Showing posts with label bangla funny sms. Show all posts
Showing posts with label bangla funny sms. Show all posts

৪২০ ফানি জোকস, Bengali 420 Jokes

 

  • এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে দেরি করে আসেন। বস : আজও দেরি হল কেন? তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল! বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন? তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!   
 
  • এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ী দুঘটনার একেবারে চুরমার হয়ে গেছে । তিনি তার গাড়ী যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকার দাবী করলেন । কোম্পানীর ম্যানেজার বললেন যে আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না । আপনাকে গাড়ীর বদলে একটা নতুন গাড়ী দেয়া হবে । ভদ্রলোক তো উল্লসিত হয়ে ঊঠে বললেন, আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা , সে মরে গেলে কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন ?  
 
  • ভদ্রমহিলাঃ তোমার নাম কি? খুকিঃ অনিতা। ভদ্রমহিলাঃ কি সুন্দর দেখতে তুমি! তোমার মতো মেয়ের মা হতে আমার খুব ইচ্ছে। খুকিঃ কিন্তু আমার বাবা যে মারা গিয়েছেন।  
 
  • এক লোক গেছে ডাক্তারের কাছে। তার থাই (উরু) পুড়ে গেছে। তো, ডাক্তার প্রেস্ক্রিপশন লিখলো, (১) বার্নল। (২) ভায়াগ্রা।  লোকটা প্রেস্ক্রিপশন দেখে তো অবাক!! জিজ্ঞেস করলো, বার্নল তো বুঝলাম কিন্তু ভায়াগ্রা কেন? আমার তো …ইয়ে মানে…আমার তো তেমন কোন সমস্যা নাই!! ডাক্তার : এইটা আপনার লুংগিকে আপনার পোড়া জায়গাটা থেকে দুরে রাখতে সাহায্য করবে।। 
 
  • এক লোক রাতের বেলা FTV তে ফ্যাশন শো দেখছিলো… হটাৎ ছেলে এসে রুমে ঢুকে পড়ল… অপ্রস্তুত হয়ে লোকটি ছেলেকে বলল, বেচারা গরীব মেয়েরা, কাপড় চোপড় কেনার পয়সা নাই… ছেলেঃ এর চেয়ে গরীব মেয়ে দেখতে চাইলে,আমার কাছে সিডি আছে,নিয়ে দেখতে পারো…..
 
  • এক লোক বড় বিপদে আছে, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ শিশ্ন নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, কারন মেয়েরা এটা দেখে ভয়ে পালিয়ে যায়, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতি মিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। দরবেশবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা! সে ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! সে টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, না! এবার ওটা ১৫-তে নেমে এলো। উল্লসিত হয়ে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে? এবার উত্তর এলো, এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!  
 
  • একটা মেয়ে হাফ বুক খোলা টপসের উপর এরোপ্লেনের লকেট পরেছে। তা দেখে একটা ছেলে হা করে মেয়েটার বুকের দিকে তাকিয়ে আছে….. মেয়ে (খুশি হয়ে): আপনি বুঝি আমার এরোপ্লনটা দেখছেন ? খুব সুন্দর তাই না… ছেলে: জি মানে … টা তো বটেই…না… .মানে এরোপ্লেনের রানওয়েটা আরও সুন্দর হবে নিশ্চয়ই…. . .:P 
 
  • বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়? : অব্যশই মেয়ে | : কেন ? : যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না কাঠিতে ??  
 
  • গৃহকর্ত্রী : তুমি গত তিন দিন কাজে আসোনাই ক্যান?? কাজের বুয়া: আমিতো ফেসবুক এ স্ট্যাটাস দিসিলাম যে আমি বাড়ি যাচ্ছি…। গৃহকর্ত্রী : ও’মা, তুমি ফেসবুক চালাও নাকি?? কাজের বুয়া: ক্যান, আপনি জানেন না? আপনার সাহেব তো কমেন্টও দিসে – ‘miss u’!!!   
 
  • চান্দুর বিয়ে হয়েছে ৩ মাস কিন্তু এর মাঝেই তার বউ সন্তান জন্ম দিলো!!  চান্দুঃ বাচ্চা তো ৯ মাস পরে হয়।। কিন্তু ৩ মাস পর কিভাবে হল?? স্ত্রীঃ তোমার বিয়ের কয় মাস হল?? … চান্দু একটু ভেবে বললঃ ৩ মাস।।  স্ত্রীঃ আমার বিয়ের কত দিন হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ বিয়ের কত দিন পর বাচ্চা হল?? চান্দুঃ ৩ মাস।। স্ত্রীঃ তাহলে মোট কত দিন হলো??  চান্দুঃ ৯ মাস!! বলে ওয়ে ধিনকা চিকা ধিনকা চিকা করে আনন্দে নাচতে শুরু করলো!!  
 
  • স্ত্রী নতুন সিম কিনে তার প্রিয়তম স্বামীকে surprise দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল যে কিনা বেডরুমে বসে ছিল। তাই স্ত্রী রান্নাঘরে গিয়েস্বামীকে নতুন নাম্বার থেকে কল দিলঃ হ্যালো জানু … … … … স্বামীঃ (খুব নিচু স্বরে) ডার্লিং, আমি তোমাকে একটু পরে ফোন দিচ্ছি, ইদুরমুখো মহিলটা এখন রান্নাঘরে, যেকোনো সময় এসে পরবে।  
 
  • স্ত্রীর রান্না ভাল না, তাই স্বামী স্ত্রী কে খোটা দিচ্ছে: স্বামী: তোমার পারফর্মেন্স ভাল হলে আমি বাবুর্চি কে ছাড়িয়ে দিতাম। স্বামীর খোটা শুনে স্ত্রী রেগে গেছে, মুখ ঝামটা দিয়ে বলছে:…
 
  • স্ত্রী: আর তোমার পারফর্মেন্স একরত্তিও ভাল হলে আমি বাবুর্চি, মালী, ড্রাইভার, দারোয়ান এদের সবাইকে ছাড়িয়ে দিতাম। 
 
  • এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি হাওড়া ষ্টেশান থেকে দক্ষিনভারতগামী একটি ট্রেনে উঠেছে। উদ্দেশ্য মধুচন্দ্রিমা। দুজনের চোখে-মুখেই খুশীর ঝিলিক। ট্রেন চলতে শুরু করলো। এমনিতেই এ সি টু টায়ার্স কামরা, তার উপর প্যাসেঞ্জার্সও অনেক কম। স্বামী-স্ত্রী দুজনে সন্ধ্যে নাগাদ রাতের খাবার খেয়ে নিয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।  স্বামী: জান্, কালকে বাজারের ব্যাগটা …রাখতে গিয়ে হাতের কব্জীটায় একটা জোর মচকা লেগেছে, খুব ব্যাথা করছে! স্ত্রী পাশেই বসা ছিল, স্বামীর হাতটা দু-হাতে আদর করে নিজের মুখের কাছে নিয়ে এসে চকাস করে একটা চুমু খেয়ে বললো এই নাও পেইন কীলার! মেঘ না চাইতে জল পেয়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে পড়লো। মনে মনে একটা ফন্দি এঁটে বললো না না! ব্যাথাটা তো এখন আর কব্জীতে হচ্ছে না। এ কাঁধে হচ্ছে।  যেমনটা হবার ছিল তেমনই হল স্ত্রী স্বামীর আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে কাঁধে একটা চকাস, চুমু জি, এই নিন আপনার পেইন কীলার। এরপর স্বামী নিজের ঠোঁট-এর দিকে ইঙ্গিত করতেই স্ত্রী ব্যাথা কমাতে তৎপর হয়ে উঠলো….. এখন হয়েছে কি, আপার বার্থ-এ এক দাদু অনেক্ষণ ধরে যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো, ঘুমোতে পারছিলো না। নীচে বারবার পেইন কীলার পেইন কীলার বলা হচ্ছে শুনে কাতর হয়ে বললেন মামনি, আমার পাইলস এর যন্ত্রনাটা বেড়েছে, একটা পেইন কীলার পাওয়া যাবে, প্লিজ্? 
 
  • সেক্স এজুকেশন কোর্সে তিন পিচ্চি বাজে গ্রেড পেয়েছে।  একজন সি, একজন ডি আর একজন এফ। যে সি পেয়েছে, সে চটে গিয়ে বলছে, ম্যাডাম এটা একটা কাজ করলো? চল বেটিকে শায়েস্তা করি!  যে ডি পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, চল! স্কুল ছুটি হয়ে গেলে যখন কেউ থাকবে না, তখন বেটিকে পাকড়াও করবো …! যে এফ পেয়েছে, সে বলছে, হ্যাঁ, তারপর পাকড়াও করে ম্যাডামের অন্ডকোষে অয়সা জোরসে একটা লাত্থি মারবো না!….. 
 
  • একটি খুব দামি হোটেলে খাওয়া দাওয়া চলছে।  এক মহিলা বুকে গুজে রাখা ন্যাপকিনটা বের করতে গিয়ে টান লেগে তার বুকের বেশ খানিকটা অংশ বের হয়ে আসলো।  পাশে দাড়ানো ওয়েটার ব্যস্ত হয়ে আংগুল দিয়ে চাপ দিয়ে তা আবার গাউনের ভেতর ঢুকিয়ে দিলো। তা দেখে ম্যানেজার ওই ওয়েটারকে ডেকে ধমক দিয়ে বললো, এটা নামিদামি হোটেল এখানে ওসব অসভ্যতা চলবে না। তুমি কোন সাহসে হাত দিলে? ভবিষ্যতে যদি এমন হয় তাহলে চামচ ব্যবহার করবে। 
 
  • প্রতিবেশী বয়েবৃদ্ধ জামিল সাহেব সাবধান করছিলেন সদ্যবিবাহিত রাসেল সাহেবকে। : শোন বউকে আদর করার সময় জানালা বন্ধ করে নিও। আমি চোখে ভাল দেখি না তবু কাল তো ব্যাপারটা আমারই চোখে পড়ে গেল। : কি বলছেন যা তা ! বুড়ো হয়েও ফুচকি মারার অভ্যাসটা ছাড়তে পারেন নাই মনে হয়। আর কাল তো আমি বাসায়ই ছিলাম না।  
  • এক ছোটখাটো গড়নের এক লোক লিফটে উঠে দেখলো যে তার পাশে বিশালাকার এক লোক দাঁড়িয়ে আছে। ছোটখাটো লোকটি অবাক চোখে হাঁ করে বিশালাকার লোকটির দিকে তাকিয়েই থাকলো!  বিশালাকার লোকটি তা খেয়াল করে যা বললো ইংরেজীতে তা হলো, 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle; Tuner Brown! এ কথা শুনে ছোটখাটো লোকটি মুর্ছা গেলো! 😉  বিশালাকার লোকটি তাকে নাড়িয়ে, থাপ্পড় দিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞেস করলো, তোমার সমস্যা টা কি? আমার কথা শুনে অজ্ঞান হওয়ার কি আছে? জীবনে বড় আকারের লোক দ্যাখো নাই? ছোটখাটো লোকটি ভয়ে ভয়ে বললো, আপনি শেষে কি যেন বললেন আবার বলেন তো?  বিশালাকার লোকটি বললো, আমার আকৃতি দেখে সবার এই তথ্য গুলোই জানতে ইচ্ছে করে। তুমি কৌতুহলি হয়ে তাকিয়ে ছিলে, তাই আমি সব এক সাথে বলে দিলাম। 7 feet tall, 350 pounds, 15 inch penis, 2 lb left testicle, 2 lb right testicle. শেষে বলেছি Tuner Brown. Tuner Brown হলো আমার নাম।  ছোটখাটো লোকটি তখন সস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললো, ও তাই বলেন, আমি শুনেছি আপনি শেষে বলেছেন Turn Around!! 
  • রাগী জামাই একদিন তার শ্বশুরকে SMS পাঠালো– YOUR PRODUCT NOT MEETING MY REQUIREMENTS. উত্তর আসলো– WARRANTY EXPIRED, MANUFACTURER NOT RESPONSIBLE..
 
