আজ আমাদের রুটি ছিল না

এক লোক রেস্টুরেন্টের সামনে একটি অদ্ভুত বিজ্ঞাপন দেখে দাঁড়াল। বিজ্ঞাপনে লেখা আছে, ‘আমরা যদি আপনার অর্ডার অনুযায়ী খাবার দিতে ব্যর্থ হই তাহলে আপনাকে ৫০০ টাকা দেয়া হবে।’

লোকটা ভেতরে ঢুকতেই ওয়েটার এল। সে তাকে এক গ্লাস বাঘের দুধ আর দু’টি রুটি দিতে বলল। ওয়েটার অর্ডার লিখে কিচেনে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যানেজার পাঁচটি ১০০ টাকার নোট নিয়ে ফিরে এল।

টাকাগুলো টেবিলে রেখে বলল, ‘এই নিন আপনার টাকা। গত ১০ বছরে এই প্রথম আজ আমাদের রুটি ছিল না।’

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি



 

 একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি

 বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!

সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

 

ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স

জুতা পছন্দ করতে গিয়ে দোকানের প্রায় সব ডিজাইন উল্টেপাল্টে দেখছেন লাবনী। এতে জুতার শো-রুম একেবারে তছনছ হয়ে গেল। কিন্তু পছন্দ হলো না একটিও। এ সময় তার নজর পড়ল অন্যরকম একটি বাক্সের ওপর-
লাবনী : ওই বক্সটা একটু দেখান, প্লিজ। ওটার ভেতরে যে ডিজাইনটা আছে, তা দেখবো।
দোকানদার : দয়া করেন আপা, ওইটা আর দেখতে চাইবেন না!
লাবনী : এটা কেমন কথা! কাস্টমার দেখতে চাচ্ছে।
দোকানদার : আপা, ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স!

খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে

ওসি: ক্রেডিট কার্ড হারানোর সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্ট করেননি কেন?
মন্টু: কার্ডটা চুরি হওয়ার পর দেখলাম চোর আমার বউয়ের থেকে কম খরচ করছে,
ওসি: এখন রিপোর্ট করাতে আসছেন কেন?
মন্টু: এখন মনে হচ্ছে কার্ডটা এবার চোরের বউয়ের হাতে পড়েছে, খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে।

হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না

পল্টু ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল-
পল্টু: স্যার, আঙুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তাহলে স্যার কতদিন পরে উঠবে?
অফিসার: একবছর পর যাবে।
পল্টু: তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার?
অফিসার: কেন?
পল্টু: চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না।


তোর ভাবির সাথে

একদিন হাবলু হঠাৎ তার ভাবিকে ধরে প্রচুর মারধর করতে লাগল! সবাই অবাক হয়ে হাবলুকে থামালো আর জিজ্ঞেস করল-
প্রতিবেশী : তুমি তোমার ভাবিকে মারছ কেন?
হাবলু : আমার ভাবি ভালো মহিলা না!
প্রতিবেশী : তুমি কীভাবে বুঝলা?
হাবলু : আর বইলেন না! আমি আমার যেই বন্ধুকেই ফোনে কথা বলতে দেখে জিজ্ঞেস করি, কার সাথে কথা বলিস? সেই বন্ধুই উত্তর দেয়, তোর ভাবির সাথে!


ছেলেকে পিটানোর জন্য না

মা: বজ্জাত ছেলে কোথাকার! এতবার বলি, তারপরেও সোফায় শুয়ে থাকিস। আজ জুতিয়ে তোকে সিধা করবো,
বল্টু: মা! মা! আর হবে না এমন এবারের মতো,
মা: আর হবে না কেন? তুই আবার করবি এই কাজ! সোফা হচ্ছে বসার জন্য, এটা তো শোয়ার জন্য না,
বল্টু: মা, স্যান্ডেলও তো পায়ে দেওয়ার জন্য, ছেলেকে পিটানোর জন্য না!


এবার মাফ করেন

এক ফকির পিচ্চি মেয়েকে বলছে-
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটা।
পিচ্চি : আমি বেটা না, বেটি।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটি।
পিচ্চি : আমার নাম স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে স্বর্ণা।
পিচ্চি : আমার পুরা নাম নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
পিচ্চি : হ্যাঁ, এখন ঠিক আছে! এবার মাফ করেন।

 

 

আজকের কৌতুক : মুরগির বয়স জানার উপায় কী?

 


মুরগির বয়স জানার উপায় কী?
বিকেলে জঙ্গলের মধ্যে দুটি শেয়ালের কথোপকথন। শিশু শেয়াল প্রশ্ন করল বয়স্ক শেয়ালকে—
শিশু: মুরগির বয়স জানার উপায় কী?
বয়স্ক: দাঁতের মাধ্যমে।
শিশু: কিন্তু মুরগির তো দাঁত নেই।
বয়স্ক: আমাদের তো আছে।

পেছন পেছন দৌড়াতে হবে
এক কুকুর বলছে আরেক কুকরকে—
প্রথম কুকুর: চলো না, ঘুরতে বেরোই! পথে এটা-ওটা শুঁকব, এটা-ওটা খুঁজব, চাটব… চলো না! বেকার বসে থাকতে আর ভালো লাগছে না।
দ্বিতীয় কুকুর: না রে, ভাই, আজ যেতে পারব না। অনেক কাজ আছে।
প্রথম কুকুর: কী কাজ?
দ্বিতীয় কুকুর: আমার মালিক আজ তার জমিতে সার দেবেন। আমাকে তার পেছন পেছন দৌড়াতে হবে।

****

প্রেমিকার খোঁজে হাতির বাসায় মশা
হাতির বাসায় হঠাৎ কলিং বেল বাজল। দরজা খুলল হাতি। দেখল একটি মশা দাঁড়িয়ে আছে—
মশা: হস্তিনী বাসায়?
হাতি: না। বাইরে গেছে।
মশা: ঠিক আছে। ফিরলে বলো, তার বয়ফ্রেন্ড এসেছিল।

 

ঘরে বান্ধবী এসেছে। আমি রান্নাঘরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম


 

ঘরে বান্ধবী এসেছে। আমি রান্নাঘরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম। . . . . না নাড়ালে কড়াই তে চিকেন টা ধরে যেত যে। ফিরে দেখি বান্ধবী খুলে বসে আছে আমার জন্য । 

