Showing posts with label bangla love sms. Show all posts
Showing posts with label bangla love sms. Show all posts

ফুলশয্যা (স্বামী স্ত্রীর ফুলশয্যা রাতের গল্প ৩)

 ফুলশয্যা! বাসর রাতের গল্প ৩

বন্ধুদের খোচা খেতে খেতে বাসর ঘরে বীর পুরুষের মত প্রবেশ করেই ফেললাম। প্রবেশ করার পূর্বে হার্টবিট কিছুটা কম থাকলেও প্রবেশ করার পর ইহা চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে লাগল। লাজুক ছেলেটি একটা অপরিচিত মেয়ের সাথে থাকবে, মেয়েটার কি তাকে পছন্দ হবে? মেয়েটি কি তাকে স্বাভাবিক ভাবে নিবে! ভাবতে ভাবতে কপাল থেকে ঘাম ঝড়তে শুরু করল।


ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন



এত ভয় পাওয়ার কি আছে, তার সাথে তো সারাজীবন থাকতে হবে, ভয় পাওয়ার কিছু হয়নি কাব্য, নিজেকে নিজে সাহস যুগাতে শুরু করলাম। এই সন্ধিক্ষনে অসহায় ছেলেটিকে সাহায্য করার মতও কেউ নাই। মেয়েটির মনেও কি তাই চলছে? চলবেই বা না কেন, সেও তো একটা অপরিচিত ছেলের সাথে থাকবে, তারও নিশ্চই হার্টবিট বাড়ছে।


নিজেকে শক্ত করলাম। একটু এগিয়ে গেলাম তার কাছে। সে চুপটি করে বসে আছে। তার ঘোমটা খানা তুলিয়া তাহার মুখখানা দেখিবার জন্য নিজেকে শক্তভাবে প্রস্তুত করলাম। কিন্তু বেচারা হাত কিছুতেই তাহার ঘোমটা ধরিবার সাহস পাইতেছে না।

মেয়েটি বুঝতে পারিল, আমি ভীষন ভাবে লজ্জ্বিত, তাই নিজেই ঘোমটা তুলিল। তার চন্দ্রমুখ টা দেখে আমি অবাক দৃষ্টিতে থমকে গেলাম। হরিনী চোখ আর মেঘ বর্ন চুল আমাকে ভাষাহীন করে দিয়েছে।


এই যে মিস্টার,কি দেখছেন এত করে হুম?

ইয়ে মানে, না কিছু না।

থতমত হয়ে তার কাছ থেকে কিছুটা দুরে গিয়ে টেবিলে রাখা পানিটা পান করলাম। বুঝতে পারছি মেয়েটি মুচকি মুচকি হাসতেছে। এবার একটু সাহস পেলাম। মেয়ের নিশ্চই আমাকে কিছুটা পছন্দ হয়েছে। তার কাছে আবার গেলাম।

— আচ্ছা তোমার নাম তো অর্নি।

— মানে কি!! বিয়ে করছেন, অথচ নাম জানেন না।

— না মানে ইয়ে।

— এত মানে মানে করবেন না তো।

বুঝতে পারলাম বালিকার সাহস আমার থেকে অনেকটা বেশি।

–আচ্ছা অর্নি একটা কথা বলি?

–হুম।

— আমরা কি ফ্রেন্ড হতে পারি?

আমার প্রস্তাব শোনে সে মুচকি হাসিতে লাগিল, নববধু না হলে মনে হচ্ছে অট্টহাসিই দিতো।

ফুলশয্যা রাতে বৌকে বন্ধুর প্রস্তাব দেয়াতেই মনে হয় এমন হাসি।

মাথা নেড়ে মুচকি হাসিতে উত্তর দিল, হুম হতে পারি।


একটা অপরিচিত মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করাটা আমার মনে বাধা দিল। তাই তাকে বন্ধুত্ব করার প্রস্তাবটা দিয়েছিলাম। একে অপরকে ভাল করে বুঝা, দুজনকে দুজন জানা। একটা সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলা যা আমার প্রতিদিনেরর স্বপ্ন ছিল।

স্বামী স্ত্রী সবচেয়ে ভাল বন্ধু হতে পারে। যখন দুজন মনের খুব কাছাকাছি থাকতে পারব, তখন শরীর এমনিতে কাছে আসবে।

— ছাদে যাবেন এখন? কি সুন্দর পুর্নিমা!

— হুম।

— আচ্ছা আজকে সারা রাতটা চলেন গল্প করে কাটাই।

অর্নি আমার এমন আবদার শোনে খুব খুশি হলো।দুজন ছাদে গেলাম। চাঁদের আলোতে অর্নিকে স্বর্গের অপ্সরী লাগছিল।

— আচ্ছা অর্নি পৃথিবীতে সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্ক কোনগুলা? ভালবাসা কোনগুলা।

অর্নি চাঁদটার দিকে তাকিয়ে উত্তরটা দিলো,

— প্রথম যখন আপনাদের বাসায় পা দিলাম, তখন আপনার মা আমাকে শক্ত করে বুকে জড়িয়ে ধরছিলেন, আমার মনে হলো আমি আমার মাকে পেয়ে গেছি, সেটা হচ্ছে সুন্দর সম্পর্ক, আমাকে আপনার মায়ের নিজের মেয়ে মনে করা, আর আমি আপনার মাকে আমার শ্বাশুরী নয়, নিজের মা মনে করা। আপনার বাবা যখন বলেছিলেন, আমার কোন মেয়ে নেই, এখন একটা লক্ষ্মী মেয়ে আমি পেয়ে গেছি, সেটা হচ্ছে ভালবাসা।


অর্নির কথা শুনে আমি চুপ হয়ে গেলাম। নিজেকে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ছেলে মনে হচ্ছে। যে আমার কথা না বলে আমার পরিবার, আমার মা বাবাকে নিয়া প্রথমেই ভাবে, সেই মেয়ের মত আমাকে কেউ ভালবাসতে পারবেনা।

একটু অভিমানের নাটক করে বললাম,

— আমি কিছুই না বুঝি?? হুহ!!!

–এই যে আপনি এই রাতে একটা মেয়েকে পেয়েও তার শরীরকে না ভালবেসে তার কাছে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, একটা সুন্দর রাত উপহার দিচ্ছেন, আমার জীবনের সেরা রাতটি উপহার দিচ্ছেন।

সেটা হচ্ছে একটা মেয়েকে সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ। যা প্রতিটা মেয়েই তার স্বামীর কাছ থেকে আশা করে।

অর্নির মুখে স্বামী শব্দটি শোনে লজ্জ্বায় লাল হয়ে গেলাম।

অর্নি আমার হাতটি ধরে ফেলল,

— এই যে লাজুক ছেলে, এত ভয় পাচ্ছেন কেন?

আমার আরেকটা জিনিষ চাই, সেটা পারবেন তো দিতে?

— হুম পারব।

— একটা রাজকন্যা গিফট করতে পারবে?

আমি সেদিন লজ্জ্বাকন্ঠে বলেছিলাম,

— শুধু ভালবাসতে হবে, আমি তোমায় পৃথিবীর সব সুখ দিয়ে দিব,,,,,,,,,,,।

নারী যদি পুরুষকে সে’ক্স করতে বাধ্য করে – তাকে কি ধর্ষণ বলা যায়?

 


একজন পুরুষ যদি একজন নারীর সাথে জোর করে যৌন-মিলন করে তাকে ধর্ষণ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু যদি একজন নারী একজন পুরুষকে জোর করে তার সাথে যৌন মিলন করতে বাধ্য করে – তাহলে সেটাও কি ধর্ষণের পর্যায়ে পড়বে?
ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের আইনে একে ধর্ষণ বলা হয় না। কিন্তু এ নিয়ে এক নতুন সমীক্ষা চালানোর পর একজন গবেষক বলছেন, হয়তো এখানে পরিবর্তন আনার সময় হয়েছে।
“আমরা এ নিয়ে কথা বলতে ভয় পাই। আর যদিও বা কথা বলি, আমাদের কেউ বিশ্বাস করে না” – বলেছেন জরিপে ‘জোরপূর্বক যৌনমিলনের শিকার’ এক পুরুষ।
পুরুষদের কি ‘ধর্ষণ’ করা যায়? তাকে কি জোর করে উত্তেজিত করা সম্ভব – যাতে যৌন মিলন ঘটতে পারে?
গবেষকরা এখন বলছেন: এটা অসম্ভব নয়, বরং অসম্ভব মনে করাটাই একটা ‘মিথ’ বা ‘কাল্পনিক উপকথা’।
ব্রিটেনের ল্যাংকাস্টার ইউনিভার্সিটি ল’ স্কুলের ড. সিওভান উইয়ার ২০১৬-১৭ সালে যুক্তরাজ্যে ‘একজন পুরুষকে জোরপূর্বক যৌনমিলনে বাধ্য করার’ ওপর প্রথম গবেষণা পরিচালনা করেন।
ড. উইয়ার বলছেন, পুরুষকে জোর করে যৌন মিলনে বাধ্য করাকে ইংরেজিতে বলে ‘ফোর্সড-টু-পেনিট্রেট’ বা এফটিপি – এবং পুরুষের মনের ওপর এর প্রতিক্রিয়া হতে পারে খুবই মারাত্মক।

কেস স্টাডি: জন নামে একজনের কথা (আসল নাম নয়)
“আমি প্রথম যখন খেয়াল করলাম যে আমার সঙ্গিনী নিজেকে নিজে নির্যাতন করছে – তখনই আমি বুঝলাম যে কিছু একটা গোলমাল হয়েছে। তার এ জন্য কিছু চিকিৎসাও করা হয়।”
“ছয় মাস পরে যেটা ঘটলো, সে নিজেকে নিজে নির্যাতন করার পরিবর্তে এ জন্য আমাকে বেছে নিল।”
“হয়তো আমি বসার ঘরে বসে আছি, সে হঠাৎ রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এসে আমার নাকে খুব জোরে একটা ঘুষি মারলো, তারপর খিলখিল করে হাসতে হাসতে দৌড়ে পালিয়ে গেল।”
“আরেক দিন হয়তো সে কাজ থেকে ফিরে এসেই দাবি করলো, তার সাথে যৌনমিলন করতে হবে। এ জন্য সে হিংস্র হয়ে উঠতো। ব্যাপারটা এমন স্তরে চলে গেল যে তার কাজ থেকে বাড়ি ফেরার সময় হলে আমি ভয়ে থাকতাম।”
আরেকদিন জন রাতে ঘুম থেকে জেগে উঠে আবিষ্কার করলেন তার সঙ্গিনী তার হাতে হাতকড়া লাগিয়ে তাকে খাটের ফ্রেমের সাথে বেঁধে রেখেছেন। তার পর একটা লাউডস্পিকার দিয়ে জনের মাথায় আঘাত করতে শুরু করলেন তিনি।
জনের অন্য হাতটাও তিনি দড়ি দিয়ে খাটের সাথে বেঁধে ফেললেন, এবং তার পর তার সাথে জোর করে যৌনমিলন করার চেষ্টা করতে লাগলেন
আতংক এবং যন্ত্রণার কারণে জন তার সঙ্গিনীর ইচ্ছে পূরণ করতে পারলেন না।
তখন সঙ্গিনী তাকে আবার মারধর করতে লাগলেন, এবং বাঁধা অবস্থায় আধঘন্টা ফেলে রাখলেন। তার পর তাকে মুক্ত করে দিলেও তার সাথে এ ব্যাপারে কোন কথাই বলতে চাইতেন না তিনি।

এর মধ্যে জনের সঙ্গিনী গর্ভবতী হলেন, কয়েক মাসের জন্য তার হিংস্র আচরণ কমে গেল। কিন্তু তার সন্তান জন্মের কিছু কাল পরই জন এক রাতে আবিষ্কার করলেন – তাকে আবার বিছানার সাথে হাতকড়া দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।
জনকে এবার জোর করে ভায়াগ্রা খাইয়ে দিয়ে তার মুখ বেঁধে রাখলেন সঙ্গিনী। সেদিন বাথরুমে গিয়ে অনেকক্ষণ একা বসে ছিলেন জন।
জন বলছেন, পরে এসব ঘটনা নিয়ে তিনি অন্যদের সাথে কথা বলতে গেলে কেউ বিশ্বাসই করে নি।
“অনেকে প্রশ্ন করেছে যে কেন আমি তাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছি না, বা কেন তাকে পাল্টা মার দিচ্ছি না। এর অনেক কারণ আছে, যেমন আমাদের সন্তান, অথর্নৈতিক বিষয় – এরকম অনেক কিছু।”
পুরুষের ‘ধর্ষিত হবার’ গল্প অনেকে বিশ্বাস করতে চায় না
ড. উইয়ার বলছেন, তিনি দেখেছেন – পুরুষের ‘ধর্ষিত হবার’ গল্প অনেকে বিশ্বাস করতে চায় না।
ড. উইয়ার বলছেন, ফোর্সড-টু-পেনিট্রেট বা এফটিপি সম্পর্কে কিছু ধারণা তার গবেষণায় ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
এরকম একটি ধারণা হচ্ছে: এটা অসম্ভব, কারণ পুরুষরা শারীরিকভাবে মেয়েদের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।
আরেকটি ভুল ধারণা: পুরুষরা যৌন মিলনের যে কোন ‘সুযোগ’কেই ইতিবাচকভাবে নিয়ে থাকে।
তৃতীয় আরেকটি ভুল ধারণা: পুরুষের যৌনাঙ্গ উত্থিত বা ‘ইরেকশন’ হয়েছে মানেই হলো যে সে যৌন মিলন চাইছে। আসলে তা নয়। পুরুষরা ভয় পেলে বা ক্রুদ্ধ হলেও ইরেকশন ঘটতে পারে এবং তা কিছু সময় স্থায়ীও হতে পারে।
ড. উইয়ার বলছেন, “গবেষণায় আরো দেখা গেছে যে ধর্ষণের সময় নারীদের পক্ষেও যৌন সাড়া দেয়া সম্ভব, কারণ তাদের দেহ এ ক্ষেত্রে শারীরবৃত্তীয়ভাবে সাড়া দিতে পারে। ধর্ষণের শিকার হওয়া পুরুষ ও নারী – উভয়ের ক্ষেত্রেই এর স্পষ্ট প্রমাণ আছে কিন্তু এ ব্যাপারটা নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয় না।

ড. উইয়ার আরো বলছেন, তিনি এমন কিছু এফটিপির শিকার পুরুষের অভিজ্ঞতা শুনেছেন – যারা অতিমাত্রায় মদ্যপান বা অন্য কোন নেশা করার পর নারীর হাতে জোরপূর্বক যৌনমিলনের শিকার হয়েছেন – কিন্তু তা ঠেকাতে পারেন নি।
একটি ঘটনায় একজন নারী একটি সমকামী পুরুষকে যৌন মিলনে বাধ্য করেন – এবং তাকে হুমকি দেন – এতে রাজি না হলে পুরুষটি যে সমকামী তা সবার কাছে ফাঁস করে দেবেন তিনি।
জরিপে অংশ নেয়া একজন বলেছেন, “আমাকে পুলিশ বলেছে ‘তুমি নিশ্চয়ই ব্যাপারটা উপভোগ করেছো – না হলে তুমি নিশ্চয়ই আগেই আমাদের জানাতে।”
আরেকজন বলেছেন, “যেহেতু আমরা পুরুষ তাই আমরা এটা নিয়ে কথা বলতে ভয় এবং লজ্জা বোধ করি।”
“বললেও কেউ বিশ্বাস করে না। তারা বলে, তুমি তো পুরুষ, একজন পুরুষকে কিভাবে যৌন নিপীড়ন করা যেতে পারে?”
অনলাইনে এ জরিপের মাধ্যমে ২০০ জন পুরুষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন ড. উইয়ার। এতে ড. উইয়ার দেখতে চেয়েছেন, কী প্রেক্ষাপটে একজন পুরুষকে যৌনমিলন করতে বাধ্য করা হয়, এর পরিণাম কী হয়, এবং আইনের দৃষ্টিতেই বা এ ব্যাপারটিকে কীভাবে দেখা হয়?

