Showing posts with label বল্টু জোকস. Show all posts
Showing posts with label বল্টু জোকস. Show all posts

১৬ আগষ্ট || হাসতে নেই মানা

 

* জোকস-১

মালিক: এই বল্টু, তুই আমার নারিকেল গাছে কেন?
বল্টু: গরুর জন্য ঘাস কাটতে উঠেছি।
মালিক: তোর কি মাথা খারাপ, নারিকেল গাছে ঘাস পাবি কই?
বল্টু: ঘাস পাইনি, তাই তো নামছি।
পরদিন আবারও বল্টু গেল চুরি করতে। আবারও মালিক দেখে ফেলল--
মালিক: তুই আবার গাছে উঠেছিস কেন?
বল্টু: না, কাল ঘাস কাটার কাচিটা ফেলে গেছিলাম।

* জোকস-২

বানান বিভ্রাটে যে অবস্থা হলো
ক্লাসে শিক্ষক তার ছাত্রদের ইংরেজি পড়াচ্ছেন, হঠাৎ এক ছাত্র জিজ্ঞেস করল--
ছাত্র: আচ্ছা স্যার, ‘নাটুরে’ মানে কী?
শিক্ষক: আচ্ছা, তোর ‘নাটুরে’র বানানটা কী হবে বল তো?
ছাত্র: স্যার ‘NATURE’।
শিক্ষক: ওরে গাধা, ওটা নাটুরে না। ওটা হবে ‘ন্যাচার’ মানে প্রকৃতি। বের হয়ে যা আমার ক্লাস থেকে, আজই তোকে টিসি দিয়ে দেব।
ছাত্র: স্যার, প্লিজ প্লিজ এমন করবেন না। তাহলে আমার ‘ফুটুরে’ নষ্ট হয়ে যাবে।

* জোকস-৩
সর্বনাম পদের দুটি উদাহরণ
বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক অন্যমনস্ক এক ছেলেকে বললেন-
শিক্ষক: এই ছেলে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।
ছেলেটি হকচকিয়ে দাঁড়িয়ে বলল-
ছাত্র: কে? আমি?
শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।

হাসতে নেই মানা

 


 * জোকস-১
প্রেমিকাকে নিয়ে ডেটিং করতে এক রেস্তোরাঁয় ঢুকল বল্টু।
ওয়েটার: স্যার, মেনুকার্ড দেখে অর্ডার দিন কী কী খাবেন?
খাবারের দাম দেখে বল্টুর কলিজা শুকিয়ে গেল।
বল্টু: আপাতত, চেয়ার-টেবিল সরান। একটু গড়াগড়ি খাই।

* জোকস-২
অসিমের সেভ করা দরকার। তাই সে তার পাড়ার নাপিতের কাছে গেল। নাপিত কেবল অসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে এমন সময় অসিম বলল, ‘আমার গালটা একটু ভাঙা, তাই মসৃণ সেভ হয় না, দয়াকরে খুব সাবধানে মসৃণ সেভ করে দাও।’
নাপিত তখন একটা কাঠের ছোট গোল বল অসিমের গালের ভেতরে ঢুকিয়ে দিলো। তারপর সেভ করা শুরু করলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই অসিম বুঝতে পারল, আসলেই খুব ভালো ও মসৃণ সেভ হচ্ছে। গালের ভেতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় অসিম বলল, ‘খুব ভালো। কিন্তু এখন যদি আমি বলটি গিলে ফেলি, তাহলে কী হবে?’

নাপিত একটুও বিচলিত না হয়ে বলল, ‘ওইটা কোনো ব্যাপার না, সবাই যেমন পরের দিন ফেরত দিয়া যায়, আপনেও কাইলকা আইসা ফেরত দিয়া যাইয়েন।’
* জোকস-৩
কাক বসেছিল গাছের ডালে। নিচ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল খরগোশ।
খরগোশ: কিরে কাক, তুই কী করছিস?
কাক: কিছুই না। এমনি বসে আছি।
খরগোশ: বেশ মজা তো! আমিও বসে থাকি কিছু না করে?
কাক: থাকো।
হাত-পা গুটিয়ে খরগোশ বসল গাছের গোড়ায়। ঝোঁপের আড়াল থেকে খেঁকশিয়াল দেখল খরগোশ বসে আছে চুপচাপ। ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে খেয়ে ফেলল। পুরো ঘটনাটাই কাক দেখল গাছের ডালে বসে এবং ভাবল, খরগোশকে একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, কিছু না করে বসে থাকলে চলে কেবল তাদেরই; যারা বসে থাকে উপরে।

৪২০ ফানি জোকস, Bengali 420 Jokes

 

  • এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে দেরি করে আসেন। বস : আজও দেরি হল কেন? তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল! বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন? তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!   
 
  • এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ী দুঘটনার একেবারে চুরমার হয়ে গেছে । তিনি তার গাড়ী যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকার দাবী করলেন । কোম্পানীর ম্যানেজার বললেন যে আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না । আপনাকে গাড়ীর বদলে একটা নতুন গাড়ী দেয়া হবে । ভদ্রলোক তো উল্লসিত হয়ে ঊঠে বললেন, আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা , সে মরে গেলে কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন ?  
 
  • ভদ্রমহিলাঃ তোমার নাম কি? খুকিঃ অনিতা। ভদ্রমহিলাঃ কি সুন্দর দেখতে তুমি! তোমার মতো মেয়ের মা হতে আমার খুব ইচ্ছে। খুকিঃ কিন্তু আমার বাবা যে মারা গিয়েছেন।  
 
  • এক লোক গেছে ডাক্তারের কাছে। তার থাই (উরু) পুড়ে গেছে। তো, ডাক্তার প্রেস্ক্রিপশন লিখলো, (১) বার্নল। (২) ভায়াগ্রা।  লোকটা প্রেস্ক্রিপশন দেখে তো অবাক!! জিজ্ঞেস করলো, বার্নল তো বুঝলাম কিন্তু ভায়াগ্রা কেন? আমার তো …ইয়ে মানে…আমার তো তেমন কোন সমস্যা নাই!! ডাক্তার : এইটা আপনার লুংগিকে আপনার পোড়া জায়গাটা থেকে দুরে রাখতে সাহায্য করবে।। 
 
  • এক লোক রাতের বেলা FTV তে ফ্যাশন শো দেখছিলো… হটাৎ ছেলে এসে রুমে ঢুকে পড়ল… অপ্রস্তুত হয়ে লোকটি ছেলেকে বলল, বেচারা গরীব মেয়েরা, কাপড় চোপড় কেনার পয়সা নাই… ছেলেঃ এর চেয়ে গরীব মেয়ে দেখতে চাইলে,আমার কাছে সিডি আছে,নিয়ে দেখতে পারো…..
 
  • এক লোক বড় বিপদে আছে, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ শিশ্ন নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, কারন মেয়েরা এটা দেখে ভয়ে পালিয়ে যায়, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতি মিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা! সে ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! সে টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! এবার ওটা ১৫-তে নেমে এলো। উল্লসিত হয়ে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? এবার উত্তর এলো, এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!  
 
  • একটা মেয়ে হাফ বুক খোলা টপসের উপর এরোপ্লেনের লকেট পরেছে। তা দেখে একটা ছেলে হা করে মেয়েটার বুকের দিকে তাকিয়ে আছে….. মেয়ে (খুশি হয়ে): আপনি বুঝি আমার এরোপ্লনটা দেখছেন ? খুব সুন্দর তাই না… ছেলে: জি মানে … টা তো বটেই…না… .মানে এরোপ্লেনের রানওয়েটা আরও সুন্দর হবে নিশ্চয়ই…. . .:P 
 
  • বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়? : অব্যশই মেয়ে | : কেন ? : যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না কাঠিতে ??  
 
  • গৃহকর্ত্রী : তুমি গত তিন দিন কাজে আসোনাই ক্যান?? কাজের বুয়া: আমিতো ফেসবুক এ স্ট্যাটাস দিসিলাম যে আমি বাড়ি যাচ্ছি…। গৃহকর্ত্রী : ও’মা, তুমি ফেসবুক চালাও নাকি?? কাজের বুয়া: ক্যান, আপনি জানেন না? আপনার সাহেব তো কমেন্টও দিসে – ‘miss u’!!!   
 
  • চান্দুর বিয়ে হয়েছে ৩ মাস কিন্তু এর মাঝেই তার বউ সন্তান জন্ম দিলো!!  চান্দুঃ বাচ্চা তো ৯ মাস পরে হয়।। কিন্তু ৩ মাস পর কিভাবে হল?? স্ত্রীঃ তোমার বিয়ের কয় মাস হল?? … চান্দু একটু ভেবে বললঃ ৩ মাস।।  স্ত্রীঃ আমার বিয়ের কত দিন হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ বিয়ের কত দিন পর বাচ্চা হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ তাহলে মোট কত দিন হলো??  চান্দুঃ ৯ মাস!! বলে ওয়ে ধিনকা চিকা ধিনকা চিকা করে আনন্দে নাচতে শুরু করলো!!  
 
  • স্ত্রী নতুন সিম কিনে তার প্রিয়তম স্বামীকে surprise দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল যে কিনা বেডরুমে বসে ছিল। তাই স্ত্রী রান্নাঘরে গিয়েস্বামীকে নতুন নাম্বার থেকে কল দিলঃ হ্যালো জানু … … … … স্বামীঃ (খুব নিচু স্বরে) ডার্লিং, আমি তোমাকে একটু পরে ফোন দিচ্ছি, ইদুরমুখো মহিলটা এখন রান্নাঘরে, যেকোনো সময় এসে পরবে।  
 
  • স্ত্রীর রান্না ভাল না, তাই স্বামী স্ত্রী কে খোটা দিচ্ছে: স্বামী: তোমার পারফর্মেন্স ভাল হলে আমি বাবুর্চি কে ছাড়িয়ে দিতাম। স্বামীর খোটা শুনে স্ত্রী রেগে গেছে, মুখ ঝামটা দিয়ে বলছে:…
 
  • স্ত্রী: আর তোমার পারফর্মেন্স একরত্তিও ভাল হলে আমি বাবুর্চি, মালী, ড্রাইভার, দারোয়ান এদের সবাইকে ছাড়িয়ে দিতাম। 
 
  • এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি হাওড়া ষ্টেশান থেকে দক্ষিনভারতগামী একটি ট্রেনে উঠেছে। উদ্দেশ্য মধুচন্দ্রিমা। দুজনের চোখে-মুখেই খুশীর ঝিলিক। ট্রেন চলতে শুরু করলো। এমনিতেই এ সি টু টায়ার্স কামরা, তার উপর প্যাসেঞ্জার্সও অনেক কম। স্বামী-স্ত্রী দুজনে সন্ধ্যে নাগাদ রাতের খাবার খেয়ে নিয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।  স্বামী: জান্, কালকে বাজারের ব্যাগটা …রাখতে গিয়ে হাতের কব্জীটায় একটা জোর মচকা লেগেছে, খুব ব্যাথা করছে! স্ত্রী পাশেই বসা ছিল, স্বামীর হাতটা দু-হাতে আদর করে নিজের মুখের কাছে নিয়ে এসে চকাস করে একটা চুমু খেয়ে বললো এই নাও পেইন কীলার! মেঘ না চাইতে জল পেয়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে পড়লো। মনে মনে একটা ফন্দি এঁটে বললো না না! ব্যাথাটা তো এখন আর কব্জীতে হচ্ছে না। এ কাঁধে হচ্ছে।  যেমনটা হবার ছিল তেমনই হল স্ত্রী স্বামীর আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে কাঁধে একটা চকাস, চুমু জি, এই নিন আপনার পেইন কীলার। এরপর স্বামী নিজের ঠোঁট-এর দিকে ইঙ্গিত করতেই স্ত্রী ব্যাথা কমাতে তৎপর হয়ে উঠলো….. এখন হয়েছে কি, আপার বার্থ-এ এক দাদু অনেক্ষণ ধরে যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো, ঘুমোতে পারছিলো না। নীচে বারবার পেইন কীলার পেইন কীলার বলা হচ্ছে শুনে কাতর হয়ে বললেন মামনি, আমার পাইলস এর যন্ত্রনাটা বেড়েছে, একটা পেইন কীলার পাওয়া যাবে, প্লিজ্? 
 