  • বউরা দিবাচর ; আর স্বামীরা নিশাচর  নতুন বিয়ে হওয়া বান্ধবীকে প্রশ্ন করল শায়লা- কী রে তোর বর কেমন? : স্বামী আর পেঁচার মাঝে কোন প্রর্থক্য নেই | : কেন, এমন কথা বলছিস কেন? : বলছি কারন স্বামীরা তাদের বউদের সব ভালো জিনিস শুধু রাতের বেলাই খুজে পায় | 
 
  • কোনটা বেশি দামি?  এক ভদ্র মহিলা প্রচন্ড জোরে কাঁদছেন শুনে একজন জিজ্ঞেস করলো  ম্যাডাম আপনি কাঁদছেন কেন? কী বলবো! গতকাল ডাকাত পড়েছিল আমার ঘরে,সমস্ত গয়না ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। যাক! ইজ্জতটা তো বেঁচে গেছে! ওটা বেচেইতো গয়না কিনেছিলাম।

 

Bangla Mojar Koutuk || Funny Koutuk Collection

 


 1

মা:- পাশের বাড়ির ছেলে-মেয়ে
গুলােকে দ্যাখ,
ওদের দেখেও কিছু শেখ।
আমি:- ওরা আমাকে দ্যাখে?
আমি কেনাে ওদের দেখতে যাবাে।
Flying চপ্পল Coming to M

2

যখন তােমার একা লাগবে
তুমি চারদিকে কিছুই দেখতে
পাবে না দুনিয়াটা
ঝাপসা হয়ে আসবে।
তখন তুমি আমার কাছে
এসাে তােমাকে চোখের
ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো

3

লালুদা ওষুধের দোকানে গিয়ে বললো এক বােতল বিষ দিন তো।
দোকানদার:- প্রেসক্রিপশন ছাড়া দেওয়া যাবে না।
লালুদা নিজের বিয়ের কার্ড দেখিয়ে বললাে এবার দেওয়া যাবে‌।
দোকানদার:- ব্যাস চুপ করে যা পাগল!
কাঁদাবি নাকি!
বড়ো বােতলে দেবো নাকি ছােটো বোতলে।

 4

কালু:- দাদা একটা নতুন চিরুনি দিন তো,
পুরােনােটার একটা কাঁটা ভেঙে গেছে।
দোকানদার:- একটা কাঁটা ভেঙে গছে বলে আবার নতুন চিরুনি কিনবেন কেন?
ওতেই তো চুল অচড়ে নেওয়া যায়।
কালু:-আরে না দাদা ওটাই চিরুনির শেষ কাঁটা ছিল।

5

মাছে ফরমালিন,
মাংস সােজা ভাগাড় থেকে,
ডিম, চাল প্লাস্টিকের
দুধে ফিনাইল সাবান গোলাজল,
সব নির্বিকারে হজম হয়ে যাচ্ছে।
কেমন যেন নিজেকে
ঈশ্বর ঈশ্বর হচ্ছে।

6

পুলিশ:- আগামীকাল তোর ফাঁসি।
আসামি:- কিন্তু স্যার আমার ফাঁসি তাে আরােও একমাস পরে হওয়ার কথা ছিল।
পুলিশ:- জেলার সাহেব বললাে তুই নাকি ওনার গ্রামের লােক,
তোর কাজটা আগে করে দিতে বললাে।

 7

এবার থেকে প্রেম করলেও
আঁধার লিঙ্ক করাতে হবে।
যাতে কেউ একটার বেশি
প্রেম না করতে পারে।

 

 

 

 

 

 

Romantic bangla love sms

 


ভালোবাসা তো যায়না টাকা দিয়ে কেনা,
ভালোবাসা তো যায়না হীরা মুক্তা দিয়ে গড়া।
দুটি মনের আকুলতায় যে বন্ধন হয়,
তাকেই তো ভালোবাসা কয় ।
@@@@@@@@@@@

 

Tumi amar rongin sopno, shilpir ronge chobi,
Tumi amar chader alo, sokal belar robi.
Tumi amar nodir maje ekti matro kul,
Tumi amar valobashar sheuli bokul full.


তুমি আমার রঙিন স্বপ্ন শিল্পীর রঙে ছবি,
তুমি আমার ছাঁদের আলো, সকাল বেলার রবি,
তুমি আমার নদীর মাঝে একটি মাত্র কূল,
তুমি আমার ভালোবাসার শিউলি বকুল ফুল ।


Manush manusher jonno, paki akasher jonnyo.
sobujh prokritir jonnyo, paharr jhornaar jonnyo,
valobasa shobar jonnyo,
ar tumi shudhu amar jonyo.


মানুষ মানুষের জন্য,
পাখি আকাশের জন্য,
সবুজ প্রকিতির জন্য,
পাহাড় ঝর্নার জন্য,
ভালোবাসা সবার জন্য,
আর তুমি শুধু আমার জন্য ।


>>> আরো ভালোবাসার এসএমএস <<<


Rater akashe takale dekhi lokkho tarar mela,
Ek chadke ghirei jeno tader joto khela.
bondhu onek paoa jay baralei hat,
amar kache tui je bondhu oi akasher chad.


রাতের আকশে তাকালে দেখি লক্ষ তারার মেলা,
এক চাঁদকে ঘিরেই যেন তাদের যত খেলা,
বন্ধু অনেক পাওয়া যায় বাড়ালেই হাত,
আমার কাছে তুই যে বন্ধু ওই আকাশের চাঁদ ।


tomar jonnyo roilo amar sopne vejha ghum,
ekla thaka santho dhupur, raatri nijum.
tomar jonnyo roylo amardusthu chokher bhasha,
mooner maje lukiye rakha onek valobasa.


তোমার জন্য রইলো আমার সপ্নে ভেজা ঘুম
একলা থাকা শান্ত দুপুর রাত্রি নিঝুম
তোমার জন্য রইলো আমার দুস্টু চোখের ভাষা,
মনের মাঝে লুকিয়ে রাখা অনেক ভালোবাসা ।

ঘরে বান্ধবী ||| চরম জোকস,,না পড়লে চরম মিস

 


চরম জোকস,,না পড়লে চরম মিসঃ

ঘরে বান্ধবী এসেছে। আমি রান্নাঘরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম। . . . . না নাড়ালে কড়াই তে চিকেন টা ধরে যেত যে। ফিরে দেখি বান্ধবী খুলে বসে আছে আমার জন্য । . . . . বিয়ারের বোতল টা। আমিও তাই দেখে প্যান্ট থেকে আমার জিনিস টা বের করে ওর হাতে দিতেই ও টানতে শুরু করল... . . . . সিগারেট । বান্ধবী বলল একবার করবি নাকি? . . . আমি বললাম - হ্যাঁ। ও সাথেসাথে বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল ’’টেপ“ । . . . . . . আমিও ওর মোবাইল নিয়ে কিপ্যাড টিপে ফোন করলাম আমাদের তৃতীয় বন্ধু কে। ফোন ধরে ও বলল ‘আ.. আঃ... আঃ.. আঃ.. . . . আচ্ছি’.. খুব বেরোচ্ছে নাক দিয়ে। ঠান্ডায় কাবু। যাচ্ছি এখুনি। ফোন ছেড়ে দেখি বান্ধবী আমার সাধের জিনিস টা চুষছে। . . . . . আমি হতাশ। ফ্রীজে স্টিক আইসক্রীম রেখেছিলাম। কখন বের করে নিয়েছে বুঝতে পারিনি। ওর খাওয়া দেখতে দেখতে আমার নীচে এসে গেল, তৃতীয় বন্ধু । ওকে ওপরে আসতে বললাম। এর মধ্যে দেখি বান্ধবীর নীচ টা জলে ভরে গেছে। . . . এতবড় হয়ে গেছে অথচ আইসক্রীম খেতে শেখেনি। পুরো মেঝে জলে ভরে গেছে। ওদিকে আমাদের বন্ধু ঘরে ঢুকেই ওর ভেজা জিনিস টা গুঁজে দিয়েছে আমার পেছনের দরজায়। বলল “ বৃষ্টি হচ্ছে, তাই ছাতা নিয়ে এলাম। ” বান্ধবী কে বলল ’তোরা করেছিস’? বান্ধবী বলল হ্যাঁ, আমরা দুজনে করেছি, তুমিও করে নাও চটপট। বলেই .. . খুলে দিল.. . . . .ফ্রীজ। এতেই রাখা আছে ব্রেকফাস্ট । আমি ভেতরে গিয়ে নাড়িয়ে এলাম আবার . . . . . চিকেন টা। এসে শুনি বন্ধু বলছে বান্ধবী কে ’ ঢুকছে? . . বান্ধবী বলল ‘হ্যাঁ, ঢুকছে। আর একটু চেপে ঢোকাও। . . বন্ধু চেপে ঢুকিয়ে বলল ‘ব্যাথা লাগছে নাতো? . . বান্ধবী ’খুব আরাম লাগছে, তোর সত্যি চয়েস আছে। . . . . . . একদম ঠিক সাইজের জুতো টা কিনেছিস। থ্যান্কু। এরপর বন্ধু বান্ধবী কে খুলতে বলল। আমি বললাম ও খুলেই রেখেছে, . . . . . বোতল। তুই ড্রিংক শুরু কর। তখনই বান্ধবী শাড়ি তুলতে শুরু করল ব্যালকনি থেকে। বলল বৃষ্টিতে বৌদির শাড়ী গুলো ভিজে যাচ্ছে যে, তুলিসনি? . . . এরপর কিছুক্ষণ আড্ডা মারার পর আমার বৌ এসে ঢুকল। বৌ কে দেখেই আমার বন্ধুর দাড়িঁয়ে গেল... . . . . . পা দুটো। সোজা গিয়ে বৌ কে ঠুকে দিল, প্রণাম। আমার বৌ ও সাথেসাথে দুটো বার করে বন্ধুর হাতে ধরিয়ে বলল ভালো করে খাও। একদম গরম আছে। আমাদের বলল তোমরা খাবে? আমি বললাম ’না, . . . . সিঙারা খেলে আমার অম্বল হয়‘। বৌ তখন বলল ’তাহলে রাতে ৪জন একসাথেই করব তো? . . . . . . . ডিনার । সবাই বললাম হ্যাঁ । বৌ ডিনার রেডি করতে চলে গেল আর বান্ধবী ওর দুটো খুলে ফেলল। . . . জুতোজোড়া। তারপর আমরা একসাথে করলাম, . . . . . . . . .i . . ডিনার

ঝড় থেকে বাঁচার দোয়া | Very Funny Jokes


ঝড় থেকে বাঁচার দোয়া

আকাশে ঝড়ের কবলে পড়েছে উড়োজাহাজ। এয়ার হোস্টেস এসে জিজ্ঞেস করল-
এয়ার হোস্টেস : ঝড় থেকে বাঁচার দোয়া কেউ জানেন?
মন্টু : আমি জানি, ম্যাম!
এয়ার হোস্টেস : তাহলে আপনি দোয়া পড়তে থাকেন, স্যার! বাকি সবাই লাইফ জ্যাকেট পাবেন। আমাদের লাইফ জ্যাকেট একটা কম আছে তো।


গড ব্লেস ইয়্যু মাই সন

প্রতিদিন সামান্য ব্যাপার নিয়ে চিৎকার করে বাড়ি মাথায় তোলা তোর মা আজকে এতো চুপচাপ বসে আছে কেন রে? ছেলে: তেমন কিছুনা বাবা। মা আমার কাছে লিপস্টিক চেয়েছিল, কিন্তু আমি শুনেছি গ্লু স্টিক! বাবা: গড ব্লেস ইয়্যু মাই সন!