Bangla love sms || Bangla romantic sms bd

 


ভালোবাসা তো যায়না টাকা দিয়ে কেনা,
ভালোবাসা তো যায়না হীরা মুক্তা দিয়ে গড়া।
দুটি মনের আকুলতায় যে বন্ধন হয়,
তাকেই তো ভালোবাসা কয় ।
@@@@@@@@@@@

তুমি আমার রঙিন স্বপ্ন শিল্পীর রঙে ছবি,
তুমি আমার ছাঁদের আলো, সকাল বেলার রবি,
তুমি আমার নদীর মাঝে একটি মাত্র কূল,
তুমি আমার ভালোবাসার শিউলি বকুল ফুল ।

মানুষ মানুষের জন্য,
পাখি আকাশের জন্য,
সবুজ প্রকিতির জন্য,
পাহাড় ঝর্নার জন্য,
ভালোবাসা সবার জন্য,
আর তুমি শুধু আমার জন্য ।

 

রাতের আকশে তাকালে দেখি লক্ষ তারার মেলা,
এক চাঁদকে ঘিরেই যেন তাদের যত খেলা,
বন্ধু অনেক পাওয়া যায় বাড়ালেই হাত,
আমার কাছে তুই যে বন্ধু ওই আকাশের চাঁদ ।

তোমার জন্য রইলো আমার সপ্নে ভেজা ঘুম
একলা থাকা শান্ত দুপুর রাত্রি নিঝুম
তোমার জন্য রইলো আমার দুস্টু চোখের ভাষা,
মনের মাঝে লুকিয়ে রাখা অনেক ভালোবাসা ।

আবার যদি বৃষ্টি নামে
আমিই তোমার প্রথম হবো,
লেপটে যাওয়া শাড়ির মত
অঙ্গে তোমার জড়িয়ে যাবো ।

যতো ভালোবাসা পেয়েছি তোমার কাছ থেকে,
দুষ্টু এই মন চায় আরো বেশী পেতে,
কি জানি তোমার মধ্যে কি আছে,
এই মন চায় তোমাকে আরো বেশী কাছে পেতে ।

আজকের এই দিন গুলো কাল সৃতি হয়ে যাবে,
মনের খাতায় কোন পাতায় লেখা হয়ে যাবে,
কালকে এই পাতা গুলো একটু উল্টে দেখো-
আবসা সব সৃতির মাঝে আমায় খুঁজে পাবে ।

সপ্নে তুমি আসো কেনো দেখা দাও না
তোমায় আমি ভালোবাসি তুমি কেনো বুঝো না,
একবার বলোনা তোমায় আমি ভালোবাসি
তাহলে স্বর্গের সুখ এনে দিতে পারি ।

যত দূরে যাওনা কেনো আছি তোমার পাশে,
তাকিয়ে দেখো আকাশ পানে, ঘুম যদি না আসে ।
কাছে আমায় পাবে তুমি হাত বাড়াবেই যেই,
যদি না পাও জানবে সেদিন আমি যে আর নেই ।

রাতে চাঁদ দিনে আলো,
কেনো তোমায় লাগে ভালো ?
গোলাপ লাল কোকিল কালো
সবার চেয়ে তুমি ভালো ।
আকাশ নীল মেঘ সাদা
গোয়াল ঘরে তুমি বাঁধা ।

তুমি যদি ৮০ বছর বাঁচো, তবে ৭২০ টা পূর্ণিমা পাবে, ১৬০ টা ঈদ পাবে,
৮০ টা জন্মদিন পাবে, ২/৩ টা সূর্য গ্রহন ও পাবে,
তবে আমার মত লাভার পাবে না ।

আমি মেঘের মত চেয়ে থাকি
চাঁদের মত হাসি
তারার মত জ্বলে থাকি
বৃষ্টির মত কাঁদি
দূর থেকে বন্ধু শুধু
তোমার কথাই ভাবি…

প্রেম মানে হৃদয়ের টান
প্রেম মানে একটু অভিমান
দুটি পাখির একটি নীড়
একটি নদীর দুটি তীর
দুটি মনের একটি আশা
তার নাম ভালোবাসা

সপ্ন আমার অনেক ছিলো বন্ধু তোমায় ঘিরে
সপ্ন দিয়ে কেনো তুমি আসলে না আর ফিরে
মন যে আমার অচিন পাখি নেই তার কোন খোঁজ
বন্ধু তোমায় মনে পড়ে সকাল সন্ধ্যা রোজ ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Bengali Hot Story With Photo | বড়দের গল্প | একান্ত গোপনে

 আজকের গল্প - একান্ত গোপনে


শিলিগুড়িতে কালই পৌছনাের খুব দরকার প্রিয়ব্রতর, ব্যবসা সংক্রান্ত একটা ব্যাপারে। কিন্তু এসপ্লানেডের দূরপাল্লার বাসগুমটিতে এসে যখন সে জানতে পারলাে শিলিগুড়িগামী শেষ রকেট বাসে একটা আসনও ফাঁকা নেই, আর শেষ রকেট বাস ছাড়তে তখন মাত্র পাঁচ মিনিট বাকী ছিল। প্রিয়ব্রত মাথায় হাত দিয়ে বসলাে, নির্ঘাত নতুন কন্ট্রাক্টটা হাতছাড়া হয়ে যাবে। এখন উপায়! ঠিক এই সময়ে যেন পরিত্রাতার ভূমিকায় এসে হাজির হলাে বছর চব্বিশ-পঁচিশের এক সুন্দরী যুবতী।
টিকিট রিটার্ন কাউন্টারের সামনে এসে মেয়েটি ব্যস্ত হয়ে বলে উঠলাে, দেখুন আমার নাম মণীষা মজুমদার, আমার স্বামী দীপক বিশেষ একটা জরুরী কাজে এখানে আটকে পড়ায় শিলিগুড়ি যেতে পারছেন না। তাই ওঁর টিকিটটা ফেরত নিতে হবে। ‘শেষ মুহূর্তে টিকিট ফেরত? বুকিং ক্লার্ক রমেন খাস্তগীর একটু ইতস্তত করলাে, হঠাৎ প্রিয়ব্রতর কথা মনে পড়তেই সে কাউন্টারের সামনে তাকালো। প্রিয়ব্রতকে দেখতে পেয়ে সে চিৎকার করে বলে উঠলাে, “মশাই, এই যে মশাই শুনছেন। একটু আগে আপনি না শিলিগুড়ির একটা টিকিট চাইছিলেন? যােগাড় হয়ে গেছে। ভাড়ার টাকাটা দিয়ে টিকিটটা নিয়ে যান।
টিকিটের নাম, শুনে প্রিয়ব্রত হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এলাে বটে কিন্তু টিকিটটা অন্য এক ভদ্রলােকের, ফেরত দেওয়া হচ্ছে, তবে তার স্ত্রী যাচ্ছে। প্রিয়ব্রতর আপত্তি এখানেই, বাসে মেয়েটি সারারাত তার পাশেই থাকবে। প্রবাদ আছে, ‘পথে নারী বর্জিতা!’ তাই কি করবে ভেবে পাচ্ছে না সে।
তাকে ইতস্তত করতে দেখে বুকিং ক্লার্ক এবার অস্বস্তি গলায় বলে উঠলাে, “ঠিক আছে, আপনি না নিলে অন্য ইচ্ছুক যাত্রীকে টিকিটটা দিয়ে দিচ্ছি। অন্যযাত্রী মানে বছর চল্লিশ বয়সের ষণ্ডমার্কা একটা লােককে দেখে মণীষা ঘাবড়ে যায়। সে এবার প্রিয়ব্রতর দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাে, আপনার তাে আজই শিলিগুড়ি যাওয়া খুবই জরুরী। তাহলে যাচ্ছেন না কেন? এখানে একটু থেমে মেয়েটি আবার বললাে, “ঠিক আছে, টিকিটের দাম বাসে উঠে দিলেও চলবে। এখন আমার সঙ্গে আসুন তাে। বাস এখনই ছেড়ে দেবে।
প্রিয়ব্রত আপত্তি করার আগেই মণীষা তার হাত ধরে একরকম জোর করেই তাকে টানতে টানতে বাসে নিয়ে গিয়ে তুললাে। টু-সিটেড আসন। মেয়েটি জানালার ধারে বসে প্রিয়ব্রতকে আহবান জানালাে বসুন!
“আপনার টিকিটের দামটা?
“আরে, পালিয়ে তাে যাচ্ছেন না, সামনে সারাটা রাত পড়ে রয়েছে, মণীষা হাসতে হাসতে প্রিয়ব্রতর হাত ধরে তাকে তার পাশে বসিয়ে দিলাে একরকম জোর করেই। মেয়েটির মধ্যে কি জাদু ছিল কে জানে, এবারেও সে কোনাে আপত্তি করতে পারলাে না।
কাটায় কাটায় ঠিক ন'টায় রকেট বাস ছেড়ে দিলাে।

আজকের Golpo "একান্ত গোপনে" গল্পের প্রধান চরিত্রে প্রিয়ব্রত ও মণীষা, গল্পের বিষয় - Bengali hot story আরও Bangla love story এবং Bangla jokes অথবা Bengali Shayari পড়ার জন্য আমাদের ব্লগ টিকে সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথে থাকুন, গল্পটি পড়িয়া যদি আপনার ভালো লাগিয়া থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট এবং শেয়ার করিতে ভুলিবেন না।

Bengali hot story with photo


Bangla Hot Story With Photo - বাংলা বড়দের গল্প
আজকের গল্প - একান্ত গোপনে
শিলিগুড়িতে কালই পৌছনাের খুব দরকার প্রিয়ব্রতর, ব্যবসা সংক্রান্ত একটা ব্যাপারে। কিন্তু এসপ্লানেডের দূরপাল্লার বাসগুমটিতে এসে যখন সে জানতে পারলাে শিলিগুড়িগামী শেষ রকেট বাসে একটা আসনও ফাঁকা নেই, আর শেষ রকেট বাস ছাড়তে তখন মাত্র পাঁচ মিনিট বাকী ছিল। প্রিয়ব্রত মাথায় হাত দিয়ে বসলাে, নির্ঘাত নতুন কন্ট্রাক্টটা হাতছাড়া হয়ে যাবে। এখন উপায়! ঠিক এই সময়ে যেন পরিত্রাতার ভূমিকায় এসে হাজির হলাে বছর চব্বিশ-পঁচিশের এক সুন্দরী যুবতী।

টিকিট রিটার্ন কাউন্টারের সামনে এসে মেয়েটি ব্যস্ত হয়ে বলে উঠলাে, দেখুন আমার নাম মণীষা মজুমদার, আমার স্বামী দীপক বিশেষ একটা জরুরী কাজে এখানে আটকে পড়ায় শিলিগুড়ি যেতে পারছেন না। তাই ওঁর টিকিটটা ফেরত নিতে হবে। ‘শেষ মুহূর্তে টিকিট ফেরত? বুকিং ক্লার্ক রমেন খাস্তগীর একটু ইতস্তত করলাে, হঠাৎ প্রিয়ব্রতর কথা মনে পড়তেই সে কাউন্টারের সামনে তাকালো। প্রিয়ব্রতকে দেখতে পেয়ে সে চিৎকার করে বলে উঠলাে, “মশাই, এই যে মশাই শুনছেন। একটু আগে আপনি না শিলিগুড়ির একটা টিকিট চাইছিলেন? যােগাড় হয়ে গেছে। ভাড়ার টাকাটা দিয়ে টিকিটটা নিয়ে যান।

টিকিটের নাম, শুনে প্রিয়ব্রত হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এলাে বটে কিন্তু টিকিটটা অন্য এক ভদ্রলােকের, ফেরত দেওয়া হচ্ছে, তবে তার স্ত্রী যাচ্ছে। প্রিয়ব্রতর আপত্তি এখানেই, বাসে মেয়েটি সারারাত তার পাশেই থাকবে। প্রবাদ আছে, ‘পথে নারী বর্জিতা!’ তাই কি করবে ভেবে পাচ্ছে না সে।

তাকে ইতস্তত করতে দেখে বুকিং ক্লার্ক এবার অস্বস্তি গলায় বলে উঠলাে, “ঠিক আছে, আপনি না নিলে অন্য ইচ্ছুক যাত্রীকে টিকিটটা দিয়ে দিচ্ছি। অন্যযাত্রী মানে বছর চল্লিশ বয়সের ষণ্ডমার্কা একটা লােককে দেখে মণীষা ঘাবড়ে যায়। সে এবার প্রিয়ব্রতর দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকালাে, আপনার তাে আজই শিলিগুড়ি যাওয়া খুবই জরুরী। তাহলে যাচ্ছেন না কেন? এখানে একটু থেমে মেয়েটি আবার বললাে, “ঠিক আছে, টিকিটের দাম বাসে উঠে দিলেও চলবে। এখন আমার সঙ্গে আসুন তাে। বাস এখনই ছেড়ে দেবে।

প্রিয়ব্রত আপত্তি করার আগেই মণীষা তার হাত ধরে একরকম জোর করেই তাকে টানতে টানতে বাসে নিয়ে গিয়ে তুললাে। টু-সিটেড আসন। মেয়েটি জানালার ধারে বসে প্রিয়ব্রতকে আহবান জানালাে বসুন!
“আপনার টিকিটের দামটা?
“আরে, পালিয়ে তাে যাচ্ছেন না, সামনে সারাটা রাত পড়ে রয়েছে, মণীষা হাসতে হাসতে প্রিয়ব্রতর হাত ধরে তাকে তার পাশে বসিয়ে দিলাে একরকম জোর করেই। মেয়েটির মধ্যে কি জাদু ছিল কে জানে, এবারেও সে কোনাে আপত্তি করতে পারলাে না।
কাটায় কাটায় ঠিক ন'টায় রকেট বাস ছেড়ে দিলাে।

রাত ন'টা শীতের রাত, রাস্তা প্রায় ফাকা। রকেট বাস, রকেটের মতাে দ্রুত গতিতে ছুটে চললাে তার গন্তব্যস্থলের দিকে। ফাকা বি টি রােডে আসতেই বাসের গতি দ্বিগুণ হয়ে গেলাে। ডানলপ ব্রীজের সামনে হঠাৎ ট্রাফিকের আলােটা লাল হয়ে উঠতেই বাসের চালক দ্রুত ব্রেক কষতেই যাত্রীরা হুড়মুড়িয়ে এ ওর ঘাড়ে লুটিয়ে পড়লাে।
এদিকে প্রিয়ব্রত ও মণীষার অবস্থা তথৈবচ। দু'হাত দিয়ে প্রিয়ব্রতর গলা জড়িয়ে ধরে থরথর করে কাঁপছে মণীষা। তার বুকের কাপন তখন আছড়ে পড়ছে প্রিয়ব্রতর বুকে। ওরা কতক্ষণ যে ওভাবে জড়িয়ে বসেছিল কেউ তা জানে না।

