Showing posts with label news. Show all posts
Showing posts with label news. Show all posts

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাসে রুটিন তৈরির ১১ নির্দেশনা জারি

 


দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি পাঠদান শুরু হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব মেনে শ্রেণি পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্দেশনা অনুযায়ী রুটিন তৈরি করবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) গতকাল বুধবার রুটিন তৈরির একটি নির্দেশনা জারি করেছে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট শ্রেণিতে দুটি করে ক্লাস ধরে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রুটিন তৈরি করবে।
 ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে প্রতিদিন। অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস সপ্তাহে এক দিন।  রুটিন তৈরির নির্দেশনাগুলো হলো—  
১. ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসবে;
২. প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এক দিন প্রতিষ্ঠানে আসবে;
৩. সপ্তাহে প্রতিদিন নির্দিষ্ট শ্রেণিতে দুটি করে ক্লাস ধরে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রুটিন তৈরি করবে;
৪. রুটিনের সঙ্গে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাস নির্ধারণ করা যেতে পারে;
বিজ্ঞাপন
৫.যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান ওই সব স্তরের জন্য নির্ধারিত ক্লাসগুলো সমন্বয় করে রুটিন করবে;
৬.জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চলমান ডিগ্রি, সম্মান ও মাস্টার্স পরীক্ষার সঙ্গে সমন্বয় সাপেক্ষে ২০২১ ও ২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য রুটিন প্রণয়ন করে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করবে;
৭.রুটিন প্রণয়নের ক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হবে যেন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ, প্রস্থান ও অবস্থানের সময় স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের মতো ঘটনা না ঘটে;
৮.রুটিন এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন সময় প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে এবং প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়;
৯.শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আপাতত অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে; ১০. প্রতিদিন নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে হবে;
১১.পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ক্লাস রুটিন তৈরির ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিষয়গুলো অনুসরণ করতে হবে।

মুখের ঘা কোন মারাত্মক রোগ নয়

 


 মুখের ভেতর ছোট ছোট দানা, ঝাল খেলে যন্ত্রণা বেড়ে যাওয়া। মনে হতে বড় সড় কোন সমস্যা কিন্তু এটা কোন মারাত্মক রোগ নয়। কয়েকদিনেই সেড়ে যায় কোন চিকিৎসা ছাড়াই। তবে বেশ কয়েকদিনেও ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চিকিৎসার পরও যদি বেশকিছু সময় লাগে তাহলে সঠিক পরীক্ষা করে নিতে পারেন। যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং দীর্ঘদিন ধরে ঔষধ গ্রহণ করছেন তাদের মুখে ঘা দেখা দিতে পারে।
মুখে ঘা সমস্যা হলে যা করতে হবে

১. প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে।
২. লবণ পানি দিয়ে বারবার কুলি করতে পারেন।
৩. অ্যান্টিসেপটিক জেল ব্যবহার করতে পারেন।
৪. ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী রোগের যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
৫. নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ।
৬. ধূমপান পরিহার এবং জর্দা দিয়ে পান খাওয়া ত্যাগ দিতে হবে।
৭. প্রতিদিন দুইবার অন্তত দুই তিন মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
৮. বছরে একবার অন্তত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অসুরক্ষিত যৌ’ন সংসর্গ থেকে সাবধান! তা নানা রোগের কারণ হতে পারে

 


 যৌন সম্পর্ক নিয়ে আমরা এখন অনেক মুক্তমনা হয়েছি। কেবলমাত্র একজনের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ হওয়া যায়, এমন একটা ধারণা থেকেও আজকের সমাজ ক্রমশ সরতে আরম্ভ করেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে এটাও ঠিক যে, যৌনতা নিয়ে আপনি যত পরীক্ষামূলক হবেন, তত বাড়বে যৌন সংসর্গজনিত অসুখবিসুখের আশঙ্কা। সোজা কথায়, সুরক্ষাকবচের সাহায্য না নিয়ে সম্পর্কে লিপ্ত হলে নানা ধরনের এসডিটি (সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজ়িজ়) বা এসটিআই (সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন) হতে পারে। মেয়েদের ক্ষেত্রে খুব কমন কতগুলি সমস্যা আছে – সেগুলি আপাতভাবে খুব ছোট মনে হলেও পরবর্তীকালে আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যহানির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তার মধ্যে যেগুলি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তা নিয়েই আপাতত আলোচনা চালানো যাক।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (SPV):মহিলাদের মধ্যে যে এসটিডি বা এসটিআইগুলি দেখা যায়, তার মধ্যে এইচপিভি সবচেয়ে কমন। এইচপিভি কিন্তু সারভাইকাল ক্যানসারেরও অন্যতম কারণ। আজকাল এর টীকা বেরিয়ে গিয়েছে এবং কম বয়সেই তা নিয়ে রাখা যায় সুরক্ষাকবচ হিসেবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার শরীর নিজের থেকেই এইচপিভি প্রতিরোধ করে দেয়, তা সম্ভব না হলে কিন্তু জেনিটাল ওয়ার্টস হতে পারে। মুখ আর গলাতেও সংক্রমণ হয় অনেক সময়
ক্ল্যামাইডিয়া:এটিও খুব কমন এসটিডি। সাধারণত প্রস্রাব করার সময় জ্বালাভাব আর ভ্যাজাইনা থেকে দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষরণ হয় ক্ল্যামাইডিয়া হলে। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে এমনটা হতে পারে, অ্যান্টিবায়োটিক দিলে সেরে যায়। তবে দম্পতিদের দু’জনকেই একসঙ্গে ওষুধের কোর্স কমপ্লিট করতে হবে। মাস তিনেক বাদে আরও একবার পরীক্ষা করে তবে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সংক্রমণ পুরোপুরি কেটেছে।

জেনিটাল হারপিস:হারপিস ভাইরাস আক্রমণ করলে ভ্যাজাইনার আশপাশে সাধারণত যন্ত্রণাদায়ক ছোট ছোট ফোসকা দেখা যায়। খুব তাড়াতাড়ি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু ভাইরাল সংক্রমণ, তাই নিয়ন্ত্রণের কোনও রাস্তা নেই। তবে ব্যথা বা জ্বালা কমানোর ওষুধ খেয়ে খানিকটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

কী থেকে বুঝবেন যে আপনার এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে?
প্রস্রাবে জ্বালাভাব ও ভ্যাজাইনা থেকে অস্বাভাবিক ক্ষরণের কথা আগেই বলা হয়েছে। সাধারণত কোনও যৌন সংক্রমণ হলে ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথা অনুভব করবেন। তা ছাড়া যৌনাঙ্গে ফুসকুড়ি, ব্যথা বা ক্ষত হলেও সতর্ক হওয়া উচিত। অস্বাভাবিক রক্তপাত, ভ্যাজাইনায় চুলকানি, ইস্ট ইনফেকশন, কন্ডোমে অ্যালার্জিও হতে পারে। এর কোনও একটি লক্ষণ থাকলেই ডাক্তার দেখানো উচিত।
ঠেকানোর জন্য কী করবেন?

যৌন সংক্রমণ ঠেকানোর সবচেয়ে সহজ রাস্তা হচ্ছে সতর্কতা। অসুরক্ষিত সংসর্গ থেকে দূরে থাকুন। কন্ডোম আপনাকে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা জোগাবে। তাই যাঁরা নিয়মিত বার্থ কন্ট্রোল পিল খান বা কপার টি ব্যবহার করেন, তাঁরাও কন্ডোম ইউজ় করুন।

ভদ্র মেয়ে চিনে রাখার ৮টি কৌশল

 


 ভদ্র মেয়েরা হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য। একজন ভদ্র মেয়ে তার পরিবারের ও সমাজের জন্য গর্ব। বর্তমান আধুনিক যুগে প্রায় সব মেয়েই নিজেকে অত্যাধুনিক মনে করে থাকেন। মূলত সে কারণেই অনেকেই বিভিন্ন ধরণের কুরুচিপূর্ণ পরে নিজেকে অত্যাধুনিক হিসেবে উপস্থাপনের নোংরা খেলায় মেতে রয়েছে।

তাই ভদ্র মেয়ে মানুষ চিনে রাখা সবার জন্যেই দরকার। তাই ভদ্র মেয়েদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:

 

১. ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচেতন থাকে। এমন কিছু পরে না যাতে করে বাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

২. ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চাই না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।
৩. ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্রভাব পরুক তা তারা চাই না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।

৪. ভদ্র মেয়েদের রাগ একটু বেশি। যার উপর রেগে যায় তাকে মুখের উপর সব বলে দেয়। মনে কোনও রকম রাগ, হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিও পেয়ে বসে।
৫. ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলা পোহাতে হয় বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগে থাকলে অযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুব বেশি ভালোবাসে।

৬. ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরুষ থেকে তারা ১০০ হাত দূরে থাকে।
৭. ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুব সীমিত থাকে। ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটা যেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাব পেতে হয়।
৮. ভদ্র মেয়েদের কবিতা লেখার প্রতি আগ্রহ বেশি। তারা তাদের লেখা কবিতা সচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায় না। ভদ্র মেয়েরা সাধারণ ঘর কুনো স্বভাবের বেশি হয়। ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনও কাজ কখনও করে না।

যৌ’ন জীবনে আগ্রহ নেই! আপনি কি প্রি-ম্যাচিওর? জানুন আসল তথ্য

 


