Showing posts with label love story bangla. Show all posts
Showing posts with label love story bangla. Show all posts

ভালবাসার গল্প: হাদারাম

 


 এই যে?
-জি বলুন।
-আপনি রাতে ঘুমান না?
-মানে কি?
-মানে হচ্ছে, এই যে প্রতিদিন ক্যাম্পাসে টলতে টলতে আসেন ;নিশ্চয় রাতে ঘুমানো হয়না মনে হয়?
-তা শুনে আপনার কি,আমি কি আপনাকে চিনি নাকি যে আপনাকে বলব!
-চেনার দরকার নেই, তবুও বলুন।
-আপু আপনি কে বলুনতো?সেই তখন থেকে প্যাচাল পেরে যাচ্ছেন।
-বাব্বা আপনি আবার রাগও করতে পারেন।সবসময় তো দেখি চশমা চোখে, মাথা নিচু করেই হাটেন।এই ভালো কথা আপনার সেই মোটা ফ্রেমের চশমা খানা কোথায়?আজ পড়েননি যে?
-ইচ্ছে হয়নি তাই পড়িনি।আপনার কোন সমস্যা? পাগল নাকি? এই বলে আমি হনহনিয়ে ক্লাসের দিকে পা বাড়ালাম।
একটু গিয়ে পেছন ফিরে দেখি মেয়েটি হেসে হেসে গড়িয়ে পড়ছে আর আমাকে পেছন ঘুরতে দেখেই চিৎকার করে বলল মিস্টার আহান কালকে যেন চোখে চশমা দেখি?
এতক্ষনে আমি মেয়েটির দিকে ভালভাবে লক্ষ্য করলাম।সাদা চুড়িদারে শ্যামবর্নের মেয়েটিকে কোন পরির সাথে তুলনা করলেও ভুল হবে না।কি মায়াবী একটা মুখ। আমি আর অতকিছু না ভেবে ক্লাসে চলে গেলাম।
সমস্যা কিছুই ছিল না।কিন্তু সমস্যা বাধল রাতে আমি যখন পড়ার টেবিলে বসলাম তখন। কিছুতেই যেন পড়ায় মন দিতে পাড়ছিনা।চোখের সামনে শুধু সেই শ্যামবালিকার ছবি ভাসতে লাগল। আর তার সেই কথা কানে বাজতে লাগল,”মিস্টার আহান কালকে যেন চোখে চশমা দেখি!সে রাতে আর ঘুমই হোলোনা।
রাতে এত প্রতিজ্ঞা করলাম যে আমি কালকে চশমা পড়ব না।নিজেই নিজেকে বলতে লাগলাম কোথাকার কোন মেয়ে বলেছে তার জন্যে তার কথা আমাক শোনার লাগবে নাকি? কিন্তু পরের দিন ঠিকি আমাকে চশমা চোখে দেখা গেল।
-ক্লাসের পর লাইব্রেরির পেছনে বসে ফোন চাপছিলাম।হটাৎ পেছন থেকে কেউ একজন মাথায় টোকা দিল।মেজাজ পুরা ৪২০ ডিগ্রি এঙ্গেল এ খারাপ হয়ে গেল।পেছন ফিরে যেই বকা দিতে যাব অমনি দেখি কালকের সেই মেয়ে হাসি হাসি মুখ করে আমার দিকে চেয়ে আছে।ভাবছিলাম বকা দিব কিন্তু এই মেয়ের নিষ্পাপ হাসি দেখে আমার মুখ দিয়ে আর কথাই বের হচ্ছেনা, তার ওপর এই মেয়ে আবার আমার প্রিয় রং হলুদ কালারের চুড়িদার পড়ছে।আচ্ছা এই মেয়ের কি চুড়িদারের দোকান আছে নাকি?
-এই যে মশাই কি দেখেন অমন করে হু, বলে আমার চোখ থেকে চশমাটা খুলে নিল।আমার কথামত চশমা পড়ছ তাহলে?
-আমি কারো ইচ্ছায় চশমা পড়ি নাই।আমার ইচ্ছা হইছে তাই পড়ছি।আর আপনি আমাকে তুমি করে বলছেন কেন?
-শোনো আজ থেকে আমরা বন্ধু। যদিও আমি তোমার এক ব্যাচ জুনিয়র কিন্তু আমরা তুমি করেই কথা বলব।অত আপনি আপনি করতে পারবোনা।
সেই সময়টা থেকেই ইরির সাথে বন্ধুত্ব, তখন থেকেই একসাথে ক্যাম্পাসের সোনালি সময় গুলো পার করা।তার সাজানো তুমি থেকে কবে যে আমরা তুই এ নেমেছি দুজনের কেঊ টের পাইনি।
এর মাঝে আমি একদিন তাকে জিজ্ঞেস করছিলাম যে সে প্রথমে কেন আমার সাথে এভাবে পরিচিত হয়েছে।তার ঊত্তর ছিল এরকম, গাধাদের অতকিছু জানতে হয়না।আমিও আর কিছু জানতে চাইনি।এভাবেই তিনটি বছর কেটে গেল।

–ইরি আমাকে মাঝেমাঝেই রান্না করে খাওয়ায়।আজকেও ক্যাাম্পাসে শিমুল তলায় বসে তার হাতের খিচুড়ি তৃপ্তি সহকারে খাচ্ছি।
বুঝছোস ইরি, তোর হাতের খিচুড়ির সাথে আসলে কোন কিছুর তুলনা হয়না। দেখি মেয়েটা আমার দিকে ভেজা ভেজা চোখে তাকিয়ে আছে।আমি আর তাকে কিছু না বলে খাওয়ার দিকে নজর দিলাম।সেই সবে থেকেই দেখে আসতেছি আমার খাওয়ার সময় মেয়েটা অপলক আমার দিকে তাকিয়ে থাকে।
-আহান শোন, বাবা না আমার বিয়ে ঠিক করেছে?
-কথাটা শুনে বুকটা যেন ছ্যাত করে উঠল।তবুও কষ্টটা লুকিয়ে বললাম ভালোতোরে।বয়স তো আর কম হোলোনা।দিন দিন তো বুড়ি হয়ে যাচ্ছিস। এবার বিয়েটা করেই ফেল।
-তুই খুশি হয়েছিস?
-খুশি হবনা কেন;তোর বিয়ে বলে কথা আর তোর বিয়েতে আমিতো নাঁচব।
-এখন থেকেই নাচ তুই বলে সে উঠে গেল।আমি এত ডাকলাম তবুও সে একবার পেছন ফিরে তাকালো না।তবে আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম মেয়েটা হাত দিয়ে তার চোখের জল মুছল।
-আমি জানি ইরি আমাকে ভালোবাসে, আর আমি এটাও জানি ইরিও আমার প্রতিটা সত্তার সাথে মিশে গেছে।
কিন্তু কোন এক অজানা কারনে দুজন দুজনকে কিছুতেই মনের কথাগুলো বলতে পারিনা।
-রাতে ঘুমুতে গেলাম কিন্তু কিছুতেই দু চোখের পাতা এক করতে পারছিলামনা। শুধু ইরির সেই ছলছল চোখ মনে পরতে লাগল;যেই চোখের ভাষা আমাকে ছুতে চায়,যেই চোখ আমার কাছ থেকে কিছু শুনতে চায়।মনের মাঝে কি এক তোলপাড় শুরু হল।না,এই মেয়েকে ছাড়া আমার কিছুতেই চলবে না।তাকে আমি অন্যের হতে দিতে পারিনা।
ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম ৯.৩৫ বাজে।১০ টা পর্যন্ত ইরিদের হল খোলা থাকবে।আমি আর কিছু না ভেবে ইরিদের হলের দিকে দৌড় দিলাম।সেখানে গিয়ে তাকে ফোন দিলাম।কিন্তু এই মেয়ে ফোন ধরে না কেনো?দ্বিতীয় বারে সে ফোন ধরে বলল…..
-হুহ,বল
-হু কি,ফোন ধরিসনা কেন?
-কি দরকার সেটা বল(গম্ভীর ভাবে)
-একটু তোর হলের নিচে আয় তো, আমি নিচে দাঁড়িয়ে আছি।
-মানে কি আহান?এই সময় কেন?আমি পারব না।
-আয় না প্লিজ!
– পারব না।

-ওপাশে ফোন কাটার শব্দ পেলাম।কিন্তু আমি জানি সে আসবে,তাকে আসতেই হবে।একটু পরেই আমার ধারনা প্রমাণিত করে তাকে মাথা নিচু করে আসতে দেখা গেল।এসেই বলল….
-কি,বল?
-কই এর আগে তো কখনও কিছু জানতে চাসনি।যখন যা করতে বলেছি তাই করেছিস।তবে অাজ কেন?
-সবসময় সবকিছু এক থাকেনা আহান।কি বলবি বল,দাড়োয়ান চাচা গেট বন্ধ করে দিবেন।
-ইরি শোন,তুই না এই বিয়েটা করিসনা।
-কেন করবোনা?
-কারন আমি তোর হাতের খিচুড়ি না খেয়ে থাকতে পারবোনা,তোকে ছাড়া থাকতে পারবোনা,তোকে অন্যের হতে দেখতে পারবোনা রে।
দেখি ইরি কেঁদে ফেলছে।এই ইরি কাঁদছিস কেন?
-সে কোন কথা না বলে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল হাদারাম,এই কথাটা বলতে তুই এতটাদিন সময় নিলি।তুই আসলেই একটা হাদারাম!কোথথাও বিয়ে করবোনা আমি।আমার সকল সুখতো তোকে ঘিরেই।
-এতক্ষনে বুজলাম আমার চোখ বেয়েও অশ্রুর ধারা নামা শুরু করছে।নামুক এই অশ্রু, মুছে নিয়ে যাক আমাদের দুজনের এতদিনের সকল অসারতা।

ভদ্র মেয়ে চিনে রাখার ৮টি কৌশল

 


 ভদ্র মেয়েরা হচ্ছে সমাজের সৌন্দর্য। একজন ভদ্র মেয়ে তার পরিবারের ও সমাজের জন্য গর্ব। বর্তমান আধুনিক যুগে প্রায় সব মেয়েই নিজেকে অত্যাধুনিক মনে করে থাকেন। মূলত সে কারণেই অনেকেই বিভিন্ন ধরণের কুরুচিপূর্ণ পরে নিজেকে অত্যাধুনিক হিসেবে উপস্থাপনের নোংরা খেলায় মেতে রয়েছে।

তাই ভদ্র মেয়ে মানুষ চিনে রাখা সবার জন্যেই দরকার। তাই ভদ্র মেয়েদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:

 

১. ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচেতন থাকে। এমন কিছু পরে না যাতে করে বাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

২. ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চাই না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।
৩. ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্রভাব পরুক তা তারা চাই না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।

৪. ভদ্র মেয়েদের রাগ একটু বেশি। যার উপর রেগে যায় তাকে মুখের উপর সব বলে দেয়। মনে কোনও রকম রাগ, হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিও পেয়ে বসে।
৫. ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলা পোহাতে হয় বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগে থাকলে অযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুব বেশি ভালোবাসে।

৬. ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরুষ থেকে তারা ১০০ হাত দূরে থাকে।
৭. ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুব সীমিত থাকে। ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটা যেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাব পেতে হয়।
৮. ভদ্র মেয়েদের কবিতা লেখার প্রতি আগ্রহ বেশি। তারা তাদের লেখা কবিতা সচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায় না। ভদ্র মেয়েরা সাধারণ ঘর কুনো স্বভাবের বেশি হয়। ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনও কাজ কখনও করে না।

Bangla Cute Love Story (রাগি বর আর দুষ্টু বউ Part_1) Romantic Love Story

 