পিছনের আসন থেকে এক ছােকরা টিপ্পনী কাটল, কি দাদা, খুব লেগেছে?
এমন একটা নােংরা মন্তব্যের উত্তর দিতে ইচ্ছে হলাে না প্রিয়ব্রতর। তার বদলে অস্ফুটে মণীষার উদ্দেশ্যে বলে উঠলাে, আরে ছাড়ুন এবার। বাসের যাত্রীরা যে দেখছে...। দেখুকগে! মণীষা আরও নিবিড় করে প্রিয়ব্রতকে জড়িয়ে ধরে কপট অভিমান করে বললাে, বাসের ঝাকুনিতে আমার লাগলাে, আর ওরা রঙ্গ-রসিকতা করছে? না ওদের কথায় কান দেবেন না।
আঘাত পেয়েছে শুনে প্রিয়ব্রতর কেমন যেন একটু মায়া হলাে মেয়েটির ওপর। তাই সে মণীষার মুখের ওপর ঝুঁকে পড়ে ফিসফিসিয়ে জিজ্ঞেস করলাে, কোথায় লেগেছে?
এইখানে, এই বলে প্রিয়ব্রতর ডানহাতটা ধরে নিজের বুকজোড়ার মাঝখানে চেপে ধরলাে মণীষা, ছাড়তে চাইল না।
প্রিয়ব্রত ঘাবড়ে গেলাে। বাস তখন রকেটের গতিতে আবার ছুটতে শুরু করেছিল। ওদিকে বাসের যাত্রীরা আবার আগের মতাে ঘুমের কোলে ঢলে পড়েছিল তখন। প্রিয়ব্রত হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। ওরা এমন রসালাে দৃশ্য দেখলে আর রক্ষে ছিল না। রাতের জার্নি বলে বাসে মাত্র দুটি আলাে জ্বলছিল, একটা গেটের মুখে, আর একটা ঠিক ওদের আসনের পেছনে। কম পাওয়ারের আলাে হলেও মেয়েটির মুখটা বেশ স্পষ্টই দেখা যাচ্ছিল। অন্য আসনগুলাে প্রায় অস্পষ্ট আলােয় ডুবেছিল, তাতে একটা বাড়তি সুবিধে হলাে এই যে, দূর থেকে ওদের গতিবিধি অন্য যাত্রীদের চোখেই পড়ছে না।

তবু সাবধানের মার নেই, প্রিয়ব্রত তার হাতটা মেয়েটির বুকের ওপর থেকে তুলে নিতে গেলে মণীষা এবার আরাে জোরে চেপে ধরলাে ওর পাখীর মতাে নরম বুকের ওপরে অনুভবে বুঝলাে প্রিয়ব্রত অজান্তে তখন সে মণীষার বুকে হাত দিয়ে ফেলেছে। ব্ৰাহীন বুক। মেয়েটির স্বাস্থ্য ভীষণ ভালাে। তার ওপর বিশাল বুকের চাপে মনে হচ্ছিল ব্লাউজ না ফেটে যায়। সামনের দিকে বােতাম ব্লাউজের। ওপরের দুটি বােতাম খুলে গেছে, বুকের উপরের অনেকখানি উন্মুক্ত, আলােয় উদ্ভাসিত। সংকোচ হচ্ছিল, তাই প্রিয়ব্রত বােতাম দুটো লাগাবার চেষ্টা করতেই মণীষা তার হাত চেপে ধরে অস্ফুটে বলে উঠলাে, থাক না, আমার ও দুটো দেখতে কি তােমার খুব খারাপ লাগছে? এই দেখাে আমি তােমাকে তুমি বলে ফেললাম।

“ঠিক আছে, ও কিছু নয়।
‘না ঠিক নেই। তুমিও তাহলে আমাকে তুমি করে ডাকবে বলাে?”
মণীষা তার মনের কথাটাই বলেছিল। সেও যেন কেমন একটু একটু করে মেয়েটির প্রতি আসক্ত হয়ে উঠছিল। তাই সে আর আপত্তি করলাে না, বললাে “ঠিক আছে, তাই বলবাে। এই বলে প্রিয়ব্রত অবিন্যস্ত শালটা একহাতে তার বুকের ওপর গুছিয়ে বিছিয়ে দিলাে। ওপর হাতটা মেয়েটির বুকের ওপরেই তেমনি রাখা ছিল। এর ফলে বাসের অন্য যাত্রীরা জেগে উঠে তাদের দিকে তাকালেও তার হাতের কাজকর্ম তারা আর দেখতে পাবে না, এই ভাবে আশ্বস্ত হলাে সে। তার গতিবিধি দেখে মেয়েটি হাসলাে, স্থির চোখে তাকালাে প্রিয়ব্রতর দিকে। তুমি তাহলে এতক্ষণে সাবালক হলে?
“কি করে বুঝলে।
‘শালটা দিয়ে আমার বুক ঢেকে দিলে কেন?’ মণীষা কপট গম্ভীর মুখে বললাে, ‘একবার আমার অনুমতি নেবার প্রয়ােজন মনে করলে না?
প্রিয়ব্রত তার ব্লাউজের অবশিষ্ট বােতামগুলাে খুলতে খুলতে তেমনি রহস্য করে বললাে, এর পরেও কি তােমার অনুমতি নিতে হবে?
‘না গাে না’, মণীষা ঠোট ফোলালাে, তুমি কি ঠাট্টাও বােঝাে না?
এতে প্রিয়ব্রতর সাহস আরও বেড়ে গেলাে। ততক্ষণে ব্লাউজের সব বােতামগুলাে তার খােলা হয়ে গেছলাে। বুক পুরুষ্ট, সুগঠিত এবং সুডৌল। প্রিয়ব্রত ভালাে করে বুক দুটি তার হাতের মুঠোয় চেপে ধরে মৃদু চাপ দিতে শুরু করলাে। মণীষা হাত সরিয়ে দিলাে না।

বরং আবেগকম্পিত গলায় ফিসফিসিয়ে বললাে, আরও আরও জোরে, খুব ভাল লাগছে।” এই বলে মণীষা হঠাৎ একটা অদ্ভুত কাজ করে বসলাে, প্রিয়ব্রতর মাথাটা নিচে নামিয়ে এনে তার ঠোঁটজোড়া নিজের তপ্ত ওষ্ঠ দ্বয়ের কাছে নিয়ে এলাে। চুম্বনের জন্য মুখ তুললাে মণীষা। প্রিয়ব্রত তার মনের কথা জেনে গেছে ততক্ষণে। তাই সে তার শালটা নিজের মাথার ওপর টেনে বাকী অংশটুকু মণীষার শরীরের ওপরের অংশটুকু ঢেকে দিলাে। এখন প্রকাশ পাওয়ার মতাে ওদের শরীরের কোনাে অংশই খােলা পড়ে রইলাে না। নিশির ডাকে সম্মােহিত নারীর মতাে দেখাচ্ছিল মণীষাকে। মৃদু হাসলাে প্রিয়ব্রত, হঠাৎ আকাঙ্খিত কিছু পেয়ে যাওয়ার হাসি যেন।

এখানে এই চলন্ত বাসের মধ্যে যাত্রীরা সবই যেখানে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঘটনার এমন উৎসাহব্যঞ্জক পরিবেশে হঠাৎ কেমন যেন মণীষাকে ভাল লেগে গেল প্রিয়ব্রতর মণীষাকে সে আরও নিবিড় করে জড়িয়ে ধরলাে। হাতের স্পর্শে সংবহনের আরাম দিতে চাইলাে মণীষাকে। অকপট হাসিতে প্রিয়ব্রত যেন ওকে অবশ করতে চাইছে। মণীষা চুম্বনের জন্যে মুখ তুলতেই প্রিয়ব্রত ওকে ওর সেই ছােট্ট আসনে শুইয়ে ওর কোমর জড়িয়ে ধরলাে সজোরে, পােশাকের ওপর থেকেই চাপ দিলাে মণীষার তলপেটে, আর সেই অবস্থাতেই আলাে আঁধারির ছায়াঘন অবস্থায় দুটি ছায়ামূর্তি চুম্বিত হয়ে রইল।

মণীষার মনে হলাে, এই তার স্বামী। ওদিকে প্রিয়ব্রত হয়তাে কল্পনা করলাে তার বিবাহিত স্ত্রী অনুসূয়াকে, এই মুহূর্তে যাকে সে চাইছে কিন্তু পাচ্ছে না । আর এভাবেই দুটি দেহে দুটি অন্য মন তরঙ্গায়িত হলাে। বাসের সেই স্বল্পালােকে প্রিয়ব্রত মণীষার মুখের দিকে তাকিয়ে বললাে, ও এখন ওর তপ্ত ঠোটে চুম্বনের প্রত্যাশী।



প্রিয়ব্রত বাসের সেই স্বল্প পরিসরে ঠেস দিয়ে নিজের শরীরের নিচে মণীষাকে শােয়ালাে, তার দেহের ওপর নিজের দেহটাকে কোনােরকমে বিছিয়ে দিয়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরলাে সজোরে, শাড়িতে আবৃত মণীষার জঙঘায় এবং তলপেটে চাপ দিতে থাকলাে, আর সেই অবস্থাতেই সেই আলাে আঁধারিতে দুটি ছায়ামূর্তি চুম্বিত হয়ে রইলাে, চুম্বন যতক্ষণ না বিস্বাদ ঠেকলাে ততক্ষণ পর্যন্ত কেউ কারাের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাইলাে না। মণীষার মনে হলাে, এই তার স্বামী বিজন, যাকে সে শরীরী সম্পর্কে পেতে চায় কিন্তু পায় না কোনাে এক কারণে। দুটি দেহে দুটি অন্য মন তরঙ্গায়িত হতে থাকলে তাদের এতদিনের না পাওয়া আকাঙক্ষা হঠাৎ ক্ষণিকের এই প্রাপ্তিযােগ তারা এখন ভরিয়ে নিতে চাইলাে কানায় কানায়।

কিন্তু তারা এও জানে যে, এই চলন্ত বাসের মধ্যে তাদের সব আকাঙ্খার পূর্ণতাপ্রাপ্তি ঘটতে পারে না, সম্ভবও নয়। তবে যেটুকু পাওয়া যায় তাই যথেষ্ট, আর যা না পাবে পথের কামনা বাসনা সব পথেই ফেলে রেখে যেতে হবে। অনেকক্ষণ পরে মণীষার চোখে-মুখে একটা সুখ-তৃপ্তির ভাবফুটে উঠতে দেখা গেলাে। এবং প্রিয়ব্রতরও। প্রিয়ব্রতই প্রথমে মণীষার কমলালেবুর কোয়ার মতাে রসসিক্ত ওষ্ঠ দ্বয় থেকে নিজের ঠোটজোড়া বিচ্ছিন্ন করে শান্ত স্নিগ্ধ গলায় মিষ্টি সুরে বললাে, ‘এবার ছাড়।

‘আর একটু প্লিজ’, মণীষা এবার নিজের থেকে সক্রিয় হয়ে দু'হাতে প্রিয়ব্রতর গলা জড়িয়ে ধরে তার ঠোটজোড়া নিজের ওষ্ঠ দ্বয়ের মধ্যে পুরে চোষণে ব্রত হলাে। চোষণ অতি দ্রুত হলাে এবার, যেন চুম্বনে রসনার শেষ ফোটা সে চুষে নিতে চাইছে প্রিয়ব্রতর ওষ্ঠ দ্বয় থেকে। তারপর তখনকার মতাে একেবারে নিঃশেষ হয়ে যেতেই সে বিচ্ছিন্ন হলাে প্রিয়ব্রতর থেকে।

“কেমন লাগলাে?’ প্রিয়ব্রতর দিকে লােলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে হাসি হাসি মুখে মণীষা জিজ্ঞেস করলাে।
তােমার রসালাে ঠোট, নাকি চুম্বন!’
‘দুটোই। এই বলে হাসলাে প্রিয়ব্রত। কপট অনুযােগ করে আবার বললাে, তবে মন ভরলেও দেহ কিন্তু অপূর্ণই রয়ে গেলাে।

এখন এ পর্যন্তই থাক, পথ চলা এখনও শেষ হয়নি দীর্ঘ পথ এখনও বাকী রয়েছে। মাঝেমধ্যে সুযােগ পেলে টুকটাক প্রাপ্তিযােগ ঘটলেও ঘটতে পারে, তার বেশি কিছু নয়। যেমন এই মুহূর্তে আমি তােমাকে তােমাদের অতি প্রিয় জিনিসটা খাওয়াতে পারি। ‘সেটা কি, থামলে কেন?' প্রিয়ব্রত অধীর হয়ে বললাে, “বলাে কি সেটা? আমি কি সেটা চোখে দেখতে পারি?
“না অনুভবে বুঝে নিতে হবে,' মণীষা রহস্য করে বলে তার শালের নিচে প্রিয়ব্রতর মাথাটা আড়াল করে চেপে ধরলাে নিজের বুকের ওপর। ব্লাউজের বােতাম খােলা মণীষার বুক। শালের আড়াল হলেও মণীষার লক্ষ্য কিন্তু স্থির ছিল, প্রিয়ব্রতর মুখটা সে তার আকাঙ্খিত একটা বুকের ওপর চেপে ধরলাে।

হ্যা, মণীষার খুবই প্রিয়। চোষণে দারুণ মজা। 

 এই অভ্যাসটা পুরুষরা তাদের জন্মলগ্ন থেকে শেখে তাদের মায়েদের কাছ থেকে। মণীষার বুকে দুধ নেই, তাতে কি হয়েছে? বাড়িতে তার র-চা খাওয়ার অভ্যাস আছে, র-চায়ে চায়ের ফ্লেভারটা ভাল পাওয়া যায়। সেই রকম বুকেও বেশ মাদী মাদী গন্ধ থাকে, হাত দিতে ভাল লাগে, শুকতে ভালাে লাগে আর চুষতে সে তাে স্বর্গসুখ লাভের মতাে। প্রিয়ব্রত আর অপেক্ষা করতে পারছিল না, পালা করে মণীষার দুটি বুক বেশ আয়েস করে চুষতে শুরু করলাে। স্ফুরিতক চুম্বনে ও চোষণে রক্তবর্ণ হলাে ওষ্ঠদ্বয়, মণীষা বুক আরও চেপে ধরলাে প্রিয়ব্রতর মুখে, চোষণে বৃষ্টি পড়া। কদমের মতাে কণ্টকিত হলাে বুকযুগল।
‘আঃ, কি চমৎকার তােমার বুকজোড়া। একবার বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রিয়ব্রত বলে উঠলাে। ‘ভাল লাগছে?' মণীষা জিজ্ঞেস করলাে।
“দারুণ!’

‘কলেজে ইকোনােমিক্সে পড়েছিলাম ‘ল অব ডিমিনিশিং-এর কথা। ভালাে জিনিষ বেশি খেলেই তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যায়। আর নয়, ওঠো এখন, উঃ তােমার শরীরটা কি ভারি!
এই সময় পিছনের আসনের এক যাত্রীর ঘুম ভেঙে গেলাে। তার আড়মােড়া ভাঙার শব্দ হতেই মণীষা প্রিয়ব্রতকে ঠেলা দিলাে, ‘এই ওঠো, কেউ বােধহয় জেগে উঠেছে। প্রিয়ব্রত দ্রুত মণীষার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে উঠে বসলাে। ‘স্যরি!’ মণীষা মুখ টিপে হাসলাে। “দুঃখ করাে না প্রিয়, পরে আমি তােমাকে সুদে আসলে পুষিয়ে দেবাে।
‘প্রমিস?
প্রিয়ব্রতর হাতে মৃদু চাপ দিয়ে মণীষা বললাে, “হ্যা, শপথ নিলাম!” মাঝরাতে বাস এসে থামলাে মালদায়। অনেকক্ষণ থামবে এখানে।
“কিছু খাবে?’ প্রিয়ব্রত জিজ্ঞেস করলাে।

‘যা খাইয়েছ, এরপর অন্য আর কিছু খাওয়ার ইচ্ছে নেই’, রহস্যময় হাসি হেসে মণীষা বললাে, এত সব খাওয়ার পরেও তােমার খিদে পেয়েছে। ‘তেমন করে খেতে দিলে কই?’ প্রিয়ব্রতও কপট অনুযােগ করতে ছাড়লাে না। “সে তােমার দুর্ভাগ্য’, পিছনের আসনের দিকে তাকিয়ে অর্থপূর্ণ হাসি হাসলাে মণীষা। মণীষা কি বলতে চাইছে তা বুঝতে অসুবিধে হলাে না প্রিয়ব্রতর। “বেশ, অন্তত এক কাপ কফি?
‘তা মন্দ হয় না, যা শীত পড়েছে, শরীরটা একটু গরম না করে নিলে নয়!