 যৌ‘ন জীবনে কম আগ্রহী হয় প্রিম্যাচিওর বেবি  আপনি কি অল্প বয়সেই যৌন জীবন যাপনে আগ্রহ হারিয়েছেন? আপনি কি সময়ের আগেই জন্মেছেন? অর্থাৎ, প্রি-ম্যাচিওর বেবি? তাহলে এই নিবন্ধ আপনার জন্য। সমীক্ষা বলছে, যে সমস্ত বাচ্চা সময়ের আগেই আলো দেখে পৃথিবীর তারা নাকি ভবিষ্যতে রোমান্টিক কম হয় অন্যদের তুলনায়। এমনকি যৌন জীবন সম্বন্ধেও আগ্রহ হারায় খুব তাড়াতাড়ি। এই যৌন অক্ষমতার ফলেই বাবা হওয়ার স্বপ্নও পূরণ হয় না তাদের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু ৪৪ লক্ষ মানুষের ওপর করা এক সমীক্ষায় জানিয়েছে, ৩৭ সপ্তাহের আগে যেসব শিশু জন্মায় বড় হয়ে তাদের যৌন ইচ্ছে সঠিক সময়ে জন্মানো শিশুর থেকে ২৮ শতাংশ কম হয়। আর মা-বাবা হওয়ার সম্ভাবনা ২২ শতাংশ কম থাকে।

 

গবেষকরা জানিয়েছেন, সময়ের আগে জন্মানো শিশুরা বড় হওয়ার অনেকদিন পরেও অত্যন্ত লাজুক থাকে। এমনকি সমাজ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে নিজেদের। তাই এই সব বাচ্চাদের খুব তাড়াতাড়ি স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া উচিত। যাতে তারা অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে মিশে স্বাভাবিক হতে পারে। সমস্ত উৎসব অনুষ্ঠানে এদের নিয়ে যাওয়া দরকার মা-বাবার। তবেই এরা সামাজিক হয়ে উঠবে ধীরে ধীরে। 

এবিষয়ে দিল্লির বালাজি অ্যাকশন মেডিকেল ইন্সটিটিউটের মনোবিদ ডা. অমিত গর্গ জানিয়েছেন, শুধু শারীরিক নয়, মানসিক ভাবেও অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে থাকে এই সব বাচ্চা। অর্থাৎ, মানসিক বিকাশ এবং গঠন পরিপূর্ণ হয় না। ফলে, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেও পারে না। আর এদের মধ্যে অপুষ্টি, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা তুলনায় বেশি থাকে এই বাচ্চাদের মধ্যে। এই সমস্যা কিন্তু বড় হয়ার পরেও থেকে যায়। ফলে, এদের সারাজীবনই খুব সাবধান হয়ে চলতে হয়।


আর এর থেকেই এত প্রচণ্ড পরিমাণে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা বা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে এদের যেতে হয় যে রোমান্টিসিজম বা সন্তানের জন্মদানে আগ্রহই হারিয়ে ফেলে এরা।

তামিম আর বোলারদের ভালো প্রস্তুতি, অস্বস্তি মোস্তাফিজকে নিয়ে

তামিম আর বোলারদের ভালো প্রস্তুতি, অস্বস্তি মোস্তাফিজকে নিয়ে

 https://images.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2021-05%2Fc5bda5c0-4a55-4c24-9e44-5bea0da89136%2FTamim.jpg?rect=0%2C0%2C3000%2C1688&auto=format%2Ccompress&fmt=webp&format=webp&w=900&dpr=1.0

ওয়ানডে সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট হাতে তামিম ইকবাল আর নিচের দিকের ব্যাটসম্যানদের অনুশীলন ভালো হয়েছে। প্রস্তুতিটা ভালো হলো বাংলাদেশ বোলারদেরও। আগে ব্যাটিং করে ২৯৬ রান তোলে বাংলাদেশ। তামিম করেছেন ৬২ বলে ৬৬ রান। জিম্বাবুয়ে ৪০.১ ওভারে করেছে ৭ উইকেটে ১৮৯ রান তোলার পর আলোকস্বল্পতায় খেলা হয়নি আর।

ডি/এল পদ্ধতিতে ম্যাচ বাংলাদেশই জিতেছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, কত রানের ব্যবধানে এল সেই জয়, সেটি এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলও জানতে পারেনি। ম্যাচ কর্মকর্তারা নাকি তাদের কিছু জানাননি।

এদিন ব্যাটিং করলেও বোলিং করেননি সাকিব, খেলেননি তাসকিন আহমেদ। কিন্তু এই ‘ভালো’র ভিড়ে একটা অস্বস্তিও থেকে গেছে বাংলাদেশের। বোলিংয়ের সময় প্রথম ওভারেই উঠে গেছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

হারারের হাইফিল্ডের তাকাশিঙ্গা স্পোর্টস ক্লাবে বাংলাদেশের ওপেনিংয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে নেমেছিলেন মোহাম্মদ নাঈম। শুরুটা ধীরগতির করেছিলেন দুজনই। প্রথম ৩৫ বলে ২৩ রান করেছিলেন তামিম, নাইমের প্রথম ৩১ বলে রান ছিল ২০। 

 ৩০ বলে ৩৬ রান করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন।

১২তম ওভারে গিয়ার বদলেছেন তামিম, চড়াও হয়েছিলেন ফারাজ আকরামের ওপর। সে ওভারে তিন চারের সঙ্গে এক্সট্রা কাভার দিয়ে তামিম মেরেছেন একটি ছয়, একলাফে পৌঁছে যান ৪০ বলে ৪১ রানে। তামিম পারলেও গিয়ার বদলাতে পারেননি নাইম। চিভাঙ্গাকে তুলে মারতে গিয়েছিলেন নাইম, বল তাঁর ব্যাটের ওপরের কানায় লেগে হলো ক্যাচ! আউট হওয়ার আগে করতে নাইম পেরেছেন ৫২ বলে ২৫ রান। ৮১ রানের ওপেনিং জুটি ভেঙেছে তাতেই।

তানাকা চিভাঙ্গাকে মারা দুই চারে তামিম ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৪৬ বলে। ফিফটির পর মেরেছিলেন আরও দুই চার। ওয়েসলি মাধেভেরের বলে আলগা শটে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। শটটা খেলার পর প্রায় মাথায় হাত দিয়েছিলেন, যেন বুঝতেই পারেননি সেখানে ফিল্ডার আছে অথবা তাঁর শটটা সেখানে যাবে!

এরপর দ্রুতই ফিরেছেন লিটন দাস, ৬ বলে ২ রান করে মাধেভেরের বলে ক্রিজ ছেড়ে খেলতে এসে স্টাম্পড হয়েছেন। মোহাম্মদ মিঠুন ৪২ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৩৯ রান করে স্বেচ্ছা অবসরে গেলেও তিনে নামা সাকিব ছিলেন ধীরগতির, শেষ পর্যন্ত ৬০ বলে ৩৯ রানের ইনিংসে তিনি মেরেছেন শুধু একটি চার।

ছয়ে নামা মোসাদ্দেক হোসেন করেছেন ৩০ বলে ৩৬, ৩ চার ও ২ ছয়ে। স্বেচ্ছায় অবসরে গেছেন তিনিও। আর চিভাঙ্গার বলে এলবিডব্লু হওয়ার আগে ৩ চার ও ১ ছয়ে ২৩ বলে ২৮ রান করেছেন আফিফ হোসেন। শেষ দিকে নুরুল হাসানের ১২ বলে ১৮ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের অপরাজিত ১০ বলে ১২ রানে ৩০০-এর কাছাকাছি গেছে বাংলাদেশ। শেষ ১০ ওভারেই উঠেছে ৯৪ রান।

বোলিংয়ে অবশ্য শুরুতেই অস্বস্তিই হলো বাংলাদেশের সঙ্গী। প্রথম ওভার করতে এসে অ্যাঙ্কেলে অস্বস্তি নিয়ে উঠে গেছেন মোস্তাফিজুর রহমান, এর আগে করেছিলেন ৫ বল। এরপর বরফ দেওয়া হয়েছে তাঁর পায়ে।

অন্য প্রান্তে বোলিংয়ে এসেছিলেন সাইফউদ্দিন, প্রথম উইকেটও পেয়েছেন তিনিই। মাধেভেরে (১৩ বলে ১৪ রান) তাঁর বলে হয়েছেন কট-বিহাইন্ড। পরের ওভারে তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে ফিরিয়েছেন শরীফুল ইসলাম।

বাংলাদেশের নাঈমের মতোই এক ইনিংস এরপর খেলেছেন জিম্বাবুয়ের শেষ ওয়ানডে সিরিজের অধিনায়ক চামু চিবাবা। সাইফউদ্দিনের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ৫১ বলে তিনি করেছেন ১৭ রান। এর আগেই পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিয়েছিলেন ইবাদত হোসেন। ওয়ানডে স্কোয়াডে না থাকলেও টেস্ট ম্যাচের পর দলের সঙ্গে থেকে গেছেন এই পেসার। প্রথমে ২৯ বলে ৪২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলা ডিওন মায়ার্সকে ফেরান ইবাদত, পরের বলে বোল্ড করেন তিনাশে কামুনহুকামওয়েকে। এরপর সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্লকে ফিরিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন।

অষ্টম উইকেটে অবশ্য ব্যাটিং অনুশীলনটা ভালোই করেছেন টিমাইসেন মারুমা ও রিচমন্ড মুতুম্বামি। মারুমা অপরাজিত ছিলেন সমানসংখ্যক বলে ৫৯ রানে, ৩১ বলে ১৬ রান করে তাঁকে সঙ্গ দিয়েছেন মুতুম্বামি।

২টি করে উইকেট নিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও ইবাদত হোসেন। একটি নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। মোসাদ্দেক ৬.১ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ১৬ রান, ৭ ওভারে যথাক্রমে ৩৩ ও ৩৯ রান দিয়েছেন সাইফউদ্দিন ও শরীফুল। ৭.১ ওভারে ইবাদত খরচ করেছেন ৩৭ রান। ৮ ওভারে ৩০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন তাইজুল ইসলাম। আর ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়েছেন আফিফ হোসেন।

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে শুক্রবার। এ সিরিজের পর তিনটি টি-টোয়েন্টিও খেলবে বাংলাদেশ।

 

 

 

ড্রেসিংরুমে আড্ডায় মাতলেন নেইমার-মেসি, আবেগে আলোড়িত ফুটবলবিশ্ব

 