  • সেক্স এজুকেশন কোর্সে তিন পিচ্চি বাজে গ্রেড পেয়েছে।  একজন সি, একজন ডি আর একজন এফ। যে সি পেয়েছে, সে চটে গিয়ে বলছে, ম্যাডাম এটা একটা কাজ করলো? চল বেটিকে শায়েস্তা করি!  যে ডি পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, চল! স্কুল ছুটি হয়ে গেলে যখন কেউ থাকবে না, তখন বেটিকে পাকড়াও করবো …! যে এফ পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, তারপর পাকড়াও করে ম্যাডামের অন্ডকোষে অয়সা জোরসে একটা লাত্থি মারবো না!….. 
 
  • একটি খুব দামি হোটেলে খাওয়া দাওয়া চলছে।  এক মহিলা বুকে গুজে রাখা ন্যাপকিনটা বের করতে গিয়ে টান লেগে তার বুকের বেশ খানিকটা অংশ বের হয়ে আসলো।  পাশে দাড়ানো ওয়েটার ব্যস্ত হয়ে আংগুল দিয়ে চাপ দিয়ে তা আবার গাউনের ভেতর ঢুকিয়ে দিলো। তা দেখে ম্যানেজার ওই ওয়েটারকে ডেকে ধমক দিয়ে বললো, এটা নামিদামি হোটেল এখানে ওসব অসভ্যতা চলবে না। তুমি কোন সাহসে হাত দিলে? ভবিষ্যতে যদি এমন হয় তাহলে চামচ ব্যবহার করবে। 
 
  • প্রতিবেশী বয়েবৃদ্ধ জামিল সাহেব সাবধান করছিলেন সদ্যবিবাহিত রাসেল সাহেবকে। : শোন বউকে আদর করার সময় জানালা বন্ধ করে নিও। আমি চোখে ভাল দেখি না তবু কাল তো ব্যাপারটা আমারই চোখে পড়ে গেল। : কি বলছেন যা তা ! বুড়ো হয়েও ফুচকি মারার অভ্যাসটা ছাড়তে পারেন নাই মনে হয়। আর কাল তো আমি বাসায়ই ছিলাম না।  
  • এক ছোটখাটো গড়নের এক লোক লিফটে উঠে দেখলো যে তার পাশে বিশালাকার এক লোক দাঁড়িয়ে আছে। ছোটখাটো লোকটি অবাক চোখে হাঁ করে বিশালাকার লোকটির দিকে তাকিয়েই থাকলো!  বিশালাকার লোকটি তা খেয়াল করে যা বললো ইংরেজীতে তা হলো, 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle; Tuner Brown! এ কথা শুনে ছোটখাটো লোকটি মুর্ছা গেলো! 😉  বিশালাকার লোকটি তাকে নাড়িয়ে, থাপ্পড় দিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞেস করলো, তোমার সমস্যা টা কি? আমার কথা শুনে অজ্ঞান হওয়ার কি আছে? জীবনে বড় আকারের লোক দ্যাখো নাই? ছোটখাটো লোকটি ভয়ে ভয়ে বললো, আপনি শেষে কি যেন বললেন আবার বলেন তো?  বিশালাকার লোকটি বললো, আমার আকৃতি দেখে সবার এই তথ্য গুলোই জানতে ইচ্ছে করে। তুমি কৌতুহলি হয়ে তাকিয়ে ছিলে, তাই আমি সব এক সাথে বলে দিলাম। 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle. শেষে বলেছি Tuner Brown. Tuner Brown হলো আমার নাম।  ছোটখাটো লোকটি তখন সস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললো, ও তাই বলেন, আমি শুনেছি আপনি শেষে বলেছেন Turn Around!! 
  • রাগী জামাই একদিন তার শ্বশুরকে SMS পাঠালো– YOUR PRODUCT NOT MEETING MY REQUIREMENTS. উত্তর আসলো– WARRANTY EXPIRED, MANUFACTURER NOT RESPONSIBLE..
 
  • বউরা দিবাচর ; আর স্বামীরা নিশাচর  নতুন বিয়ে হওয়া বান্ধবীকে প্রশ্ন করল শায়লা- কী রে তোর বর কেমন? : স্বামী আর পেঁচার মাঝে কোন প্রর্থক্য নেই | : কেন, এমন কথা বলছিস কেন? : বলছি কারন স্বামীরা তাদের বউদের সব ভালো জিনিস শুধু রাতের বেলাই খুজে পায় | 
 
  • কোনটা বেশি দামি?  এক ভদ্র মহিলা প্রচন্ড জোরে কাঁদছেন শুনে একজন জিজ্ঞেস করলো  ম্যাডাম আপনি কাঁদছেন কেন? কী বলবো! গতকাল ডাকাত পড়েছিল আমার ঘরে,সমস্ত গয়না ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। যাক! ইজ্জতটা তো বেঁচে গেছে! ওটা বেচেইতো গয়না কিনেছিলাম।

 

আমার বাড়িতে ফিরে এসেছে

 


আমার বাড়িতে ফিরে এসেছে

এক লোক তার পোষা কবুতরগুলো হাটে তুলেছেন। ক্রেতাকে বলছেন-
বিক্রেতা : এই কবুতরগুলো নেন ভাই, খুবই প্রভুভক্ত।
ক্রেতা : তাই নাকি? তা কেমন করে বুঝলেন খুব প্রভুভক্ত?
বিক্রেতা : আমি যতবারই এগুলো বিক্রি করেছি, ততবারই আমার বাড়িতে আবার ফিরে এসেছে।


আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না

এক গরিব লোকের ঘরে চোর এসে আতিপাতি করে খুঁজে নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না। হতাশ হয়ে চোর যখন চলে যাচ্ছে-
লোক : দরজাটা বন্ধ করে যেও।
চোর : দরজা খোলা থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না।


একটি কেকের দাম কত

রুবেল এক দোকানে গেছে কেক কিনতে-
রুবেল : ভাই কেকের দাম কত?
দোকানদার : দুটি কেকের দাম ২৫ টাকা।
রুবেল : তাহলে এই একটি কেকের দাম কত?
দোকানদার : ১৩ টাকা।
রুবেল : ঠিক আছে, ১২ টাকায় অন্য কেকটি দিয়ে দেন।


সব সম্পদের মালিক তো তুমিই

এক বড় চাষির একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করার জন্য ঘটক এক দিনমজুরকে প্রস্তাব দিলেন।
প্রস্তাব শুনে দিনমজুর বলল-
দিনমজুর : আমাকে কয়েকটা দিন সময় দিন। কিছু টাকাপয়সা রোজগার করে নিই।
ঘটক : টাকাপয়সা রোজগারের চিন্তা তোমাকে করতে হবে না। সব সম্পদের মালিক তো তুমিই হবে। এমনকি বাপ হওয়ার জন্যও তোমার পাঁচ মাসের বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। সবকিছু তৈরিই আছে।


গত রাতে নিশ্বাস নিতে ভুলে গেছিলেন

বাড়ির মালিক মারা গেছেন। চাকর হাউমাউ করে কাঁদছে। প্রতিবেশীরা এসে জিজ্ঞেস করল, ‘কী হয়েছিল তোমার মালিকের?’
চাকর জবাব দিল, ‘ভারি ভুলোমনা মানুষ ছিলেন তিনি। বোধ হয় গত রাতে নিশ্বাস নিতে ভুলে গেছিলেন।’


পাপ ধুয়ে ফেলা

সাধুবাবা তার অনুসারীদের নিয়ে বঙ্গোপসাগরে গেছেন স্নানের জন্য। উদ্দেশ্য পাপ ধুয়ে ফেলা। গোসল শেষ করে সবাই উঠলো কিন্তু সাধুবাবার ওঠার কোন নাম নেই।
তা দেখে একজন বলল, ‘কি সাধুবাবা, আপনি উঠছেন না কেন?’
সাধুবাবা উত্তরে বললেন, ‘বৎস, পাপ ধোয়ার সাথে সাথে গামছাটাও যে চলে যাবে তা ভাবতেই পারিনি।’


টয়লেট পরিষ্কার করি

একদিন ছেলে বসে পড়ছিল তখন বাবা ছেলের পাশে বসল-
বাবা : তুই সারাদিন এমন চুপচাপ থাকিস কেন?
ছেলে : কেন বাবা আমি তো কথা বলি।
বাবা : তোকে অযথা এত বকাঝকা করি অথচ কিছু বলিস না। প্রতিবাদ করিস না।
ছেলে : কেন বাবা, আমি তো প্রতিবাদ করি।
বাবা : কই করিস? আমি যে দেখি না।
ছেলে : কেন বাবা, তুমি বকা দিলে আমি টয়লেটে যাই।
বাবা : টয়লেটে গেলে কি রাগ কমে? টয়লেটে গিয়ে কি করিস?
ছেলে : টয়লেট পরিষ্কার করি।
বাবা : টয়লেট পরিষ্কার করলে কি রাগ কমে?
ছেলে : কেন আমি তোমার দাঁত পরিষ্কার করার ব্রাশ দিয়ে টয়লেট পরিষ্কার করি।


নুন দিলে তো কথাই নেই

কলম মিয়ার মুলার ক্ষেত পোকায় খেয়ে শেষ করে দিচ্ছে। তাই সে গেল কৃষি বিশেষজ্ঞের কাছে।
কলম মিয়া : ডাক্তার সাব, আমার মুলার ক্ষেত তো পোকায় খেয়ে শেষ করে দিল। এখন কী করি?
কৃষি বিশেষজ্ঞ : আপনি এক কাজ করুন। পুরো ক্ষেতে লবণ ছিটিয়ে দিন।
কলম মিয়া : আহা! কী পরামর্শ? নুন ছাড়াই খেয়ে শেষ করি ফেইলছে আর নুন দিলে তো কথাই নেই।