টিকটিকি না হইয়া কুমির

১ম টিকটিকি : ধুর, আজকে হঠাৎ বাপ-মার উপর চরম জিদ উঠছে।
২য় টিকটিকি : কেন বন্ধু? হঠাৎ বাপ-মার উপর জিদ কেন?
১ম টিকটিকি : আরে আজকে টিভিতে হরলিক্সের অ্যাড দেখলাম।
২য় টিকটিকি : তো?
১ম টিকটিকি : ছোটবেলায় বাপ-মা যদি নিয়ম কইরা হরলিক্স খাওয়াইতো তাইলে কি হইতো বুঝস নাই?
২য় টিকটিকি : না তো। কি হইতো?
১ম টিকটিকি : আরে ব্যাটা, আমরা তাইলে টিকটিকি না হইয়া কুমির হইতাম!


আলুর বস্তায় বিড়াল

গেরস্তের তাড়া খেয়ে তিন চোর গিয়ে ঢুকল এক আলুর গুদামে। ঢুকেই তিনজন চটপট তিনটা আলুর বস্তার ভেতর ঢুকে পড়ল।

ছুটতে ছুটতে গেরস্তও এসে ঢুকলেন আলুর গুদামে। কী মনে করে যেন হাতের লাঠি দিয়ে একটা বস্তায় খোঁচা দিলেন। ভেতর থেকে শব্দ এলো, ‘ম্যাঁও’। ‘ওরে, আলুর বস্তায় কখনো বিড়াল থাকে?’ বলেই গেরস্ত বস্তার ভেতর থেকে প্রথম চোরকে পাকড়াও করলেন।

আরেকটা বস্তায় খোঁচা দিতেই ভেতর থেকে শব্দ এল, ‘ঘেউ-ঘেউ’! ‘ওরে, আলুর বস্তায় কখনো কুকুর থাকে?’ বলেই গেরস্ত বস্তার ভেতর থেকে দ্বিতীয় চোরকে পাকড়াও করলেন।

এবার আরেকটা বস্তায় খোঁচা দিতেই এবার ভেতর থেকে শব্দ এল, ‘আলু, আলু’!


জীবন দিলি, তবুও ইজ্জত দিলি না

একটি মোরগ একটি মুরগিকে তাড়া করছিল। আর মুরগির মালিক দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখছিল। তো মোরগ মুরগিকে তাড়া করতে করতে হঠাৎ মুরগিটি একটি গাড়ির নিচে পড়ে মারা গেল। আর তখনই মুরগির মালিকের চিৎকার-
‘বাহ! সাবাস মুরগি, সাবাস। জীবন দিলি, তবুও ইজ্জত দিলি না। সাবাস!’


ক্যারিয়ারটাই বরবাদ কইরা দিলো

একদিন এক মশা আরেকটি মশাকে বলে-
১ম মশা : এই তুই বড় হইয়া কি হবি?
২য় মশা : আমি ডাক্তার হমু, তুই কি হবি?
১ম মশা : আমি, আমি বড় হইয়া ইঞ্জিনিয়ার হইমু চিন্তা করতাছিএমন সময় একজন এসে মশা মারার ওষুধ ছিটালো। তখন মশাগুলো অজ্ঞান হতে হতে বলে উঠল-
মশা : ধুর, ক্যারিয়ারটাই বরবাদ কইরা দিলো


আমার এইডস হইছে

আসুন দেখা যাক পশু-পাখিরা ফেসবুকে থাকলে তাদের স্ট্যাটাস কেমন হত-
তেলাপোকা : আজ বহুত কষ্টে এক মাইয়ার পায়ের তলা থাইক্যা বাঁচলাম। আমারে দেইখ্যা যে চিৎকারটা না দিলো, অল্পের জন্য হার্ট অ্যাটাক করি নাই। আল্লাহ বাঁচাইছে।

বিড়াল : হায় আল্লাহ, এ কী বিপদে পড়লাম! আমার সাত নাম্বার বাচ্চা জানতে চাইতেছে ওর বাপ কে! কী জবাব দিব বুঝতেছি না। আমি নিজে জানলে তো!

শুকর : কোন পাজি যে ছড়াইতেছে, আমরা নাকি ফ্লু ছড়াইতাছি। একবার খালি পাইয়া লই।

মুরগী : কাল থেকে যদি আমার স্ট্যাটাস না পান তবে বুঝবেন ফাস্ট ফুডে আমারে সার্ভ করা হইতেছে।

মশা : সবাই ভালো থাকবেন। আজকের এই স্ট্যাটাস হয়ত বা আমার শেষ স্ট্যাটাস। আমার এইডস হইছে। কোন দুঃখে যে ওর রক্ত খাইতে গেছিলাম। আমি আর এ পৃথিবীতে মুখ দেখাবো কেমনে? তাই মৃত্যুই শ্রেয়। বিদায় বন্ধু বিদায়।


একটু আগে একটি ব্যাগ পেয়েছি

গানের অনুষ্ঠান চলার সময় বল্টু একবার এফএম রেডিও’র আরজেকে ফোন দিলো-
বল্টু : হ্যালো।
আরজে : জি, আমি আরজে আবু বলছি।
বল্টু : আমি রাস্তায় একটু আগে একটি ব্যাগ পেয়েছি। যাতে ৫০ হাজার টাকা, একটা ক্রেডিট কার্ড আর কাশেম নামের এক লোকের পরিচয়পত্র পেয়েছি।
আরজে : তাই? আপনি কত সৎ যে এত কিছু পেয়েও কাশেম সাহেবকে সব কিছু ফিরিয়ে দিতে চাচ্ছেন। আমি কি এখনি কাশেম সাহেবকে আপনার সাথে কনট্যাক্ট করার জন্য রেডিওতে বলে দিবো?
বল্টু : আরে ঐ সব বাদ দেন, আমি আপনাকে ফোন দিছি কারণ কাশেম সাহেব এখন কষ্টে আছেন, তাই তাকে একটা দুঃখের গান ডেডিকেট করতে চাই আপনার রেডিওর মাধ্যমে।


আম্পায়ার তো আমার ওপাশে

স্বর্গ ও নরকের মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ হবে। তাই খুব উত্তেজনা। দুই পক্ষই যার যার দল নিয়ে খুব আশাবাদী।
ঈশ্বর অবাক হয়ে শয়তানকে প্রশ্ন করলেন, ‘তুমি জয়ের আশা করছ কীভাবে? সব ভালো খেলোয়াড় তো স্বর্গে আছেন।’
শয়তান মুচকি হেসে জবাব দিল, ‘তাতে সমস্যা নেই। সব আম্পায়ার তো আমার ওপাশে।’


তোমার চুল কাটানোটা ভালো হয়েছে

আগামী ম্যাচ হচ্ছে টিমের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই দলের অন্যতম ফাস্ট বোলার পুরো সপ্তাহ ধরে কঠিন পরিশ্রম করলেন। পুরো সপ্তাহ তিনি নেটে অনুশীলন করে কাটালেন। সবশেষে ম্যাচের আগের দিন মাঠে প্রাকটিসের এক ফাঁকে কোচকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কোনো পার্থক্য কি চোখে পড়ছে?’
কোচ তাঁকে আগাগোড়া একনজর দেখলেন। তারপর বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার চুল কাটানোটা ভালো হয়েছে।’


তুমি ওটাও মিস করবে

একটা ফ্রি হিট মিস করে ব্যাটসম্যান বলছিল, ‘ইস, কী একটা চান্স মিস করলাম! মন চাইছে নিজেকেই নিজে পেটাই।’ তার আক্ষেপ শুনে এক সমর্থক মন্তব্য করে বসে, ‘সে চেষ্টা করো না, তুমি ওটাও মিস করবে।’


ভালো অঙ্কের টিউটর

বাবা : আজ স্কুলের টিচার কী বললেন?
হাবলু : বললেন তোমার জন্য একজন ভালো অঙ্কের টিউটর রাখতে।
বাবা : মানে?
হাবলু : মানে, তুমি হোমওয়ার্কের যে অঙ্কগুলো করে দিয়েছিলে সব ভুল ছিল।


আমি ওর বউকে মারলাম

রুবেলের মেয়ে তার বরের সাথে ছয় মাস পর ফিরে এসেছে কাঁদতে কাঁদতে-
রুবেল : এই কী হয়েছে, কাঁদছিস কেন?
মেয়ে : বাবা, তোমার জামাই আমাকে বাম গালে মেরেছে।

এই শুনে রুবেল তার মেয়ের ডান গালে পটাস করে একটা চড় মারলো-
মেয়ে : কী হল, মারলে কেন?
রুবেল : দেখ মা, আমার মেয়েকে ও মেরেছে, আমি ওর বউকে মারলাম।


অফিসের বড়কর্তার কাণ্ড

অফিসের নতুন বড়কর্তা কাজের ব্যাপারে খুব কড়া। কাউকে একবিন্দু ছাড় দেন না। চাকরির প্রথম সপ্তাহেই একদিন ক্ষেপে গেলেন তিনি। রেগেমেগে রুম থেকে বের হয়েই এক লোককে পাকড়াও করলেন। অফিসের সবার সামনে চিৎকার করে বললেন-
বড়কর্তা : তুমি সপ্তাহে কত টাকা মাইনে পাও, শুনি?
লোক : ৩ হাজার টাকা।

বড়কর্তা তার মুখের ওপর ৩ হাজার টাকা ছুড়ে দিয়ে বললেন-
বড়কর্তা : এই নাও তোমার এ সপ্তাহের মাইনে, আর বেরিয়ে যাও।

লোকটি বের হয়ে যাওয়ার পর বড়কর্তা বললেন-
বড়কর্তা : প্রয়োজন হলে এভাবেই অফিসের প্রত্যেককে বের করে দেব আমি। যা হোক, ওই লোকটা আমাদের অফিসে কী কাজ করে?
কর্মচারী : স্যার, ও আমাদের এখানে পিৎজা ডেলিভারি দেয়।

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়

 

 

হায়রে আমার সিদ্ধান্ত

গরুর মাংসের কেজি যখন ৮০ টাকা ছিল, তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ২০০ টাকা হলে খাওয়া বাদ দিয়ে দেব! গরুর মাংসের কেজি এখন ৫২০ টাকা, এখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি পাঁচ হাজার টাকা কেজি হলে খাওয়া বাদ দিয়ে দেব!