কোপা আমেরিকা ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার। ঘরের মাঠে শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গ মেনে নিতে পারছিলেন না এই ব্রাজিল তারকা। অন্যদিকে, কান্না করতে দেখা গেল লিওনেল মেসিকেও। এ কান্না আনন্দের, নিজের জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের। তবে নেইমারকে কাঁদতে দেখে এসে জড়িয়ে ধরেন মেসি। ফুটবলের দুই বর্ণময় চরিত্রের এই মিলন দেখে আবেগে আলোড়িত ফুটবলবিশ্ব।

দীর্ঘ ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে রবিবার কোপা আমেরিকা জিতল আর্জেন্টিনা। শেষ বার জিতেছিল ১৯৯৩ সালে। দেশের হয়ে প্রথম ট্রফি জিতলেন মেসি। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরেই সতীর্থদের সঙ্গে উচ্ছ্বাসে ভাসছিলেন তিনি।

মাঠের এককোণে তখন কাঁদছিলেন নেইমার। রিচার্লিসন এসে জড়িয়ে ধরেন। কিন্তু শান্ত করতে পারেননি। নেইমার কাঁদতে কাঁদতে একসময় মাঠে বসে পড়েন। উঠে ড্রেসিংরুমে যাওয়ার পরেই তাঁকে জড়িয়ে ধরেন মেসি। অনেকক্ষণ জড়িয়ে থেকে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন।

ড্রেসিংরুমে ফিরে অবশ্য দুই তারকা বেশ উৎফুল্লই ছিলেন। মেসির সঙ্গে আড্ডা দিতে দেখা গেছে নেইমারকে। সেই ছবি পোস্ট করেছে কোপা আমেরিকার টুইটার হ্যান্ডল।

চার বছর বার্সেলোনার জার্সিতে মেসির পাশে খেলেছেন নেইমার। পিএসজি'তে গেলেও বন্ধুত্ব হালকা হয়নি। বরং বার্সেলোনাকে বার বার চাপ দিয়ে নেইমারকে ক্লাবে ফেরানোর অনুরোধ করেছেন মেসি। বিরাট অর্থের কারণে তা সম্ভব হয়নি।

 

ছুটির ঘোষণা শুনেই বেড়ে গেল আটার দাম


ফরিদপুরে করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে আটার দামেও। মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে বস্তা প্রতি বেড়েছে প্রায় ১শ টাকা। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন কোম্পানির আটার প্রতি বস্তা (৩৭ কেজি) দাম ছিল ৭৬০ টাকা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রতি বস্তা আটা বিক্রি হয়েছে ৮৫০ টাকা।
জানা যায়, ফরিদপুর জেলায় বিভিন্ন কোম্পানির আটার প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছিল ৭৪০ টাকা থেকে ৭৬৫ টাকা পর্যন্ত। পরিবার আটা ৭৬০, ফ্রেস আটা ৭৬৫, ডলফিন আটা ৭৫০ টাকা সোমবার দুপুর পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছিল। সন্ধ্যার পর থেকেই প্রতিটি কোম্পানির আটার বস্তার দাম ৮৫০ থেকে ৮৭০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আটা ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, সোমবার দুপুর পর্যন্ত আটা আগের মূল্যে বিক্রি করেছি। বিকেলে যখন মিল থেকে আটা আনতে গিয়েছি তখন দাম পড়েছে ৮৫০ টাকা। আটার দাম আরও বাড়তে পারে বলে তিনি জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল সরকারি ছুটি ঘোষণা করায় অসাধু ব্যবসায়ীরা এ দাম বাড়িয়েছে। আমরা খুচরা ব্যবসায়ীরা কি করতে পারি?
এদিকে করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিকারী অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। অসাধু ব্যবসায়ীদের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার জাগো নিউজকে জানান, অসাধু ব্যবসায়ীদের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ৬৫টি মামলা করা হয়েছে। জরিমানা করা হয়েছে ৪ লাখ ৭০ হাজার দুইশ টাকা।

ভালোবাসারও যত্ন চাই

৫০ বছরের দাম্পত্যজীবনে আবদুল হাই খান ও আয়েশা খানমের যে ঝগড়াঝাঁটি হয়নি, তা নয়। দীর্ঘ এই পথ পাড়ি দিতে কত চড়াই-উতরাই যে পেরোতে হয়েছে। কখনো মনোমালিন্য, আর্থিক কষ্ট, কখনো কর্মসূত্রে দূরে থাকা, পাওয়া না পাওয়ার হিসাবটা অনেক সময়ই মেলেনি। তবে একটা সুতা যেন শক্ত করে গিঁট বেঁধে ছিল সম্পর্কটাতে। তাই এত বছর পার হলেও ঘরভর্তি নাতিনাতনির মধ্যেও আলাদা করে মমতা দেখান দুজন দুজনকে। এখনো প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে গাছের সবচেয়ে ডাসা ও পাকা দুটো বরই তুলে এনে ঘুমন্ত স্ত্রীর খাটের পাশে রেখে দেন আবদুল হাই খান—সবার অলক্ষ্যে। একবার দুষ্টু নাতনি দেখে ফেলল ঘটনাটি। ‘নানাভাই আমাদের না দিয়ে নানিকে কেন দিলেন’—জানতে চাইলে একগাল হেসে আবদুল হাই বলেন, ‘ছোট্ট খুকিকে ঘরে এনেছিলাম। পাকা বরই খেতে ভালোবাসত।’

এভাবেই যত্নে রাখতে হয় ভালোবাসাগুলো। ঘরের সবচেয়ে দামি জিনিসটি যেমন যত্নে রাখা হয়, তেমনি মনের সবচেয়ে দামি জিনিস ভালোবাসারও একটু যত্নের প্রয়োজন পড়ে। আসলে সম্পর্ক হচ্ছে গাছের চারার মতো। চারার যেমন যত্ন নিতে হয়, সম্পর্কেরও তেমনি। না হলে গাছের মতো সম্পর্কও মরে যায়। ইংলিশ লেখক টমাস ফুলারের একটি বিখ্যাত উক্তি আছে, ‘ভালোবাসতে শেখো, ভালোবাসা দিতে শেখো, তাহলে তোমার জীবনে ভালোবাসার অভাব হবে না।’ অনেকেই বলেন, ‘ব্যস্ত জীবনে পরিবার, সংসার, সন্তান পালন, আয়ব্যয়ের হিসাব মেলাতে গিয়ে ভালোবাসা দৌড়ে পালায়। ভালোবাসি বলেই তো সব করি। আলাদা করে ভালোবাসার সময় কই?’ আসলে সারা দিন ভালোবাসি-ভালোবাসি বলার প্রয়োজন পড়ে না, ছোট ছোট কাজ দিয়েই প্রকাশ করা যায় সঙ্গীকে কতটা ভালোবাসি। ছোট ছোট ভালো-মন্দ অনুভূতির গুরুত্ব দেওয়া, প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যেও অল্প একটু সময় বের করে সঙ্গীর খোঁজ নেওয়া, ছুটির দিন ঘরের সব কাজ শেষে একসঙ্গে বসে চা খাওয়া, ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ছোট্ট করে বিদায় জানানো, বিপদে শুধু চুপ করে পাশে থাকাটাও অনেক কিছু প্রকাশ করে।
একে অপরকে শ্রদ্ধা
সঙ্গীকে শ্রদ্ধা করুন। দুজন মানুষ আলাদা সত্তা, এক করে মেলানো ঠিক নয়। সঙ্গীর মতের সঙ্গে সব সময় আপনার মতের মিল না–ও হতে পারে। প্রেমিক-প্রেমিকা হোক, স্বামী-স্ত্রী, বন্ধু এমনকি মা-বাবা ও সন্তানের মধ্যেও মতবিনিময়ে অমিল হতে পারে। তাই বলে নিজের মতামত সঙ্গীর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। পরামর্শ দিতে পারেন, হয়তো ঠিক মনে হচ্ছে না, সেটাও সুন্দর করে বুঝিয়ে বলতে পারেন। তবে তিরস্কার করবেন না কখনোই। 
রায়হান ও সোমা দুজনই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ব্যস্ততার সীমা নেই। আজকাল কেবল সন্তানের দরকার-অদরকার নিয়েই কথা হয় এই দম্পতির মধ্যে। কীভাবে যে দূরত্ব আসছে, নিজেরাও টের পাচ্ছেন না। প্রায়ই কাজের সময় হঠাৎ করে রায়হানকে ফোন দেন সোমা। ব্যস্ত রায়হান বেশির ভাগ সময়ই ফোনটা কেটে দেন। এ ক্ষেত্রে বলতে হয় সঙ্গীর কথা শুনুন। হয়তো সে প্রয়োজনীয় কথা বলছে না, সব সময়ই যে কথা প্রয়োজনেই হবে, এমনটা কিন্তু ভালোবাসার নিয়ম নয়। যে অনুভূতিটি তিনি প্রকাশ করতে চাইছেন, সেটি বোঝার চেষ্টা করুন। 