এই যে মি: দেখে চলতে পারেননা।মেয়ে দেখলেই গায়ে পরতে ইচ্ছে করে --রাত বলে উঠলো।

(পরিচয় দেওয়া যাক এই আমাদের গল্পের নায়িকা রাত।দেখতে মাশাআল্লাহ । 12 এ পড়ে ।কিন্তু সেই লেভেলের দুষ্টু।পরে সব বুঝতে পারবেন।গল্পে ফেরা যাক)

দীনা:আহ।।রাত বাদ দেতো । এখান থেকে চল।(দীনা রাতের best friend)
রাত: না দাঁড়া।বেটাকে শায়েস্তা করে তবে ছাড়ব।।বেটা তালকানা খাটাশ।দেখে চলতে পারে না 😡

 

অপরিচিত: দেখুন I am sorry.আমি সত্যি দেখতে পাইনি।😦
রাত:দেখতে পাননি মানে টাকি।চোখ কি মানিব্যাগে নিয়ে হাঁটেন ?😡
অপরিচিত: দেখুন আপনি কিন্তু বেশিই বলছেন।বললাম তো আমি দেখতে পাইনি।
রাত: তা ঠিক ।এরকম তালগাছের মতো লম্বা । হলে হবে টাকি😁
অপরিচিত: এই মেয়ে কি বললে😠😠
রাত: এ বেটা দেখি কানেও কম শোনে 😕
অপরিচিত: What nonsense is this??😠😠
রাত: হায় আল্লাহ ।।এতো দেখি এনাকন্ডার মতো রাগছে 😱
অপরিচিত: এই তুমি পাগল নাকি😬
রাত: কী বললেন আমি পাগল !😱 এতো বড় সাহস।।বেটা তালগাছের এনাকন্ডা।।তোকেতো আমি মেরেই.......
দীনা: আহ রাত চল এখান থেকে।(রাতকে টানতে টানতে)
রাত: ছাড় আমাকে।।এই তালগাছের এনাকন্ডাকেতো আমি বাঁশ গাছে ঝুলিয়ে পেটাবো😡

অপরিচিত: দেখি এইটুকু একটা মেয়ে তুমি কি করতে পারো। I will see u 😡😡
দীনা:দেখুন plz আপনি কিছু মনে করবেন না । ও একটু এরকম দুষ্টু।রাত চল এখান থেকে ।।(রাতকে টানতে টানতে)

তারপর

আমি, তুমি মিলে আমরা : সাদিয়া রহমান দৃষ্টি



সারারাত ঘুম হয়নি। নতুন বিয়ে হয়েছে। বিয়েটা পরিবার থেকেই হয়েছে।দেড় মাস হলো বিয়ে হয়েছে আর সেদিন থেকেই ঘুমাতে পারিনা। অথচ এই বিয়ে নিয়ে কত্ত স্বপ্ন দেখতাম!! ছিমছাম, সুঠাম দেহের হ্যান্ডসাম রাজপুত্রের মতো দেখতে একটা ছেলের সাথে আমার বিয়ে হবে। কত রোমান্টিক কথা বলবে, একসাথে কত্ত মধুর স্মৃতি, কত্ত জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাবে!!

তার সাথে রাত জাগারও প্ল্যান ছিল। কিন্তু সেই রাত জাগা আর এখনকার রাত জাগার মধ্যে অনেক তফাৎ। ইচ্ছে ছিল আমরা একসাথে রাতের বেলা বেলকনিতে বসে কফি খাবো আর জোৎস্না দেখবো, কোন কোন দিন রাতে ছাদে শুয়ে শুয়ে চাঁদের আলো গায়ে মাখবো, হয়তোবা কখনো কখনো তারা গুনবো। একটা সিনেমা সিনেমা ফিলিংস থাকবে।। কিন্তু কি পেলাম আমি?? পেলাম তো এক ভুড়িওয়ালা কালো চামড়ার বিরক্তিকর লোককে, যে সারারাত নাক ডেকে ডেকে ঘুমোয়। ঘুমের ঘোরে সে অনবরত হাত পা ছুঁড়তে থাকে। আমাকে সে মাঝে মাঝে এমন ভাবে কোলবালিস বানিয়ে ঘুমোয় যে আমার নিঃশ্বাস আটকে যেতে চায়।।।আর আমাকে জেগে থাকতে হয়। প্রথম প্রথম খুব মেজাজ খারাপ হতো, রাগ লাগতো নিজের ভাগ্যের উপর। কিন্তু এখন আর একটুও খারাপ লাগেনা। দিন যাচ্ছে আর মনে হচ্ছে এই বিষয়টা আমি ইনজয় করছি। দিনকে দিন আমার ধারণা, ভালো লাগা- খারাপ লাগার ধরণ চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে।



- দাঁড়াও দাঁড়াও এত প্রশ্ন একসাথে করলে উত্তর দেবো কি করে?? এক গ্লাস পানি দাও আগে।। আর হ্যাঁ শোন পানিতে বরফ দিও একটু।
- আমি পানি নিতে এগুতে এগুতে বললাম দরজাটা লাগিয়ে দিন।। তারপর একগ্লাস নরমাল পানি দিলাম তাকে।।
- একি পানিতে বরফ দাওনি? পানিটা তো গরম হয়ে আছে।। ওইটা খেয়ে তৃপ্তি হবেনা।
- না হলে না হবে। ভুলে গেলেন কয়েকদিন আগে ঠান্ডা পানি খেয়ে কি অবস্থা হয়েছিল?? আজব যেটা খেলে সমস্যা হয় সেটা খান কেন??
-ওরে বাবা! ঠিকআছে ঠান্ডা পানি আর খাবোনা যাও। কিন্তু আমার বৌ-টা রাগ করলে তো আরো সুন্দর লাগে?? দেখি একটু কাছে আসো তো!
- আহ্!! কি করছেন কি বলুন তো? ভীমরতি ধরেছে নাকি?? যান ফ্রেশ হয়ে আসুন। আমি চা বানাচ্ছি।।
- ঠিক আছে! যাচ্ছি। ইয়ে মানে বলছিলাম কি চায়ে একটু চিনি বেশী দিও কেমন??
এই লোকটাকে প্রথম প্রথম খুব বেশি বিরক্ত লাগতো, যদিও মুখে প্রকাশ করিনি। কিন্তু ধীরে ধীরে মনে হয় একটু একটু ভালো ও লাগছে। নাহ একটু না, অনেক বেশী ভালো লাগছে। প্রথম প্রথম যেগুলা অসহ্য লাগতো এখন সেগুলাই ভালো লাগছে। আচ্ছা আমি কি ওনার প্রেমে পড়ে যাচ্ছি নাকি??

-এই যে নিন আপনার চা।। আদা চা করেছি আর হ্যাঁ, চিনি ছাড়া। এটাই খেয়ে নিন। আপনার এখন থেকে কিছু কিছু জিনিস কন্ট্রোল করতে হবে। এ নিয়ে আর কোন কথা বলা যাবেনা।

- ইয়ে এক চামুচ তো দিতে পারো তাইনা?

- এক চিমটি ও না। ওটাই খেয়ে নিন। এখন বলুন তো এত্ত আগে কেন আসলেন আজকে?? কিছু হয়েছে??

-আজ একটা কাহিনী ঘটেছে। আমার এক কলিগের বড় বোনের জন্য রক্তের দরকার ছিল। কোথাও পাচ্ছিলনা, আর আমার সাথে মিলে গেলো তাই আমি ডোনেট করলাম। এই জন্য আজ বস ছুটি দিয়ে দিল।

- মানে কি? আপনি ব্লাড ডোনেট করে এসেছেন? আর আমি কিছুই জানিনা? আমাকে বলার প্রয়োজন মনে করেননি??

- না, তা না। আসলে ভাবলাম তুমি যদি টেনশন করো!

- বয়েই গেছে আমার টেনশন করতে। আচ্ছা স্যালাইন খেয়েছেন? আর ডাব খেয়েছেন কি? বাসায় তো কোনটাই নেই।

- আচ্ছা এতো অস্থির হচ্ছো কেন?? স্যালাইন খাইনি তবে জুস দিয়েছিল জুস খেয়েছি। আর আসার সময় একটা ডাব খেয়েছি।।

- ধুর! জুস খেয়ে কি হবে? সব কেমিক্যাল।ডাব টা কাজে লাগবে। দাড়ান এককাজ করি! পানি, চিনি আর লবণ দিয়ে স্যালাইন বানিয়ে আনি। আর একটা ডিম সেদ্ধ আনি।

-এই শোন শোন, এখন দরকার নেই। আসো, আমার পাশে একটু বসো, গল্প করি।।

- বসতে পারবোনা। আপনি ওয়েট করুন, আমি আসছি এখনি।

- ডিম সেদ্ধ, আর স্যালাইন বানিয়ে এনে দেখি "ও" ঘুমিয়ে পড়েছে। ওকে জাগাতে ইচ্ছা করছেনা। কেন জানিনা ওর ঘুমানো দেখতে ভালো লাগছে। মানুষটার উপর কেন জানিনা মায়া পড়ে গেছে। কালো একটা মানুষ যে এত্ত সুন্দর হতে পারে আগে বুঝিনি। কালো অনেক মানুষ আছে যারা অনেক সুন্দর হয়। কিন্তু তারা কেউ আমার বরের মতো সুন্দর না। কি আজব যেই মানুষটাকেই কয়েকদিন আগে কুৎসিত মনে হতো তাকেই আজ সবচেয়ে সুন্দর পুরুষ মনে হয়। তাকে কেউ খারাপ বললে সহ্য করতে পারিনা। আচ্ছা এটাই কি প্রেম?প্রেমে পড়েছি আমি?? কেন জানিনা ইচ্ছা করছে ওর কোলবালিশ হয়ে যাই। ও ঘুমোবে আর আমি দেখবো।।

কখন যেন ঘুমিয়ে গেছিলাম নিজেও জানিনা। উঠে দেখি ২.৩৮ বাজে। কয়েক সেকেন্ড মনে হলো সব ভূলে গেছি। তারপর মনে হলো সোহান তো বাড়িতে আছে। একি! দুপুরে তো রান্নাই করিনি আজকে। ও খাবে কি?? আমি কখন কি করবো? এমনিতে সকালে মানুষটাকে রাতের বাঁসি রুটি-তরকারি খেয়ে অফিসে যেতে হয়েছে। আবার দুপুরেও একটু খাবার রান্না করে দিতে পারলামনা?? কিন্তু ও- ই বা কোথায় গেলো? রান্না ঘরের দিকে গিয়ে দেখি মশায় রান্না করছেন।

- ওমা! একি!! আপনি? কি করছেন? আমাকে ডাকেননি কেন??

- তুমি ঘুমিয়ে পরেছিলে। তাই ডাকিনি। টি- টেবিলে স্যালাইন আর ডিম রাখা ছিল খেয়ে নিয়েছি। তারপর ভাবলাম আজ তোমাকে না ডাকি। একদিন না হয় আমি রান্না করে খাওয়াই নিজের বৌ- কে। ব্যাচেলর থাকতে তো মাঝে মাঝেই রান্না করে বন্ধুরা মিলে খেতাম।

-মনে মনে যে খুশি হয়েছি সেটা কিছুতেই প্রকাশ করা যাবেনা। আমি একটু চেঁচিয়ে বললাম, আপনি তো সব কিছু অগোছালো করে দিলেন। আমার সব কাজ বাড়িয়ে দিয়েছেন। কে করতে বলেছে আপনাকে এসব? আমাকে ডাকলেই তো হতো।।

- সবসময় আমি- তুমি, আমি- তুমি ভাবো কেন বলতো? আমরা ভাবতে পারোনা? আমি তুমি আলাদা না ভেবে দুইটা যোগ করে আমরা ভাববে কেমন? শোন দুইজন মিলে গুছিয়ে রাখবো।। আর তোমার থেকে আমি অনেক বড়। আমি তোমার স্বামী। মনে মনে যে খুশি হয়েছো এইটা প্রকাশ করতে দোষের কিছু নেই। ছোট মেয়ে ছোট মেয়ের মতই থাকবা। এখন এদিকে আসো, দেখো তো রান্না কেমন হয়েছে? ভাত, মুরগীর মাংস আর ডাল। চলবেনা??