“সে কি তুমি গরম হওনি?’ মণীষার একটু আগের রসিকতার বদলা হিসেবে বললাে, ‘এত গরম খাওয়ার পরেও ‘এ গরম সে গরম নয়। মণীষাও রসিকতা করতে ছাড়লাে না। তাছাড়া কি এমন গরম করতে পারলে তুমি?
‘সুযােগ পেলে দেখাে তােমার মধ্যে কেমন আমি আগুন জ্বালিয়ে দিই। হাসতে হাসতে বললাে প্রিয়ব্রত।
তার আগে আমিই তােমার মধ্যে আগুন ছড়িয়ে দেবাে।

না তুমি তা পারবে না, প্রিয়ব্রত এবার একটা মােক্ষম রসিকতা করলাে, “দেশলাই কাঠিটা কেবল আমার কাছেই আছে, তােমার কাছে নয়!

‘দুষ্টু কোথাকার’, মণীষা কপট ধমক দিয়ে প্রিয়ব্রতর প্যান্টের ওপর মৃদু চাপ দিয়ে বললাে, এই দেশলাইকাঠির জন্য এতাে দেমাক তােমার?
‘হ্যা অবশ্যই! আর একটা কাঠিই যথেষ্ট, তােমার সারা অঙ্গে আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারে আমার এই দেশলাইকাঠিটা। তা জ্বালবাে নাকি?
‘না, না, দোহাই তােমার’, মণীষা তাকে থামিয়ে দিয়ে অনুরােধ করলাে, লক্ষ্মীটি, এখানে লঙ্কাকাণ্ড বাধিয়ে বসাে না, শিলিগুড়িতে চলাে, সেখানে তুমি যত খুশি আগুন জ্বালাও, আমার দেহ পুড়িয়ে ছাই করে দাও না কেন আমি কোনাে ভাবেই আপত্তি করবাে না।

‘কথা দিচ্ছ?
‘কেন, একটু আগেই তাে আমি তােমাকে কথা দিয়েছি। মণীষা বললাে।
‘ঠিক আছে, আমি তাহলে কফি আনতে চললাম,
‘হ্যা, তাই যাও।
কফির পেয়ালায় চুমুক দিয়ে প্রিয়ব্রত এই প্রথম মণীষার পারিবারিক প্রসঙ্গে আলােচনা শুরু করতে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাে, “তােমার বাড়িতে কে কে আছেন?

‘স্বামী আর দত্তক নেওয়া একটি ছেলে।
‘দত্তক নেওয়া ছেলে?’ প্রিয়ব্রত একটু অবাক হয়েই জিজ্ঞেস করলাে, “কেন, তােমাদের বিবাহিত জীবনের কোনাে ফসল তুলতে পারােনি?
‘অনেক দুঃখের সঙ্গে বলছি, আমার স্বামী ইমপােটেন্ট, বাবা হওয়ার অযােগ্য। “তাই বুঝি? প্রিয়ব্রত দুঃখ প্রকাশ করলাে, ‘আমি দুঃখিত।
“না, না এতে দুঃখ পাওয়ার কি আছে?' বিষগ্ন গলায় মণীষা বললাে, “এ আমার দুর্ভাগ্য। আর তাই তাে তােমার মতাে একজন ভাল বন্ধু পেয়ে আমি লােভ সামলাতে পারিনি। আমার কথা থাক, এখন তােমার কথা বলাে। তােমার বিবাহিত জীবন কি রকম বলাে।

স্ত্রীও একটি বছর তিনেকের ছেলে নিয়ে আমার সংসার বেশ সুখেই কাটছিল, কিন্তু ভগবান বােধহয় সব সুখ একসঙ্গে দেন না। তা না হলে আমার স্ত্রী হঠাৎ পক্ষাঘাতে পঙ্গু হয়ে পড়বে কেন বলনা? প্রায় এক বছর হলাে, স্ত্রীর সঙ্গে আমার শারীরিক কোনাে সংযােগ নেই। আর তাই বােধহয় আজ হঠাৎ তােমার এমন মধুর সঙ্গ পেয়ে আমি একটু বেহিসেবিপনা করে ফেলেছি।

‘না, না এটাইতাে প্রকৃতির ধর্ম, নারী পুরুষ একত্রিত হলে এমনি হয়। তুমি এমন কিছু বেহিসেবিপনা করােনি। আমার বিশ্বাস, শিলিগুড়িতে গিয়ে আমি অতৃপ্ত জীবনে আরও বেশি করে তৃপ্তি আনতে পারবাে। স্বামী নেই, ওখানে গিয়ে তুমি আমার বাড়িতেই উঠবে। আমার ছেলে বেলা এগারােটায় ফিরে আসে, আশা করি তার আগেই তােমাকে পরিপূর্ণ তৃপ্তি দিয়ে ফেরাতে পারবাে 

সকাল হতেই রকেট বাস এসে পৌঁছলাে শিলিগুড়িতে। কালবিলম্ব না করে বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রিয়ব্রতকে সঙ্গে নিয়ে মণীষা সােজা তাদের হিলকার্ট রােডের বাড়িতে। ফিরে এলাে। তখন বেলা প্রায় নটা বাড়ি ফাকা। ছেলেকে স্কুলে নিয়ে গেছে কাজের মেয়ে শান্তি, তাকে একবারে নিয়েই ফিরবে এগারােটার পর। এই দু'ঘণ্টা, ন'টা থেকে এগারােটা তাদের মিলনের স্বর্গরাজ্য বলে মনে করলাে মণীষা।

এত বড় বাড়িতে তারা দু’ জন এখন। টয়লেট থেকে তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে নিলাে তারা। টয়লেট থেকে বেরিয়ে এসে মৃদু হাসলাে প্রিয়ব্রত, বিজয়ীর হাসি। আর এখানে এই নির্জন বাড়ির মধ্যে হঠাৎ কেমন যেন ভালাে লেগে গেলাে মণীষার প্রিয়ব্রতকে। ওর কাছে গিয়ে ওর খােলা প্রশস্ত বুকে হাত রাখলাে, কাধের পেশীতে হাত বােলালাে, তারপর গলা জড়িয়ে ধরলাে। বাহাতের স্পর্শে সংবাহনের আরাম দিতে চাইলাে প্রিয়ব্রতকে।

প্রিয়ব্রত হাসছে। কপট হাসিতে প্রিয়ব্রত যেন ওকে অবশ করে দিতে চাইছে। মণীষা ভাবছে, এই সময় হঠাৎ যদি ওর স্বামী এসে হাজির হয় ওদের এভাবে মিলিত হতে দেখে দেখুক। একটা ক্লীবকে ও আর ভয় পাবে না, ও এখন ওর মনের মানুষের সন্ধান পেয়ে গেছে। প্রিয়ব্রতকে কথা দিয়েছে ও। কথা রাখতে উদ্যোগী হলাে মণীষা। যেন ওর পুরুষ কৌমার্য হরণ করছে এমনভাবে প্রিয়ব্রতকে সজোরে নিজের দিকে অকর্ষণ করলাে মণীষা, ওকে ঘর্ষণ করলাে নিজের দেহে, তারপর প্রিয়ব্রতর পরনের পােশাক টেনে খুললাে, হাত দিয়ে অনুভব করলাে ওর উদ্যতা রিরংসার ফলা, ছাড়লাে না মুঠোয় ধরে রইলাে।
প্রিয়ব্রত অস্ফুটে বলে উঠলাে, “কি সুন্দর বুক তােমার মণীষা!” আর তােমার এই সােনারকাঠিটাও কম সুন্দর নয় প্রিয়ব্রত, দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে আমার স্বামীরটার থেকে দ্বিগুণ, যেকোনাে মেয়ের কাছে এটা লােভনীয়।

প্রিয়ব্রতর সারা শরীর টান-টান হয়ে উঠেছে। সত্যিকার পুরুষমানুষ। উপযুক্ত শৃঙ্গার আবিষ্কার করতে চায় প্রিয়ব্রত। টের পেয়েছে মণীষার তৃপ্তি-সাধন খুব সহজ নয়। তাই শৃঙ্গারে ওকে অবশ না করলে শুধু সােনারকাঠির স্পর্শে ওর রাগমােচন হবে না। ওর দেহ বেয়ে খানিকটা নামলাে প্রিয়ব্রত মণীষার বুকের অগ্রভাগে মণ্ডলীকার কালাে দাগযুক্ত জায়গায় মুখ রাখলাে, লেহন করলাে বুক, উৎফুল্ল বুকের খানিকটা মাংস দুই পাটির সবগুলাে দাঁত দিয়ে বৃত্তাকারে গ্রহণ করে মৃদু চাপ দিলাে।

এক বুক থেকে প্রিয়ব্রতর মাথাটা তুলে আর এক বুকে আনলাে মণীষা এবং বললাে, এটাকেও একুট দেখাে! মণীষার নিঃশ্বাসে হাল্কা, নাকের পাটা ফুলছে, কথা জড়িয়ে আসছে, কোমল নীচের অংশ আদ্র হচ্ছে। মণীষার নাভিমূলে হাত বুলােলাে প্রিয়ব্রত। একটু একটু করে আরও নিচে উরুসন্ধিতে উত্তাপ অনুভব করলাে, হাতের স্পর্শে দুই উরু প্রসারিত করলাে মণীষা।

আবেগকম্পিত গলায় বললাে, আর পারছিনে। নিতম্ব ওপর দিকে বার বার ঠেলে তুলতে মণীষা ওর ত্রিভুজে বিদ্ধ করাতে চাইছে প্রিয়ব্রতর সােনার কাঠি, দু'হাতে ওর পুরুষকঠিন পশ্চাদভাগ টেনে আনছে নিজের কাকালের দিকে। প্রিয়ব্রত বেশ বুঝতে পারছে মণীষার চোখ মুখ উগ্র সঙ্গমেচ্ছায় বিস্তারিত, স্নায়ুমণ্ডলী উত্তেজিত। উত্তুঙ্গ উত্তেজনার মুহূর্তে দু’হাত মণীষার কোমর জড়িয়ে ধরেচাপ দিয়ে ওকে ওপরের দিকে টানলাে প্রিয়ব্রত, যুক্ত হলাে দেহে দেহে প্রবিষ্ট হলাে মণীষার মধ্যে। মণীষা অধীর আনন্দে বলে উঠলাে, ‘আ’!
কি সুন্দর তােমার ত্রিভুজ মণীষা।
ভাল লাগছে? আরও জোরে...।

কিন্তু প্রিয়ব্রত তাড়াহুড়াে করছে না, দেহে দেহে দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে নিস্ক্রিয় প্রিয়ব্রত আবেশে চোখ বুজে উপভােগ করছে। ওদিকে মণীষা আর স্থির থাকতে পারছে না। কেমন নির্লজ্জের মতাে বললাে, “ওঃ আর একটু, আর একটু...'

এবার সক্রিয় হলাে প্রিয়ব্রত এবং অল্পক্ষণের মধ্যেই ওর উত্তাপে জারকরস বিন্দু বিন্দু হয়ে ঝরে পড়তে থাকলাে মণীষার দেহের অভ্যন্তরে। দুজনেরই এক সঙ্গে রাগমােচন হলাে। আর অবসন্ন দুটি দেহে ওই অবস্থায় পড়ে রইলাে আরও কিছুক্ষণ। মণীষার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে টয়লেট গিয়ে ঢুকলাে প্রিয়ব্রত, মণীষাও অনুসরণ করলাে ওকে। এ ওর মিলনজনিত সমস্ত ক্লেদ, ময়লা ধুয়ে মুছে সাফ করে দিলাে। টয়লেট থেকে বেরিয়ে এসে প্রিয়ব্রত ঘড়ির দিকে তাকালাে, সাড়ে দশটা। বললাে, ‘তােমার ছেলের ফেরার সময় হয়ে এলাে, এবার যাই।

‘আবার কবে দেখা হবে?’ মণীষার চোখে আকুতির ছায়া পড়ে।
‘আবার দেখা কেন, এই তাে ভালাে, মৃদু হেসে প্রিয়ব্রত বললাে, পথের দেখা পথেই তো শেষ হলে ভালাে হয়, তাই না।
মণীষা ফ্যালফ্যাল করে প্রিয়ব্রতর গমন পথের দিকে তাকিয়ে রইলাে। কি উত্তর দেবে ও? এই মুহূর্তে ওর সারা দেহ-মনে প্রিয়ব্রতর সুখ-স্মৃতি জড়িয়ে আছে, অন্য কথা ভেবে সেটা ও মুছে দিতে চাইলাে না।

 

বর্তমানে অধিকাংশ সংসারে সুখ নেই !! সুখ নামের শব্দ’টা কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে !!

 


বর্তমানে অধিকাংশ সংসারে সুখ নেই !!
সুখ নামের শব্দ’টা কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে !!

স্ত্রী তার স্বামীর কাছে শারীরিক ভাবে নির্যাতিত হচ্ছে !!
স্বামী তার স্ত্রীকে প্রতিটা মুহূর্তে অবহেলা অপমান করছে !!
স্ত্রী তার শ্বশুর শাশুড়ী ননদের কাছে নির্যাতিত হচ্ছে !!

স্ত্রী তার স্বামী সহ্য করতে পারে না !!
স্ত্রী তার স্বামীর কথার মূল্য দিচ্ছে না !!
স্ত্রী তার শ্বশুর শাশুড়ী ননদকে দেখতে বা সহ্য করতে পারছে না !!

আসলে অনেক সময় এসব মানসিক সমস্যার কারণে হয় !!
একজন স্বামী তার স্ত্রীকে পর করে দেয় !!
একজন স্ত্রী তার স্বামীকে পর করে দেয় !!
তারা কেউ কাউকে সহ্য করতে পারে না !!

একটা সম্পর্কের মাঝে সুখ ফিরিয়ে আনতে হলে দুজনকে সেক্রিফাইস করতে হবে !!
একে অপরের কথা সহ্য করতে হবে !!
একে অপরের বিশ্বাস করতে হবে !!
তবেই একটা সম্পর্ক সুখ ফিরে আসবে !!

আর যদি সেক্রিফাইস না করে !!
একে অপরের বিশ্বাস না করে !!
কেউ কারোর কথা সহ্য করতে না পারে !!
সুখ নাম শব্দটা মরীচিকা হয়ে থাকবে!!
একটা সময় স্বামী+স্ত্রী পবিত্র সম্পর্কটা বিচ্ছেদে রুপ নেয় !!