 . . . . বিয়ারের বোতল টা। আমিও তাই দেখে প্যান্ট থেকে আমার জিনিস টা বের করে ওর হাতে দিতেই ও টানতে শুরু করল... . . . . সিগারেট । বান্ধবী বলল একবার করবি নাকি? . . . আমি বললাম - হ্যাঁ। ও সাথেসাথে বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল ’’টেপ“ । . . . . . . আমিও ওর মোবাইল নিয়ে কিপ্যাড টিপে ফোন করলাম আমাদের তৃতীয় বন্ধু কে। ফোন ধরে ও বলল ‘আ.. আঃ... আঃ.. আঃ.. . . . আচ্ছি’.. খুব বেরোচ্ছে নাক দিয়ে। ঠান্ডায় কাবু। যাচ্ছি এখুনি। ফোন ছেড়ে দেখি বান্ধবী আমার সাধের জিনিস টা চুষছে। . . . . . আমি হতাশ। ফ্রীজে স্টিক আইসক্রীম রেখেছিলাম। কখন বের করে নিয়েছে বুঝতে পারিনি। ওর খাওয়া দেখতে দেখতে আমার নীচে এসে গেল, তৃতীয় বন্ধু । ওকে ওপরে আসতে বললাম। এর মধ্যে দেখি বান্ধবীর নীচ টা জলে ভরে গেছে। . . . এতবড় হয়ে গেছে অথচ আইসক্রীম খেতে শেখেনি। পুরো মেঝে জলে ভরে গেছে। ওদিকে আমাদের বন্ধু ঘরে ঢুকেই ওর ভেজা জিনিস টা গুঁজে দিয়েছে আমার পেছনের দরজায়। বলল “ বৃষ্টি হচ্ছে, তাই ছাতা নিয়ে এলাম। ” বান্ধবী কে বলল ’তোরা করেছিস’? বান্ধবী বলল হ্যাঁ, আমরা দুজনে করেছি, তুমিও করে নাও চটপট। বলেই .. . খুলে দিল.. . . . .ফ্রীজ। এতেই রাখা আছে ব্রেকফাস্ট । আমি ভেতরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম আবার .

 . . . . চিকেন টা। এসে শুনি বন্ধু বলছে বান্ধবী কে ’ ঢুকছে? . . বান্ধবী বলল ‘হ্যাঁ, ঢুকছে। আর একটু চেপে ঢোকাও। . . বন্ধু চেপে ঢুকিয়ে বলল ‘ব্যাথা লাগছে নাতো? . . বান্ধবী ’খুব আরাম লাগছে, তোর সত্যি চয়েস আছে। . . . . . . 

একদম ঠিক সাইজের জুতো টা কিনেছিস। থ্যান্কু। এরপর বন্ধু বান্ধবী কে খুলতে বলল। আমি বললাম ও খুলেই রেখেছে, . . . . . বোতল। তুই ড্রিংক শুরু কর। তখনই বান্ধবী শাড়ি তুলতে শুরু করল ব্যালকনি থেকে। বলল বৃষ্টিতে বৌদির শাড়ী গুলো ভিজে যাচ্ছে যে, তুলিসনি? . . . এরপর কিছুক্ষণ আড্ডা মারার পর আমার বৌ এসে ঢুকল। বৌ কে দেখেই আমার বন্ধুর দাড়িঁয়ে গেল...

 . . . . . পা দুটো। সোজা গিয়ে বৌ কে ঠুকে দিল, প্রণাম। আমার বৌ ও সাথেসাথে দুটো বার করে বন্ধুর হাতে ধরিয়ে বলল ভালো করে খাও। একদম গরম আছে। আমাদের বলল তোমরা খাবে? আমি বললাম ’না, . . . . সিঙারা খেলে আমার অম্বল হয়‘। বৌ তখন বলল ’তাহলে রাতে ৪জন একসাথেই করব তো? . . . . . . . ডিনার । সবাই বললাম হ্যাঁ । বৌ ডিনার রেডি করতে চলে গেল আর বান্ধবী ওর দুটো খুলে ফেলল। . . . জুতোজোড়া। তারপর আমরা একসাথে করলাম, . . . . . . . . .i . . ডিনার

 


এক কবুতর একটু নিচু হয়ে উড়ছিল.. হঠাৎ এক গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো , এক লোক তাকে নিয়ে গিয়ে খাঁচায় রাখল। যখন কবুতরের জ্ঞান ফিরল., তখন সে খাঁচার ভিতর নিজেকে দেখে বলল, .. .. ...

"হায় আল্লাহ! আমি জেলে...!! গাড়িওয়ালা কি মারা গেছে নাকি.😂🤣😂

-----------------------


চরম জোকস,,না পড়লে চরম মিসঃ
১) প্রশ্নঃ কোন জিনিসটা করলে, ভিতর থেকে বাচ্চা বের হয়ে আসে ??

উত্তরঃএইটা হচ্ছে স্কুলের ছুটির ঘন্টা।

২) প্রশ্নঃ একটা মেয়ে তার পরনের সব কাপড় ফেলে দিলে এরপর কি হয় ??

উত্তরঃ কি আর হবে ,খালি আলমারি থাকবে ! আপনে কি ভাবছিলেন ?

৩) প্রশ্নঃ বলা হয় , মেয়েদের হাতে নাকি অনেক জাদু আছে ! আসলেই , দেখেন না , ক্যামনে দুই ইঞ্চি জিনিসটারে ছয় ইঞ্চি বানায়া ফেলে !! বলেন তো জিনিসটা কি??

উত্তরঃ এই যে হ্যালো , আমি রুটি বানানোর কথা বলছিলাম।

৪) এমন কি জিনিস যেটা টিপতে যুবক ছেলেরা মজা পায়??

উত্তরঃ কি আর হবে!!! মোবাইল

৫) এমন কি জিনিস যেটা মেয়েদের খুব পছন্দ??

উত্তরঃ টাকারে মামা টাকা। টাকা আছে তো জি.এফ আছে,, টাকা নাই জি.এফও নাই।

৬) এমন কি জিনিস আছে যেটার সামনে মেয়েরা গেলে গরম হয়ে যায়??

উত্তরঃ রান্নাঘরের চুলা। আপনে কি চিন্তা করছিলেন !😂🤣😂

 


--------------------


চরম জোকস,,না পড়লে চরম মিসঃ

এক বাচ্চা ছেলে তার
চাচাকে জিগ্গেস
করছেঃ চাচু,
প্রতিদিন রাত এ
কি চাচী মুরগীদের
খাবার
দিতে যায়?
চাচাঃ না তো,
কেনো?

বাচ্চার উত্তরঃ " প্রতিদিন রাত এ
আমি শুনি যে চাচী

আহ্,উহ্,আহ্,আহ.

করে, তাই
মনে হলো যে তিনি
মুরগীদের
এভাবে ডাকে, খাবার
দেয়ার জন্য.😂🤣😂

শাশুড়িকে হিট করতে পারবে

 


শাশুড়িকে হিট করতে পারবে

এক ক্রিকেটার নিজের উন্নতিতে বেশ অভিভূত। তাই এক খেলায় তিনি তাঁর শাশুড়িকে খেলা দেখার দাওয়াত দেন। ব্যাট হাতে ক্রিজে গিয়ে তিনি বেশ নার্ভাস বোধ করেন।
তখন পেছনের উইকেট কিপারকে বলেন, ‘আমার খুব দুশ্চিন্তা হচ্ছে, এই বলটি আমি ঠিকমতো হিট করতে পারব কি না? গ্যালারিতে আমার শাশুড়ি বসে আছেন।’
উত্তরে উইকেট কিপার বললেন, ‘আমি বাজি ধরে বলতে পারি, তুমি কোনোদিনও অতদূরে তোমার শাশুড়িকে হিট করতে পারবে না।’


মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিং

দুর্দান্ত কাটার মুস্তাফিজের সামনে কোনো ব্যাটসম্যানই টিকতে পারছিল না। ব্যাটসম্যানরা যায় আর আসে। ছয়জন আউট হওয়ার পর সাত নম্বর ব্যাটসম্যান মাঠের দিকে যাচ্ছে।
যাওয়ার সময় প্যাভিলিয়নের গেট দিয়ে বের হয়ে আবার গেটটাকে আটকাতে যাচ্ছিল-
দর্শক : খামোখা কষ্ট করছেন কেন দাদা? একটু পরেই তো আউট হয়ে ফিরবেন, তখন না হয় একেবারে আটকে দেবেন!


তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি

এক খামার মালিক শখ করে একটা জেব্রা কিনে এনেছে আফ্রিকা থেকে। এক ভোরে জেব্রাটা বেরিয়ে এলো তার আস্তাবল থেকে। খামারের ভেতরে ঘুরতে লাগলো সে, আর ভাবতে লাগলো, এখানে তার কাজ কী হতে পারে? প্রথমে তার দেখা হলো একটা মুরগির সাথে-
জেব্রা : সুপ্রভাত। তুমি এখানে কী করো?
মুরগি : সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে ডিম পাড়ি।

এরপর তার দেখা হলো একটা গরুর সাথে-
জেব্রা : সুপ্রভাত। তুমি এখানে কী করো?
গরু : সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে দুধ দিই।

তারপর দেখা হলো একটা ছাগলের সাথে-
জেব্রা : সুপ্রভাত। তুমি এখানে কী করো?
ছাগল : সুপ্রভাত। মালিক আমাকে মেরে আমার মাংস খায়।

জেব্রা কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সামনে এগোলো। এবার তার দেখা হলো একটা ষাঁড়ের সাথে-
জেব্রা : সুপ্রভাত। তুমি এখানে কী করো?
ষাঁড় : সুপ্রভাত। তুমি একটু দাঁড়াও! আমি তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি।


দু’টা কানই কাটা

রিয়াদ সাহেব অফিসের জন্য একজন সহকারী খুঁজছেন। ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রথম প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন-
রিয়াদ সাহেব : দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?
প্রথম প্রার্থী : নিশ্চয়ই স্যার। আপনার তো দু’টা কানই কাটা!
রিয়াদ : বেরো এখান থেকে, ব্যাটা নচ্ছাড়!

দ্বিতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি-
রিয়াদ : দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। তা, আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?
দ্বিতীয় প্রার্থী : জ্বি স্যার। আপনার তো দু’টা কানই কাটা!
রিয়াদ : বেরো এখান থেকে, ব্যাটা ফাজিল!

তৃতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন-
রিয়াদ : দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?
তৃতীয় প্রার্থী : জ্বি স্যার। আপনি কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে আছেন।
রিয়াদ : বাহ, আপনি তো বেশ- তা কীভাবে বুঝলেন?
তৃতীয় প্রার্থী : সোজা স্যার। আপনি চশমা পরবেন কীভাবে? আপনার তো দু’টা কানই কাটা!


এইডা রেল স্টেশন

এক মেয়ে ভুল করে অন্য ট্রেনে উঠে পড়ল। পরের স্টেশনে নেমে এক খোড়া লোককে জিজ্ঞাসা করল-
মেয়ে : এইটা কোন স্টেশন?

কিন্তু হৈ চৈ এর কারণে উত্তর শুনতে না পেয়ে লোকটাকে ধরে টেনে ওয়েটিং রুমে নিয়ে আবার জিজ্ঞাসা করল-
মেয়ে : এইটা কোন স্টেশন?
লোক : একশ’ বার কইরা কইলাম যে, এইডা রেল স্টেশন। আর আপনে বিশ্বাসই করতাছেন না।


আমি আঙুর বিক্রি করি না

আবুল মিঞা ফলের দোকানদার। একদিন তার দোকানে এলেন এক অদ্ভুত ক্রেতা-
ক্রেতা : আমাকে এক কেজি আপেল দিন তো। প্রতিটা আপেল আলাদা আলাদা প্যাকেটে দেবেন।
আবুল মিঞা তা-ই করলেন।

ক্রেতা : হু, এবার আমাকে এক কেজি আম দিন। এ ক্ষেত্রেও প্রতিটা আম ভিন্ন ভিন্ন ঠোঙায় দেবেন।
আবুল মিঞা তা-ই করলেন।

ক্রেতা তখন দেখছিলেন, আবুল মিঞার দোকানে আর কী কী আছে। আবুল চটজলদি দুই হাতে আঙুরগুলো আড়াল করে বললেন, ‘ভাই, আমি আঙুর বিক্রি করি না!’


নৌকা পার হতে ভয় পায়

রজনীকান্ত মহল্লায় ঘুরতে বের হলেন। দেখলেন যে তার এলাকার সীমানায় যে নদী আছে; সেখানে একটা কাঠের ব্রিজ তৈরি হচ্ছে। সে রেগে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ারকে জিজ্ঞেস করলো, ‘কে এই ব্রিজ তৈরির অনুমতি দিয়েছে?’ ইঞ্জিনিয়ার বলল, ‘একজন গায়িকা এদিক দিয়ে যাবে; সে নৌকা পার হতে ভয় পায়। তাই এই ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। তার নাম হচ্ছে…’

রাগান্বিত রজনীকান্ত মুহূর্তে ব্রিজটা ভেঙে ফেলল পুরো কথা না শুনেই। ইঞ্জিনিয়ার দুঃখ করে বলতে লাগলো, ‘তার নাম হচ্ছে ইভা রহমান। তার আরেক জায়গায় কনসার্ট ছিল। এখন তো সে যেতে পারবে না। তার এখন এখানেই কনসার্ট করতে হবে’

রজনীকান্ত এক সেকেন্ডে একটা লোহার ব্রিজ বানিয়ে বলল, ‘নাও. আমি কি মজাও করতে পারব না, তোমরা সবসময় আমাকে এত সিরিয়াসলি নাও কেন?’


আমার টাকা ফেরত দিন

এক ভদ্রমহিলা ভীষণ রেগেমেগে খেলনার দোকানে ঢুকলেন। সঙ্গে নিয়ে আসা খেলনাটা ফেরত দিয়ে বললেন-
ভদ্রমহিলা : আমার টাকা ফেরত দিন! নিয়ে যান এই খেলনা।
বিক্রেতা : কেন, কী হয়েছে? এটা তো খুবই ভালো খেলনা।
ভদ্রমহিলা : এটা ভাঙে না কিন্তু এই খেলনা দিয়ে পিটিয়ে আমার ছেলে বাড়ির অন্য সব খেলনা ভেঙে ফেলেছে।


হবু পুত্র বধূকে দুইটা আইসক্রিম দিন

এক পিচ্চি মেয়ে দোকানদারকে বলছে, `আচ্ছা আঙ্কেল আমি যখন বড় হবো তখন আপনি কি আপনার ছেলের সঙ্গে আমাকে বিয়ে দেবেন?`
দোকানদার হেসে বললো, `হ্যাঁ মামনি, অবশ্যই দেবো।`
মেয়ে : ঠিক আছে, তাহলে আপনার হবু পুত্র বধূকে ফ্রি দুইটা আইসক্রিম দিন!