রোহিত হাসান কিসলু

 

 

একটি সিঙ্গেল ছেলের আত্মকাহিনি

আমাদের ব্যাচের মেয়েরা বড়ভাইদের সঙ্গে প্রেম করত। তাই ভাবতাম, যেদিন বড়ভাই হব সেদিন হয়তো প্রেম হবে। কিন্তু আফসোস, জুনিয়র মেয়েরা পলিসি চেঞ্জ করেছে! তারা এখন ক্লাসমেটদের সঙ্গেই প্রেম করে। তাই বড়ভাইরা সিঙ্গেল রয়ে গেল।

কানন শূন্য

 

 

বিসিএস ক্যাডার

কয়েকটা ঐর দেওয়ার পরও রিপ্লাই না করা জুনিয়র মেয়েটাও আজ ঈড়হমত্ধঃঁষধঃরড়হং জানাচ্ছে সদ্য ইঈঝ ক্যাডারে মনোনীত ক্যাম্পাসের বড় ভাইয়াকে।

মনে মনে আক্ষেপ, ইস্ কেন যে আগে থেকেই ইনবক্সে ভাব-ভালোবাসা আরেকটু জমাইনি!

সাদিক খান

 

সমাধান

অথচ সিনেমার শেষে ছোট করে ‘কালেক্টেড’ লিখে দিলেই কত সমস্যার সমাধান হয়ে যেত!

অনুপম হোসাইন পূর্ণম

 

পৌরসভা

মিটিং না ডাইকাও যে সংস্থায় ১২ মাসই সভা থাকে তারেই পৌরসভা বলে।

জগলুল হায়দার

 

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়

 

ফাঁদ

মেয়েদের বলা সবচেয়ে বড় মিথ্যা, ‘কী হয়েছে বলো আমাকে, আমি একদমই রাগ করব না।’

এই ফাঁদে পা দিছুইন তো মরছুইন।

 

লাইক

: তোমার ব্যবসা কেমন চলছে?

: জি আম্মা, ভালোই।

: আগে কয়টা লাইক পাইতা, এখন কয়টা লাইক পাও?

: খারাপ না।

: লাইক দিয়ে সংসার চালানো যায়?

: থ্যাংক ইউ, আম্মা।

: থ্যাংক ইউ কেন?

: ভাবতেছি এইটা নিয়ে একটা স্ট্যাটাস দিমু।

মাজহার মিথুন

 

জীবন থেকে শিক্ষা

থ্রি ইডিয়ট শিখিয়েছে—‘বন্ধু যখন ফেল করে অনেক কষ্ট লাগে, কিন্তু বন্ধু যদি প্রথম হয়ে যায় তখন আরো বেশি কষ্ট লাগে।’

আমি শেখাচ্ছি—‘বন্ধু যখন বেকার থাকে তখন অনেক কষ্ট লাগে, কিন্তু বন্ধু যখন ভালো চাকরি পেয়ে যায় তখন আরো বেশি

কষ্ট লাগে।’

অনামিকা মণ্ডল

 

ছড়া

কেউ জানে না, আমি তো জানি

তুমি আমার,

কারণ তোমার বাপের আছে

ডিমের খামার।

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

 

পজিশন

বন্ধু : সংসারে আপনার পজিশন কী?

স্বামী : সব সময়ই অপজিশন।

খায়রুল বাবুই

 

 

এ যুগের কনসার্ট

একটা কনসার্টে গেলাম সেদিন। গেটে টিকিট দেখালাম। ইভেন্টের অর্গানাইজারের পক্ষ থেকে যে ছেলেটা টিকিট চেক করছে, সে দেখলাম মাথা ঝাঁকাচ্ছে আর টিকিট চেক করছে। আমি ফিসফিস করে বউকে বললাম, ‘এ কই নিয়ে আসলা?’

‘আন্ডারগ্রাউন্ড কনসার্ট এটা। এভাবে মাথা নাড়ানোকে হেড বো করা বলে। এটাই নিয়ম। এটাই স্টাইল।’

‘আমিও ঝাঁকাব?’

গেটের ছেলেটা মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বলল, ‘এই গেট না ব্রো। পেছনের গেটে যান। ভুল গেটে চলে এসেছেন।’

আমি বললাম, ‘আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজের সঙ্গে মুখের কথা তো মেলে না। দূর থেকে কেউ দেখলে ভাববে মাথা ঝাঁকিয়ে বুঝি এই গেটের কথাই বলছেন, অথচ আমি কাছ থেকে শুনছি—না, এই গেট না।’

উনি মাথা ঝাঁকানো থামিয়ে এবার আমার দিকে তাকালেন ভালো মতো। আমি তাঁর হাত থেকে টিকিটটা টান দিয়ে নিয়ে মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে হাঁটা দিলাম। আশপাশে ড্রামের দ্রুম দ্রুম শব্দ হচ্ছে। হলের ভেতর ঢুকে দেখি, সবাই একইভাবে মাথা ঝাঁকাচ্ছে। একটু পরে বউ আমাকে বলে, ‘তোমার চোখের চশমা কই? ঝাঁকাতে গিয়ে ফেলায়ে দিসো নাকি?’

আমি মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বললাম—‘না না, খুলে ব্যাগে রেখে দিয়েছি। এত বোকা না আমি। কী করলে কুল হয় আর কী করলে বেক্কুল হয় আমি জানি।’

হলের ভেতরের এক কর্নারে খাবার বিক্রি হচ্ছে। যিনি বিক্রি করছেন তিনিও মাথা ঝাঁকাচ্ছেন। আমি গিয়ে বললাম, ‘আমাকে এক প্যাকেট মাথা না ঝাঁকিয়ে পপকর্ন দেন। ঝাঁকানির চোটে তো অর্ধেক পড়ে যাচ্ছে আপনার দোকানের ভেতরেই। এটা কি বিজনেস ট্রিক নাকি আসলেই মিউজিক এনজয় করছেন?’

উনি মাথা ঝাঁকানো থামিয়ে আমার দিকে তাকালেন ভালো করে। আমি তাঁর হাত থেকে পপকর্নের প্যাকেটটা টান দিয়ে নিয়ে মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে হাঁটা দিলাম। ড্রামের দ্রুম দ্রুম শব্দ চলছে। বউ বলল, ‘চলো যাইগা’।

‘কোন গেট দিয়ে বের হব? সব গেটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পাঙ্কুই তো মাথা ঝাঁকাচ্ছে।’

...কনসার্ট ছিল ভাই আমাদের সময়। বামবার কনসার্ট হয় না আজ কত দিন? ১৫ বছর? ১৭ বছর? হয়তো আরো বেশি। শাহীন স্কুলের মাঠে কনসার্ট হতো। এটা হয়তো এখন অনেকেই বিশ্বাস করবে না। ধানমণ্ডির সুলতানা কামাল কমপ্লেক্সের বাউন্ডারি ওয়াল টপকে কত কনসার্টে যে ঢুকেছি। কানে বাজতে থাকত—‘কতবার ছেড়েছি, ছাড়ব না এবার...বাংলার লাঠিয়াল বাংলার লাঠিয়াল বাংলার লাঠিয়াল।’

সুর কানে আসার পর সেই সাত ফুট ওয়াল থেকে কিভাবে নামব, ভুলে জেতাম। এক লাফে মাঠে নেমে দৌড়। কানে ভেসে আসত, ‘ওগো সোনার মেয়ে...বলো না কী পেয়েছ...হূদয় খুলে আপন ভুলে...ভালো কি বেসেছ...বলো না কী পেয়েছ।’

সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসত। সুর উঠতেই থাকত।

‘অর্ধেক পূর্ণিমা রাতে, মেঘের আড়ালে আকাশের লুকোচুরি খেলা, নির্ঘুম রাত শেষে চাঁদের ফাঁসি হয়, সূর্যের আশীর্বাদে ক্লান্ত প্রভাতে, সূর্যের আশীর্বাদে যে পথে পথিক নেই ...’।

বন্ধুর কোলে মাথা রেখে আকাশের তারার দিকে তাকিয়ে মিলিয়ে নেওয়া। ‘আমার নষ্ট হওয়া একটা পলক/নিজের চোখে তুলে নিলেই বুঝতে তুমি/কষ্ট কাকে বলে!’

...একেকটা কনসার্ট ছিল সো রিফ্রেশিং। পরের দিন নতুন উদ্যম পেতাম। এখনকার মতো ঘাড়ব্যথা নিয়ে বাসায় ফিরতে হতো না। ডাক্তারের পরামর্শে গলায় হালকা হলুদ রঙের শক্ত কলার পরে আগামী সাত দিন থাকতে হতো না। বলছি না, আমাদের জেনারেশনই ঠিক, এই জেনারেশন ভুল। হয়তো আমরাই ব্যাকডেটেড। হয়তো সামনের ২০ বছর পরের কোনো জেনারেশনের ছেলে-মেয়েরা এখনকার জেনারেশনকে এভাবেই হেয় করে বলবে—‘কী বেক্কল জেনারেশন ছিল রে ভাই...শুধু মাথা ঝাঁকাইত! ফুল বডি না ঝাঁকিয়ে শুধু মাথা ঝাঁকানোটা কী খেত না? একদম নট কুল। এই, তোর গায়ের জামা কই? বডি ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে খুলে পড়ে গেল না তো?’

‘না না, খুলে ব্যাগে রেখে দিয়েছি। অত বোকা না আমি। কী করলে কুল হয় আর কী করলে বেক্কুল হয় আমি জানি।’

 

 

 

সাধু বাবার খপ্পরে

 


এক সাধু বাবা এক পার্টিতে পৌঁছতেই তাঁকে নিয়ে সবাই হাসিঠাট্টা শুরু করল।

সাধু : আমি সাধুসন্ত মানুষ। আমার সঙ্গে যদি এ রকম ঠাট্টা-তামাশা করিস, তাহলে আমার অভিশাপে তোরা সব অন্ধ-খোঁড়া-লুলা হয়ে যাবি বদমাইশের দল।

সবাই আরো জোরে জোরে হাসতে শুরু করল।

একটু পরেই দেখা গেল কেউ আর চোখে দেখতে পাচ্ছে না। সবাই সাধু বাবার পায়ে গিয়ে পড়ল। বলতে লাগল, ‘বাবা, আমরা পাপী, আমরা অবুঝ, আমাদের ক্ষমা করো বাবা।’

সাধু বাবা তখন তাঁর জুতা খুলে সবাইকে মারা শুরু করল, আর বলতে লাগল, ‘শালা, ইলেকট্রিসিটি চলে গেছে। কেউ গিয়ে জেনারেটর অন কর বেক্কলের দল। আমিও কিছু দেখতে পাচ্ছি না।’

 

আজকের জোকস : কোন মশা কেমন আচরণ করে?

 

কোন মশা কেমন আচরণ করে?
শিক্ষক: বলো তো মশা কয় প্রকার?
ছাত্র: মশা আট প্রকার। যথা-
১. যে মশা গায়ে বসামাত্রই কামড়ায় তাকে রাক্ষস মশা বলে।
২. যে মশা দিনের বেলায় কামড়ায় তাকে সন্ত্রাসী মশা বলে।
৩. যে মশা নাকের ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে নমরুদী মশা বলে।
৪. যে মশা সুযোগ পেলেই কামড়ায় তাকে সুযোগসন্ধানী মশা বলে।
৫. যে মশা কানের কাছে এসে গান গায় তাকে গায়ক মশা বলে।
৬. যে মশাকে থাপ্পর দিলে ফাঁক দিয়ে চলে যায় তাকে গোল্লাছুট মশা বলে।
৭. যে মশা কামড় দিলে জ্বর হয় তাকে বিষাক্ত মশা বলে।
৮. যে মশা মশারির ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে মূর্খমশা বলে।

****

অফিস অফিস


অফিসে নানা রকম মজার ঘটনা ঘটে। তেমনই কিছু ঘটনা দেখে নিন। আইডিয়া মেহেদী আল মাহমুদ

 বস : হাসান সাহেব, কাল নাকি আপনি অফিস টাইমে মিস ডলিকে নিয়ে সিনেমায় গিয়েছিলেন? ওকে আমার সঙ্গে একবার দেখা করতে বলুন।

হাসান : কিন্তু স্যার, ও কি আপনার সঙ্গে সিনেমা দেখতে যেতে রাজি হবে?