আপনি মা হতে যাচ্ছেন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিক সংকট দেখা দিলে কর্তৃপক্ষ নিয়ম করে দেয়, প্রতি পরিবার থেকে একজন তরুণকে যুদ্ধে অংশ নিতে হবে। জর্জ কোনো ভাবেই যুদ্ধে যাবে না।

মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষার জন্য যখন তার ডাক পড়ল, তখন সে তার গার্লফ্রেন্ডের ইউরিন স্যাম্পল নিজের ইউরিন স্যাম্পল বলে আর্মি হাসপাতালে জমা দিয়ে দিল। তার বান্ধবীর ছিল ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে সে আনফিট ঘোষিত হবে এবং তাকে যুদ্ধে যেতে হবে না।

পরদিনই ঐ তরুণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পেল। কনগ্রাচুলেশন! আপনি অবিলম্বে আমাদের গাইনি বিভাগে যোগাযোগ করুন। কারণ আপনি মা হতে যাচ্ছেন।

পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি

এক বৃদ্ধ লোকের একটি বড় ফার্ম হাউজ ছিলো। ফার্ম হাউজের পেছনে একটা বড় মাছের পুকুর ছিলো। সে সেটাকে কেটে গভীর করলো, কিছু পিকনিক টেবিল বসালো এবং কিছু গাছপালা লাগালো যাতে এটাকে একটা পিকনিক স্পট বানানো যায়।

একদিন বিকালে লোকটি পুকুরের অবস্থা দেখার জন্য চললো। তার হাতে ছিলো একটা বালতি। পুকুরের কাছে আসতেই তার নজরে পড়লো কিছু নারীকণ্ঠ। আরেকটু এগোতেই সে দেখলো স্বল্পবসনা কিছু মেয়ে পুকুরের পাশে হাসি-আনন্দ করছে।

বৃদ্ধ ভাবলো, হয়তো তারা পাশের কোন বাড়ি থেকে এসেছে। নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য সে গলা খাঁকাড়ি দিলো। তার আওয়াজ শুনে মেয়েরা সবাই গলাপানিতে নেমে গেলো। একজন বললো, ‘চাচা, আপনি এখান থেকে না গেলে আমরা উঠবো না।’

বৃদ্ধ বললো, ‘আমি তোমাদের শরীর দেখার জন্য এখানে আসিনি। আমি পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি।`


প্যান্টটিও ধুতে হবে

মিলিটারিদের সাহস পরীক্ষা করছে তাদের প্রধান। এক মিলিটারিকে দূরে দাঁড় করিয়ে রেখে মাথায় লেবু রেখে বন্দুক দিয়ে সেই লেবুটিকে গুলি করল।

মিলিটারিটি একদম নড়ল না। লেবুটি ফেঁটে গিয়ে তার শার্টটিকে নষ্ট করে দিল। তাদের প্রধান তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বললেন-
প্রধান : সাবাস, এই টাকা দিয়ে সাবান কিনে শার্টটি ধুয়ে নিও।
মিলিটারি : তাহলে আরোও ৫০ টাকা দিন, প্যান্টটিও ধুতে হবে।


সেভ করা শুরু করলো

জসিমের সেভ করা দরকার। তাই সে তার পাড়ার নাপিতের কাছে গেল। নাপিত কেবল জসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে, এমন সময় জসিম বলল, ‘আমার গালটা একটু ভাঙা, তাই মসৃণ সেভ হয় না, দয়াকরে খুব সাবধানে মসৃণ সেভ করে দাও।’

নাপিত তখন একটা কাঠের ছোট গোল বল জসিমের গালের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল, তারপর সেভ করা শুরু করলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই জসিম বুঝতে পারল, আসলেই খুব ভালো ও মসৃণ সেভ হচ্ছে। গালের ভিতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় জসিম বলল, ‘খুব ভালো। কিন্তু এখন যদি আমি বলটি গিলে ফেলি তাহলে কী হবে?’

নাপিত একটুও বিচলিত না হয়ে বলল, ‘ওইটা কোনো ব্যাপার না, সবাই যেমনে পরের দিন ফিরত দিয়া যায়, আপনেও কাইলকা আইসা ফিরত দিয়া যাইয়েন।’


গাড়ির বদলে একটা নতুন গাড়ি

এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ি দুর্ঘটনায় একেবারে চুরমার হয়ে গেছে। তিনি তার গাড়ি যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকা দাবি করলেন। কোম্পানির ম্যানেজার বললেন-
ম্যানেজার : আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না। আপনাকে গাড়ির বদলে একটা নতুন গাড়ি দেয়া হবে।
ভদ্রলোক : আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা, সে মরে গেলেও কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন?

Bangla jokes for fun, Mojar jokes, excellent funny jokes, Gopal varer golpo, matal jokes provided by mojarjokes.com


পিঁপড়ারা বুঝতে না পারে

একজন মুদির দোকানে গেছে চিনি কিনতে। দোকানদার প্যাকেট করতে যাচ্ছিল এমন সময়…
ক্রেতা : সেকি! আমি তো আপনাকে চিনি দিতে বলছি। আপনি আমাকে লবণ দিচ্ছেন কেন?
বিক্রেতা : কই! আমি তো আপনাকে চিনিই দিচ্ছি।
ত্রেতা : তাহলে বস্তার গায়ে ‘লবণ’ লেখা রয়েছে কেন?
বিক্রেতা : যাতে করে পিঁপড়ারা বুঝতে না পারে!


ট্রেনের ডানপাশে যাচ্ছে সিলেট আর বামপাশে যাচ্ছে চট্টগ্রাম

কোনো এক যাত্রী সিলেটগামী ট্রেনের পরিবর্তে চট্টগ্রামের ট্রেনে উঠে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর ট্রেনের অন্য এক যাত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন—
প্রথম যাত্রী : কোথায় যাওয়া হচ্ছে ভাই?
দ্বিতীয় যাত্রী : সিলেট।
প্রথম যাত্রী : বিজ্ঞানের কী বিস্ময় দেখুন, একই ট্রেনের ডানপাশে যাচ্ছে সিলেট আর বামপাশে যাচ্ছে চট্টগ্রাম।


আয়নাটার দাম কত

মেয়ে : আয়নাটার দাম কত?
দোকানদার : ৩শ’ টাকা!
মেয়ে : এত দাম কেন? এটার মধ্যে কি কোন বিশেষ গুণ আছে?
দোকানদার : হ্যাঁ, অবশ্যই। এই আয়না ১শ’ তলা বিল্ডিংয়ের ওপর থেকে ছেড়ে দিলে ৯৯ তলা পর্যন্ত ভাঙবে না!
মেয়ে : ওয়াও, তাহলে এটা প্যাক করে দিন!


ডেডবডি আগের স্টেশনে নামিয়ে নিয়ে গেল

এক যাত্রী ট্রেনের অ্যাটেন্ডেন্ট লালুকে ১০০ টাকা দিয়ে বলল-

যাত্রী : আরেকটু বরফ আনো তো, লাস্ট পেগটা মারি।
লালু : আর তো বরফ পাওয়া যাবে না স্যার।
যাত্রী : কেন?
লালু : ডেডবডি আগের স্টেশনে নামিয়ে নিয়ে গেল যে।


ব্যাটাছেলের কাপড়ই ছিল

বিচারক : চুরি করার সময় একবারও তোমার স্ত্রী আর মেয়ের কথা মনে হয়নি?
চোর : হয়েছে, হুজুর।
বিচারক : তারপরও চুরি করলে কেন?
চোর : কিন্তু দোকানটায় শুধু ব্যাটাছেলের কাপড়ই ছিল।

 

 

সোনার মূল্য দ্বিগুণ || bangla funn jokes

 


সোনার মূল্য দ্বিগুণ

মালিক তার কর্মচারীটিকে বোকাসোকাই জানত। আর তাই-
মালিক : আমি বাইরে যাচ্ছি, যদি কোনো ক্রেতা আসে তাহলে বলবি, সোনার মূল্য দ্বিগুণ।
কর্মচারী : জি, ঠিক আছে।

কিছুক্ষণ পর মালিক এসে-
মালিক : আমি যেমন বলেছিলাম তেমন করেছিস তো।
কর্মচারী : হ্যাঁ, এক লোক সোনা বিক্রি করতে এসেছিল। সে এক ভরি ৪৪ হাজার টাকা চাইল। আমি বললাম, ৮৮ হাজারের এক টাকাও কম দেয়া সম্ভব না।

*** ১০ ভরি কিনে ফেলেছি


মরার পরে আমাদের নাম রাখা হয়

একটি মুরগির বাচ্চা লাফাতে লাফাতে এসে মাকে জিজ্ঞেস করল-
বাচ্চা : মা, মানুষের জন্ম হলে তাদের বাবা-মায়েরা কত নাম রাখে। কিন্তু আমাদের নাম নেই কেন?
মুরগি : আমাদেরও নাম রাখা হয় বাবা, তবে মরার পর। মরার পরে আমাদের নাম রাখা হয়।
বাচ্চা : কী নাম রাখা হয়?
মুরগি : চিকেন টিক্কা, চিকেন কাবাব, চিকেন পাকোড়া, চিকেন পক্স, চিকেন কোরমা, চিকেন তন্দুরি ইত্যাদি! আর যে মুরগি মানুষে মারার আগে নিজে নিজে মরে যায়, তার নাম দেয় মরা মুরগি।


দু’টো পাথর চিবোতে পারেন না

শাশুড়ি : তোমার দু’টো চোখ আছে কী করতে? চাল থেকে দু’টো পাথর বাছতে পার না? রোজ খেতে বসে একই জিনিস দাঁতে লাগে।
বউ : আপনার বত্রিশটা দাঁত আছে কী করতে? দু’টো পাথর চিবোতে পারেন না?


২ চাকার জন্য পার্কিং

কিসলু একদিন নিজের অটোরিকশায় করে প্রেমিকা মলিকে নিয়ে শপিং মলে ঘুরতে গেছে। পার্কিংয়ে গাড়ি দাঁড় করিয়ে কিসলু অটোর একটা চাকা খুলতে শুরু করল-
মলি : অটোর চাকা খুলছ কেন?
কিসলু : দেখতে পাচ্ছ না এখানে লেখা আছে ২ চাকার জন্য পার্কিং?


ইয়ারকি মারার মুডে থাকে তখন

মেয়ে : আচ্ছা দাদা, ভালোবাসা কখন হয়?
ছেলে : যখন রাহু, কেতু এবং শনির দশা চলে, সঙ্গে মঙ্গলও খারাপ আর ভগবান তোমার সঙ্গে ইয়ারকি মারার মুডে থাকে তখন!