আবর্তন !! লেখাঃ তাজরীন খন্দকার

 আবর্তন


 

অরুণ আমার পেটে তোমার বাচ্চা,অথচ তুমি আমার জীবনটা নষ্ট করে আবার বিয়ে করতে চলেছো?
কীভাবে ভুলে গেলে আমাদের তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক এবং এক বছর আগে কোর্টে বিয়ে হওয়ার কথা?
অরুণের বিয়ের আসরে হঠাৎ দৌঁড়ে এসে হাঁফাতে হাঁফাতে কথাগুলো বললো একটা অচেনা মেয়ে। যাকে কিনা এখানে উপস্থিত কেউই চিনেনা।
কাজী সাহেব বিয়ে পড়ানোর পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে বরের সামনে বসেছিলেন ,ঠিক সেসময় সেখানে এই অচেনা মেয়ের আগমন, যার দাবি হলো এই বর তার স্বামী হয় এবং তাদের একবছর আগে বিয়ে হয়েছে৷ অপরিচিত সেই মেয়েটা হাতে বিয়ের কাগজপত্র নিয়ে জোরে জোরে চিৎকার করে সামনে যারা আছে সবাইকে দেখাচ্ছে,আর বলছে ___এই বিয়ে যেভাবেই হোক যেন ভেঙে দেন প্লিজ। বুঝার চেষ্টা করুন, এখানে যদি কোনো রকম বিয়ে হয় তাহলে আমার এবং আমার বাচ্চার জীবন নষ্ট হয়ে যাবে। আমার জানা ছিল না অরুণ আমাকে এভাবে ঠকাতে পারে। সে আমাকে বলেছিল তার পরিবারকে ৬ মাসের মধ্যে যেভাবেই হোক রাজী করিয়ে আমাকে তার ঘরে তুলবে,কিন্তু তার আগেই সে আরেকটা মেয়েকে বিয়ে করার জন্য চলে এসেছে। আমি ভাবতে পারছিনা কিছু!
মেয়েটা রীতিমতো সবার হাতেপায়ে ধরে হাউমাউ করে অনুরোধ করতেছে। অরুণের পরিবারের লোকজন পারছেনা এই মূহুর্তে এই অসম্মান থেকে বাঁচতে মাটির নিচে লুকিয়ে যায়! তাদের ছেলে তাদের না জানিয়ে কি করে এমন একটা জগণ্য কাজ করতে পারে!
ইতোমধ্যে এই ব্যপারটা সারাময় রটে গেলো।
সেটা এই বিয়ের কণেবেশে অন্তপুরে বসে থাকা চন্দ্রার কানে পৌঁছাতেই তার গা হিম হয়ে এলো, কিছুক্ষণের জন্য সে একদম স্থির হয়ে ছিল, আর তার চোখ দুটো মূহুর্তেই লাল হয়ে পানিতে টলমল করছে, মুখে কোনো শব্দ বেরুচ্ছেনা, হাত একটা আরেকটার হালকা উপর নড়ছে । হঠাৎই সে লাল বেনারসি শাড়ী আর ঘোমটা টেনে এক দৌঁড়ে রুম থেকে বেড়িয়ে গেলো ।

একদম বাইরের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালো, আর দেখলো এক জায়গায় সবাই জড়ো হয়ে আছে এবং সেখান থেকে তর্কাতর্কির খুব জোরে জোরে শব্দ আসছে, চন্দ্রা বুঝতে পারলো সেই মেয়েটার সাথেই হয়তো কথা বলছে সবাই। চন্দ্রা সামনে এগুনোর জন্য যে-ই পা বাড়াবে তখনি তাকে পেছন থেকে কেউ আটকে ফেললো। পেছনে তাকানোর আগেই সামনে একজনের চোখে আর চোখবিদ্ধ হলো, সবার ভীড় থেকে যে চোখজোড়া তার দিকে অসহায় হয়ে তাকিয়ে আছে। চন্দ্রা পেছনে আটকানো হাতটাকে ছিটকে সরিয়ে দরজার একদম বাইরে চলে আসলো। ততক্ষণে সেখানের সবার দৃষ্টি এসে পড়লো চন্দ্রার দিকে। আবর্তন
স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে অরুণের চোখ ভিজে আছে কিন্তু সেখানে এই মূহুর্তে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মতো কোনো শক্তি তার নেই। চন্দ্রা ডান হাতের আঙুলটা উপরে সামনে ধরে ঠিক অরুণের দিকে লক্ষ্য করে কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে, ভাঙা স্বরে জোরে জোরে বলতে লাগলো,,
___ একটা মানুষ এতো নিচ কীভাবে হয়? কীভাবে পারে এতো নিখুঁতভাবে প্রতারণা করতে?
এই এই! আপনিই না সেদিন বলেছিলেন, চন্দ্রা তোমার আর আমার নামের মধ্যে একটা দারুণ মিল আছে, অরুণ নামের অর্থ সূর্য, আর আমার নামের অর্থ চাঁদ! চাঁদ যেমন সূর্যের আলোয় নিজেকে আধারে আলোকিত করে, তেমনি আপনার ভালোবাসায় আমাকেও সারাজীবন আলোকিত করে রাখবেন! বলেছিলেন না? কেন বলেছিলেন এগুলো, কেন ? কেন আমার এতো স্বপ্ন আশাকে ভেঙে চুরমার করে দিলেন! কি দোষ ছিল আমার?
বিয়ের আসর থেকে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পরে একটা মেয়ের জীবনে কেমন ধ্বস নেমে আসতে পারে, আপনার ধারণা আছে? আমি আপনাকে কখনোই ক্ষমা করবোনা,কখনোই না।
চন্দ্রার কথা শুনে এখানে সবাই মুখ ভার করে দাঁড়িয়ে রইলো, কেউ কেউ চোখ মুছতেছে, শুধু অরুণ নির্বাক হয়ে তাকিয়ে তাকিয়ে শুনে যাচ্ছে। চন্দ্রা এখান থেকে ভেতরে যাওয়ার জন্য ঘুরে দাঁড়িয়েও আবার অরুণের দিকে তাকালো, অরুণ হাত নাড়িয়ে বলতে চাচ্ছে এসবের কিছুই সে জানেনা,কিন্তু চন্দ্রা তাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই চেঁচিয়ে বললো, ___আপনার এই পাপী মুখ আমাকে দেখাবেন না। আমি আপনাকে আর কখনোই দেখতে চাইনা। ঘৃণা করি আপনাকে! বলেই এক দৌঁড়ে চন্দ্রা ভেতরে চলে গেলো। বিয়েটা ভেঙে গেলো, অরুণ কোনো একটা মুখের কথাও বলতে পারলোনা। চারপাশ থেকে মানুষজন ছি ছি কর‍তে লাগলো। তার পরিবারের লোকজন তাকে যাচ্ছেতাই বকে যাচ্ছে। কোনো রকম সেখান থেকে মাফ চেয়ে বরপক্ষ কণেবিহীন গাড়ী নিয়ে খালি হাতে ফেরত যাচ্ছে। অরুণের তখনি মরে যেতে ইচ্ছে করছিলো, কাউকে বিশ্বাস করাতে পারছেনা সত্যিই সে নির্দোষ! এমন গন্ডগোলের ভীড়ে অরুণ সেই মেয়েটাকেও আর খুঁজে পেলোনা আর।
কারো চোখের দিকে তাকাতে পারছেনা, খুব ক্ষেপে আছে সবাই। আবর্তন
গাড়ীতে বসে অরুণ উপরে তাকিয়ে নিজেকে শক্ত করলো। চন্দ্রার সাথে বিয়ের তারিখ হওয়ার পরে মাত্র তিনবার ফোনে কথা হয়েছে, এর আগে অসংখ্য পাত্রী দেখেছে অরুণ কিন্তু কাউকেই তার জীবনসঙ্গী হিসেবে যোগ্য মনে করতে পারেনি। কিন্তু চন্দ্রাকে দেখার পর পরই তার মনে হয়েছিল তারা একে অপরের জন্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে আজ কাঙ্খিত সেই চাওয়াকে পাওয়ার শুরুতেই হারানোর ভয়াবহ ব্যথার পাথর বেঁধে ফিরতে হচ্ছে। সে জানেনা এটা কেমন চক্রান্ত ছিল! সত্যিই কি চন্দ্রাকে সে হারাবে এটা ভাবতেই অরুণের বুক কেঁপে ওঠছে।

কিন্তু নাহ তাকে হেরে গেলে চলবেনা,সেতো জানে সে সত্যিই কিছু করেনি। তাকে এখানে ফাঁসানো হয়েছে। আর এটা তাকে যেভাবেই হোক প্রমাণ করতে হবে। কিন্তু কে এমন করতে পারে? যে মেয়েটা আসছিল তাকেও তো অরুণ চিনেনা, আবার সে যে কাবিনপত্র নিয়ে আসলো সেখানেও অরুণের সাক্ষর স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো। অরুণের জানামতে তার কোনো শত্রু থাকতে পারেনা, আবার এমনো নয় যে তার কোনো প্রাক্তন প্রেমিকা ছিল। সে কখনো প্রেম করার সুযোগই পায়নি। বছরের পর বছর একগাদা বই নিয়ে তার জীবনের এতগুলো সময় নির্বাহিত হয়েছে। আর সেই জন্যই আজ তার ভালো একটা চাকরি আছে,সম্মান আছে। তবে আজকের কান্ডে তার সারাজীবনের সঞ্চিত সম্মানটা পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। সে জানেনা কি থেকে এখন কি শুরু করবে, আর সবার ভুল ভাঙাবে! তবে সে হাল ছাড়বেনা। মনে মনে শপথ করেছে যে করেই সত্যটা সবার সামনে আনবে এবং সে চন্দ্রাকেই বিয়ে করবে। আবর্তন

অন্যদিকে চন্দ্রা নিজের ঘরে সেই দুপুর থেকে দরজা লাগিয়ে বসে আছে। তাকে এভাবে ঘরে দরজা লাগিয়ে রাখতে দেখে সবাই চিন্তায় পড়ে গেলো। শুধুমাত্র তার ভাবী ছাড়া সবাই-ই কেমন জানি ছুটাছুটি করছে, চন্দ্রার মা তো পুরো পাগল প্রায় অবস্থা। এভাবে মেয়েটার বিয়ে ভেঙে গেলো, কে জানে তার মেয়ের ভবিষ্যৎে কি অপেক্ষা করছে! কিন্তু চন্দ্রার সেই ভাবীটা উনাকে বুঝানোর চেষ্টা করছে কিছুই হবেনা। যা হয়েছে হয়তো মঙ্গলের জন্যই হয়েছে। নাহলে এমন একটা ছেলের সাথে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরে বিষয়টা জানলে কতোই না দেরি হয়ে যেতো।
চন্দ্রার মা বিষয়টা বুঝতে পেরে কিছুটা আশ্বস্ত হলেন। আবর্তন
এদিকে সবাইকে বুঝাতে বুঝাতে চন্দ্রার ভাবী প্রায় হাঁফিয়ে উঠেছে।
এতকিছু হয়ে যাওয়ার পরে কেউ চন্দ্রার সাথে কথা বলতে যায়নি। কারণ সেটার সুযোগই পায়নি কেউ। অবশেষে ভাবী গিয়ে চন্দ্রার দরজার উপর কড়া নাড়লেন।
পুরো তিন মিনিট পর চন্দ্রা একটা গম্ভীর ভাব নিয়ে দরজা খোলে সামনে নিজের ভাবীকে দেখে জোরে হেসে উঠে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বললো,
___ভাবী তুমি? আমি তো ভাবছি অন্য কেউ!
চন্দ্রার ভাবী মুখ বাঁকিয়ে বললো, আবর্তন

___কেন আমি না হলে কি শুরু করে দিতে অভিনয়? তুমিও পারো বোন। আচ্ছা মানলাম এসব সংলাপ দেওয়া সহজ কিন্তু চোখে পানি আসে কীভাবে বুঝাবে?
চন্দ্রা তার ভাবীর মুখ চেপে ধরে বললো, ___ আস্তে ভাবী আস্তে, কেউ শুনে ফেলবে তো!
চলবে…

Bangla Cute Love Story (রাগি বর আর দুষ্টু বউ Part_1) Romantic Love Story

 


এই যে মি: দেখে চলতে পারেননা।মেয়ে দেখলেই গায়ে পরতে ইচ্ছে করে --রাত বলে উঠলো।

(পরিচয় দেওয়া যাক এই আমাদের গল্পের নায়িকা রাত।দেখতে মাশাআল্লাহ । 12 এ পড়ে ।কিন্তু সেই লেভেলের দুষ্টু।পরে সব বুঝতে পারবেন।গল্পে ফেরা যাক)

দীনা:আহ।।রাত বাদ দেতো । এখান থেকে চল।(দীনা রাতের best friend)
রাত: না দাঁড়া।বেটাকে শায়েস্তা করে তবে ছাড়ব।।বেটা তালকানা খাটাশ।দেখে চলতে পারে না 😡

 

অপরিচিত: দেখুন I am sorry.আমি সত্যি দেখতে পাইনি।😦
রাত:দেখতে পাননি মানে টাকি।চোখ কি মানিব্যাগে নিয়ে হাঁটেন ?😡
অপরিচিত: দেখুন আপনি কিন্তু বেশিই বলছেন।বললাম তো আমি দেখতে পাইনি।
রাত: তা ঠিক ।এরকম তালগাছের মতো লম্বা । হলে হবে টাকি😁
অপরিচিত: এই মেয়ে কি বললে😠😠
রাত: এ বেটা দেখি কানেও কম শোনে 😕
অপরিচিত: What nonsense is this??😠😠
রাত: হায় আল্লাহ ।।এতো দেখি এনাকন্ডার মতো রাগছে 😱
অপরিচিত: এই তুমি পাগল নাকি😬
রাত: কী বললেন আমি পাগল !😱 এতো বড় সাহস।।বেটা তালগাছের এনাকন্ডা।।তোকেতো আমি মেরেই.......
দীনা: আহ রাত চল এখান থেকে।(রাতকে টানতে টানতে)
রাত: ছাড় আমাকে।।এই তালগাছের এনাকন্ডাকেতো আমি বাঁশ গাছে ঝুলিয়ে পেটাবো😡

অপরিচিত: দেখি এইটুকু একটা মেয়ে তুমি কি করতে পারো। I will see u 😡😡
দীনা:দেখুন plz আপনি কিছু মনে করবেন না । ও একটু এরকম দুষ্টু।রাত চল এখান থেকে ।।(রাতকে টানতে টানতে)

তারপর

একটি রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প


 

 বারান্দায় দাড়িঁয়ে রাতুল।ঘরে তার এইমাত্র বিয়ে করা নতুন বউ। আসলে সে বুঝতে পারছে না,কি দিয়ে বউয় সাথে কথা বলা শুরু করবে।খুব নার্ভাস! -অই ভাইয়া,তুমি এখানে কি? তোমার রুমে যাও না! -না রে! রুমে যাব না।আজকে তোর সাথে থাকব। -এ মা! কেন ভাইয়া? ভাবী কে ভয় লাগে? -দূর নাহ! কি …কিসের ভয়? -তো! তোতলাও ক্যা? -কই? কই তোতলাইছি?আর এত্ত কথা বলছ কেন? যা থাকব না তোর সাথে! -আরে! ভাইয়া …… রাতুল ছোট ভাইয়ের রুম থেকে বেরিয়ে গেল! মাথা গরম অবস্থায় কখন যে সে তার নিজের রুমে চলে এল,টেরও পেল না। রাতুল কে দেখতে পেয়ে ফারিয়া একটু নড়েচড়ে বসল।ফারিয়া হলো রাতুলের সদ্য বিয়ে করা বউ,যার সাথে কথা বলার ভয়ে রাতুল বারান্দা থেকে রুমে রুমে ঘুরে বেড়াচ্ছে বাসার সবাই চিন্তিত!রাতুল আসলে করছে কি?? রাতুল ভয়ে ভয়ে ফারিয়ার পাশে গেল!

  ফারিয়ার চেয়েও সে বেশি লজ্জা পাচ্ছে! -এহহহমম!! রাতুলের গলা ঝাকাঁনো শুনে ফারিয়া চমকে গেল! এইটা আবার কি? রাতুলও খানিকটা বিস্মিত! এটা কি বের হলো গলা থেকে!! -ফা..ফা..ফারিয়া! -জ্বি! -ভা..ভা..ভালো আছ তুমি? (ফারিয়ার জ্বি শুনে রাতুল আরো ভড়কে গেছে!) -জ্বি,আছি! আপনি এভাবে ঘামতেছেন কেন? রাতুলও অবাক! ঘরে এসি চলছে,কিন্তু সে ঘামছে কেন?? তবু সে কোন মতে উত্তর দিল- -ক..ক..কই না তো! -আপনি কি তোতলান? -নাহ,একদম না! -হুম।কিন্তু এখন তোতলাচ্ছেন কেন? -আসলে হয়েছে কি আমি একটু নার্ভাস ফিল করতেছি! -ওমা,কেন? -আসলে এটা আমার প্রথম বিয়ে তো! তাই… রাতুলের কথা শুনে ফারিয়া হাসছে! খুব জোরে হাসছে সে!রাতুলের বিস্ময়ের ঘোর কটছে না।এত সুন্দর করেও মানুষ হাসতে পারে?রাতুলের হাসি দেখায় ছেদ পড়ল ফারিয়ার কথায়– -কেন? আপনি কি ৪ টা বিয়ে করবেন? (হা হা হা!) -হুম? (ফারিয়ার কথা রাতুল খেয়াল করতে পারে নি!) -কিছু না! এত্ত বোকা কেন আপনি? -আমি বোকা? কিন্তু সবাই তো বলে,আমার বুদ্ধি সুদ্ধি নাকি অনেক ভালো! -নাহ,আপনি হলেন বোকারাম! -ওহ,তাই? রাতুল এখন আর ভয় পাচ্ছে না! তবে সে ফারিয়ার কথায় চমকাচ্ছে! ফারিয়া মেয়েটা এমনভাবে কথা বলছে য তারা প্রেম করে বিয়ে করেছে! 