 

♦ বস : আলম, কাল যে তোমাকে বলেছিলাম ফাইলটা দিতে, দাওনি কেন?

আলম : স্যার, আলমারির চাবিটা যে আপনার কাছে ছিল।

বস : তা থাক, দ্যাটস নট দি পয়েন্ট, তুমি ফাইলটা দাওনি কেন?

 

♦ কর্মচারী : ডেকেছিলেন স্যার?

বস : আপনি এত ভালো কাজ করেন যে আমি ভাবতেও পারি না, আপনাকে ছাড়া কী করে অফিস চলবে! সোমবার থেকে চেষ্টা করে দেখব, আপনাকে ছাড়াও অফিস চলে কি না!

 

♦ কর্মচারী : স্যার, আজ দুপুরের পর আমাকে কিছুক্ষণের জন্য ছুটি দেবেন? আমার স্ত্রীকে নিয়ে একটু শপিংয়ে যেতে হবে।

বস : না, কোনো ছুটি নেই।

কর্মচারী : আপনি আমাকে বাঁচালেন স্যার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

 

♦ প্রথম বন্ধু : তোকে এত খুশি দেখাচ্ছে কেন?

দ্বিতীয় বন্ধু : জানিস, কাল থেকে আমার দুই সপ্তাহের ছুটি। কাল থেকে আমি এক সপ্তাহের ছুটিতে যাচ্ছি। তার পরের সপ্তাহে যাচ্ছেন আমার বস।

 

♦ বস : কাল অফিসে আসোনি কেন?

কর্মচারী : আমার বাবা মারা গেছেন গতকাল।

বস : তোমার বাবা তো আমাদের অফিসের স্টাফ নয়, তিনি না এলেও কিছু যায়-আসে না। তুমি আসোনি কেন?

 

♦ বস : তুমি Wife dying বলে অফিস কামাই দিলে, অথচ আমি দেখলাম তোমার স্ত্রী একটি বিউটি পার্লার থেকে বেরোচ্ছে!

কর্মচারী : স্যার, ঠিকই দেখেছেন, আমি ‘হেয়ার ডাইং’-এর কথাই বলতে চেয়েছিলাম।

 

♦ মহিলা সেক্রেটারি : স্যার, আপনার স্ত্রী সব সময় আমাকে সন্দেহের দৃষ্টিতে কেন দেখে?

বস : কারণ তোমার আগে সে আমার সেক্রেটারি ছিল।

পিকিউলিয়ার কন্ডাক্টর সিনড্রোম


আমার বিয়ে বেশিদিন হয়নি, কিন্তু এর মধ্যেই আমি গণ্ডগোলের গন্ধ আঁচ করতে পেরেছি। আমার বউয়ের নাম ইন্দিরা। ওর একটা অদ্ভুত রোগ আছে, যেটা বিয়ের আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে কেউ জানায়নি। বিয়ের কিছুদিন পর নিজে থেকেই জানতে পেরেছি। রোগের নামও অদ্ভুত, পিকিউলিয়ার কন্ডাক্টর সিনড্রোম। মানে, আমার বউ থেকে থেকে বাসের কন্ডাক্টরের মতো আচরণ করে। অবচেতন মনেই। সেটাও আমি বুঝতে পেরেছি।

প্রথম যেদিন টের পেলাম, সেদিন আমাদের ফুলশয্যা। আমি ঠিক করেছিলাম ওকে সহজ হওয়ার জন্য সময় দেব। ফুলশয্যার রাতে দু-একটি কথা বলেই ঘুমিয়ে পড়ব। সারা দিনের খাটাখাটুনিতে দুজনেই ক্লান্ত থাকব। সেটাই বরং ভালো হবে। আমি সেই মতো সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর দরজায় ছিটকিনি তুলে দিয়ে বিছানায় বউয়ের পাশে এসে বসলাম। কোনো কথা খুঁজে না পেয়ে শেষে বললাম—‘তুমি নিশ্চয়ই ক্লান্ত হয়ে আছ?’

ইন্দিরা মাথা নাড়ল। আমিই আবার বললাম, ‘তাহলে শুয়েই পড়ো, নাকি?’ ইন্দিরা বোধ হয় বুঝল যে ওরও দু-একটি কথা বলা উচিত। ও ইতস্ততভাবে বলল, ‘না না, কথা বলুন না।’

আমি এক মিনিট ভেবে বললাম, ‘তুমি সহজ হতে পারো আমার সঙ্গে। আমাকে আপনি করে বলতে হবে না। আমাকে তোমার বন্ধু ভাবতে পারো নিঃসন্দেহে। আমার সঙ্গে ইয়ার্কি মারতে পারো। মানে ফ্রাংক হতে পারো।’

ইন্দিরা লাজুক মুখেই আমার দিকে হাত বাড়িয়ে বলে উঠল, ‘কই আপনারটা দেখি।’

এই আমি যে আমি এতক্ষণ ফ্রাংক হওয়ার ব্যাপারে এত কথা বললাম, সেই আমিও লজ্জা পেয়ে গেলাম। কোনো রকম বললাম, ‘মানে আজকেই! মানে এত তাড়াতাড়ি না করলেও হবে।’

ইন্দিরা লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়ল। আমি জেগে রইলাম। অনেকক্ষণ অপেক্ষায় থেকে শেষে হতাশ হয়ে ভোর ৪টার সময় ঘুমাতে গিয়েছিলাম। তখন কি আর জানতাম ইন্দিরা আমার কাছে টিকিট চাইছিল, অন্য কিছু না। যাকগে। আমার তাড়া ছিল না বাপু।

তখনো কিছু আন্দাজ করতে পারিনি। ইন্দিরা আমার সঙ্গে তেমন কথা বলত না। ইশারা-ইঙ্গিতে কথা বলত। মাঝেমধ্যে মনে হতো আমার বউ হয়তো বোবা। তাতে অবশ্য আমার খুব একটা অসুবিধা হচ্ছিল না।

মুখ খোলে না, খোলে না, কিন্তু যেদিন মুখ খুলল সেদিন গোটা বাড়িতে হৈচৈ পড়ে গেল। প্রথমেই বলে রাখি, আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলি। এই নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির যুগে যখন সবাই আলাদা আলাদা কক্ষপথে নিজস্ব পেয়ার তৈরি করে ইলেকট্রনের মতো ঘুরপাক খাচ্ছে, তখন আমার বাবা আর জেঠা সিদ্ধান্ত নেয়, তারা একসঙ্গে থাকবে আমাদের পৈতৃক ভিটায়। আমিও তাই আমার জেঠতুতো দাদার সঙ্গেই বড় হয়েছি। আমাদের মধ্যে বেশ মিলমিশ। ভালোবাসা।

যা হোক, কথা থেকে সরে যাচ্ছি। আমাদের এই পুরনো বাড়িতে একটাই সমস্যা, আর সেটা হলো বাথরুম। গোটা বাড়িতে মাত্র দুটি বাথরুম। একটি বাড়ির বাইরের দিকে। সেটায় খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ যাই না। বাড়ির মধ্যে যে বাথরুমটি আছে, সেটাই সবাই ব্যবহার করি। ইন্দিরা সেদিন স্নান করতে ঢুকছিল, হঠাত্ আমার জেঠা পেটে হাত দিয়ে ছুটতে ছুটতে এসে বলে, ‘বউমা, তুমি একটু বাইরেরটায় যেতে পারবে? আমার ভীষণ ইমার্জেন্সি।’

আমার জেঠা সরল মানুষ। সরল মনেই কথাটা বলেছিল। সে আর কী করে জানবে আমার বউ প্রত্যুত্তরে ‘আচ্ছা’ না বলে বলবে, ‘চলুন চলুন,  ভেতরে চলুন। আরো একজনের জায়গা হবে।’

কথাটা শুনেই তো আমার জেঠা অবাক হয়ে গেল।

এই ঘটনাটা আমাদের বাড়িতে আমাশয়ের মতো ছড়িয়ে পড়ল। জেঠা এরপর আর কোনো দিনই ইন্দিরার মুখোমুখি হওয়ার সাহস দেখায়নি। বেশ কয়েক দিন আড়ালে ছিল। ইন্দিরাও দরজায় খিল তুলে বসেছিল। সবাই আড়ালে কথা বলতে শুরু করেছিল। ব্যাপারটা আমার খারাপ লাগল। ইন্দিরার সঙ্গে আমার অল্প দিনের পরিচয় হলেও সে আমার বউ। তা ছাড়া ইন্দিরা এ রকমভাবে বললই বা কেন! সেটা জানাও প্রয়োজন। আমি ঘরের দরজা বন্ধ করে সরাসরি ওকে প্রশ্ন করলাম, ‘আচ্ছা তুমি সত্যিই জ্যাঠাকে ওই কথাটা বলেছ?’

ইন্দিরা নিরুত্তর।

আমি আবার প্রশ্ন করলাম, ‘কেন বলেছ?’

এবার একটু কড়াভাবে। বুঝলাম ও ঘামতে শুরু করেছে। তবুও কোনো উত্তর দিল না। আমি থাকতে না পেরে গলাটা আরেকটু তুলে দিলাম, ‘বলবে কী কিছু?’

দেখলাম ইন্দিরার চোখে জল চলে এসেছে। ও ছলছল চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমি ইচ্ছা করে বলিনি। এটা আমার একটা রোগ।’

‘রোগ?’ আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম, ‘তোমার বাথরুমে যেতে গেলে সঙ্গে কাউকে লাগে? আমাকে বলতে। জ্যাঠাকে কেন বলতে গেলে?’