ডিভোর্সের ঘটনা ঘটতো না

আদালতে প্রেমের বিয়ের ডিভোর্সের মামলা চলছে-
১ম আইনজীবী: প্রেমের সময়ে ছেলেরা যতটা আন্তরিক থাকে, বিয়ের পরে যদি তার অর্ধেকও থাকতো। তবে এত ডিভোর্সের ঘটনা ঘটতো না, স্যার।
২য় আইনজীবী: বিয়ের পরে মেয়েরা যে আচরণ করে; বিয়ের আগে যদি তার এক চতুর্থাংশও করতো, তাহলে কিন্তু স্যার, প্রেমের সূত্রে কোনো বিয়েই আর হতো না।


আপনাকে ৪০ টাকাই দিতে হবে

চিঠি পোস্ট করতে পোস্ট অফিসে গেছে নিতু-
কর্মকর্তা : চিঠিটা যদি দ্রুত পৌঁছাতে চান, খরচ পড়বে ৪০ টাকা। আর যদি স্বাভাবিক নিয়মেই পাঠাতে চান, তাহলে খরচ পড়বে ৫ টাকা।
নিতু : সমস্যা নেই, আমার তেমন কোনো তাড়া নেই। প্রাপক তার জীবদ্দশায় চিঠিটা পেলেই হলো।
কর্মকর্তা : তাহলে আপনাকে ৪০ টাকাই দিতে হবে!


ট্রেন দুর্ঘটনা দেখার শখ

রেলওয়েতে চাকরির ইন্টারভিউ হচ্ছে। একটি চটপটে ছেলেকে সবার পছন্দ হল। চেয়ারম্যান একটু যাচাই করে নিতে চাইলেন-
চেয়ারম্যান : ধর, একটা দ্রুতগামী ট্রেন আসছে। হঠাৎ দেখলে লাইন ভাঙা। ট্রেনটা থামানো দরকার। কী করবে তুমি?
প্রার্থী : লাল নিশান ওড়াব।
চেয়ারম্যান : যদি রাত হয়?
প্রার্থী : লাল আলো দেখাব।
চেয়ারম্যান : লাল আলো যদি না থাকে?
প্রার্থী : তা হলে আমার বোনকে ডাকব।
চেয়ারম্যান : বোনকে! তোমার বোন এসে কী করবে?
প্রার্থী : কিছু করবে না। ওর অনেক দিনের শখ একটা ট্রেন দুর্ঘটনা দেখার!


৩২টা ঘুসি মেরে পেয়েছি

পাপ্পু একবার এক দোকানে গেছে রেসলিং এ জয়ী হওয়া ঘড়ি ঠিক করার জন্য-
পাপ্পু : আমি আমার এই ঘড়িটা ঠিক করতে চাই। কত টাকা লাগবে?
দোকানদার : আপনি যা দিয়ে কিনেছেন তার অর্ধেক দিলেই চলবে।
পাপ্পু : আমি ঘড়িটা ৩২টা ঘুসি মেরে পেয়েছি। তো কয়টা দিতে হবে?


মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড

হঠাৎ বাসায় কলিংবেল। গৃহকর্ত্রী গেলেন দরজা খুলতে। খুলেই তিনি অবাক, এক কাজের বুয়া দাঁড়িয়ে আছে।
গৃহকর্ত্রী : কে আপনি?
মহিলা : আপা, আমি আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড। গতকাল আপনি একটা স্ট্যাটাস দিলেন যে, আপনার বাসার কাজের বুয়া চইলা গেছে। সেইটা দেখার পর আমি আমার আগের বাড়ির কাজ ছাইড়া আপনার বাড়ি চইলা আইলাম।
গৃহকর্ত্রী : বাসার ঠিকানা কোথায় পেলে?
মহিলা : আপা, আপনার ছেলে দিছে। ও আবার আমার মাইয়ার ফেসবুক ফ্রেন্ড।


তার অনেকগুলো গার্লফ্রেন্ড

এক ছেলেকে তার মা বলছেন-
মা : খারাপ ছেলেদের সাথে মিশবি না।
ছেলে : ঠিক আছে মা।

এরপর থেকে ছেলেটি আর ছেলেদের সাথে মেশে না। কেননা সে তার মায়ের কথা রাখছে।
কিছুদিন পর তার মা দেখলেন, এখন তার অনেকগুলো গার্লফ্রেন্ড।

অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার

 


অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার

বস: অফিসে যেসব পুরুষ অধিক সময় কাটায়, হামেশা ওভারটাইম করে তারা আসলে খুব পরিশ্রমী। এদের স্ত্রীরা খুব সুখী।
বল্টু: না স্যার! আসল কারণ হইলো- হয় বাড়িতে এরা সারাক্ষণ বউয়ের নির্যাতনের শিকার নয়তো অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার।


তুমি অবশ্যই আমেরিকান

এক পাগল এক চাইনিজকে জিজ্ঞেস করছে-
পাগল : তুমি কি আমেরিকান?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : তুমি আমেরিকান না?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : মিথ্যা বলছ, তুমি অবশ্যই আমেরিকান।
চাইনিজ : হ্যাঁ বাবা। আমি আমেরিকান। খুশি?
পাগল : কিন্তু চেহারা দেখে তো মনে হয় তুমি চাইনিজ।


ওটা লন্ড্রির দোকান

এক লোকের স্ত্রী বেড়াতে এসে এক জায়গায় একটা সাইনবোর্ড দেখল। তাতে লেখা- ‘বিশাল মূল্য ছাড়। সিল্কের শাড়ি ১০ টাকা, জামদানি ৮ টাকা ও সুতি শাড়ি ৫ টাকা’ দেখে সে তার স্বামীকে বলল-
স্ত্রী : দেখো জান, কী বিশাল ডিসকাউন্ট, অবিশ্বাস্য। এখনই আমাকে ৩০০ টাকা দাও। ইচ্ছেমতো শাড়ি কিনে আনি।
স্বামী : এতো উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই। ওটা লন্ড্রির দোকান।


এই গুণটা থাকা কী বাধ্যতামূলক

ক্রিসমাসের আগে এক সান্তাক্লজ হোয়াইট হাউসে ওবামার সাথে দেখা করতে গিয়েছে-
ওবামা : আপনার জীবনের একটি ইচ্ছের কথা বলুন।
সান্তাক্লজ : আমি আগামীবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াতে চাই।
ওবামা : আপনি কী পাগল হয়েছেন?
সান্তাক্লজ : এই গুণটা থাকা কী বাধ্যতামূলক?


সম্পর্ক তো আমার চেয়ে অনেক বেশি

বল্টু তার বড় ভাইকে বলছে-
বল্টু: প্লিজ, মার কাছে সিনেমার পয়সা চাও।
ভাই : তুই চা না! মা তো শুধু আমার না, তোরও।
বল্টু: তা বটে, তবে তার সঙ্গে তোমার সম্পর্ক তো আমার চেয়ে অনেক বেশি দিনের, ঠিক না?


ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গেল এইমাত্র

নদীর পাড়ে ছবি তুলছে ফটোগ্রাফার। এক মহিলা ছুটে এলো তার দিকে-
মহিলা : জলদি আমার সঙ্গে চলুন, প্লিজ! আমার বান্ধবী পানিতে ডুবে যাচ্ছে।
ফটোগ্রাফার : ইস! একটু আগে যদি বলতেন! আমার ক্যামেরার ফিল্ম শেষ হয়ে গেল এইমাত্র!


মাঝে-সাঝে মাথাটাও কাজে লাগাও

মাথায় মারাত্মক আঘাত নিয়ে বল্টু গেছে ডাক্তারের কাছে-
বল্টু: ডাক্তার, তাড়াতাড়ি কিছু করো! আহ্, শেষ হয়ে গেলাম!
ডাক্তার: কীভাবে এমন হলো!
বল্টু: আর বলো না। বাড়ির কাজের জন্য পাথর দিয়ে ইট ভাঙছিলাম। সামনে দিয়ে এলাকার স্কুলের মাস্টার যাচ্ছিল। সে বলল, ‘বল্টু, মাঝে-সাঝে মাথাটাও কাজে লাগাও’।
ডাক্তার: তো কী হয়েছে?
বল্টু: তার কথামতো পাথরের বদলে মাথা দিয়ে ইট ভাঙার চেষ্টা করলাম।


আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো

নারী: হ্যালো! এটা কি কাস্টমার কেয়ার?
কর্মকর্তা: হ্যাঁ, ম্যাডাম বলুন। আমরা কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
নারী: বলছি আমার ছেলেটা আমার সিমটা খেয়ে ফেলেছে।
কর্মকর্তা: দেখুন, আপনি ওকে ইমিডিয়েট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, এখানে ফোন করে সময় নষ্ট করছেন কেন?
নারী: না, আমি বলছিলাম আমার সিমটাতে ২০০ টাকার টকটাইম আছে।
কর্মকর্তা: তাতে কি?
নারী: যতক্ষণ না পর্যন্ত সিমটা বের করা হচ্ছে; ততক্ষণ আমার ছেলেটা যদি কথা বলে তাহলে আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো!


সিভিতে উল্লেখ কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতার

প্রশ্নকর্তা: আপনি সিভিতে উল্লেখ করেছেন- কোমর পানিতে, নোংড়া পানিতে সাঁতারে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। চাকরি তো করবেন অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে। তার ওপর কোমর পানিতে-নোংড়া পানিতে সাঁতার! এসব কী! সিভিতে কেউ এ কথা লেখে?
বল্টু: স্যার, আমি আসলে বোঝাতে চেয়েছি- ঢাকায় ঝুম বৃষ্টি হলেও অফিসে পৌঁছাতে অসুবিধা হবে না আমার!
প্রশ্নকর্তা: সরি, আপনাকে ভুল বোঝার জন্য! আপনি আজই জয়েন করুন! আপনার মতো লোকই তো খুঁজছিলাম এতদিন!


আজ আমাদের রুটি ছিল না

এক লোক রেস্টুরেন্টের সামনে একটি অদ্ভুত বিজ্ঞাপন দেখে দাঁড়াল। বিজ্ঞাপনে লেখা আছে, ‘আমরা যদি আপনার অর্ডার অনুযায়ী খাবার দিতে ব্যর্থ হই তাহলে আপনাকে ৫০০ টাকা দেয়া হবে।’

লোকটা ভেতরে ঢুকতেই ওয়েটার এল। সে তাকে এক গ্লাস বাঘের দুধ আর দু’টি রুটি দিতে বলল। ওয়েটার অর্ডার লিখে কিচেনে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যানেজার পাঁচটি ১০০ টাকার নোট নিয়ে ফিরে এল।

টাকাগুলো টেবিলে রেখে বলল, ‘এই নিন আপনার টাকা। গত ১০ বছরে এই প্রথম আজ আমাদের রুটি ছিল না।’

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি



 

 একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি

 বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!

সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

 

ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স

জুতা পছন্দ করতে গিয়ে দোকানের প্রায় সব ডিজাইন উল্টেপাল্টে দেখছেন লাবনী। এতে জুতার শো-রুম একেবারে তছনছ হয়ে গেল। কিন্তু পছন্দ হলো না একটিও। এ সময় তার নজর পড়ল অন্যরকম একটি বাক্সের ওপর-
লাবনী : ওই বক্সটা একটু দেখান, প্লিজ। ওটার ভেতরে যে ডিজাইনটা আছে, তা দেখবো।
দোকানদার : দয়া করেন আপা, ওইটা আর দেখতে চাইবেন না!
লাবনী : এটা কেমন কথা! কাস্টমার দেখতে চাচ্ছে।
দোকানদার : আপা, ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স!

খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে

ওসি: ক্রেডিট কার্ড হারানোর সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্ট করেননি কেন?
মন্টু: কার্ডটা চুরি হওয়ার পর দেখলাম চোর আমার বউয়ের থেকে কম খরচ করছে,
ওসি: এখন রিপোর্ট করাতে আসছেন কেন?
মন্টু: এখন মনে হচ্ছে কার্ডটা এবার চোরের বউয়ের হাতে পড়েছে, খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে।

হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না

পল্টু ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল-
পল্টু: স্যার, আঙুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তাহলে স্যার কতদিন পরে উঠবে?
অফিসার: একবছর পর যাবে।
পল্টু: তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার?
অফিসার: কেন?
পল্টু: চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না।


তোর ভাবির সাথে

একদিন হাবলু হঠাৎ তার ভাবিকে ধরে প্রচুর মারধর করতে লাগল! সবাই অবাক হয়ে হাবলুকে থামালো আর জিজ্ঞেস করল-
প্রতিবেশী : তুমি তোমার ভাবিকে মারছ কেন?
হাবলু : আমার ভাবি ভালো মহিলা না!
প্রতিবেশী : তুমি কীভাবে বুঝলা?
হাবলু : আর বইলেন না! আমি আমার যেই বন্ধুকেই ফোনে কথা বলতে দেখে জিজ্ঞেস করি, কার সাথে কথা বলিস? সেই বন্ধুই উত্তর দেয়, তোর ভাবির সাথে!


ছেলেকে পিটানোর জন্য না

মা: বজ্জাত ছেলে কোথাকার! এতবার বলি, তারপরেও সোফায় শুয়ে থাকিস। আজ জুতিয়ে তোকে সিধা করবো,
বল্টু: মা! মা! আর হবে না এমন এবারের মতো,
মা: আর হবে না কেন? তুই আবার করবি এই কাজ! সোফা হচ্ছে বসার জন্য, এটা তো শোয়ার জন্য না,
বল্টু: মা, স্যান্ডেলও তো পায়ে দেওয়ার জন্য, ছেলেকে পিটানোর জন্য না!


এবার মাফ করেন

এক ফকির পিচ্চি মেয়েকে বলছে-
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটা।
পিচ্চি : আমি বেটা না, বেটি।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটি।
পিচ্চি : আমার নাম স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে স্বর্ণা।
পিচ্চি : আমার পুরা নাম নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
পিচ্চি : হ্যাঁ, এখন ঠিক আছে! এবার মাফ করেন।

 

 

আজকের কৌতুক : মুরগির বয়স জানার উপায় কী?

 


মুরগির বয়স জানার উপায় কী?
বিকেলে জঙ্গলের মধ্যে দুটি শেয়ালের কথোপকথন। শিশু শেয়াল প্রশ্ন করল বয়স্ক শেয়ালকে—
শিশু: মুরগির বয়স জানার উপায় কী?
বয়স্ক: দাঁতের মাধ্যমে।
শিশু: কিন্তু মুরগির তো দাঁত নেই।
বয়স্ক: আমাদের তো আছে।

পেছন পেছন দৌড়াতে হবে
এক কুকুর বলছে আরেক কুকরকে—
প্রথম কুকুর: চলো না, ঘুরতে বেরোই! পথে এটা-ওটা শুঁকব, এটা-ওটা খুঁজব, চাটব… চলো না! বেকার বসে থাকতে আর ভালো লাগছে না।
দ্বিতীয় কুকুর: না রে, ভাই, আজ যেতে পারব না। অনেক কাজ আছে।
প্রথম কুকুর: কী কাজ?
দ্বিতীয় কুকুর: আমার মালিক আজ তার জমিতে সার দেবেন। আমাকে তার পেছন পেছন দৌড়াতে হবে।

****

প্রেমিকার খোঁজে হাতির বাসায় মশা
হাতির বাসায় হঠাৎ কলিং বেল বাজল। দরজা খুলল হাতি। দেখল একটি মশা দাঁড়িয়ে আছে—
মশা: হস্তিনী বাসায়?
হাতি: না। বাইরে গেছে।
মশা: ঠিক আছে। ফিরলে বলো, তার বয়ফ্রেন্ড এসেছিল।

 

মোমের ব্যবহার


মোমের ব্যবহার

মহিলা হোষ্টেলে হঠাৎ বিদ্যুৎ নষ্ট হয়ে গেলে, ওয়ার্ডেন বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলো, ”হ্যালো বিদ্যুৎ অফিস? আপনার লোকজন কেশিগ্গির পাঠিয়ে দিন, মেয়েরা সবাই মোমবাতি ব্যবহার করছে!”

 বিয়ের পর শশুরবাড়িতে নতুন বউকে

শাশুড়ি বলছে: মা আজ থেকে তুমি এ বাড়িরই একজন সদস্য। আমার
মেয়ে তুমি, আমাকে তুমি মা ডাকবে।
নতুন বউ : আচ্ছা মা।
সারা দিনের কাজ শেষে জামাই বাসায় আসছে কলিংবেল বেজে উঠলো।
শাশুড়ি : এই কে এলো, দেখোতো বউ মা ?
নতুন বউ : মা! মা!! ভাইয়া এসেছে।

 দুঃখিত সুভাষ আফিসে নেই

বড় বাবু টেলিফোন ধরে শুনলেন , অন্য দিক খুব বয়স্ক একজন লোক কাঁপা কাঁপা গলায় বলছেন – মাফ করবেন আপনাদের অফিসের সুভাষকে একটু ডেকে দেবেন?
কে বলেছেন ?- বড় বাবু জিজ্ঞেস করলেন
আমি ওর ঠাকুদা বলছি – জবাব এলো
বড় বাবু এবার গম্ভীর ভাবে বললেন- দুঃখিত সুভাষ আফিসে নেই । সে আপনাকে পোড়াতে গিয়েছে।
Surprised

ঝড় থেকে বাঁচার দোয়া | Very Funny Jokes


ঝড় থেকে বাঁচার দোয়া

আকাশে ঝড়ের কবলে পড়েছে উড়োজাহাজ। এয়ার হোস্টেস এসে জিজ্ঞেস করল-
এয়ার হোস্টেস : ঝড় থেকে বাঁচার দোয়া কেউ জানেন?
মন্টু : আমি জানি, ম্যাম!
এয়ার হোস্টেস : তাহলে আপনি দোয়া পড়তে থাকেন, স্যার! বাকি সবাই লাইফ জ্যাকেট পাবেন। আমাদের লাইফ জ্যাকেট একটা কম আছে তো।


গড ব্লেস ইয়্যু মাই সন

প্রতিদিন সামান্য ব্যাপার নিয়ে চিৎকার করে বাড়ি মাথায় তোলা তোর মা আজকে এতো চুপচাপ বসে আছে কেন রে? ছেলে: তেমন কিছুনা বাবা। মা আমার কাছে লিপস্টিক চেয়েছিল, কিন্তু আমি শুনেছি গ্লু স্টিক! বাবা: গড ব্লেস ইয়্যু মাই সন!


টিকটিকি না হইয়া কুমির

১ম টিকটিকি : ধুর, আজকে হঠাৎ বাপ-মার উপর চরম জিদ উঠছে।
২য় টিকটিকি : কেন বন্ধু? হঠাৎ বাপ-মার উপর জিদ কেন?
১ম টিকটিকি : আরে আজকে টিভিতে হরলিক্সের অ্যাড দেখলাম।
২য় টিকটিকি : তো?
১ম টিকটিকি : ছোটবেলায় বাপ-মা যদি নিয়ম কইরা হরলিক্স খাওয়াইতো তাইলে কি হইতো বুঝস নাই?
২য় টিকটিকি : না তো। কি হইতো?
১ম টিকটিকি : আরে ব্যাটা, আমরা তাইলে টিকটিকি না হইয়া কুমির হইতাম!


আলুর বস্তায় বিড়াল

গেরস্তের তাড়া খেয়ে তিন চোর গিয়ে ঢুকল এক আলুর গুদামে। ঢুকেই তিনজন চটপট তিনটা আলুর বস্তার ভেতর ঢুকে পড়ল।

ছুটতে ছুটতে গেরস্তও এসে ঢুকলেন আলুর গুদামে। কী মনে করে যেন হাতের লাঠি দিয়ে একটা বস্তায় খোঁচা দিলেন। ভেতর থেকে শব্দ এলো, ‘ম্যাঁও’। ‘ওরে, আলুর বস্তায় কখনো বিড়াল থাকে?’ বলেই গেরস্ত বস্তার ভেতর থেকে প্রথম চোরকে পাকড়াও করলেন।

আরেকটা বস্তায় খোঁচা দিতেই ভেতর থেকে শব্দ এল, ‘ঘেউ-ঘেউ’! ‘ওরে, আলুর বস্তায় কখনো কুকুর থাকে?’ বলেই গেরস্ত বস্তার ভেতর থেকে দ্বিতীয় চোরকে পাকড়াও করলেন।

এবার আরেকটা বস্তায় খোঁচা দিতেই এবার ভেতর থেকে শব্দ এল, ‘আলু, আলু’!


জীবন দিলি, তবুও ইজ্জত দিলি না

একটি মোরগ একটি মুরগিকে তাড়া করছিল। আর মুরগির মালিক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখছিল। তো মোরগ মুরগিকে তাড়া করতে করতে হঠাৎ মুরগিটি একটি গাড়ির নিচে পড়ে মারা গেল। আর তখনই মুরগির মালিকের চিৎকার-
‘বাহ! সাবাস মুরগি, সাবাস। জীবন দিলি, তবুও ইজ্জত দিলি না। সাবাস!’


ক্যারিয়ারটাই বরবাদ কইরা দিলো

একদিন এক মশা আরেকটি মশাকে বলে-
১ম মশা : এই তুই বড় হইয়া কি হবি?
২য় মশা : আমি ডাক্তার হমু, তুই কি হবি?
১ম মশা : আমি, আমি বড় হইয়া ইঞ্জিনিয়ার হইমু চিন্তা করতাছিএমন সময় একজন এসে মশা মারার ওষুধ ছিটালো। তখন মশাগুলো অজ্ঞান হতে হতে বলে উঠল-
মশা : ধুর, ক্যারিয়ারটাই বরবাদ কইরা দিলো


আমার এইডস হইছে

আসুন দেখা যাক পশু-পাখিরা ফেসবুকে থাকলে তাদের স্ট্যাটাস কেমন হত-
তেলাপোকা : আজ বহুত কষ্টে এক মাইয়ার পায়ের তলা থাইক্যা বাঁচলাম। আমারে দেইখ্যা যে চিৎকারটা না দিলো, অল্পের জন্য হার্ট অ্যাটাক করি নাই। আল্লাহ বাঁচাইছে।

বিড়াল : হায় আল্লাহ, এ কী বিপদে পড়লাম! আমার সাত নাম্বার বাচ্চা জানতে চাইতেছে ওর বাপ কে! কী জবাব দিব বুঝতেছি না। আমি নিজে জানলে তো!