গার্লফ্রেন্ডই আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে

ভিক্ষুক : স্যার, ২০ টাকা দেন। কফি খাবো।
লোক : কেন? কফিতো ১০ টাকা কাপ।
ভিক্ষুক : সাথে গার্লফ্রেন্ড আছেতো, তাই. . . .
লোক : ভিক্ষুক হয়ে আবার গার্লফ্রেন্ডও বানিয়েছ?
ভিক্ষুক : জ্বি না স্যার। গার্লফ্রেন্ডই আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে।


আলাদিনের চেরাগ

একবার জলি আলাদিনের চেরাগ পেল। ঘষা দিতেই দৈত্য হাজির…

অতঃপর জলির তিনটি ইচ্ছা–

১ম ইচ্ছা, আমাকে অনেক ধৈর্যশীল করে দাও।

২য় ইচ্ছা ,পৃথিবীর যত প্যাচ আর কুটনামি শেখার এবং বোঝার ক্ষমতা দাও।

৩য় ইচ্ছা, এমন কিছু দাও যা কোনো দিন শেষ হবে না।

অতঃপর, দৈত্য অনেক বুদ্ধি করে তাকে হিন্দি সিরিয়াল
ও স্টার জলসা দেখতে বসিয়ে দিলো!


আমার সাথে দৌড় দিন

দূর থেকে এক লোক দেখলো ছোট্ট জনি লাফাচ্ছে। একটু কাছে এসে দেখলো আসলে ছোট্ট জনি কলিং বেল চাপতে চেষ্টা করছে কিন্তু কলিং বেলের নাগাল পাচ্ছে না। সে ভাবলো, আহারে ছোট্ট ছেলেটা কতো কষ্ট করছে, একটু সাহায্য করি।
লোকটি ছোট্ট জনিকে বললো, ‘আমি কি বেলটা চেপে দেবো?’
জনি বললো, ‘আচ্ছা দিন।’
যেই লোকটি বেল চাপলো তখন ছোট্ট জনি বললো, ‘কাজ শেষ। এইবার আমার সাথে দৌড় দিন!’


আত্মহত্যা করতে গিয়ে ব্যর্থ

বিল্টু আত্মহত্যা করতে গিয়ে অনেকবার ব্যর্থ হয়েছে। এইবার সে ঠিক করল একদম কোমর বেঁধে নামবে। বাজারে গিয়ে এক বোতল বিষ, এক টিন কেরোসিন, একটা পিস্তল, একটা দড়ি, একটা ম্যাচ কিনল।

এইসব কিনে সে চিন্তা করল বিষ খাবে, গায়ে আগুন ধরাবে, দড়িতে ঝুলবে, আবার পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করবে।

সে অনুযায়ী নির্জন এক পুকুর পাড়ে গেল সে। প্রথমে গাছে উঠল। গলায় দড়িটা বেঁধে গায়ে কেরোসিন দিল, তারপর বিষটা খেয়েই গায়ে আগুন দিল।

এরপর হাতে পিস্তল নিয়ে গাছ থেকে ঝুলে পড়ল। দড়িতে ঝুলতে ঝুলতে পিস্তল দিয়ে মাথায় গুলি করতে গিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হল। দড়িতে গুলি লেগে দড়ি কেটে গেল। সে গিয়ে পড়ল পানিতে। আগুন গেল নিভে। অতিরিক্ত পানি খেয়ে বিষক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেল। মরতে পারল না এবারও।


রজনীকান্ত কি কি পারেন

তামিল এই সুপারস্টার রজনীকান্ত কি কি পারেন। কিছু কৌতুক শেয়ার করা হলো:
* রজনীকান্তকে গতকাল গুলি করা হয়েছিল, আজ ওই গুলিকে সমাহিত করা হয়েছে!
* রজনীকান্ত আমেরিকার এক সন্ত্রাসীকে মেরে ফেলেছেন! কীভাবে? ব্লুটুথ দিয়ে!
* রজনীকান্তের পালস মাপা হয় রিখ্টার স্কেলে!
* আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কারের সাথে সাথে বুঝতে পারলেন যে রজনীকান্ত তাকে ২টা মিসকল মেরেছেন!
* রজনীকান্ত ৫টা ভাষায় শিস বাজাতে পারেন!
* রজনীকান্তই একমাত্র ব্যক্তি, যে কিনা তার গার্লফ্রেন্ডের ভুল স্বীকার করতে বাধ্য করাতে পারেন!
* মার্ক জুকারবার্গ ফেসবুক আবিষ্কারের সাথে সাথেই দেখলো যে রজনীকান্তের রিকোয়েস্ট পেন্ডিংয়ে আছে!
* রজনীকান্ত আকাশে সাঁতার কাটতে আর পানিতে উড়তে পারেন!
* রজনীকান্ত কাঁচ দিয়ে পাথর ভাঙতে পারেন!
* রজনীকান্ত একটি রোড রোলার কিনেছেন তার কাপড় ইস্ত্রি করার জন্য!
* রজনীকান্ত একবার বৃষ্টির মৌসুমে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিলেন। ম্যাচের কারণে বৃষ্টিই পরিত্যক্ত হয়ে গিয়েছিল!


বান্টিও এখনো পড়তে জানে না

ছোট্ট মলি বসে আঁকিবুঁকি করছিল। এমন সময় মা বললেন-
মা : মলি মা আমার, কী করছ?
মলি : বান্টিকে চিঠি লিখছি মা।
মা : কিন্তু তুমি তো এখনো লিখতে জানো না।
মলি : বান্টিও এখনো পড়তে জানে না মা।


বাজে মেয়েটাকেই ঘরের বউ

বাবা : তুমি যদি ওই বাজে মেয়েটার সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ না করো তাহলে আমি তোমার হাত খরচ বন্ধ করে দেব।
বিল্লাল : আর তুমি যদি আমার হাত খরচ দ্বিগুন না করে দাও তাহলে আমি ওই বাজে মেয়েটাকেই তোমার ঘরের বউ করে আনব।


কষ্টে চোখ বন্ধ হয়ে যায়

এক কিংবদন্তী শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী একবার মহিনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন-
শিল্পী : আচ্ছা বলতো, উচ্চাঙ্গ সংগীত যারা গায়; তারা চোখ বন্ধ করে গায় কেন?
মহিন : আসলে ওনারা দর্শক শ্রোতাদের কষ্টটা সহ্য করতে পারেন না। তাই কষ্টে চোখ বন্ধ হয়ে যায়।


আপনার দোকানের নাম কী

দোকানদার ও ভদ্রলোকের মধ্যে কথোপকোথন-
ভদ্রলোক : আপনার দোকানের নাম কী?
দোকানদার: দরকার কী?
ভদ্রলোক : এমনি। নামটা কী বলবেন?
দোকানদার : বললাম তো দরকার কী?
ভদ্রলোক : আপনি তো ফাজিল লোক একটা।
দেকানদার : আরে ভাই চেতেন কেন? আমার দোকানের নামই তো ‘দরকার কী’।


ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবক

ইন্টারভিউ বোর্ডে এক যুবককে প্রশ্ন করা হলো-
প্রশ্নকর্তা : ‘ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগি মারা গেল’- এর ইংরেজি কী হবে?
প্রার্থী : এটার ইংরেজি পারি না স্যার। আরবি পারি।
প্রশ্নকর্তা : আরবিটাই বল শুনি।
প্রার্থী : ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।


আপনি আমাকে কিস করবেন

মেয়ে সাধু বাবার কাছে গিয়ে-
মেয়ে : বাবা আমাকে ভবিষ্যৎ দেখানো শিখিয়ে দিন।
সাধু : চোখ বন্ধ করে ঠোঁট আমার কাছে নিয়ে আসো বালিকা।
মেয়ে : না।
সাধু : কেন?
মেয়ে : আপনি আমাকে কিস করবেন।
সাধু : আরে বাহ, তুমি তো ভবিষ্যৎ দেখা শিখে গেছো।


দাও না গো, একটু খেলি

প্রোগ্রামার স্বামী ল্যাপটপ নিয়ে কাজে মগ্ন। স্ত্রী এসে-
স্ত্রী : দাও না গো, একটু খেলি?
মনিটর থেকে চোখ না সরিয়ে-
প্রোগ্রামার : তুমি যখন রান্না করো, আমি কখনো হাঁড়ি চাই তোমার কাছে?