ইন্দিরা কেঁদে উঠল, ‘আস্তে, আস্তে, লেডিস আছে।’

আমি চমকে উঠলাম। ঘরের বাইরে থাকা আমার মা আরো চমকে উঠল। মায়ের হাত থেকে গরম চায়ের কাপ পড়ে গিয়ে ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে গেল। আমাদের কথা এগোল না আর। কিন্তু আমার মনে সন্দেহ দানা বেঁধে গেল, কিছু একটা আছে। আমাকে জানতে হবে। ঠিক করলাম একেবারে কম্পানিতে গিয়েই খোঁজ নেব, ম্যানুফ্যাকচারিং ডিফেক্টটা কী, কারণ আমি তো ‘হ্যান্ডেল উইথ কেয়ার’ করেছি।

তাই সে মুহূর্তে আর কিছু বললাম না। ইন্দিরাকে শান্ত করলাম। ওর গায়ে, মাথায় হাত বুলিয়ে বললাম, ‘আচ্ছা তোমাকে আর কিছু বলতে হবে না। আমি বুঝতে পেরেছি। আমি জ্যাঠামণিকে বুঝিয়ে বলে দেব।’

দুদিন পরে শ্বশুরবাড়িতে গেলাম। আমাকে দেখে শ্বশুরমশাইয়ের কপালে ভাঁজ দেখা দিল। আমি সরাসরি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, ‘আপনার মেয়ের রোগটা কী বলুন তো।’

শ্বশুরমশাই এড়িয়ে যেতে চাইলেন, ‘কী রোগ থাকবে? কিছু তো নেই। তুমি বসো। আমি ইন্দিরার মাকে চা করে আনতে বলি।’

আমি শ্বশুরমশাইয়ের হাত ধরে তাঁকে বসিয়ে দিলাম, ‘পরিষ্কার করে বলুন তো ব্যাপারটা কী। আপনার মেয়ে নিজে আমাকে বলেছে ওর রোগ আছে। কী রোগ সেটা বলেনি। বাড়িতে এমনিতেই অনেক ক্যাচাল হয়ে গেছে। আপনি আর কথা ঘোরাবেন না প্লিজ।’

শ্বশুরমশাই বুঝলেন, পালানোর আর পথ নেই। তিনি আমতা আমতা করে আমাকে সব বললেন। শুনে তো আমার মাথায় হাত। এ রকম আবার হয় নাকি? এ তো প্রথম শুনছি। কেউ থেকে থেকে বাস কন্ডাক্টরের মতো হয়ে যায়! আমি ঘটনাগুলো মনে করার চেষ্টা করলাম। দুয়ে দুয়ে চার হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তাও এ আবার কি অদ্ভুত রোগ রে বাবা।’

আমি হাজারটা চিন্তা করতে করতে যখন বাড়ি ফিরি তখন দেখি পুরো বাড়ি সুনসান। জ্যাঠারা কেউ বাড়িতে নেই। বাবাও নেই। শুধু এক কোণে আমার মা মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। আমি ব্যাগ নামিয়ে মাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘মা কী হয়েছে গো? কাউকে দেখছি না।’

মা কটমট করে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘সবাই অর্পিতাকে নিয়ে নার্সিং হোমে গেছে।’

‘বউদি নার্সিং হোমে’, আমি চমকে উঠলাম, ‘কী হয়েছে?’

মা ফোঁস করে উঠল, ‘কী আবার হবে। তোমার ওই গুণধর বউয়ের জন্য এবার আমাদের বাড়িতে আগুন লাগবে।’

আমি ঢোক গিললাম, ‘কেন, ইন্দিরা আবার কী করল?’

মা যেন আরো খেপে গেল, ‘কী করেছে? অর্পিতা ছাদে রেলিংয়ে ভর দিয়ে কাপড় মেলছিল। তোমার বউ হঠাত্ করে আমার সামনেই ওকে ডেকে বলল, ‘বাঁয়ে বাঁয়ে’। বেচারী অর্পিতা বাঁ দিকে কাত হতেই ধড়াম করে ছাদ থেকে পড়ে গেল। কে জানে কতগুলো হাড় ভেঙেছে!’

আমি আঁতকে উঠলাম। মাকে কী করে বলব, তোমার বউমা জাত কন্ডাক্টর। চুপচাপ কেটে পড়েছি ওখান থেকে।

আপাতত ভাড়া বাড়িতে আছি। বাবা ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। একটা ফ্ল্যাট খুঁজছি। এখানেও বেশিদিন থাকা যাবে না। দুদিন আগেই আমার বউ বাড়িওয়ালীকে জিজ্ঞেস করেছে, ‘কোথায় নামবেন দিদি?

আজকের জোকস : বিয়ে করার ব্যতিক্রমী প্রস্তাব

 


বিয়ে করার ব্যতিক্রমী প্রস্তাব
মায়া ও ছায়া দুই বোন। বাবুল ভালোবাসে মায়াকে। কিন্তু কথাটি মুখ ফুটে বলতে সাহস পাচ্ছে না। একদিন খুব সাহস করে মায়ার হাত ধরে বলল-
বাবুল: মায়া, তুমি ছায়ার কাছ থেকে আমার একটা কথার জবাব এনে দেবে?
মায়া: কী কথা?
বাবুল: এ মাসে ও আমার শালী হতে রাজি আছে কি-না?

****

 

৩০ বছরে ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতা
এক লোক চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেলেন-
প্রশ্নকর্তা: আপনার বয়স কত?
প্রার্থী: ৩০ বছর।
প্রশ্নকর্তা: আগে কোনো চাকরি করেছেন?
প্রার্থী: করেছি।
প্রশ্নকর্তা: কত বছর?
প্রার্থী: ৩৫ বছর।
প্রশ্নকর্তা: কিভাবে সম্ভব? আপনার বয়স তো ৩০ বছর।
প্রার্থী: বোঝেন নাই, ওভার টাইম করেছি।

****

অহংকারের জবাব যেমন হয়
গোপালের দোতলা বাড়ি তৈরি হলে সে তার প্রতিবেশী এক ভাইপোকে ছাদের উপর দাঁড়িয়ে ডাকতে লাগল, ‘রাখাল, ও রাখাল, কী করছিস ওখানে?’ রাখাল বুঝলো কাকা দোতলা বাড়ি দেখাচ্ছে। তাই সে কোনো কথা বলল না।

এর বহুদিন পর রাখালও নিজের চেষ্টায় ছোটখাট একটি দোতলা বাড়ি তৈরি করে ফেলল। তারপর গোপালের মতো ছাদে উঠে ডাকতে লাগল, ‘কাকা, ও কাকা, সে বছর আমায় ডেকেছিলে কেন?’

 

Read More

 

ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে

 

১৯৯০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে সাইকেল চাইত।
২০০০ সাল।
ছেলে বিয়েতে যৌতুক হিসেবে মোটরসাইকেল চাইত।
.



.
.
২০৩০ সাল।
ঘটক আর মেয়ের বাবার মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছে।
‘ছেলেপক্ষের একটা আবদার আছে…’
মেয়ের বাবা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালেন।
‘ছেলেকে ১০ কেজি পেঁয়াজ দিতে হবে। ছেলের অনেকদিনের শখ।’
‘১০ কেজি?’ মেয়ের বাবা আকাশ থেকে পড়লেন।
‘একটু কমানো যায় না? দরকার হলে আমাদের একটা টয়োটা করলা দিয়ে দিলাম।’ মেয়ের বাবা মিন মিন করে বলল।
‘নাহ ভাই। বললাম না ছেলের অনেক দিনের শখ।’
মেয়ের বাবা নিমরাজী হলেন। কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।

বিয়ের দিন।
কাজী বিয়ে পড়াতে শুরু করতেই ছেলের বাবা উঠে দাঁড়ালেন।
‘দাঁড়ান কাজী সাহেব। আগে পেঁয়াজ বুঝে নিই। পরে বিয়ে।’
সবাই থমকে গেল। একে অপরের দিকে তাকাচ্ছে সবাই।
মেয়ের বাবা ঘর হতে একটা বাজারের ব্যাগ নিয়ে আসলেন।
‘ভাইসাহেব, এইখানে ৮ কেজি পেঁয়াজ আছে। বাকীটা আগামী সপ্তাহেই দিয়ে আসব।’
ছেলের বাবা রাগী ভঙ্গিতে তাকালেন। [ব্যাকগ্রাউন্ডে তখন ঝড়ের মিউজিক]
‘নাহ। এই বিয়ে হবে না। আরো দুই কেজি পেঁয়াজ ছাড়া এই বিয়ে সম্ভব না।’ বলেই ছেলের বাবা মেয়েদের সাততলা বাড়ি থেকে নেমে যেতে উদ্যত হলেন। ‘চলে আয় কুদ্দুস। এই বিয়ে হবে না।’
অন্দরমহলে কান্নার আওয়াজ।
মেয়ে এসে দাঁড়াল ঘরে। চোখে জল।
‘চৌধুরী সাহেব, পেঁয়াজের লোভে মানুষকে আর মানুষ মনে হয় না? মনে রাখবেন পেঁয়াজ থাকলেই বড়লোক হওয়া যায় না। বড়লোক হতে হলে দরকার সুন্দর একটা ফেইসবুক একাউন্ট। যা আপনাদের নেই। চলে যান। আমি এখুনি স্ট্যাটাস দিচ্ছি।’
কুদ্দুস উঠে দাঁড়াল। তার চোখ খুলে গেছে। এই মেয়ে আবার তার ফেসবুক ফ্রেন্ড। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। ‘না বাবা। এই বিয়ে হবেই। পেঁয়াজ তোমাকে অন্ধ করে দিয়েছে বাবা।’

অবশেষে বিয়ের সানাই। আকাশে তারাবাত্তি।

 

একসঙ্গে জন্মানো তিন বোন কিংবা তিন ভাই


যমজ। আগ্রহ জাগানিয়া শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো একই গর্ভজাত এবং একই সময়ে ভূমিষ্ঠ। তিন সন্তান হলে তাকে বলা হয় ‘ট্রিপলেট বেবি’। চারজন হলে ‘কোয়াড্রুলেট বেবি’। এর বেশি সন্তানও হতে পারে। 
ট্রিপলেট বেবি মানে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া তিন সন্তান নিয়ে এই লেখা। অক্সফোর্ডের ইংরেজি-বাংলা অভিধানে (কলকাতা থেকে প্রকাশিত) ট্রিপলেট কথার মানে দেখতে পাচ্ছি ‘একই সঙ্গে জাত একই মায়ের তিনটি সন্তান’। ট্রিপলেটের বাংলা কী হবে? জানতে চাই জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান স্যারের কাছে। মনস্ক পাঠকেরা জানেন, প্রথম আলোতে স্যারের ‘আমার অভিধান’ মূল্যবান একটি রচনা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। আনিসুজ্জামান বললেন, ট্রিপলেটের বাংলা হবে ত্রেতা বা ত্রৈত।