শুকর : কোন পাজি যে ছড়াইতেছে, আমরা নাকি ফ্লু ছড়াইতাছি। একবার খালি পাইয়া লই।

মুরগী : কাল থেকে যদি আমার স্ট্যাটাস না পান তবে বুঝবেন ফাস্ট ফুডে আমারে সার্ভ করা হইতেছে।

মশা : সবাই ভালো থাকবেন। আজকের এই স্ট্যাটাস হয়ত বা আমার শেষ স্ট্যাটাস। আমার এইডস হইছে। কোন দুঃখে যে ওর রক্ত খাইতে গেছিলাম। আমি আর এ পৃথিবীতে মুখ দেখাবো কেমনে? তাই মৃত্যুই শ্রেয়। বিদায় বন্ধু বিদায়।


একটু আগে একটি ব্যাগ পেয়েছি

গানের অনুষ্ঠান চলার সময় বল্টু একবার এফএম রেডিও’র আরজেকে ফোন দিলো-
বল্টু : হ্যালো।
আরজে : জি, আমি আরজে আবু বলছি।
বল্টু : আমি রাস্তায় একটু আগে একটি ব্যাগ পেয়েছি। যাতে ৫০ হাজার টাকা, একটা ক্রেডিট কার্ড আর কাশেম নামের এক লোকের পরিচয়পত্র পেয়েছি।
আরজে : তাই? আপনি কত সৎ যে এত কিছু পেয়েও কাশেম সাহেবকে সব কিছু ফিরিয়ে দিতে চাচ্ছেন। আমি কি এখনি কাশেম সাহেবকে আপনার সাথে কনট্যাক্ট করার জন্য রেডিওতে বলে দিবো?
বল্টু : আরে ঐ সব বাদ দেন, আমি আপনাকে ফোন দিছি কারণ কাশেম সাহেব এখন কষ্টে আছেন, তাই তাকে একটা দুঃখের গান ডেডিকেট করতে চাই আপনার রেডিওর মাধ্যমে।


আম্পায়ার তো আমার ওপাশে

স্বর্গ ও নরকের মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ হবে। তাই খুব উত্তেজনা। দুই পক্ষই যার যার দল নিয়ে খুব আশাবাদী।
ঈশ্বর অবাক হয়ে শয়তানকে প্রশ্ন করলেন, ‘তুমি জয়ের আশা করছ কীভাবে? সব ভালো খেলোয়াড় তো স্বর্গে আছেন।’
শয়তান মুচকি হেসে জবাব দিল, ‘তাতে সমস্যা নেই। সব আম্পায়ার তো আমার ওপাশে।’


তোমার চুল কাটানোটা ভালো হয়েছে

আগামী ম্যাচ হচ্ছে টিমের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই দলের অন্যতম ফাস্ট বোলার পুরো সপ্তাহ ধরে কঠিন পরিশ্রম করলেন। পুরো সপ্তাহ তিনি নেটে অনুশীলন করে কাটালেন। সবশেষে ম্যাচের আগের দিন মাঠে প্রাকটিসের এক ফাঁকে কোচকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কোনো পার্থক্য কি চোখে পড়ছে?’
কোচ তাঁকে আগাগোড়া একনজর দেখলেন। তারপর বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার চুল কাটানোটা ভালো হয়েছে।’


তুমি ওটাও মিস করবে

একটা ফ্রি হিট মিস করে ব্যাটসম্যান বলছিল, ‘ইস, কী একটা চান্স মিস করলাম! মন চাইছে নিজেকেই নিজে পেটাই।’ তার আক্ষেপ শুনে এক সমর্থক মন্তব্য করে বসে, ‘সে চেষ্টা করো না, তুমি ওটাও মিস করবে।’


ভালো অঙ্কের টিউটর

বাবা : আজ স্কুলের টিচার কী বললেন?
হাবলু : বললেন তোমার জন্য একজন ভালো অঙ্কের টিউটর রাখতে।
বাবা : মানে?
হাবলু : মানে, তুমি হোমওয়ার্কের যে অঙ্কগুলো করে দিয়েছিলে সব ভুল ছিল।


আমি ওর বউকে মারলাম

রুবেলের মেয়ে তার বরের সাথে ছয় মাস পর ফিরে এসেছে কাঁদতে কাঁদতে-
রুবেল : এই কী হয়েছে, কাঁদছিস কেন?
মেয়ে : বাবা, তোমার জামাই আমাকে বাম গালে মেরেছে।

এই শুনে রুবেল তার মেয়ের ডান গালে পটাস করে একটা চড় মারলো-
মেয়ে : কী হল, মারলে কেন?
রুবেল : দেখ মা, আমার মেয়েকে ও মেরেছে, আমি ওর বউকে মারলাম।


অফিসের বড়কর্তার কাণ্ড

অফিসের নতুন বড়কর্তা কাজের ব্যাপারে খুব কড়া। কাউকে একবিন্দু ছাড় দেন না। চাকরির প্রথম সপ্তাহেই একদিন ক্ষেপে গেলেন তিনি। রেগেমেগে রুম থেকে বের হয়েই এক লোককে পাকড়াও করলেন। অফিসের সবার সামনে চিৎকার করে বললেন-
বড়কর্তা : তুমি সপ্তাহে কত টাকা মাইনে পাও, শুনি?
লোক : ৩ হাজার টাকা।

বড়কর্তা তার মুখের ওপর ৩ হাজার টাকা ছুড়ে দিয়ে বললেন-
বড়কর্তা : এই নাও তোমার এ সপ্তাহের মাইনে, আর বেরিয়ে যাও।

লোকটি বের হয়ে যাওয়ার পর বড়কর্তা বললেন-
বড়কর্তা : প্রয়োজন হলে এভাবেই অফিসের প্রত্যেককে বের করে দেব আমি। যা হোক, ওই লোকটা আমাদের অফিসে কী কাজ করে?
কর্মচারী : স্যার, ও আমাদের এখানে পিৎজা ডেলিভারি দেয়।

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়

 

ফাঁদ

মেয়েদের বলা সবচেয়ে বড় মিথ্যা, ‘কী হয়েছে বলো আমাকে, আমি একদমই রাগ করব না।’

এই ফাঁদে পা দিছুইন তো মরছুইন।

 

লাইক

: তোমার ব্যবসা কেমন চলছে?

: জি আম্মা, ভালোই।

: আগে কয়টা লাইক পাইতা, এখন কয়টা লাইক পাও?

: খারাপ না।

: লাইক দিয়ে সংসার চালানো যায়?

: থ্যাংক ইউ, আম্মা।

: থ্যাংক ইউ কেন?

: ভাবতেছি এইটা নিয়ে একটা স্ট্যাটাস দিমু।

মাজহার মিথুন

 

জীবন থেকে শিক্ষা

থ্রি ইডিয়ট শিখিয়েছে—‘বন্ধু যখন ফেল করে অনেক কষ্ট লাগে, কিন্তু বন্ধু যদি প্রথম হয়ে যায় তখন আরো বেশি কষ্ট লাগে।’

আমি শেখাচ্ছি—‘বন্ধু যখন বেকার থাকে তখন অনেক কষ্ট লাগে, কিন্তু বন্ধু যখন ভালো চাকরি পেয়ে যায় তখন আরো বেশি

কষ্ট লাগে।’

অনামিকা মণ্ডল

 

ছড়া

কেউ জানে না, আমি তো জানি

তুমি আমার,

কারণ তোমার বাপের আছে

ডিমের খামার।

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

 

পজিশন

বন্ধু : সংসারে আপনার পজিশন কী?

স্বামী : সব সময়ই অপজিশন।

খায়রুল বাবুই

 

 

এ যুগের কনসার্ট

একটা কনসার্টে গেলাম সেদিন। গেটে টিকিট দেখালাম। ইভেন্টের অর্গানাইজারের পক্ষ থেকে যে ছেলেটা টিকিট চেক করছে, সে দেখলাম মাথা ঝাঁকাচ্ছে আর টিকিট চেক করছে। আমি ফিসফিস করে বউকে বললাম, ‘এ কই নিয়ে আসলা?’

‘আন্ডারগ্রাউন্ড কনসার্ট এটা। এভাবে মাথা নাড়ানোকে হেড বো করা বলে। এটাই নিয়ম। এটাই স্টাইল।’

‘আমিও ঝাঁকাব?’

গেটের ছেলেটা মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বলল, ‘এই গেট না ব্রো। পেছনের গেটে যান। ভুল গেটে চলে এসেছেন।’

আমি বললাম, ‘আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজের সঙ্গে মুখের কথা তো মেলে না। দূর থেকে কেউ দেখলে ভাববে মাথা ঝাঁকিয়ে বুঝি এই গেটের কথাই বলছেন, অথচ আমি কাছ থেকে শুনছি—না, এই গেট না।’

উনি মাথা ঝাঁকানো থামিয়ে এবার আমার দিকে তাকালেন ভালো মতো। আমি তাঁর হাত থেকে টিকিটটা টান দিয়ে নিয়ে মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে হাঁটা দিলাম। আশপাশে ড্রামের দ্রুম দ্রুম শব্দ হচ্ছে। হলের ভেতর ঢুকে দেখি, সবাই একইভাবে মাথা ঝাঁকাচ্ছে। একটু পরে বউ আমাকে বলে, ‘তোমার চোখের চশমা কই? ঝাঁকাতে গিয়ে ফেলায়ে দিসো নাকি?’

আমি মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বললাম—‘না না, খুলে ব্যাগে রেখে দিয়েছি। এত বোকা না আমি। কী করলে কুল হয় আর কী করলে বেক্কুল হয় আমি জানি।’

হলের ভেতরের এক কর্নারে খাবার বিক্রি হচ্ছে। যিনি বিক্রি করছেন তিনিও মাথা ঝাঁকাচ্ছেন। আমি গিয়ে বললাম, ‘আমাকে এক প্যাকেট মাথা না ঝাঁকিয়ে পপকর্ন দেন। ঝাঁকানির চোটে তো অর্ধেক পড়ে যাচ্ছে আপনার দোকানের ভেতরেই। এটা কি বিজনেস ট্রিক নাকি আসলেই মিউজিক এনজয় করছেন?’