-জ্বি।আচ্ছা,আপনি কখনো প্রেম করেছেন? -নাহ,না তো! তুমি? -হুম করেছিলাম।২ দিনও টিকে নি। -আহা রে! কেন? কি হল ছেলেটার? -উনি মারা গেছে! -ইন্নালিল্লাহ! নাম কি ছিল তার? -আরে আমার দাদাজান আর কি! ফারিয়ার কথা শুনে রাতুল হাসিতে গড়াগড়ি খাওয়ার উপক্রম। -ওহ,আল্লাহ যা করে ভালোর জন্যই করে! -আপনি কি দাদাজানের মৃত্যুতে বেশি খুশি? -খুশি? হ্যা আবার না! -ওমা।এটা কেমন কথা! -তোমার প্রাক্তন প্রেমিক বেচেঁ থাকলে আমি তো তোমাকে পেতা না! -তা অবশ্য ঠিক! রাতুল এখন ফারিয়াকে বিস্মিত করতে পারছে! -ফারিয়া? -জ্বি। -ভালোবাসার মানে বুঝ? -জ্বি না।আপনি শিখাবেন? -হুম।কেন নাহ? রাতুল ভালোবাসার পাঠদান করছে আর ফারিয়া বাধ্য ছাত্রীর মত মনযোগ দিয়ে শুনছে। রাত বাড়ছে আর বাড়ছে নবদম্পতির প্রেমালাপ! দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হোক সে রাত আর দীর্ঘ হোক তাদের প্রেমালাপ…❤❤❤  ভালো থাকুক ভালোবাসা

হ্যালো......এটা কি দীপার নাম্বার

 


 

 হ্যালো......এটা কিদীপার নাম্বার?-নাম্বার ভালোমতদেখেফোন দিতে পারেননা!সাত-সকালে ঘুম টানষ্ট করছেন!-Sorry...ঘুমের ডিস্টার্বকরার জন্য।-That's o.k...এটা বলেই ফোনটারেখে দিলো নুহান।সারারাত বই পড়েভোরের দিকেঘুমিয়েছিলনুহান তাই সকালেঅহেতুক একটা ফোনেরজন্যতার ঘুম ভাঙ্গাতে সেভীষণ বিরক্ত।একটামেয়ে ফোন দিয়েছে তোকী হয়েছে? নুহানেরকাছে এটা বিশেষ কোনকিছু না।সেমেয়েদেরকে এড়িয়েচলে।তাকে এই পর্যন্ত৩টা মেয়েপ্রোপোজ করেছে,আরসে তিনটা মেয়েকেইরিফিউজ করেছে।তারধারনা ভার্সিটির ৩য়বর্ষ ছাড়া প্রেম করাযাবে না কারণ এর আগেপ্রেম করলেভার্সিটির ৩য় বর্ষেউঠার আগেইকবি হতে হবে।

বর্তমানে সে যেহেতুভার্সিটির ১ম বর্ষেসেহেতু কোন মেয়েকেসে পাত্তা দেয় না।বিরক্তি নিয়েবিছানা থেকে উঠলোনুহান।আজকে ভার্সিটিবন্ধ তাই আজকে সেতারবাসাতেই থাকবে।ঘুমথেকে উঠেইপ্রতিদিনকার মতোরবীন্দ্র সঙ্গীতশুনছে আরচিন্তা করছে কীকরবে।হঠাৎ তার মনেপড়লোযে তিন গোয়েন্দারএকটা বই পড়া বাকী।তাইসে বইটি নিয়েবারান্দায় গেলো পড়তে।কিন্তুপড়ায় কেন জানি তারমন বসাতে পারছে না।বার বার বিপরীতপাশের বিল্ডিং এরতারমুখমুখী ফ্ল্যাটেরবারান্দার দিকেতাকাচ্ছে।সে নিজেকেই প্রশ্নকরছে কেনো?গতকালকেপর্যন্তও সেবারান্দাটির দিকেতাকাতেবিরক্ত লাগত কারনসে বারান্দায় যতবারিযেত বারান্দিটিতেএকটি মেয়ে দাঁড়ানোথাকত।কিন্তু আজকেবারান্দাটিতে মেয়েটিনেই।এই জন্য কি সেবারান্দাটিতে বার বারতাকাচ্ছে? 

এইকথাগুলো যখন সেচিন্তাকরছিলো তখনিমেয়েটি বারান্দায়আসলো।মেয়েটি যখনইবারান্দায় আসলোতখনইবারান্দাটির দিকেতাকাতে তার বিরক্তলাগা শুরু করল।না,আজকে আর তারবই পড়া হবেনা তাই সে তার রুমেরভিতর চলে গেলো।রুমেরভিতর গিয়ে সে চিন্তাকরছে তার মনে কেনএইরকম চিন্তা হচ্ছে।নুহানের শখসাইকোলজিনিয়ে পড়া।বন্ধুমহলেসাইকোলজিস্টহিসেবেতার সুনাম রয়েছে।কিন্তু সে তার নিজেরসাইকোলজি নিজেইএখন বুঝতে পারছে না।তাই সে সিধান্ত নিলভার্সিটির সোহেলভাইকে তার সমস্যারকথা বলবে কারনভার্সিটিতে প্রেমবিষয়ক কোন সমস্যাহলেসবাই তাকে বলে।পরের দিন ভার্সিটিতেগিয়ে সৌভাগ্যক্রমেসোহেল ভাই কে পেল।সোহেল ভাইকে তারসমস্যার কথা বলল।-তোমার কি বারান্দায়গেলে মেয়েটাকেদেখতে মন চায়?-ব্যাপারটা তা না।কিন্তু না দেখলেকেমনজানি লাগে?-

আর বলা লাগবে না।বুছতে পারছি তুমিতারপ্রেমে পরেছো.........-কি যে বলেন।আমিভার্সিটির ৩য় বর্ষছাড়াপ্রেম করব না।-প্রেম কোন নির্দিষ্টসময় বলে আসে না।প্রেমযেকোন সময় আসতেপারে।সোহেল ভাইয়ের শেষকথাটা তার মনে ধরে।সারাদিন সে কথাটি সেচিন্তা করে।দুইদিন পর বারান্দায়ঃ- এই যে শুনছেন।-আমাকে বলছেন?-হুম-জি বলেন।-আপনার সাথে কথাবললে কি বিরক্তহবেন?-না,বলেন।-আপনার নাম কি?-নূপুর।আপনার?-নুহান।কী করেন?-ইন্টার 2nd year।আপনি?-ভার্সিটি 1st year.এইভাবে তাদের মধ্যেশুরু হয় কথা.........কিছুদিন পর হয় ভালবন্ধুত্ত...............১ বছর পর...নূপুর নুহানেরভার্সিটিতে ভর্তিহয়।নূপুর আর"নুহান এখন best friend।এদিকে নুহানপ্রতিদিনপ্রতিমূহুর্তে তারমনেরসাথে যুদ্ধ করে।একবার মনে হয় সেনূপুরকেভালবাসে আর একবারতার নীতির উপর সেথাকতে চায়।এভাবেদোটানায় চলছে তারদিন।অবশেষে সেসোহেল ভাইয়ের শেষকথাটা মানে এবংসিদ্ধান্ত নেয় নূপুরকেপ্রোপোজ করবে।কিন্তুকবে? সিধান্ত নিলনূপুরের জন্মদিনেপ্রোপোজ করবে।নূপুরের জন্মদিনেভার্সিটিতে...-নূপুর একটা কথাবলবো।-একটা কেন?হাজারটাবলো।-I love you-তোমার মাথা নষ্টহয়েছে?-না,আমি সুস্থমস্তিষ্কে বলছি Ilove you- But I don't love you- কেন?-কারন তুমি সবসময়নিজেকে নিয়ে চিন্তাকরো।অন্যজনেরfeelings তুমি বুঝতেপারো না।You are a selfish.- তুমি এগুলো কিবলতেছো?- যা বলতেছি তা সত্য।এক বছর আগে আমিতোমাকে দেখার জন্যবারান্দায় যেতাম।মনেআছে এক বছর আগেএকটা মেয়ে তোমাকেফোন দিয়েছিল আরতুমি তার সাথেকিভাবেকথা বলছ?কেনবলেছ??কারণ তুমিমেয়েদেরকে পাত্তাদাও না।মেয়েদেরকেসম্মান দিতে তুমিপারো না।-কিন্তু?-কোন কিন্তু না.........এই বলে নূপুর হাঁটা শুরুকরল......আর নুহান তার চলারপথের দিকে তাকিয়েথাক্ল...আর তার চোখদিয়ে পানি পরতেলাগলো......২ ঘন্টা পর...নুহান হাতিরঝিলেরএকটা লেকের ধারেবসেকাদছে...সে যতই তারভুল বুঝতে পারছেততোইতার কান্নার পরিমাণবাড়ছে.........এইসময় তারমোবাইল এ মেসেজআসলো নূপুরের নাম্বারথেকে...'পিছনে তাকাও'নুহান পিছনে তাকালোএবং দেখলো যে নূপুরহাতে তার পছন্দেরকদম ফুল এবং নূপুর গালবেয়ে অশ্রুগুলো সবুজঘাসের উপর পড়েরোদেরআলোয় চকচক করছে।নুহান কিছু বলারআগেইনূপুর তার সামনে এসেফুল দিয়ে তার হাতেদিয়ে বলল,'দুই ঘন্টাতোমাকে কষ্ট দেওয়ারজন্য আমাকে মাফকরে দাও।আমিতোমাকেতোমার ভুল ধরিয়েদেওয়ার জন্য মিথ্যাবলেছি।আসলে আমিতোমাকে অনেক অনেকভালবাসি।'নুহান কিছু বলতেযাওয়ার আগেই নূপুরতার হাতদিয়ে নুহানের ঠোঁটস্পর্শ করেবলল,'তোমারকিছু বলা লাগবে না।তোমার চোখ দেখেআমিবলতে পারি তুমি কিবলবা।তোমাকে ছেড়েথাকতে এই ২ ঘন্টাতোমার থেকে বেশীআমিকষ্ট পেয়েছি'৪ বছর পর...নুহান আর নূপুরেরবিয়ের অনুষ্ঠানচলছে...নূপুরযখন তার পরিবারথেকেঅশ্রুসিক্তভাবেবিদায় নিয়ে গাড়িতেউঠলো...নুহান তার চোখমুছে দিয়ে বলল।'এইখুশির দিনে কান্না না।তোমার কারনেই এইখুশির মূহুর্তটা দেখতেপারছি।সেই দিন দুইঘন্টা তুমি যদিআমাকেনা কাদাতে তাহলেহয়তো এই খুশির দিনদেখতে পারতাম নাসমাপ্তহ্যালো......এটা কিদীপার নাম্বার?-নাম্বার ভালোমতদেখেফোন দিতে পারেননা!সাত-সকালে ঘুম টানষ্ট করছেন!-Sorry...ঘুমের ডিস্টার্বকরার জন্য।-That's o.k...এটা বলেই ফোনটারেখে দিলো নুহান।সারারাত বই পড়েভোরের দিকেঘুমিয়েছিলনুহান তাই সকালেঅহেতুক একটা ফোনেরজন্যতার ঘুম ভাঙ্গাতে সেভীষণ বিরক্ত।একটামেয়ে ফোন দিয়েছে তোকী হয়েছে? নুহানেরকাছে এটা বিশেষ কোনকিছু না।সেমেয়েদেরকে এড়িয়েচলে।তাকে এই পর্যন্ত৩টা মেয়েপ্রোপোজ করেছে,আরসে তিনটা মেয়েকেইরিফিউজ করেছে।তারধারনা ভার্সিটির ৩য়বর্ষ ছাড়া প্রেম করাযাবে না কারণ এর আগেপ্রেম করলেভার্সিটির ৩য় বর্ষেউঠার আগেইকবি হতে হবে।বর্তমানে সে যেহেতুভার্সিটির ১ম বর্ষেসেহেতু কোন মেয়েকেসে পাত্তা দেয় না।বিরক্তি নিয়েবিছানা থেকে উঠলোনুহান।আজকে ভার্সিটিবন্ধ তাই আজকে সেতারবাসাতেই থাকবে।ঘুমথেকে উঠেইপ্রতিদিনকার মতোরবীন্দ্র সঙ্গীতশুনছে আরচিন্তা করছে কীকরবে।হঠাৎ তার মনেপড়লোযে তিন গোয়েন্দারএকটা বই পড়া বাকী।তাইসে বইটি নিয়েবারান্দায় গেলো পড়তে।কিন্তুপড়ায় কেন জানি তারমন বসাতে পারছে না।বার বার বিপরীতপাশের বিল্ডিং এরতারমুখমুখী ফ্ল্যাটেরবারান্দার দিকেতাকাচ্ছে।সে নিজেকেই প্রশ্নকরছে কেনো?গতকালকেপর্যন্তও সেবারান্দাটির দিকেতাকাতেবিরক্ত লাগত কারনসে বারান্দায় যতবারিযেত বারান্দিটিতেএকটি মেয়ে দাঁড়ানোথাকত।কিন্তু আজকেবারান্দাটিতে মেয়েটিনেই।এই জন্য কি সেবারান্দাটিতে বার বারতাকাচ্ছে? এইকথাগুলো যখন সেচিন্তাকরছিলো তখনিমেয়েটি বারান্দায়আসলো।মেয়েটি যখনইবারান্দায় আসলোতখনইবারান্দাটির দিকেতাকাতে তার বিরক্তলাগা শুরু করল।না,আজকে আর তারবই পড়া হবেনা তাই সে তার রুমেরভিতর চলে গেলো।রুমেরভিতর গিয়ে সে চিন্তাকরছে তার মনে কেনএইরকম চিন্তা হচ্ছে।নুহানের শখসাইকোলজিনিয়ে পড়া।বন্ধুমহলেসাইকোলজিস্টহিসেবেতার সুনাম রয়েছে।কিন্তু সে তার নিজেরসাইকোলজি নিজেইএখন বুঝতে পারছে না।তাই সে সিধান্ত নিলভার্সিটির সোহেলভাইকে তার সমস্যারকথা বলবে কারনভার্সিটিতে প্রেমবিষয়ক কোন সমস্যাহলেসবাই তাকে বলে।পরের দিন ভার্সিটিতেগিয়ে সৌভাগ্যক্রমেসোহেল ভাই কে পেল।সোহেল ভাইকে তারসমস্যার কথা বলল।-তোমার কি বারান্দায়গেলে মেয়েটাকেদেখতে মন চায়?-ব্যাপারটা তা না।কিন্তু না দেখলেকেমনজানি লাগে?-আর বলা লাগবে না।বুছতে পারছি তুমিতারপ্রেমে পরেছো.........-কি যে বলেন।আমিভার্সিটির ৩য় বর্ষছাড়াপ্রেম করব না।-প্রেম কোন নির্দিষ্টসময় বলে আসে না।প্রেমযেকোন সময় আসতেপারে।সোহেল ভাইয়ের শেষকথাটা তার মনে ধরে।সারাদিন সে কথাটি সেচিন্তা করে।দুইদিন পর বারান্দায়ঃ- এই যে শুনছেন।-আমাকে বলছেন?-হুম-জি বলেন।-আপনার সাথে কথাবললে কি বিরক্তহবেন?-না,বলেন।-আপনার নাম কি?-নূপুর।আপনার?-নুহান।কী করেন?-ইন্টার 2nd year।আপনি?-ভার্সিটি 1st year.এইভাবে তাদের মধ্যেশুরু হয় কথা.........কিছুদিন পর হয় ভালবন্ধুত্ত...............১ বছর পর...নূপুর নুহানেরভার্সিটিতে ভর্তিহয়।নূপুর আর"নুহান এখন best friend।এদিকে নুহানপ্রতিদিনপ্রতিমূহুর্তে তারমনেরসাথে যুদ্ধ করে।একবার মনে হয় সেনূপুরকেভালবাসে আর একবারতার নীতির উপর সেথাকতে চায়।এভাবেদোটানায় চলছে তারদিন।অবশেষে সেসোহেল ভাইয়ের শেষকথাটা মানে এবংসিদ্ধান্ত নেয় নূপুরকেপ্রোপোজ করবে।কিন্তুকবে? সিধান্ত নিলনূপুরের জন্মদিনেপ্রোপোজ করবে।নূপুরের জন্মদিনেভার্সিটিতে...-নূপুর একটা কথাবলবো।-একটা কেন?হাজারটাবলো।-I love you-তোমার মাথা নষ্টহয়েছে?-না,আমি সুস্থমস্তিষ্কে বলছি Ilove you- But I don't love you- কেন?-কারন তুমি সবসময়নিজেকে নিয়ে চিন্তাকরো।অন্যজনেরfeelings তুমি বুঝতেপারো না।You are a selfish.- তুমি এগুলো কিবলতেছো?- যা বলতেছি তা সত্য।এক বছর আগে আমিতোমাকে দেখার জন্যবারান্দায় যেতাম।মনেআছে এক বছর আগেএকটা মেয়ে তোমাকেফোন দিয়েছিল আরতুমি তার সাথেকিভাবেকথা বলছ?কেনবলেছ??কারণ তুমিমেয়েদেরকে পাত্তাদাও না।মেয়েদেরকেসম্মান দিতে তুমিপারো না।-কিন্তু?-কোন কিন্তু না.........এই বলে নূপুর হাঁটা শুরুকরল......আর নুহান তার চলারপথের দিকে তাকিয়েথাক্ল...আর তার চোখদিয়ে পানি পরতেলাগলো......২ ঘন্টা পর...নুহান হাতিরঝিলেরএকটা লেকের ধারেবসেকাদছে...সে যতই তারভুল বুঝতে পারছেততোইতার কান্নার পরিমাণবাড়ছে.........এইসময় তারমোবাইল এ মেসেজআসলো নূপুরের নাম্বারথেকে...'পিছনে তাকাও'নুহান পিছনে তাকালোএবং দেখলো যে নূপুরহাতে তার পছন্দেরকদম ফুল এবং নূপুর গালবেয়ে অশ্রুগুলো সবুজঘাসের উপর পড়েরোদেরআলোয় চকচক করছে।নুহান কিছু বলারআগেইনূপুর তার সামনে এসেফুল দিয়ে তার হাতেদিয়ে বলল,'দুই ঘন্টাতোমাকে কষ্ট দেওয়ারজন্য আমাকে মাফকরে দাও।আমিতোমাকেতোমার ভুল ধরিয়েদেওয়ার জন্য মিথ্যাবলেছি।আসলে আমিতোমাকে অনেক অনেকভালবাসি।'নুহান কিছু বলতেযাওয়ার আগেই নূপুরতার হাতদিয়ে নুহানের ঠোঁটস্পর্শ করেবলল,'তোমারকিছু বলা লাগবে না।তোমার চোখ দেখেআমিবলতে পারি তুমি কিবলবা।তোমাকে ছেড়েথাকতে এই ২ ঘন্টাতোমার থেকে বেশীআমিকষ্ট পেয়েছি'৪ বছর পর...নুহান আর নূপুরেরবিয়ের অনুষ্ঠানচলছে...নূপুরযখন তার পরিবারথেকেঅশ্রুসিক্তভাবেবিদায় নিয়ে গাড়িতেউঠলো...নুহান তার চোখমুছে দিয়ে বলল।'এইখুশির দিনে কান্না না।তোমার কারনেই এইখুশির মূহুর্তটা দেখতেপারছি।সেই দিন দুইঘন্টা তুমি যদিআমাকেনা কাদাতে তাহলেহয়তো এই খুশির দিনদেখতে পারতাম নাসমাপ্ত