সুন্দর ব্যবহার
সব সম্পর্কেরই ঝগড়াঝাঁটি হয়। এটাই স্বাভাবিক। তবে প্রায়ই দেখা যায়, রেগে গিয়ে একে অপরকে কঠিন কথা শুনিয়ে ফেলে মানুষ। উল্টোপাল্টা আচরণ করে বসে। এটাই মনে একটা দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে। এসব ক্ষেত্রে রাগ নিয়ন্ত্রণ করে পরে সঙ্গীর ভুলটা বুঝিয়ে ধরিয়ে দেওয়া যায়। 
আচরণে কৃত্রিমতা নয়
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব প্রকাশ করছি ভালোবাসা, একসঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল ছবি। অথচ দুজনের সম্পর্কে যোজন যোজন দূরত্ব। মানুষের সামনে হয়তো বলছি সঙ্গীকে ছাড়া চলেই না, অথচ সঙ্গীর সামান্য চাওয়াটাও পূরণ করছি না। বাইরের মানুষের সামনে ভালোবাসার উদাহরণ অথচ ভেতরে একে অপরের আবেগে দিই না মর্যাদা, জীবনে এসব কৃত্রিমতা না থাকাই ভালো। 
একান্তে কিছু সময় কাটান
ব্যস্ত জীবনে একে অন্যকে দেওয়ার সময় কোথায় আমাদের। সন্তান, সংসারের জাঁতাকলে জীবন অতিষ্ঠ। তবে এর মধ্যেই প্রিয়জনের জন্য কিছু সময় আলাদা করে বরাদ্দ রাখতে হবে। হতে পারে সকালে দুজন একসঙ্গে কফি খাওয়া। নয়তো রাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে কয়েক মিনিটের আলাপন। সে যে আপনার জীবনের বিশেষ কেউ, এটা সঙ্গীকে বুঝিয়ে দিন। অবসর সময়ে মুঠোফোনে চোখ আটকে না রেখে পাশে থাকা মানুষটার সঙ্গে কোনো কিছু নিয়ে কথা বলুন। আপনি আছেন সব সময়, এই ভরসাটুকু যেন সঙ্গী আপনার কাছ থেকে পায়। 
ঘুরতে যাওয়া যায় বাইরে কোথাও
জীবনে টেনশন থাকে, ক্লান্তি থাকে—সবকিছু নিয়েও পরিবারের সঙ্গে অসাধারণ সময় কাটানো যায়, দায়িত্ব পালন করা যায়, বাচ্চাদের শখ পূরণ করা যায়, আনন্দ করা যায়। ভালোবাসার মানুষটাকে নিয়ে আলাদা করে ঘুরতে যাওয়া যায়। এ সবকিছুই যত্নে রাখে সম্পর্ককে। 
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন
সঙ্গী আপনাকে খুশি করতে কোনো উদ্যোগ নিলে হাসিমুখে তাকে স্বাগত জানান। বিশেষ কোনো খাবার রান্না করলে, কোনো কিছু উপহার দিলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। তাঁকে ধন্যবাদ জানান। তবে কখনোই সঙ্গীকে কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না। অমুক এটা করে, তমুক তো তোমার মতো না। ও পারে তুমি কেন পারো না বলে সঙ্গীকে দোষারোপ করতে যাবেন না। সব সময়ই সঙ্গীর সহযাত্রী হওয়ার চেষ্টা করুন। শুধু সুখে নয়, দুঃখের দিনেও তাঁর পাশে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে দাঁড়ান। 
অলক্ষ্যে বদনাম নয়
সঙ্গীর নেতিবাচক দিকটি অন্যের কাছে তুলে ধরবেন না। হয়তো গল্পে গল্পেই কাউকে বলছেন। তবে সেটা সে জানতে পারলে যে কষ্ট পাবেন, তা সম্পর্কে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। সেই সঙ্গে আজ যা বর্তমান, কাল তা–ই অতীত। তাই অতীতের ভুলত্রুটি আঁকড়ে ধরে রাখবেন না। সঙ্গীর অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি না করাই ভালো। বর্তমানের মানুষটাকে ভালোবাসুন। 
শাহেদ ও রিতুর ১০ বছরের সংসার। জানালেন, এই ১০ বছরে ভালোবাসা প্রকাশের জন্য খুব কষ্ট করে কিছু করার প্রয়োজন পড়েনি তাঁদের। এই দম্পতি মনে করেন, দামি উপহার দিয়ে যা হয় না, হয়তো ছোট্ট একটা অনুভূতিই তা প্রকাশ করে দেয়। যেমন যখনই শাহেদ ঘর থেকে বের হন বারান্দায় দাঁড়ান রিতু। শাহেদ বোঝেন, তাই সব সময় পেছন ফিরে তাকান, হাত নেড়ে একটু হাসেন। ছোট এই আদান-প্রদান চমৎকার করে দেয় তাঁদের জীবনটাকে।
 করোনাভাইরাসে প্রভাবিত কে–পপ

করোনাভাইরাসে প্রভাবিত কে–পপ

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চীনের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়াতে এখন কোভিড–১৯ নামের ভাইরাসটি উদ্বেগজনক হারে ছড়াচ্ছে। গত মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ায় মোট সাতজন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এতে আক্রান্ত হয়েছে ৭৬০ জন। আর ৭ হাজার ৭০০ কোরীয় আছে কোয়ারেন্টাইনে। এই দুর্যোগের সময় বের হলো বিশ্বখ্যাত কে–পপ ব্যান্ড বিটিএসের নতুন অ্যালবাম ম্যাপ অব দ্য সোল: সেভেন। এমন এক অবস্থায় অ্যালবামটি নিয়ে বিটিএস–ভক্তদের কাছাকাছি যেতে পারছে না, বাতিল করছে জনসমাগমে প্রচার–প্রচারণা। শুধু বিটিএস নয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় অন্য কে–পপ শিল্পী ও ব্যান্ডগুলো এড়িয়ে চলছে জনসমাগম। সবাই কনসার্ট ও অন্য সাংস্কৃতিক আয়োজন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছে।

শিল্পী থাকবে, শ্রোতা নয়!

র‌্যাপার স্টোর্মজি বাতিল করেছেন তাঁর কনসার্টর‌্যাপার স্টোর্মজি বাতিল করেছেন তাঁর কনসার্টবিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চীনের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়াতে এখন কোভিড–১৯ নামের ভাইরাসটি উদ্বেগজনক হারে ছড়াচ্ছে। গত মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ায় মোট সাতজন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এতে আক্রান্ত হয়েছে ৭৬০ জন। আর ৭ হাজার ৭০০ কোরীয় আছে কোয়ারেন্টাইনে। এই দুর্যোগের সময় বের হলো বিশ্বখ্যাত কে–পপ ব্যান্ড বিটিএসের নতুন অ্যালবাম ম্যাপ অব দ্য সোল: সেভেন। এমন এক অবস্থায় অ্যালবামটি নিয়ে বিটিএস–ভক্তদের কাছাকাছি যেতে পারছে না, বাতিল করছে জনসমাগমে প্রচার–প্রচারণা। শুধু বিটিএস নয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় অন্য কে–পপ শিল্পী ও ব্যান্ডগুলো এড়িয়ে চলছে জনসমাগম। সবাই কনসার্ট ও অন্য সাংস্কৃতিক আয়োজন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছে।
শিল্পী থাকবে, শ্রোতা নয়!
নিজেদের পরের কনসার্টে শ্রোতাদের আসতে বারণ করে দিয়েছে বিটিএস। এমনকি তারা সর্বশেষ অ্যালবাম ম্যাপ অব দ্য সোল: সেভেন–এর মুক্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনও করেছে জনশূন্য মিলনায়তনে। ভার্চ্যুয়ালি সেই সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দিয়েছেন। নতুন অ্যালবাম প্রচারের জন্য কোরিয়ার সিওলে বেশ কিছু টিভি অনুষ্ঠানে বিটিএস সদস্যদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। সে অনুষ্ঠানে বিটিএস–আর্মি, অর্থাৎ বিটিএসের ভক্তদেরও থাকার কথা। তবে এক আনুষ্ঠানিক মেইলের মাধ্যমে বিটিএস সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে, কোভিড–১৯–এর সংক্রমণ এড়াতে ভক্তদের স্টুডিওতে না আসার অনুরোধ রইল। বিটিএস আরও জানায়, নিরাপত্তার কারণে কোনো দর্শক ছাড়াই প্রচারণার অনুষ্ঠানগুলোর দৃশ্য ধারণ হবে।
ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলন
সোমবার ম্যাপ অব দ্য সোল: সেভেন–এর মুক্তি উপলক্ষে কোরিয়ায় একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে বিটিএস, তবে সেটা ভার্চ্যুয়ালি। আগে থেকেই সাংবাদিকদের কাছ থেকে সংগৃহীত প্রশ্নের উত্তর দেন বিটিএসের সদস্যরা। সেখানে তাঁরা জানান, কোনোভাবেই নিজেদের বা ভক্তদের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না বিটিএস।
‘আমরা এখন স্বাস্থ্যকেই সবচেয়ে এগিয়ে রাখছি। আর আমরা সব সময় নিজের সত্তা ও নিজেকে ভালোবাসার যে বার্তা সবাইকে দিয়েছি, সেটা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই সুস্থ থাকতে হবে।’ ভক্তদের উদ্দেশে বিটিএসের সদস্য জিমিন এসব কথা বলেন।

এরই মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার দেশটির নাগরিকদের বাড়ির বাইরে বের হওয়ার ব্যাপারে এবং করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে বেশ কিছু নিয়ম আরোপ করেছে। বিটিএস সরকারের নির্দেশ মেনে চলার চেষ্টা করছে এবং মানুষের ভিড়ে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে নিজেদের ও ভক্তদের এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছে।
সংকটে দক্ষিণ কোরীয় বিনোদনমাধ্যম
দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় সংকটে পড়েছে দেশটির বিনোদনমাধ্যম। শুধু বিটিএস নয়, কোরিয়ার বিভিন্ন টিভি চ্যানেল তাদের নিজস্ব অনুষ্ঠানে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো বন্ধ করে দিয়েছে। অনেক কে–পপ দল বাতিল করে দিয়েছে কনসার্ট ও ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান।
এশীয় বিনোদনে করোনার প্রভাব
শুধু দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদনমাধ্যমই নয়, করোনাভাইরাসের কারণে আক্রান্ত হচ্ছে পুরো এশিয়ার বিনোদন ব্যবসা। সংগীতের অনেক বড় তারকারা তাঁদের আসন্ন এশীয় কনসার্ট করোনাভাইরাসের ভয়ে বাতিল করে দিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে আছেন মার্কিন র​্যাপার স্টোর্মজি। সাংহাই, হংকং, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় তাঁর গাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার ভয়ে ট্যুর বাতিল করে দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি চীনে জেমস বন্ডের নতুন চলচ্চিত্র নো টাইম টু ডাই–এর উদ্বোধনী প্রদর্শনীও বাতিল করা হয়েছে। বাদ যায়নি খেলার আয়োজনও। বাতিল করা হয়েছে টোকিও ম্যারাথন।
বিটিএসের নতুন অ্যালবাম
করোনাভাইরাসে সংক্রমণের ঝুঁকিতে আছে পুরো পৃথিবী। তবে এত কিছুর পরেও বিটিএসের নতুন অ্যালবাম ঠিকই আলোচনার ঊর্ধ্বে আছে। অ্যালবাম প্রকাশ পাওয়ার আগেই রেকর্ড পরিমাণে অগ্রিম বিক্রি হয় অ্যালবামটি। এ বছর ‘কোরিয়ান মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’–এর পক্ষে তাদের বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় কারণে সেটিও বাতিল হয়ে গেছে। তবে তাতে দুঃখ নেই ব্যান্ডটির। ভক্তরা ভালো থাকলেই খুশি বিটিএস। ‘বর্তমানে বাইরে উন্মুক্ত জায়গায় যাওয়া যেহেতু বেশ ঝুঁকিপূর্ণ, আমরা আশা করব, আপনি আপনার খেয়াল রাখবেন।’ ভক্তদের উদ্দেশে বলেন দলটির শিল্পীরা।