উনি মাথা ঝাঁকানো থামিয়ে আমার দিকে তাকালেন ভালো করে। আমি তাঁর হাত থেকে পপকর্নের প্যাকেটটা টান দিয়ে নিয়ে মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে হাঁটা দিলাম। ড্রামের দ্রুম দ্রুম শব্দ চলছে। বউ বলল, ‘চলো যাইগা’।

‘কোন গেট দিয়ে বের হব? সব গেটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পাঙ্কুই তো মাথা ঝাঁকাচ্ছে।’

...কনসার্ট ছিল ভাই আমাদের সময়। বামবার কনসার্ট হয় না আজ কত দিন? ১৫ বছর? ১৭ বছর? হয়তো আরো বেশি। শাহীন স্কুলের মাঠে কনসার্ট হতো। এটা হয়তো এখন অনেকেই বিশ্বাস করবে না। ধানমণ্ডির সুলতানা কামাল কমপ্লেক্সের বাউন্ডারি ওয়াল টপকে কত কনসার্টে যে ঢুকেছি। কানে বাজতে থাকত—‘কতবার ছেড়েছি, ছাড়ব না এবার...বাংলার লাঠিয়াল বাংলার লাঠিয়াল বাংলার লাঠিয়াল।’

সুর কানে আসার পর সেই সাত ফুট ওয়াল থেকে কিভাবে নামব, ভুলে জেতাম। এক লাফে মাঠে নেমে দৌড়। কানে ভেসে আসত, ‘ওগো সোনার মেয়ে...বলো না কী পেয়েছ...হূদয় খুলে আপন ভুলে...ভালো কি বেসেছ...বলো না কী পেয়েছ।’

সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসত। সুর উঠতেই থাকত।

‘অর্ধেক পূর্ণিমা রাতে, মেঘের আড়ালে আকাশের লুকোচুরি খেলা, নির্ঘুম রাত শেষে চাঁদের ফাঁসি হয়, সূর্যের আশীর্বাদে ক্লান্ত প্রভাতে, সূর্যের আশীর্বাদে যে পথে পথিক নেই ...’।

বন্ধুর কোলে মাথা রেখে আকাশের তারার দিকে তাকিয়ে মিলিয়ে নেওয়া। ‘আমার নষ্ট হওয়া একটা পলক/নিজের চোখে তুলে নিলেই বুঝতে তুমি/কষ্ট কাকে বলে!’

...একেকটা কনসার্ট ছিল সো রিফ্রেশিং। পরের দিন নতুন উদ্যম পেতাম। এখনকার মতো ঘাড়ব্যথা নিয়ে বাসায় ফিরতে হতো না। ডাক্তারের পরামর্শে গলায় হালকা হলুদ রঙের শক্ত কলার পরে আগামী সাত দিন থাকতে হতো না। বলছি না, আমাদের জেনারেশনই ঠিক, এই জেনারেশন ভুল। হয়তো আমরাই ব্যাকডেটেড। হয়তো সামনের ২০ বছর পরের কোনো জেনারেশনের ছেলে-মেয়েরা এখনকার জেনারেশনকে এভাবেই হেয় করে বলবে—‘কী বেক্কল জেনারেশন ছিল রে ভাই...শুধু মাথা ঝাঁকাইত! ফুল বডি না ঝাঁকিয়ে শুধু মাথা ঝাঁকানোটা কী খেত না? একদম নট কুল। এই, তোর গায়ের জামা কই? বডি ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে খুলে পড়ে গেল না তো?’

‘না না, খুলে ব্যাগে রেখে দিয়েছি। অত বোকা না আমি। কী করলে কুল হয় আর কী করলে বেক্কুল হয় আমি জানি।’

 

 

 

অফিস অফিস


অফিসে নানা রকম মজার ঘটনা ঘটে। তেমনই কিছু ঘটনা দেখে নিন। আইডিয়া মেহেদী আল মাহমুদ

 বস : হাসান সাহেব, কাল নাকি আপনি অফিস টাইমে মিস ডলিকে নিয়ে সিনেমায় গিয়েছিলেন? ওকে আমার সঙ্গে একবার দেখা করতে বলুন।

হাসান : কিন্তু স্যার, ও কি আপনার সঙ্গে সিনেমা দেখতে যেতে রাজি হবে?

 

♦ বস : আলম, কাল যে তোমাকে বলেছিলাম ফাইলটা দিতে, দাওনি কেন?

আলম : স্যার, আলমারির চাবিটা যে আপনার কাছে ছিল।

বস : তা থাক, দ্যাটস নট দি পয়েন্ট, তুমি ফাইলটা দাওনি কেন?

 

♦ কর্মচারী : ডেকেছিলেন স্যার?

বস : আপনি এত ভালো কাজ করেন যে আমি ভাবতেও পারি না, আপনাকে ছাড়া কী করে অফিস চলবে! সোমবার থেকে চেষ্টা করে দেখব, আপনাকে ছাড়াও অফিস চলে কি না!

 

♦ কর্মচারী : স্যার, আজ দুপুরের পর আমাকে কিছুক্ষণের জন্য ছুটি দেবেন? আমার স্ত্রীকে নিয়ে একটু শপিংয়ে যেতে হবে।

বস : না, কোনো ছুটি নেই।

কর্মচারী : আপনি আমাকে বাঁচালেন স্যার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

 

♦ প্রথম বন্ধু : তোকে এত খুশি দেখাচ্ছে কেন?

দ্বিতীয় বন্ধু : জানিস, কাল থেকে আমার দুই সপ্তাহের ছুটি। কাল থেকে আমি এক সপ্তাহের ছুটিতে যাচ্ছি। তার পরের সপ্তাহে যাচ্ছেন আমার বস।

 

♦ বস : কাল অফিসে আসোনি কেন?

কর্মচারী : আমার বাবা মারা গেছেন গতকাল।

বস : তোমার বাবা তো আমাদের অফিসের স্টাফ নয়, তিনি না এলেও কিছু যায়-আসে না। তুমি আসোনি কেন?

 

♦ বস : তুমি Wife dying বলে অফিস কামাই দিলে, অথচ আমি দেখলাম তোমার স্ত্রী একটি বিউটি পার্লার থেকে বেরোচ্ছে!

কর্মচারী : স্যার, ঠিকই দেখেছেন, আমি ‘হেয়ার ডাইং’-এর কথাই বলতে চেয়েছিলাম।

 

♦ মহিলা সেক্রেটারি : স্যার, আপনার স্ত্রী সব সময় আমাকে সন্দেহের দৃষ্টিতে কেন দেখে?

বস : কারণ তোমার আগে সে আমার সেক্রেটারি ছিল।

তোর ভাবির সাথে


একদিন হাবলু হঠাৎ তার ভাবিকে ধরে প্রচুর মারধর করতে লাগল! সবাই অবাক হয়ে হাবলুকে থামালো আর জিজ্ঞেস করল-
প্রতিবেশী : তুমি তোমার ভাবিকে মারছ কেন?
হাবলু : আমার ভাবি ভালো মহিলা না!
প্রতিবেশী : তুমি কীভাবে বুঝলা?
হাবলু : আর বইলেন না! আমি আমার যেই বন্ধুকেই ফোনে কথা বলতে দেখে জিজ্ঞেস করি, কার সাথে কথা বলিস? সেই বন্ধুই উত্তর দেয়, তোর ভাবির সাথে!


ছেলেকে পিটানোর জন্য না

মা: বজ্জাত ছেলে কোথাকার! এতবার বলি, তারপরেও সোফায় শুয়ে থাকিস। আজ জুতিয়ে তোকে সিধা করবো,
বল্টু: মা! মা! আর হবে না এমন এবারের মতো,
মা: আর হবে না কেন? তুই আবার করবি এই কাজ! সোফা হচ্ছে বসার জন্য, এটা তো শোয়ার জন্য না,
বল্টু: মা, স্যান্ডেলও তো পায়ে দেওয়ার জন্য, ছেলেকে পিটানোর জন্য না!


এবার মাফ করেন

এক ফকির পিচ্চি মেয়েকে বলছে-
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটা।
পিচ্চি : আমি বেটা না, বেটি।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে বেটি।
পিচ্চি : আমার নাম স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে স্বর্ণা।
পিচ্চি : আমার পুরা নাম নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
ফকির : আল্লাহর ওয়াস্তে কিছু দে নাদিয়া শারমিন স্বর্ণা।
পিচ্চি : হ্যাঁ, এখন ঠিক আছে! এবার মাফ করেন।

Bangla jokes collection, Mojar jokes, Funny jokes, Gopal var jokes, teacher-student jokes provided by mojarjokes.com


অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার

বস: অফিসে যেসব পুরুষ অধিক সময় কাটায়, হামেশা ওভারটাইম করে তারা আসলে খুব পরিশ্রমী। এদের স্ত্রীরা খুব সুখী।
বল্টু: না স্যার! আসল কারণ হইলো- হয় বাড়িতে এরা সারাক্ষণ বউয়ের নির্যাতনের শিকার নয়তো অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার।


তুমি অবশ্যই আমেরিকান

এক পাগল এক চাইনিজকে জিজ্ঞেস করছে-
পাগল : তুমি কি আমেরিকান?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : তুমি আমেরিকান না?
চাইনিজ : না, আমি চাইনিজ।
পাগল : মিথ্যা বলছ, তুমি অবশ্যই আমেরিকান।
চাইনিজ : হ্যাঁ বাবা। আমি আমেরিকান। খুশি?
পাগল : কিন্তু চেহারা দেখে তো মনে হয় তুমি চাইনিজ।

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি


 

বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!

সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স

জুতা পছন্দ করতে গিয়ে দোকানের প্রায় সব ডিজাইন উল্টেপাল্টে দেখছেন লাবনী। এতে জুতার শো-রুম একেবারে তছনছ হয়ে গেল। কিন্তু পছন্দ হলো না একটিও। এ সময় তার নজর পড়ল অন্যরকম একটি বাক্সের ওপর-
লাবনী : ওই বক্সটা একটু দেখান, প্লিজ। ওটার ভেতরে যে ডিজাইনটা আছে, তা দেখবো।
দোকানদার : দয়া করেন আপা, ওইটা আর দেখতে চাইবেন না!
লাবনী : এটা কেমন কথা! কাস্টমার দেখতে চাচ্ছে।
দোকানদার : আপা, ওইটা আমার লাঞ্চ বক্স!