- রান্নাটা মজা হয়েছে। কিন্তু চলবেনা।

- কেন? আর কিছু লাগতো?

- নাহ আসলে চলবেনা কারণ দৌঁড়াবে। মজা করালাম একটু আর কি।।

- (শব্দ করে হেসে) হুম মাঝে মাঝে মজা করবা। ভালো লাগে আমার। চল খেতে বসি অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে।

ও নিজেই খাবার সার্ভ করছিল, তখন খেয়াল করলাম হাতে একটু ফোসকা উঠেছে।
- একি? রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়িয়ে ফেলেছেন? বাহ্ খুব ভালো।৷ আমাকে ডাকলে সমস্যা কোথায় ছিল? লেকচার তো ভালোই দিলেন, আমি তুমি মিলে আমরা। কিন্তু নিজের বেলায় আলাদা তাইনা?

- ও কিছু না। সামান্য একটু........

- চুপ। দাড়ান মলম লাগিয়ে দিচ্ছি। আর শুনুন আমি খাইয়ে দিচ্ছি আপনাকে। ওই হাত দিয়ে খেতে হবেনা।

- কিহ্!! সত্যি? তাহলে তো আমি ১০০ বার হাত পুড়িয়ে ফেলতে রাজি আছি।

- অমনি না?? থামুন। আর একটা ও কথা বলবেননা ।

আজকের দিনটা ও শেষ হয়ে গেলো। রাতে শুয়ে ছিলাম দুইজনই। আমি ওনাকে বললাম - শুনুন, একটা কথা বলবো??

- হ্যাঁ বলো।

- না থাক।

- না না বল।

- না কিছুনা।

সে হঠাৎ আমার মাথাটা তার বুকের মধ্যে নিয়ে বলল ভালোবাসি কথাটা অতটাও কঠিন না পাগলীটা। তাছাড়া আমি তোমার স্বামী। আমাকে যখন যা খুশি তাই বলতে পারো। এত সংকোচ করোনা।।

- আমি আর কোন কথা বলিনি৷ চোখ টা বন্ধ করে থাকলাম। হয়তো আজো ঘুম হবেনা। এই জেগে থাকাটা ফিল্মের মতো না৷ কিন্তু এতে সত্যিকারের ভালোবাসা আছে। তাই এটা আরো বেশী সুন্দর। আগে বুঝতামনা। কিন্তু এখন ঠিকি বুঝি। ভালোবাসি "ও"কে। এরমধ্যেই " ও" ঘুমিয়ে গেছে। নাক ডাকা শুরু হয়ে গেছে। মাঝে মাঝে হাত পা ছুঁড়বে কিছুক্ষণের মধ্যেই ৷ ওর ভূড়ি আমার শরীর স্পর্শ করে আছে। কিন্তু আমার খুব ভালো লাগছে৷ ওর গায়ের গন্ধ ভালো লাগছে।৷ জেগে থেকে ওর ঘুম দেখতে ভালো লাগছে ।।

গল্পঃ আমি, তুমি মিলে আমরা
লেখাঃ সাদিয়া রহমান দৃষ্টি

মাদ্রাসার মেয়ে || Bangla Love Story || New Love Story Bangla

#মাদ্রাসার একটা মেয়ের সাথে ধরে বেধে আমার বিয়ে দিয়ে দিলো। যেখানে আমি ময়মনসিংহের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন হ্যান্ডসাম ডেসিং স্টুডেন্ট । এটা কি মেনে নেওয়া যায়। আমি হলাম ডিপার্টমেন্ট এর সেলফি বয়। সব সময় সেলফি তুলে ফেসবুকে আপলোড করি। তিন বেলা নতুন ড্রেসে নতুন জায়গায় ফটো তুলে ফেসবুকে না দিলে আমার পেটের ভাত হজম হয়না। কত আশা ছিলো আমার বউ হবে খুব মর্ডান একটা মেয়ে।যে সব সময় মর্ডান ড্রেস পড়ে সেজেগুজে থাকবে। যাকে নিয়ে ফটো তুলবো আর ফেসবুকে পাবলিক পোস্টে দেবো। সবাই দেখবে তখন এই সামিরের বউ কতটা বিউটিফুল।সবাই সুন্দর সুন্দর কমেন্ট করবে আমার বউয়ের। ওর রুপের প্রশংসা করবে।কিন্তু এখন তো আমার সব আশায় জল ঢেলে দিলো এই মাদ্রাসার মেয়েটা। পুরো বডি বোরখা দিয়ে ঢাকা থাকবে পা থেকে মাথা পর্যন্ত। কিছুই দেখা যাবেনা। ভাবতেই আমার রাগে মাথায় আগুন জ্বলছে।
.

.
আমাকে এক প্রকার জোর করে বাবা মেয়ে দেখাতে নিয়ে গেলো ময়মনসিংহের সুতিয়া খালিতে।
ভাবলাম যাইহোক, মেয়ে কে অন্তত বিয়ের আগে দেখতে পারব। সুন্দরী হলে ভাবা যাবে বিয়ের বিষয়টা। বিয়ে হলে আমার কথায় চলতে হবে বউকে কারণ আমি হলাম তার স্বামী। আমি তাকে আমার মতো মর্ডান বানিয়ে দেবো।
আমার কথায় সে চলবে। স্বামী আদেশ শুনবে এটাই তো মেয়েটার সাত কপালের ভাগ্য।
পছন্দ না হলে আমি অযুহাত দেখাতে পারব বিয়ে না করার।
.
.
আমি মেয়ে দেখে সেন্স হারাবো
এমন অবস্থা হয়েছে। মেয়ের পা থেকে মাথা অব্দি পর্দা করা। কালো বোরখা পড়েছে ঢিলেঢালা। বডি স্লিম নাকি ফ্যাট সেটাও বোঝা যাচ্ছেনা।
চোখ পর্যন্ত কালো নেট দিয়ে ঢাকা নেকাবের সাথে।
আমার প্রচন্ড রাগ উঠে গেলো। একটু ফেসও দেখতে পারলাম না।
আমি উঠে যেতে চাইলে বাবা রাগী লুকে তাকালো আমার দিকে।
আমি ধপ করে বসে পড়লাম।
.
.
মেয়ে ফিস ফিস করে কিজানি বলল। মনে হয় সালাম দিলো।
পুরো বাড়িটাতে কোন মহিলা দেখালাম না। সারা বাড়ি স্তব্ধ।
মেয়ের বাবা হাতে করে সব নাশতা আনলেন।
আমি বললাম মেয়েকে বললাম...নাম কি?
মেয়ে মাথা নিচু করে আছে।
মেয়ের বাবা কাশতে শুরু করলেন। বাবা রাগী লুকে তাকালেন।
শুধু নাম জিজ্ঞেস করাতে এমন রিয়াকশন।
.
আমি সমুচা খেতে খেতে এদিক ওদিক তাকালাম শালিদের দেখার জন্য।
কিন্তু কোথাও কেউ নেই।সোনায় বাঁধানো কপাল আমার একটা শালিও নেই আর থাকলেও দেখার সৌভাগ্য হতো না আমার।
আহত চোখে মেয়ের চলে যাওয়া দেখে হলো।
.
.
তারপর সাহস জমা করে বলল...আমি মেয়ের সাথে আলাদা কথা বলতে চাই। অমনি মেয়ের বাবার হার্ট অ্যাটাক এর মতো অবস্থা হলো। আর বাসার ভেতর থেকে সম্ভবত মেয়ের মায়ের হাত থেকে কিছু কাচের জিনিসপত্র ভাঙার শব্দ এলো। সিচুয়েশন আমার প্রতিকূলে। চারদিকের সিচুয়েশন স্তব্ধ। বাবা আমার দিকে এমন লুকে তাকিয়ে আছেন যে মনে হচ্ছে আমাকে গিলে খাবেন রেজালা ভেবে কাবাবের মতো।
.
তারপর হঠাৎ কি মনে করে যেনো বাবা উঠে পড়লেন। আর আমাকে নিয়ে চলে এলেন।
বুঝতে পাচ্ছিনা বিয়ে আধ হবে কি হবেনা।
.
.
পরেরদিন বাবার ডাকে দেখা করতে গেলাম বাবা মায়ের রুমে।
বাবার মুখ গম্ভীর। বাবা বলল... দেখো সামির বিয়ে হলো আল্লাহ তায়ালার হাতে। এখন বিয়ে না হলেও একসময় তো বিয়ে হবেই। আমি তো সেই লেভেলের খুশি।
.
বাবার কথা শুনে মনে হচ্ছে বিয়ে ভেঙেছে। ইচ্ছে হচ্ছে এখনি ইমরান হাশমির একটা গানে ডান্স দিই।
.
কষ্ট পেয়েছি এমন লুক নিয়ে বললাম...বাবা দুঃখ পেয়োনা। এর থেকেও ভালো বৌমা এনে দেবো তোমাদের জন্য। বিয়ে তো তোমার আমার হাতে নেই।
.
.
বাবা আমার মাথায় হাত রেখে এরপর যা বলল তাতে আমি স্তব্ধ।
বিয়ে হচ্ছে এই সপ্তাহে। আর সেটা ঘরোয়া ভাবে হবে কারণ মেয়ের ইচ্ছে।
মাই গড আমার পক্ষে এই বিয়ে করা অসম্ভব। মাদ্রাসার পর্দা করা মেয়েকে বিয়ে করার চেয়ে বস্তির মেয়ে বিয়ে করাও ভালো। আমি বাড়ি থেকে পালাতেও পারলাম না। বাবা সাফ সাফ বলে দিলো আমি বিয়ে না করলে সব প্রোপার্টি চলে যাবে এতিমখানার মাদ্রাসা। যথারীতি বিয়ে হলো সাদা মাটা। কোন গান বাজনা, আতসবাজি কিছুই হয়নি। এরকম নিরামিষ বিয়েতে আর যাইহোক কোন ফ্রেন্ডদের ইনভাইট করা যায়না। মেয়ের ইচ্ছে অনুযায়ী বিয়ের সব উৎসব এর টাকা মাদ্রাসায় দিয়ে দেওয়া হলো এতিমদের। বিয়েতে বিশিষ্ট অতিথিরা হলো মাদ্রাসার ছেলেরা। যেখানেই যায় শুধু মাদ্রাসা আর মাদ্রাসা। শালী তো একটাও দেখলাম না মাঝখান থেকে চার বছরের শ্যালক পাজামা পাঞ্জাবি পড়ে এসে আমাকে বলল...দুলাভাই আমাকে বাতাসা জিলিপি দিন।
দিলাম এক ধমক। একই অস্বস্তি পরিবেশ তার উপর এই ছেলে বলে কিনা দুলাভাই জিলিপি বাতাসা। আমি কি মসজিদর ইমাম যে জিলিপি বাতাসা নিয়ে বসে আছি বিলি করার জন্য। টুকটুকে সুন্দর আমার শ্যালকটা ধমক খেয়ে মুখ ব্যাকা করে কাদঁতে বসে পড়লো ফ্লোরে। বসলে বসুক তাতে আমার কি।
.
.
.
আমি রুমে গেলাম মাঝরাতে। বউয়ের মুখটাও দেখিনি এখনো। বিয়ের সময়ও পর্দা করে ছিলো। এতোকিছু যাকে নিয়ে হচ্ছে তার নামটাও জানিনা। আমি গিয়ে বিছানায় বসলাম। দেখলাম মেয়েটার গায়ে শাড়ি। কোন বোরখা দিয়ে পর্দা করা নয়।
চিৎকার করে বলললাম... বাসর ঘরেও পর্দা করে রাখতে।এনে দেবো বোরখা। মেয়েটা ধপ করে উঠে বসলো। মেয়ের মুখে ঘোমটা দেওয়া। এটা দেখে আরও রাগ উঠলো। রাগ দেখিয়ে বললাম নাম কি? এখন তো আর আমার সাথে কথা বললে আর মুখ দেখালে আল্লাহ তোমার মুখে গায়ে আগুনের ফোসকা দেবে না । মেয়ে ঘোমটা খুলতেই
মেয়ের মুখ দেখে আমি জ্ঞান হারালাম।
_আমি তরু...আপনার কি হয়েছে। আসুন আমার কোলে মাথা রাখুন আমি হাত বুলিয়ে দিচ্ছি। সারাদিন বিয়ের ধকল গেলো আপনার উপর। নিন আগে দুধ টুকু খেয়ে নিন। তারপর আমার কোলে ঘুমুবেন।
.
.
আমার চোখ বড় বড় হয়ে ছিলো ফেস দেখে তারপর কথা শুনে আমার চোখ বের হতে শুরু করেছে এমন অবস্থা। বউয়ের কোলে মাথা রেখে বউয়ের হাতে দুধ খেলাম। আহা! দুধ সেকি শুধু দুধ। মনে হচ্ছে অমৃত খাচ্ছি। কি সুন্দর মুখখানা। নূরের আলো জ্বল জ্বল করছে মুখে চোখে। যেনো বেহেশতের হুর পাঠিয়েছে আমার ঘরে আল্লাহ তায়ালা। কি সুরেলা কন্ঠ। কন্ঠ শুনেই আমি তো সারাজীবন পার করে দিতে পারব। এমন জান্নাতি হুর জীবনেও দেখিনি আমার জীবনে।
.
.
আমি কাঁপা কাঁপা কন্ঠে কাঁদো কাঁদো লুক নিয়ে বললাম তুমি কি বেহেশতের হুর। পথ ভুলে ভুল করে চলে এসোছো। আবার কি আসমানে চলে যাবে আল্লাহর বেহেশতের বাগানে।
আমার হুর বউ তরু অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে সুরেলা কন্ঠে হাসতে শুরু করলো।এবার আমি পুরো পুরি জ্ঞান হারালাম।
.
রাতে ঘুম ভালো ঘুম হলো। মায়ের সাথে যেমন ছোট বেলায় ঘুমুতে গেলে শান্তির ঘুম হয় ঠিক তেমন ঘুম হলো। মনে হলো সারারাত আমার সদ্য বিয়ে করা বউ তরু তার সব সুখ শান্তি আমাকে উজার করে দিচ্ছে। তরুর গায়ের মিষ্টি গন্ধে আর মাথায় হাত বুলানোর অনুভব আমি টের পাচ্ছি ঘুমে।
আমি এখন পাজামা পাঞ্জাবি পড়ি। মাথায় টুপি দিই। পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। মর্ডান থেকে আমি আল্লাহর বোরিং বান্দা হয়ে খুশি। আমি আমার শ্যালক কে এখন কোলে করে নিয়ে স্টোরে যায় গরম গরম জিলিপি বাতাসা খাওয়ানোর জন্য প্রতিদিন। টুক টুক করে শ্যালক জিলিপি খায় আর বলে... দুলাভাই দুলাভাই সালামালিকুম।
আমার মাদ্রাসার পর্দা করা বউ তরু আমার জীবনকে পাল্টে দিয়েছে। আমার বাবা আর মা আমার এই অবস্থা দেখে খুশিতে কাঁদে। আমার মনে এখন অফুরন্ত শান্তি। সবকিছুতেই শান্তি লাগে। আল্লাহর পথে চললে কখনো দুঃখ অনুভব হয়না এটা বুঝতে পারলাম লেট হলেও।
.
.
আমার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে আমার বোরিং ব্যাগটেডেট পর্দাওয়ালী বউ পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো বউ। আর আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তরুর কোলে মাথা রাখব।
তরুর মাহাত্ম্য দিন দিন আমি বুঝতে পাচ্ছি যত মূহুর্ত যাচ্ছে তত মূহুর্ত। তরুকে ছাড়া আমার কিছুই ভালো লাগেনা। তরুর জন্যই আমি প্রকৃত মুসলিম হয়েছি। আমার মালিক রব মহান আল্লাহকে চিনেছি। আমি সবাইকেই এখন বোঝায় একজন পর্দা করে এমন মেয়েকেই বিয়ে করতে কারণ এরাই ইহকাল আর পরকালের জান্নাতি নূর।
(সমাপ্ত,)
[ভুল ত্রুটি মাফ করবেন ]