শক্তিবর্ধক মাদক

একটু পরই শুরু হবে ঘোড়দৌড়! এমন সময় দেখা গেল এক জকি তার ঘোড়াকে কী যেন খাওয়াচ্ছেন। দেখেই এক নিরাপত্তাকর্মী ছুটে এলেন।
রাগতস্বরে বললেন, ‘হেই! আপনি আপনার ঘোড়াকে কোনো শক্তিবর্ধক মাদক খাওয়াচ্ছেন না তো?’
জকি বললেন, ‘না, না! এটা একটা চকোলেট। নিন নিন, আপনিও খান। এই দেখুন, আমিও খাচ্ছি। এটা একটা সাধারণ চকোলেট ছাড়া কিছুই না।’
নিরাপত্তারক্ষী চকোলেটসদৃশ বস্তুটা মুখে দিলেন। বললেন, ‘হু, চকোলেটই তো মনে হচ্ছে। ঠিক আছে।’
নিরাপত্তারক্ষী চলে গেলেন। জকি এবার ফিসফিস করে তাঁর ঘোড়ার কানে কানে বললেন, ‘এখন দৌড়ে তোকে কেউ হারাতে পারবে না। শুধু আমি আর ওই নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া!’

মেয়েটি মা হতে চলেছে


মেয়েটি মা হতে চলেছে
মেয়ে: আমি মা হতে চলেছি।
মা: কোথায় গেছিলি বংশের মুখ কালো করার জন্য? বল তাড়াতাড়ি, নইলে সিমেন্টের সাথে দেয়ালে একেবারে প্যাকেট করে রেখে দেব!
মেয়ে: স্কুলের একটা নাটকে ‘মা’র চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছি আমি।

****

বন্ধুর মেসেজ পড়ে অজ্ঞান!
গতকাল রাতে এক বন্ধু রনিকে একটি মেসেজ দিয়েছে। মেসেজটি পড়ে রনি ভয়ে লাফিয়ে উঠলো। মেসেজটি ছিল এ রকম-
‘প্রিয় বন্ধু, এখন আমার হাতে এক বোতল বিষ। আমি মুক্তি পেতে চাই। এত জ্বালা আমার আর সহ্য হয় না, এত যন্ত্রণা আর ভালো লাগে না। আমি রাতে ঘুমাতে পারি না, ঠিকমত খেতে পারি না। সব সময় রুমের ভেতর একটু বেশি যেন অস্থির থাকি, যেটা আমাকে ভীষণ কষ্ট দেয়। তাই যাচ্ছি… ইঁদুর মারতে। শুভ রাত্রি!’

 

আজকের কৌতুক : মেয়েদের মাথায় এতো চুল কেন?

মেয়েদের মাথায় এতো চুল কেন
শ্রেণিকক্ষে এক ম্যাডাম শিশুদের পড়াচ্ছেন-
পল্টু: ম্যাম! গান্ধীজীর মাথায় চুল ছিল না কেন?
ম্যাডাম: কারণ তিনি সব সময় সত্য কথা বলতেন, কখনো মিথ্যা বলতেন না!
পল্টু: ও! তাই তো বলি, মেয়েদের মাথায় এতো চুল কেন!

****

তাঁবু থেকে আকাশ দেখার উপায়
দুই বন্ধু পিকনিকে গেছে। রাতে একটি তাঁবু টানিয়ে তার ভেতর ঘুমিয়ে পড়ল। মাঝরাতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ডেকে তুলল-
১ম বন্ধু: দোস্ত, আকাশ দেখতাছস?
২য় বন্ধু: হ দোস্ত। দেখতাছি তো।
১ম বন্ধু: কী বুঝলি?
২য় বন্ধু: আকাশে কোনো মেঘ নাই। অনেক তারা দেখা যাচ্ছে। তার মানে, আজ বৃষ্টি হবে না।
১ম বন্ধু: ওরে আবহাওয়াবিদের বাচ্চা! আমাগো তাঁবুডা চুরি হইয়া গেছে, এই জন্যই আকাশ দেহা যাইতাছে!

****

কোলবালিশ যেভাবে এলো
প্রশ্নকর্তা: কোলবালিশ কিভাবে এলো?
প্রার্থী: কোলবালিশ যিনি আবিষ্কার করেছেন; তিনি আসলে অনেকগুলো বিয়ে করেছিলেন!
প্রশ্নকর্তা: কেন?
প্রার্থী: কারণ এর থেকেই তিনি আসলে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন, বউ থেকে কোলবালিশ উত্তম! কারণ কোলবালিশ পালতে কোনো খরচই হয় না!

 

 

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়

 

 

হায়রে আমার সিদ্ধান্ত

গরুর মাংসের কেজি যখন ৮০ টাকা ছিল, তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ২০০ টাকা হলে খাওয়া বাদ দিয়ে দেব! গরুর মাংসের কেজি এখন ৫২০ টাকা, এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি পাঁচ হাজার টাকা কেজি হলে খাওয়া বাদ দিয়ে দেব!

রোহিত হাসান কিসলু

 

 

একটি সিঙ্গেল ছেলের আত্মকাহিনি

আমাদের ব্যাচের মেয়েরা বড়ভাইদের সঙ্গে প্রেম করত। তাই ভাবতাম, যেদিন বড়ভাই হব সেদিন হয়তো প্রেম হবে। কিন্তু আফসোস, জুনিয়র মেয়েরা পলিসি চেঞ্জ করেছে! তারা এখন ক্লাসমেটদের সঙ্গেই প্রেম করে। তাই বড়ভাইরা সিঙ্গেল রয়ে গেল।

কানন শূন্য

 

 

বিসিএস ক্যাডার

কয়েকটা ঐর দেওয়ার পরও রিপ্লাই না করা জুনিয়র মেয়েটাও আজ ঈড়হমত্ধঃঁষধঃরড়হং জানাচ্ছে সদ্য ইঈঝ ক্যাডারে মনোনীত ক্যাম্পাসের বড় ভাইয়াকে।

মনে মনে আক্ষেপ, ইস্ কেন যে আগে থেকেই ইনবক্সে ভাব-ভালোবাসা আরেকটু জমাইনি!

সাদিক খান

 

সমাধান

অথচ সিনেমার শেষে ছোট করে ‘কালেক্টেড’ লিখে দিলেই কত সমস্যার সমাধান হয়ে যেত!