 

খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে

ওসি: ক্রেডিট কার্ড হারানোর সঙ্গে সঙ্গে রিপোর্ট করেননি কেন?
মন্টু: কার্ডটা চুরি হওয়ার পর দেখলাম চোর আমার বউয়ের থেকে কম খরচ করছে,
ওসি: এখন রিপোর্ট করাতে আসছেন কেন?
মন্টু: এখন মনে হচ্ছে কার্ডটা এবার চোরের বউয়ের হাতে পড়েছে, খরচের মাত্রা চারগুণ হয়ে গেছে।

 

হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না

পল্টু ভোট দিয়ে পোলিং অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল-
পল্টু: স্যার, আঙুলের এই দাগ কি পানি দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তা হলে স্যার! সাবান দিয়ে ধুলে যাবে?
অফিসার: না।
পল্টু: তাহলে স্যার কতদিন পরে উঠবে?
অফিসার: একবছর পর যাবে।
পল্টু: তাহলে আরও একটু দেবেন স্যার?
অফিসার: কেন?
পল্টু: চুলে লাগাব স্যার। আজকাল হেয়ার ডাইগুলো একসপ্তাহের বেশি থাকে না।

 

 

আজকের জোকস : বিয়ে করার ব্যতিক্রমী প্রস্তাব

 


বিয়ে করার ব্যতিক্রমী প্রস্তাব
মায়া ও ছায়া দুই বোন। বাবুল ভালোবাসে মায়াকে। কিন্তু কথাটি মুখ ফুটে বলতে সাহস পাচ্ছে না। একদিন খুব সাহস করে মায়ার হাত ধরে বলল-
বাবুল: মায়া, তুমি ছায়ার কাছ থেকে আমার একটা কথার জবাব এনে দেবে?
মায়া: কী কথা?
বাবুল: এ মাসে ও আমার শালী হতে রাজি আছে কি-না?

****

 

৩০ বছরে ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতা
এক লোক চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেলেন-
প্রশ্নকর্তা: আপনার বয়স কত?
প্রার্থী: ৩০ বছর।
প্রশ্নকর্তা: আগে কোনো চাকরি করেছেন?
প্রার্থী: করেছি।
প্রশ্নকর্তা: কত বছর?
প্রার্থী: ৩৫ বছর।
প্রশ্নকর্তা: কিভাবে সম্ভব? আপনার বয়স তো ৩০ বছর।
প্রার্থী: বোঝেন নাই, ওভার টাইম করেছি।

****

অহংকারের জবাব যেমন হয়
গোপালের দোতলা বাড়ি তৈরি হলে সে তার প্রতিবেশী এক ভাইপোকে ছাদের উপর দাঁড়িয়ে ডাকতে লাগল, ‘রাখাল, ও রাখাল, কী করছিস ওখানে?’ রাখাল বুঝলো কাকা দোতলা বাড়ি দেখাচ্ছে। তাই সে কোনো কথা বলল না।

এর বহুদিন পর রাখালও নিজের চেষ্টায় ছোটখাট একটি দোতলা বাড়ি তৈরি করে ফেলল। তারপর গোপালের মতো ছাদে উঠে ডাকতে লাগল, ‘কাকা, ও কাকা, সে বছর আমায় ডেকেছিলে কেন?’

 

Read More

 

একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি



একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি

বস: কী ব্যাপার! আপনি এতক্ষণ কোথায় ছিলেন?
কর্মী: চুল কাটাতে গিয়েছিলাম।
বস: কি! আপনি অফিস টাইমে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন?
কর্মী: তাতে কী হয়েছে? চুলটাও তো অফিস টাইমে বড় হয়েছিল।
বস: সেটা তো বাড়ি থাকাকালীনও বড় হয়েছে।
কর্মী: তাই বলেই তো একেবারেই টাকলু হয়ে যাইনি। যতটুকু অফিসে বড়ো হয়েছিল ততটুকু কেটেছি!



সে আমাকেও দেখতে এসেছিল

নায়ক সালমান খান মেয়ে দেখতে গেছে। মেয়ের মা তাকে দেখে বেহুঁশ হয়ে গেল। হুশ ফিরে আসার পর সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল-
সবাই : বেহুশ হলে কেন?
মেয়ের মা : ২০ বছর আগে সে আমাকেও দেখতে এসেছিল।

ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে



১৯৯০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে সাইকেল চাইত।
২০০০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে মোটরসাইকেল চাইত।
.
.
.
২০৩০ সাল।
ঘটক আর মেয়ের বাবার মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছে।
‘ছেলেপক্ষের একটা আবদার আছে…’
মেয়ের বাবা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালেন।
‘ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে। ছেলের অনেকদিনের শখ।’
‘১০ কেজি?’ মেয়ের বাবা আকাশ থেকে পড়লেন।
‘একটু কমানো যায় না? দরকার হলে আমাদের একটা টয়োটা করলা দিয়ে দিলাম।’ মেয়ের বাবা মিন মিন করে বলল।
‘নাহ ভাই। বললাম না ছেলের অনেক দিনের শখ।’
মেয়ের বাবা নিমরাজী হলেন। কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।
বিয়ের দিন।
কাজী বিয়ে পড়াতে শুরু করতেই ছেলের বাবা উঠে দাঁড়ালেন।
‘দাঁড়ান কাজী সাহেব। আগে পেঁয়াজ বুঝে নিই। পরে বিয়ে।’
সবাই থমকে গেল। একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে সবাই।
মেয়ের বাবা ঘর হতে একটা বাজারের ব্যাগ নিয়ে আসলেন।
‘ভাইসাহেব, এইখানে ৮ কেজি পেঁয়াজ আছে। বাকীটা আগামী সপ্তাহেই দিয়ে আসব।’
ছেলের বাবা রাগী ভঙ্গিতে তাকালেন। [ব্যাকগ্রাউন্ডে তখন ঝড়ের মিউজিক]
‘নাহ। এই বিয়ে হবে না। আরো দুই কেজি পেঁয়াজ ছাড়া এই বিয়ে সম্ভব না।’ বলেই ছেলের বাবা মেয়েদের সাততলা বাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হলেন। ‘চলে আয় কুদ্দুস। এই বিয়ে হবে না।’
অন্দরমহলে কান্নার আওয়াজ।
মেয়ে এসে দাঁড়াল ঘরে। চোখে জল।
‘চৌধুরী সাহেব, পেঁয়াজের লোভে মানুষকে আর মানুষ মনে হয় না? মনে রাখবেন পেঁয়াজ থাকলেই বড়লোক হওয়া যায় না। বড়লোক হতে হলে দরকার সুন্দর একটা ফেইসবুক একাউন্ট। যা আপনাদের নেই। চলে যান। আমি এখুনি স্ট্যাটাস দিচ্ছি।’
কুদ্দুস উঠে দাঁড়াল। তার চোখ খুলে গেছে। এই মেয়ে আবার তার ফেসবুক ফ্রেন্ড। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। ‘না বাবা। এই বিয়ে হবেই। পেঁয়াজ তোমাকে অন্ধ করে দিয়েছে বাবা।’
অবশেষে বিয়ের সানাই। আকাশে তারাবাত্তি।

FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 17











FACEBOOK COMMENT PHOTOS || FUNNY PIC PART 17

বাংলা কৌতুক ক্লাব এর কৌতুক || ভাবি vs দেবর

ভাবি vs দেবর

ভাবিঃ কিরে তোর মাইয়া পছন্দ হইছে?
দেবরঃ না ভাবি, হল না তো ...........
ভাবিঃ কি হইছে রে......?
দেবরঃ সবই ঠিক আছে কিন্তু একটু খাটো আর কি।
ভাবিঃ আরে বোকা, মোবাইল ছোট হোক আর বড় হোক, মেমোরি ঢুকানোর জায়গা কিন্তু সব সময় সমান। এবার বুঝলি?!!

যুবতি মেয়ে ও যুবক দৈত্য



এক যুবতি মেয়ে বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়। 
ঘুরে ঘুরে একটা ঘরে ঢুকে যুবতি দেখলো পাশে এক দৈত্যের পোশাকে যুবক দাঁড়িয়ে।
যুবকটি বললোঃ “স্বাগতম আমার মালিক! আমি এই চেরাগের দৈত্য। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করতে চাই!”
যুবতি এক নিঃশ্বাসে বললোঃ ‘কোটি কোটি টাকা, বিশটা বাড়ির দলিল বিশটা গাড়ি!’
যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স তৈরি পাবেন। কিন্তু আমার মালিক আমি দীর্ঘদিন এই কেল্লায় একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আমি আপনার ইচ্ছা পূরণের আগে আমার একটি ইচ্ছা পূরণ করতে চাই!’
যুবতি বললোঃ ‘বলে ফেলো তোমার কি চাই?’
 যুবক দৈত্যটি বললোঃ ‘আপনার সাথে কয়েক বার আদর সোহাগ করতে চাই!’
যুবতিটি ভাবলোঃ ‘এতো কিছু পাবো সাথে আবার আদর সোহাগও? মন্দ কি?’ 
তাই যুবতিটি সানন্দে রাজি হলো। অতঃপর সারা রাত তারা আদর সোহাগ করলো! 
পরদিন ভোরে যুবক দৈত্যটি বললোঃ আমার মালিক, আপনার বয়স কত?’ 
যুবতিটিজবাব দিলোঃ ‘আমার বয়স ২৫!’
যুবক দৈত্যটি হাসতে হাসতে বললোঃ ‘এই বয়সেও আপনি চেরাগের দৈত্য/ ভূতে বিশ্বাস করেন?
মেয়েটি আরো বেশি জোরে হেসে বললঃ
- আপনার বয়স কত?
- ৩৫ 
- ৩৫ বছর হয়ে গেছে আপনার। তারপরও আপনাকে একটি মেয়ের সান্নিধ্য পাওয়ার আশায় এই জংলা বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দৈত্যের অভিনয় করতে হচ্ছে দেখে আমার মায়া লাগলো। তাছাড়া আজ একমাস হল আমার বয়ফ্রেন্ড ব্যবসার কাজে সিঙ্গাপুর গেছে।
অতএব, মেয়েদের ২৫= ছেলেদের ৩৫। তাই নয় কি?

Jokes-Beggar-ভিক্ষুক-Lover-এক তরুনী-Cow-গরু



ভিক্ষুক: স্যার ২০ টা টাকা দেন কফি খাব
লোক: কেন?? কফি তো ১০ টাকা কাপ
ভিক্ষুক: স্যার সাথে গার্ল ফ্রেন্ড আছে তো তাই।
লোক: ভিক্ষুক হয়েও গার্ল ফ্রেন্ড বানিয়েছ।
ভিক্ষুক: জি না স্যার, গার্ল ফ্রেন্ড বরং আমাকে ভিক্ষুক বানিএছে

****
বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুনী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক: তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা: উনি বাসাই নেই।
প্রমিক: বল কি? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা: আমাদের জন্য টেকসি ডাকতে গেছেন।


***
এক লোকের গরু হারিয়ে গেছে। কোথাও সে খুজে পাচছে না,
খুজতে খুজতে ক্লান্ত হয়ে পার্কের এক কোনাই বিশ্রাম করেছে।
পার্কের অপর কোনাই বসে কপত কপতি আলাপ আলোচনায় বিভোর,
কপত কপতি বলছে- আমি তোমার চোখে চোখ রাখলে পুরা পৃথিবীটাকে দেখি।
এমন সময় পাশে বসে থাকা গরু হারান লোকটা উঠে এসে বলে - আমি আমার গরুটা খুজে পাচছিনা, ভাই দয়া করে ওনার চোখে চোখ রেখে খুজে দেখে বলুন তো আমার গরু টা কোথায় আছে?