সুন্দরী এক প্রেমিকা Bangla Love Story || New Bangla love story

টিউশন থেকে ফেরার সময় কলেজ জীবনের পুরনো এক বড় ভাই এর সাথে দেখা হলো। সেই সময় ভাইয়ার চুল কালার করা সুন্দরী এক প্রেমিকা ছিল।


সেই সময়ে চুল কালার করানো আপু গুলোকে অনেক বড় লোক ভাবা হতো। তো সেই প্রেমিকার সুবাদে ভাইয়াও সবার কাছেই বেশ ভালো পরিচিত ছিলেন।
এতদিন পর দেখে প্রথমে চিনতে পারি নি।
সেই সময় উনার গাল ভর্তি দাঁড়ি ছিল। সবসময় অগোছালো হয়ে চলাফেরা করতেন। এখন বেশ পরিপাটি। ফর্মাল গেটআপে দাঁড়িয়ে আছেন। হয়ত ভালো কোনো পজিশনে আছেন।
উনাকে দেখেই উনার প্রেমিকার কথা জানতে ইচ্ছে হলো খুব।
কাছে গিয়ে আস্তে করে পরে বললাম, "ফিরোজ (ছদ্মনাম) ভাই না?"
আমার দিকে চোখ পিটপিট করে তাকালেন উনি।
এরপর বললেন, "হ্যাঁ। তবে আপনাকে ঠিক চিনতে পারি নি।"
আমি আমার পরিচয় দিলাম।
প্রথমে চিনতে পারলেন না। অনেক ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে চেনাতে হলো। আমাকে চিনার পর বেশ খুশি হলেন তিনি।
এরপর আমাকে নিয়ে হাতের কাছের একটা চায়ের দোকানে গিয়ে বসলেন।
ভাইয়া চায়ের অর্ডার দিলেন।
প্রথমেই ভাইয়া আমাকে আমি কই আছি, কি করছি এসব জিজ্ঞেস করলেন। আমি বললাম। এরপর ভদ্রতার খাতিরে আমিও উনার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম।
যা শুনলাম শুনে বেশ ভালোই লাগলো। ভাইয়া বর্তমানে একটা মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে আছেন। বেশ ভালো বেতন পান।
এরপর হালকা ইনিয়ে-বিনিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "তো ভাইয়া! আপু কেমন আছেন?"
উনি অদ্ভুত এক হাসি দিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, "কোন আপুর কথা বলছো?"
আমি আপুর কথা মনে করিয়ে দিলাম।
এবার ভাইয়া বললেন, "তার খবর রাখি নি। জানি না আমি।"
চুপ করে রইলাম আমি। কি দিয়ে কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না। তারপরও অস্ফুটভাবে মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, "কেন?"
ভাইয়া লম্বা এক শ্বাস নিয়ে শুরু করলেন, "কলেজে যে সময়ে তোমরা আমাকে দেখেছো তখন আমি অনার্স পড়ুয়া একজন স্টুডেন্ট। সারাদিন রাত পরিশ্রম করে টিউশন করাতাম। ঘরেরে খরচ মিটিয়ে যেখানে নিজের খরচই মেটাতে পারতাম না সেখানে তোমার সেই আপু রিকশায় ঘুরতে চাইতো অথচ লোকাল বাসে চড়া মানুষ আমি। রেস্টুরেন্টে যেতে চাইতো অথচ আমি বাইরে না খেয়ে বিকাল পাঁচটায়ও বাসায় গিয়ে ভাত খেতাম বাইরে খেয়ে পোষাতে পারতাম না বলে।"
এতটুকু বলে ভাইয়ার সামান্য শ্বাস নিলেন।
এরপর আবার শুরু করলেন, "ভেবেছিলাম শুধরে যাবে সে। কিন্তু না! সে পাল্টালো না। বরং ক্লাসলেস অবজ্ঞা দিয়েই আমার সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করেছে সে।"
আমি আস্তে করে জিজ্ঞেস করলাম, "তো ভাইয়া এখনও বিয়ে করেন নি?"
মুচকি হেসে ভাইয়া জবাব দিলেন, " হ্যাঁ, করেছি।"
আবার মিনিট খানেক নিরবতা।
আমার নিরবতা দেখে ভাইয়া বললেন, "জানো অভি! এখন আমার অবস্থা বেশ সচ্ছল। যাকে বিয়ে করেছি তাকে নিয়ে এখন রিকশায় ঘুরতে যেতে বললে কিন্তু সে হাঁটতে চায়। রেস্টুরেন্টে যেতে চাইলে মানা করে দেয়।"
কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে ভাইয়া হেসে বললেন, "বুঝলে! দুনিয়া ভারী অদ্ভুত! কখনও কাউকে ছোট করতে নেই। কখন যে নিজে ছোট হয়ে যাবে টেরও পাবে না। "
এতক্ষণ পর আমি খেয়াল করলাম আমাদের টেবিলে চা ঠাণ্ডা হতে বসেছে। কাপটা তুলে নিয়ে ঠাণ্ডা চা মুখে দিয়ে ভাইয়াকে বললাম, " তাহলে তো ভাইয়া বেশ সফল আপনি।"
কোনো কথা না বলে এক নিমিষে ভাইয়া চা টুকু শেষ করলেন। এরপর বিল মিটিয়ে দিয়ে বাইরে এসে দাঁড়ালেন।
মৃদু হেসে ভাইয়া বললেন,
"সফল তো সেদিনই হয়েছি যেদিন হতে তোমার সেই আপুর বড়লোক স্বামী প্রতিদিন দুইবার করে দাঁড়িয়ে আমাকে সালাম দেয়।"
সময় পাল্টায়!
সাথে প্রতিটা মানুষেরর অবস্থানও পাল্টায়।
জীবনে ঠেকে উঠা মানুষগুলো এমনি হয়। এদের জবাব গুলো বাকি দশজনের মতো হয় না। জীবনের সংজ্ঞা এদের কাছে অন্যরকম।
এরা যেমন ঘুরে দাঁড়াতে জানে তেমনি দাঁতভাঙ্গা জবাবও দিতে জানে। যেকোনো পরিস্থিতিতে জীবনে ভেঙ্গে না পড়ে সময় নিতে শিখুন!
সময় দিন নিজেকে, ভাবুন আর একটি বার।
অভি মহাজন,

পুরুষকে পাগলের মতো ভালবাসতে চায় যেসব নারীরা!