*** লাল রঙা ডায়েরি *** ---ফওজিয়া পারভীন।।

 


 খুব ছোট বেলায় বিয়ের পিড়িতে বসেছিলাম বাবা-মায়ের কথায়।বয়স তখন ১৪ বছর।আর যে মানুষটার সাথে আমার পথ চলা শুরু হয় উনার তখন ২৫ বছর।বর্তমানে আমরা দুজনেই বুড়ো-বুড়ির কাতারে চলে গেছি।কিন্তু আমাদের ভালোবাসার কমতি হয়নি।এখনো উনি আমাকে ফওজিয়া কে সংক্ষেপ করে ফৌজু বলে ডাকেন। আর আমি,ফাইয়াজের বাবা অথবা রাত্রির বাবা বলে ডাকি।
.
আমার যখন বিয়ে হয় তখন প্রেম- ভালোবাসা তো দূরের কথা বিয়ে মানে কি সেটাই বুঝতাম না। লাল টুকটুকে শাড়ি পরে শুধুমাত্র বিয়ের দিন চুপচাপ ছিলাম।তাও অনেক কষ্টে।আমার খালাতো-চাচাতো ভাইবোনরা খেলছে দেখে আমারও খুব ইচ্ছে করছিলো খেলতে।
.
বিয়ের দিন শ্বশুড় বাড়ি এসে সব কান্নাকাটি বন্ধ করে দিলাম।নতুন জায়গায় নতুন বাড়িতে বেড়াতে আসছি মনে হচ্ছিলো তাই। আর ফাইয়াজের বাবার রোমান্টিক চোখের ভাষাটা তখন না বুঝলেও এখন মনে করে লজ্জা পাই, ভালোও লাগে।
.
আমার শ্বাশুড়ি আম্মার সাথে রান্না শিখতে আমি যখন রান্নাঘরে যেতাম বেচারা তখন কারণে অকারণে রান্নাঘরের আশপাশে ঘুরঘুর করতো।আমি না তাকালে মুখ দিয়ে শব্দ করে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা সবসময়। বেচারার ভালোবাসা তখনও বোঝার ক্ষমতা আমার হয় নি। উনার স্পর্শে সুড়সুড়ি লাগতো।বেচারা কতদিন মেঝেতে পা ঘষে ঘষে সংকেত দিয়ে আমায় ডাকতো।মাথায় দুষ্টমির কারণে সাড়া না দিয়ে উনাকে ভেংচি দিতাম।কত বড় পাগলিটাই না ছিলাম তখন।
.
দেখতে দেখতে সংসার জীবনের দু'টো বছর কাটিয়ে দিলাম।এরই মধ্যে আমাদের কোল জুড়ে ফাইয়াজ এলো।আমার চঞ্চলতা কমে গেল।আস্তে আস্তে সংসার,স্বামী, সন্তানের মাঝে নিজেকে মানিয়ে গুছিয়ে নিলাম।আর উনার ভালোবাসাটাও বুঝতে শিখে গেলাম। আসলে একজন নারীর মা হওয়া যে তার জীবনকে কতটা বদলাতে পারে তা আমি তখন বুঝতে পারি।
.
ফাইয়াজকে নিয়ে সে কি মাতামাতি সবার!আমার সেদিকে খেয়াল।কিন্তু উনি আমাদের মা-ছেলের সমান খেয়াল রাখতেন।কিছুক্ষণ পর পর বলতেন_ফৌজু, কেমন লাগছে তোমার? কি খাবে বলো?
সে কি উৎকন্ঠা উনার!আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখতাম উনাকে।আর উনি পাগলি বউটা বলে আমার নাকটা টেনে দিতেন।
.
দেখতে দেখতে আমাদের মেয়ে সন্তান আসে ঘর আলো করে।উনি নিজেই বলেন রাত্রি ডাকবো আমাদের মেয়েকে। ততোদিনে আমার শ্বাশুড়ি আমাদের ছেড়ে পরপারে চলে যান।রাত্রি তখন ৪ মাসের ফুটফুটে বাচ্ছা। ওর তখন খুব অসুখ হয়। সবকিছু একা সামলে উঠতে পারছিলাম না। রান্নাচড়ানো হলো দেরিতে।সেদিন উনার অফিসের কাজে মাথা গরম ছিলো,আর রাগ ঝাড়লেন আমার উপর।কষে একটা থাপ্পড় ও দিয়েছিলেন। খুব কষ্ট লাগছিলো তখন। মনে মনে শুধু একটাই কথা উপরওয়ালাকে বলেছি,ভালোবাসা-সংসার কেনইবা আমাকে বুঝতে শিখালে আর আজ কেনইবা এতো অপমান আর কষ্ট দিলে।
.
সেদিনের পর যতদিন সে কষ্টের অভিমান চেপে ছিলাম,ততোদিন উনাকে নাম ধরে আতিক সাহেব বলে ডাকতাম। পরে যখন উনি আমার অভিমান ভাংঙ্গালেন তখন সুখে কেঁদেছিলাম।
.
আমাদের ফাইয়াজ এখন অনার্স করছে আর রাত্রি ইন্টারে পড়ছে।কিন্তু সংসারের টানাপোড়ন এ উনার আর আমার ভালোবাসায় কোন কমতি পড়েনি।
.
জীবনের এতোগুলো বছরের সারসংক্ষেপ লিখেছি আমার লাল রঙা ডায়েরিতে।আজ আমাদের বিবাহবার্ষিকী। আমার লাল রঙা ডায়েরিটা আজ উনাকে উপহার দিলাম।পাগলটা খুশিতে সে কি কান্না!আজ আমারও চোখ ভর্তি জল তবে সেটা কষ্টের নয়,সেটা ভালোবাসার সুখের নোনাজল।।

Romantic bangla love sms

 


ভালোবাসা তো যায়না টাকা দিয়ে কেনা,
ভালোবাসা তো যায়না হীরা মুক্তা দিয়ে গড়া।
দুটি মনের আকুলতায় যে বন্ধন হয়,
তাকেই তো ভালোবাসা কয় ।
@@@@@@@@@@@

 

Tumi amar rongin sopno, shilpir ronge chobi,
Tumi amar chader alo, sokal belar robi.
Tumi amar nodir maje ekti matro kul,
Tumi amar valobashar sheuli bokul full.


তুমি আমার রঙিন স্বপ্ন শিল্পীর রঙে ছবি,
তুমি আমার ছাঁদের আলো, সকাল বেলার রবি,
তুমি আমার নদীর মাঝে একটি মাত্র কূল,
তুমি আমার ভালোবাসার শিউলি বকুল ফুল ।


Manush manusher jonno, paki akasher jonnyo.
sobujh prokritir jonnyo, paharr jhornaar jonnyo,
valobasa shobar jonnyo,
ar tumi shudhu amar jonyo.


মানুষ মানুষের জন্য,
পাখি আকাশের জন্য,
সবুজ প্রকিতির জন্য,
পাহাড় ঝর্নার জন্য,
ভালোবাসা সবার জন্য,
আর তুমি শুধু আমার জন্য ।


>>> আরো ভালোবাসার এসএমএস <<<


Rater akashe takale dekhi lokkho tarar mela,
Ek chadke ghirei jeno tader joto khela.
bondhu onek paoa jay baralei hat,
amar kache tui je bondhu oi akasher chad.


রাতের আকশে তাকালে দেখি লক্ষ তারার মেলা,
এক চাঁদকে ঘিরেই যেন তাদের যত খেলা,
বন্ধু অনেক পাওয়া যায় বাড়ালেই হাত,
আমার কাছে তুই যে বন্ধু ওই আকাশের চাঁদ ।


tomar jonnyo roilo amar sopne vejha ghum,
ekla thaka santho dhupur, raatri nijum.
tomar jonnyo roylo amardusthu chokher bhasha,
mooner maje lukiye rakha onek valobasa.


তোমার জন্য রইলো আমার সপ্নে ভেজা ঘুম
একলা থাকা শান্ত দুপুর রাত্রি নিঝুম
তোমার জন্য রইলো আমার দুস্টু চোখের ভাষা,
মনের মাঝে লুকিয়ে রাখা অনেক ভালোবাসা ।

নব বিবাহিত দম্পতি

 


মেয়েঃ এই শুনো জান তুমি ঐটা উঠাও না???
ছেলেঃ কোনটা? ??
মেয়েঃ তুমি কোনো কিছু বুঝো না..কোনটার কথা বলতেছি???
ছেলেঃ আমি আসলেই বুঝতেছি না..তুমি কোন জিনিষটা উঠাতে বলতেছ...
মেয়েঃ শুনো আমি আর পারতেছি না...প্লিজ ...উঠাও...
ছেলেঃ খুলে বলোতো কোন জিনিষটা উঠাবো???
মেয়েঃ কেন...তুমি দেখতে পাচ্ছো না তোমার টাকা পরে গেছে...আমি সেটাই উঠাতে বলতেছি।।।।।

--------------------------

এক চাষী বিয়েকরেছে।ফুলশয্যার রাতে বৌয়ের পাশে শুয়ে পেটে হাত বুলাচ্ছে আর বলছে"এই জমিতে ধান লাগাবো "..এই বলে ঘুমিয়ে পড়ল।পরের দিন ঘুমাতে এসে বৌয়ের বুকে হাতবুলাচ্ছে আর বলছে"

এখানে আলু লাগাবো "এই বলে আবার ঘুমিয়েপড়ল ।পরের দিন ঠিক একইরকম বৌ এর তলপেটে হাত বুলিয়ে বলছে" এই জমিতে পিয়াজ লাগাবো""বলে ঘুমিয়ে পড়ল।

Next day 

চাষী আবার ঘুমাতে এল।বৌয়ের গায়ে হাত দিতেই বৌ বলল -"আজ যদি নিচেরজমিতে মূলানা লাগাস তাহলে জমিটা অন্য কাউকে ভাগে দিয়ে দেবl 

------------------------------

নব বিবাহিত দম্পতি।বাসর রাত্রেইজামাই তো সেক্স করার জন্য পাগলহয়ে গেছে।কিন্তু বউ অনেক ধারমিক, কিছুকরতে দেয়না।জামাই অনেকচিন্তা করে একটা বুদ্ধিবের করল।সেয় তার বউকে বলল যে,জানো মুস্লিমরা সেক্সকরলে প্রতিবার একটাকরে ইহুদি মরে?

ধারমিক বউ তো তা শুনেখুব খুশি।বউ বলে ঠিক আছেতাহলে চলো করি।তারা সেক্স করলো। বউতো মজা পেয়ে গেছে।পরের দিন সকালে জামাই অফিস যাচ্ছে,বউ বলে আজকে অফিসযেও না, চলএকটা ইহুদি মারি।

জামাই তো খুশি হয়েগেল,আর সেক্সকরল।পরে দুপুরে জামাই খেতে বসবে,বউবলে প্রতিদিনই ত খাও।চল একটা ইহুদি মারি।রাত্রে বেলা ঘুমানোর টাইম-ওএকি কথা।

পরের দিন জামাই অফিসগেল। অফিসথেকে আসার সাথে সাথেবউ এরএকি বায়না।জামাই বলল, তুমি কাপড়খুলে রেডি হউ আমি আসছি। জামাই এসেঘরে ঢুকেই বউএর pussy- তে পেট্রলঢালতে লাগলো।বউ বলে, কি করছ..?জামাই বলে ইহুদির পুরা কেম্প ই জালায় দিচ্ছি।

শিক্ষক ও বল্টুর জোকস

 


 ✅✅✅✅✅✅

শিক্ষক : কিরে এত দেরী হল কেন? স্কুল কয়টায় শুরু হয়?