অনুপম হোসাইন পূর্ণম

 

পৌরসভা

মিটিং না ডাইকাও যে সংস্থায় ১২ মাসই সভা থাকে তারেই পৌরসভা বলে।

জগলুল হায়দার

 

অফিস অফিস


অফিসে নানা রকম মজার ঘটনা ঘটে। তেমনই কিছু ঘটনা দেখে নিন। আইডিয়া মেহেদী আল মাহমুদ

 বস : হাসান সাহেব, কাল নাকি আপনি অফিস টাইমে মিস ডলিকে নিয়ে সিনেমায় গিয়েছিলেন? ওকে আমার সঙ্গে একবার দেখা করতে বলুন।

হাসান : কিন্তু স্যার, ও কি আপনার সঙ্গে সিনেমা দেখতে যেতে রাজি হবে?

 

♦ বস : আলম, কাল যে তোমাকে বলেছিলাম ফাইলটা দিতে, দাওনি কেন?

আলম : স্যার, আলমারির চাবিটা যে আপনার কাছে ছিল।

বস : তা থাক, দ্যাটস নট দি পয়েন্ট, তুমি ফাইলটা দাওনি কেন?

 

♦ কর্মচারী : ডেকেছিলেন স্যার?

বস : আপনি এত ভালো কাজ করেন যে আমি ভাবতেও পারি না, আপনাকে ছাড়া কী করে অফিস চলবে! সোমবার থেকে চেষ্টা করে দেখব, আপনাকে ছাড়াও অফিস চলে কি না!

 

♦ কর্মচারী : স্যার, আজ দুপুরের পর আমাকে কিছুক্ষণের জন্য ছুটি দেবেন? আমার স্ত্রীকে নিয়ে একটু শপিংয়ে যেতে হবে।

বস : না, কোনো ছুটি নেই।

কর্মচারী : আপনি আমাকে বাঁচালেন স্যার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

 

♦ প্রথম বন্ধু : তোকে এত খুশি দেখাচ্ছে কেন?

দ্বিতীয় বন্ধু : জানিস, কাল থেকে আমার দুই সপ্তাহের ছুটি। কাল থেকে আমি এক সপ্তাহের ছুটিতে যাচ্ছি। তার পরের সপ্তাহে যাচ্ছেন আমার বস।

 

♦ বস : কাল অফিসে আসোনি কেন?

কর্মচারী : আমার বাবা মারা গেছেন গতকাল।

বস : তোমার বাবা তো আমাদের অফিসের স্টাফ নয়, তিনি না এলেও কিছু যায়-আসে না। তুমি আসোনি কেন?

 

♦ বস : তুমি Wife dying বলে অফিস কামাই দিলে, অথচ আমি দেখলাম তোমার স্ত্রী একটি বিউটি পার্লার থেকে বেরোচ্ছে!

কর্মচারী : স্যার, ঠিকই দেখেছেন, আমি ‘হেয়ার ডাইং’-এর কথাই বলতে চেয়েছিলাম।

 

♦ মহিলা সেক্রেটারি : স্যার, আপনার স্ত্রী সব সময় আমাকে সন্দেহের দৃষ্টিতে কেন দেখে?

বস : কারণ তোমার আগে সে আমার সেক্রেটারি ছিল।

পিকিউলিয়ার কন্ডাক্টর সিনড্রোম


আমার বিয়ে বেশিদিন হয়নি, কিন্তু এর মধ্যেই আমি গণ্ডগোলের গন্ধ আঁচ করতে পেরেছি। আমার বউয়ের নাম ইন্দিরা। ওর একটা অদ্ভুত রোগ আছে, যেটা বিয়ের আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে কেউ জানায়নি। বিয়ের কিছুদিন পর নিজে থেকেই জানতে পেরেছি। রোগের নামও অদ্ভুত, পিকিউলিয়ার কন্ডাক্টর সিনড্রোম। মানে, আমার বউ থেকে থেকে বাসের কন্ডাক্টরের মতো আচরণ করে। অবচেতন মনেই। সেটাও আমি বুঝতে পেরেছি।

প্রথম যেদিন টের পেলাম, সেদিন আমাদের ফুলশয্যা। আমি ঠিক করেছিলাম ওকে সহজ হওয়ার জন্য সময় দেব। ফুলশয্যার রাতে দু-একটি কথা বলেই ঘুমিয়ে পড়ব। সারা দিনের খাটাখাটুনিতে দুজনেই ক্লান্ত থাকব। সেটাই বরং ভালো হবে। আমি সেই মতো সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর দরজায় ছিটকিনি তুলে দিয়ে বিছানায় বউয়ের পাশে এসে বসলাম। কোনো কথা খুঁজে না পেয়ে শেষে বললাম—‘তুমি নিশ্চয়ই ক্লান্ত হয়ে আছ?’

ইন্দিরা মাথা নাড়ল। আমিই আবার বললাম, ‘তাহলে শুয়েই পড়ো, নাকি?’ ইন্দিরা বোধ হয় বুঝল যে ওরও দু-একটি কথা বলা উচিত। ও ইতস্ততভাবে বলল, ‘না না, কথা বলুন না।’

আমি এক মিনিট ভেবে বললাম, ‘তুমি সহজ হতে পারো আমার সঙ্গে। আমাকে আপনি করে বলতে হবে না। আমাকে তোমার বন্ধু ভাবতে পারো নিঃসন্দেহে। আমার সঙ্গে ইয়ার্কি মারতে পারো। মানে ফ্রাংক হতে পারো।’

ইন্দিরা লাজুক মুখেই আমার দিকে হাত বাড়িয়ে বলে উঠল, ‘কই আপনারটা দেখি।’

এই আমি যে আমি এতক্ষণ ফ্রাংক হওয়ার ব্যাপারে এত কথা বললাম, সেই আমিও লজ্জা পেয়ে গেলাম। কোনো রকম বললাম, ‘মানে আজকেই! মানে এত তাড়াতাড়ি না করলেও হবে।’

ইন্দিরা লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়ল। আমি জেগে রইলাম। অনেকক্ষণ অপেক্ষায় থেকে শেষে হতাশ হয়ে ভোর ৪টার সময় ঘুমাতে গিয়েছিলাম। তখন কি আর জানতাম ইন্দিরা আমার কাছে টিকিট চাইছিল, অন্য কিছু না। যাকগে। আমার তাড়া ছিল না বাপু।

তখনো কিছু আন্দাজ করতে পারিনি। ইন্দিরা আমার সঙ্গে তেমন কথা বলত না। ইশারা-ইঙ্গিতে কথা বলত। মাঝেমধ্যে মনে হতো আমার বউ হয়তো বোবা। তাতে অবশ্য আমার খুব একটা অসুবিধা হচ্ছিল না।

মুখ খোলে না, খোলে না, কিন্তু যেদিন মুখ খুলল সেদিন গোটা বাড়িতে হৈচৈ পড়ে গেল। প্রথমেই বলে রাখি, আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলি। এই নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির যুগে যখন সবাই আলাদা আলাদা কক্ষপথে নিজস্ব পেয়ার তৈরি করে ইলেকট্রনের মতো ঘুরপাক খাচ্ছে, তখন আমার বাবা আর জেঠা সিদ্ধান্ত নেয়, তারা একসঙ্গে থাকবে আমাদের পৈতৃক ভিটায়। আমিও তাই আমার জেঠতুতো দাদার সঙ্গেই বড় হয়েছি। আমাদের মধ্যে বেশ মিলমিশ। ভালোবাসা।