নাতনি চাই না, মেয়েকে বাঁচানআমার বড় মেয়েও সিজারিয়ান। দুই বছর পর এই তিন কন্যা একসঙ্গে জন্ম নিল। একসঙ্গে তিন তিনটা শিশু আমার পেটে, একথা শুনে আমার মা তো মহা আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন। তিনি চিকিৎসককে বললেন, ‘আমার মেয়েকে সুস্থ করে দেন আপনি। যেভাবেই হোক, মেয়েকে বাঁচাতে হবে আগে।’ ওরা জন্মানোর পর আমার দুই বোন বলল তাদের একটা একটা করে দিয়ে দিতে। একজন নিঃসন্তান। আরেকজন কানাডায় থিতু। তিন ছেলে তার। সবাই বড়সড়। বিয়ে থা করে সংসারী হয়েছে। সেই বোনের মেয়ের খুব শখ। খুব ঝোলাঝুলি করেছিল কোনো একজনকে নিয়ে নেওয়ার জন্য। হাসতে হাসতে কথাগুলো বললেন ট্রিপলেট বেবির মা মুনিয়া হাসান। পূর্ব গোড়ানে তাঁদের নিজস্ব বাড়ি। নাম অস্থায়ী নিবাস। কয়েক দিন আগে কথা হলো সেই তিন সন্তান মৌমিতা হাসান, মেহনাজ হাসান ও মেহরীন হাসানের সঙ্গে। বয়স তাদের ১৪ বছর। সবাই পড়ছে ক্লাস টেনে। দুইজন এক স্কুলে। অপরজনার স্কুল আলাদা। দুইজন বিজ্ঞান বিভাগে, একজন মানবিকে।
সুদক্ষ শল্যচিকিৎসায় মুনিয়া ও মেহেদী হাসান দম্পতির মুখে হাসি ফুটিয়েছিল। দূর করেছিল সব উৎকণ্ঠা। সেটা ১৪ বছর আগের কথা। শাহজাহানপুরের প্যান প্যাসিফিক হাসপাতালে এই তিন বোনের জন্ম হয় ২০০৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। 
মুনিয়া হাসান বললেন তাঁর ট্রিপলেট বেবি জন্ম দেওয়ার গল্প—গর্ভাবস্থায়ই ডাক্তার আমাকে জানিয়েছিলেন, প্ল্যাসেন্টা যেহেতু একটা, সুতরাং মেয়ে হলে তিনজনই মেয়ে হবে। আর যদি ছেলে হয়, তবে তিনজনই হবে ছেলে। ডাক্তারের কথাই ঠিক হলো শেষ পর্যন্ত। গর্ভাবস্থায় এক মাস আমাকে স্যালাইন নিতে হলো। একপর্যায়ে কোনো খাবারই ভালো লাগত না। আমাকে বলা হলো দুধ খেতে। দুধে সব ধরনের ভিটামিন আছে তো। সাড়ে আট মাসের সময় আমার গাইনোকলজিস্ট কনসাল্ট করলেন শিশুবিশেষজ্ঞ ডা. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে। সাব্যস্ত হলো, এখন অস্ত্রোপচার করে ওদের বের করা হলে একজনকে ইনকিউবেটরে রাখতে হবে। সেটা এড়ানোর জন্য মোট সাতটি ইনজেকশন নিতে হয় আমাকে। জন্মানোর পর সবচেয়ে ছোটজনকে নল দিয়ে খাওয়াতে হতো কিছুদিন। বুকের দুধ ওদের দিতে পারিনি। সেটা সম্ভব ছিল না তখন।
আরও তথ্য জানতে চাই মুনিয়া হাসানের কাছে। চার মাসের সময় বলা হলো বাচ্চা হবে যমজ। ছয় মাসের সময় যখন শুনলেন ওরা তিনজন, তখন খুবই ভয় পেলেন। মুনিয়া বললেন, আমার বড় মেয়েও সিজারিয়ান। একই ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে তারও নির্ঝঞ্ঝাট জন্ম। 
তিন কন্যার নাম রাখা হলো সিঁথি, রীতি ও প্রীতি। তিন বোনে ঝগড়াঝাঁটি মাঝে মাঝে হয়। দু’জনের চেহারা ও খাদ্যরুচি প্রায় একই রকম। অন্যজন একটু আলাদা। তিন মেয়ের জন্য আগে একই ধরনের পোশাক কিনতেন। এখন কিনতে হয় আলাদা আলাদা। ওর বলে, তিনজনের ড্রেস আলাদা হলে লোকেরা আমাদের চেহারার মিল সহজে বুঝতে পারবে না। রাস্তাঘাটে ওদের চেহারার মিল দেখে লোকজনের অতিমাত্রায় কৌতূহলে ওরা অস্বস্তি বোধ করে। লোকজন হাঁ করে তাকিয়ে থাকে। আমরা চট্টগ্রামে যে বাড়িতে থাকতাম, সেই বাড়িওয়ালার ছিল যমজ বাচ্চা। ওই বাড়িতে থাকতে থাকতেই আমার তিন–তিনটা বাচ্চা হলো একসঙ্গে।
তিন কন্যার বাবা মেহেদী হাসান পেশায় একজন কেমিস্ট। একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি করছেন। তিনি বললেন, মেয়েরা আমার বড় লক্ষ্মী। আমি মেয়েদের ঘর সংসারের কোনো কাজ করতে দিই না। ওদের মা অবশ্য কাজ শেখাতে চায়। জোরাজুরিও করে কোনো কোনো সময়। ওদের জন্মের আগে শুধু একটা ব্যাপারেই বেশি উদ্বিগ্ন ছিলাম। কেউ না আবার অসুস্থ হয়ে জন্মায়। তেমন কিছু ঘটেনি। 
বেণি দোলানো তিন বোনের সঙ্গে কথা হলো। আদুরে আদুরে মিষ্টি দেখতে তিনজনাই। লাজুক স্বভাবের। ওরা আমাকে বলে, রাস্তায় লোকে যমজ যমজ বলে সব সময় মন্তব্য করে। ঠায় তাকিয়ে থাকে। এসব আমাদের মোটেও ভালো লাগে না। সে জন্য আমরা পারতপক্ষে বাড়ির বাইরে বিশেষ একটা বের হই না। বড়জন সিঁথি বড় হয়ে ডাক্তার হতে ইচ্ছুক। দ্বিতীয়জন রীতির স্বপ্ন ইঞ্জিনিয়ার হবে। একেবারে ছোটজন শিক্ষকতাকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চায়। তিন বোনেরই চোখে চশমা। ওদের বাবা জানালেন, চোখের সমস্যা ওদের জন্মগত। ডাক্তার বলেছেন, ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি ছয় মাস অন্তর ওদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করাতে হবে। তা–ই আমরা করছি। তিন বোনেরই খুব পছন্দের খাবার হলো বিরিয়ানি ।
সাগরপারের তিন ভাই আসিফ নূর চৌধুরী ও নীলিমা জাহিদ সুলতান দম্পতি। এঁদের নিবাস কক্সবাজার। বিয়ের পর বাচ্চা হচ্ছিল না। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা আর উদ্বেগ ছিল বেশ। একসঙ্গে তিন সন্তান মাতৃগর্ভে এল। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ভূমিষ্ঠ হতে হলো তাদের। মাতৃজরায়ুতে অবস্থানের সময় ৭ মাস ২ দিন। মাত্র ৪ মিনিটে ডেলিভারি করানো হলো তাদের। সিজারিয়ান সেকশন। তিন জনের সম্মিলিত ওজন চার কেজি। মাটির পৃথিবীতে এসে ভালো রকম বিপদেই পড়তে হয়েছিল তাদের। ইনকিউবেটরে থাকতে হয়েছে টানা ২০ দিন। 
তিন ভাইয়ের নাম যথাক্রমে আকিক নূর চৌধুরী, আমল নূর চৌধুরী ও আলাপ নূর চৌধুরী। তারা এখন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়ে। সবার জন্ম ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি। ওদের বাবা আসিফ নূর একটি প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় ও বিপণন ব্যবস্থাপক। মা চাকরি করতেন ব্র্যাকে। তিন ছেলেকে লালন-পালনের জন্য চাকরি ছাড়তে হয়েছে।
আসিফ নূর তিন পুত্র অর্থাৎ ট্রিপলেট বেবি সম্পর্কে অনেক তথ্যই জানালেন। তাঁদের আর কোনো সন্তান নেই। ওদের জন্মের চার মাস আগে জানা গেল তিনজনের কথা। তিন ছেলের জন্ম হয়েছে চট্টগ্রামের রয়্যাল হসপিটালে। মা এ সংবাদ শুনে খুবই খুশি হয়েছিলেন। তখন তার পক্ষে বোঝা সম্ভব ছিল না যে কত বড় দায়দায়িত্ব কাঁধে বর্তাচ্ছে। আসিফ নূর বললেন, ‘আমি তখন ছিলাম ঢাকায়। ফোনে খবরটা জেনে বেশ উৎফুল্ল হই। নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে হয়। আমিও দায়িত্বের ব্যাপকতা ও চ্যালেঞ্জটা গোড়ার দিকে অতটা আঁচ করতে পারিনি। একসঙ্গে তিন বাচ্চা বড় করা চাট্টিখানি কথা নয়। তাতে মায়ের কষ্টটাই সবচাইতে বেশি। ওরা মায়ের বুকের দুধ পান করে বড় হয়েছে। পালাক্রমে ওরা মায়ের দুধ পান করত। জন্মের ক্রমানুসারে ওদের মধ্যেকার বড় ছোট নির্ধারণ করেছি। তিনজন দেখতে হুবহু এক নয় বলে সুবিধা হয়েছে।’ 
এই তিন ভাইকে লালন–পালনে কোনো সমস্যা হয় কি? আসিফ নূর বলেন, একটু গাদাগাদি হয় বৈকি! যথাযথভাবে মানুষ করার ব্যাপারটি বেশ ব্যয়বহুলও বটে। ওদের কোনো বড় ভাই কিংবা বোন থাকলে বেশ হতো। এরা তিনজন তো সমানে সমান। একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। কে কাকে মানবে? দিনমান ঝগড়াঝাঁটি লেগেই থাকে। এই ঝগড়া অবশ্য তাদের নিত্যদিনের খেলার অংশই হয়ে গেছে। 
তিন ভাইয়ের মধ্যে আবার মিলমিশও কম না। একজন আরেকজনকে না দেখে থাকতে পারে না। একসঙ্গে থাকে সব সময়। দল বেঁধে স্কুলে যায়। খেলাধুলা করে। খাদ্যরুচিও এক নয় তাদের। তিন ভাই–ই যেটা পছন্দ করে, তা হলো মুরগি ও বড় চিংড়ি মাছ। অন্য খাবারের বেলায় একেক জনের পছন্দ একেক রকম। দুইজন নিজের হাতে খেতে পারে। একেবারে ছোটজন এখনো মায়ের হাতে খায়। জামাকাপড় সব সময়ই যে এক রকম দিতে হয়, সেটা না। তিনজনের পছন্দের রংও আলাদা। তারা তিনজনই শিল্পী। ছবি আঁকতে ভালোবাসে। সবকিছুকেই তারা রং দিয়ে বিচার করতে ভালোবাসে। যেমন একজন বলল, ‘বাবা তোমার মোটরসাইকেল কি গুন্ডারা নিয়ে গেছে?’ রসিকপ্রবর পিতৃদেব জানতে চাইলেন, ‘গুন্ডার রং কী হবে বলো তো?’ চটপট উত্তর দেয় তারা, গুন্ডার রং হবে চকলেট। চিত্রশিল্পী উত্তম সেনকে একবার তারা প্রশ্ন করেছিল, আচ্ছা কাকু, বলেন তো দুঃখের রং কী? উত্তম সেন উত্তর দিয়েছিলেন, দুঃখের রং হলো ছাই।
নীলিমা জাহিদ সুলতান বললেন, ‘লোকজন বলে, আপা আমরা একটাকেই পালতে পারি না। আর আপনার তো তিন তিনটা! তিনজন নিয়ে আমার কষ্টও বেশি। এরা ঝগড়াঝাঁটি করে, সামলানো মুশকিল। আবার মিলেমিশেও থাকে। পরস্পরের জন্য টান আছে খুব। যৌথ পরিবার আমাদের। তিন বাচ্চার জন্মের পর ব্র্যাকের চাকরিটা আমাকে ছাড়তে হয়েছে।’
মা–বাবা কার প্রতি টান বেশি ওদের? আসিফ নূর এ প্রশ্নের উত্তরে বলেন, বাবা-মা দু’জনের জন্যেই টান আছে ওদের। তিন ভাই টিভিতে খেলা দেখতে পছন্দ করে। প্রিয় খেলা ক্রিকেট, ফুটবল আর রেসলিং। ট্যাবে তারা গেমস খেলেও সময় কাটায়। তিনজনের মধ্যে বেশ ভালো দোস্তি রয়েছে। পড়াশোনায় তিনজনই মোটামুটি ভালো।

Jokes-Hell-নরক-Love Exam-ভালবাস?-politician-রাজনীতিবিদ



শোভা- বুঝলি সোমা, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি অয়ন কে বিয়ে করব না।
সোমা- সেকি রে , পাচ বছর ধরে প্রেম করলি , আর এখন  বিয়ে করবি না কেন?
শোভা - জানিস অয়ন একেবারে নাস্তিক।
সোমা- ও নাস্তিক তাতে তোর কি, তুই তো আর নাস্তিক না
শোভা- ও নরক আছে বলে বিশ্বাস করে না। ভয়ানক বেপার নয়?
সোমা: ঘাবড়াচ্ছস কেন, বিয়েটা হতে দে। কয়েকদিনের মধ্যেই বাছাধন বুঝে যাবে নরক সত্যিইআছে।

****

প্রেমিকা: তুমি কি আমায় ভালবাস?
প্রেমিক: বিশাস না হলে পরীক্ষা কর?
প্রেমিকা: ধর তোমার শার্টের পকেটে মাত্র ২০ টাকা আছে, তা থেকে আমি পনের টাকা চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?