নেতা মাশরাফিকে পেয়ে খুশি নির্বাচকেরা


দুপুরে হঠাৎ দর্শকদের উল্লাস! মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ইনডোরে অনুশীলন শেষে সীমানা দড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে ফিরছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ককে দেখে দর্শকদের সে কী উচ্ছ্বাস!
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে মাশরাফিকে পেয়ে খুশি নির্বাচকেরাও। আজ ১৫ সদস্যের যে ওয়ানডে দল দিয়েছে বিসিবি, সেটিতে বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়কের ফেরা নিয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন বলেছেন, ‘মাশরাফিকে ফিরে পাওয়াটা দারুণ ব্যাপার। তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব আমাদের ওয়ানডে দলের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।’
বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার কথা ছিল মাশরাফির। কিন্তু আচমকা চোটে ছিটকে পড়েন অধিনায়ক। মাশরাফিবিহীন দল শ্রীলঙ্কায় ভালো করেনি। লাসিথ মালিঙ্গার বিদায়ী সিরিজে বাংলাদেশকে ধবলধোলাই করেছিল লঙ্কানরা। এরপর বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি নিয়েই ব্যস্ত থাকায় আর জাতীয় দলে দেখা যায়নি তাঁকে। অবশেষে সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলে দেখা যাবে তাঁকে। ওদিকে নির্বাচক ও বোর্ড সভাপতি যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডে দলে মাশরাফিকে এবারই শেষবারের মতো দেখার সম্ভাবনা আছে।
বিশ্বকাপের পর লম্বা বিরতিতে দলে ফিরলেন মাশরাফি। বিপিএলের পর কোনো খেলায় ছিলেন না। কদিন আগে ফিটনেস নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। দুদিন হলো বোলিংও শুরু করেছেন। আজ যেমন ওটিস গিবসনের তত্ত্বাবধানে ইনডোরের নেটে ৬ ওভার বোলিং করলেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক। মাশরাফির সঙ্গে লম্বা বিরতিতে ফিরেছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনও। মিনহাজুল বলছেন, ‘দলের ভারসাম্য আনতে সাইফউদ্দিনের থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
ওয়ানডে দলে নতুন করে সুযোগ পেয়েছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ৭১ রান করা নাজমুল হোসেন। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়েছেন আফিফ হোসেন ও মোহাম্মদ নাঈম। তিন তরুণ ব্যাটসম্যানের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রধান নির্বাচকের ব্যাখ্যা, ‘ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শান্তর (নাজমুল) বর্তমান ফর্মই দলে সুযোগ করে দিয়েছে। সংক্ষিপ্ত সংস্করণে নাঈম আর আফিফকে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আছে।’
টেস্ট খেলতে খেলতে ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়ে নাজমুল ভীষণ খুশি। দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসা বাঁহাতি টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান বললেন, ‘আমি মাত্রই শুনলাম খবরটা। অবশ্যই ভালো লাগছে। যদি সুযোগ পাই ভালো খেলার চেষ্টা করব।’

ফেসবুকের কোনটা ঠিক, কোনটা বেঠিক

facebook real news jachai

উৎপত্তি চীনে হলেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। চীনে ভাইরাসটি মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে এবং চীনের বাইরেও একজনের মৃত্যুসংবাদ আমরা পেয়েছি। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মনে রয়েছে তীব্র শঙ্কা। সেটা বিশ্বের সব প্রান্তেই। আর এই সুযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুর্বৃত্তরা। করোনাভাইরাস মোকাবিলা করতেই একদিকে হিমশিম খাওয়ার জোগাড়, তার সঙ্গে জুটেছে ভুল তথ্যের প্রসার।
আর শুধু করোনাভাইরাস কেন, মাঝেই মাঝেই কিছু বিষয় নিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে বুঝতে পারেন না মূল ঘটনা কোনটা, আর কোনটা গুজব। এ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিব্রত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। কারণ, ফেসবুকেই সব সময় বেশি গুজব ছড়াতে আমরা দেখেছি। আর তাই এ নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি। পাশাপাশি নিউজফিডে ভুয়া সংবাদ চিহ্নিত করার গোটা কয়েক টিপসও দিয়েছে।
শুরুতেই শিরোনাম যাচাই করুন
শিরোনাম নিয়ে সন্দেহপ্রবণ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ফেসবুক। ভুয়া সংবাদের শিরোনাম সচরাচর রগরগে হয়। ইংরেজিতে হলে বড় হাতের অক্ষর এবং বিস্ময় চিহ্নের ব্যবহার বেশি দেখা যায়। তা ছাড়া শিরোনামে অবিশ্বাস্য কোনো দাবি করা হলো—কিন্তু সেটা বিশ্বাস করার মতো নয়।
ওয়েব ঠিকানায় গোলমাল নেই তো?
ফেসবুকে শেয়ার করা কোনো খবর নিয়ে সন্দেহ হলে ওয়েব ঠিকানা (লিংক) ভালো করে দেখুন। জনপ্রিয় কোনো ওয়েবসাইটের ঠিকানার মতো দেখতে মেকি কোনো লিংক পেলে ধরে নেবেন, সেটা ভুয়া সংবাদ। কৃত্রিম ওয়েবসাইটগুলো নিজেদের অকৃত্রিম হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে। প্রথম আলোর ওয়েব ঠিকানা সামান্য পরিবর্তন করেও এমন চেষ্টা আমরা আগে দেখেছি।
প্রতিবেদনের তথ্যসূত্র দেখুন
সংবাদের তথ্যসূত্র যাচাই করুন। প্রতিবেদনটি বিশ্বাসযোগ্য সূত্রের কি না, নিশ্চিত হোন। সংবাদমাধ্যমটির সুনাম নিয়েও মনে প্রশ্ন রাখুন। তথ্যসূত্র অচেনা হলে তাদের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন, ‘অ্যাবাউট’ পাতা দেখুন। ভুয়া সংবাদে উপযুক্ত প্রমাণের ঘাটতি কিংবা এমন বিশেষজ্ঞের উক্তি দেওয়া হয়, যা বিশ্বাসযোগ্য নয়। সর্বোপরি, সন্দেহ হলে এড়িয়ে যাওয়া ভালো।
ভুলে ভরা ওয়েবসাইটেই ভুল তথ্য
জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে আলাদা বিভাগে অনেক মানুষ কাজ করেন। আর ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরির পেছনে থাকে অল্পসংখ্যক দুর্বৃত্ত। তাদের লেখাগুলোর বানান ভুলে ভরা থাকে। ঘটনার তারিখ নিয়ে গোলমাল পাকিয়ে ফেলে। ওয়েবসাইটের নকশাও হয় অদ্ভুত। লক্ষণগুলো পেলে সতর্ক থাকুন।
ছবিও পরীক্ষা করুন
ভুয়া সংবাদের সঙ্গে ভুয়া ছবি বা ভিডিও জুড়ে দেওয়ার প্রবণতা আছে। অনেক সময় ছবি আসল হলেও অন্য কোনো ঘটনার ছবি বর্তমান ইস্যুর বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়। সন্দেহ হলে গুগলের ইমেজ সার্চে গিয়ে ছবিটি আপলোড করে তার উৎস খুঁজে দেখুন।
একাধিক সংবাদমাধ্যমে দেখুন
ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হলে সাধারণত একাধিক সংবাদমাধ্যম তা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে। টিভিতে ব্রেকিং নিউজ দেখানো হয়। কোনো সংবাদ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে নির্ভরযোগ্য অন্যান্য সংবাদমাধ্যম ঘেঁটে দেখুন ওই বিষয়ে সংবাদ পেশ করা হয়েছে কি না।
মজা করে লেখা নয় তো?
অনেক সময় গুরুতর ঘটনা নিয়ে কৌতুক করা হয় বা ব্যঙ্গাত্মক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। ফেসবুকে এমন অনেক পেজ আছে। স্যাটায়ার ঘরানার অনেক ওয়েবসাইটও আছে। লেখা পড়ে বোঝার চেষ্টা করুন, তা মজা করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কি না। কিংবা দেখুন ওয়েবসাইট বা পেজটির অন্যান্য লেখা স্যাটায়ারধর্মী কি না।
আগেই বলেছি, অসৎ উদ্দেশ্যে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। সেই তথ্য পুনরায় শেয়ার করা মানে দুর্বৃত্তদের সাহায্য করা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিন। কোনো তথ্য সম্পর্কে নিজে নিশ্চিত না হয়ে তা শেয়ার করবেন না।