ডেস্ক রিপোর্ট : সময়ের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে প্রেম করার প্রবণতাও। আর এজন্য প্রয়োজন একজনকে অন্যজনের মন জয় করা। এক্ষেত্রে পুরুষের মন জয় করা যতটা সোজা ততটায় যেন কষ্ট নারীর মন জয় করা। তবে কাজটা কিন্তু মোটেও কঠিন নয়। এজন্য প্রয়োজন কিছু টেকনিক। এক নজরে দেখে নিন ৫টি টিপস যেটা মেনে চললে পছন্দের নারী সঙ্গিনী পাগলের মত ভালবাসতে চায়-

১) ফিটফাট থাকুন:
নারীরা দীর্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে?
সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কাটা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।
২) নিজের রুচি তুলে ধরুন:
দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো হতে হবে বিষয়টা মোটেও এমন নয়। আর যদি একটার সঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যান্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো, সেই ব্র্যান্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ। তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখুন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরুষদের পছন্দ করেন না।
৩) মুখে হাসি ফোটান:
রসবোধ থাকাটা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে থাকার মতো যথেষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনমরা টাইপ সঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফোটাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আঘাত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক নারীই এটা রীতিমতো অপছন্দ করেন। আর যে পুরুষ হাসিমুখে নিজের ভুল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁর প্রতি নারীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বিষয়ে আমরা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখুন।
৪) তাঁকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান:
নারীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত হতে চান যে তাঁকে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁর খেয়াল রাখছেন। তাঁর হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একসঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা—হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধরা, রাস্তা পেরোনোর সময় তাঁর খেয়াল রাখার মতো কাজগুলোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়। কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁর হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাঁকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।
৫) চোখে চোখ পড়েছে:
যখনই তাঁর চোখে চোখ রেখে তাকান। মিষ্টি করে একবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তাঁর চোখে তাকালে একজন নারী যে অনুভূতি পান তার তুলনা করা দুষ্কর। আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে হতে পারে তাঁর। আর মাঝেমধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জরুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে।

বিয়ের আগে যেসব কথা জানা অনেক জরুরি

ডেস্ক রিপোর্ট : জীবনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে এসে সবাই একজন জীবনসঙ্গী খুঁজে নিয়ে সংসার পাততে চান। তবে বিয়ে মানুষের জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত।

সম্পর্কের শুরুর দিকে সবারই মনে হয় আমার সঙ্গী ঠিক আমার মতো, তার সঙ্গে আমার কত মিল!
দুজন চোখে চোখ রেখে ভালোবাসার মুহূর্তগুলো উপভোগ করতে করতে ভুলেই যান সম্পর্কের এক পর্যায়ে গিয়ে এই মানুষটিকেই মনে হতে পারে সম্পূর্ণ অচেনা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, যখন মানুষ প্রেমে পড়ে, তখন তার মস্তিষ্কে বয়ে যায় ডোপামিন নামের এক রাসায়নিক পদার্থের বন্যা, যা তাকে খুবই আনন্দিত এবং সুখী অনুভব করায়।
চেনা সঙ্গী যখন অচেনা
প্রেমের শুরুটা এমনই হয়। তখন ভালোবাসার মানুষটির চরিত্রের জটিল দিকগুলো আমাদের চোখে পড়ে না। কিন্তু দুজন মানুষের মধ্যেকার পার্থক্যগুলো উঠে আসে সম্পর্কের বয়স ৬ মাস থেকে দেড় বছরে গড়ালে। প্রথম যেদিন ঝগড়া হয়, সেদিনই মানুষ বুঝতে পারে তার ‘পারফেক্ট’ সঙ্গীটি আসলে ‘পারফেক্ট’ নন, বরং তার মতোই ভুলত্রুটিতে গড়া মানুষ।
বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার অর্থ হল কারো সঙ্গে সারাজীবন থাকার পরিকল্পনা করা। জীবনের এই বড় সিদ্ধান্তটি নেয়ার আগে সঙ্গীর সঙ্গে ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলা খুবই প্রয়োজন। তাড়াহুড়া না করে বরং একে অপরকে আরেকটু ভাল করে চেনার জন্য সময় নিলে ভবিষ্যতে মন ভাঙার কষ্ট থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
প্রশ্ন করুন
সঙ্গীকে প্রশ্ন করুন, যদি আপনারা ভিন্ন ধরনের সামাজিক বা পারিবারিক প্রেক্ষাপট থেকে এসে থাকেন তাহলে এই বিভেদ কিভাবে মেটাবেন? এ ধরনের প্রশ্নগুলো সামনে এলেই সঙ্গীকে নতুন করে জানতে শুরু করবেন আপনি। একে অপরকে সম্পূর্ণরূপে জানা তো একদিনের ব্যাপার নয়, এটি এমন এক প্রক্রিয়া যা সারাজীবন ধরে চলবে।
বর্তমান সময়ে পরিবার গঠনের প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টেছে ব্যাপকভাবে, অনেকেই আছেন যারা সন্তান গ্রহণ করতে চান না। অনেক সময়ই দেখা যায়, সন্তানের প্রসঙ্গ আসার পরপরই ভেঙ্গে যায় সুখের সংসার।
বিয়ের আগে এই ধরনের বিষয়গুলো সুরাহা করে না নিলে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে যদি জানতে পারেন সঙ্গীর সঙ্গে আপনার চিন্তাভাবনার ফারাকটা অনেক বেশি, তাহলে কেমন হবে বলুন তো?
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি আপনার সঙ্গী এমন কোনো সিদ্ধান্তে আপনার সঙ্গে একমত পোষণ না করেন, তাহলেই সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলতে হবে এমন কোনো কথা নেই। অনেক সময়ই পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা সঙ্গীর দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিতে পারে, একটু ধৈর্য ধরেই দেখুন না!
প্রশ্নের পরিধি বাড়ান
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের বিস্তৃতি অনেক বেশি, যার অন্যতম উপাদান হল যৌনজীবন। সঙ্গীকে জিজ্ঞেস করুন, যৌনজীবন নিয়ে আলোচনা করতে কি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি?
যদিও মধুচন্দ্রিমার সময়টুকু স্বামী-স্ত্রী তাদের জীবনের অনেক কিছুর আগাম হিসাবনিকাশ করে নেন, তবে কিছু ব্যাপার আগেই সমাধান করা ভাল। যেমন, সন্তান জন্মের পর প্রথম কয়েক বছর কিভাবে সংসার সামলানো হবে? আজকাল বেশীরভাগ নারীই চাকরিজীবী হয়ে থাকেন, এক্ষেত্রে মা হওয়ার পর চাকরি ছেড়ে সংসার সামলাতে আগ্রহী নাও হতে পারেন কেউ কেউ। তাহলে উপায় কি? সমাধান করে নিন আগেভাগেই।
প্রসঙ্গ যখন টাকাপয়সা
আয় করছেন দুজনেই, তবে অবিবাহিত জীবনের অর্থনৈতিক কাঠামোটা কিন্তু একেবারেই আলাদা। বিয়ের পর যখন সবকিছুই হয়ে উঠবে ‘যৌথ’, সেক্ষেত্রে টাকাপয়সার ভাগাভাগিটা কেমন হবে? দুজনের কি কোনো যৌথ ব্যাংক হিসাব থাকবে? এসব হিসাবনিকাশ বিয়ের আগে করে ফেললে পরে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হবে না।
পরিবার-পরিজন
বাঙালীর রীতি অনুযায়ী যৌথ পরিবারে থাকার চল এখন নেই বললেই চলে। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিয়ের পর বাবা-মায়ের কাছ থেকে আলাদা হয়ে নিজেদের ছোট্ট সংসার পাতেন নতুন দম্পতি। তবে উভয় পক্ষের বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব কিন্তু থেকেই যায়।
শ্বশুরবাড়ির প্রতি দুজনের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন তা নিশ্চিত করে নিন এখনই। পুত্রবধূ কিংবা মেয়ের জামাই হিসেবে কতটা দায়িত্ব আপনি পালন করতে আগ্রহী তা সঙ্গীকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে রাখুন। বিয়ের পরে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা কতখানি রাখতে চান তাও আলোচনা করুন।
মনে রাখবেন
দুজনের মতামতে ভিন্নতা থাকা মানেই সম্পর্কের ইতি নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া ভাল থাকলে সম্পর্ক আরো মজবুত এবং গভীর হয়। বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সঙ্গীকে আরো ভাল করে জানার চেষ্টা করুন, প্রয়োজনে সময় নিন।