জরুরী টাকাটাই প্রেমিকা চোখ পড়েছে দেখে , বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, কেন পারব না? একশবার পারব। তবে পরীক্ষার তারিখ টা একটু পিছান যায় না?


আজীবন বাম রাজনীতি করেছেন খ্যাতনামা এক রাজনীতিবিদ। এখন মৃত্যুশয্যায়। শুভাধ্যীরে ঘিরে আছে শেষ সময়ের বানী শোনার জন্য। রাজনীতিবিদ বললেন একটা ডান দলে যোগ দিতে চাই। কেন? এই শেষ বেলাই কেন কপালে কলংক লাগাতে চান?
মরার আগে আন্তত একজন ডান রাজনীতিবিদ মেরে যেতে চাই।

বিয়ের আগে প্রেম



স্বামী : আমাকে সত্যি করে বলো, বিয়ের আগে তুমি কয়জনের সাথে প্রেম করেছো?
স্ত্রী : ঠিক আছে দাঁড়াও। এই যে ড্রামটা দেখ। আমি যত ছেলেদের সাথে প্রেম করতাম, ততটি চাল এটাতে ফেলেছিলাম।
স্বামী গিয়ে দেখল ওটাতে মাত্র দু’টি চাল আর ২শ’ টাকা আছে। দেখে এসে বলল-
স্বামী : ও! মাত্র দু’জনের সাথে প্রেম করেছো? এই যুগে এগুলো কিছু না।
স্ত্রী : তাই?
স্বামী : কিন্তু এই দুইশ’ টাকা কিসের?
স্ত্রী : টাকাটা কিসের বুঝলে না?
স্বামী : না তো!
স্ত্রী : গত সপ্তায় এই ড্রাম থেকে চার কেজি চাল বিক্রি করেছিলাম। এটা তারই টাকা।

আজকালকের ছেলেদের কোনো বিশ্বাস নাই

   (-_-)   আজকালকের ছেলেদের কোনো বিশ্বাস নাই!   (-_-)   দুই মেয়ে কথা বলছে-
১ম মেয়ে: আজকালকের ছেলেদের কোনো বিশ্বাস নাই। আমি তো আজকে থেকে ওর মুখও দেখতে চাই না…

২য় মেয়ে: কি হইছে? তুমি কি ওকে অন্য কোনো মেয়ের সাথে দেখে ফেলছ?
১ম মেয়ে: আরে না! ও আমারে আরেক ছেলের সাথে দেখে ফেলছে…। কালকে ও আমারে বলছিল যে, ও নাকি শহরের বাইরে যাবে। তাহলে সে আমাকে কিভাবে দেখল। মিথ্যুক, বদ, ধোঁকাবাজ…
   (-_-)   সাবধান আর নিচে নামিস না   (-_-)   এক শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের জিজ্ঞেস করেন - এমন জিনিসের নাম বল তো যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিতি হয় ।
ছাত্র - চুল
শিক্ষক - কিভাবে ?
ছাত্র - মাথায় আমরা বলি চুল , চোখের উপরে থাকলে বলি ভ্রু, ঠোটের উপরে থাকলে বলি গোফ , গালে ও চিবুকে থাকলে বলি দাড়ি । বুকে থাকলে বলি লোম এবং ……
শিক্ষক - সাবধান আর নিচে নামিস না !!!

যদি দুজন দুজনকে পছন্দ করো, তাহলে প্রেম করবা ||||


যুবকঃ চাচা কয়টা বাজে..?
 চাচাঃ জানি না ।
 যুবকঃ কিন্তু আপনার হাতে তো ঘড়ি আছে, প্লিজ বলেন না । 
 চাচাঃ না আমি বলবো না ।
 যুবকঃ কিন্তু কেন..? 
 চাচাঃ কারণ, আমি সময় বললে তুমি থ্যাঙ্কস বলবা । তারপর নাম বলবা, তারপর আমার নাম জিজ্ঞাস করবা । এরপর কি কর সেটা বলবা, আমি কি করি জনতে চাইবা । তারপর আমাদের জানা শোনা হবে । এখানে গল্প করতে থাকবা । ট্রেন আসলে টিকেট কেটে আমার পাশের সিটে বসবা । এরপর আমি যেই স্ট্যাশনে নামবো, সেখানে তুমিও নামবা । love tips  আমার একটা সুন্দরী মেয়ে আছে, যে আমাকে স্ট্যাশন থেকে নিতে আসবে তাকে তুমি দেখবা । সেও তোমাকে দেখবে । যদি দুজন দুজনকে পছন্দ করো, তাহলে প্রেম করবা ।এরপর বিয়ে করতে চাইবা । তাই আমাকে মাফ করো ভাই, আমি সময় বলতে পারবো না । কারণ,আমি তোমার মত কাঙ্গাল জামাই চাইনা, যার কাছে সময় দেখার জন্য ঘড়িটা পর্যন্ত নাই bangla funny sms

ফাটাফাটি জোকস || চান্দু গেল তার ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতে

ফাটাফাটি জোকস

চান্দু গেল তার ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতে চান্দু তার ছাত্রীকে গণিত শেখাচ্ছে………
↓ ↓ মনে কর, তোমার কাছে ৫ টা গোলাপ আছে, আমি তোমাকে আরো ৫ টা দিলাম। তাহলে, তোমার কাছে মোট গোলাপ থাকবে ১০ টি, এটা হল যোগ । 
চান্দুঃ বুঝেছ ? অনেক মজা না ?? 
ছাত্রীঃ জ্বি । 
↓ ↓ এবার ধর আমার কাছে ১০ টা চকলেট আছে, আমি তোমাকে ৮ টা দিয়ে দিলাম আমার কাছে ২ টা থাকবে । এটা হল বিয়োগ । 
চান্দু:-বুঝেছ ? অনেক মজা তাই না ?
ছাত্রী-: জ্বি। bangla jokes
↓ এবার মনে কর, তুমি আমায় তিনটা চুমু দিলে, আর আমি তোমায় চুমু দিলাম ১২ বার । তাহলে মোট ৪ গুণ চুমু তুমি বেশি পেলে, এটা হল গুণ । 
চান্দু-:বুঝেছো ? অনেক মজা তাই না ? 
ছাত্রী-:জ্বি । ↓ ↓ 
দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছাত্রীর বাপ এতক্ষণ সব শুনছিলেন । ঘরে ঢুকে চান্দুর ঘাড় ধরে দাঁড় করিয়ে দরজার কাছে নিয়ে গেলেন । ↓ ↓ ↓ 
"তারপর চান্দুকে সজোরে লাঁথি মেরে ঘর থেকে বের করে বললেন, আর এটা হল ভাগ । 

  • কৌতক, মজার কৌতুক, বল্টুর নতুন জোকস, বল্টুর মজার জোকস, বল্টুর জোকস, বল্টু জোকস

হাঁসাইতে হাঁসাইতে মাইরা পালামু ।। না পড়লে পুরাই মিস

bangla jokes

হাঁসাইতে হাঁসাইতে মাইরা পালামু একবার ক্লাসে গান প্রতিযোগীতা হচ্ছে। 
প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করবে তিন জন : jokes bangla
১. আবুল
২. পল্টু 
৩. বল্টু 
* স্যার প্রথমে আবুলকে গান  গাইতে বলল, তখন, আবুল গান  গাইলো।  
১. " বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর" "বদনা হাতে আব্দুল গফুর" "আকা বাকা গ্রাম্য পথে, লুঙ্গি তুইলা হাইটা যায়" তাই দেখিয়া বুকটা আমার বেলুনের মত ফাইটা যায়........ * 
আবুলের গান শুনে স্যার বেইজ্জতি। ******** bangla koutuk
২ এবার পল্টুর পালা, পল্টু গান গাইলো । 
২. "হৈ হৈ বাশের পাতা খসখসে, "লাউয়ের পাতা নরম, "ছকিনার মুখে চুমু দিতে, "আমার লাগে শরম,,,.... * ** bangla jokes
এবার স্যারের মাথা হ্যাং,,, 
***** এবার বল্টুর পালা, * বল্টু স্যারের মেয়েকে ভালবাসত। স্যারের মেয়ের নাম ছিল জরিনা। তাই ক্লাসে জরিনাকে লক্ষ্য করে, বল্টু ব্যান্ডের গান  গাইলো, 
 " চাদ উঠেছে আকাশে",,,,, "জরিনা আমার বাম পাশে",,,, "আমি সমুদ্র জরিনা ঢেউ"...... "জরিনা কুত্তা আমি ঘেউ.... ভ্রক ভ্রউউউউউউঊউ......... * 
স্যার পুরাই বেহুশ। * হা হা হা হা মাইরালাইচেরে. মাইরালাইচে. * এবার আপনারাই বলুন প্রতিযোগীতায় কে ফাস্ট হবে?


  • কৌতক, মজার কৌতুক, বল্টুর নতুন জোকস, বল্টুর মজার জোকস, বল্টুর জোকস, বল্টু জোকস
মেয়েরা বিপদে না,পড়লে কথা শোনেনা

মেয়েরা বিপদে না,পড়লে কথা শোনেনা



মেয়েরা বিপদে না,পড়লে
কথা শোনেনা
আজ একটা মেয়ের সাথে চ্যাট
করলাম। সেইরাম
মজা পাইলাম.....
আমি : হাই আপু......
মেয়ে : ।No reply)
আমি : এই যে আপুনি....?
মেয়ে : ।No reply)
আমি : আপু কি অনেক বিজি?,
মেয়ে : ।No reply)
(৫ মিনিট পর....)
.
.
.Love tips
.
.
.
.
.
.
আমি : আপু আপনার
সাথে আড্ডা দিতে চাই না। শুধু
একটা কথা জানতে চাই, আপনার
বয়ফ্রেন্ড আমার
গার্লফ্রেন্ডকে ডির্স্টাব
করে কেন? এসবের
মানে কি?...... হু !
মেয়ে : ।What ???
আমি : ।No reply)
মেয়ে : হ্যালো, ভাইয়া......
আমি : ।No reply)
মেয়ে : প্লিজ ভাইয়া রিপ্লাই
দিন....
আমি : ।No reply)
"
মামা mood টা,কেমন হইছে বলোতো ...???
  • bangla jokes,bangla koutuk,bangla comedy,bangla funny sms,jokes bangla, bangle jokes 18+, bangla sad sms,sms bangla,bangla romantic sms, bangla love poem, bangla love sms,bangla sms, কৌতক, মজার কৌতুক, বল্টুর নতুন জোকস, বল্টুর মজার জোকস, বল্টুর জোকস, বল্টু জোকস