একসঙ্গে জন্মানো তিন বোন কিংবা তিন ভাই


যমজ। আগ্রহ জাগানিয়া শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো একই গর্ভজাত এবং একই সময়ে ভূমিষ্ঠ। তিন সন্তান হলে তাকে বলা হয় ‘ট্রিপলেট বেবি’। চারজন হলে ‘কোয়াড্রুলেট বেবি’। এর বেশি সন্তানও হতে পারে। 
ট্রিপলেট বেবি মানে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া তিন সন্তান নিয়ে এই লেখা। অক্সফোর্ডের ইংরেজি-বাংলা অভিধানে (কলকাতা থেকে প্রকাশিত) ট্রিপলেট কথার মানে দেখতে পাচ্ছি ‘একই সঙ্গে জাত একই মায়ের তিনটি সন্তান’। ট্রিপলেটের বাংলা কী হবে? জানতে চাই জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান স্যারের কাছে। মনস্ক পাঠকেরা জানেন, প্রথম আলোতে স্যারের ‘আমার অভিধান’ মূল্যবান একটি রচনা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। আনিসুজ্জামান বললেন, ট্রিপলেটের বাংলা হবে ত্রেতা বা ত্রৈত।

নাতনি চাই না, মেয়েকে বাঁচানআমার বড় মেয়েও সিজারিয়ান। দুই বছর পর এই তিন কন্যা একসঙ্গে জন্ম নিল। একসঙ্গে তিন তিনটা শিশু আমার পেটে, একথা শুনে আমার মা তো মহা আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন। তিনি চিকিৎসককে বললেন, ‘আমার মেয়েকে সুস্থ করে দেন আপনি। যেভাবেই হোক, মেয়েকে বাঁচাতে হবে আগে।’ ওরা জন্মানোর পর আমার দুই বোন বলল তাদের একটা একটা করে দিয়ে দিতে। একজন নিঃসন্তান। আরেকজন কানাডায় থিতু। তিন ছেলে তার। সবাই বড়সড়। বিয়ে থা করে সংসারী হয়েছে। সেই বোনের মেয়ের খুব শখ। খুব ঝোলাঝুলি করেছিল কোনো একজনকে নিয়ে নেওয়ার জন্য। হাসতে হাসতে কথাগুলো বললেন ট্রিপলেট বেবির মা মুনিয়া হাসান। পূর্ব গোড়ানে তাঁদের নিজস্ব বাড়ি। নাম অস্থায়ী নিবাস। কয়েক দিন আগে কথা হলো সেই তিন সন্তান মৌমিতা হাসান, মেহনাজ হাসান ও মেহরীন হাসানের সঙ্গে। বয়স তাদের ১৪ বছর। সবাই পড়ছে ক্লাস টেনে। দুইজন এক স্কুলে। অপরজনার স্কুল আলাদা। দুইজন বিজ্ঞান বিভাগে, একজন মানবিকে।
সুদক্ষ শল্যচিকিৎসায় মুনিয়া ও মেহেদী হাসান দম্পতির মুখে হাসি ফুটিয়েছিল। দূর করেছিল সব উৎকণ্ঠা। সেটা ১৪ বছর আগের কথা। শাহজাহানপুরের প্যান প্যাসিফিক হাসপাতালে এই তিন বোনের জন্ম হয় ২০০৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। 
মুনিয়া হাসান বললেন তাঁর ট্রিপলেট বেবি জন্ম দেওয়ার গল্প—গর্ভাবস্থায়ই ডাক্তার আমাকে জানিয়েছিলেন, প্ল্যাসেন্টা যেহেতু একটা, সুতরাং মেয়ে হলে তিনজনই মেয়ে হবে। আর যদি ছেলে হয়, তবে তিনজনই হবে ছেলে। ডাক্তারের কথাই ঠিক হলো শেষ পর্যন্ত। গর্ভাবস্থায় এক মাস আমাকে স্যালাইন নিতে হলো। একপর্যায়ে কোনো খাবারই ভালো লাগত না। আমাকে বলা হলো দুধ খেতে। দুধে সব ধরনের ভিটামিন আছে তো। সাড়ে আট মাসের সময় আমার গাইনোকলজিস্ট কনসাল্ট করলেন শিশুবিশেষজ্ঞ ডা. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে। সাব্যস্ত হলো, এখন অস্ত্রোপচার করে ওদের বের করা হলে একজনকে ইনকিউবেটরে রাখতে হবে। সেটা এড়ানোর জন্য মোট সাতটি ইনজেকশন নিতে হয় আমাকে। জন্মানোর পর সবচেয়ে ছোটজনকে নল দিয়ে খাওয়াতে হতো কিছুদিন। বুকের দুধ ওদের দিতে পারিনি। সেটা সম্ভব ছিল না তখন।
আরও তথ্য জানতে চাই মুনিয়া হাসানের কাছে। চার মাসের সময় বলা হলো বাচ্চা হবে যমজ। ছয় মাসের সময় যখন শুনলেন ওরা তিনজন, তখন খুবই ভয় পেলেন। মুনিয়া বললেন, আমার বড় মেয়েও সিজারিয়ান। একই ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে তারও নির্ঝঞ্ঝাট জন্ম। 
তিন কন্যার নাম রাখা হলো সিঁথি, রীতি ও প্রীতি। তিন বোনে ঝগড়াঝাঁটি মাঝে মাঝে হয়। দু’জনের চেহারা ও খাদ্যরুচি প্রায় একই রকম। অন্যজন একটু আলাদা। তিন মেয়ের জন্য আগে একই ধরনের পোশাক কিনতেন। এখন কিনতে হয় আলাদা আলাদা। ওর বলে, তিনজনের ড্রেস আলাদা হলে লোকেরা আমাদের চেহারার মিল সহজে বুঝতে পারবে না। রাস্তাঘাটে ওদের চেহারার মিল দেখে লোকজনের অতিমাত্রায় কৌতূহলে ওরা অস্বস্তি বোধ করে। লোকজন হাঁ করে তাকিয়ে থাকে। আমরা চট্টগ্রামে যে বাড়িতে থাকতাম, সেই বাড়িওয়ালার ছিল যমজ বাচ্চা। ওই বাড়িতে থাকতে থাকতেই আমার তিন–তিনটা বাচ্চা হলো একসঙ্গে।
তিন কন্যার বাবা মেহেদী হাসান পেশায় একজন কেমিস্ট। একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি করছেন। তিনি বললেন, মেয়েরা আমার বড় লক্ষ্মী। আমি মেয়েদের ঘর সংসারের কোনো কাজ করতে দিই না। ওদের মা অবশ্য কাজ শেখাতে চায়। জোরাজুরিও করে কোনো কোনো সময়। ওদের জন্মের আগে শুধু একটা ব্যাপারেই বেশি উদ্বিগ্ন ছিলাম। কেউ না আবার অসুস্থ হয়ে জন্মায়। তেমন কিছু ঘটেনি। 
বেণি দোলানো তিন বোনের সঙ্গে কথা হলো। আদুরে আদুরে মিষ্টি দেখতে তিনজনাই। লাজুক স্বভাবের। ওরা আমাকে বলে, রাস্তায় লোকে যমজ যমজ বলে সব সময় মন্তব্য করে। ঠায় তাকিয়ে থাকে। এসব আমাদের মোটেও ভালো লাগে না। সে জন্য আমরা পারতপক্ষে বাড়ির বাইরে বিশেষ একটা বের হই না। বড়জন সিঁথি বড় হয়ে ডাক্তার হতে ইচ্ছুক। দ্বিতীয়জন রীতির স্বপ্ন ইঞ্জিনিয়ার হবে। একেবারে ছোটজন শিক্ষকতাকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চায়। তিন বোনেরই চোখে চশমা। ওদের বাবা জানালেন, চোখের সমস্যা ওদের জন্মগত। ডাক্তার বলেছেন, ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি ছয় মাস অন্তর ওদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করাতে হবে। তা–ই আমরা করছি। তিন বোনেরই খুব পছন্দের খাবার হলো বিরিয়ানি ।
সাগরপারের তিন ভাই আসিফ নূর চৌধুরী ও নীলিমা জাহিদ সুলতান দম্পতি। এঁদের নিবাস কক্সবাজার। বিয়ের পর বাচ্চা হচ্ছিল না। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা আর উদ্বেগ ছিল বেশ। একসঙ্গে তিন সন্তান মাতৃগর্ভে এল। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ভূমিষ্ঠ হতে হলো তাদের। মাতৃজরায়ুতে অবস্থানের সময় ৭ মাস ২ দিন। মাত্র ৪ মিনিটে ডেলিভারি করানো হলো তাদের। সিজারিয়ান সেকশন। তিন জনের সম্মিলিত ওজন চার কেজি। মাটির পৃথিবীতে এসে ভালো রকম বিপদেই পড়তে হয়েছিল তাদের। ইনকিউবেটরে থাকতে হয়েছে টানা ২০ দিন। 
তিন ভাইয়ের নাম যথাক্রমে আকিক নূর চৌধুরী, আমল নূর চৌধুরী ও আলাপ নূর চৌধুরী। তারা এখন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়ে। সবার জন্ম ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি। ওদের বাবা আসিফ নূর একটি প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় ও বিপণন ব্যবস্থাপক। মা চাকরি করতেন ব্র্যাকে। তিন ছেলেকে লালন-পালনের জন্য চাকরি ছাড়তে হয়েছে।
আসিফ নূর তিন পুত্র অর্থাৎ ট্রিপলেট বেবি সম্পর্কে অনেক তথ্যই জানালেন। তাঁদের আর কোনো সন্তান নেই। ওদের জন্মের চার মাস আগে জানা গেল তিনজনের কথা। তিন ছেলের জন্ম হয়েছে চট্টগ্রামের রয়্যাল হসপিটালে। মা এ সংবাদ শুনে খুবই খুশি হয়েছিলেন। তখন তার পক্ষে বোঝা সম্ভব ছিল না যে কত বড় দায়দায়িত্ব কাঁধে বর্তাচ্ছে। আসিফ নূর বললেন, ‘আমি তখন ছিলাম ঢাকায়। ফোনে খবরটা জেনে বেশ উৎফুল্ল হই। নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে হয়। আমিও দায়িত্বের ব্যাপকতা ও চ্যালেঞ্জটা গোড়ার দিকে অতটা আঁচ করতে পারিনি। একসঙ্গে তিন বাচ্চা বড় করা চাট্টিখানি কথা নয়। তাতে মায়ের কষ্টটাই সবচাইতে বেশি। ওরা মায়ের বুকের দুধ পান করে বড় হয়েছে। পালাক্রমে ওরা মায়ের দুধ পান করত। জন্মের ক্রমানুসারে ওদের মধ্যেকার বড় ছোট নির্ধারণ করেছি। তিনজন দেখতে হুবহু এক নয় বলে সুবিধা হয়েছে।’ 
এই তিন ভাইকে লালন–পালনে কোনো সমস্যা হয় কি? আসিফ নূর বলেন, একটু গাদাগাদি হয় বৈকি! যথাযথভাবে মানুষ করার ব্যাপারটি বেশ ব্যয়বহুলও বটে। ওদের কোনো বড় ভাই কিংবা বোন থাকলে বেশ হতো। এরা তিনজন তো সমানে সমান। একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। কে কাকে মানবে? দিনমান ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকে। এই ঝগড়া অবশ্য তাদের নিত্যদিনের খেলার অংশই হয়ে গেছে। 
তিন ভাইয়ের মধ্যে আবার মিলমিশও কম না। একজন আরেকজনকে না দেখে থাকতে পারে না। একসঙ্গে থাকে সব সময়। দল বেঁধে স্কুলে যায়। খেলাধুলা করে। খাদ্যরুচিও এক নয় তাদের। তিন ভাই–ই যেটা পছন্দ করে, তা হলো মুরগি ও বড় চিংড়ি মাছ। অন্য খাবারের বেলায় একেক জনের পছন্দ একেক রকম। দুইজন নিজের হাতে খেতে পারে। একেবারে ছোটজন এখনো মায়ের হাতে খায়। জামাকাপড় সব সময়ই যে এক রকম দিতে হয়, সেটা না। তিনজনের পছন্দের রংও আলাদা। তারা তিনজনই শিল্পী। ছবি আঁকতে ভালোবাসে। সবকিছুকেই তারা রং দিয়ে বিচার করতে ভালোবাসে। যেমন একজন বলল, ‘বাবা তোমার মোটরসাইকেল কি গুন্ডারা নিয়ে গেছে?’ রসিকপ্রবর পিতৃদেব জানতে চাইলেন, ‘গুন্ডার রং কী হবে বলো তো?’ চটপট উত্তর দেয় তারা, গুন্ডার রং হবে চকলেট। চিত্রশিল্পী উত্তম সেনকে একবার তারা প্রশ্ন করেছিল, আচ্ছা কাকু, বলেন তো দুঃখের রং কী? উত্তম সেন উত্তর দিয়েছিলেন, দুঃখের রং হলো ছাই।
নীলিমা জাহিদ সুলতান বললেন, ‘লোকজন বলে, আপা আমরা একটাকেই পালতে পারি না। আর আপনার তো তিন তিনটা! তিনজন নিয়ে আমার কষ্টও বেশি। এরা ঝগড়াঝাঁটি করে, সামলানো মুশকিল। আবার মিলেমিশেও থাকে। পরস্পরের জন্য টান আছে খুব। যৌথ পরিবার আমাদের। তিন বাচ্চার জন্মের পর ব্র্যাকের চাকরিটা আমাকে ছাড়তে হয়েছে।’
মা–বাবা কার প্রতি টান বেশি ওদের? আসিফ নূর এ প্রশ্নের উত্তরে বলেন, বাবা-মা দু’জনের জন্যেই টান আছে ওদের। তিন ভাই টিভিতে খেলা দেখতে পছন্দ করে। প্রিয় খেলা ক্রিকেট, ফুটবল আর রেসলিং। ট্যাবে তারা গেমস খেলেও সময় কাটায়। তিনজনের মধ্যে বেশ ভালো দোস্তি রয়েছে। পড়াশোনায় তিনজনই মোটামুটি ভালো।