সুন্দর একটি ভালোবসার গল্প


মিম আর আমি ২.জনেই খুব ভালো বন্ধু__।
বলতে পারেন একজন আর একজনকে ছারা চলে না_।
হঠাত করে একদিন আমি, মিম,কে মজা করতে করতে বল্লাম_মিম,^___I lov u...
ও বলে,,,,
সুন ইমন আমি তোকে ভালবাসতে পারবো না।
তুই সুধু আমারর বন্ধু_।
এই কথা বলেই চলে গেল আটকাতে পারলাম না__।
এভাবেই দিন যেতে লাগল কিন্তু বালিকা ত আমাকে ভালবাসেনা _কি যে করি___।
বলতে বলতে বালিকার ফোন__<<<
---ওই, ইমন,কি করছ?
---তর কথাই ভাবতাছি,মিম,-!
---চূপ থাক খাইছছ?
---না!!! < তুই খাইছশ-মিম-?
হ্যা খাইছি_!!
----তুই এখনি খেয়ে নে৷আর মাঠে তাড়াতাড়ি আয়৷
---আচ্ছা ৷
বলেই লাফাতে লাগলাম৷বালিকার মনে হয়ত আমার জন্য ভালবাসা জাগছে৷তাড়াতাড়ি খেয়ে গেলাম৷গিয়েই বললাম৷
--কিরে মিম?হঠাৎ জরুরি তলফ
---হুম৷সামনে আমাদের এক্সাম রে৷খুব টেনশনে আছি
---কোনো চিন্তা করিস না৷ফেইল করলে তরে আমি বিয়া করমু৷তারপর দুইটা ক্রীকেট খেলার টিম বানামু৷তর এক দল,আমার একদল৷বলেই হা হা হা করে হাসি দিলাম কিন্তু হাসি দেওয়ার পর কি ঘটল তা আমি কেন?আমার চোখও বিশ্বাস করতে পারল না৷এমন ভাবে আমার গালে চড় মারল যেন গাল দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে৷চড়টা মেরেই মিম বলা শুরু করল তকে বন্ধু করেই জীবনের বড় ভুল করছি৷আজ থেকে আমাদের বন্ধুত্ব এখানেই শেষ৷বলেই চলে গেল৷আর আমার চোখ দিয়ে বৃষ্টির মত পানি পড়ছে৷কিছুই বুঝতে পারলাম না৷খুব খারাপ লাগছে৷শেষ মেষ বন্ধুত্বটাও শেষ?কেমন জানি স্বপ্ন স্বপ্ন লাগছে৷তাও কীছুই করার নেই৷অশ্রুভরা চোখ আর বুক ভরা কষ্ট নিয়ে বাসায় আসলাম৷এসেই শুয়ে পরলাম৷বালিশটাও ভিজে গেছে৷পুরানো স্মৃতি গুলো মনে পরছে৷প্রতিদিন ওকে ফোন দিয়ে ঘুম পারানো৷ঘুম থেকে জাগাতাম৷দিনে কমপক্ষে১০০বার ফোন৷আর মেসেজ ত আছেই৷ সব স্মৃতি গুলো মনে পরছে৷আমাদের বন্ধুত্ব শেষ হলেও আমি ঠিক আগের মতোই ফোন দিতাম৷মেসেজ দিতাম৷মিম খুব বিরক্ত ফীল করত৷তারপরও কথা বলতে চাইতাম৷হঠাৎ একদিন দেখলাম মিম পার্কে এক ছেলের সাথে হেসেহেসে কথা বলছে৷যেন কলিজাটা ছিড়ে যাচ্ছে৷তাই বাসায় এসে পড়লাম৷বুকটা ব্যাথা করছে৷তাই ভাবলাম মিমকে একটা ফোন দেই৷অনেকবার কল হওয়ার পর রিসিভ করল
—মিম বুকে ব্যথা করতেছে।ব্যথা করা
ভালো। এখন আমাকে আর ডিস্টার্ব করবি না,
পরশু
আমার এক্সাম।
— আচ্ছা নাপা খেলে ব্যথা যাবে?
----- হ্যাঁ যাবে। এখন আর ফোন দিস না প্লিজ
কিছুই
পড়া হয়নি।
— কয়টা খাবো?
--- উফ্,,, তোর যতটা খেতে মন চায় খা। প্লিজ
ইমন
আর না।
— লাষ্ট, ভালোবাসিস??
---- ইমন এসব কথার কোন মানেই হয় না আমরা
জাস্ট
ফ্রেন্ড তর অনুরোধে কিন্তু ২য় বার ফ্রেন্ড হইছি৷তাই যা বলছ ভাল করে বুঝে বলিস
— থ্যাঙ্কস মিম রাখি।
---- ওকে রাখ। আর ভবিষ্যৎ এ যেন এমন কথা আর
না শুনি?
— ওকে।
..
ফোনটা কেটে দিলাম। একসময় মিম
মেয়েটা সারাক্ষণ আমার খবর নিত এখন আর নেয়
না।
আর জিজ্ঞেস করেনা : "কাউকে পছন্দ করিস
কিনা
ইমন?" আর আগের মতো কি করতে হবে
বলেনা। হঠাৎ বুকের ভিতরে আবার চিপ দিয়ে
উঠে বুকটা চেপে ধরে একটু বিছানায় শুয়ে
পড়লাম খুব কষ্ট হচ্ছে। আবার বিছানা থেকে উঠে আমাকে
নাপা
খেতে হবে। কয়টা খাব?? মিম তো
বলেই দিয়েছে যতটা ইচ্ছে খেতে পারে।
সবগুলো ওসুধ মুখের ভিতরে পুরে ঘুমিয়ে
পড়লাম
..
..
কাক ডাকা ভোরে উঠে পড়ে মিম।
মোবাইল চেক করে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে
"যাক আজ কোন ম্যাসেজ ও নাই মিসড কল ও
নাই।"
পড়ায় মনোযোগী হয়৷মিম মন দিয়েই পড়তে
থাকে হঠাৎ মনটা যেন কেমন কেমন করছে
তবুও ভালো ইমন জালাচ্ছে না। ছেলেটার
কোন
কমন সেন্স ও নাই যখন তখন ফোন
দিয়ে বলবে মিম এইটা হয়েছে এখন কি
করবো? অইটা হয়েছে বোরিং।
কয়েক ঘন্টা কেটে গেলেও মিমের মোবাইল
এর আলো জ্বলছেনা। হঠাৎ মোবাইল এ
ম্যাসেজ টোন বেজে উঠলো। মিমের কাছে
বোরিং হ্যাপি দুইটাই লাগলো। ম্যাসেজ অন
করে
হতাশ হয় রবি সীম কোম্পানির এস এম এস।
রবি সীমকে কয়েকশো গালাগাল দেয় সে।
ঘড়ির ঘন্টার কাটা ক্রমেই বেড়ে চলেছে
কিন্ত
একটিবার এর জন্যও ইমনের মোবাইল থেকে
কল
আসেনা। হঠাৎ মিমের স্মরণ হয় গতদিনের
কথা :-
"মিম বুকে ব্যথা।"
ওর ব্রু যুগল কুঁচকে যায় মুখটা কালো হয়ে
যায়
বুকের ভিতরটা খা খা করে উঠে মন থেকে কত
রকম ভয় করছে। রাত নটা মিম একদম পড়তে
পারছেনা বারবার ইমনের কথা মনে পড়ছে।
ইমনের
ম্যাসেজ তো তার বোরিং লাগে কিন্ত সে
কেন
এখন ইমনের ম্যাসেজ খুজছে? কিছু না ভেবেই
ইমনের
নাম্বারে ফোন দেয়।
— হ্যালো ইমন
--- আমি ইমনের বড় ভাই বলছিলাম।তুমি মিম
তাই না? ইমন
তোমার কথা বলেছে এখন ও বাইরে আছে
বন্ধুদের সাথে। পরে ফোন দিও
— আপনি এরকম কেঁদে কথা বলছেন কেন?
আমার কিন্ত ভয় হচ্ছে
---- আরেহ আমাদের বাড়িতে একজন মুরুব্বি
মারা
গেছে ওনার জন্য মন খারাপ। আর কাল এক্সাম
যেন ভালো হয়।
— ওকে ভাইয়া ইমন এলে আমার কথা বলবেন।
মিম
কিছুই বুঝেনা ইমনকে কি সে ভালোবাসে?
এক্সামের কথা মনে পড়তেই পড়তে বসে যায়
মিম পড়ায় মন না বসলেও জোর করে পড়ছে
সে। হঠাৎ ঘুমের দেশে হারিয়ে যায় সে।
ঘুমের মাঝে কে যেন চিৎকার করছে মিম
ভালোবাসিস কন্ঠটি পরিচিত কিন্ত ধরতে
পারছেনা।
হঠাৎ ঘুম ভেংগে যায় আজ কাক ডাকার আগেই
উঠে
গেছে। মিমের চোখে মুখে আতঙ্ক
মোবাইল টা হাতে নেয় কোন ম্যাসেজ নেই,
নেই কোন মিসড কল। মিম চায় হঠাৎ করে ই
একটা কল আসুক আর নামটা ভাসুক "Emon" কিন্ত
নামটা
আর ভাসেনা। মিমের মনে হচ্ছে সে
ইমনকে
ভালোবাসে।ইশ যখন বলবে ইমন ভালোবাসি
কতই না খুশী হবে সে। ভাবতেই অবাক লাগছে।
এক্সামের পর সোজা ইমনদের বাড়িতে চলে
যায়
সে। ইমনদের বাড়িতে আগেও এসেছিল তাই
খুব
একটা কস্ট হয়নি। ইমনদের ঘরে এত মানুষ
কেন?
ইমনের বন্ধুরা সবাই এখানে ইমন কই? আগের
বার
এসেছিল তখন ত ইমন কত খুশি হয়েছিল।
ইমনের ভাই ই
মিমকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইমনকে
দেখাবে
বলে। কিন্ত মিমর মনে খটকা এদিকে তো
গোরস্তান এখানে কেন আনতেছে। ইমনের ভাই
পকেটে হাত দেয় একটা ছেড়া পাতা দেয়
মিমের
হাতে। কাগজটি পড়তে শুরু করে হ্যাঁ এটা
ইমনের
লেখা। :- "কেমন আছিস মিম?আশা করি ভালো থাকারই কথা।
ভাইয়া
চেয়েছিল তোকে জানাতে আমার অবস্থা
ভালো না কিন্ত তোর এক্সামের এমনেই
অনেক ক্ষতি করে ফেলেছি তাই আর জানাই
নি।
এক্সাম কেমন হয়েছে? ও সরি আমিতো আর
বললেও শুনতে পাবো না। সম্ভবত তুই আমার
কবরের পাসে দাঁড়িয়ে

এমন একটা থাপ্পড় দেবো সারাজিবন মনে থাকবে


তোমার এত সাহস হয় কি করে, এমন একটা থাপ্পড় দেবো সারাজিবন মনে থাকবে।কথা গুলো বলছে আর রাগে ফুলছে রানা ।আর নিতু মাথা নিচু করে শুনছে। 
নিতু-কেন আমি কি করেছি ,যে এভাবে বলছ।
রানা-তুমি কি ভাবে বলতে পার যে ,আমি যেন তোমাকে ভুলে যাই।
নিতু-এতে তোমার জিবনের জন্য ভাল হবে।আমার একটা অনিশ্চিত জীবন, আর এ জিবনের সাথে জড়িয়ে তোমাকে আমি কোন অনিশ্চয়তার মাঝে ফেলতে চাই না। bangla sms
রানা- তুমি খুব বেশি বোঝা শিখেছো তাইনা।আমাকে কেন বলেছো ,তুমি চলে যাও ভুলে যাও আমাকে,পারবে এটা ?
নিতু-না ।
রানা- তাহলে আমাকে কেন বলছো ?
নিতু-জানিনা শুধু জানি এতে তোমার ভাল হবে।
রানা- ঠিক আছে আমি তোমাকে ভুলে যাব ।আজ থেকে আমার যা ইচ্ছে তাই করবো আমার জিবনের সাথে,আমার যেভাবে ইচ্ছে চলবো ।
নিতু-না তুমি এমন কিছুই করবেনা ।
রানা-কেন করবনা ?
নিতু-কারন আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি আর তোমার কোন ক্ষতি আমি সহ্য করতে পারবনা । bangla love story
রানা-তুমি আমাকে এত ভালবাস আর আমাকে ভালবাসতে শিখিয়ে্ছ,তবে এসব কথা কেন বলো ।দয়া করে আর কোন দিন বলনা ।
দুজনের চোখে পানি আর ঠোঁটে হালকা হাসি । যেন সব পেয়েছে আর সব পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে পারবে দুজন একসাথে সব বাঁধা কাটি ।

রুনা ও আসিফের এক নির্মম ভালোবাসার গল্প

রাত ২ টা এমন সময় ফোন টা বেজে উঠল । আসিফের ঘুমটা ভেগে গেল ।আর মনের মধ্যে ধপ করে উঠল । ও যানে এই ফোন রুনা করেছে । 
আসিফ আর রুনা একে অপরকে খুব ভালবাসতো । ভালবাসার শুরুটা হয়েছিল রুনার থেকে।কিন্তু তার চঞ্চলটা আর সরলতা দেখে আসিফ ও তাকে ভালবেসে ফেলে। এভাবে ২ বছর কেটে যায় ।রুনার বাবা তার বিয়ে ঠিক করে রুনার আপত্তি সত্তেউ।রুনা আসিফ কে জানাই ব্যাপারটা । কিন্তু আসিফ জানাই এই সময় সে কিছু করতে পারবে না তার বড় ভাই এর এখন ও বিয়ে হয়নি আর সে এমন কিছু করবেনা যার জন্য তার পরিবারের কোন অসম্মান হয় ।তাছাড়া সে এমন কিছু উপার্জনও করেনা যে এখন বিয়ের কথা ভাবা যায় । Bangla Love Story
রুনা জানতে চাইল সে কি করবে ।আসিফ বলল আমার কিছু করার নেই তুমি তোমার আব্বুকে বুঝাও ভালো করে।
কয়েকদিন পর রুনা আবার আসিফ এর কাছে যায় অনেক আশা নিয়ে।তাকে জানায় তার আব্বু মানছে না সামনে সপ্তাহে বিয়ে ঠিক করেছে ।এখন তুমি কি বল ।
আসিফ বলল আমি আগে যা বলেছি তাই আমার কিছু করার নেই।তুমি বিয়ে কর নতুন জীবন শুরু কর এতে তোমার ভালো হবে।রুনা আর কিছু বলেনি ওখান থেকে চলে আসে।bangla love sms
তারপর ৯দিন পর রাত ২ টাই ফোন আসে আসিফের কাছে ।রুনার নাম্বার আসিফ ফোন ধরে হ্যালো বলে ওপার থেকে রুনা বলে কাল আমার বাসর রাত হয়েছে আমি তোমার কথা মত নতুন জীবন শুরু করেছি ।একথা বলে ফোন টা কেটে দিল আসিফ কল করল কিন্তু ফোন বন্ধ । এর পর ২ বছর পর আবার রাত ২ টাই ফোন আসে আগের মতই রুনা বলে কাল রাতে আমার ছেলে হয়েছে ।কথা শেষ ফোন বন্ধ ।এবার ৪ বছর পর রুনা জানাল তার মেয়ে হয়েছে । তারপর ১৩ বছর পর এই ফোন ।এর মধ্যে আসিফ ও বিয়ে করেছে ৭ বছর হল ।আসিফ ফোন টা ধরে হ্যালো বলল ওপার থেকে একটা শুকনা কাতর কণ্ঠ যেটা রুনার বলে উঠল আজ আমি শেষ বার এর মত তোমার কাছে ফোন করেছি কারন আমার স্বামী কাল দুর্ঘটনাই মারা গেছে । আর তুমি হয়ত ভাব আমি মাঝে মাঝে তোমাকে কেন ফোন করি ।কারন একটাই তুমি চেয়েছিলে আমি সুখি হই তাই আমার জিবনে যখন সুখের শুরু হয়েছে তখন ই আমি তোমাকে জানিয়েছি ।কিন্তু আজকের পর আর তোমারা আমার মধ্যে যে সিঁড়ি ছিল সেটা শেষ হয়ে গেছে তাই আর কোন সুখ নেই আমার জিবনে আর বলার ও কিছু নেই ।তুমি খুব ভাল থেকো ।আল্লাহ হাফেজ।bangla love poem
এরপর আর কখনও রাত ২ টাই আসিফ এর ফোন বেজে ওঠেনি ।