যা হোক, কথা থেকে সরে যাচ্ছি। আমাদের এই পুরনো বাড়িতে একটাই সমস্যা, আর সেটা হলো বাথরুম। গোটা বাড়িতে মাত্র দুটি বাথরুম। একটি বাড়ির বাইরের দিকে। সেটায় খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ যাই না। বাড়ির মধ্যে যে বাথরুমটি আছে, সেটাই সবাই ব্যবহার করি। ইন্দিরা সেদিন স্নান করতে ঢুকছিল, হঠাত্ আমার জেঠা পেটে হাত দিয়ে ছুটতে ছুটতে এসে বলে, ‘বউমা, তুমি একটু বাইরেরটায় যেতে পারবে? আমার ভীষণ ইমার্জেন্সি।’

আমার জেঠা সরল মানুষ। সরল মনেই কথাটা বলেছিল। সে আর কী করে জানবে আমার বউ প্রত্যুত্তরে ‘আচ্ছা’ না বলে বলবে, ‘চলুন চলুন,  ভেতরে চলুন। আরো একজনের জায়গা হবে।’

কথাটা শুনেই তো আমার জেঠা অবাক হয়ে গেল।

এই ঘটনাটা আমাদের বাড়িতে আমাশয়ের মতো ছড়িয়ে পড়ল। জেঠা এরপর আর কোনো দিনই ইন্দিরার মুখোমুখি হওয়ার সাহস দেখায়নি। বেশ কয়েক দিন আড়ালে ছিল। ইন্দিরাও দরজায় খিল তুলে বসেছিল। সবাই আড়ালে কথা বলতে শুরু করেছিল। ব্যাপারটা আমার খারাপ লাগল। ইন্দিরার সঙ্গে আমার অল্প দিনের পরিচয় হলেও সে আমার বউ। তা ছাড়া ইন্দিরা এ রকমভাবে বললই বা কেন! সেটা জানাও প্রয়োজন। আমি ঘরের দরজা বন্ধ করে সরাসরি ওকে প্রশ্ন করলাম, ‘আচ্ছা তুমি সত্যিই জ্যাঠাকে ওই কথাটা বলেছ?’

ইন্দিরা নিরুত্তর।

আমি আবার প্রশ্ন করলাম, ‘কেন বলেছ?’

এবার একটু কড়াভাবে। বুঝলাম ও ঘামতে শুরু করেছে। তবুও কোনো উত্তর দিল না। আমি থাকতে না পেরে গলাটা আরেকটু তুলে দিলাম, ‘বলবে কী কিছু?’

দেখলাম ইন্দিরার চোখে জল চলে এসেছে। ও ছলছল চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমি ইচ্ছা করে বলিনি। এটা আমার একটা রোগ।’

‘রোগ?’ আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম, ‘তোমার বাথরুমে যেতে গেলে সঙ্গে কাউকে লাগে? আমাকে বলতে। জ্যাঠাকে কেন বলতে গেলে?’

ইন্দিরা কেঁদে উঠল, ‘আস্তে, আস্তে, লেডিস আছে।’

আমি চমকে উঠলাম। ঘরের বাইরে থাকা আমার মা আরো চমকে উঠল। মায়ের হাত থেকে গরম চায়ের কাপ পড়ে গিয়ে ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে গেল। আমাদের কথা এগোল না আর। কিন্তু আমার মনে সন্দেহ দানা বেঁধে গেল, কিছু একটা আছে। আমাকে জানতে হবে। ঠিক করলাম একেবারে কম্পানিতে গিয়েই খোঁজ নেব, ম্যানুফ্যাকচারিং ডিফেক্টটা কী, কারণ আমি তো ‘হ্যান্ডেল উইথ কেয়ার’ করেছি।

তাই সে মুহূর্তে আর কিছু বললাম না। ইন্দিরাকে শান্ত করলাম। ওর গায়ে, মাথায় হাত বুলিয়ে বললাম, ‘আচ্ছা তোমাকে আর কিছু বলতে হবে না। আমি বুঝতে পেরেছি। আমি জ্যাঠামণিকে বুঝিয়ে বলে দেব।’

দুদিন পরে শ্বশুরবাড়িতে গেলাম। আমাকে দেখে শ্বশুরমশাইয়ের কপালে ভাঁজ দেখা দিল। আমি সরাসরি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, ‘আপনার মেয়ের রোগটা কী বলুন তো।’

শ্বশুরমশাই এড়িয়ে যেতে চাইলেন, ‘কী রোগ থাকবে? কিছু তো নেই। তুমি বসো। আমি ইন্দিরার মাকে চা করে আনতে বলি।’

আমি শ্বশুরমশাইয়ের হাত ধরে তাঁকে বসিয়ে দিলাম, ‘পরিষ্কার করে বলুন তো ব্যাপারটা কী। আপনার মেয়ে নিজে আমাকে বলেছে ওর রোগ আছে। কী রোগ সেটা বলেনি। বাড়িতে এমনিতেই অনেক ক্যাচাল হয়ে গেছে। আপনি আর কথা ঘোরাবেন না প্লিজ।’

শ্বশুরমশাই বুঝলেন, পালানোর আর পথ নেই। তিনি আমতা আমতা করে আমাকে সব বললেন। শুনে তো আমার মাথায় হাত। এ রকম আবার হয় নাকি? এ তো প্রথম শুনছি। কেউ থেকে থেকে বাস কন্ডাক্টরের মতো হয়ে যায়! আমি ঘটনাগুলো মনে করার চেষ্টা করলাম। দুয়ে দুয়ে চার হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তাও এ আবার কি অদ্ভুত রোগ রে বাবা।’

আমি হাজারটা চিন্তা করতে করতে যখন বাড়ি ফিরি তখন দেখি পুরো বাড়ি সুনসান। জ্যাঠারা কেউ বাড়িতে নেই। বাবাও নেই। শুধু এক কোণে আমার মা মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। আমি ব্যাগ নামিয়ে মাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘মা কী হয়েছে গো? কাউকে দেখছি না।’

মা কটমট করে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘সবাই অর্পিতাকে নিয়ে নার্সিং হোমে গেছে।’

‘বউদি নার্সিং হোমে’, আমি চমকে উঠলাম, ‘কী হয়েছে?’

মা ফোঁস করে উঠল, ‘কী আবার হবে। তোমার ওই গুণধর বউয়ের জন্য এবার আমাদের বাড়িতে আগুন লাগবে।’

আমি ঢোক গিললাম, ‘কেন, ইন্দিরা আবার কী করল?’

মা যেন আরো খেপে গেল, ‘কী করেছে? অর্পিতা ছাদে রেলিংয়ে ভর দিয়ে কাপড় মেলছিল। তোমার বউ হঠাত্ করে আমার সামনেই ওকে ডেকে বলল, ‘বাঁয়ে বাঁয়ে’। বেচারী অর্পিতা বাঁ দিকে কাত হতেই ধড়াম করে ছাদ থেকে পড়ে গেল। কে জানে কতগুলো হাড় ভেঙেছে!’