জাহান্নামের আগুন নেভাতে পারে এমন কোন রাসায়নিক বিশ্বজগতে নেই

আল্লাহ্ কিছু মানুষকে অনেক গুণ দিয়ে দুনিয়ায় পাঠান। কিছু মানুষকে তেমন কোন গুণ দিয়ে পাঠান না। দুটোই পরীক্ষা। . আমি কোনকালেই স্মার্ট ছিলাম না। আমি সুন্দর করে কথা বলতে পারিনা, উপস্থিত বুদ্ধি কম, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাকটিভিটিতে ভালো নই। আমার অনেক বন্ধু বান্ধবিকে দেখতাম কতকিছুতে পারদর্শীতে! শুধু কথা বলার জোরে কত ছেলে মেয়ের সাথে ভাব জমিয়ে ফেলে। ছেলে মেয়েরা তাদের পেছনে ঘোরে। কত বন্ধু বান্ধব ভালো গান করত, কেউ ডিবেট করে একের পর পুরস্কার জিতে আসত, কেউবা খেলার মাঠ দাপিয়ে বেড়াত। আমি তাদের কীর্তি দেখতাম, মাঝেমধ্যে যে হিংসে হত না তা না। ভাবতাম এই নিয়তি, আল্লাহ্ আমাকে এত প্রতিভা দেন নি।



 দ্বীনের বুঝ আসার পর বুঝি, এসব গুণ না দিয়ে হয়তো আল্লাহ্ আমাকে বহু পাপ থেকে বাঁচিয়েছেন। যে বন্ধু বান্ধবি খুব ভালো গান করে তার পক্ষে আল্লাহ্র জন্য মিউজিক ছুঁড়ে ফেলা বড় কষ্টকর। যে ভালো ছবি আঁকে তার গুণটি হয়তো কিয়ামতের দিন তার জন্য বিপর্যয়ের কারণ হবে। খুব ভালো গণিত পারা ছেলেটিকে দেখেছি দিনরাত গণিত নিয়ে পড়ে থেকে স্রষ্টাকেই ভুলে যেতে। যে গুণ, যে প্রতিভা আল্লাহর অবাধ্য হতে সাহায্য করে বিচার দিবসে তার ভার কি আমি বইতে পারতাম? কতই না ভাগ্যবান আমি। . অকৃতজ্ঞতা মানুষের স্বভাব। আল্লাহ্ কত মানুষকে কতকিছু না দিয়ে হিফাযত করেন, মানুষ বোঝেনা। সন্তুষ্ট হতে পারেনা।

 যে মেয়েটি কালো সে সুন্দরী মেয়েটিকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। অথচ আল্লাহ্ তাকে ফর্সা করে বানালে দেখনদারিতার ব্যাধি হয়তো তাকে পেয়ে বসত। সুন্দরীরাই বেশি সোৎসাহে ফেসবুকে ফটো আপলোড করে। কালো মেয়েটি করেনা, তাকে সাময়িক বাহ্যিক রূপটি না দিয়ে কত গুনাহ থেকে আল্লাহ্ বাঁচিয়েছেন সে কি বুঝতে পারে? . আমি ধনী নই, এ নিয়ে যেন আমি দুঃখিত না হই। সম্পদের হিসাব দেওয়া কত কঠিন, ভাবতে পারি? আমি দরিদ্র নই, এর জন্য যেন কৃতজ্ঞতা থাকে আল্লাহ্র দরবারে। আমাকে আল্লাহ্ যেভাবে বানিয়েছেন, যেভাবে রেখেছেন তার অন্যথা হলে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হতাম, এই বুঝটা মানুষের আসে না।


জাহান্নামের আগুন নেভাতে পারে এমন কোন রাসায়নিক বিশ্বজগতে নেই। আল্লাহ্-র ভয়ে চোখের কোণে জমা হওয়া একফোঁটা অশ্রু সেই আগুন নেভাতে সক্ষম। আল্লাহ্-র সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদুন। জীবনে যত কষ্ট আছে সব তাঁর নিকট সমর্পণ করুন। হতাশা আর অভিযোগ নিয়ে নয়, কৃতজ্ঞতা নিয়ে। এই কষ্টগুলো যেভাবে আল্লাহ্-র নিকটবর্তী করেছে, অন্য কিছু পারেনি। এসব আল্লাহ্-র রহমত। আমরা বুঝতে পারিনা। সূরা যারিয়াত আমার অসম্ভব প্রিয় একটি সূরা। সেখানে আল্লাহ্ জান্নাতিদের বৈশিষ্ট্য বলেছেন "তারা রাতের সামান্য অংশই ঘুমিয়ে কাটাত। রাতের শেষ প্রহরে আল্লাহ্-র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করত।" আমরা কি কথাটার ভার বুঝতে পারি!! আল্লাহ আমাদের সবকিছু বুঝার তৌফিক দান করুক ((আমিন্))

বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ খেলতে গেছেন

mustafiz Rahaman

বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ খেলতে গেছেন গত ৫তারিখে। ইতিমধ্যে তিনি দুটি ম্যাচ খেলেছেন। দুটি ম্যাচেই তিনি তার যোগ্যাতার প্রমান দিয়েছেন। তার কাটার যাদুতে এবি-ডি-ভিলিয়াস , ওয়াটশন এবং আন্দ্রে রাছেলকে ভেলকি ডেলিভারিতে বোল্ড অাউট করে তিনটি ইউকেট ইতি মধ্যে দখল করেছেন।তার ওভার প্রতি রান দেওয়ার গড় পাঁচ। বাকি ম্যাচ গুলো ভাল করার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন তিনি দৈনিক পত্রিকায় সাক্ষাতকার দেওয়ার সময়। আশা করি তিনি তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন।
মুস্তাফিজুরের হায়দ্রবাদের বাকি ১২টি ম্যাচের সময়সূচী সবার সুবিধার্থে দিলামঃ-
.
১৮ এপ্রিল- vs মুম্বাই.
২১ এপ্রিল- vs গুজরাট.
২৩ এপ্রিল- vs পাঞ্জাব.
২৫ এপ্রিল- vs পুনে.
৩০ এপ্রিল- vs ব্যাংগালুরু
০৬ মে- vs গুজরাট.
০৮ মে- vs মুম্বাই.
১০ মে- vs পুনে.
১২ মে- vs দিল্লী.
১৫ মে- vs পাঞ্জাব.
২০ মে- vs দিল্লী.
২২ মে- vs কলকাতা.

bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

সাকিবের টিম কলকাতার ম্যাচ তালিকা ও সময়সূচী

love sms bangla

আইপিএলের এবারের আসরে সাকিবের কলকাতা ইতিমধ্যে ৩টি ম্যাচ খেলেছে। আসুন এক নজরে দেখে আসি, কলকাতার বাকি ম্যাচগুলোর বাংলাদেশী সময়সূচী -
.
* ১৯ এপ্রিল, রাত ৮:৩০ এ (vs পাঞ্জাব)
* ২৪ এপ্রিল, রাত ৮:৩০ এ (vs পুনে)
* ২৮ এপ্রিল, রাত ৮:৩০ এ (vs মুম্বাই)
* ৩০ এপ্রিল, বিকাল ৪:৩০ এ (vs দিল্লী)
* ০২ মে, রাত ০৮:৩০ এ (vs ব্যাংগালোর)
* ০৪ মে, রাত ৮:৩০ এ (vs পাঞ্জাব)
* ০৮ মে, রাত ৮:৩০ এ (vs গুজরাট)
* ১৪ মে, রাত ৮:৩০ এ (vs পুনে)
* ১৬ মে, রাত ৮:৩০ এ (vs ব্যাংগালোর)
* ১৯ মে, রাত ৮:৩০ এ (vs গুজরাট)
* ২২ মে, বিকাল ৪:৩০ এ (vs হায়দ্রাবাদ)

bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস

গ্রামীণ ফোন , বাংলা লিংক ও রবি সপম্পরকিত কিছু টিপস

telecommunication

Gameenphone

1. →→→এখন 100MB ইন্টারনেট (মেয়াদ ৭ দিন) পাচ্ছেন মাত্র ২ টাকায়!( সর্বোচ্চ তিনবার) ডায়াল করুন *5000*156# ;SD এবং VAT প্রযোজ্য।←←←←
↴
2. →→→→200MB মাত্র ২০ টাকা । মেয়াদ ৩ দিন । ডায়াল *5000*183# ; SD,VAT,SC এবং শর্ত প্রযোজ্য←←←←
এই অফার সবাই পাবে কিনা জানিনা৷
তবে লিখলাম যদি কারো কাজে লাগে৷
3. GP সিমে মাএ ১টাকায়(+ভ্যাট),,২০ এমবি,,,২দিন মেয়াদ,,,,*১২১*৩*৭*১*২#
(শুধু ফেসবুক)
4. গত জানুয়ারী মাসের ১২ তারিখে দ্বিতীয় বার চালু হয় গ্রামীনফোন বন্ধ সংযোগের অফার ১০ টাকায় ২ জিবি.
এই অফারটি শেষ হয় ১২-ই মার্চ২০১৬ তারিখে । কিন্তু আজ তা আবার এই নতুন অফার দিয়েছে।
হ্যাঁ গ্রামীণফোন বন্ধ সিমে আবারো ২ জিবি ইন্টারনেট নিন মাত্র ১১ টাকায় এবং ৪৪ টাকায় ৮ জিবি। তো দেরি করে আর মিস করবেন না। এখনি একটিভ করে নিন।
এই অফারটি কেবল তারাই পাবে যাদের সিম আজ থেকে তিন মাস আগে থেকে বন্ধ।
আপনার পরিচিত বন্ধ সিমে এই অফারটি অ্যাকটিভ করে আপনার যেকোন সচল সিমে রেফার করে আপনিও পাবেন ১০০ এমবি ফ্রী।
আপনার সিমটি বন্ধ সিমের আওতায় আছে কিনা তা চেক করতে BHK 017XXXXXXXX মানে BHK স্পেস আপনার বন্ধ সিমের নাম্বার লিখে ম্যাসেজটি সেন্ড করুন ৯৯৯৯ নাম্বারে। যদি আপনার নাম্বারটি এলিজেবল মানে গ্রহনযোগ্য দেখায় তাহলে আপনার বন্ধ সিমে ১১ টাকা রেখে ডায়াল করুন *১১১*৯০#
তাহলে আপনি পাবেন ২ জিবি ইন্টারনেট ১৫ মেয়াদে। এভাবে আরও তিনবার অ্যাকটিভ করুন আরও ৪০+ টাকা দিয়ে। ব্যাস এবার আরামছে নেট চালান।
আপনার নাম্বারে আরও ১০০ এমবি ফ্রী নিতে পারেন। বন্ধ সিম থেকে টাইপ করুন (SN আপনার সচল নাম্বার) লিখে পাঠিয়ে দিন ৯৯৯৯ নাম্বারে।
5 . গ্রামীণফোনের অবিশ্বাস্য অফার! গ্রামীণফোন দিচ্ছে 2GB থ্রিজি ইন্টারনেট মাত্র ২০ টাকায়! বন্ধ চালু সকল গ্রামীণফোন সিমের জন্য! এই অফারটি ২৫শে মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত চলবে।
ই প্রথমবারের মত গ্রামীণফোন নিয়ে এলো 2GB 3G ইন্টারনেট মাত্র ২০ টাকায়! যেটা সকল গ্রামীণফোন সিমের জন্য। তাহলে আর দেরি কিসের? এক্ষুণি লুফে নিন এই চমৎকার অফারটি। নাহলে পরে পস্তাতে হবে।
এবার ইন্টারন্যাশনাল হ্যাপিনেস ডে-কে আরও হ্যাপি করতে গ্রামীণফোন দিচ্ছে পুরো ২০০০এমবি ইন্টারনেট মাত্র ২০ টাকায়। অফারটি পেতে ডায়াল *5000*76# যার মেয়াদ ৭ দিন।
শর্তাবলীঃ
** অফারটি র্মাচ ২৫,২০১৬ র্পযন্ত চলবে
** মেয়াদ ৭ দিন; অফারটি ব্যবহার করা যাবে 12 AM – 10 AM
** মূল্যে ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক,সারর্চাজ প্রযোজ্য
** মেয়াদ শেষ হবার পূর্বে ডাটা ভলিউম শেষ হলে, টাকা ০.০১/১০KB হারে চার্জ প্রযোজ্য হবে (সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত)
** ইন্টারনেট ব্যালেন্স জানতে ডায়াল *121*1*2#
** অটো রিনিউয়াল ফিচার প্রযোজ্য নয়
6 . ১ জিবি মাত্র ৬৪ টাকায় !
আমাদের প্রানপ্রিয় ক্রিকেট টিমকে সাপোর্ট জানাতে চলে এসো ফেসবুকে কারন গ্রামীনফোন দিচ্ছে 1GB ইন্টারনেট মাত্র ৬৪ টাকায় যার মেয়াদ ৫ দিন। অফারটি পেতে ডায়াল *5000*192#
শর্তাবলীঃ
• শুধুমাত্র গ্রামীণফোন-এর প্রিপেইড গ্রাহকগণের জন্য প্রযোজ্য
• মেয়াদ শেষ হবার পূর্বে ডাটা ভলিউম শেষ হলে অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারে টাকা 0.01/10KB হারে চার্জ প্রযোজ্য হবে, সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত
• ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল *121*1*2#
• মূল্যের উপর সম্পূরক শুল্ক এবং ভ্যাট প্রযোজ্য
• পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত অফারটি চলবে
• প্যাকের মেয়াদ অ্যাক্টিভেশনের দিনসহ
• ৩% সম্পূরক শুল্ক + সম্পূরক শুল্কসহ মোট মূল্যের উপর ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য+ মূল কলরেটের উপর ১% সারচার্জ প্রযোজ্য
• >>>>>>>>>>> End <<<<<<<<<<<<<<
Banglalink
Banglalink a 20 Taka ai 500Mb ~~ Dial *132*41# Sd +Sc Etc All Needed"!!
Mayad 3din -;- Nice Offer"
Airtel
ফুরফুরা Fridayঅফারে জমবে তোমার শুক্রবার! ৫০ টাকায় ১GB- এর ফাটাফাটি অফারটি পেতে ডায়াল 
*121*121#
অফারটি শুধুমাত্র শুক্রবারের জন্য যার মেয়াদ ২ দিন! ব্যালেন্স জানতে ডায়াল
*778*41#
গ্রামীণফোন ৩জি ৫৫এমবি ২দিন ৯টাকায় ডায়াল
*5000*118#
শুধুমাত্র প্রিপেইড
গ্রাহকগণের জন্য প্রযোজ্য
মেয়াদ
মেয়াদ শেষ হবার পূর্বে
ডাটা ভলিউম শেষ হলে
অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারে টাকা
০.০১/১০কেবি হারে চার্জ
প্রযোজ্য হবে, সর্বোচ্চ
২০০ টাকা পর্যন্ত
কোনো রেগুলার ইন্টারনেট
প্যাক চালু থাকলে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে
অফারের ইন্টারনেট ভলিউম
যোগ হবে না
যদি গ্রাহক মেয়াদ
থাকাকালীন একই অফার
পুনরায় ক্রয় করেন শুধুমাত্র তখন নতুন ভলিউমের সাথে
পূর্বের ভলিউম যোগ হবে
ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক
করতে ডায়াল
৩% সম্পূরক শুল্ক + সম্পূরক
শুল্কসহ সকল চার্জের উপর ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য
পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া
পর্যন্ত অফারটি চলবে
Robi:
রবিতে ১৩০ এমবি একদম ফ্রি(যত খুশি ততবার)
রবি সিমে ১৩০ এম্বি একদম ফ্রি সবাই পাবে ।
এম্বি নিতে ডায়াল করুন *8444*030#
----------------------------------------------------------
bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms,কৌতক,মজার কৌতুক,বল্টুর নতুন জোকস,বল্টুর মজার জোকস,বল্টুর জোকস,বল্টু জোকস