তোমার ভালোবাসার মানুষটি কে মুল্য দিতে শেখো

তোমার ভালোবাসার মানুষটি কে মুল্য দিতে শেখো, ঐ মানুষটির মতামত, সিদ্ধান্ত কে মুল্য দিতে শেখো। কোনো একটা গুরুত্বপুর্ন কাজ যেখানে তোমার সিদ্ধান্তই ঠিক মনে হচ্ছে, ওখানেও তোমার ভালোবাসার মানুষটির মতামত জানার চেষ্টা করো। ও কি বলছে দেখো, তারপর নাহয় তোমার সিদ্ধান্তই ফাইনাল করো। ঐ মানুষটির সিদ্ধান্ত যদি তুমি গ্রহন না ও করো এতে মানুষটি একটু ও কষ্ট পাবেনা।bangla sms কারন তুমি তার মতামত জানার চেষ্টা করেছো, আর মতামত জানার চেষ্টা করা মানে তোমার কাছে তার একটা মুল্য আছে, এটা তুমি প্রমান করেছো। পৃথিবীর সব সুখী দম্পতি এই ব্যাপারটা মেনে চলে.....। 

একটা মানুষ সবসময় চায় তার বিশেষ মানুষটি তাকে মুল্য দিক, সব কাজে তার মতামত জানার চেষ্টা করুক। নিজেকে মুল্যহীন ভাবা কোনো মানুষের পক্ষে অসম্ভব ব্যাপার। তুমি যখন তোমার বিশেষ মানুষটির মতামত জানার চেষ্টা করো তখন ঐ মানুষটি তোমার আর তোমার ভালোবাসায় রেসপেক্ট দেখতে পায়। আর নিজেকে সুখী মনে করে। দামি গাড়ি, বাড়ি নয়; ঐ মানুষটির শুধু কথাকে মুল্য দিয়ে তাকে সুখী করা চাট্টিখানি কথা নয়। পৃথিবীতে সব অসুখী দম্পতির এই একটাই প্রবলেম, ওদের ভালোবাসায় কোনো রেসপেক্ট নেই, নেই কারো মতামতের মুল্য। দুজনই অসুখী, সম্পর্ক অসুখী, জীবনও অসুখী। একটা শার্ট কেনার আগে তাকে ফোনে জিজ্ঞেস করো শার্টের কোন কালারটা ভালো লাগে তার। মানুষটি তার পছন্দের কালারটার সাথে শার্ট টা মিলিয়ে তোমায় কল্পনা করেই সুখী হবে...bangla love sms.। পৃথিবীতে ক্রমশই অসুখী মানুষ বাড়ছে, এত অসুখী মানুষের ভীড়ে একদিন ঠিকই তোমরা সুখী হবে। প্রচন্ড সুখী। সুখ নামক ব্যাপারটা ঐ ভালোবাসায় লেপ্টে থাকে যেখানে একে অপরের প্রতি রেসপেক্ট আর মুল্যায়ন রয়েছে....।

ভালোবাসার মানুষের সাথে বিয়ে হবেনা প্রেমিকা জিজ্ঞেস করলো


ভালোবাসার মানুষের সাথে বিয়ে হবেনা প্রেমিকা জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা অন্য কারো সাথে আমার বিয়ে হয়ে গেলে কি করবে তুমি? ভুলে যাবো, ছেলেটা উত্তর দিলো। ছেলেটার উত্তর শুনে মেয়েটি রাগে অন্যদিকে মুখ ঘোরালো। ছেলেটি আবার বলল, তুমিও আমাকে ভুলে যাবে, সবচেয়ে বড় কথা, আমি যত দ্রুত তোমাকে ভুলে যাবো, তার চেয়েও বেশি দ্রুত তুমি আমাকে ভুলে যাবে। কি রকম? প্রেমিকা প্রশ্ন করলো। ছেলেটি বলতে শুরু করল, "মনে করো বিয়ের প্রথম তিনদিন তুমি এক ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকবে। শরীরে গয়নার ভার, মুখে মেকআপ এর প্রলেপ, চারিদিক থেকে ক্যামেরার ফ্লাশ, মানুষের ভিড়, তুমি চাইলেও তখন আমার কথা মনে করতে পারবে না। 'আর আমি তখন তোমার বিয়ের খবর পেয়ে হয়ত কোন বন্ধুর সাথে উল্টাপাল্টা কিছু খেয়ে পড়ে থাকবো।bangla sad sms
 আর তার কিছু পর তোমাকে হৃদয়হীনা বলে গালিদেব, আবার পরক্ষনেই পুরাতন স্মৃতির কথা মনে করে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদবো। 
বিয়ের পরের দিন তোমার আরো ব্যস্ত সময় কাটবে। আর প্রথম সপ্তাহে, স্বামী আর মিস্টির প্যাকেট এই দুটো হাতে নিয়ে তুমি বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাড়ি ঘুরে বেড়াবে। আমার কথা তখন তোমার হঠাত হঠাত মনে হবে। এই যেমন স্বামীর হাত ধরার সময়, এক সাথে গাড়িতে চড়ার সময়। আর আমি তখন ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরে বেড়াব, আর বন্ধুদের বলব বুঝলি ভাই, জীবনে প্রেম ভালোবাসা কিছুই না, সব মিথ্যে। পরের একমাসে তুমি হানিমুনে যাবে, নতুন বাড়ি পাবে, শপিং, ম্যাচিং, শত প্লান, আর স্বামীর সাথে হালকা মিষ্টি ঝগড়া। তখন তুমি বিরাট সুখে, হঠাত আমার কথা মনে হলে ভাববে, আমার সাথে বিয়ে না হয়ে বোধহয় ভালই হয়েছে। আমি ততদিনে বাবা, মা, বন্ধু কিংবা বাড়ির বড়দের বকা খেয়ে মোটামুটি সোজা হয়ে গিয়েছি। ঠিক করেছি কিছু একটা কাজ পেতে হবে, তোমার চেয়ে একটা সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করে তোমাকে দেখিয়ে দিতে হবে। সবাইকে বলব, তোমাকে ভুলে গেছি। 

কিন্তু তখনও মাঝরাতে তোমার এসএমএস গুলো বেরকরে পড়বো আর দীর্ঘশ্বাস ছাড়ব। দুই বছর পর তুমি আর কোন প্রেমিকা কিংবা নতুন বউ নেই। মা হয়ে গিয়েছো, পুরাতন প্রেমিকের স্মৃতি, স্বামীর আহ্লাদ-ভালোবাসা, এসবের চেয়েও বাচ্চার ডায়াপার, হামের টীকা এসব নিয়ে বেশি চিন্তিত অর্থাত তখন আমি তোমার জীবন থেকে মোটামুটি পারমানেন্টলি ডিলিট হয়ে যাবো। এদিকে ততোদিনে আমিও একটা কাজ পেয়েছি, বিয়ের কথা চলছে। মেয়েও পছন্দ হয়েছে। আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত। এবার সত্যিই আমি তোমাকে ভুলে গিয়েছি। শুধু রাস্তা ঘাটে কোন প্রেমিক-প্রেমিকা দেখলে তোমার কথা মনে পড়বে। কিন্তু তখন আর দীর্ঘশ্বাসও আসেবে না....।

 এতদূর পর্যন্ত বলার পর ছেলেটি দেখল তার প্রেমিকা ছলছল চোখ নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। মুখে কোন কথা নেই। ছেলেটি ও চুপচাপ। একটু পর প্রেমিকা বললো - "তবে কি সেখানেই সব শেষ?" ছেলেটি বলল - না। কোন এক মন খারাপের রাতে তোমার স্বামী নাক ডেকে ঘুমুবে, আর আমার বউও ব্যস্ত থাকবে নিজের ঘুমরাজ্যে। শুধু তোমার আর আমার চোখে ঘুম থাকবেনা, সেদিন অতীত আমাদের দুজনকে নিঃশ্বদে কাঁদাবে। আল্লাহ ব্যাতীত সে কান্নার কথা কেউ জানবে না, কেউ না...। মেয়েটি ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল.... পরিশেষে এটাই বলবো যে পরিস্থিতি কাছে মানুষ আজ আনেক অসহায়!!!?

নিঃস্বার্থ এক ভালবাসার গল্প || একটি মেয়ে রিক্সা করে কলেজ থেকে বাসায় ফিরছে

bangla love story
একটি মেয়ে রিক্সা করে কলেজ থেকে বাসায় ফিরছে । এমন সময় একটা ছেলে রিক্সার সামনে এসে দাঁড়ালো । বাধ্য হয়ে রিক্সা থামাতে হল । মেয়েটি তো রেগে উঠে কিছু বলতে যাচ্ছিল । এমন সময় ছেলেটি হাত জোর করে বলল ,please রাগ করোনা আমি শুধু কয়টা কথা বলে চলে যাব । মেয়েটি তো অবাক ,কারন বাবা এখান কার কিছুটা প্রভাবশালী বেক্তি । তাই কারো সাহস হয়না তার সাথে কথা বলার । bangla love story
ছেলেটি বল্ল,তুমি হয়তো আমাকে দেখনি আর জাননা । 
মেয়েটি বল্ল,জানিনা তবে কয়েক বার রাস্তায় দেখেছি মনে হয় ।
ছেলেটি বলল , আমি তোমাকে আজ ৫ বছর ধরে ভালবাসি । অনেক অনেক বেশি ভালবাসি ।কিন্তু কোনদিন বলিনি । আজ ও বলতাম না যদিনা আমি এখান থেকে চলে যেতাম । আমি কিন্তু ভয়ে বলিনি তা না , আমি জানি যে আমি তোমার বা তোমার পরিবারের যোগ্য না তাই বলিনি ।
মেয়েটি ছেলেটির কথা শুনে হতভম্ব হয়ে গেছে । বলল ,আমি আপনাকে চিনিনা বা জানিও না আর আমার মনে আপনার জন্য কোন ভালবাসার আনুভুতি ও নেই ।
ছেলেটি বলল , it's ok no problem . bangla love sms
মেয়েটি বলল , কোথায় জাবেন। 
ছেলেটি বলল , একটা ভাল চাকরি হয়েছে তাই চলে যাচ্ছি ।আমি তোমাকে পাওয়ার আশা কোনদিন করিনি । শুধু একটা ইচ্ছে করেছি যে , একদিন না একদিন তোমাকে আমার মনের কথা জানাব।তাই আজ আমার সব ইচ্ছে শেষ হল । আচ্ছা ঠিক আছে তুমি অনেক অনেক ভাল থেকো আর অনেক সুখি হও । তোমার জন্য আমি সারাজিবন দোয়া করব । তাই বলে ছেলেটি চলে গেল। আর একবার ও পিছন ফিরে তাকাল না ।
মেয়েটি তো আবাক এ কেমন ভালবাসা। ছেলেটির মুখের দিকে একবার ভাল করে তাকিয়েছিল মেয়েটি ।দেখল ছেলেটির মুখে হাসি আর চোখে পানি । লুকানোর চেষ্টা করছে কিন্তু ধরাপরে গেলো । ছেলেটি মুখে হাসি নিয়ে মেয়েটিকে সুখে থাকার দোয়া করছে আর চোখের পানি সারাজিবনের জন্য দূরে জাউয়ার জন্য আর চোখে একটা উজ্জলতা জেন সে তার মনের সব ইচ্ছে পুরন করেছে ।bangla love poem
বন্ধুরা ভেবনা যে ,ছেলেটির সাথে মেয়েটির আবার দেখা হবে বা প্রেম হবে । কিন্তু সে রকম কিছু হবে না । কারন এটা সিনেমা বা নাটক উপন্নাস না ,এটা বাস্তব তাই এখানে এমন কিছুই হয়নি বা হবেনা ।বন্ধুরা সব শেষে শুধু এ টুকু বলতে পারি........................
ফুল ফোটেনি তবুও সুভাস দিয়ে গেল
ভালবাসা মেলেনি তবুও তৃপ্তি নিয়ে গেল,
ভালবাসার বিনিময়ে ভালবাসা চায়নি সে
শুধু সৃতি গুলোকে 
নিজের করে নিয়ে গেল।।