আমি আঁতকে উঠলাম। মাকে কী করে বলব, তোমার বউমা জাত কন্ডাক্টর। চুপচাপ কেটে পড়েছি ওখান থেকে।

আপাতত ভাড়া বাড়িতে আছি। বাবা ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। একটা ফ্ল্যাট খুঁজছি। এখানেও বেশিদিন থাকা যাবে না। দুদিন আগেই আমার বউ বাড়িওয়ালীকে জিজ্ঞেস করেছে, ‘কোথায় নামবেন দিদি?

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি


 

বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!

সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স

জুতা পছন্দ করতে গিয়ে দোকানের প্রায় সব ডিজাইন উল্টেপাল্টে দেখছেন লাবনী। এতে জুতার শো-রুম একেবারে তছনছ হয়ে গেল। কিন্তু পছন্দ হলো না একটিও। এ সময় তার নজর পড়ল অন্যরকম একটি বাক্সের ওপর-
লাবনী : ওই বক্সটা একটু দেখান, প্লিজ। ওটার ভেতরে যে ডিজাইনটা আছে, তা দেখবো।
দোকানদার : দয়া করেন আপা, ওইটা আর দেখতে চাইবেন না!
লাবনী : এটা কেমন কথা! কাস্টমার দেখতে চাচ্ছে।
দোকানদার : আপা, ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স!

 

খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে

ওসি: ক্রেডিট কার্ড হারানোর সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্ট করেননি কেন?
মন্টু: কার্ডটা চুরি হওয়ার পর দেখলাম চোর আমার বউয়ের থেকে কম খরচ করছে,
ওসি: এখন রিপোর্ট করাতে আসছেন কেন?
মন্টু: এখন মনে হচ্ছে কার্ডটা এবার চোরের বউয়ের হাতে পড়েছে, খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে।

 

হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না

পল্টু ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল-
পল্টু: স্যার, আঙুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তাহলে স্যার কতদিন পরে উঠবে?
অফিসার: একবছর পর যাবে।
পল্টু: তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার?
অফিসার: কেন?
পল্টু: চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না।

 

 

এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে


এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।
ফরাসী বলছে, 'গত রাতে আমার বউকে চারবার আদর সোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।'
ইতালীয় বলছে, 'গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদর সোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।'
বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, 'তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক'বার আদর সোহাগ করেছো?
বাঙালি বললো, 'একবার।'
ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, 'তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?'
'ওগো, থামো, আর না ...।'
প্রেমিকা ও স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য কী?
এক পড়ন্ত বিকেলে দুই বন্ধু রাস্তার পাশে বসে গল্প করছে-
১ম বন্ধু: প্রথম দিকে রুপা আমার প্রেমিকা ছিল। তখন আমি বলতাম আর ও বিভোর হয়ে শুনত।
২য় বন্ধু: এরপর।
১ম বন্ধু: আমাদের এনগেজমেন্ট হলো। তখন থেকে তার বলা শুরু আর আমি হয়ে যাই শ্রোতা।
২য় বন্ধু: এখন?
১ম বন্ধু: সে আমার স্ত্রী। এখন আমাদের দু’জনের মুখই খোলা, শোনে পুরো মহল্লাবাসী।
****
নারীদের বেশি বলা দুটি বাক্য
জনৈক সেলসম্যানের দৃষ্টিতে জামা-কাপড় কিনতে যাওয়া নারীদের সবচেয়ে বেশি আওড়ানো দুটি বাক্য-
১. একই রঙের অন্য ডিজাইন দেখান...
২. একই ডিজাইনে অন্য রঙের দেখান...
****
সিগারেট খাওয়ার অফার
চেইন স্মোকার মতিনের ব্যাংক ক্যাশিয়ার পদে চাকরি হয়ে গেল। যোগদানের দিন ব্যাংক ম্যানেজার নবাগত ক্যাশিয়ারকে পেশাগত নানা টিপস দিতে গিয়ে প্রশ্ন করলেন-
ম্যানেজার: বান্ডিল আর প্যাকেটের পার্থক্য বোঝেন তো?
মতিন: জ্বি স্যার! প্যাকেট হয় সিগারেটের আর বান্ডিল হয় বিড়ির!
ম্যানেজার: আর এটাকে বলে ম্যাচ বাক্স! ঠিক?
মতিন: স্যার! আমি আসলে বুঝতে পারছি না আপনি কী বোঝাতে চাইছেন! আপনি কি আমাকে সিগারেট খাওয়ার অফার দিচ্ছেন..

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি



একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি

বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!



সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে



১৯৯০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে সাইকেল চাইত।
২০০০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে মোটরসাইকেল চাইত।
.
.
.
২০৩০ সাল।
ঘটক আর মেয়ের বাবার মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছে।
‘ছেলেপক্ষের একটা আবদার আছে…’
মেয়ের বাবা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালেন।
‘ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে। ছেলের অনেকদিনের শখ।’
‘১০ কেজি?’ মেয়ের বাবা আকাশ থেকে পড়লেন।
‘একটু কমানো যায় না? দরকার হলে আমাদের একটা টয়োটা করলা দিয়ে দিলাম।’ মেয়ের বাবা মিন মিন করে বলল।
‘নাহ ভাই। বললাম না ছেলের অনেক দিনের শখ।’
মেয়ের বাবা নিমরাজী হলেন। কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।
বিয়ের দিন।
কাজী বিয়ে পড়াতে শুরু করতেই ছেলের বাবা উঠে দাঁড়ালেন।
‘দাঁড়ান কাজী সাহেব। আগে পেঁয়াজ বুঝে নিই। পরে বিয়ে।’
সবাই থমকে গেল। একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে সবাই।
মেয়ের বাবা ঘর হতে একটা বাজারের ব্যাগ নিয়ে আসলেন।
‘ভাইসাহেব, এইখানে ৮ কেজি পেঁয়াজ আছে। বাকীটা আগামী সপ্তাহেই দিয়ে আসব।’
ছেলের বাবা রাগী ভঙ্গিতে তাকালেন। [ব্যাকগ্রাউন্ডে তখন ঝড়ের মিউজিক]
‘নাহ। এই বিয়ে হবে না। আরো দুই কেজি পেঁয়াজ ছাড়া এই বিয়ে সম্ভব না।’ বলেই ছেলের বাবা মেয়েদের সাততলা বাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হলেন। ‘চলে আয় কুদ্দুস। এই বিয়ে হবে না।’
অন্দরমহলে কান্নার আওয়াজ।
মেয়ে এসে দাঁড়াল ঘরে। চোখে জল।
‘চৌধুরী সাহেব, পেঁয়াজের লোভে মানুষকে আর মানুষ মনে হয় না? মনে রাখবেন পেঁয়াজ থাকলেই বড়লোক হওয়া যায় না। বড়লোক হতে হলে দরকার সুন্দর একটা ফেইসবুক একাউন্ট। যা আপনাদের নেই। চলে যান। আমি এখুনি স্ট্যাটাস দিচ্ছি।’
কুদ্দুস উঠে দাঁড়াল। তার চোখ খুলে গেছে। এই মেয়ে আবার তার ফেসবুক ফ্রেন্ড। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। ‘না বাবা। এই বিয়ে হবেই। পেঁয়াজ তোমাকে অন্ধ করে দিয়েছে বাবা।’
অবশেষে বিয়ের সানাই। আকাশে তারাবাত্তি।

FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 18








FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 18