বল্টু: স্যার , আমি তো আগেই বাইর হইছিলাম , আব্বা বলল গরুটারে চেয়ারম্যান বাড়ির ষাঁড়টার কাছে দিয়া আসতে ,তাই দেরী হইয়া গেল।

শিক্ষক: তো এই কাজটা তোমার বাবা করতে পারল না?
.
.
.

বল্টু: না স্যার ,
এইটা.……… ষাঁড়েরই করা লাগে

 😆😆😆😆😆😆😆😆😆😆😆😆😆

এক ম্যাডাম ছাত্রকে কিছু প্রশ্ন করছে ।
ম্যাডাম :- বল, তোর পেন্টের ভিতর কী আছে যা আমার শারির ভেতর নাই? | ছাত্র :- পকেট । |
ম্যাডাম:- বল, গাভীর 4টা আর আমার দুইটা কী ? |
ছাত্র :- পা |
ম্যাডাম:- বল, কোন কাজটা খাটে শুয়ে মজাও আরাম ? |
ছাত্র:-ঘুম । |
ম্যাডাম:- বল, কোন জিনিষ যার আছে সে হাত দিয়ে নারে চারে যার নাই সে আঙ্গুল দিয়ে করে ? |
ছাত্র:- ট্রুথব্রাশ । |
ম্যাডাম :- বল, কোন জিনিষ কারো ভিতর ডুকে শক্ত হয় আর বের হয় নরমও আঠালো হয়ে ? |
ছাত্র:- চুইংগাম । |
ম্যাডাম:- বল, ছেলেরা উত্তেযিত হলে তাদের শরিরের কোন অঙ্গ ছোট থেকে বড় হয় ? |
ছাত্র:- হৃদপিন্ড । |
ম্যাডাম:- বল, মেয়েরা জুরে শ্বাস নিলে কি ফুলে যায় ? |
ছাত্র:- ফুশফুশ ।
~~ ম্যাডাম তো বে হুশ

--------------------

জোকস:
এক লোক খুব লাজুক।
সারাদিন বই পড়ে।
... বিয়ের ২ মাস পর ও সে তার বৌ এর সাথে কিছুই না করায় বৌ হতাশ।
এক রাতে লোকটি পড়ছে।
বৌ তাকে আকর্ষন করতে সব কাপড় খুলে খাটেশুয়ে পড়লো।
লোকটি লজ্জা পেয়ে বৌ এর ঐ জায়গা বই দিয়ে ঢেকে বাইরে চলে গেল . . .
ঠিক তখনই ছোট ভাই ঘরে ঢুকে এই অবস্থা দেখে চিত্কার করে বলতে থাকলো . . .
“ মা . . . . . . . . . . . !
ও . . . . . মা !!
দেইখা যাও . . . !!
ভাইজান তো পুরা ভিতরে ঢুইকা গেছে খালি বই টা বাকী !! ”
 

কয়েকটি রসালো কৌতুক ।। পড়ুন আর হাসুন


ব্যর্থ হই নি

 সুন্দর রোগীঃ ডাক্তার আমি শুধুমাত্র একটি জিনিসই চাই
ডাক্তারঃ সেটা কি?
রোগীঃ বাচ্চা
ডাক্তারঃ আপনি নিশ্চিত থাকুন এ ব্যাপারে আমি একবারও ব্যর্থ হইনি

ওদের বাবাকে

হঠাৎ করে গৃহকর্ত্রী বুঝতে পারলেন তাঁর তিন ছেলের যে কোন একজনের সাথে বাড়ির কাজের মেয়েটির সম্পর্ক বেশ ঘনিষ্ঠ পর্যায়ে চলে গেছে। কিন্তু কোন ছেলের সাথে তা আন্দাজ করতে ব্যর্থ হয়ে শেষমেষ কাজের মেয়েটাকে ডেকে ঠাট্টাচ্ছলে জিজ্ঞেস করলেন ধরো আমার যে কোন এক ছেলের সঙ্গে তোমাকে বাইরে যেতে দেওয়া হলো তুমি কাকে বেছে নেবে? – ঘুরতে আমি তিনজনের সাথেই রাজি আছি তবে সময়টা উপভোগ করার জন্য ওদের বাবাকেই আমি বেছে নেব ।


ব্ল্যাংক চেক

ভ্যালেন্টাইন ডেতে স্ত্রীর কাছে আসতে না পেরে একটা ব্ল্যাঙ্ক চেকে এক হাজার চুমু লিখে স্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দিলেন স্বামী। দুদিন পর স্বামী ফোন করলেন, আমার চেক পেয়েছিলে? হ্যাঁ, আমাদের পাড়ার নজরুল ভাইয়ের কাছে ভাঙিয়ে নিয়েছি।

পৃথিবীতে বন্ধু বানাব কাকে || পাখি কে || সে তো উড়ে যাবে

sms bangla

পৃথিবীতে বন্ধু বানাব কাকে? পাখি কে? সে তো উড়ে যাবে,,,,, ফুল কে? সেতো ঝরে যাবে,,,,,,,,, চাঁদ কে? সে তো ডুবে যাবে,,,,,,,, মানুষ কে? ওরে বাবা, সে তো সময়ের সাথে পাল্টে যাবে ।।।।তাহলে কাকে বন্ধু বানাব,,???????? কেউ কাছে আসার আগেই হারিয়েযায়..........! ! কেউ ভালোবাসার আগেই দুরে চলে যায়.........!! কেউ পাশে থেকেও আপন হতে পারে না...........!! কেউ আপন হয়েও ভালোবাসতে পারে না......!! আর কেউ অনেক ভালোবেসেও ভালোবাসা পায় না........!!

চলে যদি যাবি দূরে স্বার্থপর, আমাকে কেন জোছনা দেখালি হবি যাদি নাও ভাসিয়ে দেশান্তর, পাথরের বুকে ফুল কেন ফুটালি আমারি সীমানায় সেতো তোর ছায়া, সেখানে করে বিচরন দুখের নিবাশ। ও রাখিস কি খবর তোর আঘাতে জমে গেছে নীল আকাশে জমিনের নীল বেদনা


এই পৃথিবী তে সবচেয়ে হতভাগা সেই যে দেখতে কালো,, যার চেহারা সুন্দর নয়,, . তারা যেটা চায়,, বেশিরভাগ জিনিস থেকেই বঞ্চিত হয়,, . বেশি কিছু চাই নি,, . শুধু একটু,, . তাও পাওয়া হল না,, . শুনেছি মানুষ এর চেহারা খারাপ হলে ভাগ্য ভালো হয়,, . সেই জায়গায় আমার মত দুর্ভাগা খুব কম ই পাওয়া যাবে,, . আল্লাহ ও এক কঠিন নিয়ম করে দিয়েছে এই দুনিয়ার বুকে,, সমাজের,, পরিবারের বাঁধাধরা,, . মৃত্যু টাও অসম্ভব হয়ে যায়,, . আজ এক বছর পর একটি ভুল পদক্ষেপ আবার বুকের ভিতর কষ্টের রক্ত স্রোত বয়ে আনল,, . তবে আমি এটাও চাই না,, আমার চাওয়াই পুরন হোক এতে হয়ত ওর খুশি নেই,, . আল্লাহ তাকে পৃথিবীর সকল সুখ দিক,, আমি কখনই তাকে কষ্ট দিব না,, কখনই তাকে জালাবো না,, . শুধু একটাই আক্ষেপ,, . অনেক কথা বলার ছিল,, বলতে পারলাম না,



bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

একটা মেয়ে যখন মন থেকে ভালোবেসে

একটা মেয়ে যখন মন থেকে ভালোবেসে কোনো ছেলের সাথে রিলেশনে জড়ায়- তখন সে সত্যিই ভাবে যে ঐ সম্পর্কটা সারাজীবন টিকে থাকবে,এবং ঐ ছেলেটাকে সে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করতে শুরু করে...! মেয়েটা তার বয়ফ্রেন্ডের উপর যতই রাগ করুক না কেনো-ছেলেটা যদি একটু আহ্লাদী ভাষায় মেয়েটার সাথে কথা বলে তাহলে মেয়েটার মন সাথে সাথে গলে যায়,সে আগের সবকিছু ভুলে যায়...! সে আর রাগ করে থাকতে পারেনা... ☞☞মেয়েটার বয়ফ্রেন্ড যদি খিটখিটে মেজাজের হয়-তাহলে মেয়েটা নিজে নিজে রাগ করে সেটা নিজেই ভেঙ্গে ফেলে বয়ফ্রেন্ডকে বুঝতে না দিয়ে...!কারণ সে তার বয়ফ্রেন্ডের বিরক্তির কারণ হতে চায় না... ছেলেরা রাগ করলে রাগের সাথে মেজাজও মিশ্রিত থাকে এজন্যই মেয়েরা ছেলেদের রাগকে এতো ভয় পায়...!!! ☞☞মেয়েটা বান্ধবীদের সাথে আড্ডায় মেতে থাকা অবস্থায়ও হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা ফেসবুক মেসেঞ্জার টা বার বার চেক করে দেখে তার বয়ফ্রেন্ড কোনো টেক্সট করেছে কিনা... অর্থাৎ মেয়েটার চিন্তায় সারাক্ষণ শুধু ছেলেটাই থাকে...! একারণেই রিলেশনে জড়ানোর পর মেয়েরা সাধারণত আনমনা হয়ে যায়...☞ ☞মেয়েদের মন বোঝা কি খুব কঠিন কাজ...?নিশ্চয়ই না...যে মেয়েটা আপনাকে সত্যিই ভালোবাসে সে আপনার কাছে দামী গিফট চাইবেনা...চাইবে একটু সময়, মানসিক শান্তি, একটু ভালোবাসা...!!!যদি আপনি এই ৩টা জিনিস তাকে দিতে পারেন-যদি আপনি মেয়েটাকে মন দিয়ে ভালোবেসে থাকেন- তাহলে মেয়েটার মন আপনি ছাড়া আর কেউ ভালো বুঝতে পারবেনা

banglajokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

মেয়েদের যে যে সময় সবচেয়ে সুন্দর লাগে

মেয়েদের যে যে সময় সবচেয়ে সুন্দর লাগেঃ
যখন হাসে। এই হাসিই তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
যখন ঘুমায়। তখন তাদের মায়াবী দেখায়।
যখন আগ্রহ দৃষ্টিতে কারো দিকে আড় চোখে তাকায়।
কান্নার আগমূহুর্তে।
যখন তারা নিজের ঠোটে কামড় দেয়।
গোসল করার পর ভেজা চুলে।
যখন তাদের মনে প্রচন্ড আনন্দ থাকে, কিন্তু কুখে একটা লজ্জার আবরণ দিয়ে সেই আনন্দটা ঢাকার চেষ্টা করে।
যখন তাদের প্রসংসা করা হয়।
যখন তারা রেগে যায়।
গোধুলির সময়।
মোমবাতির আলোতে।

bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms,bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

দয়া করে এই Post পড়বেন. না হলে হয়তো জীবনে অনেক কিছু Miss করবেন

bangla love poem

দয়া করে এই status পড়বেন.
না হলে হয়তো জীবনে অনেক কিছু
Miss করবেন.......
দশ বছর বয়সী এক ছেলে ১৫ দিন
আগে আনারস খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ল,
ঠিক ঐদিন থেকেই।
পরবর্তীতে ছেলেটিকে যখন
ডাক্তারের
কাছে নিয়ে গিয়ে পরিক্ষা করা হলো,
তখন তার শরীরে এইডস ধরা পড়ল।
ছেলেটির বাবা-মা তো বিশ্বাসই
করতে পারছিল না। তারপর
তারা পুরো পরিবার পরিক্ষা করাল
কিন্তু কারো দেহেই এইডস
খুজে পাওয়া গেল না। তাই ডাক্তার
পুনরায় পরিক্ষা করল
ছেলেটিকে এবং সে এরকম কিছু
খেয়েছিল কিনা জিজ্ঞেস করায়
ডাক্তারকে ছেলেটি বলল, সেদিন
সন্ধ্যায় আনারস খেয়েছিল।
সাথে সাথে হাসপাতাল থেকে এক
দল চিকিৎসক গেল সেই আনারস
বিক্রেতার কাছে এবং তারা সেই
আনারস
বিক্রেতার হাতে ক্ষতস্থান
খুজে পেল,
যেখান থেকে রক্ত বের হয় আনারসের
সাথে মিশতেছিল।
তারা বিক্রেতার রক্ত
পরিক্ষা করে তার
শরীরে এইডসের জিবানু খুজে পেল,
কিন্তু লোকটা জানত না। দূর্ভাগ্যবসত
ছোট্ট ছেলেটি এখন এইডস
রোগে ভুগছে!
দয়া করে রাস্তার খাবার খাওয়ার
পূর্বে অতিরিক্ত
শতর্ক হবেন এবং এই
সংবাদটি ছড়িয়ে দিন
আপনার প্রিয়জনদের কাছে।
কে যানে আপনার একটি শেয়ার
হয়তোবা একটি জীবন
রক্ষা করতে পারে ।।।
...........................(সংগৃহীত)

bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms,bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

আমি হয়তো কোনোদিন কারো বুকে জাগাতে পারিনি ভালোবাসা

ভালবাসার কবিতা

bangla love poem

আমি হয়তো কোনোদিন কারো বুকে
জাগাতে পারিনি ভালোবাসা,
ঢালতে পারিনি কোনো বন্ধুত্বের
শিকড়ে একটু জল-
ফোটাতে পারিনি কারো একটিও আবেগের ফুল
আমি তাই অন্যের বন্ধুকে চিরদিন বন্ধু বলেছি;
আমার হয়তো কোনো প্রেমিকা ছিলো না,
বন্ধু ছিলো না,
ঘরবাড়ি, বংশপরিচয় কিচ্ছু ছিলো না,
আমি ভাসমান শ্যাওলা ছিলাম,
শুধু স্বপ্ন ছিলাম;
কারো প্রেমিকাকে গোপনে বুকের মধ্যে
এভাবে প্রেমিকা ভেবে,
কারো সুখকে এভাবে বুকের মধ্যে
নিজের অনন্ত সুখ ভেবে,
আমি আজো বেঁচে আছি স্বপ্নমানুষ।
তোমাদের সকলের উষ্ণ ভালোবাসা, তোমাদের
সকলের প্রেম
আমি সারি সারি চারাগাছের মতন আমার বুকে
রোপণ করেছি,
একাকী সেই প্রেমের শিকড়ে আমি
ঢেলেছি অজস্র জলধারা।
সকলের বুকের মধ্যেই একেকজন নারী আছে,
প্রেম আছে,
নিসর্গ-সৌন্দর্য আছে,
অশ্রুবিন্দু আছে
আমি সেই অশ্রু, প্রেম, ও নারী ও স্বপ্নের জন্যে
দীর্ঘ রাত্রি একা জেগেছি;
সকলের বুকের মধ্যে যেসব শহরতলী আছে,
সমুদ্রবন্দর আছে
সাঁকো ও সুড়ঙ্গ আছে, ঘরবাড়িআছে
একেকটি প্রেমিকা আছে, প্রিয় বন্ধু আছে,
ভালোবাসার প্রিয় মুখ আছে
সকলের বুকের মধ্যে স্বপ্নের সমুদ্রপোত আছে,
অপার্থিব ডালপালা আছে।
আমি সেই প্রেম, সেই ভালোবাসা, সেই স্বপ্ন
সেই রূপকথার
জীবন্তমানুষ হয়ে আছি;
আমি সেই স্বপ্নকথা হয়ে আছি, তোমাদের
প্রেম হয়ে আছি,
তোমাদের স্বপ্নের মধ্যে ভালোবাসা হয়ে আছি
আমি হয়ে আছি সেই রূপকথার স্বপ্নমানুষ।
:::বেঁচে আছি স্বপ্নমানুষ :::
bangla love poem, bangla love sms, love sms bangla, love poem bangla