প্রেম আর ভালবাসা নিয়ে তোমাদের উদ্দেশ্য করে আমার কয়েকটি মতামত

bangla love story
আমার নিজের একটা মতামত আছে প্রেম আর ভালবাসা নিয়ে যা তোমাদের বলতে চায় ।আর সে বিষয়ে তোমাদের মতামত চাই ,যে এটা ঠিক কিনা?
প্রেম এমন একটা বিষয় যা যে কোন সময় যে কারো সাথে করা যায় ।তার জন্য কোন শর্ত প্রয়োজন হয় না ।শুধু দুজনের ইচ্ছে থাকলেই হয় ।
আর ভালবাসা এটা এমন জিনিস যা কেউ ভাবেনা বঝেনা শুধু হয়ে যায় ।কারো জন্য মনে টান তৈরি হয় ।তার জন্য মনের মধ্যে অজানা এক অনুভূতি তৈরি হয় ।শুধু মনে হয় তাকে দেখি ,শুনি ।কাছে না থাক কিন্তু সামনে থাক ।তার ছোট ছোট কথা তোমার মনে শিহরণ জাগায় ।তার খুশি দেখলে নিজের অজান্তে তোমার মুখে হাসি ফুটে ওঠে । bangla love story
তবে এটা দুজনের মধ্যে হতে গেলে শর্ত আছে । আর তা হল ,যে ফিল টা তুমি তার জন্য করো ঠিক তেমনি ফিল তোমার জন্য তার মনেও আসতে হবে। তাহলে হবে ভালবাসার জয় । আর তুমি যদি বল ,আমি তোমাকে ফিল করি ,তোমাকে এত ভালবাসি তাহলে তুমি কেন আমাকে ভালবাসবে না ।
তাহলে আমি বলবো এটা একদম ভুল ,কারন এটা একটা ফিল আর যেটা জোর করে আনা যায় না । নিজে থেকে আসে আর যখন আসে সব কিছু উপেক্ষা করে আসে।
এবার তোমরা বল ,কারন সবার আলাদা আলাদা মতামত আছে । তাই সবায় বল আমি ঠিক কি না?বা তোমাদের কি মত এ বিষয়ে ?

যেই ভাবা শেষ দেখি ছোট বোন চা নিয়ে হাজির

morning tea
সকালে ঘুম থেকে জেগে ভাবছি এখন যদি গরম গরম চা পেতাম খুব ভাল হতো । যেই ভাবা শেষ দেখি ছোট বোন চা নিয়ে হাজির । 
-চা শেষ করে ভাবছি আজ কিছু কেনা কাটা করতে হবে । কিন্তু আব্বুকে বললে কত প্রশ্ন আর আম্মুর বকাবকি । bangla sms
রুম থেকে বের হয়ে খাবার টেবিলে আসতেই আব্বু বলল -সামনে সপ্তাহ বিয়ে বাড়ি যেতে হবে তাই নিজের আর সবার জন্য কেনাকাটা করে এসো ।আর আম্মু বলল -তোর কি কি লাগবে বললে সব নিয়ে নিও ।পরে বলনা এটা নেয়া হয় নি ওটা নেয়া হইনি ।
-কেনাকাটা শেষ করে ভাবছি বাসায় যেয়ে যদি পোলাও গোশত হত তাহলে খুব ভাল লাগতো । কিন্তু আসার সময় তো সবজি কাটতে দেখে এলাম । বাসায় ঢোকার সময় পোলাও এর গন্ধ পেলাম । ছোট বোন বলল - গ্রাম থেকে চাচ্চু আর আপু এসেছে. হাত মুখ ধুয়ে আসো আব্বু খেতে ডাকছে ।
-বিকেলে ভাবছি কয়দিন কোথা থেকে ঘুরে আসলে অনেক ভাল লাগতো । কিন্তু আম্মু আমাকে একা কোথাও যেতে দেয়না ।সন্ধ্যায় আম্মু বলল- তোমার ফুফু ফোন করেছিল বলল- বিয়েতে আমাদের আগে থেকে যেতে কিন্তু আমরা এত তাড়াতাড়ি যেতে পারছিনা তাই তুমি যাও কাল সকালে। আমি তো বেহুঁশ হতে হতে বাঁচি ।এসব কি হচ্ছে ? bangla love poem
আমার মনে হল কে যেন আমার কান ধরে টানছে । চোখ মেলে দেখি আম্মু আমার কান ধরে টানছে আর বলছে এত ঘুম কেউ ঘুমায় ,এখন জলদি ওঠো অনেক কাজ আছে । 
আমার তো মাথায় হাত । এতক্ষণ সপ্ন দেখছিলাম ,ভাবলাম এত সুন্দর শুধু স্বপ্নয় হয় । বাস্তবটা অনেক কঠিন ।এটা আমি মনে করি ।।

শ্যামলী ও রাজিবের সার্থক ভালোবাসার গল্প

bangla love story
শ্যামলী তখন ইন্টার পরীক্ষা দেবে আর রাজিব মেডিকেলে ফাইনাল ইয়ার । শ্যামলীদের বাড়ি মেডিকেল কলেজের পাশেই ।শ্যামলী অন্য মেয়েদের মত ছেলেদের সাথে ঘুরা আড্ডা দেয়া পছন্দ করত না।বেশির ভাগ সময় পড়া নিয়ে থাকে ।আর রাজিব খুব লাজুক ছেলে ।
শ্যামলীর বাসায় প্রতিদিন ওর বান্ধবীরা এসে অনেকক্ষণ থাকতো,পড়া শেষ করে আড্ডা দিত বেল্কনিতে বসে ।ওরা প্রতিদিন দেখত একটা সুন্দর ছেলে প্রতিদিন রাস্তা দিয়ে যায় ।ওরা তাকে দেখে অকারনে হাসাহাসি করত ।কিন্তু ছেলেটা শুধু একদিন উপরে তাকিয়েছিল আর কোনদিন তাকায় না।
একদিন সবায় বসে কথা বলছে ভালবাসা নিয়ে ।আর শ্যামলী শুধু বসে শুনছে ।তখন ওর এক বান্ধবি বল্ল-জানিস তোরা মানুষ ইচ্ছে করলেও অনেক কিছু করতে পারেনা ।সবায় বলে- ঠিক কথা। pream pronoy
শ্যামলী বলে –কেন পারবে না ,মানুষ চেষ্টা করলে সব করতে পারে।
তখন ওর অন্য বান্ধবি বলে-আচ্ছা তাহলে তোকে আমরা একটা কাজ বলব পারবি করতে?
শামলি-কি কাজ? 
প্রথম বান্ধবি বলে-না থাক ও পারবেনা ,তাই বলে কাজ নেই।
শামলি-বল কি কাজ করতে হবে আমি করব। তখন সবায় এক সাথে বলে আজ তুই একজনকে I love u বলবি আমরা যাকে বলব। শ্যামলীর মুখ দেখে অর এক বান্ধবি বলে –এই তোরা এটা বাদ দে ওকে দিয়ে এই সব হবে না।শ্যামলী ভাবল আজই বলতে হবে আর এত তারাতারি ওরা কাউকে খুঁজে পাবে না ,তাই বলল –বল তোরা কাকে বলতে হবে। bangla love sms
ওরা একে অন্নের দিকে তাকিয়ে বলল একসাথে- নিচের ওই ছেলেটাকে যে প্রতিদিন এদিক দিয়ে যায় ।শ্যামলী বলল- এই তোরা কি বলিস এই সব , সেতো কারো দিকে তাকিয়েও দেখে না ,তাকে কি ভাবে বলব ।তোরা অন্য কারো কথা বল,আমি ওকে কিছু বলতে পারবনা ।ওরা বলে – আমরা জানতাম তোকে দিয়ে হবে না।
শ্যামলী ঠিক আছে আমি বলবো। ওদের বললেও মনে মনে খুব ভয় পাচ্ছে,কি ভাবে কি বলবে বুঝতে পারছে না ।এভাবে রাজিব এর আসার সময় হয়ে গেল। ওর বান্ধবিরা ওকে ধাক্কা দিয়ে গেটের বাইরে বের করে দিল। শ্যামলীর হাতে একটা মোটা বই ভুল করে বই হাতে নিয়ে চলে এসেছে।রাজিব ওর সামনে আসতেই শ্যামলী কাঁপা শুরু করে আর ওর হাত থেকে বই টা পরে যায় । রাজিব দেখে একটা খুব সুন্দর মেয়ে রাস্তার মাঝ খানে দাড়িয়ে আছে ,ও পাশ কেটে চলে যাচ্ছিলো তখন বইটা পরে যায় । তাই ওকে সাহায্য করার জন্য বইটা তুলতে গেল,সাথে শ্যামলীও । দুজনে চোখাচোখি হয়, একটু পর অনুভব করে ওদের হাত একে অন্নের সাথে লেগে আছে।দুজনেই তাড়াতাড়ি হাত সরিয়ে নেয় ।শ্যামলী ওকে শুধু ধন্যবাদ দিয়ে চলে আসে। শ্যামলীকে ওর বান্ধবিরা কত কিছু বলে,সে সব ওর কানে যায় বলে মনে হয়না।যেন কোন ঘোড়ের মদ্ধে আছে । bangla romantic sms
এরপর থেকে শ্যামলী ওপর থেকে আর রাজিব নিচে থেকে দুজন দুজনকে দেখত যাওয়া আসার সময় । এভাবে রাজিব এর পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল । আর অনেক দিন হোল রাজিব এদিকে আসেনা । শ্যামলী তো অস্থির হয়ে পরে ।কি করবে ভেবে পায়না । রাজিব এর নাম ছাড়া যোগাযোগ করার জন্য সে কিছু জানেনা । একদিন ওদের বাসায় মেহমান আসে । শ্যামলীর আব্বু ওকে আর ওর আম্মুকে ডেকে বলল- এরা রাজিব এর মা বাবা ।কয়েকদিন আগে আমাকে ফোন করেছিল রাজিব র শ্যামলীর বিয়ের জন্য । আমি ভাল করে খোঁজ খবর নিয়ে আজ ওদের আসতে বলেছি । তারপর রাজিব সম্পর্কে সব বলল । পরে শ্যামলীর কাছে জানতে চায়-বল মা এখন তোমার কি মত আমাদের অনেক পছন্দ হয়েছে ।
শ্যামলী কিছুক্ষণ চুপ থেকে কি বলবে ভাবছে , মনের মধ্যে যেন আনন্দের ঝর বইছে । তারপর বলে – আপনারা যা ভাল বোঝেন করেন আমার কোন আপত্তি নেই। বিয়ে হল দুজনের খুব তাড়াতাড়ি ,বিয়ের আগে কেউ কাওকে দেখতে চাইনি তাই দেখাও হইনি।বিয়ের পর যখন প্রথম দুজনে একা হল তখন একে অন্নের চোখে চোখ রেখে এক সাথে বলল- I Love you